Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প816 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লক্ষ্যভেদ

    ভাগবত সরখেল টাকার কুমির। কুমির না বলে হাঙ্গর বলাই ভালো। কুমির তো খপ করে শিকার ধরে জলে ডুবিয়ে তাকে মেরে তারপর যা করার করে। কিন্তু হাঙ্গর জ্যান্ত প্রাণীর গা থেকেও মাংস খুবলে নেয়। তিলে তিলে মারে।

    ইদানীং সরখেল মশাই এদিকে আবার সিমেন্ট লোহালক্কড়ের গুদাম বানিয়েছে। বড় ছেলে ব্যবসা দেখছে। দু-তিনটে গাড়ি। আর ছোট ছেলে আমাদের চেয়ে বেশ বড়, স্কুলে পড়ে । আজ ছ-বছরের বেশি ক্লাস টেনে-এর টেস্টে এলাউ হয়নি।

    ভাগবত সরখেল আমাদের পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবে মাঝে মাঝে দু-একটাকা চাঁদাও দেয় ৷ বলে, —পল্লি উন্নয়ন করো। খেলাধুলা করো—দেশকে গড়তে হবে।

    আমাদের পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের লাগোয়া একটা বুনোগাছ ভর্তি জায়গা পড়েছিল। হোঁৎকাই সেদিন উদ্যোগ করে পাড়ায় ঘুরে কিছু পয়সা উঠিয়েছে তার বাকিটা জোগান দেয় পটলা । কুল্যে প্রায় পঞ্চাশ টাকা খরচা করে আর আমাদের ক্লাবের পাঁচজন পাণ্ডা ও বত্রিশজন কুচো-কাঁচার পাঁচদিনের অক্লান্ত পরিশ্রমে, মাঠটা ধোপদুরস্ত হয়ে উঠল।

    সাইনবোর্ড টাঙিয়ে এবার বেশ ধুমধাম করে মাঠের উদ্বোধন করা হল এখানে প্রিয় জননেতা গিরিধারীদাকে দিয়ে।

    তারপর থেকেই মাঠে খেলছি আমরা। এবার সেভেন সাইড শিল্ড খেলার আয়োজনও করা হল ।

    কদিন পর শিল্ডের খেলা, মাঠে গোলপোস্টে জাল পড়েছে। পটলাদের চুনের গোলা থেকে হাত সাফাই করে আনা বালতি কয়েক চুন দিয়ে মার্কিং হচ্ছে। মহাভারতও এখন আমাদের দলে ভিড়েছে। তার বাবার কথামত হোঁৎকার কাছে ডন বার-এর খেলা শিখতে আসছে নিয়মিত।

    হোঁৎকা ইদানীং নতুন চ্যালা পেয়ে খুব খুশি। সকালেই আসে ওমলেট, মাখনরুটি কলা । হোঁৎকা বলে, —মহাভারত, ও তুই ভাবিস না। তোকে চাবুক কইরা দিমু। হুম্—

    মহাভারত লাল ল্যাঙট পরে বিশাল দেহ নিয়ে ডন দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। ঘামছে গলগল করে। এহেন সময় সরকার ও আরো দুজন লোককে নিয়ে এসে হাজির হয়েছে ভাগবত সরখেল !

    মহাভারতকে খালি গায়ে তখন আখড়ার মাটিতে ওই ধুলো মাখা অবস্থায় গড়াগড়ি খেতে দেখে ভাগবত সরখেল গর্জে ওঠে, বলি, হচ্ছে কি? আমার ছেলেকে মাটিতে আছড়ে ফেলবে, কাপড়চোপড় কেড়ে নেবে, কার এতবড় বুকের পাটা!

    হোঁৎকা এগিয়ে এসে তাড়াতাড়ি একগাল হেসে বলে,— না মেসোমশাই, মহাভারত এক্সসারসাইজ করতাসে। বডি ফিট হইবো, মেদ কমাবো ।

    পটলা বলে, —শরীর ভা-লো-লো…

    পটলার ব্রেক ফেল করেছে যথারীতি।

    ভাগবত সরখেল গর্জে ওঠে, – থামো। শোনো ছোকরারা, তোমরা তো জানো না এ মাঠ আমার। ওহে বসন্ত, ফিতেতে মেপে নাও। এই যে ম্যাপ দেখ

    পটলা জমিজায়গার খোঁজ রাখে। সে বলে, –এ জায়গার মালিক ছিল হরি দে। ত-ত তার …

    অ্যা-ভাগবত সরখেলের বিশাল দেহ কেঁপে ওঠে, যেন হিমালয় পর্বতে ভূমিকম্প শুরু হয়েছে। ভাগবত সরখেল কাগজটা দেখিয়ে বলে, হরি দে-র পুত্রবধূর কাছ থেকে এ জায়গা খরিদ করেছি হে!

    হোঁৎকা বলে, ট্যাহা দিসেন তারে, না দেনা আর সুদ মিলাইয়া এই দখল লিসেন?

    শাট আপ! ভাগবত সরখেল ইংরিজিতে ধমক দেয়।

    দু-চারজন লোকও জুটে গেছে। পাড়ার মিত্তির মশাই, যাদববাবু, নরেন ঘোষরাও এসেছে। নরেন ঘোষ বলে পাড়ার ছেলেরা খেলাধুলো করে, এ মাঠ নিয়ে আপনার কি হবে?

    ভাগবত সরখেল বলে, – কিনেছি এখানে ফেল্যাট বাড়ি বানাবো। কই রে খোঁটা পোত ! হোঁৎকা বলে, —শিল্ডের খেলা হইব না ?

    ভাগবত সরখেল দন্ত কিড়মিড় করে ওঠে, না! হইব না। ওইসব শিলনোড়া নিয়ে এখানে খেলা চলবে না। দরকার হয় একশো চুয়াল্লিশ ধারা জারি করবো এখানে।

    তারপর ছেলে মহাভারতের দিকে ফেরে ভাগবত, অনেক হয়েছে। কাপড়চোপড় পরে নিয়ে বাড়ি চল। ব্যবসা দেখবি।

    ম্লান মুখে কাপড়চোপড় কাঁধে ফেলে বাবার পিছনে পিছনে বাধ্য ছেলের মত চলে গেল মহাভারত।

    গদাই বলে—কী হবে রে !

    হোঁৎকা বলে, –যা করার করুক, বাধা দিমু।

    পটলা বেশ উত্তেজিত। সে বলে, –রক্ত দেব, শহিদ হব—তবু মাঠ দেব না।

    এতবড় বিপর্যয় ঘটতে দিতে পারি না। পটলা শহিদ হলে আমাদের ক্লাবই উঠে যাবে। তাই গিরিধারীদের কাছে এসেছি আমি আর গদাই ।

    গিরিধারীদা সদাব্যস্ত মানুষ। বসার ঘরে একদল লোক তাকে ঘিরে আছে। খালের জল কি করলে পানীয় জলে পরিণত হতে পারে, তাই নিয়ে আলোচনা চলছে। আড়চোখে আমাদের দেখলেন তিনি।

    গিরিধারীদা আমাদের কথা শুনে বলেন, সে কী! খেলার মাঠ দখল করবে এইভাবে ভাগবত সরখেল। ছিঃ ছিঃ। লোকটাকে নিয়ে আর পারলাম না। এক নম্বর আগ্রাসী মনোভাবের লোক। ঠিক আছে আমি দেখছি।

    খেলা হবে কি না এ নিয়ে প্রশ্ন ছিল। কিন্তু শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে বিকেলে যথারীতি খেলা শুরু হয়েছে। সাদা কালো প্যান্টজামা কেডস পরে এসেছে রেফারিং করতে। দর্শকও অনেক জুটে গেছে।

    খেলার শেষে আমাদের ক্লাবঘরের সামনে জামগাছের নীচে বসে হোঁৎকা বীরদর্পে বলে, —মাইট ইজ রাইট। মাঠ কে লয় দেহি।

    পটলাও এখন ভরসা পেয়েছে। বলে, – সি-সিওর।

    এমন সময় জিপটা এসে আমাদের সুমুখে থামে। পুলিশের লাল জিপ। তার থেকে নামলেন থানা অফিসার শ্রীকান্তবাবু। শ্রীকান্তবাবু আমাদের চেনেন, এখানে ওখানে ভলেনটিয়ারি করতে দেখেছেন।

    -একটা খারাপ খবর আছে হোঁৎকা ।

    হোঁৎকা বলে, –কয়ে ফেলান স্যার, তয় কইতাসি জান্ লইয়া যান, কিন্তু মাঠ ছাড়তি পারুম না ।

    –

    শ্রীকান্তবাবু বলেন, –মাথা গরম করো না হোঁৎকা। তোমরা বাপু মাঠ নিয়ে এখন গোলমাল করো না। কদিন বরং খেলা বন্ধ রেখে ভাগবতবাবুর সঙ্গে একটা মীমাংসার চেষ্টা করো।

    গদাই বলে, গিরিধারীবাবুকেও বলেছি স্যার। তিনি বললেন খেলা চালাও গে।

    শ্রীকান্তবাবু অবাক হল, সে কী! তিনি বলেছেন তোমাদের এই কথা? তবে যে দেখলাম ভাগবতবাবুর গাড়িতে তিনিও গেলেন থানায়। ভাগবতবাবুর হয়ে তিনিও অনেক কথা বললেন।

    আমরা তো অবাক—হতবাক!

    শ্রীকান্তবাবু বলেন, তাই এসেছিলাম। ওরা বাধা দিলে খেলা বন্ধ রেখো কদিন ।

    জিপ হাঁকিয়ে থানার পুলিশ থানাতে ফিরে গেল। আমরা তখন পড়েছি অকূল পাথারে। হোঁৎকা গর্জে ওঠে—গদা! তরে কিল করুম! ক্যান গেসলি ওই গিরিধারীডার কাছে? ও ব্যাটা অ্যাহন মৌকা পাইয়া ভাগবতেরে চাপ দিইয়া কিছু ম্যানেজ কইরা আমাগো পথে বসাইব!

    গদাইও বুঝতে পারে ব্যাপারটা। মিনমিন করে সে, –তাইতো দেখছি ।

    আমি বুদ্ধি বাতলাই, পটলা তোদের বাগানের এদিকের মাঠটায় আপাতত খেলা হবে। তোর ঠাকমাকে বলিগে চল। তোকে সুইসাইড করতে হবে না পটলা ।

    হোঁৎকা এতক্ষণ কথাটা ভাবেনি। এবার তার মাথাতেও আসে কথাটা ।

    —তাই চল। এ বছর শিল্ড খেলা করনের লাগবোই। তয় তোরে কইছি সমী, ও মাঠ লমুই। মাঠের ব্যাপারে এক কথায় পটলার বাবা রাজি হবেন তা ভাবিনি। পটলের ঠাকুমা আর ওর বাবাকে প্রণাম করে আসি।

    পরদিন সকালে দেখি সারা মাঠে এখানে ওখানে হাঁটু ভোর গর্ত। আর রাজ্যের ভাঙা কাচ মাঠে পড়ে আছে। চলাফেরা করা বিপজ্জনক। ওপাশের আবর্জনা স্তূপ করে রাতারাতি ফেলেছে মাঠে।

    হোঁৎকা আড়ালে বলে, —ওটা করছি আমিই। চুপ মাইরা থাক্।

    অবাক হই, –তুই!

    হোঁৎকা বলে, –নালি হুট কইরা মাঠ ছাইড়া গেলে লোকে কইব কাউয়ার্ডের মত পালাইয়া গেছি। তাই পাবলিক সিমপ্যাথি লইয়া ওই নতুন মাঠে খেলা শুরু করুম। গদাই বলে, – বেশ ভালোই করছিস হোঁৎকা ।

    হোঁৎকা বলে—পথ হোঁৎকা ভালোই বাইর করে। আর একটা চান্স লইতি হইব ।

    পটলা বলে, —বরং চ-চল্ এখন ভাগবতের কাছে। যেন সারেন্ডার করেছি এই বলে যদি কিছু টাকা ম্যানেজ হয় ।

    টাকার দরকার তো আছেই, তাছাড়া, ভাগবতের আসল মতলবটাও একটু আঁচ করা দরকার। শেষ পর্যন্ত পটলার কথাতে সবাই সায় দিই ।

    মহাভারতও আমাদের দেখে একটু অবাক হয়।

    হোঁৎকা বলে দরদীকণ্ঠে, —ক্লাবে যাস না ক্যান? আরে তগোর জমি তো ছাইড়াই দিমু । তুই আমাগোর ফেরেন্ড। চল—তোর বাবাকে কথাটা জানাইয়া দিমু।

    ভাগবত সরখেল ভাবতে পারেনি আমরা আসবো। মনে মনে খুশি হয় সে। হোঁৎকা পরম বিনয়ের সঙ্গে মোলায়েম করে বলে, আপনি বলার পর আমরা ভাইবা দেখলাম, মহাভারত আমাদের মেম্বার। তার বাবা এতবড় মানী লোক, আপনার কথা ফেলুম ক্যান। তাই ক্লাবের মিটিং-এ ঠিক করছি ওই মাঠে খেলুম না।

    আমি বলি, –অন্য মাঠে খেলছি, কিন্তু সে মাঠের একটা ডোবা বুজিয়ে ফেলতে হবে—এজন্য কিছু টাকা দরকার।

    ভাগবত এখন দরাজ দিল। বিনাবাধায় কাজ হাসিল হতে দেখে ভাগবত বলে, তা সত্যি ! ঠিক আছে শ তিনেক দিচ্ছি এই দিয়েই কাজ চালিয়ে নাও। পরে দরকার হলে আরও কিছু দেব না হয় ৷

    মহাভারতও খুশি হয়েছে, সেও মাঠে যাবে আবার। তিনশো টাকাই দিয়েছে ভাগবতবাবু। সেদিন দেখি ট্রাক বন্দি ইট আসছে। মাঠের দেওয়াল তুলছে মিস্ত্রিরা। ভাগবত সরখেলকে হঠাৎ ওখানে গাড়ি থেকে নামতে দেখলাম। আমরা নির্বাক, শোকে মুহ্যমান ।

    হঠাৎ ভাগবত সরখেলকে আমাদের দরমা ঘেরা ক্লাবের জামতলার দিকে পায়ে পায়ে চলন্ত পিপের মত আসতে দেখে অবাকই হই ।

    ফটিক দৌড়ে ঘরের মধ্য থেকে একটা লোহার ফোল্ডিং চেয়ার এনে দিল। বলে, বসুন মেসোমশাই ৷

    ভাগবতবাবু বলে, –মহাভারতের বিয়ে এই সতেরোই শ্রাবণ। তবে কলকাতার বাইরে বর্ধমান–পাল্লা রোডের ওপারে, মানে দামোদর নদী পার হয়েই গ্রামটা। এখান থেকে সোজা গাড়ি যাবে পাল্লায় নদীর ধার অবধি। তারপুর নৌকায় পার হয়েই গ্রাম। তোমরা যাবে কিন্তু চলি তাহলে।

    ভাগবতবাবু ফোল্ডিং চেয়ার ছেড়ে ওঠে।

    পটলা কি ভাবছিল। সেও বলে—সি-সিওর যামু। ওই ভাগবতবাবুর কাছাকাছি থাকবি । কাৎ-এ পেলে ওকে একবার চেপে ধরতে হবে। লাস্ট ট্রাই করবো মাঠটার জন্যে।

    পটলা দুহাত তুলে প্রণাম করে, জয় মা-ক-ক

    ওই জিবটা মাকরুণাময়ীই যেন স্বয়ং টেনে ধরেছেন। আমিও প্রণাম জানাই-মা লাস্ট চান্স, মুখ রেখো মা করুণাময়ী, পাঁচ সিকের মানসিক নয় মা, আস্ত পাঁঠাই দেব।

    কলকাতার বাইরে বরযাত্রী যাবার জন্য একটু আনন্দও বোধহয়। মহাভারত ক্লাবে আসছে এখন ঘনঘন। কদিন ধরে বেচারা ভাবনায় পড়েছে। বলে-তোরা সঙ্গে যাবি কিন্তু।

    এর মধ্যে মহাভারত আমাদের ক্লাবের সকলের দাদা হয়ে গেছে। পটলা বলে—নিশ্চয় যাব মহাভারতদা।

    ছেলের বিয়ের দিনে নিজেদের গাড়ি করে, ভাগবতবাবু বিরাট হৈ চৈ করেই বর ও বারযাত্রীদের নিয়ে চলেন বর্ধমানে। শ্রাবণ মাস-এর মধ্যে বৃষ্টি নেমেছে এবার। কলকাতা থেকে গাড়িতে যেতে দেখা যায় পথের দুধারে সবুজ ধানক্ষেত ও গাছগাছালি।

    শক্তিগড়ে এলে জি টি রোড ছেড়ে গাড়িগুলো চলে সরু পাকা রাস্তা ধরে। পিচ-এর রাস্তাই। তবে মাঝে মাঝে গর্ত হয়ে গেছে। দুদিকে ধানক্ষেত। সবুজ ধান মাথা নাড়ে বাতাসে । আকাশে শাওনের কালো মেঘগুলো ঘুরছে। মাঝে মাঝে দু-এক পশলা বৃষ্টি আসছে। ঝড়ো হাওয়া বয় এলোমেলো।

    সামনে শাওনের দামোদর নদী।

    বড় নৌকায় উঠেছে বরযাত্রীর দল। প্রায় সত্তর-আশিজন লোক। ব্যান্ড তাসা জয়ঢাক ইত্যাদি বাদ্যি বাজনা আর মালপত্রতে ওই নৌকা বোঝাই হয়ে গেছে।

    বরকর্তা-বর ও বরের বন্ধুদের জন্য রয়েছে একটা অন্য নৌকো। খাতির করে তাতেই তুলেছে আমাদের। ভাগবতবাবু, গিরিধারীদাও রয়েছেন ওই নৌকোয় ।

    হোঁৎকা পটলা তখনও নৌকোয় ওঠেনি। কি যেন কথা বলছে ওরা।

    তাড়া দিই, –উঠে আয় হোঁৎকা, পটলা।

    ওরা দুজনে এসে উঠল, তারপরই নৌকোয় পদার্পণ করল ভাগবতবাবু। নৌকো কেঁপে ওঠে থরথরিয়ে। নৌকা জলের বর্ডার লাইন ছুইছে।

    ওদিকের নৌকোয় বাজি ফাটছে। হ্যাঁ, বাজির মত বাজি। শূন্যে উঠে দুমদাম শব্দে ফাটছে বাজি। ভাগবত সরখেল মাঝে মাঝে নৌকোয় উঠে পড়ে তারিফ করছে।

    ওঁর দোল নিতে মাঝি হুঁশিয়ার করে, –নড়বেন না বাবু।

    ওদিকে হঠাৎ বড় নৌকো থেকে বোমা জড়ানো হাউই একটা শূন্যে না উঠে কিভাবে নদীর উপর দিয়ে গাইডের মিসাইল-এর মত সোঁ সোঁ শব্দ করে আমাদের নৌকোর দিকেই ধেয়ে আসছে…

    হাউইটাকে আসতে দেখে ভাগবত ওই নৌকোর উপর লম্ফ দিয়ে গর্জাচ্ছে-অ্যাই খবরদার!

    মাঝি চিৎকার করে ওঠে, –বা-বু–

    বাবার সঙ্গে ছেলে মহাভারতও লাফ দিয়ে উঠেছে। ওই বিশাল দুটো মৈনাকের লম্ফে নৌকোটা একদিকে পুরো কাত হয়ে যায়, গড়িয়ে পড়ে চলন্ত পিপের মত টপটপ করে স্বয়ং ভাগবত সরখেল—আরও কজন ৷

    আমরাও বেগতিক দেখে নদীতে লাফ দিয়েছি। আমাদের নৌকো কার্নিক খাওয়া কাটা ঘুড়ির মত লাট খেতে খেতে ভেসে চলেছে।

    নদীর এদিককার চিৎকার শুনে চাইলাম। নদীর স্রোতে একটা পিপে যেন গড়িয়ে ভেসে চলেছে, কখনও ডুবছে আবার জেগে উঠে শূন্যে দুটো হাত তুলে চিৎকার করে।

    হোঁৎকা বলে, –ভাগবতবাবুরে—

    ইতিমধ্যে ঘূর্ণিতে পড়ে তখন ভাগবত সরখেল পাক খাচ্ছে। সে চিৎকার করে, –বাঁচা হোঁৎকা বাঁচা। ওরে, খেলার মাঠ তোদেরই দেব।

    পটলা নিরাপদ দূরত্বে রয়েছে ওর থেকে। গোবদা হাতে একবার ধরতে পারলে ডুবিয়ে দেবে তাকেও। ডুবন্ত মানুষ আরও বিপজ্জনক।

    ভাগবতবাবু ঘূর্ণিতে বনবন করে ঘুরছে, এগিয়ে যাচ্ছে ঘূর্ণির কেন্দ্রের দিকে। দুহাত উপরে তুলে চিৎকার করে, বলেন, –ভাগবতের দিব্যি, ও মাঠ গিয়েই ছেড়ে দেব। বাঁচা-ও ওক্ক…।

    পটলা মাছের মত সাঁতরে গিয়ে ভাগবতবাবুর ঘূর্ণায়মান দেহটাকে এক ধাক্কা দিতেই, বয়ার মত ভাসমান দেহটা ঘূর্ণি থেকে ছিটকে বের হয়ে যায়। ওদিকে হোঁৎকা তখন ভাগবতবাবুর কাদামাখা চুল মুঠি করে ধরেছে খপ করে। আমি ও গদাই দুদিকে ভাগবত-এর দুটো হাত ধরেছি। আমরা ভাগবতবাবুকে ভাসিয়ে নিয়ে স্রোতের টানে এবার তীরের দিকে চলেছি।

    আমরা নদীর তীরে এনে পুরু পলিকাদার উপর ভাগবতবাবুর বিশাল লাশকে টেনে তুলি। টর্চের আলো পড়ে, লোকজন ছুটে আসে।

    —বেইমশাই!

    বেয়াইমশাইয়ের দরাজ গলার ডাক শুনে ভাগবতবাবু উঠে বসেন। তাঁর সারা মাথায় মসৃণ প্রলেপ। আদ্দির পাঞ্জাবি জলে ভিজে গায়ে চেপে বসেছে। জুতো নেই, –পায়ে মোজা ঠিক আছে।

    গর্জে ওঠে ভাগবতবাবু, –– বেইমশায় অ্যাঁ ডুবিয়ে মারতে চান? মেয়ের বিয়ে দিয়ে আমাকে শেষ করে, আমার সম্পত্তি দখল করার মতলব!

    ভদ্রলোক চমকে ওঠেন—সে কী কথা !

    ভাগবত সরখেল বলে, – ছেলেরা না থাকলে ডুবেই যেতাম! উঃ এখানে ছেলের বিয়ে দেব না। যাইহোক আমাদের মধ্যস্থতায় শেষপর্যন্ত বেশ ভালোভাবেই বিয়ের পর্ব মিটে যায়। দুই তরফই খুব খুশি।

    ভাগবতবাবু তাঁর কথা রেখেছিলেন। ফিরে এসেই ওই মাঠের দখলস্বত্ব পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবকে লিখে দিয়েছেন। সেদিন ঘটা করে শিল্ড ফাইনালের খেলা হল ওই মাঠেই। প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন ভাগবতবাবু। এবার আর গিরিধারীবাবুকে আমরা ডাকিনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }