Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প816 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পটলার আইডিয়া

    পটলার মাথায় আবার একটা আইডিয়া এসেছে।

    অবশ্য এই আইডিয়াগুলো মাঝে মাঝে পটলার মাথায় ঠেলে ওঠে। বর্ষাকালে নরম মাটিতে গজানো ব্যাঙের ছাতার মত। কাঠে যেমন ঘুণপোকা লাগে—কুরে কুরে কাঠকে খায়, পটলার মাথাতে তেমনি আইডিয়ার ঘুণপোকা পার্মানেন্ট বাসা বেঁধে আছে। মাঝে মাঝে চাগিয়ে ওঠে আর তখনই পটলার কর্মযজ্ঞ শুরু হয়।

    এই নিয়েই বাধে ঝামেলা। এসব ঝামেলার কথা পটলা প্রসঙ্গে তোমরাও কিছু কিছু জেনেছ।

    এবার পটলা পড়েছে নিরক্ষরতা দূরীকরণ নিয়ে।

    অবশ্য কিছুদিন আগেই পটলা সেদিন ক্লাবের মাঠে আমাদের ফুল কমিটিকে ন্যাপার দোকানের ডবল ডিমের ওমলেট, টোস্ট আর চা খাইয়ে মেজাজ খুশ করে জানায়,-বুঝলি, স-সমাজের জন্য বা কিছু স-সমাজসেবার কাজ করতে হবে।

    হোঁৎকা তখন ওমলেটের শেষ পর্যায়ে এসে টোস্ট সহকারে চিবুচ্ছে। সে বলে—সমাজসেবার কাজ! হেটা তো হকলেই করত্যাছে। কাগজে দেখসনি? মিঠুন, তগোর সৌরভ থনে শুরু কইরা প্রসেনজিৎ-টিৎ হকলেই করত্যাছে। বন্যাত্রাণ, খরাত্রাণ, থ্যালা…কী কয় রে?—

    আমি জানাই ‘থ্যালাসেমিয়া’।

    —হঃ! আরো কত কী কাজকাম করত্যাছে।

    পটলা বলে—ওরা তো করছেই। ক-করুক, আমরা পঞ্চপাণ্ডব ক্লাব থনে নতুন কি-কিছু করব। স-সমাজের বুক থেকে নিরক্ষরতা দূর করব।

    গোবর্ধন, অর্থাৎ আমাদের অন্যতম সভ্য গোবরার চেহারাটা বেশ গোলগাল। ওর মামার কলকাতায় হোলসেল কুমড়োর ব্যবসা। কুমড়োর গুদামে থেকে ওটারও কুমড়োর মত চেহারা হয়েছে। তিন বছর ধরে ক্লাস নাইনে গড়ান দিচ্ছে। এ হেন গোবর্ধন লেখাপড়ার কথা শুনে বলে,—ধ্যাৎ, তার চে মাঠে ক্রিকেট কোচিং ক্যাম্প কর। এখন সৌরভের জোর বাজার, দেখবি কত দিদি-মাসিমার দল তাদের হ্যাংলা-প্যাংলা, টিকটিকির মত ছেলেদের নে আসবে মাঠে। মাসে দুশো টাকা রেট, ক্লাবেরও নাম কাটবে ।

    ফটিক কালোয়াতি গানের চর্চা করে। ক্লাবের একটা দরমার বেড়ার ঘরে বসে হারমোনিয়াম নিয়ে ‘মেরে সঁইয়া’ নিয়ে ঘণ্টা দেড়েক চেল্লামেল্লি করে চলেছে, তা বছরখানেক ধরে। ওকে বলি,

    —আর গান নাই রে! ওই একই গান, ‘মেরে সঁইয়া’?

    ফটিক বলে—এ কি তোর আধুনিক গান, যে তিনখান গান তুলে পাড়ায় পাড়ায় ফাংশন করতে বেরুতে হবে? এসব তানসেনের ঘরানা—জন্মভোর সাধতে হয়।

    তাই সে সেধেই চলেছে। ফটিক আরও বলে—তার চে সঙ্গীত শিক্ষার ক্লাস চালু কর। আমি তো আছি।

    হোঁৎকা চা-টোস্ট শেষ করে, একটা ঢেকুর তুলে বলে-তার চে ক’পঞ্চপাণ্ডব কেলাব তুইলাই দিমু।

    অবশ্য পটলাকে চটানো সম্ভব নয়। কারণ ক্লাব-মাঠ তাদের জায়গাতে। সে-ই আমাদের ক্লাবের কামধেনু। সে বলে—

    —নিরক্ষরতা দূরীকরণের কাজ এর আগে এদিকে কোনো ক্লাবই করেনি। এক্কেবারে নতুন ব্যাপার। খ-খরচার জন্য ভাবিসনি। দেখবি, পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের নাম যা কাটবে!

    অগত্যা রাজি হতে হল। হোঁৎকা বলে—কর, তয় আমার বিদ্যার বহর তো জানস, তায় মাস্টারি, শুনে লোকে হাসব।

    গোবরা ক্লাসে গড়ান দিলে কী হবে, মাস্টার হবার লোভেই বলে, ঠিক আছে। হোঁৎকা বলে—তালি ওই নিরক্ষরই কর-

    পটলা শুধরে দেয়—নি-নিরক্ষরতা দূ-দু-

    পটলার জিভটা বিনা নোটিশে যখন-তখন আলটাকরায় সেট হয়ে যায়। আমিই পাদপূরণ করি—দূরীকরণ।

    পটলা বলে—হ্যাঁ, তাহলে কা-কাজে লেগে পড়। কী করতে হবে বলছি, ঘটাও এসে যাবে।

    পটলা ওদের বংশের একমাত্র বংশপ্রদীপ। বাবা-কাকাদের বিরাট ব্যবসা-কারখানা, এদিকের বহু জায়গা, বাড়ি, বাজার রয়েছে। পটলার টাকার অভাব নাই ।

    এর মধ্যে ক্লাবের মাথায় নতুন সাইনবোর্ড উঠেছে—‘নিরক্ষরতা দূরীকরণ বিদ্যালয় পরিচালনায় পঞ্চপাণ্ডব ক্লাব’। ক্লাবের বড় ঘরটায় এর মধ্যে বড় শতরঞ্চি বাড়তি লাইট ফিট করা হয়েছে। হোঁৎকা বলে পটলা, তার ইস্কুল বেশ ঘটা কইরা ওপন করতি হইবো । ফটিক বলে—সিওর! উদ্বোধন সঙ্গীত, সভাপতি…

    হোঁৎকা বলে—পটলা, কিছু খরচা করতি হইবো–সভাপতি ঠিক করছি, ফাংশনও হইবে। পটলাও শ-পাঁচেক টাকা বের করে দেয়।

    এর মধ্যে সারা এলাকায় কথাটা প্রচার হয়ে গেছে। নিরক্ষরতা দূরীকরণের ফেস্টুন পড়েছে। ফটিক, হোঁৎকা দু’জনেই মাঠে মুক্ত মঞ্চ করেছে। সভাপতি পাড়ার এম. এল. এ. কৃতান্তবাবু আর প্রধান অতিথি বাজারের মাছের বড় আড়ৎদার পুনুবাবু।

    পুনুবাবুর চেহারাটা ভেটকি মাছের মত বেশ নধর, মাথাটা ছোট। মাঠের আড়তে বসে বসে ওর গায়ে মাছের আঁশটে গন্ধ। তবু সে নাকি স্কুলের ফান্ডে হাজার টাকা দিয়ে এই পদ লাভ করেছে। কোনো সদ্য গজিয়ে ওঠা কেবল টিভির লোকও ক্যামেরা নিয়ে এসেছে।

    ফটিকের উদ্বোধনী সঙ্গীত। হোঁৎকা বলে আড়ালে—তিন মিনিট তর টাইম ফটকে। তারপর ব্যা ব্যা করছস তো, তরে এই আধলা ইট মারুম।

    ফটিক বলে—তান-আলাপ….

    হোঁৎকা গর্জে ওঠে—যা পারস ওই তিন মিনিটেই কর, নালি তরে বিলাপই করতি হইব। তারপর বক্তিতা, পাঁচুদার ভাষণ।

    ফাংশন শুরু হবার আগে দেখি ছাত্রের দলও আসছে। ওসব হোঁৎকা-পটলা জোগাড় করেছে, গোবরাদের গুদামের গোটা দুয়েক প্রমাণ সাইজের তারকেশ্বরী কুমড়োও এসেছে। ত্যানারাও পড়বেন। দেখি, রূপকথা সিনেমার সামনের টিকিট ব্ল্যাক পার্টির দু-চারজনও আছে। ওরা সিনেমার সামনে নতুন নামতা পড়ে—পাঁচ কা দশ, দশ কা পরো। এখানে ওরা কী পড়বে জানি না। দেখি সিঁটকে মদনাকে, এলাকার কুখ্যাত সিঁধেল চোর। পাড়ার লোকের ঘটিবাটি, আলনার জামাকাপড় হরণ করে। সেও এসেছে পড়তে।

    আর এসেছে বাজারপাড়ার বেশ কিছু মাল, যারা নিখুঁত ব্লেড চালিয়ে লোকজনের পকেট সাফ করে, ব্যাগও কাটে নিপুণভাবে। আর ওদিকে আগে থেকেই ছাত্রদের শতরঞ্চিতে বসে ঝিমুচ্ছে বংশীলাল। সে আবার জলপথের যাত্রী। দ্রব্যগুণে এখন ঝিমুচ্ছে। সেও অক্ষর জ্ঞান অর্জন করতে চায় ।

    আমি বলি–এসব কী ছাত্র রে?

    পটলা তখন সমাজসেবার নেশায় মশগুল। সে বলে-এদেরই প্রকৃত শি-শিক্ষার দরকার। মিটিঙে এলাকার মানুষ ভেঙে পড়ে। ফটিক তখন পুরো স্পিডে ‘সঁইয়া’র গান ফিনিশ করেছে। হাততালি পড়ছে। হোঁৎকা নিশ্চিন্ত ফটিক পাঁচ মিনিটেই ‘সইয়া’র গান সেরেছে।

    তারপর পাঁচুদা, এখানকার জননেতা। পঞ্চপাণ্ডব ক্লাব যে সমাজের নিরক্ষরতা দূর করতে নেমেছে তার জন্য তাদের দেবতাই বানিয়ে দেয় (সামনে ভোট, তাই এত আমড়াগাছি)। আর মাছের কারবারি পুনুবাবু, ইদানীং মাছের দর বেড়েছে, তাই খুশি হয়ে ছাত্রদের আশীর্বাদ করে। তারপর কাউন্সিলের ভুতোদাও সব ক্লাবকে পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের মহান আদর্শ অনুসরণ করতে বলে। তারাই প্রকৃত সমাজসেবা করছে। এরপর ওইসব মার্কামারা ছাত্রদের বলে, তোমরা মন দিয়ে পড়বে। বিদ্যালাভ করে নিজেদের ধন্য করবে।

    সভা শেষ। এরপর ছাত্রদের নিয়ে পড়ি আমরা। বংশী উঠে পড়ে। বলি—কোথায় চললে ? বংশী বলে—পড়া তো হবে যত ঠ্যালার কাজ। ঠেক থেকে দু’ঢোক ঢেলে এসে ফিট হয়ে বসব মাইরি—বংশী দৌড়োল।

    অন্য ছাত্ররা তখন বই-শ্লেট-পেন্সিল নিয়ে বসেছে মন দিয়ে।

    পাড়ার লোকও অবাক হয় ওই ছাত্রদের দেখে। পটলার নিরক্ষরতা দূরীকরণ বিদ্যালয়ের ছাত্রদের ঠিকুজি কুষ্ঠী এলাকার সব মানুষেরই জানা।

    ওদের মধ্যে ন্যাপাও এসেছে। তার ডান হাতের তালু নাই। কথিত আছে যে, বোমা বাঁধতে গিয়ে ওর হাতটাই উড়ে গেছিল। তবে এখনও সে বোমের ব্যবসা করে। বাঁ হাতেই উৎকৃষ্ট বোম বাঁধে।

    এ হেন কৃতী ছাত্রদের বিদ্যাদানের সুযোগ পেয়ে আমরাও ধন্য হয়েছি।

    পটলা বলে—এদেরই শি-শিক্ষার আলো দরকার।

    হোঁৎকা তখন কোনো ছাত্রকে নিয়ে পড়েছে।

    শ্লেটে দাগা বুলোচ্ছে অনেকে। ন্যাপা বাঁ হাতেই দাগা বুলোচ্ছে, বংশীও এর মধ্যে ফিট হয়ে ঢুকছে টলতে টলতে। হোঁৎকা গর্জে ওঠে ছাত্রের এ হেন ব্যবহারে। বলে—গেট আউট। বংশী বলে—তাহলে আজ ছুটি?

    পটলা বলে-ওসব খেয়ে ইস্কুলে আসবে না। ওসব ছাড়ো বংশী।

    বংশী বলে ওঠে—লাও ঠ্যালা। যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে মাস্টার। পড়তে হলে ওসব চলবে না?

    পটলা বলে—না ।

    বংশী বলে—তা’লে পড়ে আর কাজ নাই। ই বড় বাজে জিনিস।

    পটলা ছাত্র হটাতে চায় না। বিদ্যাদান করবেই। তাই বলে-ওদিকে বই নিয়ে বসো । বংশী বসে পড়ে। অবশ্য চোখও খোলে না, বইও নেয় না। ঝিমুতে থাকে ।

    নিরক্ষরতা কতদূর দূরীকরণ হচ্ছে তা জানি না, তবে আমাদের ইস্কুলে ছাত্রদের জমায়েত ঠিকই হয়। পাড়াতেও নাম কাটে—হ্যাঁ, কাজের কাজ করছে।

    সেদিন পটলা স্কুলের পর চা-টোস্ট আনাতে দেবে আমাদের জন্য, পকেটে হাত দিয়েই হাতটা হঠাৎ সিধে বের হয়ে যায়। পকেট সাফ, মানিব্যাগে শ-চারেক টাকা ছিল, নাই ৷ পটলা চমকে ওঠে—আরে, কে পকেট সাফ করেছে? চা-চারশো টাকা !

    হোঁৎকা বলে—কেউ গুরুদক্ষিণা দিছে তবে। হালা আর ছাত্র পাইলি না? ওগোরই কাম পটলা বলে—না, না, বাজারেই গেছে। ছেলেরা কেউ করেনি।

    ক’দিন পরেই ফটিক সকালে ক্লাবে গলা সাধতে এসে দেখে হারমোনিয়ামটা নাই। বাক্‌সটা পড়ে আছে, মাল সাফ !

    ফটিক আর্তনাদ করে—আমার হারমোনিয়াম কোথায় গেল ?

    খবর পেয়ে গেলাম। পটলা-হোঁৎকাও এসেছে।

    গোবরা বলে—ওই ছাত্রদেরই কাজ। সেদিন পটলার পকেট সাফ করেছে, আজ গেল হারমোনিয়াম। এটাও ওদেরই কারো কাজ। হোঁৎকা বলে—পটলা তর ছাত্রদের লই যা। নালি কুনদিন কেলাবই সাফ কইরা দিবো।

    পটলা বলে—না, না, ওরা এসব কাজ আর করে না। শিক্ষার আলো পেলে ওরা বদলাবেই।

    এর কিছুদিন পর পাড়ায় হইচই ওঠে, মোড়ের ইলেকট্রিকের দোকানে চুরি হয়েছে শাটার-এর তালা ভেঙে। টিভি, টেপ, ইস্ত্রি নানা কিছু চুরি গেছে। অনেক টাকার মাল । পুলিশও আসে সেখানে। দোকানদার বিভূতিবাবু কপাল চাপড়াচ্ছে।

    খবর আসে, এর আগেও পাড়ার গোবিন্দবাবুর নীচের ঘর থেকে জামাকাপড়, রেডিও চুরি হয়েছে।

    সাত নম্বরের হরিধনবাবুর বাড়িতেও চোর হানা দিয়েছিল। তবে বিশেষ কিছু নিতে পারেনি। হরিধনবাবুর মেজ ছেলে জেগে উঠে আলো জ্বালাতেই চোর দু’জন পাঁচিল টপকে গলির অন্ধকারে পালিয়েছিল। অবশ্য তার আগে ওরাই পাড়ার সব আলো নিভিয়ে অভিযানে এসেছিল।

    নিশিকান্তবাবুও এবার গর্জে ওঠে পুলিশের সামনে—পাড়ায় চোর, পকেটমারের ডিপো হয়েছে মশায়। সেদিন এই গলিতে আমার পকেট কাটা গেল—আড়াইশো টাকা সাফ! কী হচ্ছে এখানে? আজ দোকানে ডাকাতি হয়ে গেল !

    সমবেত জনতা এবার পুলিশকেই ধরে। পুলিশ অফিসার বলে—আমরা দেখছি।

    পাড়ায় খোঁজ-খবর চলছে। অবশ্য, আমাদের নিরক্ষরতা দূরীকরণের কাজও চলছে। ছাত্রসংখ্যা দু-চারজন বেড়েছে, পটলাও খুশি।

    সেদিন দোকানে চুরির খবর দেখেছি আমরা। হোঁৎকা ভাবনায় পড়েছে। গোবরাও বলে – মামার গুদামে আবার চুরি না হয় !

    হোঁৎকা বলে—কী পাইব সেখানে? কুমড়া আর চালকুমড়া লইব কোন ব্যাটা? চুপ মাইরা থাক গোবরা।

    গোবরা বলে—কুমড়োর কেজি এখন সাত টাকা। কম দাম?

    পটলা বলে—ওসব ছাড়। এই সপ্তাহে ছাত্রদের পরীক্ষা নিতে হবে। কে কতটা শিখল জানা দরকার।

    হোঁৎকা বলে—কিন্তু এদিকে পাড়ায় যা হইত্যাছে, ডিফেন্স পার্টি করনের লাগবো। তর ছাত্রদের নিই একখান ডিফেন্স পার্টি করুম ।

    পটলা বলে—ওদের পড়াশোনায় ডিসটার্ব করিস না। মন দিয়ে পড়ছে, ওদের পড়তে দে। ক্লাবের ওদিকে একটা ঘরে পুরোনো বাতিল খবরের কাগজ, ভাঙা ক্যারাম বোর্ড, গোলপোস্টের জাল, দুর্গাপুজোর কাঠামো, হাবিজাবি জিনিসে ঠাসা থাকে। ওঘরে কেউ ঢোকে না। বন্ধই থাকে।

    সেদিন পাড়ার দোকানে ডাকাতির পর পুলিশ এদিক-ওদিক ঘুরতে ঘুরতে ক্লাবে এসেছে। ফটিকের হারমোনিয়াম নাই, একটা তানপুরা এনে ফটিক সেই ‘সঁইয়া’কে নিয়ে পড়েছে। ওদিকে গোবরা বারবেল করছে। পুলিশ দেখে চাইল তারা।

    পুলিশ অফিসার এদিক-ওদিক দেখে, তারপর সেই বন্ধ ঘরটা দেখিয়ে বলে—এটা খোলো। ফটিক বলে,-দরজা ভেজানোই থাকে ঠেলুন, খুলে যাবে।

    পুলিশ ঠেলতেই দরজা খুলে যায়। পুলিশ ভেতরে ঢুকে দেখে জালের তলায় কাঠামোর পিছনে রয়েছে কয়েকটা টিভি, টেপ। সেই দোকানদার বিভূতিবাবু বলে-এসব আমার দোকানেরই চুরি যাওয়া মাল। ফটিক অবাক, এখানে এসব কারা রেখে গেল? দরজা তো খোলাই থাকে।

    এরপরই সেক্রেটারি হোঁৎকা আর প্রেসিডেন্ট পটলার খোঁজ পড়ে। আমরাও গেছি।

    পটলার কাকাও গাড়ি নিয়ে এসে পড়েন। হইহই ব্যাপার। কুলেপাড়ার ক্লাব চিরকাল আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী, তারা এতদিন আমাদের সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে চুপ করে ছিল। এবার তারাই বলে—চুরির ইস্কুল করেছে এরা। তাই বলি, পাড়ায় হঠাৎ চুরি-চামারি, পকেটমারি বেড়ে গেল কেন ? বুঝুন এবার।

    পুলিশ অফিসারও সব খবর রাখেন।

    পটলার নিরক্ষরতা দূরীকরণের ক্লাসের ছাত্রদের নামগুলো দেখে এবার পুলিশ অফিসার বলে—এলাকার জুয়েলগুলোর অনেকের নামই দেখছি। ওগুলোকে তুলে নিয়ে গিয়ে ওষুধ দিলেই সব খবর বের হবে।

    পটলা বলে—আর কোনো দল ওদের বিপদে ফেলার জন্যই এসব এখানে রাখতে পারে। পুলিশ অফিসার এর মধ্যেই লোক পাঠিয়ে গোটা পাঁচেক ছাত্রকে ধরেছে। তাদের দু-চার ঘা দিতে তারা স্বীকার করে এ কাজ তাদেরই। সব মাল পাচার করতে পারেনি। এই বন্ধ ঘরে বাকিগুলো রেখেছিল পরে সময়মত নিয়ে যাবার জন্য।

    চুরির কিনারা হতে এবার পুলিশ ছাত্রদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে। পটলার নিরক্ষরতা দূরীকরণ বিদ্যালয়ের সুনাম এই পর্যায়ে দাঁড়াবে, ভাবিনি। আমরাও হতাশ।

    পুলিশ অফিসার বলে—শোনো পটলবাবু; এরা জীবনের ইস্কুলে এইসবই এত শিখেছে যে তোমার অক্ষর পরিচয়ের এইটুকু আলো এদের মনের শেডের অন্ধকার দূর করতে পারবে না । তোমরা বরং যারা ছোট, জীবনের এই শেডের অন্ধকার দেখেনি এখনো, তাদের মধ্যেই শিক্ষার কথা ভাবো। হয়তো তাতেই সত্যিকার কাজ হবে। কাঁচামাটির তাল নিয়ে ভালো কিছু গড়া যায়, এই পোড়ামাটি দিয়ে নয়।

    সেদিন ওর কথাটা সত্যি মনে হয়েছিল। পটলাও বলে—এই ধেড়েদের নিয়ে আর নয়, রে, সারা এলাকার পথের ছেলেমেয়েদের নিয়েই ইস্কুল হবে।

    এখন আমাদের পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের ইস্কুল কচিকাঁচাদের কলরবেই মুখর হয়ে ওঠে। পাড়ায় আর চুরি-চামারিও হয় না। পাড়ার বহু মানুষও এখন আমাদের নিরক্ষরতা দূরীকরণের কাজে নানাভাবে সাহায্য করছেন।

    পটলা বলে—কী রে, ইস্কুল কেমন চলছে? আমার আইডিয়া কেমন, বল ?

    হোঁৎকা বলে—ভালোই। তয় অগোর সাথে বকাঝকা কইরা গলা শুকাই গেছে গিয়া । চা-টোস্ট আনতি কইয়া দে। হঃ, সাথে ওমলেটও দিতি ক, ডবল ডিমের ওমলেট।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }