Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প816 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পটলার বৃক্ষরোপণ উৎসব

    সেদিন পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের বার্ষিক সভায় পটলা তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাটা নানা বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে জোর গলায় পেশ করে।

    পঞ্চপাণ্ডব নামটা যেমন জবরদস্ত শোনায়, আমাদের ক্লাবকেও তেমন জবরদস্তই বলা যেতে পারে। আকারে খুব বড় না হলেও প্রকারে বড়সড়ই। নিজেদের খেলার মাঠ আছে, সেটা ওই পটলার দৌলতেই। কারণ ওর পূর্বপুরুষরা এখানে এসে যখন কাঠগোলা, করাতকল, ধান-চাল-পাটের আড়ত খোলেন তখন বেলেঘাটার কুলেপাড়া, খালধারে মানুষজনের বসতি তো দূরের কথা, ভয়ে মানুষজন এমুখো হত না। চারদিকে জলা, হোগলাবন, বাঁশ-ঘেঁটুগাছের জঙ্গল। এলাকাটা ছিল কলকাতার পূর্ব সীমান্ত, তার পরেই বাদাবন, ভেড়ি।

    সেই আমলে পটলার পিতামহরা জলের দরে বিঘের পর বিঘ্নে ওই জলা কিনেছিলেন। তারপর তাঁদেরও রমরমা শুরু হয়। এখন ওসব ব্যবসা ছাড়াও পটলাদের কাকা-বাবার কারখানা, অফিস, বিল্ডিং ব্যবসা। নানা কিছুতে মা লক্ষ্মীকে তাঁরা বেঁধেছেন নিজের ঘরে।

    তাঁদের একমাত্র কুলপ্রদীপ ওই পটল—অবশ্য ভালো নাম একটা আছে, সেটা থাকে স্কুলের খাতায়। দিনান্তে রোলকল করার সময় শুনি সুবুদ্ধি নারায়ণ রায়-এর নাম। সেটা ঢাকা পড়ে গেছে মেঘে ঢাকা তারার মতই, জেগে উঠেছে ওই পটলাই। তবে সুবুদ্ধি নামটা থাকার জন্য তার মাথায় মাঝে মাঝে নানারকম বুদ্ধি গজিয়ে ওঠে। আর তার নানারকম বুদ্ধির প্রকাশ নিয়েই যত সমস্যা! সে সবের হ্যাপা সামলাতে হয় আমাদেরই—অর্থাৎ পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের বাকি চারজন সদস্যকে। কারণ পটলাই আমাদের কামধেনু।

    পুরাকালে মুনি-ঋষিদের আশ্রমে এরকম রেডিমেড কামধেনু থাকত। বশিষ্ঠ মুনির আশ্রমেও ছিল। তার কাছে যা চাইতেন ঋষিরা, তাই পেতেন। স্বর্ণ, ঐশ্বর্য, আহার্য এসব তো ইচ্ছানুসারেই মিলত। তাই দিয়ে তাঁরা বহু মুনিদের ভোজন করাতেন, দানধ্যান করতেন। আর দুধ? সে যখনই দুইবেন, পাবেন। পটলাও আমাদের কাছে সেইরকম কামধেনুই।

    ওদিকে কুলেপাড়ার পাশেই সেভেন বুলেটস্ ক্লাবের নিজেদের খেলার মাঠ আছে। আমাদেরও মাঠ চাই, না হলে পাড়ার কচিকাঁচাদের ভবিষ্যৎ জাতি গঠনের কাজে বাধা আসছে। পটলার ঠামারও অঢেল সম্পত্তি, বহু জমি-জায়গা একমাত্র নাতির ক্লাবের জন্য খেলার মাঠ হবে না? ঠাকুমা আমাদেরও খুবই স্নেহ করেন।

    আমরা গেছি তাঁর কাছে। ঠাকুমাই তাঁর জমি থেকে একটা বিঘে চারেকের প্লটে খেলার মাঠ করার অনুমতি দেন। ক্লাবঘরও তৈরি হল— দরমার ঘর, উপরে টিন। রং-চং করে মহাসমারোহে তার উদ্বোধনও করা হল। কোন মন্ত্রীকে যেন ঠাক্‌মা প্রধান অতিথি করে ফিতে কাটালেন।

    পটলার দৌলতে ক্লাবও রমরমিয়ে চলছে। এ হেন পটলার ওই জ্ঞানগর্ভ সিদ্ধান্ত আমাদের মানা ছাড়া পথ নেই ।

    পটলা বলে, বি-বি-বৃক্ষ রোও—। পটলার একটা স্বাভাবিক বাধা আছে, মানে উত্তেজনার সময়ই তার জিবটা ‘বিট্রে’ করে। তখনই কেমন জিবটা আলটাকরায় ‘সেট’ হয়ে যায়। কোনোরকমে ‘ফ্রি’ করে নিয়ে বাক্যটা শেষ করে, ‘রোপণ উৎসব’।

    আমিই ব্যাখ্যা করে দিই, বৃক্ষরোপণ উৎসব?

    পটলা ঘাড় নাড়ে। ফটিক সঙ্গীতচর্চা করে-টরে। প্রায় শুনি এককলি গানই মাস ছয়েক ধরে ওই দরমার ক্লাবঘরে সাধছে। পাড়ার ছেলে-মেয়েদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও করে। ফটিক বলে, দারুণ হবে। একেবারে নিউ আইডিয়া। বুঝলি আমার পিসেমশাইয়ের ভাইয়ের শালা শান্তিনিকেতনে থাকেন, দারুণ গান। ওখানে দেখেছি বৃক্ষরোপণ উৎসব হয়। ছেলে-মেয়েরা সেজেগুজে গান গাইতে গাইতে যায়—পিছনে চতুর্দোলায় সাজানো চারাগাছ।

    ফটিক চোখ বুজে সেই দৃশ্যের কল্পনা করে গেয়ে ওঠে—মরু বিজয়ের কেতন উড়াও– হোঁৎকা এতক্ষণ চুপচাপ ছিল। সে আমাদের সেক্রেটারি কাম ট্রেজারার। আর পটলাই ভাইস প্রেসিডেন্ট। হোঁৎকা তার দেশজ ভাষায় বলে, চুপ মাইরা যা ফটকা ।

    ফটিক পটলার সমর্থক। সে বলে, কেন? চুপ করব কেন? পটলা কি খারাপ প্রস্তাব দিয়েছে? একটি গাছ একটি প্রাণ—গাছই মানুষের বন্ধু। পিওর অক্সিজেন দেয় ৷

    হোঁৎকা বলে, অক্সিজেন কখন দিতি হয় র‍্যা? এক্কেরে যহন মানষের দম শ্যাষ হই আসে তহন? হাসপাতালে দ্যাখসনি মুখে ঠুঙ্গি দেই –

    আমি বলি, সে অক্সিজেন নয়, বাতাসকে শুদ্ধ করে গাছ। বৃষ্টি আনে, ভূমিক্ষয় রোধ করে। গাছ না থাকলে প্রাণীজগৎ বাঁচত না ।

    হোঁৎকা বলে, বিপিনস্যারের ক্লাস মনে লয়? খুইব তো জ্ঞান দিছস! বোঝলাম বৃক্ষরোপণ মহৎ কাজ।

    পটলা এবার সমর্থন পেয়ে বলে, ত-তবে? সেই উৎসবই করব।

    হোঁৎকার পকেটে সব সময়ে একটা পদত্যাগপত্র থাকে। মাঝে মাঝেই ক্যাশের স্বাস্থ্য খারাপ দেখলে সে হুমকি দেয়, রেজিকনেশন দিমু। ই ক্লাবে আর থাকুম না। সেভেন বুলেটস্ পায়ে ত্যাল দিতাছে। ওহানেই যামু। আজও সে বলে, ক্যাশ কড়ি ফিনিশ। ওই তগোর উৎসব, নাচ-গান কইরা বৃক্ষরোপণ করনের পয়সা নাই, সাধ যায় বোষ্টম হতি, কপাল ফাটে মচ্ছব দিতি! তাই কই বৃক্ষরোপণ করতি চাস তো একখান চারা আইনা পুঁইতা দে। তা নয়, নেত্য-টেত্য-ক্যাটাভারাস।

    হোঁৎকা ইদানীং ওই কথাটা কোথায় শুনেছে কে জানে, প্রায়ই প্রয়োগ করে।

    ফটিকের কত স্বপ্ন। কুলেপাড়ার মাঠে একেবারে শান্তিনিকেতনের স্টাইলে বৃক্ষরোপণ উৎসব করবে, পাড়ার ছেলে-মেয়েদের নাচ-গানে তালিম দেবে। দরকার হয় শান্তিনিকেতন থেকে সেই পিসেমশাইয়ের ভাইয়ের শ্যালককেই আনাবে। গান-নাচ, স্তোত্র পাঠ, বৃক্ষবন্দনা—এসব করে তামাম কুলেপাড়াকে তাক লাগিয়ে দেবে পঞ্চপাণ্ডব ক্লাব। ধন্য ধন্য রব উঠবে। সেভেন বুলেটস্ এসব কল্পনাও করতে পারে না। এমন একটা পরিকল্পনায় একেবারে জল ঢেলে দিল ওই হোঁৎকা।

    গোবর্ধন বলে, হোঁৎকা, বৃক্ষরোপণ যদি করবি, চালকুমড়ো, না হয় তারকেশ্বরের আর্লি মিষ্টি কুমড়োর চারাই লাগা। তিন মাসে ইয়া মৃদঙ্গের সাইজের কুমড়ো হবে। এখন পাইকেরি আট টাকা কেজি, সাড়ে সাতশো টাকা কুইন্টাল, পড়তে পারে না। চালকুমড়ো তো লাগালেই হবে—অঢেল।

    গোবর্ধনের মামার কুমড়ো, চালকুমড়োর হোলসেল বিজনেস। ট্রাকে করে নানা সাইজের কুমড়ো, চালকুমড়ো আসে তারকেশ্বর, নালিকুল, দশঘরার ওদিক থেকে।

    হোঁৎকা গর্জে ওঠে, চুপ মাইরা থাক গোবরা! খেলার মাঠে কুমড়োর চাষ করুম? তার চে সরষের চাষই কর গিয়া। চক্ষে দিনরাত সরষের ফুলই দেখবি। তগোর ক্লাবে আর নাই, রেজিগনেশনই দিমু।

    পকেট থেকে রেডিমেড রেজিকনেশন লেটারটা বের করতে গিয়ে দেখে দীর্ঘদিন ধরে সেটা পকেটে পড়ে থেকে ভাঁজে ভাঁজে ফর্দাফাই। হোঁৎকা তারই আধখানা বের করে বলে, আধখানা লেটার রাইখা দে, পুরাটা কালই দিমু।

    আমিই ক্লাবের সংবিধান কিছু বুঝি। ওরাও তা মানে। তাই বলি, আধখানা রেজিকনেশন লেটার গ্রাহ্য হবে না। পুরোটা চাই।

    হোঁৎকা বলে, তাই দিমু। কালই। তগোর সনে নো কানেকশন। হক্কলে তরা ওই ক্যাডাভারাস কাণ্ড করবি এদিকে ফান্ড নিল, বড় বড় ফর্দ দিয়া খালাস।

    পটলা বলে, ফা-ফান্ডের জন্য নো ফিয়ার। আই শ্যাল ম্যানেজ।

    পটলা গতজন্মে বোধহয় সাহেবই ছিল। ইংরেজিটা ওর জিবে আটকায় না। ব্রেক ফেলও করে না। গড়গড় করে বলে যায়। যত গোলমাল বাংলার বেলাতেই। বোধহয় ওর কাছে ওটা এখনও বিদেশি ভাষা। তাই জিবটা গড়বড় করে ওঠে তখন।

    পটলা বলে, হাও মাচ? ক-কত টাকা চাই? সে—হাও মাচ মানি ?

    পটলা যখন টাকার ভার নিজে নিয়েছে তখন আর ভাবনার কিছু নেই। হোঁৎকা জানে কলের জলের মতই মসৃণ গতিতে টাকা আসবে। তাই সে বলে, তয় রেজিকনেশন তুইলা নিতাছি। ফটিক-সমী তরা টাকার হিসাবটা কইরা দে। তয় টেন পার্সেন্ট বাড়তি কইরা ধরবি। আলুর দাম বারো টাকা, পিঁয়াজ কয় চল্লিশ, ত্যাল তো ধরাই যায় না—পিছলাই যায়। খাওনের ঘটা ধরতি হইব। সেইমত আমরাও পরিকল্পনা বাজেট এবার নিয়ে বসি।

    মাঠে প্যান্ডেল হবে, স্টেজ, সামিয়ানা, চেয়ার, মাইক, লাইটও চাই। নৃত্যনাটিকা হবে শেষে। ওদিকে প্রধান অতিথি, সভাপতিও চাই।

    ফটিক বলে, তারপর ধর নাচগানের রিহার্সালের খরচা। খাস শান্তিনিকেতন থেকে সেই নবুদাকেই আনব। সারা উৎসব সেইই পরিচালনা করবে। তার ট্রেন ভাড়া, অন্য খরচা, ট্যাক্সি ভাড়া। প্রধান অতিথি, সভাপতিকেও ধুতি-চাদর দিতে হবে।

    হোঁৎকা বলে ওঠে, আরে কস কি? ওই প্রধান অতিথি-ফতিথিদের দিতে লাগবো ক্যান ফটিক বলে, গাইয়ে-বাজিয়েরা টাকা ছাড়া এক পাও নড়ে না। আগাম টাকা বাড়িতে রেখে তবে ফাংশনে আসে। অথচ এই প্রধান অতিথি মস্ত বড় সাহিত্যিক। এঁর কি কোনো সম্মান দক্ষিণাও থাকবে না? এঁরা কি এতই মূল্যহীন লোক? বল ?

    পটলা ব্যাপারটা বুঝে বলে, না, ঠিক বলেছিস, গরদের ধুতি, চ-চাদর দিয়ে প্র-প্রণাম করতে হবে।

    সব পরিকল্পনাই হয়ে যায়। হোঁৎকা বলে, এসব কথা, ওই উৎসবের কথা যেন কাকপক্ষীরেও কেউ কইবি না। ওই সেভেন বুলেটস্ ক্লাব তো কান খাড়াইয়া আছে আমাগোর টেক্কা দিবার জন্য, খবরটা পাইলেই ওরা কিছু কইরা বসবো।

    গোবর্ধন বলে, হ্যাঁ। একদম যেন ‘লিক্‌’ না হয়। সেই কারণেই বলে—ওইসব নাচগানের রিহার্সেলও গোপনে করতে হবে পটলাদের বাড়ির কোনও ঘরে।

    সকলেই মতটা সমর্থন করে। আর পটলাদের বাড়িও বিশাল। কয়েক বিঘের উপর। উঁচু প্রাচীর ঘেরা, গেটে দারোয়ানও মজুত থাকে। ওদিকে বাগান মন্দির, কয়েকটা ঘরও আছে, মালপত্র থাকে। ফাঁকাও আছে দু’একটা ঘর। ওখানেই রিহার্সেল হবে। বাইরের কেউ টেরই পাবে না ।

    পটলা বলে, ঠি-ঠিক বলেছিস। একেবারে সিক্রেট থাকবে ব্যাপারটা।

    ফটিক বলে, তাই থাকবে। সব রেডি করে তিনদিনের মাথায় এমন পাবলিসিটি মারব, পোস্টার-ব্যানার ছড়াব যে সারা এলাকার মানুষ এসে পড়বে। এক্কেবারে নতুনত্ব হবে। পটলার মাথাটা কিন্তু দারুণ রে।

    পটলা এখন থেকেই দিলদরিয়া। বলে, সবকিছু ফাইনাল ক-করে ফ্যাল। গো-গোবরা, নবুর দোকানে চা-টোস্ট বলে দে।

    হোঁৎকা গম্ভীরভাবে জোগান দেয় পাঁচ-ছয়খান ওমলেটও দিতে কইয়া দে। প্রোটিন না হইলি ব্রেন খুলব না ঠিক মত ।

    তার পরদিন থেকেই পটলাদের দুর্গের মত বাড়ির বাগানের দিকে একটা ঘরে ফটিক পাড়ার মলি, ডলি, কলি, পুটু, ভোট্‌কা, পট্‌কা, মোনাদের নিয়ে নাচ-গানের তালিম শুরু করেছে।

    ওদের জন্য চাই লালপাড় শাড়ি। ছেলেদের জন্য বাসন্তী রংয়ের ধুতি-পাঞ্জাবির অর্ডার চলে গেছে গোপনে পাড়ার বাইরের কোনও দোকানে। প্যান্ডেলের কারুকার্যের ব্যাপারে মেদিনীপুরের কাঁথি অঞ্চলের দু’জন কারিগর বাড়িতেই শোলা, পাটকাঠি আইসক্রিমের চামচে, বাবুই পাখির বাসা, তালপাতা, নানা কিছু বৃক্ষজাতীয় দ্রব্যাদি দিয়ে অলংকরণের কাজ শুরু করেছে। পটলার ঠাকুমাও সব শুনে বলেন, বৃক্ষ দেবতা রে! আগের দিনে বড়লোকেরা অশ্বত্থ, বট এসব গাছ প্রতিষ্ঠা করত। রোজ জল দিয়ে প্রণাম করত। বৃক্ষপূজা ভালো কাজ

    হোঁৎকা এই মৌকায় বলে, কিন্তু ক্যাশকড়ি তো ত্যামন নাই। পূজা-টুজা করুম ক্যামনে, কন ঠাকুমা? লোকে আধুনিক লারে-লাপ্পা গানে মোটা টাকা চাঁদা দেয়, কিন্তু শুভকাজে কেউ দিতিই চায় না। পটলা কইল—নামছি, এহন বৃক্ষ চাপাই না পড়ি।

    ঠাকুমা বলেন, বালাই ষাট। শুভ কাজ করছিস দেবো হাজার পাঁচেক টাকা ।

    ব্যস—আমরা পাঁচজনও খুশির চোটে ঠাকুমাকে ফটাফট পাঁচটা পেন্নামই ঠুকে দিই । আর ভাবনা নেই। প্যান্ডেল, অলংকরণ, ফাংশন, নাচগান সব জোর কদমে চলছে। হঠাৎ গোবরা সেদিন ওর কুমড়ো কোম্পানির ঢংঢংয়ে সাইকেলটা নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে হাজির। সাইকেল থেকে নেমে ছুটে এসে ভগ্নদূতের মত খবর দেয়, সব্বোনাশ হয়ে গ্যাছে। আমরা অবাক হই। পটলা টাকার হিসাব ফেলে শুধায়, হোয়াট?

    গোবরা দম নিয়ে বলে, সেভেন বুলেটস্ স্পাই লাগিয়ে আমাদের সব খবর জেনে নিয়েছে। ওরা এই রবিবারই ওদের ক্লাবের মাঠে বৃক্ষরোপণ উৎসব করছে। অ্যাই দ্যাখ—

    পকেট থেকে দলা পাকানো একটা লিফলেট বের করে দেখায়। পড়ে তো আমাদের চক্ষুস্থির।

    ফটিক ওদিকে তখন গানের কোরাসের রিহার্সেল করছে। পটলা গর্জে ওঠে, স্টপ ফুলস্টপ। ওরাও থেমে যায়। তারপর খবরটা শুনে মুষড়ে পড়ে।

    একেবারে স্যাবোটেজ। আমাদের আগে ওরাই বাজি মেরে দেবে? ততক্ষণে নন্টেও একটা পোস্টার নিয়ে আসে। বলে, সারা পাড়া, রেলবাজার, সিনেমা হলের সামনে পোস্টারে ছয়লাপ করেছে সেভেন বুলেটস্। ফেস্টুন যা টাঙিয়েছে একেবারে রাস্তার এদিক থেকে ওদিকে । ক্যালি আছে ওদের।

    পটলার অবস্থা তখন চুপসানো বেলুনের মত নেতিয়ে পড়েছে। বলে, একেবারে ‘ডিফিট’ হয়ে গেলাম রে? সেভেন বুলটেস্ই জি-জিতে যাবে? পা-পাড়ায় মুখ আর রইল না। ক-ক্লাব তুলেই দে এবার।

    হোঁৎকা এতক্ষণ গুম হয়ে কি ভাবছিল। নাচগান থেমে গেছে। ডেকরেটারের লোকেরা বলে, তাহলে কাজ হবে না বাবু? ওদিকে দর্জির লোকও ছেলে-মেয়েদের পোশাক এনেছে। সেও বলে, আমার যে ভরাডুবি হবে স্যার?

    পটলা বলে, আমরাই ডু-ডুবে গেছি। নো ফাংশন। উঃ! কি স-সর্বনাশ না হয়ে গেল রে? আমরা জানি না কি করব। স্তব্ধতার মাঝে হোঁৎকা হঠাৎ ফুঁসে ওঠে, বৃক্ষরোপণ উৎসব, ফাংশন—সবকিছুই হইব ।

    শোকাচ্ছন্ন পটলা বলে, ওরাই সব কিছু করে দেবে আগেই। তু-তুই তো ফ-ফেল। বলবে ওরা আমাদের নকল করেছে। ন-নতুনত্ব-

    হোঁৎকা বলে, ওদের ব্যবস্থা যা করার কইরা দিমু। আমাগোর উৎসবই হইব ফার্স্ট। ফটিকও সাহস পায়, বলছিস?

    গোবরা বলে, আমাদের উৎসব হবে ?

    আলবৎ হইব। হোঁৎকা কইছে হইব—হইব। তরা যে যার কাজ কইরা যা, সব রেডি কইরা ফ্যাল। মায় প্যানডেল, ডেকরেশান। সমী, তুই প্রধান অতিথিরে কইয়া আয়। ফটিক— ফটিক বলে, আমার সব রেডি থাকবে।

    হোঁৎকা বলে, ওসব যা করছিস কর। পটলা—তর বাজেটে ধর শ’পাঁচেক টাকা। অত নাও লাগতি পারে, শ’দুয়েতেই ম্যানেজ হইব, ওটা একস্ট্রা লাগবো ওগোর ব্যবস্থা করতি।

    পটলা বলে, শ-শ পাঁচেক পুরোই নে, দ-দরকার হয় থাউজেন্ডই দেব। ও-ওদের ব্যবস্থা বেশ পা-পা-

    আমিই পাদপূরণ করে দিই, পাকাপাকি করে দিতে হবে।

    পটলা বলে, সিওর।

    হোঁৎকা বলে, ওদের প্রোগ্রামের সব খবরই নিতে হইব। আর গোবরা, তুই কালই তোর কুমড়ো মামার যত সাপ্লায়ার আছে ওই নালিকুল, দশঘরা, আরামবাগ-ফাগের ওহানে, নিজে গিয়া যত পারিস বৃক্ষ লইয়া আইবি।

    কি বৃক্ষ? আমাদের বৃক্ষরোপণ করা হবে বকুল, আমলকী, আকাশমণি। তবে আবার ও গাছ আনবে কেন?

    হোঁৎকা বলে, গাছ ওই গোবরাকেই আনতি হইব, হেই গাছের নাম ওরেই কইমু, আর ওহানে বড়বাজারে কবিরাজী ওষুধ, গাছগাছড়া যারা বিক্রি করে তাগোর থনে—

    কি ভেবে বলে—থাউক। ইটা আমি নিজে করুম। শ’পাঁচেক টাহাই দে পটলা। গোবরারেও আজই যাবার লাগবো, বৃক্ষ আনতি হইব।

    পটলা টাকা দিতে হোঁৎকা বলে, চল গোবরা, তরে সব কইয়া দিই গিয়া। হ্যাঁ, একখান হাত করাত কিনতি হইব। সেরা ফরেনের মাল হইতে হইব। তরাও ওগোর প্রোগ্রামের খবর লইবি। আর কাম য্যানো সব রেডি থাকে, আমাগোর প্যানডেলও।

    হুকুম দিয়ে চলে যায় হোঁৎকা। ফটিক আবার নতুন উদ্যমে নাচগান শুরু করে। ওদিকের কাজকর্মও শুরু হয়। দর্জির ড্রেসও নেওয়া হল। কাল থেকে ড্রেস রিহার্সালও শুরু হবে। তবু মনের মধ্যে একটা ভয় থেকেই যায়।

    বাইরের রাস্তায় পটলাদের বাউন্ডারি ওয়ালে ওই পোস্টার যেন বেশি করে পড়েছে- সেভেন বুলেটরে পরিবেশ দূষণের বিপক্ষে বৃক্ষরোপণ উৎসব। আসুন—দেখুন—নয়ন সার্থক করুন। স্থান—সেভেন বুলেটস্ ময়দান। বিশাল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ।

    লাল-নীল সবুজ রংয়ের পোস্টার, সবুজ কলাপাতার ধরনের ব্যানার। চারিদিকে যেন ওদের জয়ধ্বজা উড়ছে—এবার উঠবে ওদের জয়ধ্বনি।

    আমাদের সেখানে যেন কোনও ঠাঁইই নেই ।

    সেভেন বুলেটরে ভোঁদা, নুলো বলে, দেখলি তো যা কখনও এ পাড়ায় হয়নি তাই করছি।

    আমরা মুখ বুজেই থাকি। করার কিছুই নেই। শুনি ওদের মুখেই প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন চাঁদুবাবু, চন্দ্রমোহন চন্দ্র। অর্থাৎ চন্দ্র স্কোয়ার। ওই নামেই পরিচিত। অঢেল টাকার মালিক । মাথায় চাঁদের আলো পেছলানো চকচকে টাক আর স্কোয়ার নয়—চেহারাটা একটা সার্কেলই, একেবারে গোলাকার। বিরাট মক্কেলই পাকড়েছে। ইদানীং ভোটে দাঁড়াবেন চন্দ্র স্কোয়ার, তাই ক্লাবকে হাতে রাখতে চান। আর প্রধান অতিথি হবেন কোনও উপমন্ত্রী। ফুলমন্ত্রীদের ধরতে পারেনি, তা উপ একজনকেই ধরেছে ওরা। আর এর মধ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য ওপাড়ার সবুজ বাহিনীকেও আনছে। তারা নাকি এক একজন এক একটা গাছ লতা-ফতা সেজে পরিবেশকে সবুজ স্নিগ্ধ করে দেবে।

    দূর থেকে দেখি সেভেন বুলেটসে মাঠে মঞ্চ হয়েছে। সুন্দর বেশ উঁচু মঞ্চ। সব সবুজ। আর কলাগাছ একেবারে কাঁদি সমেত এনে বসানো হয়েছে সবুজ পরিবেশ গড়ার জন্য। ওদিকে গাছের ডালে মাচা বেঁধে সানাই বসবে মই দিয়ে উঠে বৃক্ষশীর্ষ থেকে সানাইবাদন হবে। একেবারে সব নতুন আইডিয়া। আমাদের ভিতরের সব খবর জেনে এবার আমাদেরই পথে বসালো ওরা। হোঁৎকা সেই থেকে খুবই ব্যস্ত। তার ব্যক্তিগত সচিব নন্টেরও দেখা নেই । গোবরাকে কোথায় কোন বৃক্ষাদি আনতে দূর গ্রামে পাঠিয়েছে তারও দেখা নেই। পড়ে আছি মাত্র আমরা ক্লাবের তিনপিস মেম্বার।

    ডেকরেটারের লোক আমাদের মাঠে কেবলমাত্র বাঁশ খুঁটি ফেলছে। এর মধ্যেই সেভেন বুলেটস্ উল্টে প্যাক দিচ্ছে, নকলনবিশের দল। আমরা যা করব ওরা তাই দেখে করবে।

    পটলা বলে, উঃ লাইফ হেল ক-করে দিল রে। এসবও শু-শুনতে হচ্ছে। আমার পা-পাতাল প্রবেশ করতে ইচ্ছে হচ্ছে।

    বলি, ওটা একমাত্র রামায়ণের যুগে সীতাই করেছিল। কলি যুগে তুই আর করিস না। ওরা গে-গেল কোথায়? নো পাত্তা ওই হো-হোঁৎকা—গ-গোবরার।

    পটলা একেবারে ভেঙে পড়েছে। আমি বলি, একটা পথ হবেই।

    ক-কবে হবে? কালই তো ওদের ফ-ফাংশন। পটলাও ধৈর্য হারিয়েছে। আমিও ভাবনায় পড়ি। হোঁৎকা, গোবরার কোনও পাত্তাই নেই। কাল রাত পোহালে ওদের জয়-জয়কার ঘোষিত হবে। মঞ্চে সুন্দর টবে কালকের রোপণ করার জন্য গাছগুলোকে এনে সাজানো হচ্ছে। টেবিল-চেয়ারও বসানো হচ্ছে।

    কাল ব্রাহ্মমুহূর্ত থেকে ওদের প্রভাতফেরী। তারপর সকালেই বৃক্ষরোপণ উৎসব। উপমন্ত্রী, এলাকার এম-এল-এ, কাউন্সিলর, খবরের কাগজের লোক, টিভির লোকরাও আসবেন। এলাহি কারবার। আমরা একেবারে পথে বসে গেলাম। পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের নামই মুছে দেবে ওরা।

    রাতে ঘুম আসে না। পটলা বলে, ওরাও ফিরল না। ইনসাল্টের ভয়ে মু-মুখ লুকিয়েছে। কাওয়ার্ড। উঃ! টাকা-পয়সা গেল-বে-বেইজ্জত।

    ফটিক বলে, আমার নাচগানের প্রোগ্রাম রেডি।

    পটলা বলে, আমার শ-শ্মশানে করবি। উঃ! লাইফ স্যাক্রিফাইস করব সিওর। কোনওমতে ওকে নিরস্ত করি ।

    দুঃখের রাত তবু কেটে যায়। ভোর হতেই শুনি পথ দিয়ে কলরব করে ওদের প্রভাতফেরী চলেছে। ও পাড়ার তাবৎ কুচোগুলোর হাতে সবুজ পতাকা। আর ভোঁদা, ন্যাপারাও রয়েছে পুরোভাগে সেভেন বুলেটস্রে বিজয় পতাকা হাতে। সারা পাড়া কাঁপিয়ে চলেছে তারা বিজয়গর্বে।

    ওদিকের মাঠের একপাশে দাঁড়িয়ে ওদের মূল উৎসব দেখছি। সুন্দর মঞ্চ, ওদিকে টবে গাছের সারি। ওপাশে মঞ্চে উঠছেন প্রধান অতিথি, সঙ্গে পুলিশ। চেয়ার জুড়ে বসে আছেন চন্দ্র স্কোয়ার, এঁর চক্‌চকে টাকটাই দেখা যাচ্ছে, ওঁর জন্য স্পেশাল চেয়ার আনাতে হয়েছে। অন্য মাননীয় অতিথি, এলাকার ভূষিমাল, চিটেগুড়ের আড়তদার দাঁমশাইও উঠছেন। দুটো লোক তাঁকে ধরে তুলছে। বিশাল দেহ। বেশ মোটা টাকা চাঁদা তাঁর কাছে আদায় করেছে ওরা। অতিথিরা মঞ্চে রাখা টবের বৃক্ষগুলোকে স্পর্শ করছেন, প্রদক্ষিণ করছেন। তারপর বসছেন চেয়ারে। শাঁখ বাজছে জোরে।

    হঠাৎ দেখি হোঁৎকা-গোবরাকে। পটলা আর্তনাদ করে ওঠে—কী হল? তো-তোরা! ওদিকে ক্যামেরা, টিভি ক্যামেরার আলো জ্বলছে। ছবি উঠছে।

    পটলা বলে, লাইফ স্যাক্রিফাইস ক-করব।

    হোঁৎকার চেহারা কেমন বিধ্বস্ত। যেন রাতভোর ঘুমোয়নি। গোবরার চেহারাও তেমনি। হোঁৎকা বলে, তার দরকার হইব না। দ্যাখ না-

    এরপরই দেখি মঞ্চে মৃদু আলোড়ন শুরু হয়েছে। বৃক্ষ প্রদক্ষিণ করা, স্পর্শ করার পর চেয়ারে বসেই মন্ত্রীমশাই লাফ দিয়ে ওঠেন। হাত-পা চুলকোতে শুরু করেন। তারপর চন্দ্র স্কোয়ার চলন্ত পিপের মত যেন গড়াতে থাকেন। তাঁরও চুলকানি শুরু হয়েছে প্রবল বেগে। ভূষিমালের আড়তদার সাঁ করে গায়ের পাঞ্জাবিটা খুলে বিশাল রোমশ বুক বের করে খসোর খসোর করে তীব্র গতিতে চুলকোতে থাকেন। তৎসহ লাফ ও পাড়া কাঁপানো চিৎকার-ওরে বাপরে!

    ক্যামেরায় ওঁদের সেই নৃত্যরত ছবিও উঠছে। উপমন্ত্রী, চন্দ্র স্কোয়ার আর দাঁমশাই শুধু নন, মঞ্চে উপস্থিত সব সুধীজন তখন চুলকানির কমপিটিশন লাগিয়েছেন। গাছের ছোঁয়া যাঁর লাগছে তিনিই শুরু করছেন। মঞ্চ তখন ওঁদের চুলকানির চোটে টলমল।

    কে মাইকে ঘোষণা করে—শান্ত হোন। মঞ্চ কাঁপছে। কিন্তু কে কার কথা শোনে। টিভির ছবিতে একটিবার মুখ দেখাবার জন্য তখন মঞ্চে তামাম সভ্যরা উঠে পড়েছে তারপরই মড্ মড় শব্দ। মঞ্চর একপাশ নামছে। টাইটানিক ডোবার সময় যেমন ভীত যাত্রীরা জাহাজের এদিকেই জড়ো হতে লেগেছিল, তেমনি সবাই মিলে মঞ্চের ওদিক থেকে এদিকে আসার চেষ্টা করতেই পুরো মঞ্চটা মড়মড় করে ভেঙে পড়ল। চন্দ্র স্কোয়ার তখন গড়াচ্ছেন আর আর্তনাদ করছেন। দাঁমশাই পড়েছেন শীর্ণ উপমন্ত্রীর ঘাড়ে। কে কোনদিকে পড়ে তার ঠিক নেই। মঞ্চটা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এবার উপরের তেরপল সমেত বাঁশ, চাদর সবকিছু পড়ে ওদের ওপর, যেন জালে বন্দি মাছের ঝাঁক। কে কি করবে তার ঠিক নেই। চিৎকার, কলরব ওঠে। অনেকেই মাঠ ছেড়ে নিরাপদ দূরত্বের দিকে দৌড়াচ্ছে। মঞ্চ তখন ধ্বংসস্তূপ। নীচে ওই জনতা–সেভেন বুলেটস্রে কর্মিবৃন্দ।

    কোনওমতে ওঁরা নিজেরাই ঠেলেঠুলে বের হয়ে আসেন। চন্দ্রমোহনের গরদের পাঞ্জাবি তখন ফর্দাফাঁই, দাঁমশাই তখনও গড়াচ্ছেন। পুলিশ উপমন্ত্রীকে বের করে গাড়িতে তোলে। থানার দারোগাবাবু ভোঁদা, ন্যাপা প্রমুখ ক’জন কর্মকর্তাকে থানায় নিয়ে চলে গেল।

    ক্রমশ মাঠের লোকজনও কমে আসে। এক বিচিত্র অনুষ্ঠানই বটে। যাকে বলে কেলোর কাণ্ড। ওদের অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে ওখানেই।

    এরপর রহস্যটা পরিষ্কার হয়। পটলাদের বাড়ির সেই ঘরে বসে এবার হোঁৎকা বলে, কি! কইনি ওগোর ব্যবস্থা করুম। খুব বাড়ছে। স্যাবোতাজ করবো আমাগোর ?

    গোবরা ক’দিন ধরে গ্রামে ঘুরে এনেছে অনেক বিছুটি গাছ। টবে বসিয়ে রাতারাতি তাদের ওই মঞ্চে তুলে ওদের গাছগুলোকে সরিয়ে দিয়েছে, আর চেয়ার-টেবিলে এতদিনের চেষ্টায় সংগৃহীত আলকুসির চূর্ণ ছড়িয়ে রেখেছিল। আলকুসির কিছুমাত্র চূর্ণ গায়ে-হাতে লাগলে শুরু হবে রাম চুলকানি। তাই হয়েছিল।

    ওতেই থামত। কিন্তু ছবি তোলার জন্য হুড়োহুড়ি করে মঞ্চে উঠেছিল পুরো পাড়ার সবাই, ফলে পল্কা মঞ্চের যা দশা হবার তাই হয়েছে এবং অনুষ্ঠানপর্ব ওইখানেই শেষ।

    এর পরদিন রাতারাতি গড়ে উঠল আমাদের মঞ্চ। আর পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের অনুষ্ঠান সেদিন যা হয়েছিল তা সত্যিই অপূর্ব। সারা এলাকার মানুষ বলে, হ্যাঁ। সত্যি বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানের দরকার আছে।

    হোঁৎকা বলে, কি রে পটলা, দ্যাখ বৃক্ষের গুণ। ভালোমানষের জন্য ভালো যেমন করে, ভণ্ড পোলাদের তেমনি ঠান্ডাও করতি পারে। বিছুটি-আলকুসি হক্কলই তো বৃক্ষই। ঠিক কইনি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }