Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প809 Mins Read0
    ⤶

    মা জানেন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মা জানেন

    জীবনে কি করলে? কি পেলে? সফল মানুষ কাদের বলে জান? ইউরোপ, আমেরিকা। পদমর্যাদা। ‘সেমিনার’। ফাটাফাটি নাম। খেতাবের পর খেতাব। হৈহৈ, রৈরৈ। তুমি কি করলে?

    ঠাকুর! ওরা যে এইসব বলছে ঠাকুর!

    আমার কাছে পালিয়ে এস। তোমার ভিতরে বুকের কাছটিতে আমাদের দুজনকে বসিয়ে রাখ। যেন কোন ফাঁকফোকর না থাকে। তোমাদের মা বলেছেন না—’আমি আর তোমাদের ঠাকুর অভেদ?’ যে যা বলছে বলুক। দেখে যাও, আর শুনে যাও। “শুনিস নে তুই ভবের কথা/সে যে বন্ধ্যার প্রসব- ব্যথা।” তুমি চল—এগিয়ে যাও, এগিয়ে যাও। আমরা তোমার সঙ্গে আছি।

    ঠাকুর! ওদের একটু বিজ্ঞানের কথা দিয়ে গর্ব হরণ করব! ঐ উন্নাসিক, সবজান্তাদের। পৃথিবীর জায়গিরদার!

    পারবে?

    আপনিও শুনুন না। পৃথিবীর এক বিখ্যাত বিজ্ঞানী—আমেরিকান—মানুষের কত দাম খতিয়ে বের করেছেন। মানবদেহের মূল্য মাত্র দশ ডলার! ভারতীয় মুদ্রায় শ-পাঁচেক টাকার বেশি নয়।

    কি হিসেবে?

    একটা মানুষের দেহ কি কি উপাদানে তৈরি! আমাদের দেহের বেশির ভাগটাই হলো জল। পৃথিবীতে জলের কোন দাম নেই। দ্বিতীয় উপাদান কার্বন কার্বন আর কয়লা মোটামুটি একই বস্তু। কয়লার দাম খুব বেশি নয়। মণখানেক কয়লার দাম বড় জোর পঞ্চাশ টাকা। এইবার হাড়ের কাঠামোটা! হাড় হলো চক বা খড়ি। তারই বা কত দাম? এরপর আছে নাইট্রোজেন—শরীরের প্রোটিন বস্তুতে। নাইট্রোজেনও সস্তা, এমন কিছু দামী বস্তু নয়। এরপর খানিকটা লোহা চাই রক্তের জন্য। গোটাকতক মরচে ধরা পেরেক হলেই হবে। অতএব বৎস! কিসের তোমার এত হম্বিতম্বি! তোমাকে ‘মানুষ’ না বলে যদি ‘মাল’ বলি, সেই মালের দাম চারশ কি পাঁচশ! বড় কোম্পানির এক জোড়া জুতোর দাম তোমার চেয়ে বেশি। কেমন হলো?

    বেশ হলো। এইবার উদ্ধার কর। এদিকের হিসেব হলো, এইবার ওদিকের। হ্যাঁ, ওদিকের। একজন বিজ্ঞানীকে এইসব উপাদান দিলে তিনি কি মানুষ তৈরি করতে পারবেন? যাঁরা রাসায়নিক পদার্থ বিক্রি করেন, তাঁদের কাছে গিয়ে বলা হলো, মানুষ তৈরির উপাদান দিন। অণুর আকারে। জল, কার্বন, নাইট্রোজেন, আয়রন আর ক্যালসিয়াম। কত দাম পড়বে? দশ মিলিয়ন ডলার। সে কি? মানুষের ছাইয়ের দাম পাঁচশ টাকা, আর সেই উপাদান পৃথিবীর দোকানে কিনতে গেলে পাঁচ কোটি টাকা!

    যাক, মানুষের দেহ-গৌরব অনেকটাই বাড়ল!

    আরো বাড়বে। এইবার একটা কাঁচের জারে পরিমাণ-মতো ঐ উপাদানগুলি ঢালা হলো। এইবার যন্ত্রের সাহায্যে আচ্ছা করে মেশানো হলো। এইবার অপেক্ষা। দিন যায়, মাস যায়। বছর ঘুরে ঘুরে আসে, কৈ জার থেকে একটা মানুষ তো বেরিয়ে আসে না! কোনদিনই আসবে না।

    অনন্ত, অনন্ত, অনন্ত সমুদ্রের তটভাগ যেন এই ছোট্ট পৃথিবী।

    “The surface of the earth is the share of the Cosmic Ocean. ‘ আজ আমরা আমাদের সম্পর্কে যতটুকু জেনেছি, তা এইখান থেকেই জেনেছি। হেঁটে হেঁটে ঐ সীমাহীন সমুদ্রের কিনারা পেরিয়ে সাহস করে যতটুকু গেছি, তাতে আমাদের পায়ের গোড়ালিটুকু ভিজেছে মাত্র। ঐ অনন্তের বড় মায়া। অবিরত তার আহ্বান—’আয়, আয়, চলে আয়। দেখবি আয়, কোথা থেকে গেছিস কোথায়? তুই কোন্ কাননের ফুল!” “The ocean calls. Some part of our being knows this is from where we came. We long to return.“ “মন চলো নিজ নিকেতনে।”

    মহাবিশ্বে, মহাকাশে “We float like a mote of dust in the morning sky.” ভোরের আকাশে তুচ্ছ এক ধূলিকণা আমাদের এই রঙদার পৃথিবী। আমাদের যত কলরব, যত হুঙ্কার, জ্ঞানেরই বড়াই, অহঙ্কার—সব তুচ্ছ। অনন্ত এর কোন খবরই রাখে না। আমাদের পৃথিবীর মাপ, সময়, ঘড়ি সেখানে অচল। একমাত্র মাপ ‘আলোকবর্ষ’। আলোর গতি সেকেণ্ডে ১,৮৬,০০০ মাইল। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আসতে আলোর সময় লাগে আট মিনিট। অর্থাৎ পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব আট আলোক মিনিট। এইবার এই আলো এক বছরে যতদূর যেতে পারে, সেইটাই আমাদের মাপক। আলোকবর্ষ—ছয় ট্রিলিয়ান মাইল। এই হলো অনন্তকে মাপার বিজ্ঞানীদের ফিতে।

    “(ও) তুই যেদিক যাবি দেখতে পারি জলে জলাকার/(ও তার) নাহি অন্ত দিগদিগন্ত অপার পাথার।” তাহলে! “We are like butterflies who flutter for a day and think it is forever.” হায় প্রজাপতি! তোমার একটা দিনকেই চিরদিন ভাবলে! গতকাল, সে কতকাল? আগামীকাল, সেই বা কত কাল! সাত কোটি বছর পার হয়ে গেছে।

    প্রাচীন, প্রাচীন, কত প্রাচীন!

    মাথা ঘুরে যায়! ‘কোথা হতে আসি! কোথা ভেসে যাই?’ পনের থেকে কুড়ি বিলিয়ন বছর। বিলিয়নের আভিধানিক বাঙলা হলো—মহাপদ্ম গণিতে ১,০০০,০০০,০০০,০০০। আপনি ঠাকুর কী অসাধারণ একটি সত্য বললেন, যা বিজ্ঞানীর বিজ্ঞান—ঐ ১-কে সরিয়ে নাও, সব শূন্য।

    সেই ‘এক’-এর সন্ধান! “নাহি সূর্য, নাহি জ্যোতিঃ।” কেউ নেই, কিছু নেই। নিস্তরঙ্গ সমাধি। ঘোষ, বোস, মিত্তির, টম, ডিক, হ্যারি, কেঁচো, ব্যাঙ, বনমানুষ, হাতি, ছুঁচো, পণ্ডিত, মূর্খ, তোলাবাজ, মামলাবাজ—কেউ নেই, কিছু নেই। আছেন শুধু absolute — স্বয়মাত্মা। আছেন সেই এক। এক না থাকলে দুই আসে কোথা থেকে! আবার দুই আছে বলেই না এককে নিয়ে টানাটানি! প্ৰথম আদি।

    নেই, নেই হঠাৎ আছে, আছে। এই যে ক্ষণ—একটি চমক, একটি ঝলক, একটি বিস্ফোরণ, একটি শব্দ—অ উ ম—ওম্। বিজ্ঞানীরা বললেন : Α remarkable explosive event called the ‘Big Bang’.” “প্ৰথম আদি তব শক্তি।” বিশাল, বিশাল, বিপুল এক অগ্নিগোলক।

    সর্বকালের মানবগোষ্ঠীর ভাবুক অংশ নিজেদের মতো করে ভেবেছে—বিশ্ব এল কোথা থেকে? নরওয়ের রূপকথার একটি সঙ্কলনের নাম-’Younger Edda’। প্রাচীন একটি গ্রন্থ প্রায় নয়শ বছর আগে ১২২০ সাল নাগাদ সঙ্কলিত। তৎকালীন আইসল্যান্ডের এক মহৎ ব্যক্তি স্মরি স্টারলেসন কর্তৃক সঙ্কলিত। ‘এডডা’ বলছেন—শুরুতে কিছুই ছিল না। পৃথিবী নেই, মাথার ওপর স্বর্গও নেই। বিশাল এক শূন্যতা। কোথাও ঘাস নেই। উত্তরে হিমাঞ্চল, তার নাম ‘নিলহেইম’, আর দক্ষিণে অগ্নির অঞ্চল, তার নাম ‘মাসপেলহেইম’। দক্ষিণের অগ্নিবলয়ের উত্তাপে উত্তরের হিমমণ্ডলের বরফের কিছুটা গলে জল তৈরি হলো। সেই জলবিন্দুতে জন্মাল এক দৈত্য, তার নাম ‘ওয়াইমের’। এই দৈত্য কি খেয়ে বাঁচবে? তাহলে একটা গরুও ছিল, তার নাম ‘আউধুমলা’। এখন সেই গরু কি খাবে? তাহলে কিছু লবণও ছিল। সৃষ্টিতত্ত্বের এই সরল গতি

    ষোড়শ আর সপ্তদশ শতকে এল আধুনিক বিজ্ঞান। পদার্থবিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান। ১৯৫০ সাল অবধি বিজ্ঞানীরা ভাবতেন বিশ্ব নিয়ে; সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা খুব সম্মানজনক নয়। হাতে কোন তথ্য নেই, পরীক্ষা করে দেখার মতো উপাদান নেই, যন্ত্র নেই। এই এক দশকে বিজ্ঞানে হঠাৎ এসে গেল বিপ্লব। এখন মহাকাশ-গবেষণা এক অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। হে আকাশ, খোল তব স্তব্ধ নীল যবনিকা। মানুষের সামর্থ্যে যতদূর যাওয়া যায় ততদূর গিয়ে দেখা যাচ্ছে—গভীর ঘন অন্ধকারে ঘুরপাক খাচ্ছে মহামায়ীর টায়রা থেকে খসে পড়া শত শত উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। কোনটা অতি উজ্জ্বল শুভ্র আলোকসম্পন্ন তরুণ নক্ষত্র, কোনটা নীল, কোনটা প্রবীণ লাল—জ্বলতে জ্বলতে আলো দিতে দিতে যার দিন শেষ হতে চলেছে। ছুটে আসছে অপ্সরার মতো ঝিলমিল আলোর রোশনি তুলে কোন অ-ঘন তারকা। একে অপরের গা ঘষে চলে যাচ্ছে, যাওয়ার সময় নিজেদের পারস্পরিক আকর্ষণ-ক্ষমতায় নিজেদের শরীর থেকে আকাশের আঙিনায় ছড়িয়ে দিচ্ছে ছিন্ন টুকরো অংশ। সেই অংশ ভাসতে ভাসতে চলে যাচ্ছে মহাবিশ্বের সেই মহাফেজখানায়, যেখানে জমা হয় যত ধূমকেতুর মশলা। নিশ্ছিদ্র অন্ধকারে হঠাৎ চমকে উঠতে হয়—এ কে? এই তামসী বস্তুপিণ্ড! আকাশ জুড়ে পড়ে আছে বিধাতার মৃত্যুলিপির মতো। বিজ্ঞানী বলবেন—ভয়ঙ্কর এক মৃত নক্ষত্র, ‘ব্ল্যাকহোল’, ঘনীভূত মাধ্যাকর্ষণ শক্তিতে গিলে ফেলতে পারে কোটি বিশ্ব। এক-একটি ‘মৃত্যুরূপা কালী’। যার বলয়ে সময় ঘুরছে বিপরীত সঙ্কেতে। যদি কোন মানব নিজের অস্তিত্ব বিপন্ন না করে এর কিনারায় বার সাতেক প্রদক্ষিণ করে সময়ের পৃথিবীতে ফিরে আসে, সে দেখবে পাহাড়ি উপত্যকায় মোজেস বসে আছেন। যে-সভ্যতা ভূপৃষ্ঠ থেকে মুছে গেছে, সেই সভ্যতায় হাজির হবে। ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যানে গোলাপের গন্ধ নেবে। শুনতে পাবে নিরোর বেহালাবাদন।

    মায়া সভ্যতার মায়ানদের ধর্মগ্রন্থের নাম ‘পোপোল ভু’। সেখানে আছে কে ঐ আদিমানব, যাদুকর মরণ-হাসি হাসছ! তুমি মহানিশার গুণিন, অমাবস্যা। বাতাসে তোমার পোশাক তোমার জটাজাল উৎক্ষিপ্ত! তুমি মারণ, উচাটনের দূত। পৃথিবীটাকে ভরে ফেললে! তোমাদেরই নাম হলো ‘মানুষ’। স্ৰষ্টা তোমাদের দিলেন বুদ্ধি আর চাতুর্য। এই জগতের যাবতীয় রহস্য তোমরা একদিন জেনে যাবে। তাই তো হলো। তাকানো মাত্রই বুঝে গেলে—ঐ তো স্বর্গের বলয়, এই তো আমাদের বর্তুলাকার পৃথিবী। স্রষ্টা সঙ্গে সঙ্গে সাবধান হলেন—’এরা যে সব জেনে যাচ্ছে, এদের নিয়ে আমি এখন কি করি! তবে তাই হোক, অহঙ্কার খর্ব করে দিই। শোন মনুষ্যকুল! তোমাদের ইন্দ্রিয় যতটুকু জানবে ততটুকুই জানবে। চোখ যতদূর যায় ততদূরই তোমাদের সীমা। নিকট নিয়ে থাক, পৃথিবীর মুখমায়ার সামান্যতম দর্শনে মোহিত হও। তোমরা মানুষ আমার সৃষ্টি। তোমরা ভগবান হবে? এ কেমন স্পর্ধা!

    এই পর্যন্ত এসে রবীন্দ্রনাথে যেতে ইচ্ছে করছে! এমনটি কে আবার লিখবেন কোন কালে?—

    “জগতেরে জড়াইয়া শত পাকে যামিনী-নাগিনী
    আকাশ পাতাল জুড়ি ছিল পড়ে নিদ্রায় মগনা,
    আপনার হিম দেহে আপনি বিলীনা একাকিনী।
    মিটিমিটি তারকায় জ্বলে তার অন্ধকার ফণা।
    উষা আসি মন্ত্র পড়ি বাজাইল ললিতরাগিণী।
    রাঙা আঁখি পাকালিয়া সাপিনী উঠিল তাই জাগি—
    একে একে খুলে পাক, আঁকি বাঁকি কোথা যায় ভাগি!
    পশ্চিমসাগরতলে আছে বুঝি বিরাট গহ্বর,
    সেথায় ঘুমাবে বলে ডুবিতেছে বাসুকিভগিনী
    মাথায় বহিয়া তার শত লক্ষ রতনের কণা।
    শিয়রেতে সারাদিন জেগে রবে বিপুল সাগর।
    নিভৃতে স্তিমিতদীপে চুপি চুপি কহিয়া কাহিনী
    মিলি কত নাগবালা স্বপ্নমালা করিবে রচনা।”

    ঠাকুর!

    বল!

    এইবার আপনি বলুন ঠাকুর।

    শোন তবে তন্ত্রের কথা। আঁধারে ধ্যান, এইটি তন্ত্রের মতো। তখন সূর্যের আলো কোথায়? তন্ত্রসাধনের সময় আমি ব্রহ্মযোনি দর্শন করেছি। প্রতি মুহূর্তে অসংখ্য ব্রহ্মাণ্ড প্রসব করছে দেখলাম। ব্রহ্মাণ্ডান্তর্গত পৃথক পৃথক ধ্বনি একত্রীভূত হয়ে এক বিরাট প্রণবধ্বনি প্রতি মুহূর্তে জগতের সর্বত্র স্বত উদিত হচ্ছে। কুলাগারে আমার দেবীদর্শন হয়েছে। স্ত্রীযোনির মধ্যে আমি শ্রীশ্রীজগদম্বাকে সাক্ষাৎ অধিষ্ঠিতা দেখেছি। আদ্যাশক্তি লীলাময়ী, সৃষ্টি-স্থিতি- প্রলয় করছেন। তাঁরই নাম ‘কালী’। কালীই ব্রহ্ম, ব্রহ্মই কালী! একই বস্তু, যখন তিনি নিষ্ক্রিয়—সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয় কোন কাজ করছেন না—এই কথা যখন ভাবি, তখন তাঁকে ‘ব্রহ্ম’ বলে কই। যখন তিনি এইসব কাজ করেন তখন তাঁকে ‘কালী’ বলি, ‘শক্তি’ বলি। তিনি একরূপে নিত্য, একরূপে লীলা। বেদান্তে কি আছে? ব্ৰহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা।

    ঠাকুর! ব্রহ্ম হলো অনন্ত। অবশ্যই সত্য। আর এই অনন্তের সীমাহীন সীমায় পৃথিবী আছে কি নেই! মহাকাশের একপাশে ছায়াপথের ধারে এইটুকু একটা বিন্দু। সে থাকাও যা, না থাকাও তা!

    শোন, শোন, বিশ্বব্রহ্মাণ্ড যেখানে আছে থাক। আমার কথা শোন, ‘আমি’টা তো আছে! সেইটাই যে বাপু বিশ্বদর্পণ! ‘ভক্তের আমি” আর “ভগবানের লীলা’। ‘আমি’ যখন তিনি পুঁছে ফেলবেন, তখন যা আছে তাই আছে।

    ঐ যে ‘জ্ঞানসঙ্কলিনী তন্ত্র’ বলছেন :

    “অব্যক্তাচ্চ ভবেৎ সৃষ্টিরব্যক্তাচ্চ বিলীয়তে।
    অব্যক্তং ব্রহ্মণো জ্ঞানং সৃষ্টিঃ সংহারবর্জিতম্।।”

    অব্যক্ত মহাব্যোম থেকে ব্যক্ত বিশ্বের আবির্ভাব। আবার অব্যক্তেই লয়। “ওঠে ভাসে ডুবে পুনঃ অহং-স্রোতে নিরন্তর।”

    বিশ্বের আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গে ‘আমি’র আবির্ভাবের কথাটি স্মরণে রাখতে হবে। প্রকাশ। ‘যতক্ষণ আমি’ রেখে দিয়েছেন, ততক্ষণ সবই নিতে হবে। কলাগাছের খোল ছাড়িয়ে ছাড়িয়ে মাজ পাওয়া যায়। কিন্তু খোল থাকলেই মাজ আছে, মাজ থাকলেই খোল আছে। খোলেরই মাজ, মাজেরই খোল। নিত্য বললেই লীলা আছে বোঝায়। লীলা বললেই নিত্য আছে বোঝায়। তিনি জীবজগৎ হয়েছেন, চতুর্বিংশতি তত্ত্ব হয়েছেন। যখন নিষ্ক্রিয়, তখন তাঁকে ‘ব্ৰহ্ম’ বলি। যখন সৃষ্টি করছেন, পালন করছেন, সংহার করছেন—তখন তাঁকে ‘শক্তি’ বলি। ব্রহ্ম আর শক্তি অভেদ। ভক্তেরা–বিজ্ঞানীরা—নিরাকার-সাকার দুই-ই লয়—অরূপ-রূপ দুই-ই গ্রহণ করে।

    যতক্ষণ মনের দ্বারা বিচার, ততক্ষণ নিত্যতে পৌঁছানো যায় না। মনের দ্বারা বিচার করতে গেলেই জগৎকে ছাড়বার জো নেই; রূপ, রস, গন্ধ, স্পর্শ, শব্দ—ইন্দ্রিয়ের এইসকল বিষয়কে ছাড়বার জো নাই। দেখ না, একটা জিনিস দেখতেই কতগুলো দরকার—চক্ষু দরকার, আলো দরকার, আবার মনের দরকার। এই তিনটির মধ্যে একটি বাদ দিলে তার দর্শন হয় না।

    তাহলে কি জানব? কতটা জানব? কারণ, “Nature does not reveal her mysteries once and for all (Seneca).” বিশ্বচরাচর অবিরত প্রসারিত হচ্ছে। Expanding Universe. এতকাল আমরা আকর্ষণের কথা শুনেছি, এইবার বিকর্ষণের পালা। Gravity আর anti-gravity। আইনস্টাইন এই anti-gravity-র ধারণা এনেছিলেন। কেমন করে কোয়ান্টাম তত্ত্ব আর এতকালের মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্বকে একত্র করে ‘ইউনিফায়েড ফিল্ড থিয়োরি’তে আসা যায়! ‘অ্যান্টিগ্র্যাভিটি’কে তিনি করতে চেয়েছিলেন ‘কসমোলজিক্যাল কনস্ট্যান্ট’। প্রমাণাভাবে এই তত্ত্ব নিয়ে তিনি আর অগ্রসর হননি। সম্প্রতি মানবের উন্নত প্রযুক্তি আইনস্টাইনের সেই তত্ত্বের সত্যতার ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়েছে—”A kind of anti- gravity that repels objects from each other.” হাবল টেলিস্কোপের এ এক যুগান্তকারী দর্শন। Dark energy অর্থাৎ negative gravity-তে বিশ্ব আচ্ছন্ন।

    অনেক ছুটলে, এইবার তোমাদের মায়ের কাছে গিয়ে শুনে নাও। তোমাদের মা কি বলছেন—”মায়ার রাজ্যে সর্বজ্ঞ হওয়া একমাত্র ঈশ্বরেই সম্ভবে। চিত্রকর যেমন তুলি দিয়ে চোখটি, মুখটি, নাকটি—এমনি একটু একটু করে পুতুলটি তয়ের করে, ভগবান কি অমনি একটি একটি করে সৃষ্টি করেছেন? না, তাঁর একটা শক্তি আছে। তাঁর ‘হাঁ’তে জগতের সব হচ্ছে, ‘না’তে লোপ পাচ্ছে। যা হয়েছে সব এককালে হয়েছে। একটি একটি করে হয়নি।”

    একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন হবে। বিশিষ্ট কেউ শঙ্খধ্বনিতে পর্দাটি সরাবেন। ভিতরে উজ্জ্বল আলো। কত বিচিত্র সব বস্তু থরে থরে প্রদর্শিত। উন্মোচন। কে এই উন্মোচক! বোধ, আর বুদ্ধিযুক্ত মন। আমি দেখছি, আমি বুঝছি, তাই সব আছে। নয় তো নেই। “It remains ever illumined by its own radiance.’ (Rig Veda)। একটি ‘তাও’ কবিতায় ইতি হোক এই আলোচনার—

    “Clay is moulded into vessels,
    And because of the space where nothing exists
    We are able to use them as vessels,
    Doors and windows are cut in the walls of a house
    And because they are empty spaces
    We are able to use them.
    Therefore on the one hand we have
    The benefit of existence
    And on the other we make use of non-existence.”

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article শ্বেতপাথরের টেবিল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }