Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প816 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পটলার দেবদর্শন

    পটলা সেদিন ক্লাবের মাঠে বসে আগামী দিনের ক্লাবের শিল্ড ফাইনাল নিয়ে বেশ গভীর আলোচনায় বসেছে। আমাদের ‘পঞ্চপাণ্ডব’ ক্লাবের মধ্যমণি পটলা, বনেদি পরিবারের একমাত্র বংশধর। শহরে তার ঠাকুরমার অনেক বিষয়আশয়। বাবার একটা বড় কারখানা। পটলাই তাদের এই মাঠটা ক্লাবকে দিয়েছে। না হলে এতদিনে এখানে থাকত পটলার বাড়ি।

    সবকিছু নিয়ে পটলার জন্য এই পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের এত রমরমা। ওর মাথায় কখন কী আইডিয়া গজগজ করে পটলা নিজেও জানে না। তার থেকেই হয় যত বিপত্তি। আর সেসব ঝামেলা সামলাতে হয় আমাদের ক’জনকে।

    ফুটবল সেক্রেটারি হোঁৎকা বলল, “শিল্ড ফাইনালে এবার প্রেস, টিভির লোকজনদেরও আনতে হইব। ক্লাবের পাবলিসিটি চাই।”

    পটলা বলল, “তার চেয়ে ভালো গঠনমূলক কাজও তো করতে হবে। সেই কাজের প্রোগ্রামটাই আমি করে ফেলেছি।”

    পটলা উত্তেজিত হলে ওর জিভটা মাঝে-মাঝে আলটাকরায় সেট হয়ে যায়। তখন তোতলামি শুরু হয় ।

    গোবরা বলল, “কী প্রোগ্রাম ?”

    পটলা বলল, “খবরে শুনেছিস তো, এবার বন্যায় অনেক গ্রাম জলে প্লাবিত হয়েছে। কত ঘর-বাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। মানুষ বানভাসি হয়েছে। নদীর বাঁধ, রাস্তাঘাট ভেঙে গিয়েছে। খাবার নেই, জল নেই, আশ্রয় নেই। তাই এই বন্যাত্রাণে আমরাও কাজ করব। করতে হবে। আর তোদেরও এর সঙ্গে থাকতে হবে!” পটলা বেশ আবেগতাড়িত হয়েই কথাগুলো বলে চলল। পটলা আরও বলল, “চল, এখন থেকেই আমাদের কাজে লেগে পড়তে হবে। জামা-কাপড়, চাল, টাকা, সব জোগাড় করতে হবে। আমি ঠাকুরমাকেও বলব, কিছু টাকা দেওয়ার জন্য।”

    ক্লাবের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফটিকও প্রস্তাবটা লুফে নিল। সে বলল, “আমি ক্লাবের ছেলেদের নিয়ে একটা গান লিখে দল করে ত্রাণ সংগ্রহে বেরোব। দেখবি কী রকম সাহায্য পাবি।”

    ফটিক ইতিমধ্যে গান লিখে দল তৈরি করে ফেলল। ক্লাবের ছেলেরা এই কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ল। সবাই মিলে ফেস্টুন হাতে শহরের পথে-পথে, পাড়ায়-পাড়ায়, অলিতে-গলিতে ত্রাণের জন্য কাজ শুরু করে দিল।

    ‘ভিক্ষা দাও গো নগরবাসী

    ভিখারি এসেছে দুয়ারে,

    যাহা দিবে তাই হাসি মুখে নিব

    আর্ত বন্ধু জানাবে প্ৰণাম

    যারা ভাসছে আজ অকুল পাথারে।

    শেষ পর্যন্ত তাদের গানের গুঁতোয় হোক বা মানুষের ভালোবাসায়, বেশ ভালো ত্ৰাণই জোগাড় করল ওরা। ওদিকে পটলার ঠাকুরমাও বেশ ভালো টাকাই দিলেন।

    পটলা বলল, “এবার শীতলপুরে যেতে হবে। ওখানে আস্তানা গেড়ে রিলিফের কাজ শুরু করতে হবে।”

    শীতলপুর সম্বন্ধে আমাদের বিশেষ কিছুই জানা ছিল না। পটলার চেনা এখানকার স্কুলের শিক্ষক মদনবাবুর সাহায্যে নৌকো করে ত্রাণের জিনিসপত্র নিয়ে বেশ খানিকটা জল, মাঠ-প্রান্তর পেরিয়ে শীতলপুরের গ্রামে এলাম। সারা গ্রামটাই জলের তলায় রয়েছে। বাড়ি, বিশেষ করে মাটির বাড়িগুলো ভেঙে গিয়েছে। কোথাও ঘরের চালা উপড়ে পড়ে আছে। যেখানে জমি একটু উঁচু, মানুষ সেখানেই আশ্রয় নিয়েছে। কেউ বা আশ্রয় নিয়েছে বাঁধে। কোনওরকমে ছেঁড়া চট, বস্তা, প্লাস্টিক টাঙিয়ে মাথার ছাদ বানিয়ে রয়েছে। মানুষ, কুকুর, গোরুর সহাবস্থান ।

    মানুষের এই বেদনার ছবি আমাদের মনেও বেদনা জাগাল। অবশ্য যা এনেছি তা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। তবে পটলা বলল, “আরও জিনিস আসবে কয়েকদিনের মধ্যে।”

    পটলা ও তার টিম এখানে এসে মদনবাবুর সব রকম সাহায্যই পেয়েছে। শীতলপুরের এই অঞ্চলে প্রায় সব মাঠ-জমিই মদনবাবুর দখলে। তিনি যেন এই অঞ্চলের জমিদার।

    চারদিকে শুধু জল, দূরে বাঁধ। রাস্তায় পড়ে আছে শত শত মানুষ। এদিকে বিশাল মন্দির, মন্দিরের পাশেই একটি যাত্রীনিবাস। সেখানে ভক্তদের জন্য এলাহি থাকার বন্দোবস্ত। কিন্তু এখানে বানভাসি জনতার প্রবেশ নিষেধ ।

    আমরা কয়েকজন পটলা, হোঁৎকা, ফটিক, গোবরা, মদনমাস্টারের দু’-একজন লোককে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে থেকে কাজ শুরু করেছি। দিনভর ধকল গিয়েছে, তাই আজ একটু বিশ্রাম নিয়েই কাল থেকে কাজে লেগে পড়তে হবে।

    পাশেই মন্দির, সন্ধে থেকেই ভক্ত সমাগম শুরু হল। মন্দিরে আরতির সময় হয়েছে। এখানে দরিদ্র, বানভাসি জনতার কোনও চিহ্নই নেই। ওদিকে সিংহাসনে রাধাকৃষ্ণের মূর্তি। পাশে গৌর-নিতাই। সুগন্ধী ধূপ জ্বলছে। মন্দিরে নিত্যদিন নাম-সংকীর্তনের ব্যবস্থাও রয়েছে।

    মন্দিরের অধ্যক্ষ ওদিকে বিশেষ আসনে বসে আছেন। বেশ নধর দেহ, চাকচিক্যও রয়েছে চেহারায়। মন্দিরে যারা রয়েছে সবাই চোখ বুজে নাম জপ করছে। তাদের চেহারাও বেশ চিকন। ওদিকে বড়-বড় পাত্রে রাধাকৃষ্ণের উদ্দেশে ভালো মানের প্রসাদ চড়ানো হয়েছে। কোনও পাত্রে বেশ ফোলা ফোলা লুচি-তরকারি, কোনওটায় রসগোল্লা, মিষ্টি, কোনওটায় বেশ প্রমাণ সাইজের ফলমূল।

    আরতির পর একজন ভক্ত আমাদের বলল, “মহারাজ আপনাদের এখানে থাকতে বারণ করেছেন।”

    দিনভর আমাদের ধকল গিয়েছে। ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত, খাওয়াদাওয়াও ঠিকমতো হয়নি। আমাদের মধ্যে গোবরা একটু ভোজনবিলাসী। সে এর মধ্যেই সব দেখে এসেছে।

    গোবরা বলল, “যা খুশবু উঠেছে প্রসাদের, আর সামলানো যাচ্ছে না। পেটে ইঁদুর দৌড়চ্ছে। চল, ঠাকুরের দয়ায় প্রসাদ ভালোই জুটবে।”

    প্রসাদ নেওয়ার জন্য আমরা যখন গেলাম, দেখি দু’-তিনজন মহারাজ সেখানে রয়েছেন। আমাদের দিকে তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে আপাদমস্তক জরিপ করে এক মহারাজ বললেন, “এই পবিত্র দেবভূমিতে, এই অচেনা মানুষদের অযথা ভিড় করা ঠিক নয়। তাতে দেবতার শান্তি বিঘ্নিত হয়। ওরা কাল থেকে এখানে যেন ভিড় না করে, তা হলে ওদের এখানে ঠাঁই হবে না । ” মহারাজের কথা শুনে আমরা সবাই চমকে উঠলাম। দেবতার নাম করে এঁদের পাষণ্ডের মত ব্যবহার।

    পটলা বলল, “আসলে আমরা এখানে এসেছিলাম ত্রাণের কাজে। পাশে মন্দির দেখে তাই…!”

    মহারাজ পটলার কথা কেড়ে নিয়ে বললেন, “তোমরা জিনিসপত্র নিয়ে ওই বাঁধে, না হয় পথের ধারে গিয়ে বিলিয়ে দাও। এখানে বেশি ভিড় কোরো না । ”

    এবার হোঁৎকা তার বাঙাল ভাষায় কী যেন বলতে গেল, মহারাজ বললেন, “বেশি কথা বোলো না। যা বললাম, তাই করো। না হলে বিপদ হতে পারে। জয় গুরু, জয় নিতাই, জয় গৌর!”

    আমরা দেখলাম, ঠাকুরের নামে নিবেদন করা প্রসাদের পাত্রগুলো আমাদের চোখের সামনে দিয়ে নিয়ে চলে গেল। একটা লুচির টুকরোও আমাদের দেওয়ার কথা কেউ ভাবল না ।

    আমরা চলে এলাম। হোঁৎকার ব্যাগে শুকনো মুড়ি ছিল, তখন সেটাই আমাদের খাদ্য । বাধ্য হয়েই পেটের জ্বালা মেটাতে লুচি, মালপোয়া সাঁটাতে না পেরে শুকনো মুড়ি চিবোতে-চিবোতে আমাদের আস্তানায় ফিরে এলাম। রাতে একটা চালার ঘরে কম্বল পেতে আমাদের বিছানা।

    পটলা বলল, “মন্দিরের ওই মহারাজদের দেখলি? এঁরা রাধাকৃষ্ণের পুজো করেন, এই এঁদের ব্যবহার? যারা অসহায়, বানভাসি মানুষদের সাহায্য করতে এসেছেন, তাদেরকেই বলেন কিনা পাপী? এখানে তাদেরই আসা বারণ?”

    গোবরা বলল, “নিজেরা খেয়েদেয়ে সুখে আছেন, আর আমাদের বলেন কি না পাপী, প্রসাদ দেওয়া যাবে না?”

    হোঁৎকা বলল, “মহারাজই এক নম্বরের বদমাশ। ভণ্ড গুরু সেজে চ্যালাদের কাছে ভগবান হতে চান.।”

    পটলা বলল, “মহারাজকে একটা শিক্ষা দিতে হবে।”

    গোবরা বলল, “গ্রামের হাজার-হাজার মানুষ বানভাসি হয়ে উপোসে মরছে, আর নিজেরা মণ্ডা, লুচি খাচ্ছেন!”

    এর পর দুঃখ-কষ্টে, মশার কামড়ে আমাদের কয়েকদিন কেটে গেল। আমরা মন্দিরের সেসব তর্ক-বিতর্ক ছেড়ে রিলিফের কাজে লেগে পড়লাম।

    ক্রমশ বানের জল নামছে। মানুষও যে যার ঘরে ফিরছে। মানুষ আবার নতুন করে মাথার ছাদ তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। সারাদিনের ক্লান্তি, পরিশ্রমের পর সেদিন রাতে ঘরে ফিরেছি। সারাদিন ত্রাণের কাজে এদিক-ওদিক থেকে বেশ কিছুটা চাল-ডাল জোগাড় হয়েছে।

    ওদিকে মদনবাবুও সদরে গিয়েছেন কী কাজে। অগত্যা আমাদেরই রান্না করে খেতে হবে। সেদিন রাতে আশপাশ থেকে খড়কুটো জোগাড় করে চালে-ডালে একসঙ্গে রান্না করে কোনওরকমে মশার কামড় খেয়ে শুয়ে রাতটা কাটিয়ে দিলাম।

    পরের দিন সকালে বেশ দেরিতেই সকলের ঘুম ভাঙল। পাশেই মন্দির, কিন্তু আমাদের সেখানে প্রবেশ নিষেধ। মন্দিরের বাবাজিরা দেবতার পুজো করলেও দরিদ্রনারায়ণ সেবার ধার ধারেন না। ওঁরা নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত। এদিকে আমাদের পেটে ছুঁচো ডন মারতে শুরু করেছে।

    পটলা বলল, “সঙ্গে চাল-ডাল তো আছে, কিন্তু এমন জলের রাজ্যে শুকনো কাঠ কোথায় পাওয়া যায়? কাঠ না হলে তো খিচুড়িও বসানো যাচ্ছে না।”

    এদিকে খিদেও পেয়েছে জোর। ওদিকে মন্দিরে বাবাজিরা দুপুরের পরমান্ন খেয়ে সুখনিদ্রা দিচ্ছেন। আমাদের মধ্যে হোঁৎকা এসে খবর দিল, “কাঠ আছে, তবে মন্দিরের রান্না করার কাঠ।”

    আমরা সকলে খুব সাবধানে মন্দিরে ঢুকে দেখলাম, উপরে কাঠ সংগ্রহ করে রাখা আছে। কিন্তু কিছুতেই লাফিয়েও আমরা সেই কাঠের নাগাল পেলাম না। হঠাৎ দেখি, পটলা একটা লাঠি তুলে ধরে খোঁচাতেই কালি-ঝুলি মাখা বেশ কিছু কাঠ ঝরঝর করে ঝরে পড়ল। গোবরা বলল, “ছেড়ে দে পটলা, এতেই হবে।”

    আমরা চারদিকে তখনও সতর্ক দৃষ্টি রেখেছি। পাছে কেউ ধরা না পড়ে যাই! পটলা দেখল, দু’হাত তোলা গৌরাঙ্গের মুখে-মাথায় কাঠে লেগে থাকা ঝুল-কালি লেপটে গিয়েছে।

    এদিক-ওদিক চেয়ে দেখি, কাউকেই দেখা যাচ্ছে না। গোবরা বলল, “মহারাজরা লুচি-মণ্ডা খেয়ে নাক ডেকে ঘুমোচ্ছেন। চল, আমরা কেটে পড়ি।”

    এর পর আমরা রান্নার কাজ শুরু করলাম। হাঁড়িতে খিচুড়ি ফুটছে। ক্ষুধার্ত আমরা এর মধ্যে কলাপাতা পেতে বসে পড়েছি। এমন সময় বাবাজিদের দু’জন এদিকে এসে সেই কাঠগুলো দেখেই গর্জে উঠলেন, “দেবতার ভোগের জন্য কাঠ তোমরা কোথায় পেলে? পবিত্র অশ্বত্থ কাঠ?”

    ওঁদের চিৎকারে তখন মঠ থেকে আরও দু’-তিনজন এসে হাজির হলেন। তাতে গর্জনও বেড়ে গেল। এদিকে খিচুড়ি তখন তলায় ধরে গিয়েছে। পোড়া-পোড়া গন্ধ ছড়াচ্ছে, সেদিকে কারও নজর নেই ।

    একজন বললেন, “মন্দিরের পাশে এসব অবিচার? এখনই এখান থেকে বেরোও।”

    চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে প্রধান মহারাজ এসে হাজির হলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “এ কাঠ পেলে কোথায়? জবাব দাও।”

    পটলা বলল, “কাঠের অভাবে রান্না করতে পারিনি। উপোস করে থাকতে হবে। এমন সময় একজন সুন্দর দেখতে তরুণ এসে বলল, ‘কাঠ পাচ্ছ না? চলো, আমি কাঠের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।”

    মহারাজ বললেন, “সুন্দর দেখতে তরুণ!”

    পটলা বলল, “হ্যাঁ, সেই ছেলেটিই তো নিজে এসব কাঠ আমাদের এনে দিয়ে বলল, ‘নাও’ কাঠ, রান্না করো।’ কাঠগুলো রেখে দিয়ে সে ওদিকে চলে গেল। বেশ সুন্দর চেহারা । লম্বা চুল, পরনে ধুতি, গলায় চাদর।”

    মহারাজ বললেন, “থামো তুমি। এখানে এমন তরুণ কেউ নেই।”

    পটলা বলল, “তা জানি না। তবে ওদিকে চলে গেল…!” পটলা মন্দিরের দিকে হাত তুলে দেখাল।

    মহারাজ বললেন, “মন্দিরের দিকে চলে গেল? চলো তো!”

    সাধুরা আমাদের নজরবন্দি করে নিয়ে চললেন। ওদিকে কিছু দূরেই নিতাই-গৌরের দু’হাত তোলা মূর্তি। সঙ্গে রাধাকৃষ্ণের মূর্তিও রয়েছে।

    আমরাও যেন গভীর বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকলাম। দেখি, কাঠের কালি-ঝুলি গৌরাঙ্গের মূর্তির সারা শরীরে, এমনকী মুখেও লেপটে আছে। সেই মূর্তিটার দিকেই আঙুল তুলে পটলা বলল, “ঠিক ওইরকম দেখতে।”

    সবাই স্তব্ধ। মহারাজ একবার আমাদের দেখছেন, আর-একবার গৌরাঙ্গের মূর্তির দিকে…. । এদিকে আমাদেরও ভয় করছে। কে জানে, মহারাজ কী বলবেন !

    হঠাৎ মহারাজ সেই ঝুলমাখা মূর্তির সামনে সটান গড়িয়ে পড়ে আর্ত কণ্ঠে বললেন, “ওরে, তোরা সাক্ষাৎ ভগবানের দর্শন পেয়েছিস! প্রভু এই অধমকেও দর্শন দাও, দর্শন দাও প্রভু!”

    মহারাজ একবার সেই ঝুলমাখা গৌরাঙ্গের পায়ে মাথা ঠেকাচ্ছেন, আর আমাদের বলছেন, “তোরা ভাগ্যবান! তিনি নিজে তোদের সেবা করেছেন। ওরে, আমি তোদের চিনতে পারিনি, অবজ্ঞা করেছি! আমাকে ক্ষমা করো প্রভু! মহা ভুল হয়ে গিয়েছে। জয় নিতাই-গৌর, রাধেশ্যাম।”

    ওদিকে অন্য মহারাজরাও ততক্ষণে ছুটে এসেছেন। তাঁরাও মহারাজের ভাবাবেগ দেখে ভগবানের নামে নাচতে শুরু করলেন। আমরা ওঁদের নাচ দেখে হতবাক।

    ওদিকে তখন খিচুড়ি পোড়ার গন্ধ বেরোচ্ছে।

    মহারাজ সঙ্গীদের বললেন, “ওরে, তোরা দেখছিস কী? বাবাদের সেবার ব্যবস্থা কর। জয়-নিতাই!”

    কয়েক মুহূর্ত অপেক্ষা করার পরই দেখি, আমাদের সামনে দেবতার সেই পরমান্ন এনেছেন বাবাজিরা। এতদিনের দেখা সেই ফুলো ফুলো লুচি, মণ্ডা, ভালো ছানার রসগোল্লা, সন্দেশ। আমাদের সেবার কোনও ত্রুটি হল না অতিথিবাসের ঘরও খুলে দেওয়া হল।

    মহারাজ এবার অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বললেন, “নাও, এবার তোমরা মঠের অন্নসেবা করো!”

    আমাদের থাকার জন্য অতিথিশালা, নরম বিছানা সব ব্যবস্থাই পাকা। পটলা বলল, “তা হলে অসাবধানে গৌরাঙ্গের শরীরে ঝুল-কালি লেগে ভালোই হল!”

    হোঁৎকা বলল, “কালই কাইট্যা পড়। নাইলে বাবাজি যদি কেসটা জাইনা ফেলেন, প্রবলেম হইব। রক্ষা নাই।”

    আমরা অবশ্য পরের দিনই শীতলপুর থেকে চলে এলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }