Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প816 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বরযাত্রী হোঁৎকা

    বরযাত্রী যাবার আনন্দে হোঁৎকা অধীর হয়ে তার দেশজ ভাষায় বলে—হঃ! বিহার মধ্যে বরযাত্রী যাওনই আনন্দের। গাড়িতে যামু—খামু—হৈচৈ করুম।

    গোবর্ধনের ছোট মামার বিয়ে, হরিপালের ওদিকে কোনো এক গ্রামে। তাই গোবর্ধনের বন্ধু হিসাবে লিস্টের মধ্যে আমরাও আছি। তবে বরযাত্রী দলে তরুণদের সংখ্যা কমই, মাত্র আমরা ক’জন। পটলা, ফটিক, আমি আর হোঁৎকা। গোবর্ধন তো নিতবর হতে হতে রয়ে গেছে।

    এখান থেকে বাসে বরযাত্রীকুল যাবে, বর অবশ্য আলাদা গাড়িতে যাবে। বর বলে কথা! ফেরার সময় নতুন কনেও আসবে ওই গাড়িতে। বেশ ফুল, সবুজ শেওলা-টেওলা দিয়ে প্রজাপতি বানানো হয়েছে গাড়ির সামনে।

    বিকেল নাগাদ বের হতে হবে।

    গোবর্ধনের মামার কুমড়োর আড়তে আমরা জমায়েত হয়েছি। ওপাশে ওদের বাড়ি, আড়তে কুমড়োর টাল, এক কেজি থেকে মৃদঙ্গের সাইজের আট-দশ কেজিটাকও আছে, ওদিকে চালকুমড়োর স্টক। পাউডার মাখানো পাশবালিশ, তাকিয়ার সাইজও আছে।

    আজ কুমড়ো সেল বন্ধ। গোবরার মামা নদুবাবু তারকেশ্বরের কুমড়োর সাইজের ভুঁড়ি ঢেকে গরদের পাঞ্জাবি পরেছে। বর্ণটি কালো—তাতে চালকুমড়োর গায়ের মত পাউডারের প্রলেপ পড়েছে, গলায় মফচেন হার। ওদিকে এসে পড়েছে পাড়ার অনুকূল কবরেজ। শীর্ণ, পাকা বেলের মত চকচকে মাথা, কণ্ঠস্বর খাগড়াই ফাটা কাঁসরকেও হার মানায়। রয়েছে গুরুগম্ভীর মানুষ আমাদের স্কুলের সংস্কৃত স্যার, গলার উত্তরীয়, পরনে চটি। বাজারের ম্যানেজার হাবুলবাবু। বাজারের মাছ, ডিম, আনাজপত্র বিনা পয়সায় খেয়ে খেয়ে দেহটিকে যেন একটি জিপিও থামে পরিণত করেছে। কথায় কথায় লোককে শাসায়। গোবর্ধনের মামার বন্ধু কেশব ডাক্তারও এসেছে। বাজারে কেশববাবুর হোমিওপ্যাথি ডাক্তারখানা।

    অনুকূল কবরেজ ওকে দেখে বলে—ওই সাদা গুলিটাও বরযাত্রী যাচ্ছে?

    কেশব ডাক্তারের পাশেই অনুকূলের কবরেজখানা। দুজনের প্রায়ই ঝগড়া বাধে। ও বলে—আমার রুগি ভাঙাবি?

    কেশব বলে—শেকড়বাকড় দে রোগ সারে? সারে না। হ্যানিম্যান বলেন—

    —রাখ তর হ্যানিমুন। চরক-শুশ্রুতের নাম শোনসনি? গণ্ডমূর্খ—

    -খবরদার!

    দুজনেই দোকান ছেড়ে পথে অবতীর্ণ হয়। এদিকে চকচকে টাক, অন্যদিকে বাবরি চুল কেশব। শেষে রোগীরাই তাদের ডাক্তার কবরেজকে সামলায়। আজ কেশব এখানে এসে ওই মন্তব্য শুনে বলে—বরযাত্রী যাচ্ছ চলো কবরেজমশাই, বাজে কথা বলো না। নো টক । আমাদের সংস্কৃত স্যার আশুবাবু বলেন—শান্তি-শান্তি—

    ওদিকে বাকি বরযাত্রী দলও এসে পড়েছে। বরের গাড়ি রেডি। যেতে হবে অনেকটা পথ আর কলকাতা থেকে বিকেলের দিকে যানজট ভেদ করে বের হওয়া অভিমন্যুর চক্রব্যূহ ভেদ করে বের হবার মতই কঠিন ব্যাপার।

    অবশ্য লগ্ন রাত্রি নটার পরই। তবু দূরের পথ। গোবর্ধনের মামাই বরকর্তা। মামা ওই গাড়িতে বরের সঙ্গে নাপিত, পুরুতকে নিয়ে নিজে উঠে ম্যানেজারকে বলে—গাড়ি এলে এদের নে এসো। হরিপাল রোডের থেকে ডানদিকে কানা নদীর ধারে মাথাভাঙা কাদাপোঁতা

    গ্রাম।

    কুমড়োর আড়তদার রাজুবাবু। ম্যানেজার ওখানে কুমড়ো আমদানি করতে কয়েকবার গেছে। বলে—ঠিক আছে।

    এদিকে শাঁখ বাজিয়ে উলু দিয়ে বরকে বিদেয় করা হল। বরযাত্রীদের বাহনের দেখাই নাই। কে জানে বরযাত্রীবিহীন বিয়েই হবে। ওদিকে ফোন করে ম্যানেজার। বাসওয়ালা জানায় গাড়ি শ্রাদ্ধবাড়িতে গেছে, পার্টিকে নামিয়ে দিয়েই চলে যাবে।

    পণ্ডিতমশাই বলে—শ্রাদ্ধ তৎপর বিবাহ! কেমন অশুভ ব্যাপার হে-

    অনুকূল কবরেজের আবার ভূতের ভয়। অবশ্য এ খবরটা অনেকেই জানে না। আমরা দেখেছি কুলেপাড়ার বাঁশবাগানের পাশ দিয়ে সন্ধ্যার পর যাবার সময় কবরেজমশাই সজোরে রামনাম করে। সেদিন আমাদের দূর থেকে দেখে রামনাম ছেড়ে বু বু বু…করতে শুরু করে। ছিটকে পড়ে আর কি! আমাদের চিনতে পেরে ধড়ে প্রাণ ফিরে পায়-তো-তো তোরা ! সাড়া দিবি তো! আমরা হাসছি ওর অবস্থা দেখে। কবরেজ বলে—কাউকে বলিসনি বাবা । ওই কেশব যেন না শোনে।

    আমরা অবশ্য কাউকে বলিনি, কবরেজমশাই ঘুষ বাবদ চ্যবনপ্রাশের গুলি কিছু দেয় আমাদের।

    এহেন কবরেজ বলে—সত্যিই শ্রাদ্ধের ছোঁয়া-টোয়া নিয়ে বিয়েতে যাবে !

    ম্যানেজার বলে—লোহাতে দোষ নেই ।

    বিকেল গড়িয়ে আসছে। শীতের দিন। আলো মুছে আসছে খালের বুকে। গাছগাছালিতে কাকের দল দিনের পরিক্রমা সেরে ফিরছে। বাসটা এলো এইবার ।

    বরযাত্রী দল রেডিই ছিল। বাহান্ন সিটের বাস ভর্তি হয়ে গেল দেখতে দেখতে। আমরা কজন অবশ্য উঠেই সিটকটা দখল করেছি। ভিড়ের মধ্যে দেখা যায় কবরেজ বসেছে কেশবের পাশেই, দুজনের মুখ দুদিকে, যেন ছোঁয়াও লাগাতে রাজি নয় কেউ কারো।

    ম্যানেজার লাদাই পর্ব শেষ করে। কুমড়ো লোড করা মাথা, তাই বাকি কয়েকজনকেও তুলে এদিক-ওদিকে দাঁড় করিয়ে দেয়। বাসও যাত্রা করল।

    দিল্লি রোড ছাড়িয়ে এবার বাস বাবার পথ দিয়ে চলেছে। সংস্কৃতের স্যার দু’হাত তুলে বাবা তারকনাথের উদ্দেশে স্তোত্র আওড়ায়—

    প্রভুমীশমনীশমশেষগুণং

    প্রণমামি শিবম্ শিবকল্পতরুম্।

    কে জয়ধ্বনি দেয়—জয় বাবা ভূতনাথ! এ ভূতপ্রেতের রাজ্য হে। অনুকূল কবরেজের টাক ঘামছে। কেশব বলে—ভূতের দেশই বটে।

    ধমকে ওঠে কবরেজ—ওনাদের নাম না নিলেই নয় ?

    ওদিকে বাজারের মাছের কারবারি নকুল এর মধ্যে বাবার প্রসাদও পেয়ে গেছে। সিগ্রেটের ভিতরে গঞ্জিকা পুরে জোরসে টান দিয়ে হিসাব করে দামি ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে চোখ বুজে সে বলে—মলে সব ব্যাটাকেই তো ওই-ই হতে হবে গো। ভূতনাথই পরম গতি। জয় বাবা ভূতনাথ।

    পথ অন্ধকার। বাস চলেছে নাচতে নাচতে। বরযাত্রী দলের পেটে দুপুর থেকে কিছুই পড়েনি। খালি পেটে বাসের নাচনে খোল-কত্তাল বাজতে শুরু করে।

    কালীবাবু বাজার ম্যানেজার হাবুলবাবুকে বলে—কি হে ম্যানেজার, তুমি বরযাত্রী নে যাচ্ছ না কুমড়ো চালান দিচ্ছ হে? লোকগুলোর কি খিদে-তেষ্টাও নাই? একটু চা-টা খাওয়াও হে । ম্যানেজার ভেবেছিল এই বাবদ খরচটা পুরো বাঁচিয়ে নিজেই ম্যানেজ করে নেবে। কিন্তু গোবর্ধন বলে—সামনেই একটা ধাবা আছে, ম্যানেজারবাবু ওখানেই চা-টা মিলবে।

    ম্যানেজার গাঁইগুই করে—এই তো এসে গেছি। কিন্তু বরযাত্রীদের চটানো নিরাপদ নয় । কাজেই থামাতে হল বাসটাকে।

    ম্যানেজারের বেশ কিছু লোকসানই হল। বরযাত্রীর দল শুধু চাতেই থামেনি, টাও খেয়েছে—বিস্কুট, টোস্ট কেউ আবার ওমলেট।

    ম্যানেজার বলে—তাড়াতাড়ি করুন ডাক্তারবাবু, বিয়েবাড়িতে গিয়ে জলটল খেতে হবে আবার। কিন্তু সে কথাতে কেউ কান দেয় না।

    বিয়েবাড়ি অবশ্য সেখান থেকেও ঘণ্টাখানেকের রাস্তা। তবে এটা পাকা রাস্তা নয়, মেঠো রাস্তা। মোরাম ইটভাঙা ঢালা। কুমড়ো, আলুর লরিই যাতায়াত করে। বাসওয়ালা বেঁকে বসে—নেই যায়েগা ।

    একেবারে মাঝ মাঠ। রাতের অন্ধকার নেমেছে। পথের ধারে একটা পুরোনো বটগাছ, এদিক-ওদিকে ঝুরি নেমেছে।

    দত্তমশায় নেমে বলে—এ কোথায় এলেম হে?

    কবরেজ মশাই নেমেই আঁতকে ওঠে। ওর চকচকে টাকে সাদা চুনগোলা কিছুটা বস্তু পড়েছে গাছের উপর থেকে। তারপরই ডাল কাঁপিয়ে শন শন শব্দ। কোথায় একটা বাচ্চা ছেলে ককিয়ে ওঠে।

    —রাম রাম রাম! কবরেজ মশাইয়ের টাক থেকে সেই তরল বিষ্ঠা গড়িয়ে কপালে এসেছে। রুমাল দিয়ে মুছে নেয়। তবু কপালে খানিকটা লেগে থাকে তিলকের মতো। হাবুলবাবু বলে—শকুনির পাল রয়েছে গাছে। কাছেই শ্মশান।

    —অ্যাঁ! কবরেজমশাই কেন, অনেকেই আঁতকে ওঠে। ভূতের রাজ্যে এসে পড়েছে। কেশব ডাক্তার ভয় পেলেও চুপ করে থাকে। সংস্কৃতের পণ্ডিত তখন কালীস্তোত্র শুরু করেছে—ওঁ কালী কালী মহাকালী—শুভদে বরদে দেবী—

    ম্যানেজার বলে-ড্রাইভারজি, থোড়া চলো জি। সামনেই বিয়েবাড়ি।

    ড্রাইভার বলে—শ্বশুরবাড়ি হলেও ভি নেহি যাবে। গাড়ি ব্যাক করবে কাঁহা? বহুত খারাব রাস্তা।

    সংস্কৃত স্যার বলে—এ যে বহুত অপবিত্র স্থান হ্যায়। অপদেবতা রহতা ইধার ।

    ড্রাইভার বলে–অপদেবতা! সো কোন চীজ !

    হাবুলবাবু বলে—ভূত পিরেত জানতা?

    —হ্যাঁ ভূত! রহনে দেও। আপলোক পায়দল চলা যাইয়ে। নজদিক তো হ্যায়। হম নেহি যায়েগা।

    বলে সে ব্যাটা সিটের উপর টান টান হয়ে শুয়ে পড়ে। নড়ার লক্ষণও নেই। কবরেজ বলে—ও মানুষ না ভূত-পেরেত হে? অ্যাঁ! ভূতের কথা শুনে শুয়ে পড়ল। ছেরাদ্দ বাড়ি থেকে গাড়ি নে আসাই ভুল হয়েছে। কে জানে ভূত-টুত কিছু রয়ে গেছে কিনা !

    সংস্কৃত স্যার বলে—ভাববার কথা !

    ওদিকে খিদের জ্বালা শুরু হয়েছে। গাড়ি যাবার লক্ষণ নেই। গ্রামের বিয়েবাড়ি কতদূরে জানি না। গোবরা বলে—মুশকিল হল।

    হোঁৎকার খিদে সহ্য করার অভ্যাস নেই। দুপুরের পর পেটে কিছুই তেমন পড়েনি। উল্টে ঝাঁকানির চোটে যা ছিল তাও হজম হয়ে গেছে।

    পটলা বলে-ভূ-ভূতের দেশে এনে ফেলেছে।

    হোঁৎকা গর্জে ওঠে—তহন কইলাম যামু না। হালায় কুমোড় মহাজনের বিহা, তার বরযাত্রী! ল্যাঙোটের কয় বুকপকেট! এহন কি খামু?

    শেষ অবধি পেটের জ্বালায় আর ভূতের ভয়েই এরা রাজি হয় হেঁটে যেতে। ম্যানেজার অভয় দেয়—পথ বেশি নয়।

    অন্ধকার রাত্রি, তবু আকাশে ঝকঝকে তারার মেলা। ওরই আভায় দেখা যায় পথের রেখাটা। ওই পথ ধরে সঙ্গের দু’একটা টর্চের আলোয় কোনোমতে এগিয়ে চলি।

    সামনে চলেছে বদন খাঁড়া, সে নাকি এসব অঞ্চলে, সুন্দরবনে, মধ্যপ্রদেশের বনে-পাহাড়ে বাঘ, হাতি শিকার করেছে। সেই লিড করে চলেছে। হঠাৎ এদিকের ঝোপ থেকে নীল জ্বলন্ত চোখ নিয়ে দুটো প্রাণী এসে রাস্তার উপর আমাদের দেখে থমকে দাঁড়িয়ে চাপা গর্জন করতে থাকে।

    দলটা থেমে যায়। বদন খোঁড়া বাপরে বলেই তুড়ি লাফ দিয়ে এপাশের বনবাদাড় ভেদ করে দৌড় লাগায় । পিছনেই ছিল সংস্কৃত স্যার। তিনি তো কাঁটাগাছে কাপড়টা আটকে যেতে কাপড় রেখেই আন্ডারওয়ার পরে যঃ পলায়তি সঃ জীবতি—এই নীতি গ্রহণ করে হাওয়া। বাকিরা অস্ফুট আর্তনাদ শুরু করেছে।

    হোঁৎকা পথের থেকে গোটা দুই আধলা ইঁট নিয়ে ওদের দিকে ছুঁড়তে ওরাও পালায় । টর্চের আলোয় দেখা যায় এক জোড়া শিয়াল। তারাও এসময়ে আমাদের দেখে থমকে দাঁড়িয়েছিল।

    শিয়াল তো গেল—এদিকে বদন খাঁড়া আর পণ্ডিতমশাই উধাও। হাঁকডাক করতে দূর থেকে সাড়া মেলে সংস্কৃত স্যারের—এই যে এইস্থানে। আমার বস্ত্রটা দাও ।

    বস্ত্রদান করে স্যারকে ফিরে পেলাম, বদন তখনও লা পাত্তা। শেষে দূর থেকে বদন সাড়া দেয়—আসছি।

    বদনচন্দ্রকে আর চেনা যায় না। বেগে ধাবমান হয়ে বোধহয় অন্ধকারে কোনো জলার মধ্যে পড়েছে। কাদা-পাঁকে সাদা ধুতি-পাঞ্জাবি বিবর্ণ। বদন বলে—ব্যাটাদের ধরব বলেই ওৎ পেতেছিলাম, তা ব্যাটারা পালালো বদনের চোখে ধুলো দিয়ে।

    বরযাত্রী দল চলেছে সামনে। ক্রমে দূরে আলো দেখা যায়, শোনা যায় লোকের কোলাহল। পটলার অভ্যাস পথেঘাটে বের হলে জলের বোতল সঙ্গে রাখা। অবশ্য দেখলাম অনেকেই জলের বোতল নিয়ে এসেছে। পথেঘাটে জল ঠিক মেলে না। এতক্ষণ ওই জলের উপরই চলেছি। এবার সামনে বিয়েবাড়ি দেখে আমাদের চলার স্পিডও বেড়ে ওঠে।

    গ্রামের সঙ্গতিপন্ন গৃহস্থের বাড়ি। রাস্তা থেকে বাগান, বাঁশবন শুরু, তারপর বড় এলাকা জুড়ে বাড়ি। সামনে বিরাট প্যাণ্ডেল করে জেনারেটারে আলো জ্বালা হয়েছে। বাইরে দু’তিনটে গাড়ি, তার মধ্যে বরের গাড়িও রয়েছে।

    ম্যানেজার এগিয়ে যায়। বিয়েবাড়িতে আমাদের দেখে অভ্যর্থনার ধুম পড়ে। হাঁক-ডাক শুরু হয়, বসার জায়গা এগিয়ে দেয়, সঙ্গে সঙ্গে জলখাবার এসে যায় প্লেটে। সিঙ্গাড়া, কচুরি-চার-পাঁচ রকম মিষ্টি। খিদের মুখে তখন পাল্লা দিয়ে জলখাবারই চলেছে। হোঁৎকা তো একসঙ্গে তিনটে এডিশন শেষ করে দিল। কবরেজ মশাই, সংস্কৃত স্যার মায় হাবুল, দত্তবাবুও দু’প্লেট করে শেষ করে গরম চা নিয়ে বসে।

    ওদিকে বাদ্যবাণ্ড চলেছে। অন্দরে উলু-শঙ্খধ্বনি হচ্ছে। রাত তখন প্রায় বারোটা। গোবরা বলে—কই মামাদের কাউকে দেখছি না ?

    হোঁৎকা বলে—এহানে এহন হক্কলেই তর মামা। পাইবি। মামা যাইব কনে! চুপ মাইরা বোস।

    এর মধ্যে হাবুলবাবু খোঁজ এনেছে, এদের খাওয়ার আয়োজনও দারুণ। মাছ-মাংস ভরপেট, মিষ্টান্ন পাঁচ পদের।

    সংস্কৃত স্যার বলে—ভূষিমাল বেশি খেয়ে নিলাম হে।

    অনুকূল কবরেজ ব্যাগ থেকে একটা মাঝারি বয়াম বের করে বলে—কোনো ভয় নাই । লৌহজারকচূর্ণ এনেছি, খেলে লোহা অবধি হজম হয়। এক মাত্রা করে খেয়ে নাও—

    নিজেও এক মাত্রা খায়। সংস্কৃত স্যার, হাবুল, গোবরা হোঁৎকা আরও অনেকে খায় । কেশব ডাক্তার বলে—ওসবে কি হয়? পালসেটিলা থার্টি খেয়ে নে, ডবল খিদে হবে।

    কবরেজের তেতো-কষা বিস্বাদগুলির চেয়ে ওই মিষ্টি লবেনচুসের মত গুলিই খাই আমরা। অনুকূল কবরেজ বলে— ঠকলে। হাতে হাতে ফল পাবে এর। ওই হনিমুনের গুলিতে কি হবে ? কিসসু না ।

    -খবরদার!

    —অ্যাও! গর্জে ওঠে কবরেজ।

    বিয়ের আসরেই দুজনের বাধে আর কি লড়াই। হঠাৎ কন্যাকর্তাদের কে বলে—রাত হয়েছে। ভোজনপর্ব সেরে নিলে হত না?

    —উত্তম প্রস্তাব। সংস্কৃত স্যারই এসব ব্যাপারে একটু তৎপর। ফলে কবরেজ আর কেশবের লড়াইটা মুলতুবি রইল। খাবার জায়গায় গিয়ে বসা গেল ।

    নাহ্। উত্তম ব্যবস্থা। গরম রাধাবল্লভী, কাশ্মিরী আলুর দম, বিরিয়ানি—তার সঙ্গে গরম মাংসের কারি পাতে পড়েছে। বেশ জমে উঠেছে ভোজনপর্ব। মাংস রিপিট হচ্ছে। হঠাৎ এমন সময় দেখা যায় আর একদল বরযাত্রী উইথ বর এসে গেছে।

    এবার সেই কন্যাকর্তাদের রূপও বদলে যায়। একটু আগেই কত খাতির আপ্যায়ন, এবার গর্জে ওঠে মুশকো সেই কন্যাকর্তা আরও কজন—এটা কি! দল বেঁধে লোক ঠকানো! অ্যাই ন্যাপা—ভূতো—গজু, ঘিরে ফেল সবকটাকে, এক ব্যাটাও যেন পালাতে না পারে। ফাঁকি দিয়ে বরযাত্রী সেজে ঠকিয়ে যাবে হাড়ভাঙা নিকেশপুরে এসে! সব কটার হাড় ভেঙে দফা নিকেশ করে দেব। ওঠো—

    বদন খাঁড়া ওদিকের লাইনে প্রথম কাদা মাখা জামাকাপড় পরে বসেছিল। তার নুড়ো ধরে তুলে সপাটে একটা রদ্দা ঝেড়ে গর্জায় সেই মুগুরের মত চেহারার লোকটা।—তখনই বোঝা উচিত ছিল, ধানখেতের কাদা থেকে উঠে এল কোন ব্যাটা! বরযাত্রী! আবার এক রদ্দায় বদনের বদনই বিগড়ে যায়।

    সংস্কৃত স্যার তিড়িং করে লাফিয়ে নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে বলে—আমাদের খোঁজখবর নিতে দিলেন? সোজা জলখাবারের প্লেট ধরিয়ে দিলেন, আমরাও প্রাপ্তিমানে ভক্ষয়িষ্যৎ-খাইলাম ।

    —চোপ! বিটলে বামুন, ঘাটের মড়া, এখনও নোলা গেল না?

    ম্যানেজার বলে—বিশ্বাস করুন, ভুল হয়ে গেছে। আমরা বরযাত্রীই।

    —তবে এখানে এসে জুটলে কেন?

    অনুকূল কবরেজের কপালে তখনও শকুনের বিষ্ঠা তিলকের মত বিদ্যমান। কবরেজ বলে—ভ্রমপূর্বক। বিশ্বাস করুন।

    সংস্কৃত স্যার বলে—আমরা প্রবঞ্চক নই ।

    ম্যানেজার শোনায়—মাথাভাঙায় আমার মালিক কুমড়োমার্চেন্ট গদাইবাবুর ভাইয়ের বিয়ে। সেখানে যেতে এখানে এসে পড়তে এই কাণ্ড। কিছু বলার অবকাশই দিলেন না ।

    এর মধ্যে অবশ্য বরযাত্রীদের দু’চার জন গজু-ন্যাপার দলের হাতে বেশ দুচার ঘা খেয়েছে। হোঁৎকা কি বলতে গিয়ে তার দেশজ ভাষায় তালগোল পাকাতে তাকেও নাক বরাবর কে একটা ঘুঁষি ঝেড়েছে। গোবরার কপাল আমড়ার মত ফুলেছে, তার সিল্কের পাঞ্জাবি বুকখোলা চাইনিজ শার্টে রূপান্তরিত হয়েছে।

    শেষ অবধি রেহাই পাই অনেক কাকুতি-মিনতির পর। তারাই জানায়-মাথাভাঙা ওই বড়তলা থেকে উত্তরে দেড় মাইল মাঠ পার হয়ে আমরা দক্ষিণে চলে এসেছি পথ ভুলে। ফিরতে হবে আবার সেই বটতলায়।

    কোনোমতে পৈত্রিক প্রাণটা নিয়ে বের হলাম। মাঠ ভেঙে আবার সেই বনঢাকা বটতলায় এসে উত্তরের পথ ধরে যেতে হবে। তবে সেই বিয়েবাড়ি। রাত তখন দুটো বেজে গেছে। মধ্যরাত্রি। যুদ্ধে পরাজিত, বিপর্যস্ত, ছত্রভঙ্গ সৈন্যবাহিনীর মত কোনোমতে ফিরছি। দূরে অন্ধকারে ঘন বটগাছ, জঙ্গলটা দেখা যায়। গাড়ির ভিতর একটা মোমবাতির মত আলো জ্বলছে।

    এবার শুরু হয় আসল বিপর্যয়। পথের ধারে জঙ্গলে কে দৌড়ে সোঁদলো, তারপরেই সংস্কৃত স্যার বলে ওঠে—উদরে তীব্র বেদনা, উঃ! তিনিও দৌড়লেন এদিকের বনে। অন্ধকার চারিদিক। দেখি এতগুলো বরযাত্রীদের অনেকেই এদিক-ওদিক দৌড়চ্ছে।

    হোঁৎকা বলে—জলের বোতল। পরক্ষণেই গর্জে ওঠে—বোতলটা দেহি। ছোঁ মেরে জলের বোতল নিয়ে দৌড়লো সেও, পিছু পিছু গোবরাও।

    বটতলার জঙ্গলে আমরা ক’জন দাঁড়িয়ে আছি। বাকি যে যেদিকে পেরেছে দৌড়েছে। অনুকূল কবরেজও দৌড়েছে। অন্ধকারে বসে পড়ে।

    ঘন জঙ্গল। গাছের উপরে ছোট ছেলের আর্তনাদ, শন শন হাওয়া বয়। ঠান্ডাটাও বোধ হচ্ছে। কোথায় যেন হাসছে কারা ।

    কবরেজ প্রকৃতির ডাকে চোখে অন্ধকার দেখে বসে পড়েছে। হঠাৎ নাকিস্বরে কে বলে— কবরেজ, জলের বোতলটা রেঁখে যাঁও। কবরেজ—

    কার ঠান্ডা হাতের ছোঁয়া। কবরেজ ভাবে, বুঝি বটগাছের ভূত-প্রেতরাই ধরেছে তাকে। আর্তনাদ করে ওঠে কবরেজ—ভূ-ভূ-ভূত! মেরে ফেললো রে—

    ছুটে যাই আমরা। কবরেজ তো ধরাশায়ী আর বদন বলে—ওঁ কঁবরেজ মশাই—আঁমি ।

    মারের চোটে বদনের নাক বিগড়ে এখন নাকি স্বর বের হচ্ছে। সেও প্রকৃতির তাগিদে ঝোপে বসে পড়েছিল। এবার জলের দরকার হতে কবরেজের বোতলটা চাইতেই এই বিভ্রাট। চোখেমুখে জল দিতে কবরেজকে সুস্থ করে তুলতে, উঠেই সে আবার দৌড়াদৌড়ি করছে। এবার কবরেজ চিঁ চিঁ করে বলে–লৌহজারকচূর্ণ মনে করে উৎকৃষ্ট জোলাপের শিশিটাই এনেছিলাম বোধহয়। ওরে বাবা-

    আবার দৌড়লো কবরেজ ঝোপের দিকে। একা কবরেজই নয়, লৌহজারক চূর্ণ যারাই খেয়েছিল তাদের অবস্থা তখন কাহিল।

    এমন সময় হৈ হৈ করে ওদিকের গ্রাম থেকে আলো, লাঠিসোটা নিয়ে এসে পড়ে মাথাভাঙার কুমড়োমামার বেহাইয়ের লোকজন। বরযাত্রীদের গাড়ি পৌঁছায়নি দেখে তারা এইবার খোঁজ নিতে এসে দেখে বরযাত্রীদের ওই অবস্থা। ঘন ঘন ঝোপের দিকে দৌড়চ্ছে তো দৌড়চ্ছেই। আর নতুন করে বরযাত্রী যাবার তাগদ তাদের নেই।

    কেশব ডাক্তার কিছু জরুরি ওষুধ সঙ্গে নিয়ে গেছল, তাই দিচ্ছে সকলকে। হোঁৎকাও খায়। অনুকূল কবরেজও বলে—তাই দে কেশব। জয়পালের মাত্রাটা জোলাপে বেশি হয়ে গেছে-উঃ। আবার দৌড়ায় সে।

    সংস্কৃত স্যার কিছুটা সামলে বলে—আর বরযাত্রী যাইতে পারিব না। মাপ করিতে আজ্ঞা হয়। সংস্কৃত স্যার একটা সিটে এলিয়ে পড়েছে। প্রায় সকলের ওই অবস্থা। বদনের তো পেটে-নাকে দুদিকেই যন্ত্রণা ।

    ভোর হয়ে আসছে। পাখিদের ঘুম ভাঙে। সারা মাঠ আলোয় ভরে ওঠে। কন্যাপক্ষ নিয়ে যাবেই। বরযাত্রী বলে কথা! ড্রাইভার বলে-হকো অন্নপ্রাশনের ট্রিপ লে যানে হোগা বারো বাজে। অব যায়েগা হম্ কলকাতা। যানা হ্যায় তো চলো–নেহি তো হম গাড্ডি লেকে ভাগেগা ।

    বিয়ের আসরে আর যাওয়াই হল না। ভূতুড়ে বটতলা থেকেই ফিরে এলাম। কারো আর সাড়াশব্দ নেই।

    সংস্কৃত স্যার বলে—বরযাত্রী কদাপি যাওয়া উচিত নয়। যাহারা বাপের কুপুত্র তাহারাই যায় বরযাত্রী। সুপুত্রেরা ওই কর্ম কদাপিও করে না ।

    তবু অনুকূল কবরেজ বলে – কি কেশব, ওষুধ আমি খাঁটিই তৈরি করি দেখলি তো? নেহাত অদল-বদল হয়ে গেছল, তাই। এ তোর ঘুমন্ত হনিমুন হোমিওপ্যাথি নয়, জীবন্ত ওষুধ । বুঝলি। তাই এই হাল !

    অবশ্য গোবরার কুমড়োমামা বৌভাতে এই খামতিটা পুষিয়ে দিয়েছিল। দারুণ খাইয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }