Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প816 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পটলার জলসা

    মদনা যে এমন গদ্দারি করবে আমাদের সঙ্গে তা স্বপ্নেও ভাবিনি। এই মদনা সেদিন কুলেপাড়া ক্লাব থেকে হঠাবাজার হয়ে চলে এল। কুলেপাড়া ক্লাব মদনা আর তার তিনজন সহকর্মী ন্যাপা, বিশেদের ক্লাব থেকে আউট করে দিয়েছে, ওদের বিরুদ্ধে নাকি নানা অভিযোগ, ওরা কুলেপাড়া ক্লাবের নাম ডুবিয়েছে।

    কুলেপাড়া ক্লাব আমাদের পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের একেবারে জাতশত্রু। আমাদের নিজেদের খেলার মাঠ, ক্লাবঘর আছে অবশ্য এবারই হয়েছে আমাদের পটলার ঠাকুমার দৌলতে। ওদের জায়গা পটলার জন্যই আমরা ব্যবহার করার অনুমতি পেয়েছি।

    প্রতিবার ঘটা করে শিল্ড ফাইনাল হয়, ফাংশনও করি এই মাঠে। ফটকে গান-বাজনার লাইনে আছে ওই শিল্পীদের আনে। দারুণ অনুষ্ঠান হয়। কুলেপাড়ার খেলার মাঠও নাই, তবু ফুটানি আছে, আমাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাস্তাতেই ম্যারাপ বেঁধে ফাংশনও করে। কিন্তু আমাদের টেক্কা দিতে পারে না।

    সবদিক থেকে এই অঞ্চলে পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবই সেরা। কুলেপাড়া তিনহাত সরস্বতী করেছে, পটলা বলে পাঁচহাত উঁচু সরস্বতী কর। যা লাগে দেবো। আর ওদের তিনখান গেট হচ্ছে বিসর্জনে। হোঁৎকা বলে আমাগোর ন’খানা গেট হইব পটলা ।

    সবদিক থেকে কুলেপাড়া ক্লাব হেরে যায়। আর তাই নাকি ওদের মধ্যেই বিরাট ঝগড়া শুরু হয়। মদনাই তার দলবল ওই ন্যাপা বিশেদের নিয়ে ওইসব অনুষ্ঠান করে। এবার কুলেপাড়ার সভ্যরা বলে—মদনা টাকা মারে, ভালো শিল্পীদের আনে না, তাই পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবই জিতে যায়। তাড়াও মদনাকে।

    অপমানিত মদনাও ক্লাব থেকে বিতাড়িত হয়ে এবার আমাদের ক্লাবে এসে হাজির হয়, পরীক্ষা শেষ, সন্ধ্যাবেলায় তাই ক্লাবে আমি, হোঁৎকা, পটলা, ফটিক মায় গোবরাও রয়েছি। পটলা আজ টোস্ট ওমলেটের ব্যবস্থা করেছে ক্লাব ফান্ড থেকে, তারই সদ্ব্যবহার করছি। অবশ্য হোঁৎকার জন্য ডবল টোস্ট চাই। ওর পেটের খোলটা একটু বড়। হোঁৎকা তাও পেয়েছে। এমন সময় মদনাদের আসতে দেখে চাইলাম। মদনা এসেছে একেবারে বিধ্বস্ত অবস্থায়, ওর সঙ্গী ন্যাপা বিশুও গরুচোরের মত দাঁড়িয়ে আছে নীরবে। মদনা বলে,

    —হোঁৎকা, ওই কুলেপাড়া ক্লাবকে মুছে দেব।

    এ যেন ভূতের মুখে রামনাম। মদনা আমাদের চিরশত্রু ওই কুলেপাড়া ক্লাবের একটা স্তন্তই। সব অনুষ্ঠান সেখানে ওই অর্গানাইজ করে, খেলার মাঠে কুলেপাড়া ক্লাবের হয়ে ওই তাণ্ডবনৃত্য করে। ভাসানের সময় কুলেপাড়া ক্লাবকে ওই সবকিছু জুগিয়ে সাহায্য করে। আমাদের ক্লাবের নামে মুর্দাবাদই দিয়েছে এতদিন। আজ এই মদনাকে ওই কথা বলতে শুনে অবাক হই। হোঁৎকা শুধোয় কি কস্ মদনা ?

    মদনা রাগে ফেটে পড়ে। বলে কুলেপাড়া ক্লাবের জন্য জান লড়িয়ে দিলাম আর এখন আমাকে বলে ‘থিফ’, চোর! বেইমান! আমার জন্যই ওদের ক্লাবের বদনাম! তাই ওই ক্লাব ছেড়ে চলে এসেছি, ওই কুলেপাড়া ক্লাবকে তুলে দেব। নাম নিশানা মিটা দেঙ্গে! নাম মুছে না দিই তো আমার নাম মদনাই নয় ।

    ন্যাপা বলে গুরুকে খুব হ্যাটা করেছে ওরা। আমরাও চলে এসেছি।

    সামনে আমাদের বাৎসরিক অনুষ্ঠান। শুনি কুলেপাড়াও নাকি ওই সময়ই আমাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অনুষ্ঠান করবে। তাই মদনাকে এখন পেলে কুলেপাড়া ক্লাবকে জব্বর ঘা দিতে পারব। পটলা বলে তুই আসবি আমাদের ক-ক্লাবে?

    মদনা বলে সিওর। আর এবারেই কুলেপাড়ার ফাংশনকে টেক্কা দিয়ে এখানেই ফাংশন করব। দেখবি মদনার এলেম। পটলা কি বলতে যায়, হোঁৎকা টোস্টের শেষটুকু মুখে পুরে বলে, পরশু আয় মদনা, তহন কথা হইব ।

    মদনা বলে তাই আসব, তবে মদনার বাত হাতিকা দাঁত, একবার বের হয়ে এসেছি ওদের শেষ করব বলে, শেষ করবই। দেখবি।

    ওরা চলে গেলে পটলা বলে ওকে নিয়ে নে হোঁৎকা, ক-কাজের ছেলে। ওকে টানতে পারলে কুলেপাড়া গন্ ফট্। ফুটে যাবে। হোঁৎকা বলে, ভাবতি দে হক্কলেরে। ফট্ কইরা বিলিভ করস না ।

    গোবরা বলে, আমি শুনেছি মদনাকে ওরা আউট করে দিয়েছে।

    পটলা বলে, ওদের শত্রু এখন মদন। শত্রুর শত্রুকে বন্ধু বলে মেনে নিলে ক-কাজ হয়। নে মদনাকে। কাজের ছেলে, এবার মুখের মত জবাব দিব ওই কুলেপাড়া ক্লাবকে ।

    ফটিক চায় জমিয়ে অনুষ্ঠান হোক এবার। মদনা থাকলে অনুষ্ঠান আরও জমবে। তাই বলে, মদনাদের নে হোঁৎকা ।

    আমি বলি, হোঁৎকা ঠিকই বলছে, মদনা অন্য ক্যাম্পের ছেলে আমাদের সঙ্গে মিলবে কি না দেখতে হবে তো, শেষে যদি কোন গোলমাল হয় ?

    গোবরা বলে, তাহলে মদনাকেই ঠ্যাং ভেঙে ফেলে রাখব। গোবরা গায়ের জোরেই সব করতে চায়। মদনাকে পটলার চাই, পটলাও চায় কুলেপাড়া ক্লাবকে দেখাতে যে মদনাকেও তারা এনে ওদের ঘা দিয়েছে। ফটিক তো সায় দেয় ওতে। গোবরাও।

    অর্থাৎ পাঁচজনের তিনজন একদিকে, আমি আর হোঁৎকা তাই যেন ভোটে হেরে গেছি। হোঁৎকা বলে, তয় নে কিন্তু কইছি একটু হুঁশিয়ার থাকতি হইব। মদনা যদি লেঙ্গি মাইরা দেয়? পটলা বলে, নো ফিয়ার। ও ওসব করবে না ।

    মদনা বিশে ন্যাপাদের নিয়ে এবার আমাদের ক্লাবেই সামিল হল। পোস্টার লেখা, প্যাম্পলেট বিলি করা, ফেস্টুন টাঙানো সবতাতেই মদনা। মদনা কয়েকদিনের মধ্যে পটলার ডানহাত হয়ে উঠল। মদনাও যেন জান লড়িয়ে দেবে আমাদের জন্যে।

    পটলা বলে, না, ছ-ছেল্লেটা খুব কাজের।

    পটলার ভাব একটু গভীর হলে জিবটা আলটাকরায় সেট হয়ে যায়। পটলার কাছে আর্টিস্টদের লিস্ট ফেলে দেয় মদন। নামি-দামি আর্টিস্ট। মদনা বলে সন্ধ্যাদিকে আমি বললে গাইবে ওদিকে হৈমন্তীদি, শ্রীরাধাদি, এদিকে শৈবালদা, ইন্দ্রনীলদা আর নচিকেতাদা—ব্যস ফ্যাংশন কুলপি হয়ে যাবে। কুলেপাড়া যেন কোন আর্টিস্ট না পায়। ওদের কনট্রাক্ট করাব এখানে অন্য কোন আসরে গাইবে না। করুক কুলেপাড়া ফাংশন, দেখি ক্যামন বাপের ব্যাটা। ওদের প্যান্ডেলে স্রেফ মাছি উড়বে। মাছি।

    দৃশ্যটা কল্পনা করেও তৃপ্তি পাই। কুলেপাড়া ক্লাব পথে বসবে, লোক হাসবে ওদের দেখে আর পঞ্চপাণ্ডব ক্লাব রমরমিয়ে ফাংশন করবে ওই সব নামি শিল্পীদের নিয়ে।

    পটলা বলে তাই ক-করতে হবে মদন ।

    মদনার চ্যালা বিশু ন্যাপা বলে, করতে হবে কি? গুরু যখন বলেছে তখন করা হয়ে গেছে ধরে নাও।

    ঘনঘন চা, টোস্ট আসছে মদনাদের জন্য। পটলাকে নিয়ে মদনা গাড়ি নিয়ে বের হচ্ছে। শিল্পীদের বাড়িতে টাকা দিয়ে কনট্রাক্ট সই করিয়ে নিচ্ছে মদনা ।

    বলে, কাজ সব আমার পাকা পটল ।

    পটলাও খুশি। মদনা শিল্পীদের সই করা কাগজপত্র সব নিজের ব্যাগেই রেখে দেয়। বলে, সব একবারেই দেবো মায় হিসাব সমেত।

    ফাংশনের দিন ঘনিয়ে আসছে, আমাদের সময় নেই। স্বপ্ন দেখছি এবার ওই কুলেপাড়া ক্লাবকে পথে বসাবোই। সব শিল্পী এখন আমাদের কাছে চুক্তিবদ্ধ, এ পাড়ায় আর কোন অনুষ্ঠান করবে না। পটলা বলে।

    –দ্যাখ হোঁৎকা, তোরা তখন বকলি মদনাকে ভরসা ক-করা যায় না। ওই মদনাই কুলেপাড়াকে বধ করেছে। এবার নাম ফাটাবে ওই পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবেরই ওই মদনার জন্যই।

    পরদিন সকাল থেকেই মদনা-বিশেদের দেখা নাই। আমি তখন আর্টিস্টদের লিস্ট করছি বিশাল করে হোর্ডিং লেখানো হবে, হ্যান্ডবিল ছাপাতে হবে। মদনার কাছে লিস্ট কিন্তু মদনার দেখা নেই, ফটিক সাইকেল হাঁকিয়ে, এদিক-ওদিক ঘুরে গলদঘর্ম অবস্থায় ফিরে এসে বলে বাড়িতে তো নেই মদনা। কোথায় গেছে কদিন। পটলা বলে তাহলে গেছে কোন আর্টিস্টদের বাড়ি। ফিরে এলেই পুরো লিস্ট পাবি। কাছেই গেছে কো-কোথাও!

    এমন সময় হোঁৎকা ঢোকে বিধ্বস্ত অবস্থায়। হাতে একটা পোস্টার। হোঁৎকা বলে, আর্টিস্টদের লিস্টি আর পাইবি না, মদনা গদ্দারি করছে। তখন কইছিলাম শোনসনি, এহন দ্যাখ মজাখান।

    এগিয়ে দেয় পোস্টারটা। কোন দেওয়াল থেকে ছিঁড়ে এনেছে। পিছনে আঁঠা লাগানো আর এদিকে লাল কালিতে লেখা বহু তারকা সমাবেশে কুলেপাড়া ক্লাবের বাৎসরিক অনুষ্ঠান। অংশ নিচ্ছেন তারপরেই আমাদের বুক করা সব নামি-দামি শিল্পীবৃন্দের নাম। চমকে উঠি, একি এসব শিল্পীকে তো আমরাই বুক করেছি! হোঁৎকা বলে বুক তো করছিস টাকাও দিছস, তয় আমাগোর পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের নাম বুক না কইরা ওই কুলেপাড়া ক্লাবের নামেই বুক করছে মদনা, ক্লিন লেঙিই মারছে আমাগোর। এহন বোঝছস সেখান?

    পটলা আর্তনাদ করে ওঠে, সে কি! তাই কাগজপত্র আমাকে দেয়নি মদনা, এই স-সব ক-করেছে?

    গোবরা গর্জে ওঠে, মদনারে মার্ডার করব, ওর ঠ্যাং ভেঙেই দেব নির্ঘাৎ।

    বলি ওসব ছেড়ে এখন খবর নে, ব্যাপারটা কি জানতে হবে। ক্রমশ খবরটা বের হয়। মদনা বিশের দল এখন ঝাঁকের কই আবার কুলেপাড়ার ঝাঁকে মিশে গেছে, আমরাও দেখি মদনা এখন কুলেপাড়ার ক্লাবের সকলের প্রিয় আপনজন। যে কুলেপাড়া ক্লাবকে সে মুছে ফেলে দিতে চেয়েছিল, সেই ক্লাবেরই এখন কর্মকর্তা। ওই নাকি সদর্পে বলে পঞ্চপাণ্ডবের সব কটাই ছাগল তাই অনায়াসেই ওদের ঘাড় মটকেছি। মরুক ছাগলের দল।

    কথাটা আমাদের কানেও আসে। কিন্তু করার কিছুই নেই। আমাদের টাকায় আমাদের বোকা বানিয়ে মদনা এখন ফাংশন করতে চলেছে। আর আমাদের করার কিছুই নেই। পটলা তবুও চেষ্টা করে । শিল্পীদের কাছে গিয়ে বেশি টাকাও দিতে চায়। কিন্তু তারা বলে, কুলেপাড়া ক্লাবের টাকা নিয়ে চুক্তি করেছি, দশদিন ওখানে অন্য কোথাও অনুষ্ঠান করব না।

    সন্ধ্যার আঁধার নেমেছে আমাদের ক্লাবঘরে। চুপচাপ বসে আছি। ওদিকে কুলেপাড়া ক্লাব অটোতে মাইক লাগিয়ে তাদের অনুষ্ঠানের শিল্পীদের নাম ঘোষণা করছে। আর ওদের কার্ডও বেশি দামে বিকোচ্ছে। এত শিল্পীর সমাবেশ করেছে কুলেপাড়া ক্লাব, এমন ফাংশন ইতিপূর্বে এখানে আর হয়নি।

    পটলা বলে আ-আমি সু-সুইসাইড করব।

    পটলার জন্যই এই সর্বনাশ হয়েছে তাই পটলা সুইসাইড করে লজ্জা এড়াতে চায়। গোবরা গজরাচ্ছে, মদনারে মার্ডার করব। ব্যাটা গদ্দার। বিশ্বাসঘাতক।

    ফটিক বলে লোকে হাসছে রে। বলছে আমরা নাকি ছাগলপার্টি, গাধার দল।

    আমি কোনো জবাব দিই না। যেন সবাই ক্লাবের মৃতদেহ আগলে রয়েছিল শেষ সৎকারের আশায়। হঠাৎ হোঁৎকা গর্জে ওঠে, একটা বিহিত করুম। পটলা সুইসাইড করতি হইব না । যা বলি তাই কর। ওই কুলেপাড়া ক্লাব মদনা দুইটাই ফিনিস হইব। প্রতিশোধ লমুই ।

    পটলা বলে, পারবি হোঁৎকা ?

    হোঁৎকা বলে—সিওর, ওদের ফাংশন ক্যামন জমজমাট হইব দেখবি ।

    এবার নতুন আশা নিয়ে সে উৎসাহ নিয়ে, আমরাও এবার হোঁৎকার প্ল্যানটা শুনছি। হোঁৎকার মাথাতে নানা বুদ্ধি হঠাৎ হঠাৎ খেলে যায়, তাতে অনেক সমস্যার সমাধানও হয় বেশ বিচিত্রভাবে। এবারও একটা প্ল্যান এসেছে ওর মাথায়।

    সব শুনে বলি, প্ল্যানটা ভালোই, তবে খুব সাবধানে আর গোপনে এসব করতে হবে। পটলা বলে, তাই করবি, টাকা যা লাগে দেব। ঠিকমত ক-কাজ যেন হয়। পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের বাঁচা-মরার প্রশ্ন জড়িত যে। ঠিকঠাক কাজ যেন হয়।

    গোবরা বলে ওর জন্য ভাবিস না। ওই জীব-জন্তুর ব্যাপারটা আমার ওপর ছেড়ে দে, আর সমী ওই টেলিফোন তুই পটলাদের বাড়ি থেকে পটাপট করতে থাকবি।

    হোঁৎকা বলে বাকি সব ব্যবস্থা আমিই করুম। পটলা বেশ কিছু টাকা দিয়ে বলে, তাই কর। টাকা যা লাগে নে। এই গদ্দারির জবাব দিতেই হবে।

    কুলেপাড়া ক্লাবের এখন রমরমা অবস্থা। ওদিকের বড় রাস্তায় ওরা বেশ বড়সড় প্যান্ডেল করেছে। ওদিকেই ধোপাদের আড্ডা, এদিকে বাড়ি—মাঝের পথে ওদের প্যান্ডেল । অফিসে হইচই চলছে। মদন দলনেতা। তার নামে আর ওদের প্রেসিডেন্ট ভূধরবাবুর নামে কার্ড ছাপা হয়েছে, বেশ চড়া দামেই দেওয়া হচ্ছে কার্ড। পাড়ার দেওয়ালে ওদের রঙিন পোস্টার ব্যানার লাগানো মাইকে পাড়া মুখর করে কুলেপাড়ার ক্লাবের জয়ধ্বনি ঘোষিত হয় ।

    আমরা মুখ লুকিয়ে যাতায়াত করি। লোকে জানে হেরে গিয়ে পঞ্চপাণ্ডব ক্লাব তাদের অনুষ্ঠান বন্ধ রেখেছে। লজ্জায় চলে গেছে কোথায় ওদের সভ্যরা।

    কুলেপাড়ার অনুষ্ঠানের দিন সমাগত। মদন এখন খুবই ব্যস্ত। এখন সে কুলেপাড়ার হিরো। পরের পয়সায় এত শিল্পী পেয়ে গেছে। এত টাকা বাঁচিয়েছে ক্লাবের আর পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবকে ঠান্ডা করে দিয়েছে সুতরাং এদের কাছে মদন এখন হিরোই। ভূধরবাবুরও রাগ আমাদের উপর। আমাদের জন্যই নাকি সে ভোটে হারে। এবার এই অনুষ্ঠান করে নাম ফাটিয়ে জিতবে সে।

    মদন এখন আমাদের দেখেও দেখে না। ফাংশনের মালকড়ি ভালো আমদানি হচ্ছে, আর শিল্পীদের টাকা দিতে হয়নি। তার অর্ধেক নাকি মদনই পাচ্ছে ক্লাব থেকে। তার দিনকাল ভালোই চলেছে, আমাদের দেখে বলে শ্লেষভরা কণ্ঠে, কিরে ফাংশন করবি না? এ্যা কী হল ? হোঁৎকা চুপ করে থাকে। আমরাও নীরব থাকি।

    পটলাই গর্জায়, বি-বি-

    হাসে মদনা, বিশ্বাসঘাতক? তোরা তো ছাগল ৷

    গোবরা গর্জায়—দেব এক রদ্দা ।

    আমি থামাই তাকে। হোঁৎকা বলে। চল এহান থেকে। আমরাই সরে আসি সব অপমান সহ্য করে। মদনা বিশের দল দাঁত বের করে হাসে।

    হোঁৎকা বলে সব সায়লেন্ট থাকবি! যা করার ঠিকঠাক করতি হইব গোবরা—

    গোবরা বলে, সব ব্যবস্থা করেছি, তোরা যে যার ডিউটি করে যা।

    অনুষ্ঠানের দিন কুলেপাড়া ক্লাবের সভ্যদের ব্যস্ততার সীমা নেই। মদনা সব কাজের ভার ওদের সভ্যদের বুঝিয়ে দিয়েছে। একদল শিল্পীদের অভ্যর্থনা করবে। অন্যদল গেট সামলাচ্ছে। মদন নিজে অনুষ্ঠান পরিচালনা করবে। চোস্ত আর ঝকঝকে চিকনের কাজ করা গুরুপাঞ্জাবি পরে মদন মেক-আপ দিয়ে মাইকে তখন ইনিয়ে-বিনিয়ে কুলেপাড়া ক্লাবের মহান অবদানের কথা ঘোষণা করছে। বিশাল দেহ নিয়ে ভূধরবাবু গলায় মালা পরে, বোদা মুখ করে বসে আছে মঞ্চে।

    প্যান্ডেল তো ভর্তি। স্টেজে লাল-নীল আলো জ্বালার পরীক্ষা চলেছে এরপর ক্লাবের সভ্য-সভ্যারা উদ্বোধন সঙ্গীত গাইবে নৃত্য সহকারে।

    ওদিকে গ্রিনরুমে তখন নামিদামি তিনচার শিল্পীও হাজির। ছেলেরা বুকে ব্যাজ লাগিয়ে তাদের খাতির করছে। বক্তৃতার পর এবার সানাই বাদন চলেছে এরপর মাইকে ঘোষণা করা হচ্ছে কুলেপাড়া ক্লাবের সভ্যসভ্যাদের সমবেত বেদগান পরিবেশিত হবে।

    মঞ্চ ফাঁকা—লাল-নীল আলোর ট্রায়াল চলছে।

    ওদিকে গোবরা ফটিক আর গোবরার ধোপাপাড়ার চ্যালারাও যে অন্ধকারে পুকুরপাড়ে তৈরি হয়ে আছে ওদের হাতে মুঠো মুঠো নস্যি আর গোবরা খোঁজখবর করে ধোপাপাড়া থেকে গোটা দশবারো গাধাও জোগাড় করে ওদিকে অন্ধকারে তৈরি হয়ে আছে লাঠি হাতে। মাইকে ঘোষণা হতেই গোবরা বলে ওঠে, স্টার্ট—

    মঞ্চ প্যান্ডেলে দর্শকরা হঠাৎ কলরব করে ওঠে, মাইকে ঘোষণা চলছে সভ্যসভ্যাদের সমবেত বেদগান হঠাৎ বিকট চিৎকারে চাইল শ্রোতারা, ওদিকে তাড়া খেয়ে প্যান্ডেলের চাদর ঠেলে ঢুকছে গোটা দশেক গাধা গলায় লাল জবা ফুলের মালা আর ওদের দুই নাকে গোবরার দল মুঠোভর তাজা নস্যি পুরে দিতে ওই গাধার দল বিকট শব্দে হাঁচছে আর চিৎকার করছে তারস্বরে—হ্যাঁচ্চো হ্যাঁচ্চো ফ্যাঁচ্ হ্যাঁচ্চো আট-দশটা গাধা মালা পরে মঞ্চে ঢুকে ওই বেদম কোরাস চালু করেছে। মাইকে ওই গাধার হাঁচি আর আর্তনাদ তখন আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে দিয়েছে—হ্যাঁচ্চো—হ্যাঁচ্চো-

    কুলেপাড়ার সভ্যসভ্যারা এমন বেদগান গাইবে তা দর্শকরা ভাবেনি। ওরা হাসতে থাকে। এ কি বেদগান রে? এ যে গাধার দলের চিৎকার।

    মদন বুঝতে পারেনি এমনি কাণ্ড ঘটবে। সে তার দলবল নিয়ে গাধাদের তাড়া করে। গাধার মত নিরীহ জীব যে মারাত্মক হতে পারে তা তাদের জানা ছিল না। চারপায়ে লাথি ছুঁড়তেই মদন ছিটকে পড়ে ওদিকে—কপাল ফেটে রক্ত ঝরছে আর ধাবমান গাধার দল এবার জনারণ্যে কোনদিকে যাবে ভেবে না পেয়ে সামনের দিকেই দৌড়লো, সঙ্গে সেই চিৎকার—হ্যাঁচ্চো, হ্যাঁচ্চো, হ্যাঁচ—দর্শকরা এ হেন অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি ছিল না। তাড়া খেতেই গাধাগুলো যে যেদিকে পারে ছুটছে, ফলে দর্শকরাও এবার যে যেদিকে পারে দৌড়োল, চেয়ার ভাঙছে গাধার লাথিতে। মানুষজনের কলরব ওঠে, সেই সঙ্গে সমবেত গর্দভরাগিণীও চলেছে।

    কয়েক মিনিট মাত্র, তার মধ্যেই প্যান্ডেল লণ্ডভণ্ড, লোকজনও উধাও। ওদিকে দুটো গাধা গ্রিনরুমের দিকে ছুটেছে। একজন ভলেনটিয়ার ছিটকে পড়ে, পালাও ।

    শিল্পীরাও গাধার লাথি থেকে প্রাণ বাঁচাতে যে যেদিকে পারে বের হয়ে গাড়িতে উঠে কেটে পড়ে। জানে ফাংশন ভণ্ডুল হলে তারপর প্যান্ডেল ভাঙচুর হবে। পাবলিক ধরবে তাদেরও। কোনরকমে গাধার দল তো পালাল সব পণ্ড করে, আবার কর্মকর্তাদের পেটাতে লোকজন ভাঙা আসরে ফিরে আসে, কিন্তু শিল্পীরা আর ফেরেনি, তারা কেটে পড়েছে।

    ওদিকে আমি তখন পটলার বাড়ি থেকে বাকি শিল্পীদের ফোন করছি, আমাদের ক্লাবে গোলমাল হচ্ছে আপনাদের অনুষ্ঠান বাতিল করা হল। না আসাই নিরাপদ। অন্যত্র অনুষ্ঠান থাকলে চলে যান ৷

    মদনা কোনমতে মাথায় ফেট্টি বেঁধে মঞ্চে খাড়া হয়ে ঘোষণা করছে—বসুন, শান্ত হয়ে বসুন, অনুষ্ঠান যথারীতি হবে, শিল্পীরা এসে পড়বেন।

    তাড়া খাওয়া দর্শকরা তো এবার মরিয়া। ঘণ্টাখানেক হয়ে গেছে, নামি-দামি শিল্পী কিছু ভেগেছে আগেই। বাকিদের পাত্তা নেই। তাই তারা এখানের অনুষ্ঠান বাতিল হতে অন্যত্র ধরে নিয়ে চলে গেছে। তাদেরও পাওয়া যাচ্ছে না।

    তারপরই শুরু হয় ভাঙচুর। দর্শকরা গর্জন করে ফোরটোয়েনটিগিরি করা হচ্ছে, গাধার সং দেখাতে টাকা দিইছি?

    কইরে শিল্পীরা কই? কে আওয়াজ দেয় ৷

    ক্রমশ হাওয়া গরম হতে থাকে। দুচারটে ঢিল-পাটকেলও পড়া শুরু হয়। মড়মড় করে চেয়ার ভাঙছে, উত্তেজিত দর্শকদের উত্তেজনাও বাড়ছে। মদন ভূধরবাবু ব্যাপার গুরুতর দেখে ঘাবড়ে গেছে। উৎসাহী-ভলেনটিয়াররাও এবার ব্যাজ খুলে পকেটে পুরেছে দর্শকদের মার থেকে বাঁচার জন্য। ভাঙচুরের পর আরও কিছু করত দর্শকরা কিন্তু পুলিশই জোর করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে প্যান্ডেল মাইক বাঁচালো কোনমতে।

    সারা রাত অবধি এই নাটকই চলেছিল তারপর মদন ভূধরবাবু অন্য কর্মকর্তাদের পুলিশ অ্যারেস্ট করে নিয়ে যাবার পর জনতা ফিরে যায়। অনুষ্ঠান মঞ্চে যেন দক্ষযজ্ঞ হয়ে গেছে।

    আমরা নিরাপদ দূরত্বে থেকে সবই দেখছি। হোঁৎকা বলে—কি রে পটলা এহন খুশি? পটলা বলে, পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের মুখ রেখেছিস হোঁৎকা। উঃ মদনারে পুলিশ টানতে টানতে নে গেল—ওই মোটকা ভূধররেও। খুব খুশি হইছি।

    গোবরা এসে জানায়, পুলিশ ওদের ক্লাবঘরেও তালা দিয়ে গেছে।

    পটলা বলে, ভেরি গুড, চল এবার। কাল হোঁৎকার অনারে তোদের ক-কবজিভোর মাংস খাওয়াব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }