Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প437 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জ্যোৎঘনশ্যামের বিপদ

    গ্রামের নাম জ্যোৎঘনশ্যাম। যেমন দূর তেমনই নিবান্ধাপুর। এখনও দিনমানেও ওইসব গ্রামে যেতে গা ছমছম করে । তা আমার আশৈশবের বন্ধু মণিশঙ্করের বিয়ের চিঠি পেয়ে যাওয়ার তোড়জোড় করতেই হল। অনেকদিন ধরেই বিয়ের কথাবার্তা চলছিল ওর। চলছিল আর ভেঙে যাচ্ছিল। এবারে একেবারে পাকাপাকি। সব ঠিকঠাক। রেজেস্ট্রি চিঠিতে সবকিছু গুছিয়ে লিখেছ ও, কীভাবে যেতে হবে না হবে তার ম্যাপ এঁকে। আর এও লিখেছে, যেন দিনমানে যাই। সকালের দিকে রওনা হয়ে দুপুরের মধ্যে পৌঁছই। না হলে কিন্তু পথে দুর্ভোগের শেষ থাকবে না।

    একে মণিশঙ্করের বিয়ে, তায় আবার পথ নির্দেশিকায় অ্যাডভেঞ্চারের গন্ধ। আমার সহকর্মী পরেশকে অনেক কষ্টে বুঝিয়ে সুঝিয়ে রাজি করালাম আমার সঙ্গে যাওয়ার জন্য। প্রথমটায় ও যেতে রাজি হয়নি। পরে আমার জেদাজেদিতে হল। রাজি না হওয়ার কারণও ছিল অবশ্য। মণির সঙ্গে আলাপ-পরিচয় দূরের কথা, মণিকে ও চোখেও দেখেনি কখনও। তায় আবার এমনি বেড়াতে যাওয়া নয়, বিয়েবাড়ি বলে কথা। তাই সংকোচ একটু হচ্ছিল। পরে যখন ওকে বুঝিয়ে বললাম, এটা শহর বাজার হলে আলাদা ব্যাপার ছিল। যেহেতু এটি সুদূর গ্রামে এবং নিমন্ত্রণপত্রেও লেখা আছে ‘সবান্ধবে’ তখন না যাওয়ার কোনও মানেই হয় না। বিশেষ করে ও জায়গায় একা যাওয়ার ঝক্কি অনেক। কাজেই পরেশ না গেলে আমাকেও হয়তো যাত্রা স্থগিত রাখতে হবে। তাই শুনে একটু কিন্তু-কিন্তু করেও রাজি হয়ে গেল ও।

    যাওয়ার আগের দিন রাত্রে পরেশ এসে আমার কাছে রইল। পরদিন খুব ভোরে আমরা দু’জনে রওনা হলাম জ্যোৎঘনশ্যামের দিকে। রামরাজাতলা স্টেশনে এসে কোলাঘাটের দুটো টিকিট কেটে ট্রেনে উঠেই মেজাজটা গেল বিগড়ে। ট্রেনের বগিতে একটা ভিখারি চারদিক নোংরা করে মরে পড়ে আছে। দেখে মনে হল মরবার আগে ভীষণ যন্ত্রণা পেয়েছে বেচারি! আমি তো থুঃ থুঃ করে ঘেন্নায় থুতু ছেটালাম। পরেশ বলল, ‘যাত্রা শুভ।’ যাই হোক, আমরা পরের স্টেশন সাঁতরাগাছিতে নেমে অন্য বগিতে চলে এলাম।

    যাত্রা যে কতটা শুভ তা টের পেলাম হাতেনাতে কোলাঘাট স্টেশনে নেমেই। কাঁসাই নদীর তীর পর্যন্ত বেশ কয়েক মাইল যে বাসে আমরা যাব, গিয়ে শুনলাম কোনও একটি অজ্ঞাত কারণে সেই বাসটি নাকি আজ কয়েকদিন যাবৎ বন্ধ আছে।

    শুভ কাজে যাত্রার শুরুতেই এইরকম ঘটে যাওয়ায় মনটা অত্যন্ত দমে গেল। “কত?”

    পরেশ বলল, “তা হলে উপায়? এতদূর এসে কি শেষ পর্যন্ত ফিরে যেতে হবে?” “না না। ফিরে যাব কেন? বাস না থাকে সাইকেল রিকশা তো আছে। তাতেই যাব। তবে ভাড়া একটু বেশি পড়বে।”

    “তা ধরো না কেন কুড়ি-পঁচিশ টাকা তো নেবেই।”

    “একটা রিকশাকে ধরো তা হলে।”

    “দাঁড়া। আগে কোথাও বসে একটু জলযোগের ব্যাপারটা সেরে নিই। কেননা শুনেছি এ পথে কোথাও কিছু পাওয়া যায় না।” এই বলে রূপনারায়ণের বাঁধের ধারে হঠাৎ গজিয়ে ওঠা একটি খাবারের দোকানে বসে বেশটি করে দই মিষ্টি খেয়ে নিলাম।

    তারপর অনেক দরদাম করে ত্রিশ টাকা ভাড়ায় রাজি করালাম একজন রিকশাওয়ালাকে। রিকশা আমাদের নিয়ে তিরতিরিয়ে গ্রামের পথ ধরে চলতে লাগল। চলেছি তো চলেছি। পথের আর যেন শেষ হয় না। একসময় কাঁসাই নদীর বাঁধের কাছে এসে থামলাম। রিকশা যেখানে আমাদের নামালো সেখানটা দারুণ নির্জন। এই নির্জনতা আমার কল্পনাপ্রবণ মনকে যেমন আনন্দ দিল তেমনই ভাবতে লাগলাম এই সমস্ত অঞ্চলে যেসব গ্রাম আছে সেইসব গ্রামের মানুষরা কীভাবে বেঁচে আছেন? ডাক্তার বদ্যি, ওষুধপত্তর, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্তর কীভাবে সংগ্রহ করেন এঁরা! এইসব ভাবতে ভাবতে যখন যাচ্ছি তখন হঠাৎই এক জায়গায় একটি দৃশ্য দেখে চমকে উঠলাম দু’জনে। রাত্রি হলে হয়তো দু’জনেই জ্ঞান হারাতাম কিন্তু যেহেতু এটি প্রকাশ্য দিবালোক, তাই ভয়ে এবং বিস্ময়ে দু’জনের চোখের পাতা নড়ল না।

    পরেশ বলল, “এও কি সম্ভব!”

    “অসম্ভব কী? চোখের সামনেই তো দেখতে পাচ্ছি যা দেখবার।”

    আমরা দেখলাম বাঁধের ঢালে একটি ঘনপত্রবিশিষ্ট বটগাছের ছায়ায় রামরাজাতলা স্টেশনের ট্রেনের কামরায় দেখা মৃত ভিখারিটা সেই একই ভাবে সেইরকম যন্ত্রণাকাতর মুখে মরে পড়ে আছে। আমি আবার থুঃ করে থুতু ছেটালাম। মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল। আর এক মুহূর্তও সেখানে না দাঁড়িয়ে হনহন করে এগিয়ে চললাম নদীর ঘাটের দিকে। আমাদের দু’জনের সমস্ত আনন্দই তখন ম্লান হয়ে গেছে।

    এক সময় আমরা ঘাটে এসে পৌঁছলাম। এখানে দু’–একটি চায়ের দোকান আছে। আমরা একটি চায়ের দোকানে চা খেতে বসলাম । একটি নৌকা লোকজন নিয়ে তখন ওপারের দিকে রওনা হয়েছে। সেটি ফিরে না আসা পর্যন্ত আমরা ওপারে যেতে পারব না। চা খেতে খেতে দোকানদারের সঙ্গে সামান্য একটু আলাপ জমালাম। শুনলাম নৌকোয় ওপারে গিয়ে আবার রিকশা নিতে হবে। আরও দশ মাইল পথ গেলে তবেই সেই গ্রাম।

    দোকানদার জিজ্ঞেস করল, “আপনারা কোথা থেকে আসছেন বাবা?”

    বললাম, “রামরাজাতলা থেকে।” তারপর বললাম, “আচ্ছা ভাই, তোমাদের এখানে শ্মশান কোথায়?”

    দোকানদার অবাক হয়ে বলল, “এত কিছু থাকতে হঠাৎ শ্মশানের খোঁজ নিচ্ছেন কেন বাবু? আমাদের এখানে শ্মশান বলে কিছু নেই। কেউ মরেটরে গেলে এই নদীর ঘাটেই যেখানে হোক একটি সুবিধেমতো জায়গায় তাকে পোড়ানো হয়।”

    “গরিব দুঃখী লোকেরা কী করে? তারা কি পোড়ানোর অভাবে নদীর জলে ফেলে দেয়?”

    “কী যে বলেন বাবু! এখানে নদীতে কেউ মড়া ফেলে না।”

    “বিশ্বাস করলাম না।”

    “কেন ফেলবে বলুন তো বাবু? এখানে কি কাঠকুটোর অভাব আছে, না মানুষজন নাই?

    দরকার হলে পাঁচজনে চাঁদা তুলেও সৎকারটা করিয়ে দেয়।”

    “তা যদি হয় তা হলে এই একটু আগে আমরা দু’জনে ঘাটে আসবার পথে বটতলায় যে মানুষটাকে মরে পড়ে থাকতে দেখলাম তার কোনও ব্যবস্থা হয়নি কেন এখনও? দেখে তো মনে হল অনেকক্ষণ মরেছে। হয়তো একদিন আগেই মরেছে। এইভাবে রাস্তার ধারে মড়াটাকে ফেলে রাখা কি ঠিক? কিছু না হোক, লোকজন এনে নদীর গাবায় অন্তত সরিয়ে রাখুন। যাতে পচন ধরে দুর্গন্ধ না ছড়ায়।”

    দোকানদার আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, “কীসব আবোল তাবোল বকছেন বলুন দেখি আপনারা? কে এখানে বটতলায় মরে থাকবে। এই একটু আগে আমি এলাম, কিছু দেখলাম না, আর আপনারা বলছেন মড়া দেখলেন?”

    “আপনার কি ধারণা আমরা মিথ্যে কথা বলছি?”

    “না না তা কেন?” বলেই ডাকলেন, “বিশে! এই বিশে!” দোকানের পেছনদিকের খেতে একটি ছেলে আগাছা নিড়োচ্ছিল, দোকানদারের ডাকে এগিয়ে এসে বলল, “কী হয়েছে?” “বাবুরা বলছেন এই বটতলায় কে নাকি মরে পড়ে আছে। যা তো একবার দেখে যায় তো ব্যাপারটা কী।”

    ছেলেটি সঙ্গে সঙ্গে মাথায় গামছা বেঁধে ছুটল। এবং পরক্ষণেই ফিরে বলল, “কই না তো! কেউ তো নেই।”

    আমরা দু’জনে দু’জনের মুখ চাওয়াচাওয়ি করতে লাগলাম।

    দোকানদার বলল, “ঠিক আছে। বিশে, তুই একটু দোকানে বোস। আমিই বাবুদের সঙ্গে গিয়ে দেখে আসছি ব্যাপারটা কী। এমন তো হয় না কখনও?”

    আমাদের কৌতূহল তখন সীমাছাড়া হয়ে গেছে। তাই যেখানে ভিখারিটাকে মরে পড়ে থাকতে দেখেছিলাম, দোকানদারকে নিয়ে সেইখানে এলাম। কিন্তু কী আশ্চর্য! বটতলা তো ফাঁকা। সে মড়া তো সেখানে নেই।

    দোকানদার বলল, “কী যে বলেন বাবু!”

    আমরা তখন রামরাজাতলার ট্রেনের ঘটনাটার ব্যাপারও দোকানদারকে বললাম। দোকানদার বয়স্ক লোক। আমাদের কথা সব সব শুনে বলল, “এইবার বুঝেছি। তা বাবু ও সবে আজকাল কেউ বিশ্বাস করে না। তবে আমরা গ্রামের মানুষরা কিন্তু করি। আসলে আপনারা ভূত দেখেছেন।”

    পরেশ তো লাফিয়ে উঠল, “ভূত! এইরকম দিনের বেলায় ভূত দেখা যায় নাকি?”

    “দেখলেন তো! তা যদি না হবে আর গাঁজাটাঁজাও যদি না খেয়ে থাকেন তা হলে আপনারা আমায় মড়া দেখাতে পারলেন না কেন? আর একই মড়া দু’বার কেন দেখলেন বলুন? আমি তো মুখ্যু লোক। কিন্তু আপনারা শিক্ষিত লোক হয়ে এইরকম কেন দেখলেন? আপনারাই এর একটা বৈজ্ঞানিক যুক্তি দিন। বুঝিয়ে দিন যে, ওটা অন্য কিছু।”

    আমরা কী যে বলব তা ভেবে না পেয়ে চুপ করে রইলাম।

    দোকানদার বললে, “ওই আপনাদের নৌকো আসছে। তাড়াতাড়ি পার হয়ে ওপারে নেমেই একটা রিকশা ধরে গ্রামে চলে যান। জ্যোৎঘনশ্যামও ভাল জায়গা নয়। তাই সন্ধের আগেই পৌঁছতে চেষ্টা করবেন। আর কোনওদিকে বেশি তাকাবেন না। রাতভিত একা একা কেউ বেরোবেন না। ও জিনিস দিনের বেলায় যখন আপনাদের পিছু নিয়েছে তখন রাত্তিরেও দেখা দেবে। যেখানে-সেখানে দেখবেন ওইরকম অবস্থায় পড়ে থাকবে। তখন কিন্তু দারুণ ভয় পেয়ে যাবেন, বলে দিলাম।”

    আমরা আর আমাদের মধ্যে নেই তখন। দোকানদারকে চায়ের দাম দিয়ে ভাঙন বেয়ে নেমে এসে নৌকোয় চাপলাম। তারপর ওপারে পৌঁছেই রিকশা। একটিই মাত্র রিকশা দাঁড়িয়ে ছিল সেখানে। কাজেই কোনওরকম দরদাম না করে সেই রিকশায় চেপে বসলাম। আলোছায়ার পথে পথে নদীর বাঁধ ধরে রিকশা এগিয়ে চলল জ্যোৎঘনশ্যামের দিকে। প্রকৃতির দৃশ্য উপভোগ করা মাথায় উঠে গেছে তখন। কেবলই ভয় হচ্ছে, এই বুঝি আবার ওই দৃশ্য দেখতে পাই!

    যাই হোক, এক সময় ভর্তি দুপুরবেলায় আমরা জ্যোৎঘনশ্যামে রিকশা থেকে নামলাম। ওদের বাড়ির কাছ পর্যন্ত রিকশা গেল না। একটি উঁচু জায়গার কাছে এসে থেমে গেল। আমরা দু-একজন লোককে জিজ্ঞেস করে মণিশঙ্করদের বাড়িতে এসে হাজির হলাম।

    সেখানে তখন দারুণ ব্যাপার। বাপের একমাত্র ছেলে। তার বিয়ে বলে কথা! কাজেই রীতিমতো ধুমধাম। রেকর্ডে লতা কিশোরের গান বাজছে। আমাদের দেখে তো মণিশঙ্কর দারুণ খুশি। পরেশকে বুকে জড়িয়ে ‘এসো ভাই এসো’ বলে হাত ধরে ঘরে নিয়ে গেল। ওর মা-বাবা এলেন। জ্যাঠতুতো খুড়তুতো দিদিরা এল। সবার সঙ্গেই পরিচয় হলে মণিশঙ্কর ওদের পাশের বাড়িতে একজনদের একটি ঘরে নিয়ে গেল। মাটির ঘর এখানে। বলল, “ভাই, কাজের বাড়ি। তোমাদের বিশ্রামের ব্যাঘাত ঘটবে খুব। তাই এই ঘরটা তোমাদের জন্য আলাদা রেখেছি। এখানে তোমরা ছাড়া কেউ ঢুকবে না। কেউ তোমাদের বিব্রত করবে না। এখন মুখ হাত ধোয়ার জল এনে দিচ্ছি। জামাকাপড় ছাড়ো দিকিনি।”

    আমরা আলাদা একটি ঘর পেয়ে সত্যিই আনন্দ পেলাম খুব। মণির জন্য নিয়ে আসা সামান্য উপহারটুকু ওর হাতে তুলে দিয়ে বললাম, “আমাদের জন্য তোমাকে আর মাথা ঘামাতে হবে না। তুমি এবার তোমার আত্মীয় কুটুমদের দেখো। তোমার বিয়ে যেখানে হচ্ছে সেখানটা এখান থেকে কতদূর?”

    “সে অনেকদূর ভাই। এখন একটু চা-জলখাবার খেয়ে তোমরা পাশের পুকুরে অথবা টিউবওয়েলে স্নানটা সেরে নাও। বিকেল চারটায় বাস আসবে। তারপরই আমরা রওনা দেব।”

    যে বাড়িতে আমরা উঠেছিলাম তারাই মুখ-হাত ধোওয়ার জলটল দিল। তারপর মণির জ্যাঠতুতো বোন দুটো ডিশে করে বোঁদে আর পানতুয়া এনে খেতে দিল আমাদের। একজন চা-বিস্কুট নিয়ে এল।

    খেতে-খেতেই মণি একটু অন্যত্র গেলে পরেশ বলল, “আমাদের ওই ব্যাপারটা আজকের দিনে আর মণির কানে তুলে কাজ নেই। রাস্তায় আসতে আসতে যা আমরা দেখেছি তা আমাদের দু’জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাক।”

    আমি বললাম, “সে তো বটেই, এখন চল, সময় কাটাবার জন্য আমরা গ্রামের আনাচে কানাচে একটু কোথাও ঘুরে আসি।”

    পরেশ আর আমি দু’জনেই চললাম। কী চমৎকার গ্রাম! সত্যিকারের গ্রাম তা হলে আজও মরে যায়নি। গ্রাম ঘুরে মন ভরে গেল। গ্রামের বাঁধ ধরে ঘুরতে ঘুরতে একসময় আমরা শ্মশানে এসে পড়লাম। আর পোড়া কাঠ, মেটে কলসি ইত্যাদি দেখামাত্রই গা-টা ছমছমিয়ে উঠল। মনে পড়ল পর পর দু’বার দ্যাখা সেই দৃশ্যটা। যদি আবার দেখি, সেই ভয়ে ফিরে এলাম মণিদের বাড়িতে।

    দুপুরে স্নান-খাওয়ার পর সামান্য একটু বিশ্রাম নিতে না নিতেই বাস এসে গেল! কিন্তু এলে কী হবে। মেয়েদের সাজার পালা শেষ হতে-হতেই বেলা বয়ে গেল। মণির বাবা অত্যন্ত বদরাগী লোক। প্রচণ্ড ধমক ধামক দিয়ে একসময় যাহোক করে বাসে তুললেন সকলকে। মণিও আমাদের সঙ্গে ওই বাসেই চলল।

    গ্রাম ছেড়ে বনজঙ্গলের পথ ধরে আমরা এগোতে লাগলাম। বরযাত্রীতে ঠাসা বাস হাসি হুল্লোড়ে মুখর। অনেকেই বসবার জায়গা পায়নি। তাতে কী। এই আনন্দে সব কষ্টই সহ্য করে নেওয়া যায়। পরেশ আর আমি দু’জনেই বসবার জায়গা পেয়েছি। তাই মাঝেমধ্যে মণির সঙ্গে দুটো-একটা কথা বলে প্রকৃতির দৃশ্য দেখতে দেখতে এগিয়ে চললাম অজানা অচেনা দেশের দিকে।

    দেখতে দেখতে সন্ধে হয়ে গেল । সন্ধে পেরিয়ে রাত। বাস হু হু শব্দে ছুটে চলেছে তো চলেইছে। অনেকক্ষণ চলার পর বাস যেখানে এসে থামল সেখানে আর কোনও পথ নেই। যা রয়েছে তা হল কচুরিপানায় ভরা একটা পচা খাল।

    ড্রাইভার গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়ে বলল, “কী আশ্চর্য! এরকম খাল তো এর আগে এখানে কখনও দেখিনি।”

    মণির বাবা বললেন, “তুমি পথ ভুল করোনি তো হে ছোকরা!”

    ড্রাইভার বলল, “কী যে বলেন কাকাবাবু! শুধু তাই নয়, আমার মনে হচ্ছে আমরা যেন একই পথে অনেকক্ষণ ধরে ঘুরপাক খাচ্ছি।”

    “বলো কী?”

    “হ্যাঁ। পাছে আপনারা সবাই ভয় পান তাই এতক্ষণ কিছু বলিনি। কিন্তু…।’ “ওসব বাজে কথা রাখো। এখন চলো দেখি। গাড়ির মুখ অন্যদিকে ঘোরাও।”

    “তা ঘোরাচ্ছি। তবে কোনও লাভ হবে না। আমরা নির্ঘাত ইদিলপুরের ভূতের মাঠে এসে পড়েছি।”

    “তোমার মুণ্ডু। ঘোরাও অন্যদিকে গাড়ি।”

    অগত্যা গাড়ির মুখ অন্যদিকে ঘোরানো হল। কিন্তু ঘোরালে কী হবে? আবার সেই যাকে তাই। ঘুরেফিরে গাড়ি আবার সেই পচা খালে।

    পরেশ আর আমি তখন রীতিমতো ভগবানকে ডাকতে শুরু করেছি। হায় রে ভগবান ! আজ কী কুক্ষণেই না ঘর থেকে বেরিয়েছিলাম!

    মণির বাবা, ওর জ্যাঠামশাই সকলেরই দেখলাম মুখ শুকিয়ে এতটুকু হয়ে গেছে। তার কারণ, এইসব এলাকার গুণাগুণ তো এঁদের অজানা নয়। জনবসতিও এর কাছেপিঠেও কোথাও কিছু আছে বলে মনে হচ্ছে না। এখন উপায়?

    ড্রাইভার বলল, “যদি এটা সত্যিই ইদিলপুরের মাঠ হয় তা হলে কিন্তু আর আমাদের রক্ষে নেই। এই ফাঁকা মাঠে সকাল না হওয়া পর্যন্ত চুপচাপ বসে থাকতে হবে।” মণির বাবা বললেন, “সর্বনাশ! বিয়ে বলে কথা! শুধু গিয়ে পৌঁছতে না পারার জন্য লগ্নটাই বয়ে যাবে?”

    “এ ছাড়া উপায় কী বলুন? সারারাত ধরে গাড়ি চালালেও সামনে পেছনে ডাইনে বাঁয়ে সর্বত্রই এই খাল আমাদের পিছু পিছু ধাওয়া করবে।”

    সব শুনে আমরাও খুব ভয় পেয়ে গেলাম। মণির মনের অবস্থার কথা না বলাই ভাল।

    মেয়েরা তো রীতিমতো কান্নাকাটি শুরু করে দিল।

    মণির বাবা দারুণ রেগে সমানে দোষারোপ করতে লাগলেন মেয়েদের। বললেন, “কখন বিকেল চারটের সময় গাড়ি এসেছে। শুধু তোমাদের সাজের ঘটার জন্যই তো বাস ছাড়তে সন্ধে হয়ে গেল। আবার কাঁদছ যে বড়? আমি যদি সঙ্গে সঙ্গে শুধু বরকে নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিতাম তা হলে আজ আমার এই সর্বনাশটা হত না।”

    যাই হোক, সকলের অনুরোধে ড্রাইভার যখন গাড়ি ছাড়বার ব্যবস্থা করতে লাগল তেমন সময় দেখা গেল সেই অন্ধকারে হ্যাজাক জ্বেলে একদল লোক লাঠি-সোঁটা হাতে নিয়ে হইহই করে বাসের দিকে এগিয়ে আসছে।

    দেখেই তো বুক শুকিয়ে গেল ভয়ে। ডাকাত নয় তো! কেলেঙ্কারির চরম হয়ে যাবে তা হলে । কিন্তু না। যারা এল তারা আমাদেরই খোঁজে এল। এসেই উল্লাসে লাফিয়ে উঠল সকলে, “এই তো! এই তো! বর এসে গেছে।”

    একজন বলল, “আমি জানতুম ওরা ঠিক আসবে। আর পথ ভুল করে ঢুকে পড়বে এই মাঠে।”

    আর একজন বলল, “আপনাদের এত দেরি হল কেন?”

    মণির বাবা বললেন, “আপনারা?”

    “আমরা তো আপনাদের দেরি দেখে নিতে এসেছি।”

    “এইটাই তা হলে বসন্তপুর?”

    “আজ্ঞে না! এটা বসন্তপুর কী করে হবে? এ হল ইদিলপুরের ভুলো লাগার মাঠ। এই মাঠে সন্ধের পর একবার কেউ ভুল করে ঢুকে পড়লে আর তাকে প্রাণ নিয়ে বেরোতে হবে না। সারারাত মাঠময় ঘুরতে হবে আর ভোরবেলা এই মাঠের ভয়ঙ্কর সব ভূতেরা এসে গলা টিপে মারবে। সেই ভেবেই তো আমরা আপনাদের দেরি হচ্ছে দেখে এই মাঠে এসেছি। এখন চলুন। গাড়ি চালাও হে ড্রাইভার। আর কোনও ভয় নেই। সামনের দিকে মাইলখানেক গেলেই বসন্তপুর পেয়ে যাবে।”

    সবাই হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম আমরা। এবং কিছু সময়ের মধ্যেই বিয়েবাড়িতে এসে পৌঁছলাম। বেশ বড়লোকের বাড়ি। লোকজনে আলোকসজ্জায় জমজম করছে। আমরা যাওয়ামাত্রই সে কী হুলুস্থুল কাণ্ড ঘটে গেল, তা বর্ণনার অতীত। এমন আদর আপ্যায়নের ঠ্যালা যে, অস্থির হয়ে উঠলাম একেবারে। একটানা শাঁখ বাজছে তো বাজছেই। লুচি ভাজার গন্ধে, তরকারি মিষ্টির গন্ধে চারদিক যেন ম ম করছে।

    যাই হোক, মণির সঙ্গে আমরা আলাদা ঘরে বসলাম। মণির বাবা আর জ্যাঠামশাইকে পরম সমাদরে ওরা অন্যত্র নিয়ে গেল। মেয়েরা মিশে গেল মেয়েদের ভিড়ে। আমরা তিনজনে আলাদা একটি ঘরে বসে খোশগল্পে মেতে গেছি। দরজা-জানলায় উৎসাহী গ্রামবাসীদের মুখ। গল্প করতে করতেই মণি হঠাৎ আমার কানে কানে ফিসফিস করে একটা কথা বলল। কথাটা শুনেই আমি পরেশকে বললাম।

    মণি বলল, “তাড়াতাড়ি। আমি আর চেপে রাখতে পারছি না কিন্তু।” আমরা তিনজনেই চটপট বেরিয়ে এলাম বাইরে। একজন ছুটে এসে বললে, “কোথায় যান?”

    আমি তার কানে কানে ফিসফিস করে বলতেই সে বলল, “এই বাঁ দিকে একটা বাঁশবন আছে। তার গায়েই বসিয়ে দেবেন। পাশেই পুকুর। কোনও অসুবিধে হবে না।”

    আমি আর পরেশ বাঁশবনে না ঢুকে পুকুরপাড়েই বসিয়ে দিলাম মণিকে। দিয়ে যখন আমরা এদিকে-সেদিকে পায়চারি করছি তখনই দেখতে পেলাম সেই দৃশ্যটা। দেখলাম বাড়ির পেছনদিকের বাগানে যেখানে শামিয়ানা খাটিয়ে রান্না হচ্ছে সেখানে এক অদ্ভুত দৃশ্য। মানুষের বদলে দুটো কঙ্কাল রান্নাবান্নার কাজ করছে। তা ছাড়া বিয়েবাড়ির যত লোকজন সব যেই আলোর আড়ালে চলে যাচ্ছে অমনই তাদের কঙ্কালমূর্তি ফুটে উঠছে। দেখেই তো চক্ষুস্থির আমাদের।

    পরেশ আর আমি দু’জনে দু’জনকে নিঃশব্দে চেপে ধরলাম। আমাদের মনে প্রচণ্ড কৌতূহল। আমরা কি সত্যিই ভূত দেখছি? না কি সকাল থেকে যা দেখছি সবই আমাদের চোখের ভুল।

    ততক্ষণে মণিও এসে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ওরও চোখ কপালে উঠে গেছে তখন। মণি কাঁপা কাঁপা গলায় বলল, “কিছু বুঝতে পারছিস?”

    “পারছি বইকী!”

    “এ কোথায় এলাম রে আমরা?”

    “যেখানেই আসি না কেন আর এই বাড়িতে ঢোকা নয়! অন্ধকারেই মাঠে মাঠে পালাই চল। যদি আশপাশে কোনও গ্রাম দেখতে পাই তা হলে সেখান থেকেই কোনও লোকজন নিয়ে আবার আসা যাবে।”

    “কিন্তু আমার বাবা! জ্যাঠামশাই! আর সব বরযাত্রীরা?”

    “আপনি বাঁচলে বাপের নাম জানিস তো? এখন ঘরে গিয়ে ওদের ডাকাডাকি করতে গেলেই কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে।”

    অতএব আমরা সকলের নজর এড়িয়ে সেই অন্ধকারে যখন অনেকদূর চলে গেছি তখন দেখি আবার একটি দল আলো জ্বেলে লাঠি হাতে এই বাড়ির দিকে আসছে।

    ওদের দেখেই ভয় আরও বেশি হল আমাদের। আবার কি নতুন করে কোনও ভূতের পাল্লায় পড়লাম আমরা? তাই আর দেখা না দিয়ে কৌশলে ওদের পিছু নিলাম এবং ওদের কথোপকথন শুনতে লাগলাম।

    ওরা বলছে, “নির্ঘাত ওই ভূতের বাড়িতে ঢুকে পড়েছে ওরা। এত রাত্রে ওই বাড়িতে যখন আলো জ্বলছে তখন সর্বনাশ যা হওয়ার তা হয়ে গেছে।”

    আর একজন বলল, “তাই যদি হয় হলে ওদের উদ্ধার করবি কী করে?”

    “আমি তো জামাই বাবাজিকে চিনি। যেভাবেই হোক তার সঙ্গে দেখা করে কানে কানে বলে দেব ব্যাপারটা। তারপর সবাইকে সতর্ক করে চুপিচুপি পালিয়ে আসতে বলব?” “এত সোজা নাকি। ওই বাড়িতে ঢুকলে তোকেই তো গলা টিপে মারবে।”

    মণি আর থাকতে না পেরে বলল, “আপনারা কোথা থেকে আসছেন?”

    ওরা থমকে দাঁড়িয়ে বলল, “আমরা বসন্তপুর থেকে আসছি। আমাদের বর সহ বরযাত্রীর বাস আসবার কথা ছিল রাত্রি আটটার মধ্যে। কিন্তু রাত এখন একটা। তাদের কোনও খবর নেই।”

    “বর কোথা থেকে আসবার কথা ছিল বলুন তো?”

    “জ্যোৎঘনশ্যাম থেকে । বরেন নাম মণিশঙ্কর সামন্ত।”

    “আমিই আপনাদের বর। আমরা সবাই ভূতের পাল্লায় পড়েছি। আমার বাবা, জ্যাঠামশাই, এমনকী একশো বরযাত্রী সবাই ওই ভূতের বাড়ির মধ্যে রয়ে গেছে। শুধু বিশেষ প্রয়োজনে আমরা একবার বাড়ির বাইরে বেরিয়েই ব্যাপারটা বুঝতে পারি। আর তারপরই গা-ঢাকা দিই।”

    ওরা সঙ্গে সঙ্গে জড়িয়ে ধরল আমাদের। দু’জন তো কোলেই তুলে নিল মণিকে। তারপর বলল, “ঠিক আছে। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আপনারা চলুন আমাদের সঙ্গে। আপাতত শুভ কাজটা সম্পন্ন হোক। আর আমরা দলকে দল গ্রামসুদ্ধু লোক রোজা বদ্যি সঙ্গে নিয়ে ওই ভূতের বাড়িতে যাচ্ছি। গিয়ে দেখি কীভাবে ওদের উদ্ধার করতে পারি।”

    এবারে আর ভূতের বাড়ি নয়। সত্যিকারের বিয়েবাড়িতেই ঢুকলাম আমরা। মণি ওর পরিচিত সবাইকেই দেখতে পেল।

    আর ওরা করল কি, আমাদের সেই বিয়েবাড়িতে ঢুকিয়ে দিয়ে প্রায় শ’ দুই লোকের জনতা নিয়ে হইহই রবে সেই ভুতুড়ে বাড়ির দিকে ছুটে চলল। কথায় আছে দশ লাগে তো ভূত ভাগে। তাই হল। এত লোকের হইচইতে সব ভূতই ভেগে পালাল। আর বরযাত্রীদেরও নিরাপদে এ বাড়িতে আসতে অসুবিধে হল না কিছু।

    খাওয়াদাওয়ার পর আমরা যখন বাসরঘরে ঢুকেছি তখন হঠাৎই একটা হইচই শুনে বাইরে বেরিয়ে এলাম। কী ব্যাপার! ব্যাপারটা কী!

    একজন বলল, “আর বলবেন না মশাই! দরজার সামনে কোত্থেকে একটা ভিখিরি এসে মরে পড়ে আছে। কোথাকার কে তা কে জানে? এই রাতদুপুরে কী কাণ্ড বলুন দেখি?”

    বোঝো কারবার! পরেশ আর আমি পরস্পরের মুখের দিকে তাকালাম । মনে মনে ভাবলাম আর একটু পরেই ভোরের আলোটা একবার ফুটলে হয়! বরের গাড়ি জ্যোৎঘনশ্যামে পৌঁছে দিয়েই কেটে পড়ব আমরা। আর এক মুহূর্ত এখানে নয়!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    Next Article দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }