Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প96 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পথের কাঁটা – ২

    ২

    দিনতিনেক পরে কৌশিক এসে বাসু-সাহেবকে বলল, বরাতে নেই কো ঘি, ঠক্‌ঠকালে হবে কী? আপনি এমন একটি শাঁসালো মক্কেল পাঠালেন আমার কাছে, অথচ সেটা বুমেরাঙের মতো আবার আপনার হাতেই ফিরে এল।

    —কী হল আবার? কোন্ কেসটা?

    —ঐ যে লোহার দালাল জগদানন্দের ব্ল্যাকমেলের কেসটা। নীলিমা দেবী দিন তিনেক আগে আমাকে এনগেজ করলেন। সবে জাঁকিয়ে তদন্ত শুরু করেছি, আজ এসে বলছেন ওটা স্থগিত রাখতে।

    —কেন? সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে?

    —তাই অনুমান করা যাচ্ছে। এবার ওঁরা এসেছেন আপনার সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করতে। জগদানন্দ একটি দলিল তৈরি করতে চান আপনার পরামর্শ মতো। আন্দাজ করছি— ব্ল্যাকমেলারের সঙ্গে টাকায় খেসারত দিয়ে ব্যাপারটা মিটিয়ে নিতে চান।

    —এবারও কী ওরা যুগলে এসেছে? কোথায়?

    —আমার অফিসে বসিয়ে রেখে এসেছি, দু’জনকেই।

    —ঠিক আছে, পাঠিয়ে দাও—না, সঙ্গে করে নিয়ে এস।

    একটু পরে কৌশিক ওদের দু-জনকে নিয়ে ঢুকল। জয়দীপ নমস্কার করে বলল, আপনার লাইব্রেরি ঘরটা খোলা আছে নিশ্চয়ই?

    বাসু-সাহেব বললেন, এবার আর তার দরকার হবে না। সেবার কেসটা জানতাম না। তাই আমার ক্লায়েন্টের স্বার্থে আপনাকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলাম; কিন্তু আমার ক্লায়েন্ট তাতে ক্ষুণ্ণ হয়ে জানিয়েছেন যে, আপনি তাঁর কাছের মানুষ! বসুন আপনিও।

    নীলিমা চেয়ারে গুছিয়ে নিয়ে বসে। বলে, আজ কিন্তু আমি আপনার ক্লায়েন্ট নই। আমি ক্লায়েন্টের তরফে কথা বলতে এসেছি। আমি দূতমাত্র। ফলে আজ নিশ্চয়ই আপনার বাক্যবাণে বিদ্ধ হব না। দূত মাত্রেই অবধ্য। বাসু হেসে বলেন, হ্যাঁ দূত মাত্রেই অবধ্য।

    সেদিন অত করে অনুরোধ করলাম, তবু আজও রাগ পুষে বসে আছ। যাই হোক বল, কী খবর?

    —আপনার নিমন্ত্রণ! আজ সন্ধ্যা সাতটা পাঁচের পর থেকে সাতটা পঁয়তাল্লিশ, কিম্বা আগামিকাল বেলা এগারোটা সতের গতে—

    —এ হপ্তায় এ-দুটিই বিবাহের লগ্ন আছে বুঝি?

    —বিবাহ! কার?

    —তবে এগারোটা সতের গতে কিসের নিমন্ত্রণ?

    বুঝিয়ে বলে নীলিমা। জগদানন্দ পঞ্জিকা মেনে চলেন। ঐ দুটি সময় হচ্ছে তাঁর ঠিকুজি-কুষ্ঠি অনুসারে শুভ লগ্ন। ঐ সময়েই তিনি একটি জরুরি দলিলে সই দিতে চান। তার পূর্বে পি.কে.বাসু বার অ্যাট ল. যদি অনুগ্রহ করে দলিলটা দেখে নেন, তবে জগদানন্দ কৃতকৃতার্থ থাকবেন। শুধু দলিলের যথার্থ নয়, উকিল হিসাবে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্যই নয়—ঐ সঙ্গে তিনি কিছু আইনঘটিত পরামর্শও নিতে চান। জগদানন্দ উনআশি বছরের বৃদ্ধ হলেও এখনও কিছু চলচ্ছক্তিহীন নন—তিনি নিজে আসতে পারেন। তবে বাসু-সাহেব তাঁর বাড়িতে গেলেই উনি খুশি হবেন।

    সব শুনে বাসু-সাহেব বলেন, দলিলটা কিসের তা আন্দাজ করতে পারছ?

    —না। তবে বাড়িতে আরও একজন অতিথি বেড়েছেন। উকিল বিশ্বম্ভর রায়। তিনি মহেন্দ্রবাবুরই অতিথি। ফলে আমাদেরও।

    —এত উকিল থাকতে হঠাৎ আমাকে কেন? তোমরা ‘সাজেস্ট’ করেছিলে?

    —না। দাদুর সলিসিটার ছিলেন ব্যারিস্টার এ.কে. রে-র অ্যাটর্নি ফার্ম। রে-সাহেব অবসর নিয়েছেন। উনিই নাকি আপনার নাম দাদুকে বলেছেন

    —ঠিক আছে। আমি আজই সন্ধ্যার পর যাব। কৌশিকও থাকবে আমার সঙ্গে। তোমাদের ঠিকানা এবং টেলিফোন নাম্বারটা দিয়ে যাও।

    —তা দিচ্ছি। আপনারা কিন্তু ঘুণাক্ষরেও তাঁকে জানাবেন না যে, আমরা ইতিপূর্বে আপনাদের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। আজই আপনাদের সঙ্গে আমাদের দু-জনের পরিচয় পূর্বকথা আপনি কিছুই জানেন না।

    —বুঝলাম। আচ্ছা তোমার দাদু বোধহয় হাঁচি-টিক্‌টিকি পাঁজিপুঁথি মেনে চলেন?

    —তা চলেন। এজন্য মাহিনা-করা একজন গ্রহাচার্যও আছেন তাঁর। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ আমাদের জন্মপত্রিকায় বাঁধা!

    .

    —সন্ধ্যার পর বাসু-সাহেব নিজেই ড্রাইভ করে কৌশিককে নিয়ে এলেন। বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে প্রকাণ্ড হাতাওয়ালা দ্বিতল বাড়ি। সাবেক ডিজাইন। দু-খানি ঘর বর্তমানে দখল করেছেন মহেন্দ্র-কাম-বিশ্বম্ভর পার্টি। দ্বিতলে দক্ষিণের বড় ঘরখানা কর্তামশায়ের। ঠিক তার বিপরীতে নীলিমার ঘর।

    গাড়িটা পোর্চে এসে দাঁড়াতেই নেমে এল নীলিমা। বললে, আসুন। দাদু আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছেন। গাড়ি থেকে নামতেই কৌশিকের নজর হল দ্বিতলের একটা ঘরের বন্ধ-জানলার খড়খড়ি হঠাৎ উঁচু হয়ে উঠল। না দেখলেও তার ওপাশে দু-জোড়া কৌতূহলী চোখ যে তীব্র আগ্রহ নিয়ে ওদের লক্ষ্য করছে সেটা বুঝতে অসুবিধে হল না কৌশিকের। মার্বেল পাথরে বাঁধানো চওড়া করিডর, প্রশস্ত সিঁড়ি। জানলা-দরজা, সিঁড়ির হাতল সবই পালিশ করা বর্মা সেগুনের। তা তো হবেই। বাড়িটি যে-আমলের তখন বুড়ো কর্তা ছিলেন বর্মা-টিকের রাজা।

    জগদানন্দের দ্বিতলের ঘরটি প্রকাণ্ড। ইটালিয়ান-মার্বেলের সাদা-কালো চৌখুপিকাটা মেজে। ঘরের আসবাবপত্র মধ্য-ভিক্টোরীয় যুগের। সবই পালিশ-করা বর্মা সেগুন। ঘরের একদিকে ডবল বেড খাট। এ পাশে শ্বেতপাথরের নিচু টেবিল ঘিরে সোফা-সেট। ও পাশে আয়না-বসানো কাঠের আলমারি, বইয়ের র‍্যাক। এত আসবাবেও ঘরটা ফাঁকা-ফাঁকা লাগছে—মাপে সেটা এতই বড়।

    পর্দা সরিয়ে ওঁরা প্রবেশ করতেই যুক্তকরে ওঁদের অভ্যর্থনা করলেন গৃহস্বামী। দেখলে মনে হয় না তাঁর বয়স উনআশি। বরং ষাটের ঘরে বলে মনে হয়। মাথার চুল ধপধপে সাদা, গালে খাঁজও পড়েছে—কিন্তু একেবারে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছেন। ঘরের ভিতর চলাফেরা করছেন। বিনা লাঠিতে। ঊর্ধ্বাঙ্গে একটি সামারকুল গেঞ্জি, পরনে কোঁচানো ধুতি। বাঁ-হাতে একাধিক কবচ ও মাদুলি। দু-হাতে সর্বসমেত গোটা-পাঁচেক আংটি। প্রবাল, পোখরাজ, নীলা—একটা বোধহয় হীরাও। অলঙ্করণের গূঢ় উদ্দেশ্য অবশ্য গ্রহশান্তির প্রয়োজনে।

    আপ্যায়ন করে গৃহস্বামী ওঁদের বসালেন। তাঁর নির্দেশে নীলিমা একটি শৌখিন কাজ-করা কাঠের বাক্স এনে রাখল শ্বেতপাথরের টেবিলে। ডালাটা খুলে দেওয়ায় দেখা গেল তার ভিতর আছে চুরুট, সিগারেট, দেশলাই এবং ভাজা-মশলা—বিভিন্ন খোপে।

    বাসু-সাহেব বললেন, ধন্যবাদ। আমি পাইপ খাই।

    গৃহস্বামী বললেন, আপনার নাম আমার জানা ছিল। কাগজে কয়েকটি বিচিত্র ফৌজদারি মামলায় আপনার নাম দেখেছি! পরিচয় ছিল না। আমার আইনঘটিত পরামর্শ এককালে দিতেন ব্যারিস্টার এ.কে.রে। গত বিশ বছরের ভিতর আর আইন-ঘটিত কোনো পরামর্শ নেবার প্রয়োজনই হয়নি। রে-সাহেব আমার চেয়ে বছর দুয়েকের বড়ই হবেন। কিন্তু বুড়িয়েছেন আমার চেয়ে অনেক বেশি। তিনিই আপনার নাম করলেন, কিন্তু এঁকে তো—

    —ও আমার সহকারী। নাম কৌশিক মিত্র। আমার কনফিডেন্সিয়াল কাজকর্ম ওই

    দেখাশোনা করে। আমার সামনে যা বলতে পারেন, তা ওর সামনেও বলতে পারবেন।

    —না না, গোপন ব্যাপার তেমন কিছু নয়। একটা সাদামাটা দলিল। আচ্ছা নীলুদিদি—তুমি একটু জলখাবারের আয়োজন করো—আমি ততক্ষণ এঁকে বৈষয়িক ব্যাপারটা বোঝাই।

    বাসু-সাহেব আপত্তি জানান, না না, জলখাবারের প্রয়োজন নেই-

    গৃহস্বামী যুক্তকরে বলেন, প্রয়োজনটা আপনার নয়, আমার। অতিথি যদি মুখে কুটোটি না কাটেন গ্রহ কুপিত হন। গৃহস্থের অকল্যাণ হয়!

    বাসু-সাহেব শ্রাগ করলেন। নীলিমা চলে গেল।

    জগদানন্দ একটি চেয়ারে ঘনিয়ে এসে বসলেন। বললেন, ব্যাপারটা সামান্য। অনেক অনেকদিন আগে আমি আমার একজন ম্যানেজারকে কর্মচ্যুত করেছিলাম। তা, ধরুন পঁচিশ বছর আগে। চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কারণটা হচ্ছে এই যে, আমি মনে করেছিলাম তিনি তহবিল তছরুপ করেছেন। তাঁকে আমার জেনারেল পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দেওয়া ছিল। আমার অজ্ঞাতে তিনি কিছু সম্পত্তি বেচে দেন এবং টাকাটা আমার অ্যাকাউন্টে ঠিক মতো জমা দেন না। সেটা যখন আমি টের পেলাম তখন তাঁকে ডেকে তাঁর কৈফিয়ত তলব করলাম। উনি সন্তোষজনক কৈফিয়ত পেশ করতে পারেননি। ফলে, তাঁকে বরখাস্ত করি। আজ পঁচিশ বছর পরে তিনি ফিরে এসে প্রমাণ দাখিল করছেন যে, তিনি আদৌ কোনও তহবিল তছরুপ করেননি। তাঁর কৈফিয়ত এখন আমি মিলিয়ে দেখেছি—বুঝেছি আমারই অন্যায় হয়েছিল। এজন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে তিনি পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করেছেন। আমি সেটা তাঁকে দিতে রাজি হয়েছি। এই ক্ষতিপূরণটা একটা লেখাপড়ার মাধ্যমে আমি করতে চাই—যাতে ঐ দাবি নিয়ে ম্যানেজার ভদ্রলোক আবার না পরে একদিন এসে হাজির হন। আপনাকে তার একটা ড্রাফট করে দিতে হবে। নিজে উপস্থিত থেকে এবং মধ্যস্থ হয়ে এই ব্যাপারটা চুকিয়ে দিতে হবে।

    —বুঝলাম। এবার একটু বিস্তারিত করে বলুন।

    জগদানন্দ যেটুকু বিস্তার করলেন তাতে প্রকাশ পেল—দাবিদারের নাম, বোঝা গেল তিনি এ বাড়িতেই বর্তমানে আছেন। একা নন, স-উকিল। এর বেশি কিছু ভাঙলেন না তিনি।

    বাসু বলেন, পঞ্চাশ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ খুব বেশি হয়ে যাচ্ছে না?

    —না, যাচ্ছে না। উনি যখন বরখাস্ত হন তখন ওঁর মাসিক বেতন ছিল চারশ’ টাকা। বয়স ছিল চৌত্রিশ। উনি যদি ঐ বেতনেই পঞ্চাশ বছর পর্যন্ত আমার কাছে চাকরি করতেন তবে তাঁর পাওনা হত সওয়া একলাখ টাকা। অ্যানুইটির হিসাব করলে আজ পঁচিশ বছরে তাঁর হয়তো লাখ দুই টাকা দাঁড়াবে।

    বাসু বলেন, তা হতে পারে। কিন্তু তিনি তো কাজ করেননি আপনার ম্যানেজার হিসাবে। আপনার ঐ ফর্মুলা অনুসারে হিসাব করলে দেখতে হবে চারশ’ টাকার মাইনের চাকরি হারিয়ে বাস্তবে উনি কত রোজগার করেছিলেন। ধরুন যদি তিনি তখনই একটা তিনশ টাকা মাইনের চাকরি ধরেন, তাহলে তাঁর মাসিক লোকসান হয়েছে একশ’। আপনার হিসাবমত তাঁর ক্ষতির নোট পরিমাণ প্রায় ত্রিশ হাজার টাকায় নেমে আসে।

    জগদানন্দ একটি চুরুট ধরিয়ে বললেন, টাকাটা যখন আমি দিতে রাজি তখন আর আপনার আপত্তি কিসের?

    —আপত্তি এইজন্য যে, আমার মনে হচ্ছে আপনি সব কথা বলছেন না—বেশ কিছু গোপন করছেন।

    একমুখ ধোঁয়া ছেড়ে জগদানন্দ বলেন, ধরা যাক, আপনার কথাই সত্য। তাতেই বা আপনার আপত্তি কী? আপনি তো ক্ষতিপূরণের একটা দলিলের মুসাবিদা করে দেবেন শুধু।

    বাসু-সাহেব বললেন, সে-ক্ষেত্রে আপনি রাম-শ্যাম-যদুকেই বা ডেকে পাঠালেন না কেন? এমন মামুলি দলিল তো যে-কোনো উকিল তৈরি করে দিতে পারে আপনাকে। তার জন্য ব্যারিস্টার এ.কে. রে-র শাগরেদকে এগিয়ে আসতে হবে কেন?

    জগদানন্দ চোখ বুজে মিনিটখানেক কী-যেন ভেবে নেন। তারপর বলেন, ডাক্তারের কাছে রোগ আর সলিসিটারের কাছে আইনের ফাঁক গোপন করতে নেই। কিন্তু ব্যতিক্রম আছে বলেই না নিয়মটাকে নিয়ম বলে মানি? এখানে আমাকে কিছু গোপন করে যেতে হচ্ছে—আমি স্বীকার করছি—কিন্তু কী গোপন করছি তা আমি স্বীকার করতে পারি না। না, আপনার কাছেও নয়।

    বাসু পাইপটা নিয়ে নাড়াচাড়া করতে করতে বলেন, অর্থাৎ প্রকারান্তরে আপনি স্বীকার করলেন ঐ মহেন্দ্র এসেছে আপনাকে ব্ল্যাকমেল করতে—এবং আপনি তার হাত থেকে রেহাই পেতে চান?

    –ধরুন তাই।

    —এ ক্ষেত্রে আপনি স্বতঃই চাইবেন ক্ষতিপূরণের দলিলটা এমনভাবে প্রস্তুত হোক যাতে ঐ লোকটা টাকা পাওয়ার পরেও যেন আপনাকে এসে শোষণ করতে না পারে। কেমন তো?

    স্বাভাবিক অনুসিদ্ধান্ত।

    —সে-ক্ষেত্রে আপনার গোপন তথ্যটা কী, তা না জানলে আমি কেমন করে আপনাকে রক্ষা করব?

    —মাপ করবেন—সেটা আমি বলব না, বলতে পারি না।

    —ধরুন আপনি যৌবনে একটা খুন করেছিলেন—আজ পঁচিশ বছর পরে মহেন্দ্র এসেছে সেই খুনের একটা অকাট্য প্রমাণ নিয়ে। আপনি ক্ষতিপূরণ দিয়ে তো মার্ডার-চার্জ থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন না।

    জগদানন্দ হেসে বলেন, আপনার উদাহরণটা ভুল। যৌবনে আমি কোনো খুন করিনি—তার অকাট্য প্রমাণটাও নিয়ে নেব—মানে যদি আপনার উদাহরণটাই সত্য হয়।

    —কারেক্ট! কিন্তু তার একটা ফটোস্ট্যট কপি ওর কাছে থেকে যেতে পারে।

    ভ্রুকুঞ্চিত হয় জগদানন্দের। অনেকক্ষণ নীরবে ধূমপান করেন তিনি। তারপর মনস্থির করে বলেন, না। সে রিস্ক আমিই নেব। আপনাকে বলা যাবে না।

    —এ-ক্ষেত্রে আমি আপনার কেসটা নিতে পারি না।

    জগদানন্দ বিচিত্র হাসি হেসে বললেন, তাহলে এ আলোচনার এখানেই শেষ। আমি অন্য কোনো উকিলের সন্ধানই করব। আপনার ভিজিটটা এনে দিই। আর আমার যুক্তকর নিবেদন—জলখাবারটা আপনাদের খেয়ে যেতে হবে।

    জগদানন্দ উঠে গেলেন। আলমারি খুলে একটি চেকবই বার করে আনলেন। বাসু বলেন, দাঁড়ান। আপনাকে কয়েকটা প্রশ্ন করি আগে। জবাব না দিতে চান দেবেন না, কিন্তু জবাবে যেটুকু বলবেন তা সত্য করেই বলবেন।

    কৌতুক উপচে পড়ল জগদানন্দের দু-চোখে। বলল, সওয়াল-জবাবের মাধ্যমে রহস্য উদঘাটন! বেশ! করে দেখুন; কিন্তু সেটা পণ্ডশ্রম হবে মিস্টার বাসু! আমি ঘাঘু ব্যবসায়ী। এই করে চুল পাকিয়েছি। ও-ভাবে আমার পেটের কথা আপনি বার করতে পারবেন না।

    বাসু-সাহেব সে কথায় কর্ণপাত না করে বললেন, আপনি বর্মা থেকে শেষ কবে ফিরে এসেছিলেন?

    —ওরে বাবা! সে তো বহু-বহুদিন আগে। উনিশ’শ পঁচিশে। সদু—মানে নীলুর বাবা তখন দু-বছরের। তারপর আমি আর বর্মায় যাইনি।

    —সদানন্দবাবুই বড় হয়ে বর্মার কাজ দেখাশোনা করতে যেতেন?

    —না। বর্মার কাজ দেখাশোনা করতেন আমার সেখানকার ম্যানেজার য়ু সিয়াঙ। সদানন্দ একবারই মাত্র বর্মায় যায়, মানে তার সেই ছেলেবেলার কথা বাদ দিলে। ওর জন্ম ওখানেই।

    —একবারই যান, মানে ঐ বিজসেন গুটিয়ে নিতে—সবকিছু বেচে দিয়ে আসতে?

    —হ্যাঁ। জাপান বিশ্বযুদ্ধে নেমে পড়ার আগেই আমার আশঙ্কা হয় এমন একটা কিছু ঘটতে পারে। ঐ সময়ে লোহার ব্যবসায়ে আমার টাকারও প্রয়োজন ছিল প্রচুর। তাই সদুকে স্পেশাল পাওয়ার-অফ্ অ্যাটর্নি দিয়ে বর্মায় পাঠিয়ে দিই, মাসখানেক সে ওখানে ছিল। সব কিছু বিক্রি করে ব্যাঙ্ক ড্রাফট নিয়ে সে ফিরে আসে।

    —কত টাকায় বর্মার সম্পত্তি বিক্রি হয়?

    —ঘর-বাড়ি, স্টক এবং গুড-উইল সমেত প্রায় সত্তর হাজার টাকায়।

    —ব্যাঙ্ক-ড্রাফটের নাম্বারটা আমায় দিতে পারেন?

    —কী হবে সে নম্বর দিয়ে?

    বাসু মাথা ঝাঁকিয়ে বলেন, এমন শর্ত তো ছিল না সেন-মশাই। আপনার কোনো প্রতিপ্রশ্ন করার অধিকার নেই। হয় সত্য জবাব দেবেন, অথবা জবাব দিতে অস্বীকার করবেন।

    জগদানন্দ হাসলেন। বললেন, ঠিক কথা। ব্যাঙ্ক-ড্রাফট-এর নম্বরটা আপনাকে দিতে পারি। এখনই চান?

    —ইয়েস।

    জগদানন্দ তাঁর কাঠের আলমারিটা খুললেন। মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই পুরাতন ইনকাম-ট্যাক্স ফাইল হাতড়ে নম্বরটা দাখিল করলেন। ব্যাঙ্ক অফ বর্মা ড্রাফ্‌ট্ দিচ্ছেন কলকাতার লয়েডস্ ব্যাঙ্কের উপর। টাকার অঙ্ক একাত্তর হাজার পাঁচশ বত্রিশ টাকা তিন আনা। তারিখ আঠারোই মে, 1940। বাসু-সাহেব নোটবুকে টুকে নিলেন। তারপর বললেন, ঠিক আছে। আমি আপনার কাজটা করবার দায়িত্ব নিচ্ছি। ড্রাফট আমি করে দেব। এবার বরং মহেন্দ্রবাবু এবং বিশ্বম্ভরবাবুকে ডেকে পাঠান।

    জগদানন্দ বললেন, গোপন তথ্যটা না জেনেই রাজি হলেন?

    —ওটা তো কালকেই জানতে পারব। ব্যাঙ্ক খুললেই।

    হো হো করে হেসে উঠলেন জগদানন্দ। বললেন, আপনার আশা যে, মহেন্দ্ৰ আমাকে কী সূত্রে ব্ল্যাকমেল করছে তা আপনাকে জানিয়ে দেবে লয়েডস্ ব্যাঙ্ক

    বাসু কঠিন স্বরে বললেন, আগামিকাল এই সময় এসে সেটা অন্তত আমি আপনাকে জানিয়ে যাব। এবার ডাকুন ওঁদের।

    জগদানন্দ স্থির হয়ে কয়েক মুহূর্ত একদৃষ্টে দেখতে থাকেন বাসু-সাহেবকে। তারপর মাথা নেড়ে বললেন, অসম্ভব বাসু-সাহেব। আই অ্যাকসেপ্ট য়োর চ্যালেঞ্জ। পঁচিশ বছর সময় লেগেছে মহেন্দ্রর—তাও সে আমার নাড়ি-নক্ষত্ৰ জানত। আপনার পক্ষে এটা অসম্ভব!

    বাসু-সাহেব ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বললেন, আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে। অল্প পরেই এলেন মহেন্দ্র আর বিশ্বম্ভরবাবু

    মহেন্দ্রবাবুর বয়স ষাটের কাছাকাছি। এক মাথা কাঁচা-পাকা কদম-ছাঁট চুল। ঝোলা গোঁফ, আর ঘন ভ্রু। চোখে সন্ধানী দৃষ্টি। দেখলেই বোঝা যায় লোকটা ধূর্ত এবং সাবধানী। অপর পক্ষে বিশ্বম্ভরের বয়স চল্লিশের কাছাকাছি। রীতিমত হৃষ্টপুষ্ট—মোটাই বলা চলে। চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা। কাপড়-জামায় দেহের যেটুকু ঢাকা পড়েনি সেখানে মেদের বাহুল্য নজরে পড়ে। জগদানন্দ ওঁদের পরিচয় করিয়ে দিলেন। মহেন্দ্র হাত তুলে নমস্কার করল। বিশ্বম্ভর একটা কাগজে নিবদ্ধ দৃষ্টি থাকার অজুহাতে নমস্কার করার হাত এড়ালো। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই ওঁরা আলোচনায় ডুবে গেলেন।

    কিন্তু বেশিদূর অগ্রসর হওয়া গেল না। মতদ্বৈধ দেখা দিল। বিশ্বম্ভর একটি ড্রাফট্ করে এনেছিলেন—সেটাই হল আলোচনার মূল সূত্র। বাসু-সাহেব বললেন, না, ঐ সঙ্গে মহেন্দ্রবাবুকে বলতে হবে তিনি জগদানন্দের ওয়ারিশদেরও ভবিষ্যতে ঐ দাবি নিয়ে বিব্রত করতে পারবেন না।

    বিশ্বম্ভর বললেন, মামলা হচ্ছে এমপ্লয়ার আর এমপ্লয়ির মধ্যে—এর ভিতর ওয়ারিশদের প্রসঙ্গ আসবে কী করে?

    —সেটা আমাদের বিবেচ্য। ওঁকে দ্বিতীয়ত লিখে দিতে হবে—কোনো অজুহাতেই তিনি জগদানন্দ অথবা তাঁর ওয়ারিশদের কাছে কোনো দাবি নিয়ে কোনোদিন উপস্থিত হবেন না।

    বিশ্বম্ভর চটে উঠে বললে, এ যে অন্যায় দাবি করছেন মশাই! অতীতে আমার মক্কেলের প্রতি যে অন্যায় করা হয়েছে এখন তারই ফয়সালা করছি আমরা। ভবিষ্যতে জগদানন্দবাবু যদি আমার মক্কেলের প্রতি নতুন কোনো অন্যায় করেন, তবে তাঁকে মুখ বুজে সয়ে যেতে হবে?

    বাসু-সাহেব বললেন, তৃতীয়ত ওঁকে আরও স্বীকার করতে হবে যে, ভবিষ্যৎ অনুসন্ধানে যদি পুনরায় প্রমাণিত হয় যে, আমার মক্কেল জগদানন্দ বুঝতে পারেন আপনার মক্কেল মহেন্দ্রবাবু সত্যই তহবিল তছরুপ করেছিলেন তাহলে তদানীন্তন ব্যাঙ্ক-রেট সুদ সমেত ঐ পঞ্চাশ হাজার টাকা মহেন্দ্রবাবু প্রত্যর্পণের জন্য বাধ্য থাকবেন!

    বিশ্বম্ভর উঠে দাঁড়ান চেয়ার ছেড়ে। বাসু-সাহেবকে ডিঙিয়ে জগদানন্দকে বলেন, আপনি যদি ফয়সালা করতে না চান সেটা সম্পূর্ণ পৃথক কথা। আমরা অন্য পন্থার আশ্রয় নিতে বাধ্য হব। ইনি যা দাবি করছেন তা অযৌক্তিক। অন্তত গতকাল এসব ফ্যাকড়া আপনি তোলেননি।

    জগদানন্দ বলেন, আচ্ছা আপনারা একটু অপেক্ষা করুন। আমি ওঁকে বুঝিয়ে বলছি।

    বাসু-সাহেবকে নিয়ে জগদানন্দ চলে গেলেন পাশের ঘরে। বললেন, এসব ফ্যাকড়া তুলছেন কেন?

    —স্বাভাবিক কারণে। ধরুন যদি খেসারতের টাকাটি নিয়ে ও আবার আসে। আপনার যে গোপন ব্যাপারটা আছে সেটা প্রকাশ করে দেয়—প্রমাণ না-ই করতে পারুক স্ক্যান্ডাল ছড়াবার চেষ্টা করে তখন একটা ‘শো-ডাউন’ অনিবার্য হয়ে পড়বে। তখন মামলা করে ওর কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা আপনি দাবি করতে পারবেন। সে-টাকা আদায় হবে না, কিন্তু সেই ভয়ে ও স্ক্যান্ডালটাও ছড়াতে সাহস পাবে না।

    জগদানন্দ ব্যাপারটা ভেবে দেখেন। একটু পরে বলেন, আপনার যুক্তি ঠিক; কিন্তু এসব শর্ত তো আমি আগে আরোপ করিনি, এখন ওরা শুনতে চাইবে কেন?

    —এক কাজ করুন। ওদের কাছে একদিন সময় চেয়ে নিন। কাল এসে একটা ফয়সালা করা যাবে। কাল সন্ধ্যায়, এই একই সময়ে।

    জগদানন্দ বিচিত্র হেসে বললেন, কেন বলুন তো? আপনি কি সত্যিই আশা রাখেন যে, কাল সন্ধ্যার মধ্যেই লয়েডস্ ব্যাঙ্ক থেকে জেনে আসবেন রহস্যের সন্ধান?

    —তাই আশা করছি। মোট কথা একদিন সময় আপনি চেয়ে নিন শুধু।

    তাই নেওয়া হল। বিশ্বম্ভর গজগজ করতে করতে উঠে গেল।

    মহেন্দ্র কিন্তু যাবার সময় সবিনয় নমস্কার করে গেল তার প্রাক্তন মনিবকে এবং তাঁর সলিসিটারকে।

    জলখাবার খেতে বসে শুরু হল খোশগল্প। বাসু-সাহেব বলেন, সেন-মশাই, আপনার নাতনিটিকে আমার খুব পছন্দ হয়েছে। বেশ তেজি মেয়ে।

    নীলিমা দাঁড়িয়েছিল সামনেই। জগদানন্দ তার পিঠে একটা স্নেহের চাপড় মেরে বলেন, হবেই তো! ওর জন্ম যে সিংহরাশিতে!

    —তাই নাকি! সিংহরাশিতে জন্ম হলে বুঝি খুব তেজি হয়?

    হা-হা করে হেসে ওঠেন জগদানন্দ। বলেন, না, জ্যোতিষচর্চা অত সহজ নয়; ওটা একটা রসিকতা করছিলাম। তবে নীলু-মা একটি ক্ষণজন্মা মেয়ে—যাকে বলে লগন-চাঁদা! ওর লগ্নে রবিও আছে কিনা! মুশকিল হয়েছে ওর নবমে শনি রয়েছেন— তারপর হঠাৎ বাসু-সাহেবের দিকে ফিরে বললেন, আপনি জ্যোতিষ মানেন? বাসু বলেন, গণিত জ্যোতিষ মানি, ফলিত জ্যোতিষ মানি না।

    —আপনার কী রাশি?

    —আমি নিজেই তা জানি না। ও সব রাশিচক্র তিথি-নক্ষত্র আমি বুঝিই না।

    জলখাবার খেয়ে বৃদ্ধের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ওঁরা নিচে নেমে এলেন। নীলিমা ওঁদের গাড়িতে তুলে দিতে এল। বাসু-সাহেব হঠাৎ প্রশ্ন করেন, নীলিমা, তোমার জন্মবারটা কী বল তো?

    —জন্মবার দিয়ে কী হবে? সোমবার!

    বাসু বলেন, এমনিই কৌতূহল হল জানতে! আচ্ছা চলি!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরূপমঞ্জরী – ১ম খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }