Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প816 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মুখোশ

    সেদিন কুলেপাড়া ক্লাব-এর সঙ্গে চন্দ্রভানু শিল্ড ফাইনালের খেলায় আমরা গোহারান হেরে গেলাম। এমনভাবে হারতে হবে তা আমরা কোনদিনই ভাবিনি।

    ক্লাবের জামতলার ঘাসে চুপচাপ পড়ে আছে পটলা। সে ক্লাবের গোলকিপার, তিন তিন খানা গোল খেয়ে লটকে পড়েছে।

    হোঁৎকা গজরাচ্ছে। ও ব্যাকে খেলে। দারুণ স্টেডি প্লেয়ার। প্রথম দিকেই তাই ওকে যুৎসই মেরে বাইরে পাঠিয়েছিল কুলেপাড়া ক্লাবের এক ভাড়াটে মারকুটে প্লেয়ার।

    পটলা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলে,—খেলার বিভাগই তুলে দেব। এত ব-বড় অপমান সইতে হবে ওই নিতু মিত্তিরের কাছে? এর চেয়ে ডে-ডেথই ভালো।

    পটলার ‘ডেথ’ মানে আমাদের পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবেরই ‘ডেথ’। সুতরাং ওটা মেনে নিতে পারি না ।

    হোঁৎকা চোট খেয়ে গজরাতে গজরাতে বলে,–এর শোধ লমুই। তুই চুপ কইরা দ্যাখ পটলা, ওই নিতু মিত্তিরের খুব ফাঁট্ হইছে, দুইডা পইসা কামাইয়া—

    ফটিক বলে,—নিতু মিত্তিরই এবার এখানের সবাইকে হটাতে চায় টাকার জোরে। ইস্কুলের ভোটেও নাকি দাঁড়াচ্ছে।

    —ইস্কুলের ভোটের কথা পরে। এখন নিতু মিত্তির তার ছেলে চিতুকে দিয়ে আমাদের ক্লাব লাটে তুলতে চায়।

    পটলার অবস্থা তখন শক্তিশেল খাওয়া লক্ষ্মণের মত। আমরা কোনরকমে ওকে ধরে নিয়ে চলেছি।

    ওদিকে তখন ব্যান্ডপার্টি, তাসাপার্টি নিয়ে পেল্লায় শিল্ডটাকে মালা পরিয়ে ঠ্যালাগাড়িতে তুলে নিতু মিত্তির পাড়া প্রদক্ষিণ করছে। সঙ্গে তস্য পুত্র চিতু।

    আমাদের দেখে ওদের নাচের বহর বেড়ে গেছে। সিটি বাজিয়ে তুমুল নাচছে ক্যাবলা, মদন, নটবর ও আরও অনেকে। আর নিতু মিত্তির গাড়িতে বসে দেখছে তার অনুচরদের এই বিজয় উৎসব।

    কয়েক বছরের মধ্যেই আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে এই নিতু মিত্তিরের। কলকাতার লাগোয়া অঞ্চল। নিতু মিত্তির বসিরহাট অঞ্চলের লোক। এখানে এসে প্রথম প্রথম আবাদ অঞ্চলের কাঠ, গোলপাতা এসব নিয়ে ব্যবসা করত। দেখতে দেখতে এখন বেশ গুছিয়ে নিয়েছে। বিরাট শেড তুলে, সেখানে নানা মালপত্র রেখে, ট্রাকযোগে আবাদের বিভিন্ন মোকামে সাপ্লাই দেয়।

    আগেকার খোলার চালের বাড়ির বদলে এখন নিতু মিত্তিরের তিনমহলা প্রাসাদ। চারিদিকে উঁচু পাঁচিল।

    ইদানীং পাড়ার বেশ কিছু ছেলেদেরও সে কাজে লাগায়। বলে, – বেকার সমস্যা দূর করতেই হবে। খাটো, রোজগার করো আর আনন্দ করো।

    তারই পক্ষছায়ায় গজিয়ে উঠেছে ওই কুলেপাড়া ক্লাব। দুহাতে সেখানে টাকা খরচা করে চিতু। ফলে সেখানেই ভিড় বাড়ছে ছেলেদের। এতে নিতু মিত্তিরের প্রভাবই শুধু বাড়ছে না, ব্যবসাও চলছে রমরম করে।

    পরদিন ক্লাবে আলোচনা হচ্ছে আমাদের মধ্যে নাইট স্কুল চালাবার ব্যাপার নিয়ে। এমন সময় হঠাৎ একটা গাড়ির চড়া হর্ন শুনে চেয়ে দেখি, স্বয়ং নিতু মিত্তির গাড়ি থেকে নেমে আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে। মুখে একগাল হাসি। সঙ্গে মদনা আর ক্যাবলা। ক্যাবলার এ পাড়ায় অনেক বদনাম। ক্যাবলা দেখছে আমাদের। কারণ ওকে আমরাই সেবার এক ভদ্রলোকের উপর অত্যাচার করার জন্য চাঁদা করে মেরেছিলাম।

    নিতু মিত্তির অমায়িক ভদ্রলোকের মত বলে,—সব ভালো আছো তো?

    পটলা বলে,—ভালোই ।

    নিতু মিত্তির বলে,—সমাজের মঙ্গল করতে চাই। দেশ সেবা। তাই তোমাদেরও সাহায্য আমার দরকার। তোমরা ইয়ং ম্যান। আমি চাই, ভেদাভেদ ভুলে দুনিয়ার ইয়ংম্যান এক হও। আর আমি তোমাদের সেবা করে ধন্য হই ।

    ওর চামচেদের দল হাততালি দেয়।

    আমরা হতবাক। যেন ভূতের মুখে রাম নাম শুনছি। নিতু মিত্তির বলে,—তাহলে একদিন আমার বাড়িতে এসো তোমরা। এ নিয়ে বিশদ আলোচনা করে কাজে নেমে পড়তে হবে। নিতু মিত্তির সদলে বিদায় নেবার পর বলি,—কিছু বুঝলি মতলবটা !

    হোঁৎকা বলে, বুঝছি। ওরেও বুঝাইমু।

    সকালের দিকে বহু ছেলেরাই আসে নিতু মিত্তিরের দরবারে। কাজকর্মের সন্ধানে। হোঁৎকা পাড়ার মাতব্বর গোছের। একদিন সকালে তাই প্রতিপক্ষ দলের হোঁৎকাকে নিতু মিত্তির তার কাছে আসতে দেখে, মনে মনে খুশিই হয়। হোঁৎকাকে হাতে আনতে পারলে তার সুবিধাই হবে।

    হোঁৎকা বলে,—আপনার কাছেই আইলাম ছার। কাজকাম কিছু নাই। হক্কলেই কয় আপনি দয়ালু সজ্জন।

    বিনয়ের সঙ্গে নিতু মিত্তির বলে, – সাধ্যমত সকলেরই উপকার করতে চাই।

    চিতুও এসে হাজির হয়েছে সেখানে। হোঁৎকার মত ছেলেকে তার পিতৃদেবের সামনে বশ্যতা স্বীকার করতে দেখে খুশিই হয়। হোঁৎকা কুলেপাড়ার তাবড় ছেলেদের অস্বীকৃত নেতা তাকে হাতে পেলে পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবকে ডকে তুলে দেওয়া যাবে। তাই চিতুও বলে,–বিপদে পড়ে এসেছে হোঁৎকা, ওকে একটু হেল্প করা উচিত বাবা।

    হোঁৎকা তার কাতরতার মাত্রা আর এক ডিগ্রি বাড়িয়ে বলে,—একটু দ্যাখেন ছার, তালি পড়াশুনাটা করতি পারি।

    নিতু মিত্তির এবার বরাভয় দেবার ভঙ্গিতে বলে,—ঠিক আছে, দেখি যদি কিছু রোজগারের পথ করে দিতে পারি।

    গালকাটা ক্যাবলা আশেপাশেই ছিল। প্রভুর ডাকে পোষা বুলডগের মত এসে দাঁড়ায়। ইয়া জুলপি, মাথায় ঝাঁকড়া চুল, পরনে রঙ-ওঠা নীলচে টাইট জিনস্।

    নিতু মিত্তির বলে,—বিকাশ বাবাজি এসেছে। ওর খুব বিপদ। ওকে একটু কাজপত্তর দিতে হবে। শিখিয়ে পড়িয়ে নিবি। খুব ভালো ছেলে বিকাশ বাবাজি।

    বিকাশ হোঁৎকার ভালো নাম।

    নিতু মিত্তির তারপরই ব্যবসার কাজে ডুবে যায়।

    ম্যানেজার বলে,কাল আমাদের গাড়ি আটকেছিল পথে।

    চমকে ওঠে নিতু মিত্তির। তার ট্রাকে নানা ধরনের মাল দেওয়া নেওয়া হয় ।

    হঠাৎ ক্যাবলাকে ঢুকতে দেখে মুখ তুলে চাইল সে। নিতু মিত্তির জানে ক্যাবলাই তার বিশ্বস্ত অধিনায়ক। ওর গুণের শেষ নেই। আগে ওয়াগান ভেঙে মাল পাচারকারী দলের নেতা ছিল সে।

    ক্যাবলা বলে,–আজও কিছু মাল আসবে ।

    খুশি হয় নিতু ওর কথায়। বলে,-সাবধানে আনবি। আমিও লাইন কিলিয়ার করে রাখব । আর—ক্যাবলা আরও কিছু বলতে চায়। ওই হোঁৎকাকে নিলেন ?

    নিতু মিত্তিরও কথাটা ভেবেছে। বলে,—একটু নজরে রাখবি। ওকে আসল ব্যাপার না জানিয়ে মাঝে মাঝে ট্রাকে মালের সঙ্গে পাহারা দিতে পাঠাবি ।

    যদি কিছু জানতে পারে?—ক্যাবলা শুধোয়।

    নিতু মিত্তির গভীর জলের মাছ। হোঁৎকাকে দলে আনতে চায়। বলে,— একবার এখানে পা দিলে সহজে বেরুতে পারবে নারে। আর বেগড়বাই করলে, ফাঁদে ফেলে দিবি। যাক পুলিশের খপ্পরে।

    হোঁৎকাও নজর রেখেছিল চারিদিকে। ক্যাবলা ও ঘরে ঢুকতে, পা টিপে টিপে এসে দাঁড়িয়েছিল দরজার বাইরে। ওদের কথাগুলো শুনেছে হোঁৎকা

    –এ্যাই ! নিতুদা বলেছে কাল একবার বসিরহাটে গিয়ে এক ট্রাক পাট আসবে, নে আসবি। ধর পঞ্চাশ টাকা খোরাকি ।

    হোঁৎকা জানে তাকে দু-একটা কাজে পাঠানো হবে। সে-ও তাই চায় । টাকাটা পকেটে পুরে ক্যাবলাকে শুধোয়,—কখন যাওন লাগবে ক্যাবলাদা ?

    ক্যাবলার প্রথম থেকেই হোঁৎকাকে ভালো লাগেনি। তবু নিতুদার কথার উপর কা চলে না। তাই ক্যাবলা বলে,—কাল সকালেই ট্রাক যাবে। ওতে গিয়ে রাতে মাল নে গুদামে ফিরবি । এর আগে বসিরহাটে দু-একবার এসেছে হোঁৎকা। এইদিকে পলাদের আদি বাড়ি। কিন্তু এখন ওদের ওখানে যাওয়া যাবে না। হোঁৎকাকে অবশ্য একা পাঠায়নি ক্যাবলা। সঙ্গে দলের মদনাকেও পাঠিয়েছে।

    ওরা ট্রাক নিয়ে এসেছে।

    নদীর ধারে একটা পোড়ো বাড়ি। পাশে আমবাগান আর বাঁশবনের জটলা।

    মদনা বলে,–খেয়ে দেয়ে দুপুরে শুয়ে পড় হোঁৎকা, রাতে মাল বোঝাই হলে বেরুবো। গুদামের চেহারা দেখে একটু ঘাবড়ে গেছে হোঁৎকা !

    কয়েকখানা ঘরকে কোনরকমে মেরামত করে ঠেকা দিয়ে রাখা হয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে ছাদটা ভেঙে ঘাড়ে না পড়ে।

    হোঁৎকা মনে মনে জায়গাটার একটি ছবি এঁকে নেয়।

    একসময় পায়ে পায়ে আগাছার বন পার হয়ে বাড়ির বাইরে আসে। দেখা যায় একজন লোককে। সে এগিয়ে এসে বলে, – বাইরে যাবে না।

    অর্থাৎ তার বাইরে যাওয়ারও হুকুম নেই ।

    রাত্রি নামতে দেরি হয় না। হোঁৎকা বেশ বুঝতে পারে এদের কর্মব্যস্ততা হঠাৎ বেড়ে ওঠে। অন্ধকারে তারাজ্বলা আলোয় আবছা দেখা যায়। নদীতে দু-একটা নৌকা এসে থেমেছে। ছায়ামূর্তির দল অন্ধকারে কি সব মালপত্র নামাচ্ছে আর ট্রাকে তুলছে।

    মদনা সারাদিন কোথায় ছিল কে জানে, এবার তার গলাও শোনা যায়।

    হোঁৎকা ব্যাপারটা দেখেছে দোতলার জানলা থেকে। শুনেছে ইছামতী নদীর ওপারেই বাংলাদেশ। এই জায়গাটা সীমান্তের কাছেই। রাতের অন্ধকারে আসা নৌকাগুলোয় নিশ্চয়ই ওদেশ থেকে আনা বেআইনি মালপত্র থাকে।

    ট্রাকটা ফিরছে কলকাতার দিকে। ট্রাকে চাপানো আছে পাটের গাঁট। নিশ্চয়ই এই গাঁটের মধ্যে কৌশল করে মূল্যবান বিদেশি জিনিস পাচার করা হচ্ছে।

    নিতু মিত্তিরের আসল ব্যবসার খবর পেয়েছে এবার হোঁৎকা। লুকিয়ে সস্তায় বিদেশি জিনিস এনে নিতু মিত্তির তার লাভের পুঁজি বাড়াচ্ছে আর মুখে দেশপ্রেমের বুকনি দিচ্ছে।

    নিরাপদে এত মালপত্র এসে পৌঁছতে দেখে খুশি হয়ে নিতু মিত্তির বলে,—তুই তো বেশ পয়মন্ত রে। কাজের ছেলে। নে পঞ্চাশ টাকা রাখ। মিষ্টি খাবি। আর শোন, মন দিয়ে কাজকম্মো কর। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। আমি চাই দেশের ইয়ংম্যানরা সবাই কর্মবীর হোক। তবেই তো দেশের, সমাজের উন্নতি হবে।

    ক্যাবলাও দেখেছে নিতু মিত্তির হোঁৎকাকে খাতির করছে। আড়ালে ক্যাবলা বলে,—কত্তা কত দিল রে?

    হোঁৎকা টাকাটা বের করে তা থেকে ক্যাবলাকে দশ টাকা দিতে ক্যাবলাও খুশি হয়। বলে, —আবার পাঠাব তোকে। আর শোন, ব্যাটা মদনার দিকেও নজর রাখবি। ও মাল সরায়-টরায় কি না দেখবি।

    হোঁৎকা এবার তার মত বলে,— মদনা তো তোমাকেই আউট করতে চায় ক্যাবলাদা।

    ক্যাবলা অবশ্য সেটা অনুমান করেছে। এরা কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না। যেন-একপাল হিংস্র কুকুরের দল, এক টুকরো মাংসের জন্য যখন তখন যার তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। নিতু মিত্তিরের মত লোক দেশের যুবশক্তিকে এমনি করে অন্ধকার পথে নামিয়েছে নিজের রোজগারের স্বার্থে। হোঁৎকা সমাজের এই অন্ধকার রূপটাকে দেখে শিউরে উঠেছে। এই নিতু মিত্তিরের মত কসাইদের মুখোশ খুলে দেবে হোঁৎকা। তার জন্যই সে সাবধানে ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে।

    ক্লাবের মাঠে আমরা চিৎপাত হয়ে শুয়ে আছি। কেউ কেউ ঘাস চিবুচ্ছে।

    পটলা হতাশভাবে বলে,—কা-ক্লাব তুলে দেব! গোবরা বাধা দিয়ে বলে,—হোঁৎকা গেছে যাক। তাই বলে হেরে যাব? নেভার। নতুন কত মেম্বার আসবে।

    সত্যি কথা বলতে কি, আমাদের ক্লাব ঝিমিয়ে পড়েছে। যে কোনদিন ঝাঁপ বন্ধ করে দিতে হবে। সব ছেলেরা এখন নিতুদার নামে অজ্ঞান!

    হঠাৎ অন্ধকার ফুঁড়ে কাকে আসতে দেখে সবাই মিলে একসঙ্গে তাকালাম। নিজের চোখকে যেন বিশ্বাস করতে পারি না। হোঁৎকা এসেছে।

    অবাক হই,–তুই!

    পটলা বলে,—আর কেন এলি? ক্যাবলা, নিতু মিত্তির আমাদের ক্লাব তুলে দেবে।

    হোঁৎকা বলে,—ছাড়, ছাড়। পঞ্চপাণ্ডব ক্লাব তুলবে নিতু মিত্তির ?

    হোঁৎকার কথা শুনে অবাক হই। হোঁৎকা তাহলে আমাদের ছেড়ে যায়নি।

    সব শুনে-টুনে গোবরা বলে,—এত বড় শয়তান ঐ নিতু মিত্তির? এ আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি।

    পটলা মন্তব্য করে,—ওর প-পরিচয়টা প্রকাশ ক-করতেই হবে ।

    হোঁৎকা শোনায়,–ক্যাবলা আর মদনাকে লড়ায়ে দিচ্ছি। ওরা দুজনে ফাইটে লাইগা গেছে। ওদের দিই কাজ হাসিল করুম। তগোর একটু হেল্প করন লাগবে। আর আমি তো আছিই ।

    আমাদের সঙ্গে খানিকক্ষণ জল্পনা-টল্পনা করে হোঁৎকা আরো বলে,—তরা ঐ প্ল্যান মত কাজ কর গিয়া, আমারে দেখলেও চিনবি না। আমিও ওগোর কারো সামনে তগোর সাথে কথাই কইমু না। শুধু সিগন্যাল দিমু দু-আঙুল নাড়াইয়া ।

    কদিন ছুটি বাকি আছে সামারের, আমরা চারজন চলেছি বসিরহাটে পটলাদের দেশের বাড়িতে। হোঁৎকা সঙ্গে নেই। মনে মনে তার অভাব অনুভব করছি। ও থাকলে খাবার খরচা কিছু হয় সত্যি, কিন্তু সাহস বাড়ে।

    পটলাদের বাড়িতে এসে কিছুটা নিশ্চিন্তবোধ করি। বেশ খানিকটা জায়গা নিয়ে বাড়িটা, সাবেককালের দোতলা বাড়ি। পিছনে অনেকখানি জায়গা জুড়ে সাজানো আম, লিচু, কাঁঠাল, নারকেল বাগান ।

    পটলার খুড়তুতো ভাই ভজুও খুশি হয় আমাদের দেখে। এর আগেও দু-একবার আমের সময়ে এসেছি। তাই ভজু বলে,—কই হোঁৎকাকে দেখছি না? পঞ্চপাণ্ডবের চারজন এলি, সেটি কই ?

    সব কথা শুনে ভজুদা বলে, তাই নাকি, এতসব !

    শহরের সীমানা ছাড়িয়ে নদীপথে আমরা চলেছি দূরের বাগান ঘেরা ওই বাড়িটার দিকে। ভজুদা নিজেদের নৌকা নিয়ে চলেছে, ওতে নদীটাও দেখা যাবে।

    ভজুদা বলে, ওপারে একটু গেলেই বাংলাদেশ। এ গাং-এ কোনটা আসল জেলেদের নৌকা আর কোনটা নয়, তা বোঝার উপায় নেই। রাতের অন্ধকারে এখানে বিদেশি মালপত্রের লেনদেন হয় প্রচুর

    একটু পরে বাগানের মধ্যে একটা পুরানো বাড়ি দেখিয়ে ভজুদা বলে,—খুব সম্ভবত এই বাড়িটা। নদীর ভাঙনে কিছুটা এলাকা ভেসে যেতে, এ বাড়ি ছেড়ে পালায় সকলে।

    বুঝতে পারি এই বাড়িটার কথাই বলছিল হোঁৎকা ।

    ডিঙি থেকে কিছুদূরে নেমে, আমরা এগিয়ে আসি বাড়িটার দিকে। দেখা যায়, একটা ট্রাক আসছে ধুলো উড়িয়ে। আর ঐ ট্রাকে গালকাটা ক্যাবলা, ও আরও একজনের সঙ্গে বসে আছে হোঁৎকা। ওরা তিনজনে বসে গল্প করছে।

    আমাদের মধ্যে চোখাচোখি হয়ে যায়। অর্থাৎ অঙ্ক ঠিকই মিলছে। সব প্ল্যানও ঠিকমত চলছে। হোঁৎকা সেটা জানাবার জন্য একনজর আমাদের দেখে, বাইরে হাত বার করে সংকেত দেয়।

    এবার আমাদেরও প্ল্যান মত এগোতে হবে।

    ভজুদা বলে,—কিছু ভাবিস না। ঠিক মত ব্যবস্থাই করছি। একবার প্রদীপদার কাছে চল। প্রদীপ বোস এখানে নতুন পুলিশ ইন্সপেক্টর। ভজুদার চেনা। ওঁর কাছেই সবাই চললাম আমরা ।

    এদিকে হোঁৎকা এখন নিতু মিত্তিরের বিশ্বস্ত অনুচর হয়ে উঠেছে। আবার নিতু মিত্তিরের ক্যাবলাকেও দরকার। ও দুঃসাহসী। বোমা, ছুরি, পিস্তল চালাতে পারে। রাতের অন্ধকারের লাখ লাখ টাকা বিদেশি মালের আমদানির কাজে এসব লোকেরও দরকার। তার ওপর এ সপ্তাহে প্রচুর মাল আসছে। তাই ক্যাবলাকেও মদনের সঙ্গে দিয়েছে, হোঁৎকা তো আছেই ।

    এই ব্যবস্থাতেই মদনের সন্দেহটা ঘনীভূত হয়। নিতু মিত্তিরকে বোধহয় ক্যাবলাই ওর সম্বন্ধে কিছু খবর দিয়েছে। আর ক্যাবলাও হোঁৎকার কাছে শুনেছে মদনার মনোভাবের কথা । তাকে টপকাতে চায়। নিজেই নাকি এই ব্যবসাতে নামবে।

    হোঁৎকা নীরবে দেখছে দুজনকে। দুটো যেন রাগে ফুলে ওঠা হুলোবিড়াল, কখন যে কে কার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কে জানে।

    ইতিমধ্যে গুদামবাড়িটায় এসে উঠেছে ওরা। আজ রাতেই সেই বড় চালানটা আসবে। সবাই ব্যস্ত, গুদামে রাশ রাশ পাটের বাণ্ডিল খোলা হচ্ছে, মাল এলে প্যাক করা হবে পাটের বাণ্ডিলের মধ্যে।

    হোঁৎকা এর মধ্যে নীচে নেমে এসেছে। নাহ্, এদিকে বিশেষ কেউ নেই। এই ফাঁকে সে বাঁশবনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলে।

    পটলাদের বাড়ির বাইরের মহলে তখন পুকুরের মাছ ভাজা দিয়ে চা পর্ব চলছে। হোঁৎকাকে ঢুকতে দেখে খুশি হয়ে বলি,—আয়, আয়! বোস!

    খানকয়েক মাছ ভাজা দ্রুত মুখে পুরে দিয়ে হোঁৎকা বলে, – বসার সময় নাই রে। তরা রেডি থাক অ্যাকসন শুরু করন লাগবে। আজই ফাইনাল গেম। জেতা চাই-ই।

    রাত্রি নেমেছে। ক্যাবলা, মদনা, হোঁৎকা এসেছে নৌকায়।

    রাতের অন্ধকারে ছায়ামূর্তির দল নৌকা থেকে সাইকেলের টায়ারের বাণ্ডিল, বিড়ির পাতার বস্তা, কাপড়ের গাঁটরি নামাচ্ছে নদীর ওপারে। আর নৌকায় তুলছে বিদেশি দামি যন্ত্রপাতি এবং আরো অনেক কিছু।

    নিরাপদে মাল বোঝাই হবার পর এরা অপেক্ষা করে এদিকের অন্ধকারে। একটা টর্চের জ্বলা-নেভা সংকেতের জন্য। সেই সংকেত পেলেই এদিকের তীর নিরাপদ মনে করে এরা পাড়ি দেবে।

    ব্যাপারটা আগে থেকেই জানা ছিল আমাদের। হোঁৎকাই ওদের সব প্ল্যানের ছকটা দিয়েছিল। সেইমত আমরাও বের হয়েছি। গোবরা, পটলা, আমি, ফটিক ছাড়া রয়েছে ভজুদা। পিছনে দূরে রয়েছেন প্রদীপবাবু। দরকার মত তিনি এসে পড়বেন।

    আমরা চুপিসারে এসে হাজির হয়েছি পোড়ো সেই ভূতুড়ে বাড়ির এদিকে, নদীর ধারে।

    দূরে ওপারে দেখা যায় কালো বিন্দুর মত নৌকাগুলোকে। ওই যে দূরে বাংলাদেশের সীমান্ত । সেখান থেকে দু-একটা কথার টুকরো ভেসে আসছে মাঝে মাঝে আলোর সংকেত পেয়ে ওপার থেকেও আলো জ্বলে ওঠে, আবার নিভে যায়। তারপরই শোনা যায় নদীর জলে দাঁড়ের শব্দ। ছপ ছপ করে দাঁড় বেয়ে বিচিত্র মাল বোঝাই নৌকো এপারের দিকে এগিয়ে আসছে।

    হঠাৎ গোবর্ধনের হাতের প্রচণ্ড ঘুসি খেয়ে ছিটকে পড়ে একটা লোক আর তার হাতের টর্চটা। বুঝতে পারি, এ-ই আলোর সংকেত দিচ্ছিল। আমরাও সঙ্গে সঙ্গে তার ছিটকে পড়া দেহটার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ওরই গামছা দিয়ে ওর হাত পা বেঁধে ফেলি।

    লোকটা ভাবতেও পারেনি, এমনিভাবে কেউ তাকে বিপর্যস্ত করে তুলবে।

    এমন সময় ওদিকের মাটির সড়কে একটা গাড়ির শব্দ পেলাম। পথটা এসেছে গুদাম বাড়ি অবধি ৷

    ওই পথের মুখে আমাদের পাহারা রয়েছে। আজ রাতে নিতু মিত্তির স্বয়ং আসছে। কারণ চালানটা খুবই বড়, তাই নিজেও আশপাশে থাকবে।

    পটলা চাপা স্বরে বলে,–নি-নিতু মিত্তিরও এসে গ্যাছে!

    আমি জানাই,—ওটাকেও জালে জড়াতে হবে।

    নদীটা বেশ চওড়া এখানে। ভাঁটার টান, তাই স্রোতও বেশি। নৌকা দুটো ভেসে ভেসে নীচের দিকেই গেছে একটু। সেখান থেকে বেয়ে এই ঘাটে এসে লাগবে।

    ওদিকে মদনা, ক্যাবলারা চেয়ে আছে তীরের দিকে। তারা আশা করছে আর একটা আলোর সংকেতের। কিন্তু সেই সংকেত আসে না। কানে আসে, নিতু মিত্তিরের গাড়ির শব্দটা। ওই শব্দ ক্যাবলার চেনা।

    ক্যাবলা বলে,-নিতুদাও এসে গেছে, তাহলে লাইন কিলিয়ার। নৌকা ধারে লাগা । প্রতিবাদ করে মদনা,—না। ইশারা না পেলে নৌকা নিয়ে যাব না ওদিকে।

    ক্যাবলা বলে,–চুপ কর তুই। মাঝি, ধারে নে চল !

    মদনা তবুও বলে,—ক্যাবলাদা।

    ক্যাবলা গর্জে ওঠে,—তুই চুপ থাক। যেভাবে হোক তাড়াতাড়ি মাল নামাতে হবে। তোর মতলব বুঝেছি।

    সঙ্গে সঙ্গে চটে ওঠে মদনা, –আনসান বলবে না।

    হোঁৎকা দেখছে ওদের দুজনকে। ওরা এখন কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না। তবু ক্যাবলাই দলনেতা, তার কথামত নৌকা দুটো ধারে এসে ভিড়েছে।

    আমরা একটু দূরে বাঁশবন আর ঘেঁটু ঝোপের মধ্যে বসে আছি গা ঢাকা দিয়ে ।

    ওদিকে তখন নৌকা থেকে মাল খালাসের কাজ শুরু হয়েছে, নিতু মিত্তিরও এসে হাজির। ক্যাবলা বলে,—ওই মদনার মতলব সুবিধার নয় কত্তা, ও মাল নে কেটে পড়ার তালেই ছিল।

    নিতু মিত্তির গর্জে ওঠে,ওটাকেই কেটে গাং-এর জলে ভাসিয়ে দেব আজ।

    মদনও গর্জে ওঠে বিপদের গুরুত্ব বুঝে,—যা তা বলবি না ক্যাবলা, তোর লাশই গিরিয়ে দেব।

    নেহাৎ দুজন ধরে ফেলে নাহলে মদনা বোধহয় তখনই ক্যাবলার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ত। এবার খেয়াল হয় ওদের। এপারের সংকেতকারী সেই লোকটা নেই।

    নিতু গর্জে ওঠে,–এইসব কাঁচা কাজ করিস ?

    ক্যাবলা বলে,—ছিল তো। ওই মদনার দলের লোক সেটা। তাই সরে গেছে। মদনা। —নিতু মিত্তিরের গর্জন শুনতে পাই ।

    হঠাৎ ঝোপের মধ্যে কাকে ঢুকতে দেখে চমকে উঠেছি। আমাদের খবর পেয়ে ওরা বোধহয় এবার আমাদেরই আক্রমণ করতে চায় ।

    চাপা কণ্ঠস্বর শুনে চমকে উঠলাম। ওদের লড়াই জমার ফাঁকতালে হোঁৎকা এসে

    সেঁদিয়েছে আমাদের দলে।

    হোঁৎকা চাপা স্বরে বলে,—চুপ কইরা থাক। ওগোর মধ্যি, দ্যাখ হালায় একখান লাশ পড়বো। তর ভজুদার অ্যাকসন কখন শুরু হইব? চারে সব মাছ আইনা দিছি, এহন জাল ফ্যালবি আর তোলবি।

    হঠাৎ অন্ধকারে নদীর বুকে কয়েকটা সার্চ লাইটের তীব্র আলো ঝলসে ওঠে। দু তিনটে জিপ। হেড লাইটের আলোয় অন্ধকার মুছে গেছে। দেখা যায়, মালপত্র ফেলে লোকজন দৌড়চ্ছে। কিন্তু ভজুদার ক্লাবের ছেলেরাও অন্ধকারে বাঁশবন, আমবাগানে ছড়িয়ে ছিল। লাফ দিয়ে ঘিরে ফেলেছে ওদের।

    ক্যাবলাও এই গোলমালে তার বোমার থলিটা বের করে। আলোয় দেখা যায় ক্যাবলা বোম ছুঁড়তে যাচ্ছে। চমকে উঠি—বোম মেরে শেষ করবে আমাদের?

    হোঁৎকা বলে,—ওটারে লেঙ্গি মাইরা ফ্যাল গোবরা, ওতে বোম আর নাই, আমি আসল বোম ফেইল্যা ওতে পাটের গোল্লা পুইরা রাখছি। কচু হইব ওতে।

    নিতু মিত্তির বেগতিক দেখে পালাবার চেষ্টা করে। আর ঠিক সেই সময়েই প্রদীপদার টর্চের আলো পড়ে মুখের ওপর। থমকে দাঁড়ায় নিতু মিত্তির। মরিয়া হয়ে রিভলবার বার করে। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে প্রদীপদার নিরেট পুলিশি ঘুসিতে একেবারে ধরাশায়ী নিতু মিত্তির।

    আধ ঘণ্টার মধ্যে সারা শহরের লোকজন জুটে যায়। কয়েকটা হ্যাজাকের আলোয় ওই বিরাট বিদেশি মালের চোরা চালান গ্যাং সমেত ধরা পড়ে।

    কুলেপাড়া অঞ্চলে আবার শান্তি ফিরে এসেছে। হঠাৎ জেগে ওঠা ক্যাবলা মদনাদের মত যুব কর্মী, নিতু মিত্তিরের মত দেশসেবক এখন সরকারের জেলে। উঠে গেছে ওদের ক্লাবও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }