Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প437 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘনাপুরার কুঠিবাড়ি

    বিন্ধ্যাচলের কাছে শিউপুরা নামে একটি জায়গা আছে। শীতকালে অনেক বাঙালি স্বাস্থ্যোদ্ধারের জন্য সেখানে যান। একবার হল কি, আমিও আমার এক বন্ধুর সঙ্গে শিউপুরাতে এলাম। আমার বন্ধুর নাম অজয়। ও প্রতিবছরই ওর মা-বাবা ভাইবোনদের নিয়ে এখানে আসে। এবং মাসখানেক থেকে শরীর ভাল করে তারপরে যায়। এ বছর একটু অসুবিধের কারণে ওর বাড়ির লোকরা কেউ এল না। তাই দু’ বন্ধুতেই আমরা এলাম।

    শিউপুরাতে আসার আগে লগনদেওকে চিঠি লিখে ঘর বুক করে তবেই আসা হয়। কিন্তু এবারে সেসব কিছুই করা হয়নি। তাই লগনদেও অন্য চেঞ্জারদের ঘর দিয়ে ফেলেছে মাত্র দু’দিন আগে। এমন সময় আমরা গিয়ে হাজির।

    অজয়কে দেখেই তো জিভ কাটল লগনদেও। বলল, “এ কী বাবু, আপমি!” আমি। আমার ঘর কই?”

    অজয় বলল, “হ্যাঁ,

    “আমি তো এবারে আপনার কোনও চিঠি পাইনি। অন্যবারে আপনি মানি অর্ডারে টাকা পাঠিয়ে দেন, চিঠি দেন কিন্তু এবারে সেসব কিছুই করেননি। তাই ভাবলাম আপনাদের হয়তো কোনও অসুবিধে হয়ে গেছে, এ বছর এলেন না। এই ভেবে আমি অন্য লোককে ঘর দিয়ে দিলাম।”

    অজয় হেসে বলল, “তোমার অনুমানই ঠিক। আমাদের খুবই অসুবিধে এ বছর। তাই বাড়ির কেউ আসেনি। তবে কিনা আমার তো অসুবিধে কিছু নেই, সেইজন্য আমার এই বন্ধুটিকে নিয়ে চলে এলাম। এখন আমাদের থাকার একটু ব্যবস্থা করে দাও।”

    লগনদেও বলল, “অসম্ভব। এ বছর এত বেশি চেঞ্জারের ভিড় যে, কোথাও কোনও জায়গা খালি নেই।”

    “তা হলে কী হবে? ফিরে যাব আমরা?”

    “না না। ফিরে যাবেন কেন? ব্যবস্থা একটা হবেই। এখান থেকে তিন কিমি দূরে পাহাড়ের কোলে ঘনাপুরা নামে একটি গ্রাম আছে। তার জল হাওয়া আরও ভাল। আপনারা সেইখানেই চলে যান। তবে কিনা ওখানে গেলে একটু অসুবিধে হবে আপনাদের। দোকান বাজার করতে শিউপুরাতেই আসতে হবে। আর—।”

    “বলে ফ্যালো।”

    “আর একটা অসুবিধে হবে, সন্ধে পর্যন্ত বাইরে থাকতে পারবেন না।”

    আমি বললাম, “কেন?”

    “ওখানে একটু বাঘের ভয় আছে।”

    অজয় বলল, “কুছ পরোয়া নেই। ঘনাপুরাতেই যাব আমরা।”

    “যান। তার আগে আমাকে দশটা টাকা দিয়ে যান, আপনাদের জন্য দোকান বাজারটা তো করে নিয়ে যেতে হবে।”

    আমি দশটা টাকা লগনদেও-এর হাতে দিতেই ও খুব খুশি হয়ে ছোট্টু নামে একটি কিশোরী মেয়েকে আমাদের সঙ্গে দিল।

    ছোট্টু আমাদের সামান্য মালপত্তর যা ছিল তা মাথায় নিয়ে বলল, “চলিয়ে বাবুজি।” আমরা ছোটুকে অনুসরণ করে গ্রাম্য পথ ধরে পার্বত্য ঘনাপুরার দিকে চললাম। এই ঘনাপুরার উলটোদিকেই হল কালীকুঁয়ার বন। দুর্ধর্ষ সব ডাকাতের আস্তানা যেখানে।

    আমি যে সময়কার কথা বলছি তখন এইখানকার বনভূমি যে কী নিবিড় ছিল তা এখনকার মানুষ কল্পনাও করতে পারবে না। যেমন গভীর অরণ্য, তেমনই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা। গাছের ডালে ডালে যেমন ময়ূরের বাহার ছিল, তেমনই ছিল বানরের উপদ্রব।

    যাই হোক, একসময় আমরা ছোটুর সঙ্গে ঘনাপুরায় এসে পৌঁছলাম। এইখানে ইংরেজ আমলের পরিত্যক্ত একটি কুঠিবাড়ি ছিল। তারই একটি ঘরে আশ্রয় হল আমাদের। ঘরটা ধুলোয় ময়লায় ভরা। কিন্তু হলে কী হয়, মিষ্টি মেয়ে ছোট্ট নিমেষের মধ্যে ঘর ঝাঁট দিয়ে পরিষ্কার করে দু’জনের জন্য দুটো নোয়ারের খাটিয়া এনে পেতে দিল। আমরা তার ওপর বেডশিট বিছিয়ে সেটাকে আমাদের শোওয়া-বসার উপযোগী করে নিলাম।

    একটু পরেই লগনদেও এল। চাল ডাল তেল নুন আলু আর আণ্ডা নিয়ে। চালের সের তখন আট আনা। তেল আড়াই টাকা, আর এক টাকায় এক ডজন আণ্ডা। পাঁচ সিকে দেড় টাকায় একটা গোটা মুরগিও পাওয়া যেত। ভাবা যায়?

    রান্নার জন্য কেরোসিন স্টোভের চল অতটা ছিল না তখন। ঘুঁটে কয়লার উনুনে অথবা উনুনের মতো করে ইট পাথর সাজিয়ে তাইতে কাঠ জ্বেলে রান্না করা হত।

    আমরা লগনদেওকে বললাম, “সবেরই তো ব্যবস্থা হল, এখন রান্না করার জন্য একজন কাউকে ব্যবস্থা করে দাও।”

    লগনদেও বলল, “কেন, ছোট্টুকে তো দিয়েছি। ও-ই সব ব্যবস্থা করে দেবে। সারাদিন ও আপনাদের কাছে কাছে থাকবে। শুধু রাত্রে চলে যাবে ওর মায়ের কাছে।”

    লগনদেও এর পর ওর পরিচিতদের সঙ্গে একটু বাতচিত করে আমাদের দেখভাল-এর পরামর্শ দিয়ে চলে গেল শিউপুরার দিকে।

    ছোট্টু আমাদের রান্নাবান্নার কাজে লেগে গেল। আর আমরা অল্প সময়ের মধ্যে ঘনাপুরাকে চষে ফেলে ওখানকার পরিষ্কার ইঁদারার জলে স্নানটান করে মধ্যাহ্নভোজনের জন্য তৈরি হলাম।

    কিশোরী ছোটুকে খুবই ভাল লেগে গেল আমাদের। গায়ের রং মাজা কালো। ভাসা ভাসা চোখ আর কী সুন্দর ওর মুখখানি। খুবই গরিবের মেয়ে। ওর বয়স যখন দু’ বছর তখন ওর বাবা কালীকুঁয়ার ডাকাতদের হাতে প্রাণ হারায়। এখন ওর বয়স চোদ্দো বছর। একমাত্র মা ছাড়া আর কেউ নেই ওর। মা জঙ্গলে কাঠ কুড়িয়ে সেই কাঠ বাজারে বিক্রি করে কোনওরকমে দিন চালায়। ছোটুর বিয়ের জন্যও কথাবার্তা চলছে শিউপুরার একটি ছেলের সঙ্গে, কিন্তু ছেেেলটির বাবা দু’ হাজার টাকা নগদ না পেলে এই বিয়েতে রাজি নয়।

    যাই হোক, আমরা মধ্যাহ্নভোজন সেরে ট্রেন জার্নির ক্লান্তি দূর করতে তেড়ে একটা ঘুম দিলাম। বিকেলে ঘুম থেকে উঠে ছোট্টুকে ডেকে চা করতে বললাম। ও খুব আনন্দের সঙ্গেই আমাদের কাজ করতে লাগল। তার ওপর আমরা যে ক’দিন এখানে থাকব সেই ক’দিন আমাদের সঙ্গে ওকে খেতে বলায় ও আরও খুশি।

    আমরা যখন কুঠিবাড়ির বাইরে বসে চা খাচ্ছি সেই সময় ছোট্টুর মা এল। ওর মাকে আরও সুন্দর দেখতে। মা এসে বলল, “লগনদেও তোমাদের এই বাড়িতে থাকতে দিয়েছে?”

    আমি বললাম, “হ্যাঁ। শিউপুরাতে একটি ঘরও খালি নেই।”

    বুঝতে পারছি না।” আমার একটু ভূতের ভয় আছে। তাই বললাম, “কেন, রাত্রিবেলা খারাপ কিছু হয় নাকি এখানে?”

    “কিন্তু এই বাড়িতে তোমরা কেমন করে থাকবে আমি তো কিছু

    “কী যে হয় আর কী হয় না, তা আমরাও জানি না। তবে এই কুঠিবাড়িতে এর আগেও যারা এসেছিল তারা কেউ এক রাতের বেশি থাকতে পারেনি। সাহেব আমলের পুরনো বাড়ি৷ কত নাচ-গান, হইহল্লা, আমোদ-ফুর্তি, কত খুনখারাপি হয়েছে এখানে, তার ঠিক নেই।”

    অজয় বলল, “তাতে কী? এই বন পাহাড়ের দেশে এমন একটা আশ্রয় যখন পেয়েছি তখন কোনও কিছুরই ভয়ে এখান থেকে আমরা যাচ্ছি না।”

    অজয় বলল বটে, আমার কিন্তু ভয় কাটল না।

    ছোটুর মা আমাদের রাতের খাবারের জন্য কয়েকটা রুটি ও ডাল তৈরি করে দিয়ে বিদায় নিল। আমরা ছোটুর জন্য ডাল রুটি দিয়ে দিলাম ওর মাকে। তারপর পাহাড় জঙ্গলের দেশে বনভূমির ফাঁক-ফোকরে যতটুকু যাওয়া যায় গিয়ে ফিরে এলাম।

    সন্ধে হতেই ছোট্টুর মা একটা লণ্ঠন নিয়ে এসে রেখে গেল আমাদের জন্য। তারই আলোয় দু’জনে দুটো গল্পের বই নিয়ে পড়তে লাগলাম। কিন্তু রাতের কুঠিবাড়ি যে কখন কী চেহারা নেবে তাই কল্পনা করেই শিউরে উঠতে লাগলাম আমি। বেশিক্ষণ বইয়ে মনোনিবেশ করতে পারলাম না। বই মুড়ে রেখে অকারণেই পায়চারি করতে লাগলাম ঘরময়। কিন্তু আশ্চর্য! অজয়ের কোনও ভাবান্তর নেই।

    একসময় ও-ই আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “কী হল তোর? ভয় করছে?” “তা একটু করছে বইকী! এইরকম একটা বাড়িতে রাত্রিবাস করা রীতিমতো ভয়ের ব্যাপার।”

    “ভয়ের তো একটা কারণ থাকবে?”

    “সেই কারণটা যখন ঘটবে তখনই টের পাবি। প্রথমে আলো নিভবে। তারপর খাটিয়া দুটো এদিক-ওদিক করবে। পরে বন্ধ দরজার খিল আপনা থেকেই খুলে যাবে। নয়তো হাজার চেষ্টা সত্ত্বেও দরজা-জানলার কিছুই আমরা খুলতে পারব না। অর্থাৎ ছকে বাঁধা নিয়মগুলো এক-এক করেই হতে থাকবে সব।”

    অজয় বলল, “কোনও কিছুই হবে না। খেয়েদেয়ে শুয়ে পড়, তেড়ে একটা ঘুম দে, দেখবি সকাল হয়ে গেছে।”

    ওর কথামতো তাই করলাম। কিন্তু করলে কী হবে, দুপুরে ঘুমিয়ে পড়ার ফলে আর মনের মধ্যে একটা অজানা আতঙ্ক দানা বেঁধে থাকায় ঘুম কিছুতেই এল না। হঠাৎই দরজায় টক টক শব্দ।

    ভয়ে বুক আমার শুকিয়ে যেতে লাগল। এই বুঝি আরম্ভ হল ভূতের উপদ্রব। আমার ভয় দেখে অজয়ই উঠে গিয়ে দরজা খুলল।

    ছোটুর মা সামনে দাঁড়িয়ে। বলল, “তোমাদের কোনও অসুবিধা হচ্ছে না তো?”

    অজয় বলল, “না, না।”

    “তোমরা দু’জনে ইচ্ছে করলে আমার ঘরে গিয়ে থাকতে পারো। আমরা মা-মেয়েয় আলাদা ঘরে শোবো, তোমরা দু’জনে একসঙ্গে থাকবে।”

    অজয় বলল, “কোনও দরকার নেই। বেশ আছি আমরা। এই রাতদুপুরে এই ঘর ছেড়ে কোথাও যাচ্ছি না।”

    আমি ততক্ষণে বেডশিট গুটিয়ে উঠে পড়েছি। বললাম, “ও না যায় না যাবে। আমি যাব। আমার ভয় করছে খুব।”

    অজয় বলল, “কাপুরুষ কোথাকার! যা তবে বেরিয়ে যা। আমি একাই থাকব এই ঘরে। আমার কোনও ভয়ডর নেই।”

    আমি আমার টর্চটি হাতে করে ব্যাগ, বেডশিট যা ছিল সব নিয়ে ছোটুর মায়ের সঙ্গে ওদের ঘরে চলে এলাম। গরিব মানুষের মাটির ঘর। দুটো ঘর পাশাপাশি। একটিতে আবর্জনা ভর্তি। অপরটি বসবাসের। তাইতেই একটি খাটিয়ায় পুরু করে কাঁথা পেতে বিছানা করা আছে। আর একটি শয্যা প্রস্তুত আছে ঘরের মেঝেয়। আমাদের দু’জনের জন্যই এই ব্যবস্থা। ওরা মা-মেয়েতে পাশের ঘরে সেই আবর্জনার পাশেই একটু জায়গা করে নিয়ে শুতে গেল। আমি রইলাম এই ঘরে।

    ছোটুর মা বারবার বলল, “কী জেদি বাঙালি বাচ্ছা রে বাবা। একদম ভয়ডর নেই। এত করে বললাম তবু শুনল না। মা জগদম্বা সবার ভাল করুন। ওর যেন কোনও বিপদ না হয়।” একা ঘরে ছোট্ট একটি চিমনি জ্বেলে শুয়ে রইলাম চুপচাপ। সে আলোয় অন্ধকারের কোনও ক্ষতিই হল না। না হোক, এখানে শুয়ে থাকলে আর যাই হোক ভূতের হাতে প্রাণ তো দিতে হবে না।

    শুয়ে রইলাম। কিন্তু ঘুম এল না। হঠাৎই আমার কানে এল বিশ্রী ধরনের একরকম গানবাজনার শব্দ। মনে হল কারা যেন হইহল্লা করছে, নাচছে আর দারুণ সব বেলেল্লাপনার গান গাইছে। এসব যে কোথা থেকে ভেসে আসছে তা বুঝতে আর বাকি রইল না। আমি টর্চের আলোয় ঘরের দরজা খুলে উঁকি মেরেই দেখি দূরের সেই কুঠিবাড়ি যেন রাতের অন্ধকারে প্রাণ পেয়ে জেগে উঠেছে। ঘরের ভেতর আলো জ্বলছে। বেলজিয়াম কাচের ভেতর দিয়ে ফুটে বেরোচ্ছে সেই আলো।

    এই মুহূর্তে কেমন যেন এক অলৌকিক প্রভাবে আমার মনের ভেতর থেকে সমস্ত ভয় দূর হয়ে গেল। নিজেকে এবার সত্যিই কাপুরুষ বলে মনে হল আমার। অজয়কে ওইভাবে কুঠিবাড়িতে একা ফেলে রেখে এইভাবে চলে আসাটা কোনওমতেই উচিত হয়নি আমার। তাই এখনই ওকে ওইসব উপদ্রবের হাত থেকে রক্ষা করা প্রয়োজন মনে করে জুতোটা পায়ে গলিয়ে নামতে যাচ্ছি অমনই ছোট্টু এসে হাত ধরল আমার, “কাঁহা যা রহে তুম?” বললাম, “কুঠিবাড়িতে।”

    “মাত যাও। ওখানে গেলেই তোমার বিপদ হবে।”

    ততক্ষণে ছোটুর মা-ও উঠে এসেছে, “কী হল রে ছোটু?” তারপর আমাকে দেখেই বলল, “এত রাতে কোথায় যাচ্ছ তুমি?”

    আমি কুঠিবাড়ির দিকে আঙুল দেখিয়ে বললাম, “আমার বন্ধুর কাছে। তোমরাও এসো আমার সঙ্গে। চেঁচিয়ে গ্রামের আর সব লে কদের ডাকো।”

    ছোটুর মা বলল, “কেন মিছিমিছি পরিশান হতে যাচ্ছ? ওই সাহেব ভূতেরা ওইরকমই। হঠাৎ করে ওই কুঠিবাড়িতে কোনও মেহমান এলে ওদের খুব আনন্দ হয় এবং তখনই ওইসব আরম্ভ করে। সারারাত এই গানবাজনা চলবে ওদের। এই সময় কেউ বাধা দিলে ভীষণ রেগে যায় ওরা। আর গ্রামের লোকেদের কথা বলছ? হাজার ডাকাডাকি করলেও কেউ আসবে না। জেনেশুনে কেউ যাবে না ওখানে।”

    আমি বললাম, “এইরকমই যখন ব্যাপার, তখন আগেভাগে আমাদের সতর্ক না করে ওই কুঠিবাড়িতে ঢুকিয়ে দেওয়াটা কোনওমতেই উচিত হয়নি লগনদেওয়ের। কাল সকালে ও আসুক, তারপর যা বলবার বলব ওকে।”

    “বলাই উচিত। গত দু’ বছরের মধ্যে কেউ রাত কাটায়নি ওই বাড়িতে। সেইজন্যই ও মওকা বুঝে তোমাদের ওই বাড়িতে ঢুকিয়ে পরখ করে দেখতে চেয়েছিল উপদ্রবটা আগের মতোই হয় কিনা। অথচ মজার ব্যাপার, দিনের বেলায় আমরা ওই বাড়িতে ঢুকি বেরোই কিন্তু কারও কিছু হয় না। শুধু রাত্রিবাস করতে গেলেই যা বিপত্তি।”

    কুঠিবাড়ির বেলেল্লাপনা তখন চরমে উঠেছে। নাচগানের সঙ্গে চলেছে ‘হ্যাঃ হ্যাঃ’ করে সে কী বিকট হাসি!

    আমি সব ভয়কে জয় করে সাহসে বুক বেঁধে হনহন করে এগিয়ে চললাম কুঠিবাড়ির দিকে। ওরা মা-মেয়েতে অবাক বিস্ময়ে দেখতে লাগল আমার চলে যাওয়া।

    কুঠিবাড়ির সামনে এসে একবার থমকে দাঁড়ালাম আমি। তারপর এগিয়ে গিয়ে দুম দুম করে দুটো লাথি মারলাম দরজায়। সঙ্গে সঙ্গে গানবাজনা থেমে গেল। আলোও নিভে গেল ঘরের।

    আর কী হল?

    দরজাটা দু’ হাট হয়ে খুলে গেল। আমার সামনে এসে দাঁড়াল কুকুরমুখো এক ফিরিঙ্গি সাহেব। যেমন বিচ্ছিরি তার চেহারা, তেমনই সাজপোশাক। ক্রুদ্ধ সাহেব আমার দিকে তাকিয়ে কঠিন গলায় বলল, “হোয়াট ডু ইউ ওয়ান্ট?”

    আমি তখন ভীষণ রেগেছি। বললাম, “আই ওয়ান্ট টু ষষ্ঠীপুজো তোদের বাপের।” “স্পিক ইংলিশ, ব্লাডি নেটিভ।”

    “শাট-আপ। অসভ্য ট্যাঁশ ফিরিঙ্গির দল। তোদের বাপ-ঠাকুর্দা যে যেখানে আছে সবার নাম-ঠিকানা একটা কাগজে লিখে এখনই আমাকে দে। ফেরার পথে তোদের সবাইকে গয়ায় নেমে একটা করে পিণ্ডি দিয়ে তবেই আমি বাড়ি যাব।”

    সাহেব আমার কথার মানে কী বুঝল কে জানে? অন্ধকারে আরও অনেকগুলো ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে ছিল, তাদের কাছ থেকে একটা কাগজ চেয়ে খসখস করে কতকগুলো নাম লিখে আমার হাতে দিয়ে বলল, “গেট আউট।”

    আমি বললাম, “যাব তো বটেই। নাহলে এই রাতদুপুরে এখানে বসে কি তোদের কেত্তন শুনব? তবে যাওয়ার আগে তোদের হাল কী করি দ্যাখ।” বলেই সম্মোহিতের মতো দাঁড়িয়ে থাকা অজয়ের হাত ধরে টেনে ঘর থেকে বের করে আনলাম ওকে। তারপর ঘরের মধ্যে যে লণ্ঠনটা ছিল সেটা খাটিয়ার ওপর কাত করে খানিকটা তেল ঢেলেই শিখা দিয়ে ধরিয়ে দিলাম আগুনটা। শুধু খাটিয়ায় নয়, সেই আগুন ছড়িয়ে দিলাম আশপাশেও।

    সঙ্গে সঙ্গে ভেলকির খেলা। ইংরেজিতে অশ্রাব্য গালাগালি দিতে দিতে ছায়ামূর্তিগুলো জানলা দরজা গলে যে যেদিক দিয়ে পারল পালাল।

    লেলিহান অগ্নিশিখায় কুঠিবাড়ি পুড়ে ছাই। আমিও অজয়কে নিয়ে ছোট্রুদের বাড়িতে এসে চোখেমুখে জলের ঝাপটা দিয়ে ঘোর কাটালাম ওর।

    একটু প্রকৃতিস্থ হয়ে ও বলল, আমি চলে আসার পর কখন যে কী হয়েছিল তা ওর মনে

    নেই। তবে ওদের দলে ভিড়ে এবং উৎসাহ পেয়ে ও শুধু নেচেই চলেছিল, নেচেই চলেছিল। পরদিনই আমরা কুঠিবাড়ির সর্বনাশ দেখে ঘনাপুরা ত্যাগ করেছিলাম। লগনদেও কারও মুখে খবর পেয়েই সম্ভবত ভয়ে দেখা করেনি আমাদের সঙ্গে। তবে কিনা ফেরার পথে গয়ায় পিণ্ডি দিতে গিয়ে এক অন্য অভিজ্ঞতা হল। পাণ্ডারা বলল, “আমরা গুণ্ডাগর্দি করি, মানুষ খুন করি, জ্যান্ত মানুষেরও পিণ্ডি চটকাই। কিন্তু সাহেব ভূতের পিণ্ডির মন্ত্র আমাদের কারও জানা নেই। তবে কিনা আমাদের যেমন গয়া তেমনই ওদের হয়তো গোয়া। তা আপনারা একবার গোয়ায় গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে দেখতে পারেন।”

    আমাদের বয়েই গেছে গোয়ায় যেতে। তাই গয়া থেকে বুদ্ধগয়া দেখে দু’-একদিনের মধ্যেই আমরা বাড়ি ফিরে এসেছিলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    Next Article দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }