Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প816 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইটের বদলে পাটকেল

    আজকেল ঝালমুড়িটা বেশ জমেছে। ভকতরাম নতুন কি এক মশলা বের করেছে সামান্য আমচুর দিয়ে, তাতে মুড়ির কদরও বেড়ে যায়। পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের মাঠে বসে পটলার পয়সায় ঝালমুড়ি খাচ্ছি। ওদিকে দরজায় বেড়া দেওয়া ক্লাবঘর, সাইনবোর্ডটার একদিক ভেঙে গিয়ে নড়বড় করে ঝুলছে—যে কোন মুহূর্তেই ওটা ছিটকে পড়বে। অবশ্য আমাদের ক্লাবের অবস্থাও তেমনি। কবছর এই মরে সেই মরে করে করুণভাবে টিকে আছে।

    দরমার ঘরে ফটিক হারমোনিয়াম বাজিয়ে গাইছে, মেরে সঁইয়া-আ, পার লাগাদে নাইয়া । বিগত পাঁচ বছর ধরে হতভাগাটা ওই এক গানই গেয়ে চলেছে, নৌকা পারে লাগানোর গান ।

    গ্রীষ্মের ছুটি শুরু হয়েছে। এবার ক্লাব ফান্ডের অবস্থা খুবই টাইট, নইলে প্রতিবারই এ সময় দল বেঁধে বেড়াতে বের হই। ক্যাশিয়ার অবশ্য পটলাই। টাকা কড়ি ওই ম্যানেজ করত বাড়ি থেকে। এবার সেই টাকার উৎস অর্থাৎ ঠাকুমা কেদার বদরি গেছে। বাবা কাকারা মস্ত বড়লোক পটলার, কিন্তু পুরুষগুলো মহাচিপ্পুস। মাপা টাকা ছাড়া একস্ট্রা টু পাইস দেবে না । হঠাৎ এমনি দিনে এসে পড়ে পটলার মাসতুতো ভাই নন্দ। নন্দদুলালকে আমরা চিনি পটলার সুবাদেই। বর্ধমানে ওদের বিরাট বাড়ি, বাবাও নামকরা উকিল।

    নন্দ বলে—ছোড়দির বিয়ে সামনের ২৬ বৈশাখ, আর শহরে নয়—পাত্রের মামা দেশের বাড়িতে থাকেন, উনি চান আমাদের দেশের বাড়ি থেকে বিয়ে হবে।

    নন্দ আরও বলে,—দূর গ্রামে বিয়ে, এতবড় করে, সেখানে তো বিশেষ যাই না তাই কাজের লোকজন ম্যানেজ করার জন্য তোদেরও যেতে বলেছেন বাবা।

    ফটিক বলে,—ওরে বাবাঃ, সেই অজপাড়াগাঁয়ে যেতে হবে !

    পটলা বলে—না গেলে ওরা বিপদে পড়বে, তাই পাঠিয়েছেন নন্দদাকে মেসোমশাই। চল না—গরমের ছুটিতে বেড়ানোও হবে।

    হোঁৎকা কি ভাবছে। বলে সে এবার—তয় পরোপকার—যারে কয় সমাজসেবাও হইব। চল্ যাই গিয়া ।

    নন্দদাও খুশি। বলে—তাহলে ক্লাবের রবীন্দ্রজয়ন্তী ২৫শে সেরে পরদিনই বের হয়ে পড়বি, আমাদের বর্ধমানে পাবি না, সাতদিন আগেই চলে যাব গ্রামে, তো—পথের হদিস সব বলে দেব। তোদের গাড়ি ভাড়াও রেখে যাচ্ছি পটলার কাছে। নিশ্চয়ই যাবি কিন্তু।

    হোঁৎকা তো পা বাড়িয়ে আছে সোৎসাহে মাথা নাড়ে—ঠাকমা এখানে নাই—এবার রবীন্দ্র জয়ন্তী তেমন জোর হইব না। ক্যাশকড়ি নাই মোটে। অক্ পঁচিশে বৈশাখ রাতেই স্টার্ট করুম। কী বলিস তোরা?

    গোবরা, আমি, ফটিক, পটলা আর হোঁৎকা এবার যাবার প্ল্যান নিয়ে ব্যস্ত। পটলার এমার্জেন্সি ক্যাশ থেকে সাংশন করা হয়েছে পঞ্চাশ টাকা।

    —কী করবি?

    পটলার কথায়, হোঁৎকা বলে,—কলকাতা থনে যাইত্যাছি ওই অজগ্রামে, বিয়া বইলা কথা । কলকাতার স্যাম্পল বানাইমু না? তুবড়ি—বোম না হলে বিয়াবাড়ি মানায়? দে ট্যাকাটা, তাক লাগাইয়া দিমু!

    এটা ঠিকই, হোঁৎকা বোম, পটকা—তুবড়ি বানাতে ওস্তাদ। শতরূপা’ ‘আমরা কজন’ এই এলাকার সব ক্লাবেরই তুবড়ি কমপিটিশনে হোঁৎকার ফার্স্ট প্রাইজ বরাবর বাঁধা।

    প্ল্যাটফর্মে এসে হাজির হয়েছি পাঁচমূর্তি। হোঁৎকার পরনে হাফপ্যান্ট, শার্ট, মাথায় টুপি, গলায় ঝোলানো হুইসিল, পিঠে ব্যাগ। আমাদের সকলেরই প্রায় এক পোশাক। শুধু ফটিক শিল্পীমানুষ তাই কোঁচনো ধুতি, কারুকাজ করা পাঞ্জাবি পরেছে, মালপত্র নিয়ে উঠে বসেছি। তখন রাত্রি গভীর।

    ট্রেনটা বর্ধমানে এসে থেমেছে। এইখানে নামতে হবে আমাদের। স্টেশনের ওদিকে মৃদু আলোয় দেখা যায় ছোট লাইনের গাড়িটা দাঁড়িয়ে আছে। ভোর চারটেতে ছাড়বে। এখনও ঘণ্টা দুয়েক দেরি।

    হোঁৎকা হুইসিল বাজিয়ে পুরো দল দিয়ে লাইন টপকে এসেছে ছোট গাড়ির কাছে। আবছা অন্ধকারে গাড়িটা দাঁড়িয়ে। গোবরা আয়েসি গোছের, বলে—উঠে শুয়ে পড় রাত অনেক বাকি।

    দরজাগুলো কোনটা খোলা কোনটা বন্ধ। আগে যাচ্ছে পটলা—তারপরই কাণ্ডটা বেঁধে যায়।

    একটা বিকট শব্দে পটলা গোঁৎ খেয়ে পড়ে—তারপরই দুটো সুঁচলো মত কি আমার হাঁটুতে ঠেকে আর পিছনে ছিটকে পড়েছে গোবরা। তার সর্বাঙ্গ ভিজে গেছে। আর ফটিকও ‘বু-বু-বু’ শব্দ করে চোখ কপালে তুলে লাফ দিয়ে দৌড়তে যায়, হোঁৎকা ততক্ষণে টর্চ জ্বেলে ব্যাপারটা দেখে বলে–এ্যাই ভূত ফুত নয়, থাম্ দ্যাখ না। দেখা যায়, একটা ইয়া দাড়িওলা বেওয়ারিশ পাঁঠা ধরাশায়ী গোবরার গায়ে নির্লিপ্তভাবে জল ছেড়েছে। সরকারি গাড়িতে ব্যাটা আরাম করে রোজই ঘুমোয়। আমাদের এসে শান্তিভঙ্গ করতে দেখে প্রথমে আঘাত—পদাঘাত তারপর জলবিয়োগ করে সামনের দু পা তুলে শিংসমেত অ্যাটাক করার চেষ্টা করছে গোবরাকে।

    হোঁৎকা টর্চের ঘা মারতেই আপাতত রণে ভঙ্গ দিয়ে অন্য কামরায় উঠল হতভাগাটা । অন্ধকার কামরা, পটলা বলে,—ভ-ভালো করে দ্যাখ হোঁৎকা, আর কোন জানোয়ার আছে কিনা। উঃ, পড়ে গিয়ে ক-কপালে যা লাগছে ।

    ভোরের মুখেই ট্রেন ছাড়ল, ছোট হলে কী হয় এর হাঁকডাক আর লম্ফ ঝম্ফ কম নয়। কামরার ভিতরে আমরা ক’জন। বাকি যাত্রীরা তো ছাদে, নামবে সূর্য উঠলে।

    খালি কামরায় খোলার ভাজা খই-এর মত ছিটকে ছাটকে চলতে পৌঁছলাম বলগনা । সর্বাঙ্গে কয়লার গুঁড়ো, ভূতের মত চেহারা, গায়ে হাতেপায়ে প্রচুর ব্যথা।

    গ্রীষ্মের দিন। পটলা বলে—এখানে চাটা খেয়ে নিয়ে টেম্পো ধরে মাথাভাঙ্গার মোড়ে চল, সেখানে ছোট্ট নদীর ধারে বসে টি-টি-টিফিন করা যাবে।

    সুতরাং আবার যাত্রা। ছাগলগরুর মত গাদাগাদি টেম্পোতে তিনটাকা করে খসিয়ে পৌঁছলাম মাথাভাঙ্গা। শরীর তখন একেবারে অবসন্ন। এমন যাত্রাযন্ত্রণা জানলে মরতে কে আসত?

    সামনের মাঠে প্যান্ডেল বানানো হয়েছে। ওদিকে লম্বা ইস্কুলবাড়ি। এখন গ্রীষ্মের ছুটি, তাই বন্ধ। ওখানেই বরযাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছে।

    নন্দদার বাবা হরিশবাবু শুধু ব্যস্ত। বাড়িতে এলাহিকাণ্ড চলেছে। ভিয়েন বসেছে, পুকুরের ইয়া বড় বড় মাছ গাদা করা হয়েছে।

    কয়েকটা পাঁঠাখাসিও বাঁধা। ওদের কাটা হবে।

    হরিশবাবু আমাদের দেখে বলেন—সব কাজকর্ম বুঝে নাও বাবারা। যেন কোন ঝামেলা না হয়। তোমরা এসে পড়েছো বাঁচলাম।

    নন্দদাই বলে,—বরপক্ষ নাকি কড়া মেজাজের লোক। বর থাকে কলকাতায়, কোন্ অফিসে কাজ করে। তার মামাই সব। খুব কঠিন লোক। বর টাকার দাবিই করেনি। মামাই বরের অমতে কুড়ি হাজার টাকা ক্যাশ নিচ্ছে।

    নন্দদা আরও বলে,এছাড়াও এ গ্রামে মুখুজ্যে বাঁড়ুজ্যেদের দুটো দল আছে। আমাদের দিকে মুখুজ্যের দল। বিয়েতে বাড়ুজ্যেরা গোলমাল করতে পারে ।

    তাহলে তো কেস্ গড়বড়।

    হোঁৎকা মালপত্র রেখে বলে—চল, গ্রামখান ঘুইরা আসি।

    এ্যাই ছোকরা শোনো। —গ্রামের পথে চলেছি, এটাই বাঁড়ুজ্যেপাড়া। পথের ধারে একটা বটগাছের নীচটা বাঁধানো, কোন দেবস্থান হবে। সেই চাতালে বসে তামাক খাচ্ছিল কয়েকজন, নীচেও দু-চারজন রয়েছে। ইয়া গোঁফওয়ালা বয়স্ক লোকটা ডাকছে আমাদের। কাছে যেতে খ্যানখ্যানে গলায় আওয়াজ তোলে, – নিবাস ?

    আমরা দেখছি ওদের। অনুমানে বুঝতে পারি শত্রুপক্ষের ব্যূহের মাঝখানে এসে পড়েছি। জানাই—কলকাতা ।

    ওই ঘেসো উকিলের বাড়িতে আসা হয়েছে? কন্যাযাত্রী ?

    হোঁৎকা দেখছে ওদের। পটলাকে মুখ খুলতে দিই না। আমি জানাই — হ্যাঁ ।

    ভদ্রলোক বলে—এ গাঁয়ের নাম কি জানো? হাড়ভাঙ্গা বসন্তপুর।

    আমি শুধোই—আপনার নাম?

    তার জবাব দেবার আগেই দু-তিনজন চামচা উঠে পড়ে। আমাদের কাছে এসে বলে—কংস বাঁড়ুজ্যেকে চেন না? তোমার নাম কী ?

    হোঁৎকা বলে,—ওর নাম কিষ্ট নারায়ণ মুখুজ্যে। কিষ্টারে চেনেন তো। কংসরে যিনি বধ কইরাছিলেন। আয় চইলা আয়।

    সকাল থেকেই বাড়িতে ব্যস্ততা পড়ে যায়। বিয়ের ছাদনাতলা হয়েছে বাড়ির সদরের উঠানে। চারিদিকে বারান্দা, মাঝখানে উঠান।

    পটলা আর আমি ওই বিয়ের ছাদনাতলার ব্যবস্থা করছি। পুরোনো বাড়ি। লোকজন অন্যসময় বিশেষ থাকে না। ওদিকে বিরাট একটা বুনো মৌমাছির চাক।

    পটলা বলে,—আরি ঝাপ্।

    আমি বলি,—ওদের না খোঁচালে ওরা কিছু বলবে না। যাসনে ওদিকে, ছাদনাতলা হয়ে গেছে।

    বিকেলেই এসে পড়েছে তেইশখানা গরুর গাড়ি। আকণ্ঠ বোঝাই হয়ে, বরযাত্রীর দল। গরুর গাড়ি যেন কাফেলা, আসছে তো আসছেই।

    আর বর আসছে পালকিতে।

    সারা মাঠ ভরে গেছে ওদের ভিড়ে। বরকে বসানো হয়েছে। এবার মাথা জোড়া টাক-বলিষ্ঠ মুগুরের মত গোল চেহারার মামাবাবু হুঙ্কার ছাড়ে,–জলখাবার দেন ছেলেদের। তারপর আমাকেই বলেন,–বেইমশায়কে ডাকো।

    হরিশবাবু বংশবদের মত এসে হাজির,—ডাকছেন।

    মামাবাবু বলেন—চলুন হিসাবটা চুকিয়ে নিতে হবেক বিয়ার আগেই ।

    বরযাত্রীদের জলযোগপর্ব শুরু হয়েছে। হোঁৎকা, গোবরা, নন্দদা কয়েকজনকে নিয়ে ওদের প্লেটে জলখাবার দিচ্ছে রাধাবল্লভী, আলুরদম, সিঙাড়া, রাজভোগ, সন্দেশ, আম। প্রথম থেকেই দেখি গোলাপী জামাপড়া এক চ্যাংড়া বরযাত্রী তার দলবল নিয়ে কারণে অকারণে হৈ চৈ বাধাচ্ছে। আর সেই-ই আলুর দম মুখে দিয়ে বলে—ইটা কি হইছে হে?

    হোঁৎকা বলে, কেন, আলুর দম।

    ছোকরা চটে উঠে এক থাবড়া কাইসমেত আলুর দম নিয়ে হোঁৎকার মুখে, গালে, জামায় থ্যাপ করে লাগিয়ে বলে–খেয়ে দ্যাখো তো! ঝালনুন নাই।

    হোঁৎকার মুখে আলুর দম দেখে বরযাত্রীদের অনেকেই ঠা ঠা করে হেসে ওঠে। একজন রসিকতা করে বলে টু কাটন রসগোল্লার রসও মাখিয়ে দে।

    হোঁৎকাকে চেনে না ওরা। কি করে বসে ঠিক নেই। রাগে ফুলছে সে। আমি, নন্দদা গিয়ে থামাই। নন্দদা বলে-বরযাত্রীদের অত্যাচার সইতে হবে কনেপক্ষের লোকদের। সরে আয়। ওদিকে গানের আসর বসে গেছে। বরযাত্রীদের দু-একজন খ্যামটা ঝুমুর গেয়ে থেমেছে, এবার ফটিক বসেছে। ওদের তুলনায় ফটিক অনেক ভালো গায়। কিন্তু গোলাপী জামা চিৎকার করে—গাভিরাগিণী নাকি হে ভাই! দলের কে বলে-কলকাতার গাভি ।

    গোবরা পান সাপ্লাই করছিল, বলে—আপনাদের দেখে স্বজাতি ভেবে তাই গাইছে। ব্যস্! ওরা চিৎকার করে ওঠে—আমরা গাভি, গাধা, এতবড় অপমান। ওঠ সবাই, এখানে কভি নেহি, বর তুলে নিয়ে চল। মামাবাবুকে খবর দে।

    মামাবাবুও এসে পড়ে—সত্যিই তো, খুব অন্যায়।

    হরিশবাবু হাত জোড় করেন, শেষ অবধি গোবরাই ক্ষমা চাইল। ওরা থামল। আরও থামল, কারণ খাবার ডাক পড়েছে।

    সব অপমান মুখ বুজে সইছি। খেতে বসেছে ওরা। হ্যাজাক জ্বলছে, পরিবেশন যারা করছে তারাও হিমশিম খেয়ে যায়। মাছ, মাংস পাতে পড়ছে, আর নেই, রাজভোগ ছানাবড়ারও সেই অবস্থা ।

    কি সন্দেহ হতে অন্ধকারে পিছন দিক দিয়ে গিয়ে দেখি, বরযাত্রীর দল পাতা থেকে মাছ, মাংস, রাজভোগ নিচ্ছে আর তুলে তুলে পিছনে ফেলছে।

    শেষ অবধি মাছ, মাংস দিয়ে রাজভোগ দিয়ে সামনে দাঁড়াই। ফেলা আর হয় না তবে যথেষ্টভাবে পাতে ফেলেই উঠল নবাবের দল।

    হোঁৎকা বলে,—চুপ মাইরা থাক। বিয়াটা হইতে দে। পরে দেখুম।

    বিয়েতে বসতে যাবে, হরিশবাবুও তাই চান। এমনসময় গোলমালটা বাধে । বাঁড়ুজ্যেপাড়ার মাতব্বর সেই কংস বাঁড়ুজ্যে দলবল নিয়ে হাজির। তাদের দাবি—গ্রাম দেবতাকে হাজার একটাকা প্রণামী দিতে হবে না হলে বিয়ে হবে না। গ্রাম দেবতার হাজার এক, গ্রামসভার হাজার এক টাকা চাই। আর হরিশবাবুকে হাতজোড় করে মাপ চাইতে হবে কেন তাদের নেমন্তন্ন করা হয়নি।

    সে কে বিচিত্র পরিস্থিতি। মুখুজ্যে পার্টিও বলে, এ টাকা তাদের প্রাপ্য।

    দুই দলের চুলোচুলি বাধার উপক্রম। বর কনে তখনও আসেনি, বাইরের বাড়িতে তখন চুলোচুলি চলেছে। কপাল চাপড়াচ্ছেন হরিশবাবু। অন্দরে কান্নাকাটি পড়েছে। বিয়েটাই বোধহয় ভেস্তে যাবে এদের জন্যে ।

    মামাবাবু বলে,–এ ঝঞ্ঝাট সইব না। বর তুলে নিয়ে যাব।

    তার বিশ হাজার টাকাও হাতে এসে গেছে ।

    আমাদের মধ্যে গোবরা আর হোঁৎকা নেই। অন্ধকারে হঠাৎ গ্রাম কাঁপিয়ে দুম্ দাম্ শব্দ ! বোম ফাটছে। দূরে কোথায় চিৎকার ওঠে,—ডাকাত! ডাকাত! ডাকাত পড়েছে বাঁড়ুজ্যে পাড়ায় ৷

    আর আমিও এই ফাঁকে সেই পুরোনো মৌমাছির বিশাল চাকে পর পর কয়েকটা আধলা ইট মেরে সোজা বাইরে পালিয়েছি।

    মুহূর্তে শুরু হয়ে যায় ধুন্ধুমার কাণ্ড। ইটের চোটে ভেঙে পড়া চাক থেকে এবার মৌমাছির পাল ওই উঠোনে বাঁড়ুজ্যে ভার্সাস মুখুজ্যের দলকে ঘিরে ধরে ক্রুদ্ধ হয়ে হুল ফোটাতে শুরু করেছে। মামাবাবু তখন বর তুলতে যাচ্ছে। তার টাক থেকে শুরু করে সারাদেহে বসেছে ডজন কয়েক মৌমাছি। আর গোলাপী জামার দল ছিল ওদিকেই। ওইখানেই মৌমাছির দল বেপরোয়া অ্যাটাক শুরু করেছে।

    লাফাচ্ছে দাপাচ্ছে উপস্থিত জনতার দল। কেউ গড়াগড়ি দিচ্ছে।

    আর বোমার শব্দে বাঁড়ুজ্যের লিডার দলবল নিয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে গড়াগড়ি দেওয়া বরযাত্রীদলকে মাড়িয়ে দৌড়াল, কে জানে কি সর্বনাশ হয়েছে! মুখুজ্যের দলও দৌড়াচ্ছে অন্ধকারে। শুধু উঠানে গড়াগড়ি দিচ্ছে, লম্ফঝম্ফ করছে মৌমাছির আক্রমণে আটকে পড়া বরযাত্রীর দল। মামাবাবুর টাকসহ মুখখানা ফুলে পাঁচ নম্বর ফুটবল।

    এর মধ্যে হোঁৎকা গোবরাও এসে পড়ে। তাড়াতাড়ি ধোঁয়া টোয়া দিতে মৌমাছির দল রণে ভঙ্গ দেয়। ক্রমশ শান্তি নামে, ততক্ষণ অবশ্য বরযাত্রীর দল মায় মামাবাবু প্রায় বাহ্যজ্ঞানরহিত। অবশ্য বর কনে ও অন্যান্য ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা ছিল বাড়ির ওদিকের মহলে। তাদের উপর তেমন হামলা কিছু হয়নি। তবে বরযাত্রীদের কাতরানির শব্দ বেশ শোনা গেছিল।

    এবার বিয়েও শুরু হল। আর নির্বিঘ্নে শেষও হল বিয়ে।

    মুখুজ্যে বাঁড়ুজ্যের দলবলও আর ফিরে এল না। তারা তখন ঘর পাহারা দিতে ব্যস্ত। ডাকাতদল নাকি এসেছিল, পালিয়েছে। আবার আসতে কতক্ষণ!

    পরদিন সকালে বাসি বিয়েও নির্বিঘ্নেই সারা হয়। বরযাত্রী দল বিদায় হল। এসেছিল সব গাড়িতে বসে লাটসাহেবের মত হৈ চৈ করতে করতে, ঘণ্টা কয়েক যা খুশি তাই করেও ছিল, কিন্তু ফেরার সময়? সাতিশয় ভদ্র, শুধু উঃ আঃ ছাড়া মুখে বাক্যটি নেই।

    হরিশবাবুর মুখে এতক্ষণে উজ্জ্বল হাসি। সব ভালোয় ভালোয় চুকেছে। তবু আমাদের কাছে এসে বলেন—কাল এত বোম ফাটল গাঁয়ে—সত্যিই কি ডাকাত এসেছিল নাকি?

    হোঁৎকা বলে–অভয় দ্যান তো কই। তারপর ব্যাগ থেকে দু তিনটে বাকি বোমা বের করে বলে—ওদের ওখানে বোমা ফাটাইয়া ডাকাত বইল্যা চেল্লাইতেই না ওরা সব ছাইড়া দৌড়াল। নয় কী হইত কে জানে। আর ওই শয়তান বরযাত্রীর পাল খুব ইনসাল্ট করতিছিল, তাই আমরা ওই মৌমাছির চাকখানায় আধলা ইট মাইরা একটু সমান কইরা দিচ্ছি।

    হরিশবাবু এবার হাসিতে ফেটে পড়েন,—হাঃ হাঃ হাঃ—ওফ! তাই বল্! না তোমাদের বুদ্ধি তো সাংঘাতিক। তবে বুদ্ধিটা একটু বদ।

    হোঁৎকাও হেসে বলে,—বদমাইসদের সিদা করতি বদবুদ্ধিই লাগে মেসোমশাই। ইট মারলে পাটকেল খাওনের লাগে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }