Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প809 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পথের ধর্ম, ধর্মের পথ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    পথের ধর্ম, ধর্মের পথ

    যদি এমন একটি দৃশ্য-কল্পনা মনে আনা যায়—এক বন্ধু আরেক বন্ধুর কাঁধে হাত রেখে পথ হাঁটছেন। দুই বন্ধুর বয়সের ব্যবধান অনেক। একজন তরুণ, আরেকজনের বয়সের গাছপাথর নেই। অতি প্রবীণ। তিনি এই পৃথিবীতে অনেক আগে এসেছেন। এই পৃথিবীর গাছপালা, কীটপতঙ্গ, পরিবেশ, প্রাণিজীবন, চালচলন, ধরণধারণ সবই জানেন। ইতিহাস জানেন, বিজ্ঞান জানেন—পরাবিজ্ঞান, অপরাবিজ্ঞান। তিনি ত্রিকালজ্ঞ। তিনি তরুণটির কাঁধে হাত রেখে পথ হাঁটছেন। এই পথচলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁর হাতটি কাঁধে রাখবেন। কানে কানে বলবেন, জীবনের পথ ধরে হাঁট বন্ধু। আমি তোমার পাশে আছি। আমি তোমাকে ঘিরে আছি। আমি তোমার বাইরে আছি, আমি তোমার ভিতরে আছি। কখনো আমি আর তুমি এক। “সন্নাপি অসন্নাপি, ভিন্নাপি অভিন্নাপি”। (বিবেকচূড়ামণি, ১০৯)

    এই প্রবীণ বন্ধু কল্যাণপথের নির্দেশ দিতে পারেন, দিচ্ছেনও। সে-নির্দেশ পালিত হবে কি হবে না—সেই জানে, যাকে এই নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। সেই নির্দেশ না শুনে, না মেনে যারা বিপথে গিয়ে বিপদে পড়ে, তাকে তার এই প্রবীণ বন্ধু বলেন, দেখলে তো, শুনলে না! তাই তোমার এই বিপদ হলো! আচ্ছা, যা হয়েছে, হয়েছে। ওঠ, আবার চল। আমি আছি। তোমার সঙ্গেই আছি।

    একদিন হয়তো লজ্জা আসবে। আমার বেচালে আমার মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী বন্ধুটির কী দশা! কেন আমি তাঁর নির্দেশ, তাঁর পরামর্শ মানছি না! এই লজ্জার নাম ‘বিবেক’। ভগবান জীবের অন্তরে বিবেক হয়ে জেগে ওঠেন।

    সাধুর ভগবান, জ্ঞানীর ভগবান, সাধারণ মানুষের ভগবান কি রকম রকম? অবশ্যই নয়। সাধু জগৎ থেকে সরে গিয়ে ঈশ্বরলাভের চেষ্টা করেন। যদি তাঁকে প্রশ্ন করা হয়—কিসের সন্ধানে চলেছেন আপনি? তিনি হয়তো বলবেন, আমি অপূর্ণ। পূর্ণ হতে চাই। অপূর্ণ কোন্ অর্থে? জ্ঞান। আমি অজ্ঞান। আমি আমার ইন্দ্রিয়ের দাসত্ব করছি। তারা যেদিকে ছোটায় সেইদিকে ছুটি। প্রচুর আকাঙ্ক্ষা, প্রবল বাসনা। নিজেকে বড় হীন মনে হয়। আমি আমার গৌরবের স্থলটি খুঁজে পেতে চাই। আতঙ্কের জগতে বসে আমি আনন্দের জগতের অনুসন্ধান করছি। আর শুনেছি—সেই জগৎটি ভগবানের। সংসার যেন ‘বিশালাক্ষীর দ’। ঘুরপাক খাইয়ে গভীরে টেনে নিয়ে যায়। এটুকু বুঝেছি— সংসারে সারবস্তু কিছু নেই, “আমড়া–আঁটি আর চামড়া।” সেই কারণে—

    “আর কেন মন—এ সংসারে, যাই চল সেই নগরে।
    সেথা দিবানিশি পূর্ণশশী আনন্দে বিরাজ করে।।
    পক্ষ ভেদে ক্ষয় উদয় নাইকো চাঁদের সে পুবে।
    নাই ক্ষুধা তৃষ্ণা ভোগ পিপাসা, পূর্ণানন্দ বিহরে।।”

    জ্ঞানীকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, আপনার ঈশ্বর? তিনি তুলবেন অনন্ত তর্ক ও বিতর্ক। বলবেন বহুরকমের জটিল শব্দ-সাকার, নিরাকার। তিনি দেহের আত্মা, না আত্মার দেহ? তাঁকে লাভ করতে হলে সংসার ছেড়ে গুহাবাসী হতে হবে? কোন্ নিয়মে সাধন করতে হবে? শিষ্য এইরকম প্রশ্ন করতে পারেন গুরুকে-

    “কৃপয়া শয়তাং স্বামিন্ প্রশ্নোহয়ং ক্রিয়তে ময়া।
    যদুত্তরমহং শ্রুত্বা কৃতার্থঃ স্যাং ভবন্মুখাৎ।।
    কো নাম বন্ধঃ কথমেষ আগতঃ কথং প্রতিষ্ঠাঽস্য কথং বিমোক্ষঃ।
    কোঽসাবনাত্মা পরমঃ ক আত্মা তয়োর্বিবেকঃ কথমেতদুচ্যতাম্।।” (ঐ, ৪৮-৪৯)

    —প্রভু! আমি যে-প্রশ্ন করছি, কৃপা করে শুনুন। বন্ধন কাকে বলে? বন্ধন আসে কিভাবে? কিভাবে বেঁধে রাখে? কিভাবে বন্ধনমুক্ত হওয়া যায়? অনাত্মা কার নাম, পরমাত্মাই বা কি? আত্মা আর অনাত্মার বিচারই বা কিরূপ?

    শঙ্করাচার্য উত্তর দিচ্ছেন। তিনি সেই বন্ধু আমাদের। বলছেন, অবিদ্যাবন্ধন উন্মোচন বা বিমোচন কর। শোন, পিতৃঋণ বিমোচনের জন্য পুত্রাদিরা আছে। শ্রাদ্ধাদি করে মুক্তির পথ করে দেবে; কিন্তু নিজের বন্ধন নিজেকেই খুলতে হবে। তারপর ধর তোমার মাথায় বোঝা, বইতে পারছ না; কেউ এসে তোমাকে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু ধর, তোমার খিদে পেয়েছে, জল তেষ্টা পেয়েছে; তখন তোমাকেই খেতে হবে, পান করতে হবে। অন্য কেউ খেলে হবে কি? যে-রোগী পথ্য ও ঔষধ খায়, তার পীড়া-আরোগ্যরূপ সিদ্ধিলাভ হয়। যে তার বিপরীত আচরণ করে তার আরোগ্যলাভের সম্ভাবনা নেই। এইবার শঙ্করাচার্য যা বললেন সেটি ধর্মপথের অতি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত—

    ‘বস্তুস্বরূপং স্ফুটবোধচক্ষুষা স্বেনৈব বেদ্যং ন তু পণ্ডিতেন।
    চন্দ্রস্বরূপং নিজচক্ষুষৈব, জ্ঞাতমন্যৈরবগম্যতে কিম্।।” (ঐ, ৫৪)

    —নিজের চোখ দিয়ে যেমন চাঁদের স্বরূপ দর্শন হয়, অন্য ইন্দ্রিয় দ্বারা হতে পারে না, সেইরকম জ্ঞানচক্ষু দ্বারাই ব্রহ্মপদার্থের স্বরূপ দর্শন হয়, অন্য ইন্দ্রিয়ের দ্বারা হতে পারে না। একমাত্র জ্ঞান, শুধু শাস্ত্র চটকালে হয় না।

    এরপর যদি জিজ্ঞাসা করা হয়—ভগবান সম্পর্কে কি ধারণা? অধিকাংশ মানুষ বলবেন, অতশত জানি না, বিপদে পড়লে ডাক্তারকেও ডাকি, ভগবানকেও ডাকি। অভাবে পড়লে মন্দিরে গিয়ে পুজো চড়াই। যখন দুঃখ আসে, প্রতারিত হই, যখন মৃত্যু এসে প্রিয়জনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়, যখন অপমানিত হই, বিতাড়িত হই—তখন বুঝতে পারি, “যার কেহ নাই, তুমি আছ তার।”

    কে এই ‘তুমি’? সঠিকভাবে বলা যাবে না। একটা কথাই বলা যাবে—আমি নই। যেখানে ‘আমি’ হালে পানি পাবে না, সেইখানেই ‘তুমি’র আবির্ভাব।

    বেদ, বেদান্ত, উপনিষদ্, চণ্ডী, অজস্র টীকা ও ভাষ্যে ধর্মের জ্ঞানভাণ্ডার উপচে পড়ছে। মানুষ সম্ভ্রমে তার সামনে নত। গ্রহণের চেষ্টা আছে, কিন্তু জীবনে ফলিত করার চেষ্টায় অনেক বাধা। তার কারণ, বেঁচে থাকার বহুতর সমস্যার সরাসরি সমাধান পাওয়া যাবে না। যেসব সমাধান আছে সেখানে তা আয়ত্ত করা সহজ কাজ নয়। আমি বেঁচে থাকব, কিন্তু আমার ‘আমি’টা ‘তুমি’ হয়ে যাবে। ওষুধ নয়, অস্ত্রোপচার নয়, ঐকান্তিক ভাবনায় অলৌকিক এক ‘ট্রান্সপ্ল্যান্ট’! বরং একথা সহজেই বোঝা যাবে—পথ দুটি—’প্রবৃত্তি’ আর ‘নিবৃত্তি’। প্রবৃত্তির পথ ধরে গেলে সংসার। ধর্মের কারণে সংসার তো শ্মশান হয়ে যেতে পারে না। ‘মায়া’, ‘মায়া’ বলে ঢাকঢোল বাজালে জগৎজোড়া সংসারের যত আয়োজন সব উবে যাবে—এমনও নয়। মায়া এখন ঘোর মায়া। কত আলো! কত বৈচিত্র্য! কত ভোগের উপকরণ!

    সংসার থেকে শ্মশান একটি পথ। শ্মশান শ্মশানই থাকবে। সংসার সংসার। সংসারকে শ্মশান করলে মানুষ আসবে কোথায়! রাজা যুধিষ্ঠিরের সংসার ছিল, শ্রীকৃষ্ণের ছিল, রামচন্দ্রের ছিল, মহাপ্রভুর ছিল, শ্রীরামকৃষ্ণের ছিল। রঘুবীর কোথায় এসে আসন পাতবেন? কোন্ মন্দির আলো করবেন মা ভবতারিণী? মন্দির নির্মাণের অর্থ আসবে কোথা থেকে? শঙ্করাচার্যের চারটি ধাম নির্মাণের সহযোগিতা তো সংসারীকেই করতে হবে।

    সংসারকে করতে হবে ধর্মের সংসার, শিবের সংসার। গৃহ আর গৃহীকে বাদ দিলে ধর্মের ভিত টলে যাবে। ধর্মক্ষেত্র কুরুক্ষেত্রে দাঁড়াতে হবে সকলকেই। সেই স্থানটি বড় পবিত্র, বড় গৌরবের। ধর্মক্ষেত্র কুরক্ষেত্রে যোদ্ধা পাঠাবে সংসার। শ্রীকৃষ্ণ সংসার থেকে শ্মশানে টেনে নিয়ে গিয়ে অর্জুনকে জীবনের মন্ত্র দিলেন না। এমন এক পরিবেশে নিয়ে গেলেন, যেখানে দাঁড়িয়ে তিনটি কালের প্রবাহকে মানসপটে প্রত্যক্ষ করা যায়। থাকা আর না-থাকা, অস্তিত্ব আর অনস্তিত্বের সংযোগস্থল। ধর্মকে বারণ করতে হলে মৃত্যুর আগেই মৃত্যুকে এগিয়ে আনতে হবে। আর তখনি ‘আমি’টা ‘তুমি’ হয়ে যাবে। অর্জুন ভয় পেয়েছেন। সামলে ত্রিকাল। বর্তমানে দাঁড়িয়ে আছেন। অতীত পড়ে আছে মহাসমারোহে ঘটনার জাল বুনে। অতীত রচনা করেছে বর্তমান। বর্তমানে রয়েছে ভবিষ্যতের ইঙ্গিত। এ কেমন—বর্তমান একটা থালা, অতীত হলো রান্নাঘর, পরিবেশিত হচ্ছে ভবিষ্যৎ। ইংরেজী একটি প্রবাদ—”He that would know what shall be, must consider what has been.

    অর্জুন বর্তমানটিকে সমর্পণ করে দিলেন ভগবানের হাতে। পরিস্থিতি অর্জুনকে শেখাতে চাইছে সেই অমোঘ সত্য—

    “আত্মানং রথিনং বিদ্ধি শরীরং রথমেব তু।
    বুদ্ধিং তু সারথিং বিদ্ধি মনঃ প্রগ্রহমেব চ।।” (কঠ উপনিষদ্, ১।৩।৩)

    —জীবাত্মাকে রথের রথী আর শরীরকে রথ বলে জেনো, বুদ্ধি হলো সারথি আর মন হলো বলগা।

    উপনিষদের কাছে প্রার্থনা করি। গিরিশচন্দ্রের প্রশ্নটি তুলে ধরি——কে খেলায় আমি খেলি বা কেন’? বুদ্ধদেব এই প্রশ্নের সমাধান দিচ্ছেন গিরিশ-নাটকে—

    “নিত্য আমি
    নাহি জন্ম নাহিক মরণ
    নাহি নাম-ধাম, উপাধিরহিত।”

    উপনিষদ্ এই সিদ্ধান্তেই এনে ফেলবেন কয়েক ধাপ বিশ্লেষণের পথে। প্ৰথম বলবেন-

    “ইন্দ্রিয়াণি হয়ানাহুবিষয়াংস্তেষু গোচরান্
    আত্মেন্দ্রিয়মনোযুক্তং ভোক্তেত্যাহুর্মনীষিণঃ।।” (ঐ, ১।৩।৪)

    –আমাদের ইন্দ্রিয়সমূহ হলো অশ্ব, শরীর হলো রথ। রূপ, রস, শব্দ প্রভৃতি ইন্দ্রিয়ের বিষয় যেন সেই অশ্বগুলির রাজপথ। দেহ, মন ও ইন্দ্রিয়যুক্ত আত্মাই স্বয়ং ভোক্তা।

    স্বাভাবিক প্রশ্ন—তাহলে কর্তা কে? দেহ, মন অথবা ইন্দ্রিয়? উপনিষদের উত্তর–দেহ, মন আর ইন্দ্রিয়যুক্ত আত্মাই কর্তা। ইনি আবার কোন্ আত্মা? ‘জীব’ বা ‘জীবাত্মা’? প্রকৃত আত্মা হলেন ‘পরমাত্মা’ অথবা ‘শুদ্ধ চৈতন্য’। অতঃপর উপনিষদের কাছে প্রশ্ন-পথের শেষ কোথাও আছে কি? না, রবীন্দ্রনাথের মতো বলব—

    “শেষ নাহি যে, শেষ কথা কে বলবে?
    আঘাত হয়ে দেখা দিল, আগুন হয়ে জ্বলবে।।
    সাঙ্গ হলে মেঘের পালা শুরু হবে বৃষ্টি ঢালা,
    বরফ-জমা সারা হলে নদী হয়ে গলবে।।
    ফুরায় যা তা ফুরায় শুধু চোখে,
    অন্ধকারের পেরিয়ে দুয়ার যায় চলে আলোকে।
    পুরাতনের হৃদয় টুটে আপনি নূতন উঠবে ফুটে,
    জীবনে ফুল ফোটা হলে মরণে ফল ফলবে।।”

    রবীন্দ্রনাথ তাঁর কাব্যিক সুষমায় উপনিষদকেই প্রকাশ করছেন—’ফুরায় যা তা ফুরায় শুধু চোখে’। উপনিষদ্ পথের নির্দেশ দিচ্ছেন—পথের পরিচয় দিচ্ছেন—

    “উত্তিষ্ঠত জাগ্ৰত প্ৰাপ্য বরান্নিবোধত।
    ক্ষুরস্যধারা নিশিতা দুরত্যয়া দুর্গং পথস্তৎ কবয়ো বদন্তি।।” (ঐ, ১।৩।১৪)

    —উপযুক্ত আচার্যের শরণ নিতে হবে। তাঁরা পথের নির্দেশ দেবেন। পথ অতি দুর্গম। ক্ষুরের তীক্ষ্ণ ধারের ওপর দিয়ে চলা। আচার্য কৃপা করে সেই পথ দিয়েই নিয়ে যান আত্মস্বরূপে।

    “অশব্দমস্পর্শমরূপমব্যয়ং তথাহরসং নিত্যমগন্ধবচ্চ যৎ।
    অনাদ্যনন্তং মহতঃ পরং ধ্রুবং নিচায্য তমৃত্যুমুখাৎ প্রমুচ্যতে।।” (ঐ, ১।৩।১৫)

    —মানুষের জীবনের লক্ষ্য আত্মজ্ঞান লাভ করা। সঘোষে জানায় না—আমি শব্দহীন, স্পর্শহীন, রূপহীন, গন্ধহীন, শাশ্বত, অবিনাশী, অনাদি, অনন্ত, হিরণ্যগর্ভের চেয়েও শ্রেষ্ঠ, নিত্যবস্তু আত্মাকে জানতে চাই, প্রতিষ্ঠিত হতে চাই; কিন্তু প্রতি পদে তার স্বগোতক্তি থেকে বোঝা যায়—তার অন্বেষণ হলো এমন কিছু যা সুন্দর, প্রেমময়, উজ্জ্বল, শান্ত, দান্ত, সৌম্য, শিব। মানুষ সঙ্কীর্ণতা থেকে উদারতায় যেতে চায়, অন্ধকার থেকে আলোতে। উপনিষদ্ আরো এক কদম এগিয়ে দিতে চায়—বাইরে নয় ভিতরে-

    “অঙ্গুষ্ঠমাত্রঃ পুরুষো মধ্য আত্মনি তিষ্ঠতি
    ঈশানো ভূতভব্যস্য ন ততো বিজুগুপ্সতে। এতদ্বৈ তৎ।।” (ঐ, ২।১।১২)

    -বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ পরিমাণ পুরুষ (ব্রহ্ম) দেহের অভ্যন্তরে বাস করেন। তিনি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে নিয়ন্ত্রণ করেন। সাধক যখন ব্রহ্মকে জানতে পারেন, তখন তিনি নিজেকে আর গোপন করেন না। জীবাত্মা ও পরমাত্মা এক ও অভিন্ন। ধূমহীন এক অগ্নিশিখা জীবের হৃদয়ে। তিনি পুরুষ। এই পুরুষ কালাধীশ। তিনি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের নিয়ামক। ইনি সতত বিদ্যমান। সর্বত্র বিদ্যমান।

    নচিকেতা যদি স্বামী বিবেকানন্দকে জিজ্ঞেস করতেন—জীবন ভাসতে ভাসতে যায় কোথায়, তাহলে অপূর্ব উত্তরটি পেতেন—

    “একখানা মেঘ চাঁদের ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে, তাতে এই ভ্রমের উৎপত্তি হচ্ছে যে, চাঁদটাই চলেছে। তেমনি প্রকৃতি, দেহ, জড়বস্তু—এইগুলি সচল, গতিশীল; এদের গতিতেই এই ভ্রম উৎপন্ন হচ্ছে যে, আত্মা গতিশীল। সুতরাং অবশেষে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, যে সহজাত জ্ঞান দ্বারা সর্বজাতির উচ্চনীচ সবরকমের লোক, মৃত ব্যক্তিদের অস্তিত্ব নিজেদের কাছেই অনুভব করে এসেছে, যুক্তির দৃষ্টিতেও তা সত্য।

    ‘প্রত্যেক জীবাত্মাই এক-একটা নক্ষত্রস্বরূপ, আর ঈশ্বররূপ সেই অনন্ত নির্মল নীল আকাশে এই নক্ষত্ররাজি বিন্যস্ত রয়েছে। সেই ঈশ্বরই প্রত্যেক জীবাত্মার মূল স্বরূপ, তিনি প্রত্যেকের যথার্থ স্বরূপ, প্রত্যেকের প্রকৃত ব্যক্তিত্বই তিনি। কতকগুলি জীবাত্মারূপ তারকা—যাঁরা আমাদের দিগন্তের বাইরে চলে গেছেন, তাঁদের সন্ধানেই ধর্ম জিনিসটার আরম্ভ; আর এই অনুসন্ধান সমাপ্ত হলো—যখন তাঁদের সকলকেই ভগবানের মধ্যে পাওয়া গেল এবং আমরা আমাদের নিজেদেরও যখন তাঁর মধ্যে পেলাম।”

    পথের শেষ কোথায়? আপাত সহজ দৃষ্টিতে—মৃত্যুতে। থাকতে থাকতে না থাকায়। এই প্রসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণের কয়েকটি প্রত্যক্ষ দর্শন উল্লেখের প্রয়োজন আছে। স্বয়ং অবতার মথুরবাবুর হাত ধরেছিলেন। তাঁকে চালাচ্ছিলেন। মথুরবাবু যেদিন নশ্বর দেহ ত্যাগ করবেন, সেদিন ঠাকুর হৃদয়কেও দেখতে পাঠালেন না। কালীঘাটে তাঁর দেহত্যাগের কয়েক ঘণ্টা আগে ঠাকুর দক্ষিণেশ্বরে গভীর ধ্যানমগ্ন হলেন। জ্যোতির্ময় বর্থে দিব্য শরীরে ভক্ত মথুরের শয্যাপার্শ্বে গিয়ে দাঁড়ালেন। তখন বিকেল পাঁচটা! ঠাকুরের কী অপূর্ব দর্শন! আত্মার এক লোক থেকে আরেক লোকে গমনের কী আয়োজন! দিব্যরথ এসেছে। ঠাকুর দেখছেন—”শ্রীশ্রীজগদম্বার সখীগণ মথুরকে সাদরে দিব্যরথে তুলে নিলেন—তার তেজ শ্রীশ্রীদেবীলোকে গমন করল।” পরে ঠাকুর ভক্তদের বলেছিলেন, পুণ্যলোকে গেলেও ওকে আবার আসতে হবে। ভোগবাসনার সম্পূর্ণ ক্ষয় হয়নি।

    বৃদ্ধ মণিমোহন পুত্রশোকাতুর। শ্রীরামকৃষ্ণ বলছেন : “আহা! পুত্রশোকের মতো কি আর জ্বালা আছে? খোলটা (দেহ) থেকে বেরয় কিনা! খোলটার সঙ্গে সম্বন্ধ—যতদিন খোলটা থাকে ততদিন থাকে।” ঠাকুর নিজের ভ্রাতুষ্পুত্র অক্ষয়ের মৃত্যুর কথা তাঁকে বলছেন। নিজে তখন বিমর্ষ গম্ভীর। “অক্ষয় মলো—তখন কিছু হলো না। কেমন করে মানুষ মরে, বেশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলুম। দেখলুম—যেন খাপের ভেতর তলোয়ারখানা ছিল, সেটাকে খাপ থেকে বার করে নিলে; তলোয়ারের কিছু হলো না—যেমন তেমনি থাকল, খাপটা পড়ে রইল! দেখে খুব আনন্দ হলো, খুব গান করলুম, নাচলুম, হাসলুম। তার শরীরটাকে তো পুড়িয়ে-ঝুড়িয়ে দিয়ে এল! তারপর এল শোক।”

    প্রশ্ন হলো, জীবন-পথ কি দুটো? ধর্মের পথ, অধর্মের পথ? অবশ্যই নয়। তাহলে পথিক কে? স্বয়ং ভগবান। শৈশবের একটি দৃশ্য মনে আসছে। এক ফেরিওলা। মাথায় তার ঝুড়ি, হাঁকতে হাঁকতে যাচ্ছে—পুতুল নেবে, পুতুল? সেই ঝুড়ি থেকে মুখ বের করে আছে শ্রীরামচন্দ্র, সঙ্কীর্তনানন্দে মহাপ্রভু, গোরা সৈন্য, পেটমোটা ব্রাহ্মণ, লাঠিধারী সিপাই, বাঁদর, ভাল্লুক।

    ভগবান মাথায় ঝুড়ি নিয়ে সৃষ্টির পথ ধরে হাঁটছেন। মাথায় ঝুড়ি। এই নাও, গাছে ছেড়ে দিলুম বাঁদর, চিরকাল ঝুলে থাক বানর-বংশ। বনে ঢুকিয়ে দিলুম বাঘ, ছুটিয়ে দিলুম সুন্দরী হরিণ। আর সমস্যাটা তৈরি করে দিলুম চৈতন্যময় মানুষের বিভাগে—এই নাও রাম, রাবণও দিলুম। শ্রীচৈতন্যের সঙ্গে জগাই- মাধাই। পাণ্ডবদের বিপক্ষে হাজির কৌরব। আবার শ্রীকৃষ্ণ উভয় কুলের সখা।

    স্বামীজী ঠাকুরের সঙ্গে প্রথম মিলনের দিনে অযোধ্যানাথ পাকড়াশীর যে- গানটি গেয়েছিলেন, সেইটিতেই এই পথের অতুলনীয় প্রকাশ আছে। মনে হয়, সব কথার শেষকথা—

    “সত্যপথে মন কর আরোহণ
    প্রেমের আলো জ্বালি চল অনুক্ষণ
    সঙ্গেতে সম্বল রাখ পুণ্যধন, গোপনে অতি যতনে,
    লোভ মোহ আদি পথে দস্যুগণ পথিকের করে সর্বস্ব হরণ
    পরম যতনে রাখরে প্রহরী শম দম দুইজনে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article শ্বেতপাথরের টেবিল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }