Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প809 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পথ ও পথিক – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    পথ ও পথিক

    জীবনে একটা কিছু ধরতে না পারলে বড় ফাঁকা, নির্জন, নিঃসঙ্গ। এখন প্ৰশ্ন হলো, কী ধরা? কাকে ধরা? শেখভের ‘বোরিং স্টোরি’র সেই নায়ককে মনে পড়ছে। মেডিসিনের বিখ্যাত অধ্যাপক। যৌবনে যখন ক্লাস নিতেন তখন ছাত্ররা উদগ্রীব হয়ে অধ্যাপকের প্রতিটি কথা শুনত। ক্লাসে পিন পড়ার শব্দ শোনা যেত। বক্তৃতার এমনি আকর্ষণ। অধ্যাপকের সুন্দরী স্ত্রী। একমাত্র সুন্দরী কন্যা। যশ, খ্যাতি, অর্থ, বিত্ত। অভাব নেই কোনকিছুর। ধীরে ধীরে বয়স বাড়ল। সংসার সরে গেল দূরে। অধ্যাপনায় জড়তা এল। ছাত্রদের ওপর আর সেই আকর্ষণী ক্ষমতা নেই। অধ্যাপকের জীবনের শেষ হাহাকার—’আমি কি নিয়ে বাঁচব! কি ধরে বাঁচব! ধরার মতো একটা মজবুত বিশ্বাসও তৈরি করতে পারিনি।’

    ঈশ্বরের প্রয়োজন নেই। ধর্মকর্ম! সাবেকি ব্যাপার। নিউক্লিয়ার যুগে অচল। ঠিক আছে, ধার্মিক হবারও প্রয়োজন নেই। যাহা চায় প্রাণ, তাই না হয় করা গেল। তারপর! সকলেই আমরা চলছি। চলার অভ্যাসেই চলা। আমাদের কৃতকর্মের ফসল তুলতে তুলতে সময়ও আসছে পিছু পিছু। গড়ে উঠছে ইতিহাস। শতাব্দীর অধ্যায়ে সব জমা পড়ছে। গৌরব, অগৌরব সবই তোলা থাকছে উত্তরকালের জন্যে। আমাদের হয়তো কোন প্রশ্ন নেই! প্রয়োজন নেই জানার—যাচ্ছি কোথায়? একবারও ভাবব না, After follows before অথবা which is today, tomorrow will be yesterday; কিন্তু মানবধারায় যারা আমাদের পিছনে আসছে তারা যখন দেখবে অনুসরণের ফল হলো, ওয়াইল- ডারনেসে মুক্তি, তখন মৃত্যুর পরেও চিত্রপটের গলায়, ফুলের বদলে জুতোর মালা ঝুলবে। “অন্ধেনৈব নীয়মানাঃ যথান্ধাঃ।”

    ঈশ্বরে বিশ্বাস না থাক, বেঁচে থাকায় মনে হয় সকলেরই বিশ্বাস আছে। তা নাহলে মরতে আমরা এত ভয় পাই কেন? বাঁচতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন পরিবারের, প্রয়োজন সমাজের, প্রয়োজন সামাজিক শৃঙ্খলার। এসবই হলো জীবনের বাইরের ব্যাপার। এইবার পেট যেমন আহার চায়, দেহ যেমন পুষ্টি চায়, জিভ যেমন স্বাদ চায়, চোখ যেমন সুন্দর দৃশ্য দেখতে চায়, কান যেমন সুর খোঁজে, দেহ যেমন সুখ খোঁজে, মন তেমনি জানতে চায়। মনও আহার খোঁজে। শিক্ষা চাই, সংস্কৃতি চাই। ভোগের জন্যে চাই বিজ্ঞান। প্রকৃতির ওপর প্রভুত্বের বাসনা। এই স্বাভাবিক প্রবণতা আছে বলেই সভ্যতার জন্ম। ঈশ্বর মন্দিরে নেই। তিনি আছেন আমাদের মনে। তাই সুন্দরের প্রতি আমাদের এত আকর্ষণ! স্বত-উৎসারিত বাঃ উক্তি।

     

     

    সমাজনীতি, রাজনীতি, ধর্ম, সংস্কার—সবই মানুষের তৈরি। কিছু বাঁচার প্রয়োজনে, কিছু অন্তরের তাগিদে। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলতেন : “কাজলের ঘরে থাকলে গায়ে একটু কালি লাগবেই।” পৃথিবীতে এলে, সে যখন যেসময়েই আসি না কেন, বেঁচে থাকার একটা অভিজ্ঞতা হবেই। আর সেই অভিজ্ঞতা একটা জীবনদর্শন তৈরি করবে। কিছু একান্ত ব্যক্তিগত, পরিবেশ- নির্ভর, কিছু ইউনিভার্সাল। যুগ যুগ ধরে বেঁচে থাকার আপামর অভিজ্ঞতা উদ্ভূত। যেমন আদি মানব, হাজার হাজার বছর আগে, সেই ম্লান আলোর পৃথিবীতে বসে লিখতেন, যা লিখলেন তার ইংরেজী—

    “Sky and earth are everlasting,
    Men must die
    Old age is a thing of evil
    Charge and die!“

    হাজার হাজার বছর পরে এই একই কথা, অন্য ভাষায়, অন্যভাবে লিখলেন কবীর, চলতি চাক্কি—আকাশ আর মাটি, এই যাঁতার মাঝখানে নিয়ত পেষাই হচ্ছে মানবরূপী শস্যদানা। আর এই পেষাইয়ের ফলেই নির্গত হচ্ছে জীবনরস। ‘যেতে হবে’–এর চেয়ে বড় সত্য আর কিছু নেই। যত দার্শনিকতা সবই এই ‘যেতে হবে’র চিন্তা থেকে। আদি মানব লিখলেন—

     

     

    “The odor of death,
    I discern the odor of death
    In the front of my body.“

    আসামাত্রই মায়ার জালে জড়িয়ে পড়া। জীবনের প্রেমে আচ্ছন্ন হওয়া। জীবন যেমনই হোক, তাকে ভালবেসে নাকানি-চোবানি খাওয়া। রোগ, শোক, জরা, ব্যাধি। মৃত্যু ছায়া ফেলে জীবনের মধ্যপর্বে। প্রথম দিকে নেশা। প্রথম দিকে ঘোর। মৃত্যুই মানুষকে দার্শনিক করে তোলে। জীবনের অসংলগ্নতা, স্বার্থপরতা, নীচতা ধুয়ে বের করে দেয়। জোহার সেই কারণে বলছেন, ধার্মিক কে? Who are the pious?

    “Those who consider each day
    as their last on earth.“

    জীবনের প্রতিটি দিনকে ভাব আজই আমার শেষ দিন। কাল আমি থাকতেও পারি নাও পারি। আধুনিক মানুষ ঈশ্বরের নামে, ধর্মের নামে বড় বিব্রত বোধ করেন। বিজ্ঞানী তাঁরা। ধর্ম নাকি কুসংস্কার। বেশ তাই হোক। পরমেশ্বরকে না মানি, মৃত্যুকে তো মানতেই হয়। অহরহ চারপাশে ঘটছে। এই ছিল এই নেই। এত বড় সত্যকে তো অস্বীকার করা যায় না। অরণ্যচারী মানুষ, বিজ্ঞান যাদের জীবনের আলো ফেলেনি, তারা মৃত্যুকে বললে, the great River Man Death। বললে :

     

     

    “I feel no fear
    When the Great River Man
    Death speaks of.”

    কতকাল পরে রবীন্দ্রনাথ বললেন : “মরণ রে; তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান।” নিউজিল্যান্ডের প্রাচীন একটি মাওরি কবিতায় কবি লিখছেন—

    “The tide of life glides swiftly past
    And mingles all in one great eddying foam.”

    শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বিশ্বরূপ দেখালেন। অর্জুন অবাক হয়ে দেখছেন—

    “যথা নদীনাং বহুবোহম্বুবেগাঃ
    সমুদ্রমেবাভিমুখা দ্রবন্তি।
    তথা তবামী নরলোকবীরা
    বিশন্তি বক্তৃাণ্যভিবিজ্বলন্ত।।”

     

     

    কবি নবীনচন্দ্রের অনুবাদ—

    “যথা নদীদের বহু অম্বুবেগ
    সিন্ধু-অভিমুখী, প্রবেশ সাগরে,
    তথা এই নরলোক বীরগণ
    পশিছে জ্বলন্ত বদন নিকরে।।”

    পতঙ্গের মতো জীবন-মৃত্যুর আগুনে ঝাঁপ দিচ্ছে।

    “যথা প্রদীপ্তং জ্বলনং পতঙ্গা
    বিশন্তি নাশায় সমৃদ্ধবেগাঃ।
    তথৈব নাশায় বিশন্তি লোকা
    স্তবাপি বক্ত্রাণি সমৃদ্ধবেগাঃ।।”

     

     

    “যেমতি প্রদীপ্ত অনলে পতঙ্গ
    পশে দ্রুতবেগে মরিবার তরে,
    পশিছে নাশার্থ তথা প্রাণিগণ
    দ্রুতবেগে তব বদন-বিবরে।।”

    সভ্যতার উন্মেষকালে কবি লিখলেন :

    “Water does not refuse to dissolve
    Even a large Crystal of Salt.”

    জীবনের দানা যত বড়ই হোক মৃত্যু-সাগরে লীন তাকে হতেই হবে। আর এই মৃত্যুই হলো মানুষের শুভ কর্মপ্রেরণা। Each day the last day যার আর পর নেই। যা করার আজই সারো। সব গোছগাছ কর। ভিতর সাফা করে ফেল। অহং ছেঁটে ফেল। Inaction থেকে action-এ এস। অর্জুনের মতো গাণ্ডীব তুলে নাও হাতে,

     

     

    “আমি বৃদ্ধ-কাল লোক-সংহারক,
    লোক সংহারেতে প্ৰবৃত্ত এখন।”
    “কালোহস্মি লোকক্ষয়কৃৎ প্রবৃদ্ধো
    লোকান্ সমাহর্তুমিহ প্রবৃত্তঃ।”
    “অতএব উঠ! লভ তুমি যশ!
    তস্মাত্ত্বমুত্তিষ্ঠ যশো লভস্ব।”

    ভোগী, যোগী, জ্ঞানী, বিজ্ঞানী, ত্যাগী, আত্মসাৎকারী—সকলেই ছুটছেন মৃত্যুর খাঁচায়। ওরে ছাদটা ঢালাই করে ফেল, মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা কর, মামলার দিনটা ফেলুন। সেরে ফেল, সেরে ফেল।

    “Not twice this day
    Inch time foot gem
    This day will not come again
    Each minute is worth a priceless gem.”

     

     

    —যে দিন গেল, সে দিন আর ফিরবে না। সময়ের ইঞ্চি, ফুট, রত্ন বিশেষ। দিন যায় আর আসে না। প্রতিটি মিনিট এক একটি মূল্যবান রত্ন।

    এসবই তো মানুষের ভাবনা। মানুষেরই লেখনী-নিঃসৃত ভাব, ভাবনারাজি। কে ভাবছে? ভাবাচ্ছেই বা কে? ধ্বংসের শক্তি তো কম নয়, তাহলে গড়ে উঠছে কি করে! দুটি বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবী নতুন হলো কার হাতে?

    ঠাকুর রামকৃষ্ণের সেই সুন্দর গল্প—সাধু গিয়েছিলেন ভিক্ষা চাইতে। জমিদারের পেয়াদা পিটিয়ে অজ্ঞান করে পথে ফেলে দিলে। খবর পেয়ে অন্যান্য সাধুরা ছুটে এলেন। মুখে জল-টল দেবার পর চেতনা এল। তখন সাধুরা জিজ্ঞেস করলেন, কে তোমায় মেরেছে? প্রহৃত সন্ন্যাসীর উত্তর—যিনি এখন আমাকে জল দিচ্ছেন, সেবা করছেন, তিনিই আমাকে একটু আগে প্রহার করেছেন।

    সেই ইজরায়েলী সন্ন্যাসীর অদ্ভুত অভিজ্ঞতা স্মরণে আসছে। পর্যটনের পথে সেই রাব্বি দেখলেন, এক বৃদ্ধ পথের পাশে একটি ক্যারব গাছের চারা রোপণ করছেন। সন্ন্যাসী প্রশ্ন করলেন : “কত বছর পরে ফল দেবে?” বৃদ্ধ বললেন : “সত্তর বছর পরে।“

     

     

    “সত্তর বছর? এত মেহনত করে গাছ পুঁতছেন, ফল খাবার জন্যে সত্তর বছর বাঁচবেন আপনি?” বৃদ্ধ বললেন : “পৃথিবীতে আমি যখন প্রবেশ করলুম, কৈ পৃথিবীকে আমি শূন্য দেখিনি তো! আমার পিতা আমার জন্যে সব ব্যবস্থা করে রেখে গিয়েছিলেন। ফুল, ফল, বৃক্ষ। আমিও তাই করে রেখে যাচ্ছি। যারা আসছে আমার পিছনে তারা এর ফল ভোগ করবে।”

    ঈশ্বরকে মানার প্রয়োজন নেই। ধর্ম বাতিল। নীতি—খাও, দাও আর ফুর্তি কর। কিন্তু কোথায়? এই পৃথিবীতেই নিশ্চয়। তাহলে বাসোপযোগী পৃথিবীর প্রয়োজন আছে। তাহলে অথর্ববেদের ঋষি কি খারাপ বলেছিলেন! অন্যায় কি বলেছিলেন?

    “পৃথিবী শান্তিরন্তরিক্ষং শান্তিদৌঃ শান্তিরাপঃ শান্তি
    রোষধয়ঃ শান্তির্বনস্পতয়ঃ শান্তির্বিশ্বে মে দেবাঃ শান্তিঃ
    সর্বে মে দেবাঃ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিভিঃ।
    তাভিঃ শান্তিভিঃ সর্বশান্তিভিঃ শময়াম্যহং যদিহ
    ঘোরং যদিহ ক্রূরং যদিহ পাপং তচ্ছান্তং তচ্ছিবং
    সর্বমেব শমস্ত নঃ।।”

     

     

    —পৃথিবী শান্তি, অন্তরীক্ষ শান্তি, দ্যুলোক শান্তি, জলসমূহ শান্তি, ওষধিসমূহ শান্তি, বনস্পতিগণ শান্তি, বিশ্বদেবগণ শান্তি, সমস্ত দেবতারা শান্তি, শান্তি, শান্তি। সেইসব শান্তি দ্বারা যা এখানে ঘোর, যা এখানে ক্রূর, যা এখানে পাপ তা আমরা শান্ত করি; তা শান্ত হোক, তা কল্যাণময় হোক, সমস্তই আমাদের শুভ হোক।

    কে চায় অশান্তি, অরাজকতা, নীতিহীনতা! কে চায় পরিবার, সমাজ, দেশ খুলে খুলে, গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে পড়ে যাক? প্রতি মুহূর্তের আতঙ্ক কে চায়! আমরা ভালবাসার পৃথিবীতে বাঁচতে চাই। যতই আমরা স্বার্থপর হই না কেন, পরিবারের বাইরে, সমাজ থেকে দূরে আমরা বাঁচতে পারব না। তা যদি পারা যেত তাহলে আমরা সকলেই সন্ন্যাসী হয়ে যেতুম। সেই অরণ্যের কাল থেকেই যুথবদ্ধ হবার চেতনা আমাদের রক্তে সঞ্চারিত হয়ে গেছে। সভ্যতার উন্মেষকালে আমাদের অরণ্যচারী পূর্বপুরুষগণ মানুষের শ্রেষ্ঠ আচরণবিধির যে নির্দেশ রেখে গেছে, তা আমরা ফেলে দিতে পারি। তবে দুঃখের সঙ্গে ফেলতে হবে। এই জেনে ফেলতে হবে, আমরা পথ ভুলেছি। কি ছিল সেই নির্দেশ :

    ১। সবসময় ভাল হাওয়াই ভাল।

     

     

    ২। প্রেম ছাড়া জীবনে আর কি আছে? ৩। প্রাণ-সংহারে কি লাভ?

    ৪। অন্যের সাহায্যে আসার চেষ্টা কর।

    রাব্বি জেরেমিয়া এই একই কথা বলেছিলেন দীর্ঘকাল পরে, আজ থেকে দীর্ঘকাল আগে :

    “সম্প্রদায়ের বিপদকালে কখনো বলো না, ‘আমি বাড়ি চললুম, খাই দাই, আমার আত্মা, তুমি শান্তিতে থাক।’ মানুষের ধর্ম হলো অন্যের বিপদে সামিল হওয়া, যেমন মোজেস হতেন। বিপদে যে অংশ নিতে জানে, সে নিজের শান্তি সহজে খুঁজে পায়। সে-ই প্রকৃত মানব।”

    ৫। নিজের স্ত্রীকে গালাগাল দিও না। দুর্ব্যবহার করো না। নারীজাতি বড় পবিত্র।

    স্বামীজী কি বলেছিলেন! চণ্ডী কি বলছেন—”স্ত্রিয়ঃ সমস্তাঃ সকলা জগৎসু।”

    ৬। সৎ কাজের প্রতিদান অন্যের ভালবাসা।

     

     

    ৭। শিশুদের প্রতি অন্যায় আচরণ করো না।

    ৮। জুয়া খেলো না।

    ৯। অসহায় বৃদ্ধের সাহায্যে এগিয়ে এস।

    ১০। গৃহে অতিথির আগমন হলে সাধ্যানুযায়ী সৎকার কর। যে খাদ্য তাকে দিলে না, সেই খাদ্য গ্রহণে তোমার মৃত্যু হতে পারে।

    ১১। নিজের কাজের ফিরিস্তি দেবার সময় সাবধান। যা করনি তা করেছ বলে বাহাদুরি নেবার চেষ্টা কর না। অসত্য ভাষণ তোমার মৃত্যুকে কাছে এগিয়ে আনতে পারে। সত্যই হলো ধর্ম। সত্যই জীবন। যা করেছ তার চেয়ে কম বলাই ভাল। প্রবীণরা বলেন, সেই আচরণই প্রমাণ করবে, তুমি জ্ঞানী।

    ১২। সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখ। তাহলে প্রেমের দুনিয়ায় বসবাস করতে পারবে।

    ১৩। বিবাহবন্ধনে একজনের সঙ্গেই আবদ্ধ হবে।

    ১৪। স্বামীকে মেজাজ দেখিও না। ভাল ব্যবহারের প্রতিদান ভাল ব্যবহার

    ১৫। ভালবাসি, ভালবাসি, মুখে বললেই সন্তানদের ভালবাসা হলো না। আচরণে প্রকাশ কর।

    ১৬। লোকদেখানো ভালবাসায় ভালবাসা নেই। অন্তরে তা প্রকাশ কর।

    ১৭। জীবনের পথে চলতে চলতে সহযাত্রীদের সুখী করার চেষ্টা কর। কোন মহিলাকে নির্জনে একা পেয়ে ভয় দেখাবার চেষ্টা করো না। কোন ক্ষতিও করো না।

    ১৮। তোমার [মহিলা] উপস্থিতিতে পরিবারের কেউ অন্যের কাছে কিছু চাইলে, মনে করবে তোমার কাছেই চাইছেন। কিছু করার থাকলে বলার আগেই করে ফেল। বলার অপেক্ষায় থেকো না।

    অরণ্যের যুগ থেকে চড়া সভ্যতায় এসে আমরা সব শিখলুম, ভুলে গেলুম একটি জিনিস, একটি বিদ্যা চলে গেল আয়ত্তের বাইরে, সেটি হলো বেঁচে থাকার সুস্থ কৌশল। বাঁচাটাই আমরা ভুলে গেলুম। সোস্যালিজম, ইজমের ছড়াছড়ি, অথচ সুখী মানুষের সংখ্যা দিন দিন কমছে। সংসার ভাঙছে, সমাজ ভাঙছে। সুইট হোম নামেই। ভিতরে ধিকিধিকি আগুন। বিবাহ-বিচ্ছেদ, শিশু অপরাধ-প্রবণতা, আত্মহত্যা, হত্যা, উন্মাদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। অধিকাংশ মানুষই অস্বাভাবিক। নিষ্ঠুর, আত্মকেন্দ্রিক, লোভী। নড়বড়ে রাষ্ট্রযন্ত্র। একদিকে প্রবল ভোগের দুনিয়া, আরেক দিকে সীমাহীন দুর্ভোগ। মাঝে মিথ্যা আশ্বাসের সমুদ্র। সেতু নেই। কথা আছে, কাজ নেই। ব্যস্ত দিন, ভয়াবহ রাত। ধ্বংসের ইঙ্গিত। মহাভারতকার বলে গেছেন—

    “যদিদং দৃশ্যতে কিঞ্চিদ্ ভূতং স্থাবরজঙ্গমম্।
    পুনঃ সংক্ষিপ্যতে সর্বং জগৎপ্রাপ্তে যুগক্ষয়ে।।”

    —প্রলয়কালে স্থাবর জঙ্গম সবই আবার লয় পাবে। যেমন ঋতু। আসার আগে জানান দেয়। সেইরকম যুগারম্ভও টের পাওয়া যায়। যুগশেষেরও লক্ষণ ফোটে।

    “যথর্তাবৃতুলিঙ্গানি নানারূপাণি পর্যয়ে।
    দৃশ্যন্তে তানি তান্যেব তথা ভাবাযুগাদিষু।।”

    আমরাও হয়তো যুগ-সন্ধিতে এসে পড়েছি। লক্ষণসমূহ বড় স্পষ্ট। সমস্ত বস্তু তার স্বধর্ম হারিয়ে ফেলেছে। বিভ্রান্তি বিস্রস্তি আমাদের ধীরে ধীরে গ্রাস করছে। সুখের চাবিকাঠি হারিয়ে ফেলেছি। সবই আছে, নেই সুখ। দেহকে সুখে জরজর করে রাখলেও মন যদি সুখী না হয় তাহলে সুখ মায়ামৃগ হয়েই থাকে। ধৰ্ম্মপদে গৌতম বুদ্ধ বলছেন, আজ আমরা যা, তা হয়েছে পূর্বের চিন্তা থেকে। What we are today comes from our thoughts of yesterday. আজকের চিন্তা তৈরি করবে আগামীকালের জীবন। মনই তৈরি করে জীবন। Our life is the creation of our mind.

    আজকের মন দেখলে আগামীকালের জীবনের চেহারা কি দাঁড়াবে বোঝা যায়। আশঙ্কা হয়। এক ‘জেন’-শিক্ষক বলেছিলেন : “আমার বুকের কাছটা আগুনের মতো জ্বলছে; কিন্তু আমার চোখ দুটি শীতল, পোড়া ছাইয়ের মতো।” আধুনিক মানুষের জন্যে তিনি কিছু নির্দেশ রেখে গেছেন। আমরা পালন করে দেখতে পারি। হৃদয়ের জ্বালা জুড়োয় কিনা! মৃত চোখে জীবনের জ্যোতি ফিরে আসে কিনা।

    ।। নিৰ্দেশ।।

    প্রাতে একটি ধূপ জ্বেলে সামান্য ধ্যান।

    বিশ্রাম প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে।

    নির্দিষ্ট সময়ে বারে বারে অল্প অল্প খাদ্য গ্রহণ।

    গুরু আহার বর্জনীয়।

    নিজের তৈরি নির্জনতায় বসবাস। মনে, বনে, কোণে। সঙ্গেও নিঃসঙ্গ। যা বলছি তার দিকে লক্ষ্য রাখা। যা বলছি তা পালন করা।

    সুযোগ হাতছাড়া না করা। অথচ কিছু করার আগে দুবার চিন্তা করা।

    অতীতের জন্যে অনুশোচনা নয়। ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলা।

    বীরের মতো নির্ভীক অথচ শিশুর মতো প্রেমিক হৃদয়ের অধিকারী হওয়া।

    বিশ্রামের সময় এমন নিদ্রা, মনে হবে এই আমার শেষ নিদ্রা।

    নিদ্রাশেষে শয্যা সঙ্গে সঙ্গে ত্যাগ। আর ফিরেও তাকাবে না, ছিন্ন পাদুকার মতো পরিত্যাগ।

    একাল আমাদের সবই শেখাবে। ধন-বিজ্ঞান, জীব-বিজ্ঞান, ভূ-বিজ্ঞান, শেখাবে না জীবন-বিজ্ঞান। সদ্গুরুর আশ্রয় ছাড়া এ-শিক্ষা আসবে কোথা থেকে—

    “গুরোস্ত মৌনং ব্যাখ্যানং শিষ্যাস্ত ছিন্নসংশয়াঃ।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article শ্বেতপাথরের টেবিল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }