Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প816 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পটলার নাট্যচর্চা

    পটলা খুবই রেগে গেছে। রাগাটাই স্বাভাবিক। ‘তিনসঙ্গী ক্লাব’ ওকে তাদের নাটকে অভিনয় করার জন্য নিয়ে গেছে, বন্দীপুরের রাজপুত্রের রোল। এর আগে পটলা ক্লাবে মুকুট-এর নাটকেও রাজপুত্রের অভিনয় করেছিল। পটলার চেহারাখানা সুন্দরই। ফর্সা রং, টানা টানা চোখ, বেশ গত্তিলাগা শরীর।

    কিন্তু গোল বাধে পটলা যখন কথা বলে।

    জিবটা আলটাকরায় আটকে যায় বেশ টাইট হয়ে। আর পটলাও ব্যাকুলভাবে জিবটাকে ছাড়াবার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করে।

    ফলে অঘটন ঘটে তখুনিই।

    বন্দীপুরের রাজপুত্রবেশী পটলা প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে প্রথম গাড্ডায় পড়ল। এতক্ষণ অবধি কোনোরকমে সাবধানে পার্ট বলে এসেছে। খুব তেজি সিন নয়। তৃতীয় দৃশ্য থেকেই নাটক জমে উঠেছে। রাজপুত্রকে এবার তার পিতৃদেব রাজধানী থেকে তাড়িয়ে দেবার ব্যবস্থা করছে।

    উত্তেজিত রাজপুত্র এইবার পিতৃদেবের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করছে। সেই মুহূর্তেই রাজপুত্রের জিবটা গেল জম্পেশ হয়ে আলটাকরায় আটকে।

    পিতা…ত…ত…

    জিব আর ছাড়ে না। সেঁটে লেগে গেছে। পটলার দু চোখ কপালে উঠেছে, তরবারি বের করে শূন্যে তুলেছে কিন্তু বাক্য আর সরে না—ত ত…তো—

    তিনসঙ্গী ক্লাবের হলধরের ছিল এই পার্ট। সে আবার ল্যাংড়া। রাজপুত্র ল্যাংড়া হলে অচল, ওদের মোশন মাস্টার তাই বাতিল করেছিল হলধরকে। হলধরের অন্য দলবলও রেডি ছিল। এবার তারাই আওয়াজ দেয়—ব্যাকগিয়ার মারছে রে। শালা তোতলা—

    পটলা ততক্ষণে জিবটাকে ছাড়িয়ে বীরদর্পে হুঙ্কার তোলে—মারে করিব বধ! তারপর রাজ্য প–প-প-

    জবাবে ওরা একঝাঁক গুলি ছুঁড়ল।

    আবার চেঁচালাম, বোকামো কোরো না। বিশাল হিন্দুস্থানী ফৌজ তোমাদের চারদিক থেকে ঘিরে ধরেছে। তোমাদের সাহায্যকারী দলকে আমরা মেরে বর্ডারের ওপারে ভাসিয়ে দিয়েছি। এটাই শেষ সুযোগ, আত্মসমর্পণ কর।

    এবার জঙ্গীরা কোনো জবাব দিল না। গুলিও ছুঁড়ল না।

    সুখদেব রেডিওতে বলল, ওরা হাল ছাড়বে না। বেকার চেষ্টা স্যার

    হুঁ। আমি বললাম ।

    লেট আস কিল দেম স্যার। চলুন, ছেঁচে আসি ব্যাটাদের।

    দাঁড়াও। আমি বললাম, জয়কারা বলো। সমস্ত দল।

    আমার নির্দেশে সৈন্যবাহিনীর সব কটা দল নিজ নিজ ঐতিহ্য অনুযায়ী জয়ধ্বনি দিতে শুরু করল। যুদ্ধের চরম মুহূর্তে অ্যাটাক শুরু করবার আগে এরকম জয়ধ্বনি দেওয়া হয়। শিখ সৈন্য গর্জন করল, বোলে সো নিহাল, সৎ শ্রী অকাল।

    ডোগরা সৈন্যদল বলল, বোলে জয়, ভগবতী মাতা শেরাওয়ালি দুর্গে—

    গোর্খা সৈন্যরা উত্তরের পাহাড়ে কুকরি খুলে মাথার ওপর তুলল। আয়ো গোরখালি—ই— ই—

    রি-ইনফোর্সমেন্টের মারাঠি সৈন্যরা গর্জে উঠল, হর হর মহাদেও-

    অতগুলি সৈন্যদলের সম্মিলিত জয়ধ্বনি মেঘের আওয়াজের মত গমগম করতে লাগল প্রতিধ্বনিত হল পাহাড়ে পাহাড়ে। আমি চোঙে চেঁচালাম, এই শেষ সুযোগ। যারা যার আত্মসমর্পণ করতে চাও-

    এবার গেরিলাদের দলে একটা ব্যাপার ঘটল। প্রথমে ক্যাট ক্যাট, তারপর ক্যাটা ক্যাট ক্যাট, কয়েক রাউণ্ড গুলির শব্দ পাওয়া গেল। গেরিলারা নিজেদের মধ্যেই খুনোখুনি শুরু করল। আত্মসমর্পণে ইচ্ছুকরাই দলে ভারী ছিল। খানিক পরে গুলির শব্দ থামল। একের পর এক জঙ্গীরা দুহাত ওপরে তুলে বেরিয়ে আসতে লাগল ব্যাহকের আড়াল থেকে। বিভিন্ন জাতির বিশাল ভারতীয় সেনাবাহিনীর ভয়ে ওরা অস্ত্রত্যাগ করে বসল, সব আদর্শ, অস্ত্রশিক্ষা জলাঞ্জলি দিয়ে।

    একটিমাত্র বুলেট ব্যবহার করে নীলসান্দ ব্যাহকের যুদ্ধে ভারতীয় সৈন্যবাহিনী জয়লাভ করল। হতাহত–শত্রুর পক্ষে সাত জন নিহত, আহত শূন্য, বন্দী চৌত্রিশ জন। ভারতীয় পক্ষে হতাহত শূন্য। সাত জন শত্রুর মধ্যে ছয় জনই মারা পড়েছে নিজেদের গুলিতে, তার মধে জঙ্গীদের এরিয়া কমাণ্ডার মহম্মদ মকবুল লোনও রয়েছে।

    চোখধাঁধানো বিজয়। কর্নেল রেডিওতে চেঁচালেন আনন্দে আত্মহারা হয়ে, দারুণ অভিনন্দন, বুদ্ধদেব। বীরচক্রের জন্য তোমাদের নাম সুপারিশ করা হচ্ছে।

    থ্যাংক ইউ স্যার। আজকের আসল হিরো কিন্তু লেফটেনান্ট সুখদেব। মেডেলটা ওরই পাওয়া উচিত।

    সন্ধের আগেই আমরা মহুয়াতে নেমে এলাম। সুখদেব সিং আজকের রাতটা এখানেই কাটাবে। কাল সকালে ও ফিরে যাবে ঈগলের বাসায়, মানে ওর ক্যাম্পে, পাহাড়ের টঙে সন্ধের পর আমি হেড-কোয়ার্টারে ফোন করলাম মেজর শ্রীবাস্তবকে। স্যার, আমার ক্যাসেটটার কি হল ?

    ও প্রান্তে আজিজুলের গলা পেলাম, হ্যাঁ স্যার। আমি আজিজুল বলছি। না, স্যার, পুরে শহরে কোথাও পাওয়া গেল না। আমি তো কদিন আগেই বাড়ি গিয়েছিলাম ঈদের ছুটিতে আপনি যদি বলতেন, নিয়ে আসতাম।

    দূর ছাই! আমি হাসি, আমি কি জানতাম? ভেবেছিলাম ছুটি পাব।

    ভোরে রেডিও খুলবেন, স্যার। আমি তো প্রায়ই বাংলা সেন্টার ধরতে পারি।

    নিরাশ মনে ঘুমোতে গেলাম। পাগল নাকি, বাংলা সেন্টার! শেষরাতে ঘুম ভাঙল রেডিওটা বিছানাতেই ছিল। নব ঘোরাতেই গায়ে কাঁটা দিয়ে কানে এল, অভ্রান্ত কণ্ঠস্বর, য দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেন সংস্থিতা—

    বাংলা নয়। হিন্দিতেও একটা সংস্করণ আছে ওই অনুষ্ঠানের। তবে চণ্ডীপাঠ সেই বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের, গানগুলিও বাংলা। মহুয়ার সেই সুদূর পর্বতমালার কোলে যেখানে ঝিলম নদীর কলকল শব্দ ছাড়া শেষরাতে অন্য কোনো শব্দ নেই, পাথরের একতলা বাড়ি থেকে চারদিকে উপচে পড়ল সুরের নদী। বাজল আবার সুরের বেণু।

    কলকাতার বাড়িতে হলে মা এখন চা বসাতেন। আমি শুয়ে শুয়ে আধঘুমে শুনি। হঠাৎ চটকা ভেঙে দেখি আর্দালি হরপ্রীত। চা এনেছে।

    সৎ শ্রী অকাল সাব। আ কেরা পোগরাম, সাব ?

    বাংলা ভাষায় গুরুবাণী পাঠ। ওকে বলি । বীরেন ভদ্র এতক্ষণে কেঁদে ফেলেছেন। স্তব্ধ হয়ে সমস্ত ক্যাম্প শুনছে সেই কান্না। মাগো, আমাদের শুভবোধ দাও ।

    মহিষাসুরের পরাজয় অনিবার্য। চিরকাল।

    দর্শককুলের মধ্য থেকে আওয়াজ ওঠে—পেড়ে ফেলব!

    কে সরবে ঘোষণা করে—পালচাপা দেব।

    কে আবার হেঁকে ওঠে—প্যাদাব পটলা ।

    প’কারান্ত অনেক রকম ব্যবস্থাই পাকাপাকি নেবার কথা ঘোষণা করে তারা শেষ অবধি পটলচন্দ্র ভিতরে এসেছে, এই শীতেও ঘামছে।

    মোশন মাস্টার ততক্ষণে গোলমাল থামাবার জন্য জিপসি নাচ-এর ব্যবস্থা করেছে মঞ্চে। আমরাও গেছি, পটলা আমাদের ক্লাবের প্রধান সভ্য। দায়ে-অদায়ে পটলাই টাকাকড়ি দেয়, আলুকাবলি-ফুচকা মায় গুপির দোকানের চা-বিস্কুট-মামলেট-এর বিল মেটায়। বাবার বিরাট ব্যবসা—ওদিকে গুদাম, করাতকল!

    এ হেন পটলাকে ‘হায়ার’ করে এনেছে অভিনয় করার জন্য, আমরাও এসেছি, কিন্তু পটলার যে এমনি বিপদ হবে ভাবিনি। পটলা দর্শকদের ওই সব মন্তব্যে তরবারি খাপে পুরে রণে ভঙ্গ দিয়ে এসে সাজঘরে সেঁদিয়েছে। লড়ে যা ।

    আমরা বলি-ভয় কি পটলা! এবার ঠিক হয়ে যাবে।

    না, পারব তো র‍্যা! পটলা শুধোয়।

    হোঁৎকা আমাদের ক্লাবের পারমানেন্ট বৃকোদর সাজে। সে বলে-আলবত পারবি। লড়ে যা।

    কিন্তু ওদের ক্লাবের ডিরেক্টার কন্দর্পদা এর মধ্যে মনস্থির করে ফেলেছে তোতলা রাজপুত্রের চেয়ে ল্যাংড়া খোঁড়া রাজপুত্রই ভালো হবে। বলে সে—হলধর, তুই মেকআপ করে নে। নেকস্ট সিন থেকে তুই রাজপুত্রের রোলে নামবি। পার্ট মুখস্থ আছে তো?

    হলধর বলে—হ্যাঁ। পুরো।

    কন্দর্পবাবু ড্রেসারকে বলে—ওকেই রাজপুত্র সাজাও। পটল, তোমার ড্রেস খুলে দাও। এ যেন কাপড় খুলে নেবার মতই অপমান ।

    পটলা রাগে গরগর করছে। এই ঝুটো মুক্তোর মালা, জরির পোশাক, টিনের তলোয়ার সব ফেলে রাজপুত্র আবার পটলাতে পরিণত হল।

    পটলার গোঁফজোড়াটা স্পিরিট গাম দিয়ে সাঁটা ছিল, সহজে ছাড়ানো যাবে না। ড্রেসারের টানাটানিতে সে বলে—নারকেল তেল দেন।

    ড্রেসার বলে—কোথায় পাব নারকেল তেল-ফেল? রাজপুত্রের সিন এখুনিই, গোঁফ আভি মাংতা ।

    ড্রেসার হ্যাঁচকা টানে চামড়া যেন তুলে ফেলবে। পটলার চোখ দিয়ে জল বের হয়ে আসে অপমানে, জ্বালায় ।

    রাগে দুঃখে অপমানে বের হয়ে এল পটলা। আমরাও চলে আসছি। তখন মঞ্চে ল্যাংড়া হলধর নেচে নেচে রাজপুত্রের পার্ট করে চলেছে।

    পটলা বলে—ত-তিনসঙ্গী ক-ক্লাবকে দেখিয়ে দেব ন-নাটক কাকে বলে !

    ফটিক আমাদের মিউজিক ডিরেক্টার কাম অভিনেতা। ফটিক বলে—হ্যাঁ, দেখাতেই হবে। ন্যাড়া দেশজ ভাষায় শোনায়— দেইখা লমু ওগোরে, তয় আমার নাম ন্যাড়া হাওলাদার। পটলার অপমানটা আমাদের অপমানই আর পটলাকে যে তিনসঙ্গী ক্লাব পোশাক কেড়ে নিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে, এ খবরটা সারা পাড়া জেনে গেছে।

    অবশ্য তিনসঙ্গী ক্লাবের নাটকে দুর্ঘটনা কিছু ঘটেছে। তৃতীয় অঙ্কে নাকি রাজার দাড়ি-চুল সব খসে পড়ে বিনোদ দত্তের টাক মাথা বের হয়ে পড়েছিল যুদ্ধের সিনে, আর দুটো পটকা সাজঘরে বেকায়দায় ফেটে গিয়েছিল, তাতে হলধরের প্যান্টুল বেশ খানিকটা পুড়ে গেছল, রাজপুত্র তালিমারা প্যান্ট পরে যুদ্ধ করার সময় ল্যাংড়া পায়ে হোঁচট খেয়ে আছড়ে পড়েছিল দর্শকদের ঘাড়ে।

    কন্দর্পবাবু ড্রপসিন ফেলেছিল ঠিকই, হলধর কিন্তু তখন মঞ্চ থেকে নীচে। পরাজিত রাজপুত্র প্যান্টুল ফাটা অবস্থায় মুঠো করে ধরে দর্শকদের মধ্য দিয়ে প্রস্থান করেছিল। তাতে অবশ্য পটলার দুঃখ ঘোচেনি।

    পরদিনই ‘পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবে’র জরুরি মিটিং-এ ঠিক হয় নাটকই হবে। এবার হবে প্রগেসিভ নাটক—‘ফাঁসির মঞ্চ থেকে’। লিখেছে আমাদের ক্লাবের গদাই গড়াই। ইদানীং গদাই-এর দুখানা নাটকের মুক্ত অঙ্গনে অভিনয় চলছে মাঝে মাঝে। একখানা তো ছায়া-কায়া নাটক। ভূত-মানুষ অনেক কিছু আছে। অমৃতবার্তা কাগজে দারুণ সমালোচনা বের হয়েছে।

    নাট্যকার গদাই বলে—সবকিছু বাস্তব করতে হবে। সে সব ব্যবস্থা করে দেব। আর পটলা যে অভিনয় করতে পারে তাও দেখিয়ে দেব। হিরো-একেবারে টপ্ টু বটম্। আর নো ডায়ালগ। নতুনত্ব করতে হবে। ডায়ালগ বলবে অন্য সবাই। হিরো কথা বলতে পারে না । মূক, বধির। খুব সিমপ্যাথেটিক রোল। দেশের জন্য ফাঁসিতে আত্মত্যাগ করল।

    ন্যাড়া সব শুনে বলে—তা মন্দ হইব না। হালায় এহন চোরের দ্যাশে দ্যাশপ্রেমিকদের নাটক হক্কলেই লইব ।

    ফটিক কালোয়াতি গান গায়। শীর্ণ লম্বা চেহারা। সে শুধোয়—মিউজিক ক্যামন হইব ? গদাই গম্ভীর ভাবে বলে-ভালো হবে।

    পটলা খুব খুশি। এবার কথা-টথা বলতে হবে না। পোজপশ্চারেই মেরে দেবে। হোঁৎকা বলে, মন্দ হবে না প্যাঁচটা।

    চা-মামলেট এসে গেছে। গদাই গড়াই নাটক পড়ছে। চোখ-মুখ পাকিয়ে হাত-পা ছুড়ে গদাই নাটকে প্রাণ সঞ্চার করেছে আর পটলা দেখছে তার চরিত্রটা।

    হ্যাঁ! মনের মত একটা রোল পেয়েছে। এবার এই চরিত্রই হবে তার ধ্যানজ্ঞান, পটলা বলে।

    —ন-নাটক জ-জ-জমবে দারুণ। যা পোস্টার লাগা। নো ফিয়ার !

    হোঁৎকা করছে জবরদস্ত পুলিশ অফিসার। সেই আমাদের আর্টিস্ট। হোঁৎকা আমি ফটিক লেগে গেছি পোস্টার লিখতে।

    গদাইদা বলে-ছাপা পোস্টারও চাই, না হলে প্রেস্টিজ থাকবে না ।

    পটলা অভয় দেয় – হোগা !

    কুলেপাড়ার দেওয়াল, গাছের ডাল, বাড়ির থাম, মোড়ের দেওয়াল ছেয়ে গেছে পোস্টারে। পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের অবদান। গদাই গড়াই-এর নাটক ফাঁসির মঞ্চ থেকে

    শ্রেষ্ঠাংশে—পটলচন্দর, হোঁৎকা —ইত্যাদি।

    সঙ্গীত পরিচালকের নাম বাদ পড়েছিল—ফটিক তো ক্লাব-এ রেজিগনেশন লেটার লিখে এনেছিল। পটলা থামায় তাকে।

    -ত—তোর নামও থাকছে এবার!

    দ্বিতীয়বার পোস্টার ছাপা হয়ে দেওয়াল ভরে গেল – ফটিকচন্দ্র সুরকার।

    তিনসঙ্গী ক্লাবও খবর পেয়েছে এবার নতুন প্রয়োগ রীতিতে নাটক মঞ্চস্থ করছি আমরা। পটলার পিসি শুধোয়—হ্যাঁরে পটল, তা ঠাকুরদেবতার পালা-টালা হবে তো? রাধাকেষ্ট শিবদুর্গা, এ-সব থাকবে ?

    পিসিমা থোক টাকা চাঁদা দেন। সেবার দক্ষযজ্ঞ পালা দেখে আর হোঁৎকার শিব সেজে ওই দুমদাম নৃত্য দেখে পিসি মহাখুশি। তাই পিসি দশ টাকা চাঁদা দেন।

    পিসির কথায় হোঁৎকা বলে—থাকবে বৈকি পিসিমা। তবে পিসি, শিবের সঙ্গে এবার অসুরের যুদ্ধ-টুদ্ধ হবে, তাই আরও কিছু বেশি চাঁদা দিতে হবে। কেষ্টও থাকবে কিনা!

    পিসিমা শিব-দৈত্য-কেষ্ট এসব দেখার লোভেই পনেরো টাকা নগদ দিলেন। নরহরি দত্তের জমাটি ব্যবসা। এককালে দত্তমশায় কারবার করে আর সুদ বন্ধকিতে বেশ রোজগার করেছেন। এখন ছেলেরা কারবার দেখে। দত্তমশায় সকাল বিকাল রকে বসে খঞ্জনী বাজিয়ে নামগান করেন। দত্তমশায়ও শুধোন, কেত্তন-টেত্তন হবে তো?

    ফটির বলে—তা হবে দত্তমশায়। নামগান হবে আর ভক্তিমূলক গীতও আছে।

    গদাই গড়াই এদিকে ক্লাবঘরের মেঝেতে চক দিয়ে দাগ কেটে এক একজনকে দাঁড় করিয়েছে দাবার ছকের ঘুঁটির মত। মেপে মেপে চলতে হবে—কথা বলতে হবে।

    মুস্কিল হয়েছে ন্যাড়াকে নিয়ে, ন্যাড়া এ জন্মে বাংলাদেশ দেখেনি, কিন্তু মাতৃভাষা ওর আদি অকৃত্রিম পদ্মাপারের বুলি। ন্যাড়া রিহার্সেল দিতে গিয়ে সেই ভাষাই বলে ফেলে—তোদের দ্যাশ থান তাড়াইমুই আর ইংরেজ কুত্তা, হালায় গুলি-বোম মাইরা উড়াইয়া দিমু।

    নাট্যকার গদাই গড়াই গর্জে ওঠে—এসটপ্! এসটপ্! কিসু হচ্ছে না ।

    ন্যাড়া ঘাবড়ে গিয়ে বলে,

    —ক্যান হইব না? পশ্চারখ্যান দ্যাখলা নি !

    —না। এদিশী ভাষায় বলো— লোভী ইংরেজ, তোদের এই দেশ থেকে তাড়াইবোই।

    ন্যাড়া বিড়বিড় করে—কি যে কওঁ !

    ধনপতিদা থিয়েটারের ভক্ত। তিনিই এগিয়ে এসেছেন। পটলার ছোটকাকা বলেন— থিয়েটার করছিস আবার! সেবার দক্ষযজ্ঞ করে তো ডেকরেটারের আড়াইশো টাকা, ড্রেসারের দেড়শো টাকা গচ্চা দিতে হল।

    গদাই বলে-এবার ড্রেস লাগবে না। সোশ্যাল ড্রামা।

    ছোটকাকা বলেন—আর কোনো হাঙ্গামা হলে সব কটাকে দূর করব।

    পটলা মত দেয়—কি-কিসু হবে না।

    পটলার বাবা অবশ্য কড়া ধাতের মানুষ। পটলার এক একটা বাতিক নিয়ে তিনিও বিপদে পড়েন। পটলা যখন যেটা ধরে তখন সেটা একনিষ্ঠ ভাবে করে। কবিতা লেখা নিয়েই সেবার আত্মবিসর্জন দিতে বসেছিল। দিন কতক ফুটবল নিয়ে মাতলো। পেলে হবে। হাঁটুর মালাইচাকি ঘুরে গিয়ে মাসখানেক প্লাস্টার করে পড়ে থাকার পর সে বাতিক গেছে। এবার নাটক নিয়ে পড়েছে। জাতীয় নাট্যশালা গড়ার প্ল্যানও করছে।

    পটলার বাবা বলেন—শিশির ভাদুড়ি হবেন! এদিকে ক্লাসের পরীক্ষার নম্বর তো দেখছি। থিয়েটার করা ঘুচিয়ে দেব।

    তবু মা, পিসির জন্য পটলা বেঁচে যায়। মা বলেন—ছেলেমানুষের খেয়াল, দু দিনেই থেমে যাবে।

    পটলা আড়ালে বলে আমাদের—দেখবি নাটকের পথ বদলে দেব। পটলচন্দর যা নিয়ে পড়ে, তার শেষ দেখে, বুঝলি? দরকার হয় শহিদ হয়ে যাব নাটকের জন্যই।

    হোঁৎকা বলে, ওসব পরে হবি—এখন কার্ড বিলি হয়ে গেছে, পোস্টার পড়েছে, এসটেজ বাঁধা হচ্ছে। এখন হোস না ।

    দেশপ্রেমী তরুণ ত্রিদিবের রোল করছে পটলা। দেশকে ভালোবাসার অপরাধে ইংরেজের ফাঁসিকাঠে প্রাণ দিতে হবে তাকে। ডায়ালগ বলতে শেষ সিনে-বন্দে মাতরম্! পটলার ওই কথাটা যাতে ক্লিয়ার বের হয়, তার জন্যই আজকাল সে কথায় কথায় বন্দে মাতরম্ ধ্বনি দিচ্ছে। মহড়ার পর গুপির চায়ের দোকানে গিয়ে আউড়ে দেয় – গুপি, দশটা ম-মামলেট আর চ-চা। বন্দে মাতরম্।

    লোকে লোকারণ্য। সারা মাঠ ভরে গেছে। নাটক শুরু হতে দেরি নেই। গদাই গড়াই বাস্তবধর্মী নাটক করছে, এর মধ্যে ডেকরেটারকে দিয়ে বেশ মজবুত শালকাঠের ফ্রেম করে ফাঁসি-কাঠ বানিয়েছে। আমি শুধোই—এ যে বেশ পোক্ত গো গদাইদা!

    গদাই বলে—পটলাকে রিয়্যাল সিন করতে হবে। তাই পোক্ত চাই ওটা।

    চমকে উঠি—সেবার নবপল্লীর ‘ক্ষুদিরাম’ বই দেখেছিলাম, ফাঁসির মঞ্চই করেছিল, এসব তো করেনি।

    গদাই ধমকে ওঠে—ফাঁসির সিন-এর তুই কি বুঝবি! এইটাই আমার ক্লাইমেক্স সিন, যা মেকআপ করে নিজের পার্ট গিয়ে পড়গে। এসব ব্যাপার তোরা কিছু বুঝবি না।

    পটলা দারুণ মেকআপ নিয়েছে। একেবারে মূর্তিমান দেশপ্রেমিকই হয়ে গেছে। খদ্দরের ময়লা পাঞ্জাবি, কাঁধে শান্তিনিকেতনি ব্যাগ, পায়ে চঞ্চল।

    হোঁৎকাও জবরদস্ত পুলিশ অফিসার সেজেছে। কোমরে চামড়ার খাপে রিভলভার, ওটা অবশ্য ওর ভাইপো টাবলুর। সে এর মধ্যে দুবার দখলদারি জানিয়ে গেছে।

    পটলা অবশ্য এবার নিরাপদে পার্ট করছে। দর্শকরাও ভেবেছিল পটলা ডায়ালগ শুরু করলেই মজা হবে। তোতলামিটা বেশি হয় নার্ভাস হলে, ওকে নার্ভাস করে দিতে পারলেই ব্যস !

    কিন্তু হতাশ হয় তারা। পটলার ডায়ালগ নেই। পটলা স্রেফ চোখ ছানাবড়া করে, হাত-পা নেড়ে অভিনয় করছে, মাঝে মাঝে অব্যক্ত গোঙানি করে পুলিশরূপী হোঁৎকার কোঁতকা খেয়ে । বড় বড় হাততালি পড়ছে।

    গদাই-এর বুকখানা ফুলে উঠেছে। এর মধ্যে ন্যাড়াই আওয়াজ খেল। দেশনেতার ভূমিকায় সে উত্তেজিত হয়ে লেকচার দিতে দিতে হঠাৎ থেমে গেল, পার্ট ভুলে মেরেছে। জানতাম মারবেই।

    দশ লাইন কবিতা মুখস্থ পারে না যে, সে ওই ভাষা বলতে পারবে না তা জানতাম। ইদানীং পটলার ডান হাত সে। তাই পটলার জোরেই ওই পার্ট পেয়েছিল। আর স্রেফ ভুলে যেতেই দর্শকদের দিকে চেয়ে জিব বের করেছে মাকালীর মত।

    হৈ-হৈ শব্দ ওঠে।

    পরক্ষণেই ন্যাড়া গর্জে ওঠে–হালার ইংরাজের বাচ্চা, তোগোর এই সুনার বাংলা থনে তাড়াইমু—

    হাসির তুবড়ি ছোটে!

    ন্যাড়া ফিরে আসতে গদাই ওর চুলের মুঠি ধরেছে, শেষ করে দেব ব্যাটাকে। কতবার বলেছি ঠিক করে বল।

    ন্যাড়া গজরায়—ভুইলা গেলাম পার্টখান, এক জম্পেশ কতা ল্যাখছ, হালায় মনে থাকব ক্যান। আর হইব না ।

    পুলিশরূপী হোঁৎকা একবার হুঙ্কার ছাড়তে গিয়ে গোঁফ জোড়াটাই রেখে এসেছে মঞ্চে। আর নরেশের মঞ্চে ঢুকে হাঁটু দুটো ঠকঠকিয়ে কাপতে শুরু করেছিল। গদাই যত বলে এসটেডি, কিন্তু সে শোনে, কার কথা? কাঁপুনির চোটে পার্ট না বলেই সে পালিয়ে এসেছে তুমুল হাততালির মধ্যে। কেবল পটল আজ একাই পার্ট করে যাচ্ছে। একেবারে ধ্যানস্থ অভিনেতা হাততালিও কুড়োচ্ছে।

    শেষ দৃশ্য। আমি বলি, ওসব রিয়্যাল করে কাজ নাই রে। ধমকে ওঠে গদাই ।

    ফাঁসির মঞ্চ রেডি। গদাই শেষবারের মত চেক আপ করে সিন তুলেছে হুইসিল বাজিয়ে। দেশপ্রেমিকের ফাঁসি হবে। পটলাও প্রাণ দিয়ে অভিনয় করছে। দারুণ গ্যাস খেয়েছে সে। সে বলে, অভিনয় করতে হবে মনপ্রাণ দিয়ে-

    পিছনে নিধু ব্যায়লাদার আর পশুপতি বাঁশের বাঁশিতে করুণ করুণ সুর বাজাচ্ছে। গদাই লাল আলোর ফোকাস দিয়েছে মঞ্চে। পিছনে নেপথ্যে বন্দে মাতরম্ ধ্বনি ওঠে। পটলাও ঝুলে পড়েছে।

    তারপর ঘোঁতনার একটা বড় ডায়ালগ। কলরব লোকজন স্তব্ধ! পটলা সত্যিকার দড়িতেই ঝুলে পড়েছে। আর ঘোঁতনা চোখ বুজে করুণ সুরে ডায়ালগ শুরু করবে, হঠাৎ কাণ্ডটা বেধে যায়। নিজেও এবার বুঝেছে ব্যাপারটা। গলায় চাপ পড়তেই ফাঁসির মঞ্চের মাঝখানের কাঠটা দু হাতে হোরাইজোনটাল বার ধরা করে ধরে চিৎকার করছে, অ্যাই হোঁৎকা, দড়িটা কেটে দে। গলায় লাগছে।

    অ্যাই হোঁৎকা। দ-দ-দড়িটা ক্ ক্—

    হোঁৎকা তখন পুলিশ অফিসার, তার হুকুমেই ওকে টাটকা ফাঁসিতে লটকানো হয়েছে, সে খোলে কি করে! এদিকে ফাঁসির আসামী তখন বারে দোল খাচ্ছে সার্কাসের ক্লাউনের মত। কলরব, হইচই চলছে দর্শকদের মধ্যে।

    এই ফাঁকে ফাঁসির সুতলির দড়িটাও পটাং করে ছিঁড়ে গিয়েছে। আর দেশপ্রেমী মৃত্যুঞ্জয় বীর বালক ফাঁসির মঞ্চ থেকে টপাক করে নেমে সিধে ভিতরে দৌড় দিয়েছে। তখনও স্টেজের সামনে ঘোঁতনা করুণ সুরে মৃত্যুঞ্জয় বীরের প্রশস্তি গাইছে।

    তুমুল হাসির শব্দে ওর চমক ভাঙে। কোথায় শহিদ? ফাঁসির মঞ্চ ফাঁকা। পটলা কেটে পড়েছে।

    আর সামনে উদ্দাম হাসিতে ফেটে পড়ছে দর্শককুল। কে আওয়াজ দেয়—কাট্ বে। যবনিকা পতন হয়ে যায় ।

    গদাই তখন গর্জাচ্ছে—নাটকের তেইশটা বাজিয়ে দিলি পটলা। ভীরু কাওয়ার্ড।

    ন্যাড়া বলে–তয় কি গলায় দড়ি দিই মরবে? ফ্যালাই তোমার থ্যাটার। আপনি বাঁচলি বাপের নাম!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }