Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প809 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীরামকৃষ্ণ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীরামকৃষ্ণ

    ‘সেনয়োরুভয়োমধ্যে রথং স্থাপয় মেহচ্যুত।” (গীতা, ১।২১) ধুলো উড়িয়ে, ঘড়ঘড় শব্দে, জোড়া জোড়া অশ্বের মুখর ক্ষুরধ্বনিতে বিপুল রথ ছুটে চলল। শীর্ষে উড্ডীন পতাকা রথের গতিতে টান টান। গগনে দীপ্ত সূর্য। বিশাল রুক্ষ প্রান্তর। তরুহীন, ছায়াহীন। কোথাও ধরিত্রীর সামান্যতম কোমলতা নেই। সর্বত্র ধুলোর উৎক্ষেপ। ঘর্মাক্ত অশ্বের অস্থির ছোটাছুটি। রথের পর রথ। অশ্ব, গজ, পদাতিক সেনাবাহিনী। অস্ত্রের ঝনৎকার। রোদের আলোয় ধারাল লোহার ঝলসানি। মাথার ওপর তামাটে আকাশের বিস্তার। ঘোর শঙ্খনিনাদ। অঙ্গদ, কুণ্ডল, উষ্ণীষশোভিত সারথি দৃঢ় মুষ্টিতে অশ্বের বল্গা ধারণ করে আছেন। শ্যামাঙ্গ, অতি সুন্দর মুখমণ্ডল, উন্নত নাসা, রক্তিম ওষ্ঠদ্বয়, আয়ত দুটি চোখ প্রেমে ভরা। মুখভাবে দৃঢ়তা, সঙ্কল্প, জ্ঞান, বৈরাগ্য, দিব্যশোভা, সর্বোপরি প্রচ্ছন্ন অদৃষ্ট নির্ভরতা। ঐশ্বরিক নিস্পৃহতা। সুঠাম সারথি রথ চালনা করছেন, পাশেই ধনুর্বাণধারী বীর যোদ্ধা সুদর্শন এক রাজপুত্র। ‘ডাস্ট অ্যান্ড ডিন অফ দ্য ব্যাটল’।

    মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে উপনিষদের প্রবেশ। “ভক্তিরথে চড়ি, লয়ে জ্ঞান তূণ,/রসনা ধনুকে দিয়ে প্রেম গুণ।” কালের প্রান্তরে জীব এসেছে কালীর শাসনে। নিষ্ক্রিয় মহাকালের জমিদারি। “জীব সাজ সমরে, রণবেশে কাল প্রবেশে তোর ঘরে।” এই রণে জয়লাভ করতে হলে কি করতে হবে? যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পালাতে হবে? কোথায় পালাবে? সর্বত্রই যুদ্ধ। রণভূমিতেই আমাদের জন্ম। সবাই ক্ষত্রিয়। যুদ্ধ নয়, ধর্মযুদ্ধই আমাদের ধর্ম। অন্যের ভূমি অধিকার নয়, নিজের ভূমি রক্ষা করা। সেই ভূমির উপাদান? ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ। আবার এই অবস্থানের মালিক ভগবান। সেই ভূমির পরিমাণ? আমার এই দেহ। যুদ্ধজয়ের শ্রেষ্ঠ বিধান—”আত্মানং রথিনং বিদ্ধি শরীরং রথমেব তু।/ বুদ্ধিং তু সারথিং বিদ্ধি মনঃ প্রগ্রহমেব চ।।” (কঠ উপনিষদ্, ১াতা৩) শাক্তসঙ্গীতে এই একই যুক্তি। “আরোহণ করি পুণ্য মহারথে, ভজন পূজন দুটো অশ্ব জুড়ি তাতে,/দিয়ে জ্ঞান-ধনুকে টান, ভক্তি-ব্রহ্মবাণ বসে আছি ধরে।”

    পরিপূর্ণ জীবনকে জানতে হলে মৃত্যুকে জানতে হবে। এই গ্রহের যাবতীয় প্রাণী মৃত্যুর মধ্যেই লালিত হচ্ছে খাদিত হবে বলে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাদের এই খেলাটি শেখাতে এসেছিলেন। প্রেম, রণ, মৃত্যু! প্রেমে বাঁচ, পরিবেশের সঙ্গে যুদ্ধ কর, জ্ঞানীর মতো মরে যাও। মানবের চিরকালের বিভিন্ন রকমের বাঁচাটা অনুধাবন কর। পাপী মরবে, পুণ্যবানও মরবে। সাধু মরবে, শয়তান মরবে। কারণ, সেইটাই পরিণতি। সেই কারণেই এখানকার সর্বকালের সব সমাবেশই হলো ‘সমবেতা যুযুৎসবঃ’। আর প্রশ্ন একটাই—’কিমকুর্বত’? কিম্‌ অকুর্বত? কি করল সবাই! এল আর গেল। এ-প্রশ্ন ধৃতরাষ্ট্রের মতো ‘ফসিল’দের! যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে যাঁরা বসে আছেন–হয় তাত্ত্বিক হয়ে, নাহয় উপদেষ্টা হয়ে অথবা অতি সুচতুর ‘প্যারাসাইট’-এর মতো। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মুখস্খলিত শ্রেষ্ঠ উপদেশ যুদ্ধক্ষেত্রেই কথিত উদাহরণ সহযোগে—অর্জুন, তোমার প্রথম লড়াই তোমারই ক্লীবতা আর কাপুরুষতার বিরুদ্ধে। এর বিরুদ্ধে তোমাকে লড়তে হবে জ্ঞান দিয়ে। জ্ঞানধনুকে দাও টান। আবার শুধু জ্ঞানী হলে হবে না। প্রজ্ঞা চাই। প্রাজ্ঞের মতো কথা তুমি অবশ্যই বলছ, কিন্তু তোমার আচরণ অজ্ঞের মতো। মন মুখ এক কর। ইন্দ্রিয়যুক্ত জ্ঞান দিয়ে পথের নির্দেশ খুঁজো না। ইন্দ্রিয়রা অন্ধ। কুজা তোমাকে কু বোঝাবে। শুদ্ধজ্ঞানের আশ্রয় নাও। জেনে রাখ, অবিনাশী আত্মা অর্থাৎ ব্রহ্মে এই জগৎকাণ্ড বুদবুদের মতো ফুটছে, ফাটছে। “অজো নিত্যঃ শাশ্বতোহয়ম্।” (গীতা, ২।২০) – এই অদ্বৈতজ্ঞান আঁচলে বাঁধ।

    ছেড়ে দিই; শ্রীকৃষ্ণ ভগবান, এই সিদ্ধান্তটি আপাতত তোলা থাক। তা নাহলে বংশীধারী, ত্রিভঙ্গঠাম, গোপিকাবিলাসী শ্রীকৃষ্ণ একটি প্রণাম ছাড়া কিছু পাবেন না। শ্রীকৃষ্ণ একজন পরিপূর্ণ মানুষ, ‘পারফেক্ট ম্যান’। কারাগার একটি ‘সিম্বল’। সব মানুষই কারাগারে জন্মায়। পরিবার, পরিবেশ, জাতি, বর্ণ, নিয়ম, শাসন, অর্থনীতি, সমাজনীতি, ধর্ম—এই কারাগারের এক-একটি লোহার দণ্ড। শৃঙ্খল। এই কারাগারেই জন্ম, বিবাহ, সংসার, শেষ। এই কারাগার ভেঙে বেরতে হবে। জীবনের স্বাদ নিতে হবে। বৃন্দাবনের রাখাল, মথুরার রাজা যদুবংশ ধ্বংস করে, ব্যাধের শরে নিজেকে ফুরিয়ে দিয়ে অনন্তের পথিক অনন্তে ফিরে যাবেন। এ কেমন! প্রদীপ হয়ে জ্বলে উঠলেন, ফুঁ হয়ে নিবিয়ে দিলেন। কাল শেষ। বিশাল বিস্তৃত জীবনলীলার অবসান। কনফুসিয়াস যে-কথাটি মানতেন, সেটি হলো – “A perfect man is God.“

    পুরাণের সমস্ত অলৌকিকত্বকে সরিয়ে শ্রীরামকৃষ্ণ শ্রীকৃষ্ণকে যেভাবে ধরেছিলেন, সে যেন ভগবানের হাতে ভগবান! পোশাক ভিন্ন, কালান্তরের ব্যবধান, বর্তমানের দর্পণে প্রতিচ্ছায়া দর্শন। ভগবান এইভাবেই ভগবানকে বোঝাতে আসেন। একটি উপমা–ময়দার লেচি কাটা। বেলা হবে, লুচি হবে। পাতে পাতে পড়বে। সেই লেচিগুলোকে এক হাতে এনে একসঙ্গে করে দিলেই ময়দার তাল।

    শ্রীরামকৃষ্ণের দর্শনে শ্রীকৃষ্ণ অনবদ্য। শ্রীকৃষ্ণকে বিভিন্ন দৃষ্টিতে দেখা যায়। জ্ঞানের দৃষ্টিতে, ভক্তির দৃষ্টিতে, প্রেমের দৃষ্টিতে, কর্মের দৃষ্টিতে, রাজনীতির দৃষ্টিতে, কূটনীতির দৃষ্টিতে ইত্যাদি। দেখা যাবে, সবেতেই তিনি আছেন, সবই তাঁতে আছে। কারণ, ঠাকুরের সেই বেলের উপমা–”তাঁকে যারা পেয়েছে, তারা জানে যে তিনিই সব হয়েছেন। তখন বোধ হয়—ঈশ্বর-মায়া-জীব-জগৎ। জীবজগৎসুদ্ধ তিনি। যদি একটা বেলের খোলা, শাঁস, বিচি আলাদা করা যায়, আরেকজন বলে—বেলটা কত ওজন ছিল দেখ তো, তুমি কি খোলা বিচি ফেলে শাঁসটা কেবল ওজন করবে? না, ওজন করতে হলে খোলা বিচি সমস্ত ধরতে হবে। ধরলে তবে বলতে পারবে, বেলটা এত ওজন ছিল। খোলাটা যেন জগৎ, জীবগুলি যেন বিচি। বিচারের সময় জীব আর জগৎকে অনাত্মা বলেছিলে, অবস্তু বলেছিলে। বিচার করবার সময় শাঁসকেই সার, খোলা আর বিচিকে অসার বলেই বোধ হয়। বিচার হয়ে গেলে সমস্ত জড়িয়ে এক বলে বোধ হয়। আর বোধ হয়, যে-সত্তাতে শাঁস সেই সত্তা দিয়েই বেলের খোলা আর বিচি হয়েছে। বেল বুঝতে গেলে সব বুঝিয়ে যাবে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণের ব্যাখ্যা আর বর্ণনায় শ্রীকৃষ্ণ যেন দক্ষিণেশ্বরের পঞ্চবটীতলে বিরাজিত। শ্রীকৃষ্ণ বসে আছেন। নতজানু অর্জুন সখার স্তব করছেন, তুমি পূর্ণব্রহ্ম। কৃষ্ণ অর্জুনকে বলছেন, আমি পূর্ণব্রহ্ম কিনা দেখবে এস। এই বলে একটা জায়গায় নিয়ে গিয়ে বললেন, তুমি কি দেখছ? অর্জুন বললে, আমি এক বৃহৎ গাছ দেখছি, তাতে থোলো থোলো কালো জামের মতো ফল ফলে রয়েছে। কৃষ্ণ বললেন, আরো কাছে এসে দেখ দেখি ও থোলো থোলো ফল নয়—থোলো থোলো কৃষ্ণ অসংখ্য ফলে রয়েছে—আমার মতো। অর্থাৎ সেই পূর্ণব্রহ্মরূপ বৃক্ষ থেকে অসংখ্য অবতার হচ্ছে যাচ্ছে।

    ঠাকুর বলছেন : “কবীর দাসের নিরাকারের ওপর খুব ঝোঁক ছিল। কৃষ্ণের কথায় কবীর দাস বলত, ওঁকে কি ভজব? গোপীরা হাততালি দিত আর উনি বানর-নাচ নাচতেন।” বলছেন : “আমি সাকারবাদীর কাছে সাকার, আবার নিরাকারবাদীর কাছে নিরাকার।“

    মাস্টারমশাই সঙ্গে সঙ্গে বললেন : “যাঁর কথা হচ্ছে তিনিও যেমন অনন্ত, আপনিও তেমনি অনন্ত! আপনার অন্ত পাওয়া যায় না।”

    তোতাপুরীও বুঝতে পারেননি শ্রীরামকৃষ্ণকে। বলেছিলেন : “আরে, কেঁও রোটি ঠোকতে হো?” ঠাকুর বিশুদ্ধ বাঙলায় হাসতে হাসতে বলেছিলেন : “দূর শালা! আমি ঈশ্বরের নাম করচি।”

    শ্রীকৃষ্ণ অসীম আর সসীমের মধ্যে বাচ খেলান। এটি ঠাকুরের কথা। তিনি ব্রহ্ম। তিনি অনন্ত। অর্জুনকে দেখিয়েছিলেন তাঁর সেই রূপ। অর্জুন প্রার্থনা করেছিলেন, আপনার প্রেম, বৃন্দাবনলীলা, আপনার গোষ্ঠলীলা, রাসলীলা— এসবই তো সসীমে মধুর বিচরণ। হে পুরুষোত্তম! আপনার জ্ঞান, ঐশ্বর্য, শক্তি, বল, বীর্য ও তেজঃসমন্বিত ঈশ্বরীয় বিশ্বরূপ দেখার ইচ্ছা হচ্ছে।

    ঝলসে উঠল সেই রূপ। সে কেমন? “দিবি সূর্যসহস্রস্য ভবেদ্ যুগপদুখিতা।/যদি ভাঃ সদৃশী সা স্যাদ্ ভাসস্তস্য মহাত্মনঃ।।” (ঐ, ১১।১২)—যদি আকাশে সহস্র সূর্যের প্রভা যুগপৎ সমুদিত হয়, তাহলে সেই দীপ্তি বিশ্বরূপের প্রভার কিঞ্চিৎ তুল্য হতে পারে।

    সেকালে শ্রীকৃষ্ণ একালের আণবিক বিস্ফোরণ। পরীক্ষামূলক আণবিক বিস্ফোরণের রাতে লস এলামোস প্রোজেক্টের ডিরেক্টর বিজ্ঞানী ওপেনহাইমার গীতার এই শ্লোকটিই বিস্ময়ে আবৃত্তি করেছিলেন। বোমাটি ফাটানো হয়েছিল জোরনাদা দেল মুয়েরতোতে। যার অর্থ-মৃত্যু উপত্যকা। দশ মাইল দূরে একটি পোস্ট আঁকড়ে ধরে দাঁড়িয়ে আছেন ওপেনহাইমার। আরো অনেক সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী ঐভাবেই দাঁড়িয়ে আছেন সেখানে। ওদিকে আকাশ যেন গলে গলে পড়ছে। কানে আসছে দর্শক বিজ্ঞানীদের বিস্ময়ের উক্তি—”Good God, the long haired boys have lost control.” ওপেনহাইমার বললেন গীতার ঐ শ্লোক-

    “If the radiance of a thousand Suns
    Were to burst into the sky
    That would be like
    The splendour of the mighty one.”

    বিজ্ঞানী ওপেনহাইমার—ছাত্র ও সহকর্মীদের প্রিয় ‘ওপি’–কন্ট্রোল টাওয়ারে একটি লোহার পোস্ট আঁকড়ে ধরে কম্পন ও ঝটিকা সামলাতে সামলাতে দেখছেন রথারূঢ় শ্রীকৃষ্ণকে। অর্জুনকে বলছেন : “কালোহস্মি লোকক্ষয়কৃৎ প্রবৃদ্ধো লোকান্ সমাহর্তুমিহ প্রবৃত্তঃ।” (ঐ, ১১।৩২)

    “I am become Death, the shatterer of worlds.”

    ভগবান কী ভয়ঙ্কর! ভগবান—অর্থাৎ, অসীম, অনন্ত। Construction, destruction, creation, annihilation মুহূর্তের খেলা। ঠাকুরের সেই গল্প— দুম্ করে শব্দ হলো। কি হলো প্রভু? রাবণ জন্মাল। আবার দুম্। আবার কি হলো প্রভু? রাবণ বধ হলো। চোখের পলক। যা উঠছে—কোল থেকে উঠছে। যা পড়ছে—কোলেই পড়ছে। সবই শ্রীকৃষ্ণরূপী অনন্তের মুখগহ্বরে। “তেজোভিরাপূর্য জগৎ সমগ্রং। /ভাসস্তবোগ্রাঃ প্রতপন্তি বিষ্ণো।।” (ঐ, ১১।৩০) আমি ভয়ের ভয়, আমি মৃত্যুর মৃত্যু। আমি প্রাণের প্রাণ। “পিতাহহমস্য জগতো মাতা ধাতা পিতামহঃ।/বেদ্যং পবিত্রমোঙ্কার ঋক্ সাম যজুরেব চ।।” (ঐ, ৯।১৭)–ভক্ত জানেন, তুমি মাতা, তুমি পিতা, তুমিই সখা। ভক্ত আমাকে জানে। “ভক্ত্যা মামভিজানাতি যাবান্ যশ্চাস্মি তত্ত্বতঃ।/ততো মাং তত্ত্বতো জ্ঞাত্বা বিশতে তদনন্তরম্।।” (ঐ, ১৮।৫৫)

    কুরুক্ষেত্রে এ কেমন যুদ্ধ, ভগবান? যাদের মারবার মেরে রেখেছেন! রথ, রথী, অশ্বই শুধু নিয়ন্ত্রণে নেই, পরিস্থিতি, পরিণতি নামক অশ্বযুগল তাঁর লাগামে ধরা। একালের ভাষায়—এ যেন ‘Action replay’। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাদের দৃষ্টি উলটে দিলেন। জীব, তুমি সামনেটাই দেখ, কারণ তোমার দেখার যন্ত্র ঐরকমই। তোমাকে আমি পিছন দেখার মনশ্চক্ষু দান করি। যার নাম ‘দিব্যদৃষ্টি’। ‘হেমিস্ফেরিক্যাল আই’। উপনিষদের চোখ। চতুর্দিকে ব্ৰহ্ম। সৃষ্টি, স্থিতি, লয়—ত্রয়ী। ‘তজ্জলানিতি’। “সর্বং খল্বিদং ব্রহ্ম।/তজ্জলানিতি শান্ত উপাসীত।” (ছান্দোগ্য উপনিষদ্, ৩।১৪।১) জগৎ ব্রহ্মময়। ব্রহ্মতে জাত, জীবিত, লীন। ‘তজ্জলানিতি’। কুরুক্ষেত্র নয়, আমাদের জীবন—’Action replay’। সব ঠিক করা আছে। কে করেছে? কর্ম আর কর্মফল। প্রারব্ধ, সংস্কার। এই কর্ম ও কর্মফল সম্পর্কে শ্রীকৃষ্ণের উপদেশ অতুলনীয়। যিনি কর্মে অকর্ম ও অকর্মে কর্ম দর্শন করেন তিনিই জ্ঞানী, যোগযুক্ত ও সর্বকর্মের কর্তা। কর্ম আর অকর্মের এইটিই বোদ্ধব্য রহস্য। এই জ্ঞানে মুক্তিলাভ। শঙ্করাচার্য ব্যাখ্যা করছেন, মৃগতৃষ্ণায় জলের ন্যায় ও শুক্তিকায় রজতের ন্যায় নিষ্ক্রিয় আত্মাতে কর্তৃত্ব ও ভোক্তৃত্ব দর্শন ভ্রান্ত জীবের স্বভাব। নৌকারূঢ় ব্যক্তি নৌকা চলিতে থাকিলে তটস্থ গতিহীন বৃক্ষসমূহে প্রতিকূল গতি এবং দূরবর্তী গতিশীল বস্তুকে গতিহীন দেখেন। এইরূপ বিপরীত দর্শন মায়িক সংসারের ধর্ম। ‘রিলেটিভ’। আপেক্ষিক। ইন্দ্রিয়কে ছাঁটতে হবে। আকাঙ্ক্ষাশূন্য কর্ম। মনকে সেই অবস্থায় নিয়ে যেতে হবে-যে-অবস্থায় মন সদাতৃপ্ত ও নিরবলম্বন। শ্রীরামকৃষ্ণ এটিকে আরো সহজ করে দিলেন—বাঁদরছানা আর বেড়ালছানা। সমর্পণের দুটি ধরন। বাঁদরছানা মায়ের পেট জাপটে ধরে থাকে। নিজে ধরে। ছেড়ে গেলে পড়ে যাবে। মায়ের কিছু করার থাকবে না। ঠাকুর বলছেন, এটি জ্ঞানমার্গ। শাস্ত্র দিয়ে, যুক্তি দিয়ে, বিচার দিয়ে ধরব। বিশ্বাসে আনব, তারপর ‘মা’ বলে ঝাঁপাব। অহং দিয়ে, ক্ষুদ্র আমি দিয়ে বৃহৎ ‘আমি’কে বুঝব। ঠাকুর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন—বোধহয় সম্ভব নয়। নৌকারূঢ় ব্যক্তি, তার জ্ঞান তো relative—আপেক্ষিক। Absolute-কে জানতে হলে, পেতে হলে ভক্তি দিয়ে অহংকে নস্যাৎ করতে হবে। বেড়ালছানার মতো মিউমিউ। মা যেখানে যেভাবে রাখবেন। সদাতৃপ্ত। আমার কোন ক্ষোভ নেই মা! যা করবে। যেভাবে রাখবে। অনন্তে ভেসে চলেছি একখণ্ড মেঘের মতো জল ঝরাতে ঝরাতে। জীবনের যাবতীয় কর্মসমূহ একসময় নিঃশেষ। “ব্রহ্মার্পণং ব্রহ্ম হবিব্রহ্মান্নৌ ব্ৰহ্মণা হুতম্।/ব্রহ্মৈব তেন গন্তব্যং ব্রহ্মকৰ্মসমাধিনা।” (গীতা, ৪।২৪)

    বিশাল, বিচিত্র জীবনলীলা তাঁর। জ্ঞান, কর্ম, ভক্তি—তিনটি শেখাতে এসেছিলেন। বিশাল ভারত—শ্রীকৃষ্ণক্ষেত্র। তিনি যেন অপেক্ষা করেছিলেন, কবে আসবেন আরেকজন, সময়ের কোন্ পাদে শ্রীরামকৃষ্ণ। যিনি জ্ঞান দিয়ে ব্রহ্ম বুঝবেন, শুধু বোঝা নয়—উপলব্ধিরও ঊর্ধ্বে আস্বাদন। সেতু রচনা। ভক্তি দিয়ে লীলা বুঝবেন। বলবেন, ব্রহ্ম আর মায়া এক। ওদিক থেকে এদিক দেখা, এদিক থেকে ওদিক দেখা। বলবেন, ব্রহ্মও সত্য, মায়াও সত্য। তবে ব্রহ্মের মায়া, মায়ার ব্রহ্ম নয়।

    ঐ যে শ্রীকৃষ্ণের রথে আরোহী মায়া। বহু শ্বেতাশ্বযুক্ত এক মহারথ। অহো, সে কী দৃশ্য! অসংখ্য শঙ্খ, ভেরী, ঢাক, মৃদঙ্গ ও রণশিঙ্গা বেজে উঠল। ভয়াবহ রণবাদ্য। রথারোহী দিব্যদর্শন দুই পুরুষ। শ্রীকৃষ্ণের ছবিটি কেমন! ঘাড়টি পিছন দিকে হেলিয়ে দুই ঠোঠের কাছে ধরেছেন তাঁরই দ্বারা নিহত জলদৈত্য পঞ্চজনের অস্থিতে নির্মিত পাঞ্চজন্য শঙ্খ। বিশাল সৈন্য সমাবেশ, ‘মহতীং চমূম্‌’

    ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ধর্ম ও সাধনার কত ধারা খুলে দিয়ে গেছেন! ভারত কৃষ্ণময়। জ্ঞানী ধরবেন ব্রহ্মের পথ। তান্ত্রিক নেবেন তন্ত্রের পথ। রাধাযন্ত্রে তন্ত্রসাধন করেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। শ্রীরামকৃষ্ণ বলছেন : “গোপীরা কাত্যায়নীপূজা করেছিলেন। সকলেই সেই মহামায়া আদ্যাশক্তির অধীনে। অবতার আদি পর্যন্ত মায়া আশ্রয় করে তবে লীলা করেন। তাই তাঁরা আদ্যাশক্তির পূজা করেন।”

    এই লীলা। দর্শন জ্ঞানমার্গ ছেড়ে ভক্তিমার্গে প্রবেশ করলে খুলে যায় লীলাক্ষেত্র। অনন্ত অনন্তে থাক। মহাকাল কুম্ভকে থাক। টুকরো কালে, টুকরো জীবনে ভক্তি আস্বাদনের মতো কী আছে! ভগবানের ষড়ৈশ্বর্যে একটি অভাব— ভক্তি নেই। ভক্তির মালিক ভক্ত জীব। ঠাকুর সেইটিই আমাদের ধরাতে এসেছিলেন। বলছেন : “যে অকিঞ্চন, যে দীন—তার ভক্তি ঈশ্বরের প্রিয় জিনিস। খোলমাখানো জাব যেমন গরুর প্রিয়! দুর্যোধন অত টাকা, অত ঐশ্বর্য দেখাতে লাগল, কিন্তু তার বাটীতে ঠাকুর গেলেন না। তিনি বিদুরের বাটী গেলেন। তিনি ভক্তবৎসল, বৎসের পাছে যেমন গাভী ধায়, সেইরূপ তিনি ভক্তের পাছে পাছে যান।”

    জ্ঞান, সে এক পথ বটে; কিন্তু ভক্তি, অনুরাগ—তাতে কোন চকমকি নেই। ঠাকুর বলছেন : “অব্যভিচারিণী ভক্তি, যার অপর নাম নিষ্ঠা ভক্তি। যেমন একডেলে গাছ, সোজা উঠেছে। ব্যভিচারিণী ভক্তি যেমন পাঁচডেলে গাছ। গোপীদের এমন নিষ্ঠা যে, বৃন্দাবনের মোহনচূড়া, পীতধরা পরা রাখালকৃষ্ণ ছাড়া আর কিছু ভালবাসবে না। মথুরায় যখন রাজবেশ, পাগড়ি-মাথায় কৃষ্ণকে দর্শন করলে, তখন তারা ঘোমটা দিলে। আর বললে, ইনি আবার কে? এঁর সঙ্গে আলাপ করে আমরা কি দ্বিচারিণী হব?”

    শ্রীকৃষ্ণ যোদ্ধা, সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ‘ডিপ্লোম্যাট’, স্বয়ং ভগবান। ভগবান মানুষের রূপ ধারণ করেন, শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং ভগবান। সমস্ত ঐশ্বর্য নিয়ে মাটির পৃথিবীতে এলেন কংসের কারাগারে। কারাগার মানবদেহ। ইন্দ্রিয়ের শাসনে মানুষের ভগবান পিষ্ট। মুক্তির পথ? শ্রীকৃষ্ণ। ভক্ত হও। তখন আমি তোমার সামনে নয়—পিছনে, পিছনে যাব। তোমাকে একটা কাজ করতে হবে, সেটি শ্রীরামকৃষ্ণের কাছ থেকে জেনে নিই—”বিষয়বুদ্ধির লেশমাত্র থাকলে তাঁকে দর্শন হয় না। শ্রীমতী যখন বললেন, আমি কৃষ্ণময় দেখছি, সখীরা বললে, কৈ, আমরা তো তাঁকে দেখতে পাচ্ছি না! তুমি কি প্রলাপ বকচ? শ্রীমতী বললেন, সখি! অনুরাগ-অঞ্জন চক্ষে মাখ দেখতে পাবে।’

    জ্ঞান সহায়ে শ্রীকৃষ্ণকে অনেকেই বোঝার ও বোঝাবার প্রয়াস পেয়েছেন। সে ভাল, তবে শ্রীকৃষ্ণকে হৃদয়ে ধারণ করতে হলে শ্রীরামকৃষ্ণের হাত ধরতে হবে। সে-ভিন্ন উপায় নেই। সুরেন্দ্রের বাড়িতে মহেন্দ্র গোস্বামী বলছেন (তিনি সিমুলিয়ায় থাকতেন। দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুরের কাছে কয়েক মাস ছিলেন। যদুলাল মল্লিকের বাগানবাড়িতে মাসাবধিকাল ধরে ভাগবত-উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন।) : “আমি কয়েক মাস প্রায় সর্বদা এঁর কাছে থাকতাম। এমন মহৎ লোক আমি কখনো দেখি নাই। এঁর ভাবসকল সাধারণ ভাব নয়।”

    ঠাকুর বলছেন : “এ কী, এসব তোমার কী কথা! আমি হীনের হীন, দীনের দীন; আমি তাঁর দাসানুদাস। কৃষ্ণই মহান। যিনি অখণ্ড সচ্চিদানন্দ, তিনিই শ্রীকৃষ্ণ। দূর থেকে দেখলে সমুদ্র নীলবর্ণ দেখায়, কাছে যাও কোন রঙ নাই যিনি সগুণ, তিনিই নির্গুণ; যাঁরই নিত্য, তাঁরই লীলা। শ্রীকৃষ্ণ ত্রিভঙ্গ কেন? রাধার প্রেমে। যিনিই ব্রহ্ম তিনিই কালী, আদ্যাশক্তি সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয় করছেন। যিনি কৃষ্ণ তিনিই কালী। মূল এক—তাঁর সমস্ত খেলা লীলা। শ্রীকৃষ্ণ পুরুষ, শ্রীমতী তাঁর শক্তি—আদ্যাশক্তি। পুরুষ আর প্রকৃতি। যুগলমূর্তির মানে কি? পুরুষ আর প্রকৃতি অভেদ। তাঁদের ভেদ নাই। পুরুষ প্রকৃতি না হলে থাকতে পারে না; প্রকৃতিও পুরুষ না হলে থাকতে পারে না। একটি বললেই আরেকটি সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে হবে। যেমন অগ্নি আর দাহিকাশক্তি। দাহিকাশক্তি ছাড়া অগ্নিকে ভাবা যায় না। আর অগ্নি ছাড়া দাহিকাশক্তি ভাবা যায় না। তাই যুগলমূর্তিতে শ্রীকৃষ্ণের দৃষ্টি শ্রীমতীর দিকে ও শ্রীমতীর দৃষ্টি কৃষ্ণের দিকে। শ্রীমতী গৌরবর্ণ বিদ্যুতের মতো; তাই কৃষ্ণ পীতাম্বর পরেছেন। শ্রীকৃষ্ণের বর্ণ নীল মেঘের মতো; তাই শ্রীমতী নীলাম্বর পরেছেন। আর শ্রীমতী নীলকান্ত মণি দিয়ে অঙ্গ সাজিয়েছেন। শ্রীমতীর পায়ে নুপূর, তাই শ্রীকৃষ্ণ নুপূর পরেছেন; অর্থাৎ প্রকৃতির সঙ্গে পুরুষের অন্তরে-বাহিরে মিল।”

    মথুরমোহন ঠাকুরকে মথুরায় এনেছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ ধ্রুবঘাটে দাঁড়িয়ে আছেন। ভাবে বিভোর। দিন অবসান প্রায়। অতীত আর বর্তমানের সময়চিহ্ন ঘুচে গেছে। ঠাকুর স্পষ্ট দেখছেন, যমুনা দুভাগ হয়ে গেছে। সেই রাত ফিরে এসেছে। মেঘ এসেছে, বিদ্যুতের ঝিলিক। এলোমেলো বাতাস। ও কে যায়! ঐ তো বসুদেব! যমুনা পার হচ্ছেন, কোলে তাঁর কৃষ্ণ! বৃন্দাবন। বৃন্দাবনবাসী অবাক-এ কী অলৌকিক দৃশ্য! গিরি গোবর্ধনের শীর্ষে অঙ্গাবরণহীন দিব্যপুরুষটি কে? শ্রীকৃষ্ণ কি ফিরে এলেন? দক্ষিণেশ্বরের শ্রীরামকৃষ্ণ!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article শ্বেতপাথরের টেবিল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }