Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প816 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেষ্টমামার কীর্তি

    সারা কলকাতায় হৈচৈ পড়ে গেছে! পড়ারই কথা। মহাকাশে কোনো দেশের পাঠানো এক কৃত্রিম উপগ্রহ চুরমার হয়ে ভেঙে পড়ছে। কোথায় কখন কি ভাবে সেই বিরাট বস্তুগুলো টুকরো টুকরো হয়ে জ্বলন্ত অবস্থায় ছিটকে পড়বে আর কি প্রলয় কাণ্ড বাধাবে তা কে জানে।

    গোপীবল্লভ তর্কতীর্থ সেদিন হরিসভায় ধর্মালোচনার সময় বেশ জমিয়ে একটিপ নস্যি নাকের ফোকরে সেঁদিয়ে মেজাজ এনে বলে—হবে না? ঈশ্বরের রাজ্যে মানুষ গেছেন ক্যারদানি দেখাতে। এখন বোঝো ঠ্যালা! নিজেদের পাঠানো উপগ্রহ এখন অগ্নিগর্ভ হয়ে এগিয়ে আসছে দ্বাদশ সূর্যের তেজ নিয়ে সৃষ্টি আর মানুষ জাতকে ধ্বংস করতে। নিশ্চিত ধ্বংস অনিবার্য। হরিসভায় উপস্থিত বুড়োবুড়ি। মানুষজনের মুখে নেমেছে আতঙ্কের ছোঁয়া।

    পতিত ডাক্তার এই আড্ডায় একজন নিয়মিত ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। এককালে ডাক্তারীতে নামও করেছিলেন এই এলাকায়। এখন অনেক ছোকরা ডাক্তার এসে পাড়ায় পতিতবাবুর বাজার একটু মন্দা ।

    আমাদের পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের একনিষ্ঠ সদস্য হোঁৎকার চিন্তাশীল অভিমত—পতিত ডাক্তার ইদানীং কানে কম শোনত্যাছে, জ্বর হইলে দিছে প্যাটের অসুখের ওষুধ। প্যাটের অসুখে দেয় জ্বরের ওষুধ! রোগী হালায় যাইব ক্যান!

    এহেন পতিতবাবু হরিসভায় ঘোষণা করেন,-পণ্ডিতমশাই এই উপগ্রহের বিস্ফোরণে যারা বিলীন হবে তারা তো মরে বেঁচে যাবে। কিন্তু বাকি যারা থাকবে তাদের প্রাণ যাবে বেঘোরে। শরীরের অন্ত্র যন্ত্র ক্ষয়ে যাবে। আর ক্যানসার -বিলকুল ক্যানসারে কাতরে-কেতরে মরবে, দেখবেন।

    ভক্তজনে কাতর কণ্ঠে শুধোয়, তাহলে কিসের রক্ষা পাবো পণ্ডিতমশাই ?

    পণ্ডিত গোপীবল্লভ অর্ধনিমীলিত নেত্রে বলেন, –নাম গান করো ঈশ্বরকে ডাকো। কে জানে কি হবে!

    পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের সভ্যবৃন্দের মুখেও ভীতির ছায়া। আমরা তো কোনো ছার, সারা কলকাতা, মায় বাংলাদেশের মানুষই সেই সমাগত ধ্বংসের ভয়ে শিউরে উঠছে।

    কাগজখানা পড়ে আছে। আমরা গড়াগড়ি দিচ্ছি ঘাসে। একেবারে সামনের পাতায় মহাকাশে ছিটকে আসা আগুনের পুঞ্জ! তারা পৃথিবীর উপর এসে পড়বে দু’একদিনের মধ্যে। গোবরা ম্লানমুখে বলে,–ভেবেছিলাম এবার গদাধর শিল্ডটা জিতবোই।

    হোঁৎকার আলুকাবলিতেও অরুচি এসে গেছে। বলে,—না। পটলা খানদুই কুলপি ছাড় গিয়া। দু’দিন তো আর বাঁইচা আছি মাত্তর। গোবরা ওই শিল্ডের স্বপ্ন ছাইড়া দে।

    ফটিকের খেয়াল-এর সুর থেমে গেছে। বলে সে—আর গান গেয়ে কি হবে রে? ডেথ্ কামিং।

    সারা কলকাতা ক্রমশ ক্ষেপে উঠেছে। গোপীবল্লভ পণ্ডিতের ওই নাম-গানের কথাটা যেন সারা কলকাতার মানুষের কানে পৌঁছে গেছে।

    শুরু হয়েছে নাম সংকীর্তন। গঙ্গার ধারে কোথাও বিরাট প্যাণ্ডেল করে মারোয়াড়ীর দল মণকে মণ ঘি পুড়িয়ে যজ্ঞ করছে। পার্ক, তেরাস্তার মোড় নাট মন্দিরের চত্বরে হাজার হাজার মানুষ বসে পড়েছে খোল করতাল নিয়ে।

    আমাদের পাড়ার গিরিধারী লালাকে আসতে দেখে তাকালাম। সদ্য স্নান পুজো সেরেছে, কপালে সাদা লাল চন্দনের দাগ, লম্বা ছোলা বাঁশের মত লকলকে চেহারা, টিকিতে জবা ফুল।

    লোকটার চাল-ডাল আটার বিরাট ব্যবসা, টাকার কুমির। কিন্তু ক্লাবের চাঁদার বেলায় তেমনি হাড়কঞ্জুস। পাঁচ টাকা বের করতে কালঘাম ছুটিয়ে দেয়। পারতপক্ষে আমাদের ছায়া মাড়ায় না। এহেন লালাজি আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে !

    লালাজি মধুমাখানো স্বরে বলে,–বাবালোগ, দুনিয়া পাপে ভরে গেল, তাই রামজি ধ্বংস করবেন ইবার। পাপীলোগ কো খতম করে পুণ্যবান লোগকেই বাঁচাবেন। শোচলো বেটা, হামার গুদামসে চাউল আটা সব কোইকে দিবে। তুমলোগ বন্দোবস্ত করো। আউর নাম গানা ভি হোগা।

    এ যেন ভূতের মুখে রামনাম! লোকটা কী ভুল বকছে?

    ফটিক বলে, –কাল থেকে কেত্তন পার্টি আর নেই। সব বুকড। ডবল — তেডবল রেট নিচ্ছে। হরিদাস মড়া কেতুনে। সেও তিন শিফটে পাক্কা একশ টাকা রেটে নামগান করছে। লালাজি অভয় দেয়, যা লাগে দিব।

    ক্লাবের মাঠেই বাজারের কয়েকজন কুচো সবজিওয়ালা, পাড়ার ঘুঁটেওয়ালীকে ধরে এনে ফটিক লাগিয়েছে নাম-গান করতে।

    টবের তুলসী গাছ এনে মালা পরিয়ে বসানো হয়েছে।

    ওদিকে হোঁৎকা, গোবরা লাইনবন্দী লোকদের চাল আটা দান করাচ্ছে লালাজিকে দিয়ে । লালাজির গুদামে এত চাল ! সরষের তেল আর হোয়াইট মিশিয়ে যে এত ব্যারেল তেল! স্বচক্ষে দেখলাম, গরুর চর্বির ব্যারেলগুলো থেকে চর্বির সঙ্গে দালদা আর ঘিয়ের সেন্ট মিশিয়ে কিভাবে আসল ভাদুয়া ঘৃত হত ।

    অবাক গলায় বলি,–এই ঘি আর তেল তৈরি করতেন লালাজি !

    লালাজি বলে—রাম কহো বেটা। উসব সিধা ফেক দিবে গঙ্গা জমে।

    লালাজি আজ যেন দেবতা হয়ে গেছে। দরাজ হাতে গুদাম খালি করে দান করছে আর মাঝে মাঝে কীর্তন পার্টির ওখানে গিয়ে হুঙ্কার ছাড়ছে—বলো হরে কিষ্ট—হরে কিষ্ট। কিষ্ট কিষ্ট হরে হরে।

    পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের মাঠেই ওই দানযজ্ঞ চলেছে, নামযজ্ঞ চলেছে।

    ওদিকে হরিবাবুও এসে বলে,—মহৎ পুণ্য কাজ করছ হে তোমরা। পুরোনো কথা মনে রেখো না বাবা। আর কতক্ষণই বা বাঁচব?

    হরিহর বাবুর সঙ্গে মাসাধিককাল আমাদের বাক্যালাপ বন্ধ।

    আমাদের ক্লাবের একটু ওদিকে হরিহরবাবুর বাড়ি। রিটায়ার করে ভদ্রলোক ছাদের বেশ কিছুটা এলাকা দরমাজাল দিয়ে ঘিরে টালির ছাউনি চাপিয়ে পোলট্রি করেছেন। লেগহর্ন, রোড আইল্যান্ড মুরগি পুষে বেশ ব্যবসা করেছেন। ওঁর সঙ্গে তুচ্ছ কারণে একটা গোলমাল হওয়ার জন্য তিনিও শাসিয়েছেন, আমরাও কথা বলিনি।

    আজ হরিহর বাবু নিজে এসে বলেন,—ওসব মনে রাখিস না বাবারা, এই অপবিত্র মুরগির ব্যবসা তুলে দিচ্ছি। তোদের জন্য গোটা পাঁচেক মুরগি রেখেছি। নিয়ে আসবি। জয় গুরু ! পাড়ার তাবড় অনেকেই এসে উদাত্তকণ্ঠে হরিনামে যোগ দিয়েছে।

    গোপীবল্লভ পণ্ডিত বলে,—নাম গান করো বাবারা। কলৌ নাস্তেকলৌ নাস্তে। কলৌ নাস্তেব গতিরণ্যথাঃ ।

    লোডশেডিংওয়ালারাও বোধহয় পাপের ভয়ে কদিন আর আলো নেভায়নি। সব আলো জ্বলছে, মাইকে মাইকে সারা কলকাতা ছেয়ে গেছে। আজই এই কলকাতার নাকি শেষ রাত্রি । হঠাৎ দেখি কুলপিওয়ালা রামভরোসও এসে জুটেছে। রোদে নামগান করে ভক্তদের তেষ্টা পাচ্ছে। সেও ভক্তদের কুলপি খাওয়াচ্ছে, দাম মাত্র আট আনা।

    রামভরোস বলে-বাবুজি, এতনা জাদা নাফা করে আর পাপ নেহি করব। আমাদের হাতে শালপাতা ভর্তি দু-তিনটে করে কুলপি দিয়ে দেয়।

    দামটা দে পটলা —বলি পটলাকে।

    রামভরোস দুই কানে হাত দেয়, ছিঃ ছিঃ! – আর কিতনা টাইম বাঁচব বাবুজি !

    ওদিকে আদি সত্যনারায়ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের মালিক গদাই বাবু খালি গায়ে বসে আলটাকরা বের করে চিৎকার করছে,—জপো হরে কৃষ্ণ, হরে রাম।

    বিশাল উদর। থলথলে দেহ। মিষ্টির দোকানে ওই ঘি-এর গন্ধে আর দুধ ছানা খেয়ে ফুলে ওঠা তেলালো দেহ নিয়ে এতদিন দোকানের থরে থরে সাজানো সন্দেশ আগলে বসে থাকত ।

    আজ গদাই-এর আদি সত্যনারায়ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের মিষ্টির অনেকটাই এসেছে ক্লাবের ওই তুলসীতলায়। পুণ্য, পুণ্য চাই।

    সারা দেশটা বুঝি রাতারাতি বদলে গেছে। পাড়ার ওদিকের রেললাইনের ধারে পাতাল রেলের মালপত্র চুরি যেত, মাঝে মাঝে বোমাবৃষ্টি হত তেলিয়া মস্তান আর ন্যাপলা ঘোষের দলের মধ্যে। ছুরি বোম-মারামারি চলত।

    আজ সেই তেলিয়া-ন্যাপলার দল দু’ঝুড়ি বোমা এনে ওদিকে পচা পুকুরের পাঁকে ফেলে দিয়েছে। ছুরিও ফেলেছে তারা। ওদিকের নাটমণ্ডপে দু’জনে চন্দনের ছাপ কপালে দিয়ে তারস্বরে নামগান করছে।

    আর একটা দিন কেটে গেল! শেষ সময় নিকটবর্তী, রেডিওতে বাজছে করুণ সুর—সর্বত্র মাইকে মাইকে নামগানের মহড়া।

    আমরা যথারীতি পৌঁছে গেছি তুলসীতলায়, মাঠে। আর একটু পরেই শুরু হবে দানযজ্ঞ, নামগান।

    কেষ্টমামার কি হইছে জানস?—হঠাৎ হোঁৎকার মুখে ওই নামটি শুনে চমকে উঠি।

    বড় তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে ওই কেষ্টমামাকে ঘিরে। ওই নিয়ে অভিন্ন হৃদয় হোঁৎকার সঙ্গেও চলেছিল একটা ঠান্ডা লড়াই কয়েক মাস ধরে। সেই ‘কেষ্টমামা’! আবার !

    তখন এশিয়াড-এর প্রস্তুতি চলেছে। কোন কোন অ্যাথলেট, কোনো প্লেয়ার সেখানে যাবে প্রতিযোগিতায় তার তোড়জোড় চলছে, এহেন সময় হোঁৎকার সেই কেষ্টমামা এসে হাজির ।

    বন পাহাড়ের ওদিকে কোনো নামি ইস্পাত কোম্পানির লোহার খনিতে কাজ করে হোঁৎকার কেষ্টমামা। গোল পেটা নিটোল কালো কুচকুচে চেহারা। মাথায় চকচকে একখান টাক। পরনে হাফপ্যান্ট কেডস—আর বুকে লেবেল সাঁটা টাইট গেঞ্জি ।

    পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবে ওকে এনে হোঁৎকা পরিচয় করিয়ে দেয়—আমার কিষ্ট মামা, বিরাট স্পোর্টসম্যান! ডিসকাস থ্রো কইরা স্টিল কোম্পানিতে চাকরি পাইছে। সারা বিহার চ্যাম্পিয়ন। এবার দিল্লীর এশিয়াড গেমসে ইন্দিরাজি ওরে কল করেছেন।

    হোঁৎকা আবার বলে,—জানস, বুটা সিং মামার ‘বুজম্ ফ্রেন্ড’!

    মামা তেলানে হাসে,—হেঁ-হেঁ ও আর এমনকী। দিল্লীতে এবার এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন হই ল‍ই তয় অলিম্পিক যাবার লাগবো। হোঁৎকাও অবশ্যই যাইব, মেনেজার হইব।

    হোঁৎকা একদিনেই মামাকে নিয়ে আমূল বদলে গেছে। ট্যাক্সিতে চেপে চলে গেল। বলে গেল, চিফ মিনিস্টারের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছে। ওখান থেকে কেষ্টমামার প্র্যাকটিসে যাবে। পটলা বলে–স-সব গুল। লোহার বল ছুঁড়ে দিগ্বিজয় করবে, হুঁ!

    ফটিক বলে—না রে, তাই হয় আজকাল। দেখিসনি সামান্য তবলা বাঁয়া নিয়ে সারা পৃথিবী ঘুরছে লোকে। ওই পূর্ণদাস বাউল তো একতারা খমক বাজিয়ে গান গেয়ে পৃথিবী পাক দিচ্ছে। হোঁৎকার এখন একদম সময় নেই। প্যান্ট কোট টাই পরতে শুরু করেছে। ক্লাবে এসে বলে, ভারতগৌরব কিষ্ট মামারে একখান রিসেপশন দে—চাঁদার জন্য ভাবস না। মামারে ধইরা তিনশো ট্যাকা দিমু, অর্গানাইজ কইরা ফ্যাল।

    পঞ্চপাণ্ডব ক্লাব কর্তৃক ভারত গৌরব ডিসকাস নিক্ষেপকারীকে সম্বৰ্ধনা জ্ঞাপন ।

    খবরটা ছড়িয়ে পড়তে অনেকেই আসে। খেলাধুলার উৎসাহী ক্লাব হিসাবেও নাম ছড়ায়। আর পণ্ডিত ডাক্তারও ম্যানেজ করে এসেছে সভার অন্যতম প্রধান বক্তা হিসেবে।

    পাড়ার সব অনুষ্ঠানের পতিতবাবু ঠিক লাইন করে সেট হয়ে যায়। ধর্মসভা, স্কুলের বিতরণী উৎসব, রবীন্দ্র জন্মোৎসব, ফুটবল প্রদর্শনী কোথাও বাদ নেই ৷

    শোনা কথা, একবার গোহত্যা নিবারণী সভায় লেকচার দিয়ে নাকি ষাঁড়দের নিয়ে কি বলেছিল, ষাঁড়েরা গুঁতিয়ে একটা ঠ্যাংই ভেঙে দিয়েছে। সেই থেকে এখনও লেংচে লেংচে

    চলে।

    আমাদের সভাতেও পতিতবাবু এসে বক্তার চেয়ার দখল করে বসেছেন। মাঠে বহু কৌতূহলী মানুষও জমেছে। সবার চোখে বিস্ময়!

    পতিতবাবু গলা কাঁপিয়ে নেচে নেচে বক্তৃতা শুরু করলেন

    কিষ্টবাবু দেশের গৌরব, দেশের শক্তি। ওই গোলক ছুঁড়েই দেশের আক্রমণকারীদের আমরা বিনাশ করব। দেশছাড়া করব।

    ভাইসব, ওই লৌহ গোলক নিক্ষেপকারী জাতীয় বীরকে আমরা বলব- তুমি দিনরাত লোহার গোলা ছুঁড়ে দেশের মধ্যে চোরাকারবারী, মুনাফাবাজ, মজুতদারদের দুর্গ গুঁড়িয়ে দাও ৷ দেশকে বহিঃশত্রু, ভিতরের শত্রুদের হাত থেকে বাঁচাও। হে বীর-

    পতিতবাবু আরও কি সব বলতে যাচ্ছিল, হাততালি আর সিটির আওয়াজে শোনা গেল না। তাড়াতাড়ি বসানো হল তাকে।

    মাইকে ঘোষণা করা হল এরপর লৌহগোলকের কৌশল দেখাবেন কেষ্টবাবু।

    একটা ঘড়ির চক্র করা জায়গাতে কেষ্টবাবু সর্বাঙ্গে রেড়ির তেল মেখে কুচকুচে কালো দেহ নিয়ে লোহার গোলা হাতে দণ্ডায়মান। হোঁৎকা খুদু ইলেকট্রিসিয়ানকে বলে ওখানে একটা আলোর ফোকাস ফেলেছে।

    তারপর বিশাল দেহটাকে লাটুর মত আড়াই পাক খাইয়ে একটা চাপা গর্জন করে ছুড়ে দিল সেই লৌহগোলক ।

    সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার ওঠে খাগড়াই কাসাপেটার গলায়,—কোন ড্যাকরা—মুখপোড়ারে। সেই সঙ্গে হরিহরবাবুর গর্জন, বেশ কিছু মোরগের ঝটাপটি।

    কেষ্টমামার উৎক্ষিপ্ত গোলক গিয়ে পড়েছে ওদিকে হরিবরবাবুর টালির তৈরি মুরগির ঘরের উপর। কয়েকটা টালি ভেঙে পড়েছে। গোটা তিনেক মুরগি চাপা পড়ে মরেছে, দুটোর ঠ্যাং ভেঙে তারস্বরে চিৎকার করছে!

    হরিহরবাবু ওই লৌহগোলকের গুঁতোয় ধরাশায়ী-মোরগকুলকে হাতে ঝুলিয়ে ভাঙা টালি তুলে গর্জাতে গর্জাতে এগিয়ে আসে,—ইয়ার্কি পেয়েছ! লৌহগোলক ছোঁড়া ঘুচিয়ে দেব ! থানায় যাচ্ছি।

    জনতাও মজা পেয়ে যায়। শেষ অবধি তিনটে মুরগির দাম তিন আটটে চব্বিশ টাকা দিয়ে আর টালির দাম বাবদ ষোল টাকা কুল্যে চল্লিশ টাকা দিয়ে পুলিশের হাত থেকে বাঁচলাম আমরা।

    হোঁৎকা ততক্ষণে মামাকে নিয়ে হাওয়া।

    তার দুদিন পরই শুনলাম হোঁৎকা দিল্লী গেছে মামার সঙ্গে। সেখান থেকে নাকি অলিম্পিকে

    যাবে।

    গোবরা বলে—একনম্বর বেইমান ব্যাটা হোঁৎকা ।

    পঞ্চপাণ্ডব ক্লাব যেন মিইয়ে পড়েছে। হোঁৎকা নেই। এদিকে ফাইন্যাল খেলায় তিন গোলে হারলাম।

    হঠাৎ একদিন ভুস্ করে উদয় হল হোঁৎকার। বিষণ্ণ চেহারা। ঝোড়োকাকের মত কোত্রাতে কোত্রাতে ক্লাবে এসে ঢোকে। দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে,—আমার বরাত খুবই মন্দ রে! হক্কল প্ল্যান ভেইস্তা গেল গিয়া !

    হোঁৎকা তাহলে ব্যাক টু প্যাভেলিয়ান! মনে মনে খুশিই হই।

    পটলা মুখে সান্ত্বনা দেয়-আলুকাবলি খা।

    হোঁৎকা আবার ফুল-ফর্মে শালপাতা চাটতে চাটতে বলে,—একটুর জন্য মিস কইরা গেল রে, মামায় ডিসকাস খান্ ছুঁড়েছে, ব্যস–ধাঁ কইরা উপরে উইঠা কোথায় ওদিকের ঝোপ জঙ্গল না খানায় পড়েছে তার আর পাত্তাই হইল না গিয়া।

    আহা! হোঁৎকার দুঃখে আমরা দুঃখিত হই। ঠান্ডা যুদ্ধের শেষ হয় এইভাবেই।

    তারপর কিছুদিন পরই এই ধ্বংসলীলার পূর্বাভাস শুরু হয়েছে।

    এমন সময় হোঁৎকার ওই মামার কথা শুনে শুধোই,— পুলিশ তাকে খুঁজছে কেন? হোঁৎকা বলে,—কারোরে কস না কিন্তু। খুউব গোপনীয়।

    –আরে বল না, কারণটা কি?

    হোঁৎকা বলে,—সারা ভারতের এতবড় ডেঞ্জার ক্যান আইছে আজ তারই এনকোয়ারি কইরা সব, খবর পাইছে ওরা। রাশিয়াও কনফার্ম করছে। মামার লাক খানা ভেরি ব্যাড়রে। হেই যে দিল্লীতে কম্‌পিটিশনে যে লৌহ গোলক খান ছুঁড়ছিল——

    —সেটাতো খুঁজেই পাওয়া যায় নি।

    হোঁৎকা বলে—না। তার পাত্তা মিলছে। আর হেই লৌহগোলকখানই এইসব ডেঞ্জার করছে! মামার ছোঁড়া হেই লৌহগোলকখান সিধা হাত তনে ছুইটা আকাশে উইঠা আরও উপরের দিকে যাইয়া পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ ছাড়াইয়া সোজা মহাকাশে হাজির হইছে।

    –এ্যাঁ! বলিস কিরে ?

    হোঁৎকা বলে,—হঃ! সেই মহাকাশে গিয়া না একখান জবরদস্ত উপগ্রহের ঠক্কর লাগছে, ব্যস—সেখানে চুরমার হইয়া এখন নামতেছে। বাংলার দিকে।

    সমস্বরে গর্জে উঠি,ধরে নিয়ে যাক তোর ওই কেষ্টমামাকে। উঃ সারা বাংলাদেশ ধ্বংস হচ্ছে ওর জন্য !

    হোঁৎকা মিনতির সুরে বলে—মামারে বাঁচা সমী। মুখ বন্ধ কইরা থাক ।

    সকাল হয়। নাহ্! কিছুই হয়নি।

    আরে! আমরা সবাই বেঁচে গেছি। কাগজে বের হয়েছে সেই উপগ্রহ চূর্ণ কোথায় মহাকাশে জ্বলে ছাই হয়ে গেছে। দু’একটা টুকরো কোনো সমুদ্রে পড়েছে।

    সকালেই কীর্তন ভেঙে গেছে।

    লালাজি কপাল চাপড়াচ্ছে,–মেরা সব্বনাস হো গিয়া। ফকির হয়ে গেল বিলকুল। গুদাম সাফ হয়ে গেল। হায় রামজি।

    সারা পাড়া কেঁপে ওঠে বোমার শব্দে। তেলিয়া মস্তান আর ন্যাপলা ঘোষের দলের মধ্যে বোমাবাজি শুরু হয়েছে আবার। লোকজন পালাচ্ছে প্রাণভয়ে ।

    ক্লাবের মাঠে রামভরোসে কুলপি এনেছে। এইটুকু কুলপি। বলে-দেড় রুপেয়া লাগবো। রাতারাতি সব বদলে গেছে আবার। পটলা বলে—হোঁৎকা তোর কেষ্টমামাকে বল, যদি সত্যি পারে তো গোটা কয়েক লৌহগোলক ছুঁড়ে মহাকাশ থেকে যে কটা কৃত্রিম উপগ্রহ আছে পৃথিবীর বুকে পেড়ে ফেলুক, তবু জিনিসের দাম কমবে।

    হোঁৎকা ওর কথায় এবার গর্জে ওঠে,–কি কইলি পটলা? আমি গুল দিছি তগো ?

    মারমুখী হোঁৎকাকে থামাই,–শোন হোঁৎকা, পটলা তো তা বলেনি। কেষ্ট ঠাকুর বহুবার দেশকে বাঁচিয়েছে পাপীতাপীদের শাস্তি দিয়েছে সুদর্শন চক্র ঘুরিয়ে। তাই তোর মামা যদি আর গোটাকয়েক লৌহগোলক ছুঁড়ে আবার পৃথিবীর বুকে দু চারটে উপগ্রহকে চুরমার করে নামাতে পারে, সব বিলকুল বদলে যাবে। গেছল কিনা বল ?

    হোঁৎকাও সায় দেয়—তা গেছল। হক্কলেই সাধু হইয়া গেছল।

    তাই বলছি একবার তোর কেষ্ট মামারে রিকোয়েস্ট করে দ্যাখ না, যদি কিছু করা যায়।—আমি হোঁৎকাকে ঠাণ্ডা করি।

    হোঁৎকা চিন্তিতভাবে বলে, – দেহি কথাটা কমু ওরে। হোঁৎকা এবার কথাটা সিরিয়াসলি ভাবছে বোধহয় ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }