Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প816 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুষ্মাণ্ড মাহাত্ম্য

    ম্যাপের বাইরে কোন ধাপধাড়া গোবিন্দপুরে দামোদরের বালিয়াড়ি পার হয়ে শালিখপোঁতা । আমরা যেতে চাইনি সেখানে। পটলা তো সাফ বলে দেয়, নট গোয়িং। ইদানীং পটলা সাধ্যমত ইংরাজিতেই বাতচিত করে। কারণ বাংলা ভাষাটা তার জিভে এমন জড়িয়ে যায় মাঝে মাঝে যে লোকে হাসে। আড়ালে বলে তোতলা। তাই এখন সে বঙ্গভাষা প্রসার আন্দোলনেও ইংরাজির প্রচলনই রাখতে চায়।

    পটলা বেঁকে বসতে পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের বাকি সভ্য অর্থাৎ আমি আর হোঁৎকা যেতে চাই না। হোঁৎকা বলে, নিখিল বঙ্গ কুমড়ো ব্যবসায়ী সমিতির বার্ষিক উৎসব ওই শালিখপোঁতায়, আমরা কি করুম সেখানে?

    আমারও যাবার তেমন আগ্রহ ছিল না। আমরা কেউ কুমড়ো ব্যবসায়ী নই, উপরন্তু কুমড়োর ঘ্যাঁট দেখলেই আমার আতঙ্ক জাগে। কী করব? গোবর্ধনের মামা ওই কুমড়ো সমিতির প্রেসিডেন্ট, এখানের বিরাট কুমড়ো মার্চেন্ট। গোবর্ধন আবার আমাদের ক্লাবের মেম্বার। ওই সমিতির বার্ষিক সভায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হবে। গোবর্ধন তার উদ্যোক্তা। ক্লাবের আরেক সভ্য আর গায়ক ফটিককে সে সেখানে নিয়ে যাচ্ছে সঙ্গীত পরিবেশন করার জন্য। সঙ্গে হোঁৎকা যদি তার দেশজ ভাষায় কমিক স্কেচ করে—ওকেই জীবিত ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় বলে চালিয়ে দেবে শালিখপোঁতায় ।

    ফটিক এমন কুমড়ো সমিতির অনুষ্ঠান মিস করতে চায় না। তাই সে বলে, এখান থেকে গাড়িতে করে যাবি। একটা রাত থেকে পরদিন ফেরা যাবে। বেশ হৈচৈ হবে, চল না। গোবর্ধন তার সঙ্গে যোগ করে, একদম ভিলেজ, মানে পাড়াগাঁ। সিনসিনারি খুব ভালো রে। আর হোঁৎকা, সমিতির সেক্রেটারির বাড়িতে যা জোর খ্যাঁটটা হবে না! পুকুরের মাছ, তাজা মুর্গি । আমাকেও বলে, ওখানে বৌদ্ধ আমলের কোন রাজার গড় আছে। সেই রাজার গড়ে এখনও অনেক কিছু দেখার আছে। প্রাচীন অনেক কিছু-

    টোপ গেলা ছাড়া আমাদের উপায়ান্তর থাকে না। শেষ অবধি পটলাকে বলি, চল, এত করে বলছে যখন ঘুরেই আসি। আমরা রাজি হতে ফটিক বলে, তোরা যাচ্ছিস তাই ভরসা করে যাচ্ছি রে।

    অবশ্য ফটিকের ফাংশনে ভয় আমাদেরই। আগেও দু’একবার তো দেখেছি, ক্লাবের ফাংশনে ওর গান শুনে খুশি হয়ে লোকে টম্যাটো-পচা ডিম উপহার দিয়েছে, কেউ আবার খুশিতে ঢিল-পাটকেলও ছুড়েছে, সে সব সামলাতে হয়েছে আমাদেরই। কুমড়ো সমিতির ফাংশনে যদি তেমনি কেউ কুমড়ো ছোড়ে তাহলেই গেছি। তবু যেতে রাজি হয়ে যাই। তারকেশ্বর অবধি চেনা পথ। তবে পথের যা অবস্থা তাতে পথ না চষা মাঠ তা বোঝার উপায় নাই। একটা ছোট ভ্যানে যাচ্ছি আমরা। ফটিক ইদানীং গানের চর্চার সঙ্গে সঙ্গে নাচের তালিমও দিচ্ছিল পাড়ার ছোটদের। পাড়ার সেই কয়েকটা বাচ্চা ছেলেমেয়েও চলেছে। তারা ফটিকের পরিচালনায় নৃত্যনাট্য করবে। হোঁৎকা বলে, এক রামে রক্ষা নাই, সুগ্রীব দোসর। ফটকে নিজে কি শেখছে তাই জিগা, ও আবার নৃত্যনাট্য করবো। দর্শকগো আমাগোরই ফিনিস্ না কইরা দেয়।

    সত্যি ভাবনার কথা। ওই বাচ্চাদের নিয়ে বিপদে না পড়ি।

    তারকেশ্বর অবধি তবু ভাঙা ফুটো রাস্তা দিয়ে গেলাম। গাড়িই সারা পথ নানা ভঙ্গিতে নৃত্য করে গেল। কখনও কখক, কখনও কথাকলি, কখনও বা তাণ্ডব নৃত্য। মুড়ির টিনে মুড়ি পুরে জোরে ঝাঁকালে মুড়িগুলোর যা অবস্থা হয়, আমাদের অবস্থাও তেমনি। কলকাতা থেকে সকালে যা খেয়ে বের হয়েছিলাম, বাবা তারকনাথের কাছাকাছি আসার আগেই সব শেষ । হোঁৎকা বলে, ক্ষুধা পাইছে। গাড়ি থামা।

    গোবর্ধন এমনিতে হিসাবী। কমিটি তার কাছে জলখাবারের খরচা কিছু দেয়নি, গাড়ি দিয়েছে মাত্র। তাই গোবরা বলে, আর বেশি দূর না। দামোদর পার হয়ে এইটুন পথ। হোঁৎকা গর্জে ওঠে, রাখ তোর দামোদর। গাড়ি থামা। ফটকে, ফিইরা চল ট্রেনে। লিভার ফাংশান ঠিক না হইলে, ফাংশন হইব না। ক্ষুধা পাইছে।

    সমূহ বিপদ। অগত্যা পথের ধারে একটা দোকানে গাড়ি থামিয়ে সেখানে আর কিছু না পেয়ে মুড়ি, আলুর চপ আর দু’দিনের বাসি রসগোল্লার স্টকই শেষ করা গেল। দোকানদারও এমন রসালো পার্টি পেয়ে কাঁচালঙ্কা, পিঁয়াজ, শেষপাতে তিনদিনের বাসি রসগোল্লার রসটা ফ্রি দিয়ে দিল। মুড়ির সঙ্গে তাই খেয়ে আবার যাত্রা শুরু হল।

    এ পথে গাড়ি বোধহয় এই প্রথম চলেছে। যা যায় তা কুমড়ো আর আলু বোঝাই ট্রাক, তারও দু’একটাকে দেখলাম মাটির সড়ক থেকে ছিটকে তার চাক্কা উপর হয়ে পড়ে আছে, আর মাঠময় স্রেফ হরেক সাইজের কুমড়ো গড়াগড়ি খাচ্ছে। দেখে মনে হল কুমড়োই যেন এখানের জাতীয় ফসল। মাঠে মাঠে ছড়িয়ে আছে কুমড়ো। মড়ার মাথার সাইজ থেকে শবযাত্রায় যে খোল বাজিয়ে কেত্তন গাওয়া হয়, তেমনি খোলের সাইজের কুমড়োও আছে। কোনোটা বেশ কালচে সবুজ, কোনোটা ঘন সবুজ, কেউ আধা হলদে, কেউ পুরো।

    শুধু মাঠের মাটিতে নয়, গ্রামের প্রতি ঘরের চালেও দেখি চালকুমড়ো। সেগুলোও যেন পাউডার মেখে সেজেগুজে রোদ পোয়াচ্ছে। গোবর্ধন বলে, এবার কুমড়োর ফলন বেশ ভালোই রে। ওদিকে ফটিক কি বলতে যাচ্ছিল, গাড়িটা আচমকা চল্লিশ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে গোঁৎ খেয়ে আবার ঝটকা মেরে সিধে হতে ফটিকও ছিটকে পড়ে—ওফ, বাপরে। হোঁৎকা কোনোরকমে সামলেছে। ড্রাইভারকে বলে, এভাবে গাড়ি নে যাবা? যা রাস্তা!

    এবার দেখি রাস্তার হাল। দু’দিকেই ডোবা পুকুর। সব পানায় ঢাকা। কত গভীর কে জানে। পড়লে কচুরিপানার জঙ্গলেই হারিয়ে যাব। গোবর্ধনের সঙ্গে ছিল কুমড়ো কমিটির এক মেম্বার শীর্ণ লগার মত পটকা মার্কা চেহারা। সে বলে, হ্যাঁ, গাড়ি যাবে। কুমড়োর গাড়ি যায় মাল নে আসতে।

    ড্রাইভার বলে, এ তো মানুষের গাড়ি। ডোবায় নামলে বিপদ হবে। আর কতটা পথ?

    লোকটা আঙুল দেখায়, ওই যে হোথায় নদীর বাঁধ দেখছনি?

    কোনোমতে রামনাম জপ করতে করতে নদীর বাঁধের নীচে এসে পৌঁছলাম। কয়েকটা দোকান, বসতি রয়েছে। আর খড়ের চালায় স্রেফ কুমড়ো। ওদিকে একটা কোল্ড স্টোরেজও রয়েছে।

    এখানে গাড়ি রেখে এবার নদী পার হয়ে ওদিকে আরও দু’মাইল গেলে তবে শালিখপোঁতা। গোবর্ধন বলে, এই তো নদী পার হয়ে বাঁধ ধরে গেলেই ব্যস।

    দু’মাইল মানে এক ক্রোশ।

    আমি বলি, একা নদী ষোল ক্রোশ। এখনও সতের ক্রোশ পথ যেতে হবে।

    হোঁৎকা গর্জে ওঠে, ফটিক, তরে মার্ডার করুম। এহানে কে তর গান শুনবো, কেউবা তগোর নেত্য দেখবো? ফিইরা চল।

    ফেরার তেলের পয়সা কুমড়ো পার্টির অফিসে, তাই যেমন করেই হোক টেনে হিঁচড়ে শালিখপোঁতা যেতেই হবে। তাই নদীর হাঁটুভোর বালি ভেঙে চলেছি হাঁপাতে হাঁপাতে। জল এইটুন, বাকি সব ধুধু বালি ।

    ভুজঙ্গ দারোগা শালিখপোঁতায় এসে বেশ আরামেই ছিল। গ্রামটার চারিদিকে শুধু ধ্বংসস্তূপ। সরু চিলতে ইঁটের স্তূপ, তাতে বনজঙ্গল গজিয়েছে। এককালে ছিল কোন সামন্ত রাজার রাজধানী, প্রাসাদ। সব এখন ওই বনজঙ্গলে ভরা। দু’একটা মন্দির রয়েছে। কোনটায় দেবতা কোনোমতে ধুঁকে ধুঁকে বেঁচে আছেন কিঞ্চিৎ আলোচাল সেবা করে। কোনটা পতিত, সাপখোপের ডিপে। ভুজঙ্গ দারোগা এখানে এসে খাঁটি দুধ, ডিম, মাছ, মাংস সেবন করে আর ঝিমোয়। হঠাৎ তার টনক নড়েছে।

    কুমড়ো সমিতির বার্ষিক উৎসব হচ্ছে এখানে, আর উদ্বোধন করতে আসছেন কোন মন্ত্রী। তাই ক’দিন ধরে ধ্বজামার্কা ক’জন সেপাইকে থানার মাঠে দাঁড় করিয়ে লেফট রাইট করাচ্ছে। দুটো রাইফেলকে সাফসুতরো করে ওদের দিয়েছে। কিন্তু ওরা বহুদিন পর রাইফেল নিয়ে চলতে হিমশিম খাচ্ছে। দারোগাবাবু তারকেশ্বর বাজার থেকে ব্রাশো আনিয়ে জং ধরা পিতলের বেল্ট-বোতাম এসব সাফ করাচ্ছে।

    কুমড়ো সমিতির মেম্বাররা আসবে, নাচগান হবে, সারা এলাকার যেন ঘুম ভেঙেছে। তারা এখন থেকেই সামিয়ানা টাঙানো, স্টেজ বাঁধা দেখতে ভিড় করেছে। স্কুলবাড়ির ঘরে থাকার ব্যবস্থা হয়েছে কুমড়ো পার্টির অতিথিদের। সেখানে রান্নার আয়োজন হচ্ছে।

    দারোগাবাবুও ব্যস্ত। এমনি দিনেই ঘটনাটা ঘটে যায়। কুমড়ো সমিতির সেক্রেটারি ই এখানকার জমিদার। ওদের মন্দিরে ছিল প্রায় হাজার বছরের পুরনো এক বিষ্ণুমূর্তি। অষ্টধাতুর তৈরি সেই প্রাচীন মূর্তিকে এদের পূর্বপুরুষ কোন পুকুর খুঁড়তে গিয়ে উদ্ধার করেছিল। সেই মূর্তির দাম নাকি পঞ্চাশ লাখ টাকা। তবু এরা সেটা হাতছাড়া করেনি। সেই মূর্তিই হঠাৎ দু’দিন আগে চুরি হয়ে গেছে। আর তাই নিয়ে এরই মধ্যে খবরের কাগজে উঠেছে এখানের খবর। খোদ এস-পি সাহেব আসছেন তদন্তে। কারণ ওই মন্ত্রীর মামার বাড়িতেই চুরি হয়েছে এই মহামূল্যবান মূর্তি।

    ভুজঙ্গ দারোগার কাছে কড়া ভাষায় মেসেজ এসেছে। চোরদের ধরতেই হবে। তাই ভুজঙ্গ দারোগা চারিদিকে কড়া পাহারা রেখেছে, যেন মূর্তি নিয়ে কেউ চলে যেতে না পারে। বাঁধের ওপরেও রয়েছে পাহারা। আমাদের দলকে দেখে কে হুঙ্কার ছাড়ে, হল্ট !

    আমরা থামলাম। ওদিক থেকে বিড়ালের ল্যাজমার্কা গোঁফওয়ালা দারোগা এসে আমাদের দেখে শুধোয়, কোথা থেকে আ-আ-আসা হচ্ছে? এখানে কি ব্যা-ব্যা-ব্যাপার? গোবর্ধনের সেই লম্বুমার্কা মেম্বারই সব কথা জানাতে দারোগা আমাদের নিরীক্ষণ করে বলে, খুব সা- সাবধান। কোনো বে-বে-বেচাল দেখলে অ্যা-অ্যারেস্ট করব।

    পটলা শুধোয়, হোয়াট ইজ ইট? কি-কি-

    চোপ! গর্জে ওঠে দারোগা—আমাকে ভ-ভ-ভ্যাংচানো হচ্ছে? ফ-ফাজিল ছোকরা?

    অনেক লোককেই তোতলা হতে দেখেছি, কিন্তু কখনও তোতলা দারোগা দেখিনি। বলি—ও আপনার মতই স্যার। জিবটার ব্রেক ফেল করে ওরও। সরি !

    আমরা এবার ছাড়া পেয়ে গ্রামে ঢুকলাম। ওদিকে কলাগাছ, ঘট, তার উপর ডাব নয়, ডাবের সাইজের কুমড়ো। হোঁৎকা বলে, পুলিশ এত ক্যান রে?

    খবরটা আমরাও জানতে পারি। এখানে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা দামের প্রাচীন মূর্তি চুরি হয়ে গেছে।

    ভুজঙ্গ দারোগা বসে নেই। বড়সাহেব এখানে জমিদারের মন্ত্রী ভাগ্নেকে তার এলেম দেখাবার জন্য এর মধ্যে আশপাশের গ্রামের ডজন খানেক ছিঁচকে চোরদের ধরে এনে ফটকে পুরে গর্জাচ্ছে, তু-তুই জানিস। বল কোথায় সেই মূ-মূর্তি!

    গবা হাঁড়ি দাগি চোর। তার গায়ে রেড়ির তেল এখনও শুকোয়নি। সে বলে, আমরা গেরস্থের ঘটি-বাটি নিই হুজুর। ওসব ঠাকুর-দ্যাবতা নে কি করবো ?

    নন্দ বারুই নিজে, নিজেরাই খেতে পাই না, ঠাকুর-দ্যাবতার সেবা জুটুবো কোত্থেকে? ওসব ফ্যাসাদে কেনে যাবো বলেন?

    ওদের কারোর কাজ যে নয়, তা বোঝে দারোগা সাহেব। কিন্তু সে এবার বিপদেই পড়েছে। হন্যে হয়ে সারা গাঁয়ের ডোবা, পুকুলে জাল ফেলছে। কই, চ্যাং, ল্যাঠা মাছই ওঠে। সেই মূর্তি আর ওঠে না।

    গ্রামটা ঘুরতে বের হই আমরা পঞ্চপাণ্ডব। গ্রাম নয়, যেন কুমড়োর কারখানা। সারা এলাকার কুমড়ো, চালকুমড়ো আসে এখানে। বহু জায়গায় দেখি আখের শালের মত বড় বড় কড়াই-এ কুমড়ো সেদ্ধ হবার পর হাত পা দিয়ে সেইগুলো চটকানো হচ্ছে, তারপর আবার দলাই-মালাই করে সেগুলো ক্বাথের মত করে টিনবন্দী করা হচ্ছে। কুমড়োর এহেন অবস্থা দেখিনি। গোবর্ধন বলে, ওর থেকে টম্যাটো সস তৈরি হবে।

    কুমড়োর টম্যাটো সস ?

    গোবর্ধন বলে, ওতে রং মিশিয়ে টম্যাটো সস করা হবে। টম্যাটোর কত দাম জানিস ? কুমড়োর মহিমা অপার। অন্যত্র দেখি স্রেফ চালকুমড়োর পাহাড়। সেগুলোও কেটে পিস পিস করে সেদ্ধ করা হচ্ছে। ওর থেকে চালকুমড়োর মিঠাই হবে।

    কুমড়ো সমিতির মিটিং-এ তখন মন্ত্রী মশায় তারস্বরে কুমড়োর মহিমা কীর্তন করে চলেছেন। আয়রন-প্রোটিন কতরকম ভিটামিন-ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে ওই কুমড়োর মধ্যে তারই বর্ণনা করে দেশবাসীকে কুমড়ো উৎপাদনের জন্য উদাত্ত কণ্ঠে আহ্বান জানিয়ে দেশমাতৃকার সেবায় আত্মনিয়োজিত করতে বলেন !

    কুমড়োর মাহাত্ম্য বক্তৃতার পর্ব মিটল। এরপর ফটিকদের অনুষ্ঠান শুরু হল। আমরা রেডি হয়ে আছি, কখন কি হয় অবস্থা। এই বোধহয় টম্যাটো, পচা ডিম পড়ল! এটা কুমড়োর দেশ। আস্ত কুমড়ো শূন্যপথে ধেয়ে এলেও আসতে পারে। কারণ ফটিকের ফাংশন শান্তিতে শেষ হয় না। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এখানে সেটা শেষ হল। দর্শকরাও এবার হ্যারিকেনের পলতে উসকে আলো নিয়ে দল বেঁধে যে যার ঘরের দিকে গেল। ফটিক বলে, ক্যামন ফাংশন হল বল। একেবারে পিনড্রপ সায়লেন্স।

    পটলা বলে, ওরা সব ঘুমিয়ে প-পড়েছিল।

    শান্তিতে অনুষ্ঠান শেষ হল। প্রেসিডেন্ট গোবর্ধনের মামা, ওই কুমড়ো পার্টির সেক্রেটারিও খুব খুশি। তারপর দিন দুপুরে ভুরিভোজনের পর এবার ফেরার পালা। পুকুরের মাছই কতরকম। ইয়া ট্যাংরা, রুই, সরেস গলদা চিংড়ি, তার ওপর পায়েস, রসগোল্লা – আয়োজন প্রচুর। ফিরছি। তার আগেই গরুর গাড়িতে করে এরা সামান্য উপহার পাঠিয়ে দিয়েছে নদীর এপারে। ওখানেই গাড়ি থাকবে।

    হেঁটে নদী পার হয়ে এসে দেখি গরুর গাড়িতে ছোটবড় খোলের মত সাইজের আট-দশটা কুমড়ো। গরুর গাড়ির গাড়োয়ানের চেহারাটা মুষকো। ইয়া গোঁফ, চোখ দুটো লাল করমচার মত। ওদিকে আজ কমিটি আমাদের জন্য তারকেশ্বর থেকে অন্য একটা গাড়ি ভাড়া করে এনেছে। সেই ভ্যানের ড্রাইভার আর গাড়োয়ান দু’জনে কি কথা বলছে আর আমাদের দিকে চেয়ে দেখছে।

    শীতের বেলা, তাড়াতাড়ি দিন শেষ হয়। বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যার আবেশ নামে নদীর বুকে । তাড়া দিই ড্রাইভারকে, চলো। কলকাতা ফিরতে রাত হবে।

    ড্রাইভার যেন কানেই শোনে না। সে বনেট খুলে কি নাড়াচাড়া করছে। ওদিকে সন্ধ্যা নামছে বালুচরে। ড্রাইভার এবার গাড়ি ছাড়ল। ভ্যানের মেঝেতে বেশ কয়েকটা কুমড়ো, গাদাগাদি করে আমরা। তবু একখানা করে কুমড়ো রোজগার কবে চলেছি।

    গাড়ি চলছে সেই খানা ডোবা বাঁশবনের বুক চিরে। গাড়ির সামনে ড্রাইভার, ক্লিনার আর গাড়ির সঙ্গে আসা লোকটাও রয়েছে। ও নাকি শেওড়াফুলির আড়তে থাকে, সেখানেই নেমে যাবে।

    সন্ধ্যা নেমেছে। রাস্তাটা নির্জন। হঠাৎ গাড়িটা থেমে গেল। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন লোক অন্ধকার বাঁশবন ভেদ করে এসে গাড়িটাকে ঘিরে দমাদ্দম লাঠি মারতে থাকে ৷ সামনে ফাঁকা রাস্তা। চিৎকার করি—ডাকাত ডাকাত! পটলা বলে, গ-গাড়ি ছোটাও। কুইক। কিন্তু গাড়ি তবু স্টার্ট নেয় না। আমাদের চিৎকারে ঝোপঝাড়ের আড়াল থেকে কিছু লোকজন হৈহৈ করে ছুটে আসে। ওদের দেখেই বোধহয় সেই ডাকাতের দল বনের অন্ধকারে মিলিয়ে যায়।

    আমরাও অবাক হই। ডাকাতরা কিইবা নিত! তবু ডাকাত—ডাকাতই। তারা চলে যেতে গ্রামের মানুষজন মিলে ঠেলতে ইঞ্জিনটা চালু হয়। পটলা বলে, সো-সোজা ক্যালকাটা ।

    তারকেশ্বর ছাড়িয়ে গাড়ি চলেছে। রাত্রির অন্ধকারে গাড়িটা ছুটছে। ঝিমুনি আসে। হঠাৎ ঝাঁকানি দিয়ে গাড়িটা আবার থেমে যায় মাঠের মধ্যে। এবার একটা গাড়ি এসে সামনে পথ আটকে দাঁড়িয়েছে। অস্পষ্ট চাঁদের আলোয় দেখা যায় গাড়ি থেকে চার-পাঁচজন নেমে আমাদের গাড়িতে এসে ওঠে। ওরা কি যেন খুঁজছে। একজন তো ফটিকের তানপুরাটাই আছড়ে ভেঙে ফেলে। ফটিক আর্তনাদ করে ওঠে। লোকটা ধমকায়, চোপ। চেল্লালে খতম করে দেবো। ওর হাতে ভোজালি। অন্য আরেকজন গাড়ির মধ্যে থেকে লাথি মেরে কুমড়োগুলোকে ফেলে দিতে চায়। একজন আমাদের ব্যাগগুলো হাঁটকাচ্ছে।

    এমন সময় দূরে হাইওয়েতে পুলিশের জিপের লাল আলো আর হুটারের শব্দ শুনতেই ওরা নেমে পড়ে। রাস্তায় ছিটকে পড়া দুটো ফুলসাইজ কুমড়ো তুলে নিয়ে গাড়িতে উঠে

    পালায় ।

    পুলিশের গাড়িটা আসতে দেখে আমাদের গাড়ির ড্রাইভার এবার গাড়ি স্টার্ট দিয়ে ফুলস্পিডে দৌড়তে থাকে। আমরা চিৎকার করি—গাড়ি থামাও, পুলিশকে জানাতে হবে ডাকাতির কথা। কিন্তু কে শোনে আমাদের কথা? সোজা বের হয়ে এসে শেওড়াফুলিতে ঢুকল । এখানে সঙ্গে আসা লোকটাকে নামিয়ে দিয়ে আবার চলেছি আমরা।

    গাড়িতে দু’দুবার ডাকাত পড়েছে। শেষবারের দলটা ছিল অনেক হিংস্র। হোঁৎকাকে মেরেছে। পটলার নাকে একটা ঘুষি ঝেড়েছে। ফটিকের তানপুরার শোক তখনও যায়নি। একটা ঘুষির চোটে চোখের উপর আব গজিয়ে গেছে। গালে চড়ের দাগ। তবু বলে, এমন সুন্দর তানপুরাটা গেল রে! হুগলির লাউ।

    হোঁৎকা গর্জে ওঠে, চুপ মাইরা থাক। লাউ-কুমড়োর নাম করবি না। কুমড়োর পার্টির জন্যই মার খাইছি।

    ওদিকে ড্রাইভার তখন একটা ধাবায় দাঁড়িয়েছে। তাকে বলি, আর দেরি কেন ড্রাইভার সাব? কলকাতায় ছেড়ে দিয়েই খেতে। ড্রাইভার কোনো কথাই বলে না। গিয়ে খাটিয়াতে বসল। ক্লিনার বলে, ইঞ্জিনে পেট্রল দিতে হয়। ড্রাইভারে পেটেও খাবার লাগে বাবু। খেয়ে নিই। দেরি হবে না ।

    এরা যেন কলকাতা যেতেই চায় না। ধাবায় শুয়ে-বসে তারপর খাবার খেয়ে নেয় ওরা। আমাদের পেটে তখন খোলকর্তাল বাজছে। কিন্তু কমিটি পথের খরচের পয়সা দেয়নি। যেন স্রেফ হাওয়া খেয়েই যাবে। ফাংশনের পর শিল্পীদের কদর আর থাকে না।

    গাড়ি ছাড়তে একঘণ্টা দেরি হয়ে গেল। চারিদিক নিঝঝুম অন্ধকার। হঠাৎ পথের ওপর কারা গাছ ফেলে রেখেছে দেখে গাড়িটা থামাতেই আবার দু’দিক থেকে কয়েকজন লাফ দিয়ে গাড়িতে উঠে পড়ে। তাদের মধ্যে দেখি সেই গাড়োয়ানও রয়েছে। ওরা আমাদের ব্যাগ, তবলার কেস, মায় কুমড়োগুলোও রাস্তায় ফেলছে। বারবারই আমরা ডাকাতের পাল্লাতেই পড়ছি। এবার আর বাধা দেবার চেষ্টাও করি না। কুমড়ো নিয়েই যদি খুশি হয় হোক।

    এমন সময় অন্ধকার ফুঁড়ে একটা পুলিশ ভ্যান এসে হাজির হয়। আমরা চিৎকার করি—ডাকাত, ডাকাত। ফটিক, গোবর্ধন মরিয়া হয়ে দু’জনকে ধরে ফেলে। আমিও হাতের কাছে একটা ইট কুড়িয়ে সেই গাড়োয়ানের ঘাড়ে জোরে একটা আঘাত করতে সে ছিটকে পড়ে।

    ততক্ষণে পুলিশ ঘিরে ফেলেছে গাড়িটাকে।

    ওই কুমড়ো, ভাঙা তানপুরা ও অন্য মাল সমেত গাড়িটাকে থানায় আনা হল। দারোগাবাবু আমাদের মুখে সব শুনে বলেন, কুমড়োর জন্যই ডাকাতি! কোথা থেকে আসছ তোমরা ?

    শালিখপোঁতা থেকে। ওরাই ক’টা কুমড়ো দিয়েছিল। ওই লোকটাই গাড়িতে করে এনে তুলে দেয়। তারপর মাঝপথে ও নেমে যায়। আর ড্রাইভার ধাবাতে ঘণ্টা দেড়েক দেরি করে, যাতে ওই লোকটা দলবল এনে ডাকাতি করার সময় পায় ।

    দারোগাবাবু কি ভাবছেন। বলেন, শালিখপোঁতা থেকে আসছ? তারপরই কুমড়োগুলোকে নিরীক্ষণ করতে থাকেন। বিশাল সাইজের কুমড়ো। হঠাৎ একটা কুমড়োর গায়ে সরু দাগ দেখে সেটাকে ধরে টানতে কুমড়োর কিছুটা অংশ উঠে আসে। তার ফাঁক দিয়ে হাত ঢুকিয়ে দারোগাবাবু সাবধানে একটা ইঞ্চি ছয়েক সাইজের অষ্টধাতুর মূর্তি বের করে টেবিলে রাখেন। গোবরা এর আগে শালিখপোঁতায় এসেছে, মন্দিরে ওই মূর্তি সে দেখেছে। ওই প্রাচীন মূল্যবান মূর্তিটাই চুরি হয়েছে আর সেটা বের হল এখানে ওই বিশাল কুমড়োর মধ্যে থেকে ! গোবর্ধন বলে, এই মূর্তিটাই চুরি হয়েছে ওখানে। পঞ্চাশ লাখ টাকা দাম ।

    দারোগাবাবু ওই রাতেই শালিখপোঁতা থানায় রেডিও মেসেজ দিতে ভোরেই ওখান থেকে দারোগাবাবু, সেই মন্দিরের মালিক কুমড়ো পার্টির সেক্রেটারিবাবু, গোবরার মামা, গ্রামের দু’একজন লোক এসে পড়ে। তারা মূর্তি শনাক্ত করে আর ভুজঙ্গ দারোগা সেই গাড়োয়ানকে সপাটে একটা চড় মেরে বলে, ব্যাটা তখন বললি কিছুই জানি নে। ছিঁচকে চুরি করি, ঠাকুর-দেবতাকে ছুঁই না । এখন !

    একা ওই গাড়োয়ানই নয়, তদন্তে বের হয় গ্রামের দু’একজন এমনকী ওই ড্রাইভারও জড়িত। তারাই বারবার চেষ্টা করেছিল কুমড়োটা নিয়ে যেতে কিন্তু অন্য কুমড়োর সঙ্গে মিশে যাওয়ায় ঠিক মাল বাছতে পারেনি। তাই এবার সব কুমড়োগুলো নিয়ে যাবার চেষ্টা করতেই ধরা পড়ে যায়।

    কুমড়ো পার্টির সেক্রেটারি, পুলিশ সাহেব, দারোগাবাবু সকলেই খুব খুশি। আমরা নাকি শালিখপোঁতা গ্রামকে চরম অকল্যাণের হাত থেকে বাঁচিয়েছি। গোবরার মামা বলেছে, আমাদের ক্লাবের বালকভোজনে বরাবর ফ্রিতে কুমড়ো সাপ্লাই দেবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }