Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প816 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পটলা ও রামছাগল

    হঠাৎ ক’দিন ধরে পটলার পাত্তা নেই ।

    পটলা বেপাত্তা হওয়া মানে আমাদের পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবেরও সমূহ বিপদ। কারণ ক্লাবের তাবৎ খরচা যোগায় ও। আর ওর নিপাত্তা হওয়ার খবরটা তামাম কুলেপাড়ায় চাউর হয়ে যাবার সঙ্গে সঙ্গে যত পাওনাদার যথা ভজন ঝালমুড়িওলা, এতোয়ারি কুলপি মালাইওলা, ফুচকা-আলুকাবলিওয়ালা বুধন এসে হাজির তাদের পাওনার ফর্দ নিয়ে। ওদিকে রাসমণি বাজারের পথও ছাড়তে হয়েছে! ওখানে ওত পেতে আছে মদন কেবিনের মালিক মদন ধাড়া, একেবারে যাচ্ছেতাই লোক ।

    সেদিন হোঁৎকাকে ধরে শাসিয়েছে—চা মামলেট এন্তার খেয়ে গেছিস্ তার বাবদ তেরো টাকা ষাট পয়সা না দিলে গলায় গামছা দেবো এবার।

    আর ভজন ঝালমুড়িওয়ালা রোজ সন্ধ্যায় খুঁজে পেতে ক্লাবের মাঠে এসে আমাদের শোনায়,—সাত টাকা বাকি না মিটোলে চোখে ঝাললঙ্কা ঠাঁইসা দিব ।

    অর্থাৎ ঘরে বাইরে অশান্তি। তবু পটলার দেখা নেই। মাঝে মাঝে ওর মাথায় পোকা নড়ে ওঠে, আর তারপরই এমনি একটা কাণ্ড বাধায় আমাদেরও বিপদে ফেলে।

    হোঁৎকা বলে,—আর পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবে থাকুম না। রেজিকন্যাশন দিমু।

    ফটিক বলে-তাই দে। আমিও ফলিডল খেয়ে জীবন নাশই করব। উঃ প্রেসওয়ালা ফাংশনের টিকিটের ছাপানোর টাকার জন্যে বাড়ি গিয়ে শাসাচ্ছে।

    সামনে ফাংশন—তার জন্যও ইনভেস্ট হয়ে গেছে, ক্লাব ফান্ড ও শূন্য, পাড়ায় টেকা দেয় । হোঁৎকা বলে,–হয় রেজিকনেশন নে, নয় আমাগোরই পটলার মত নিরুদ্দেশ হওয়ার লাগবো।

    গোবরাই বলে,—চল, পটলার ঠাকুমা বার বার করে ডেকে পাঠাচ্ছে।

    হোঁৎকা জানায়—পটলার কুন কেসে আমি আর নাই। ওগোর পুরা জালি কেস। তবু না গিয়ে পারিনি।

    পটলাদের বিরাট বাড়ি, বাগান। ওদিকের ড্রইংরুমে তখন পটলার বাবা-কাকাদের কি জরুরি আলোচনা চলেছে।

    ওদিকে না গিয়ে বাগানের পাশে মন্দিরের চাতালেই গেলাম, পটলার ঠাকুমা সন্ধ্যার পর ওখানে বসে মালা জপ করে।

    বুড়ি আমাদের সত্যিই ভালোবাসে, কারণ জানে যে পটলার বিপদে আমরাই বহুবার জান দিয়ে লড়ে তাকে উদ্ধার করেছি। ঠাকুমা তাই দায়ে অদায়ে আমাদের ক্লাবকেও বেশ টাকাকড়ি দেয়। বুড়ির নাকি অঢেল টাকা। আর ছেলেরা তো দুহাতে পয়সা রোজগার করে নানান ব্যবসা থেকে।

    আমাদের পথ চেয়েই যেন বসেছিল ঠাকুমা। বলেন,—এসেছিস! প্রসাদ নে। তারপর কথা হবে।

    লুচি গাওয়া ঘিয়ের হালুয়া আর কালাকাঁদ। বেশি পরিমাণেই দেয়, বেশ আরাম করে খেয়ে জল খেতে দেহে মনে কিছুটা বল-ভরসা আসে। হোঁৎকা বলে,— পটলার পাত্তা পাইলেন ? ফটিক বলে—কোথায় যে গেল?

    ঠাকুমা বলেন,—তাই বলার জন্যেই ডেকেছি। পটলার নীতি-বিবেক জাগ্রত করার জন্য আমার ছোট ছেলেই ওর গুরুদেব, কি যেন একশো আট ঘটেশ্বর বাবার আশ্রমে, পাঠিয়েছে তাকে। বেচারা সেখানে পড়ে আছে রে-

    অর্থাৎ পটলাকে চালান করা হয়েছে কৌশলে।

    হোঁৎকা বলে—সেকি! তা আশ্রম খান্ কোথায় ?

    —সে অনেক দূরের পথ। বাসুদেবপুর ইস্টিশানে নেমে বাসে করে চারকোশ পথ গিয়ে কোন নদী, বনের ধারে। শুনেছি সেই সাধুবাবা নাকি বিরাট তান্ত্রিক। মানুষকে ভেড়া, ছাগল করে রাখে। কে জানে পটলাকে কি করে রেখেছে। বাছা আমার সেই যে গেছে আর ফিরল না রে। কেমন আছে কে জানে।

    ভাবনার কথা। শোনাই,—একবার গিয়ে খবর আনব?

    ঠাকুমা বলে–খবর কি রে, তাকেই আনতে হবে। যা খরচা লাগে নিয়ে যাবি, তোরাই এখন ভরসা রে। একটা ছেলে একটু না হয় বেয়াড়া তাই বলে এই তান্ত্রিকের খপ্পরে পাঠাবে, তাকে বেড়াতে পাঠাবার নাম করে।

    ভাবছি আমরা। হোঁৎকার উর্বর মস্তিষ্কে এবার অ্যাকশন শুরু হয়েছে। গোবরার দেহটা বিরাট, সে তো লড়ার জন্য ছটফট করে। হোঁৎকা বলে, হইব ঠাকমা, পটলার ‘রেসকিউ’ মানে ইংরাজিতে যারে কয় ‘উদ্ধার’ তাই কইরা আনুম ।

    জোর মিটিং বসেছে ক্লাবে। হোঁৎকা এর মধ্যে ঠাকুমার কাছ থেকে ক্লিন পাঁচশো টাকা এনেছে, তার থেকে ভজন, এতোয়ারি—বুধন মায় মদন কেবিনের মদন ধাড়ার তেরো টাকা ষাট পয়সা কুল্যে বাষট্টি টাকা দেনা ফেলে দিয়ে সদর্পে ঘোষণা করেছে,—পঞ্চপাণ্ডব ক্লাব কারো এক কানা-কড়িও বাকি রাখে না বুঝলা? যে যার টাকা বুইঝা লও ।

    এবার প্ল্যান ভাবা হচ্ছে। ফটিক এর মধ্যে খবর এনেছে ওর মাসিমার বাড়ির কাছেই নাকি একশো আট ঘটেশ্বর বাবার ‘সিদ্ধাশ্রম’, জায়গা দুর্গম—বন নদী এসব ব্যাপারও আছে আর ওই ঘটেশ্বর বাবা নাকি ওই এলাকার একটি বিরাট প্রতাপশালী ব্যক্তি ।

    ভয় হয়। বলি,—ওর সঙ্গে টক্কর দিতে পারবি? শেষকালে যদি—

    হোঁৎকা গর্জে ওঠে,—কী আর হইব? ছাগল তো তুই হইয়াই আছস! কাওয়ার্ড ! গোবরা বলে, কারেকট! তাই দেখে আসি তাকে। পটলাকে রেসকিউ করবোই। পটলার জন্য কতবার পটল তুলতে তুলতে বেঁচে গেছি। তাই এবারও ওদের চাপে রাজি হতে হল। হোঁৎকা বলে,—কালই বাইর হইতে লাগবো। শুভস্য শীঘ্রম!

    বাসুদেবপুর স্টেশনটা নেহাৎই ছোট। স্টেশনঘরের লাগোয়া একটু টিনের শেড। ওটাই যাত্রীদের ওয়েটিং রুম। বেলা এগারোটা বাইশের লোকালে নেমে দেখি রোদ ঝাঁ ঝাঁ করছে, বাসও নেই। স্টেশনের বাইরে মাঠের ধারে একটা বটগাছের নীচে চায়ের দোকান। বাঁশের মাচাটা তখন প্রায় খালি, খদ্দেরপত্র বিশেষ নেই, দোকানদার চায়ের উনুন নিভিয়ে ঘরে যাবে, আমাদের দেখে চাইল। সেইই জানায়,—বাস তো আবার বিকাল চারটেয় ।

    গোবরা শুধায়,—ঘটেশ্বর বাবার আশ্রমে যাব, কতদূর পথ ?

    লোকটা বলে,তা কোশ চারেক তো নকীপুর হাট, সেখান থেকেও ধরেন কোশটাক। তা বাসে গেলেও সন্ধে রাত, এখন হেঁটে গেলেও তাই।

    হোঁৎকা বলে,—হাইটাই চল্। এহানে খাবারও কিছুই মিলবো না।

    পটলার জন্যে নয়, পেটের ধান্ধাতেই হাঁটা শুরু করেছি।

    নকীপুর হাটতলায় পৌঁছলাম, তখন বিকেল হয় হয়। সারা পথে খাবার দোকান কিছুই নেই, ধু ধু মাঠ আর ছোট্ট জনবসতি।

    হাটতলায় একটা দোকানের বেঞ্চে বসে স্রেফ মুড়ি, ঠান্ডা আলুর চপ আর কয়েকটা করে রসগোল্লা খেয়ে তবে ধড়ে প্রাণ আসে।

    এবার শুধোই দোকানদারকে,—ঘটেশ্বর বাবার আশ্রম যাব কোনদিকে? দোকানদার ঘুরে তাকায়, কোথা থেকে আসা হচ্ছে?

    চন্দননগর থেকে—গোবরা আসল ব্যাপারটা জানায় না ।

    দোকানদার বলে,—তা ওই আশ্রমে বাপু, সন্ধ্যার পর না যাওয়াই ভালো। মানে শ্মশানের কাছে কিনা, আর সাধুবাবা তো ভূত-প্রেত নিয়েই থাকে।

    ফটিক বলে,—মন্ত্রের চোটে নাকি মানুষদের ছাগল ভেড়া বানিয়ে দেয় ?

    দোকানদার বলে,—ওসব ঠিক জানি না বাপু। তবে লোকে বলে-টলে। তা রাতে ওখানে না যেয়ে এখানে ইস্কুলেই থাকেন। যেতে হয়, সকালেই যাবেন।

    হোঁৎকা তবু বলে–মনে হয় কেস গড়বড়। কুইক অ্যাকশনই করনের লাগবো, চল গিয়া । রাত হয়ে গেছে। গ্রামও নিশুতি হয়ে গেছে। গ্রামের বাইরে আরও বেশ খানিকটা ডাঙ্গা, বনখেজুরের ঝোপ, – দু’একটা ছড়ানো ছিটানো মহুয়া শালগাছের জটলা, তারপরই শুরু হয়েছে বনের সীমানা। পথও তেমন কিছু নেই এদিকে।

    বলি,-এ কোথায় এলাম রে? এ যে শালবনের শুরু। কোথায় তোর ঘটেশ্বরবাবার আশ্ৰম?

    হোঁৎকা বলে-এই তো পথ। চল্।

    পিচ ঢালা পথ নয়,—লাল কাঁকর মোরাম বিছানো পথ। পথটা এবার বনের মধ্যে ঢুকেছে, দুদিকে ঘন শালবন–বেশ কিছুটা গিয়ে অজয় নদীর বিস্তার।

    ওদিকে অন্ধকারে মাথা তুলে আছে বেশ কয়েকটা বাড়ি, মন্দিরের চুড়োও দেখা যায়। দূরে দু’একটা বাতি জ্বলছে, সামনে একটা শেডমত, লোকজন বিশেষ নেই। অন্ধকারে ঠাওরও হয় না। সকাল থেকে শরীরের উপর ধকলই চলেছে।

    বলি,—এই চাতালেই শুয়ে পড়। কাল সকালে দেখা হবে। হোঁৎকা ততক্ষণে টানটান হয়ে শুয়ে পড়েছে।

    রাত কত ঠিক জানি না, হঠাৎ একটা ধাক্কায় জেগে উঠলাম, কে যেন কোমরে প্রচণ্ড ধাক্কা কষেছে। অন্ধকারে দেখি, একটা বিরাট ছাগল এসে আমাকে গোঁত্তা মেরে ঠেলে তুলে দিয়ে আমার জায়গাটায় বসে দাড়ি নেড়ে জাবর কাটছে নির্বিকার ঋষির মতই।

    ততক্ষণে গোবরা ধড়মড় করে উঠেছে,–এঃ! ভিজিয়ে দিল সর্বাঙ্গ! কি রে? বুঝলাম, হতভাগাটা তার আগে জলত্যাগও করেছে গোবরার গায়ে ।

    বলি,—সরে আয় গোবরা, ওকে ঘাঁটাস নে। ব্যাটা গুঁতিয়ে দেবে। যা শিং দেখেছিস?

    গোবরা বলে,—উঃ, পটলার জন্যে আর কত সইতে হবে র‍্যা? পটলাকে পেলে – হঠাৎ দেখি, বিরাট পাঁঠা ছাগলটা উঠে দাড়ি নেড়ে সংস্কৃত স্যারের মত মিহি গলায় সাড়া দেয়, ব্যা-ব্যা –

    আর উঠে এসে গোবরার মুখের কাছে সদাড়ি মুখ নিয়ে চাইতে থাকে। গোবরা হঠাৎ চমকে ওঠে,–ওরে সমী এ ছাগল নয়রে ? পটলাই।

    ছাগলটা এবারও সাড়া দেয়, ব্যা-ব্যা !

    —অর্থাৎ হ্যাঁ-ই বলছে রে!

    মনে পড়ে যায়, ঘটেশ্বর বাবা নাকি লোকজনদের মন্ত্র পড়ে ছাগল ভেড়া বানিয়ে রাখে । আর্তনাদ করে উঠি,—পাঁঠার চোখ দুটো দ্যাখ, একদম পটলার চোখ ।

    পটলার নাম শুনে ছাগলটাও গদগদ হয়ে সাড়া দেয়,—হ্যাঁ – হ্যাঁ-

    গোবরা ঠেলে তোলে হোঁৎকা, ফটিককে। হোঁৎকা ঘুম চোখে বলে,–কি হইছে ? গোবরা বলে, পটলাকে পেয়েছি।

    এ্যা,–হোঁৎকা শুধায় : কোথায় পটলা? ওরে ফিনিস্ করুম্।

    গোবরা করুণকণ্ঠে বলে,—ওকে ঘটেশ্বরবাবাই ফিনিস্ করেছে রে? ওই তো পটলা! ওকে আস্ত রামছাগল বানিয়েছে দ্যাখ্ ?

    পটলার নবরূপ দেখে হোঁৎকা থ।

    হোঁৎকা এ হেন আদরে ভেঙে পড়ে ।

    -হালায় ঘটেশ্বর, তার ছাগল বানাইল পটলা? ওরে শ্যাষ করুম!

    কিন্তু সে তো পরের কথা। এখন ছাগলরূপী পটলাকেই উদ্ধার করতে হবে। শুধোই, —উদ্ধার তো করলি কিন্তু ছাগল থেকে ওকে আবার পটলায় পরিণত করবি কী করে? মন্তর তো জানা নেই।

    হুঁ। —হোঁৎকা ভাবিতভাবে বলে : সংস্কৃত স্যার অনেক মন্তর জানেন তেনারেই দেখাবো। তাতে কাম না হয় হালায় দলবল লইয়া আসুম, তর ঘটেশ্বর বাবাকে তুইলা লইয়া যামু।

    এ মন্দ যুক্তি নয়। তাই বলি,—তাহলে ভোর হবার আগেই ছাগলটাকে নিয়ে প্রথম পালাতে হবে। রাতারাতি পাঁচ ক্রোশ পথ হেঁটে সকালের গাড়িতেই উঠে কলকাতা যেতে হবে।

    তখনও বেশ রাত রয়েছে। চারিদিক নীরব নির্জন ।

    আমরা ছাগলটাকে একটা দড়িতে বেঁধে হাঁটছি। গোবরা পথের ধারে কাঁঠালগাছ থেকে বেশ এক বোঝা পাতা ভেঙেছে। ছাগলরূপী পটলা এন্তার পাতা চিবুচ্ছে আর দিব্যি চলেছে আমাদের সঙ্গে ।

    হোঁৎকা বলে,—জলদি চল। হালা ঘটেশ্বর জানতি পারলে আমাগোর পঞ্চপাণ্ডবগো পাঁচখান ছাগল বানাইয়া ছাড়ব।

    ঊর্ধ্বশ্বাসে চলেছি মাঠ ঘাট ভেঙে স্টেশানের দিকে। যখন ভোর হয় হয়, স্টেশনের ধারে বটতলায় এসে দাঁড়ালাম। চা-ওয়ালা দেখছে আমাদের। কাল দুপুরে খালি হাতে দেখেছিল আমাদের। আজ ভোরে এক রামছাগলসহ দেখে বলে, – কিনলেন ছাগলটা ?

    গোবরা বলে,—হ্যাঁ। চা বানাও। কলকাতার গাড়ি কখন আসবে ভাই ?

    দোকানদার চায়ের গেলাসে চামচ নাড়তে নাড়তে বলে,—এসে পড়বে এবার। তা ছাগলটার কেজি পনেরো মাংস হবে। কত নিল?

    হোঁৎকা অনেক কষ্টে রাগ সামলে বলে, – সত্তর টাকা ।

    —একশো টাকা দিব। দ্যান—তাহলে ভাগ্না লাগিয়ে দিই কেটে।

    হঠাৎ দেখা যায় ছাগলরূপী পটলা এই ফাঁকে ঝপ্ করে সামনের দু’পা তুলে দোকানীর লেড়ো বিস্কুটের ঠোঙাতেই সদাড়ি মুখ ঢুকিয়েছে। দু-তিনটে বিস্কুট মুখে পুরতেই দোকানদার লাফ দিয়ে তেড়ে আসে ছাগলের দিকে।

    আর সঙ্গে সঙ্গে ছাগলরূপী পটলা সামনের দু’পা তুলে হোল্ বডি ওয়েট দিয়ে দোকানদারের হাঁটুতেই এইসা একখান ঝেড়েছে যে বেচারা ছিটকে গিয়ে পড়েছে মাচায় । দোকানদারকে কিছু পয়সা দিয়ে থামালাম, দেখি দূরে ট্রেন আসছে।

    ঠাকুমা তখন মন্দিরে বসে মালা জপছিলেন।

    হঠাৎ আমাদের ট্যাক্সি নিয়ে বাগান পার হয়ে মন্দিরের সামনে গিয়ে নামতে দেখে বুড়ি চোখ বড় বড় করে আশা ভরে এগিয়ে আসেন। ব্যাকুল কণ্ঠে শুধোন,—পেয়েছিস পটলাকে? হোঁৎকা একদম বিষণ্ণতার পোজ নিয়ে কাঁদ কাঁদ স্বরে বলে,–পাইছি ঠাকুমা। তয় ওই ঘটেশ্বর বাবা ওর সর্বনাশ কইরা ছাড়ছে।

    —এ্যাঁ! কেমন আছে আমার পটল?

    জানাই—ভালোই আছে ঠাকুমা ?

    তবে?—ঠাকুমা আর্তনাদ করে, তবে যে বললি সর্বনাশ! কোথায় সে?

    হোঁৎকা বলে,—পটলারে ঘটেশ্বর বাবা ছাগলে ট্রান্সফার করছে ঠাকুমা। ওই যে। দ্যাখেন ওর রূপখান্ ।

    এ্যা—চমকে ওঠে ঠাকমা।

    আর ছাগলরূপী পটলা ততক্ষণে এসে হাজির হয়েছে ঠাকুমার কাছে, সদাড়ি মুখ তুলে দেখছে ঠামাকে বিস্মিত চাহনি মেলে, আর ঠাকুমাও ততক্ষণে ওর দাড়ি সমেত মুখ দিয়ে দুহাতে নিজের গালে চেপে ধরে হাউ-মাউ করে ওঠেন,—ওরে পটলারে? তোরে একি হাল করেছে রে। ও বাবা সোনার চাঁদ আমার, ওরে কে কোথায় আছিস এসে দ্যাখ্ রে, আমার পটলার এ কি হাল করেছে।

    সে এক দৃশ্য। ওনার চিৎকারে পটলার বাবা-মা, মেজকাকাও দৌড়ে আসেন। দারোয়ান পূজারীও এসে পড়ে, পটলার নবকলেবর দেখে ওর মাও চিৎকার করে কান্না জুড়ে দিলেন, অপরাধীর মত দাঁড়িয়ে আছি আমরা।

    এমন সময় আবার একটা ট্যাক্সি এসে থামল! চমকে উঠলাম, একি? ওকে?

    পটলা সশরীরে নামছে, সঙ্গে এক গেরুয়াবসনধারী সাধু। পটলা ঠাকুমাকে ইয়া এক রামপাঁঠাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে দেখে দারুণ অবাক হয়ে একবার সেদিকে একবার আমাদেরকে দেখে।

    -ঠাকুমা! মা! এসব কি ?

    ঠাকমা পটলাকে দেখে যে বিশ্বাস করতে পারেন না। সেই বিস্ময়ের ঘোর কাটিয়ে এবার তার রিয়েল হারানিধিকে বুকে জড়িয়ে ধরেন,—এসেছিস ভাই! তোকে নাকি ছাগলে টেরানসফার করেছে ঘটেশ্বরবাবা।

    সাধুমহারাজ হেসে ওঠে, সেকি গো! তাই বলে মানুষ পটলাকে ধরে আনতে গে আশ্রমের রামছাগল পটলারে তুলে আনলে রাতারাতি। কিরে পটল?

    রামছাগলটা এবার স্বামীজির কাছে গিয়ে দাঁড়াল দু’পা তুলে।

    আমাদের অবস্থা তখন কাহিল। পটলা বলে,—খ্-খুব বুদ্ধি যা হোক ত তোদের? এ্যা—এসব ভাবলি কি করে ব-বলতো? ত্-তোফা আরামে ছিলাম। আশ্রমে, আজ ফিরেছি আর ক-কাল রাতে তোরা যে ছাগল তুলে আনলি আমি ভেবে? এ্যাঁ ।

    স্বামীজি দেখছেন আমাদের, হাসছেনও। ঠাকুমাও। হোঁৎকার সব বুদ্ধি যেন বরবাদ হয়ে গেছে। বলে সে,—চল্ গিয়া। ঠাকুমা, পটলারে ছাগল ভাইবা ‘মিসটেক’ করছি। তয় ছাগলের নাম পটলা জানুম ক্যামন কইর্যা ?

    গুরুদেব বলে—আর ওই ছাগল পটলকে তোমাদেরই পৌঁছে দিতে হবে, সেইসঙ্গে দুদিন বেড়িয়ে আসবে। ভয় নেই, তোমাদের ছাগলে ট্রান্সফার করব না ।

    পটলার মেজকাকা মুখ বেঁকিয়ে বলে ওঠেন,—আর ট্রান্সফার ওদের করবেন কি? ওরা তো অলরেডি ছাগলে ট্রান্সফার হয়েই গেছে। উঃ, কী করে ভাবলি এসব বলত? ধেড়ে ছাগল কোথাকার!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }