Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প809 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তত্র সর্বাণি তীর্থানি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    তত্র সর্বাণি তীর্থানি

    ঠাকুর বলেছিলেন, রানী রাসমণি জগদম্বার অষ্ট সখীর এক সখী; তাঁর পূজার প্রচারের জন্যে এসেছিলেন, এসেছিলেন তাঁর মহিমা প্রচারের জন্যে। দুশ বছরের পারে এসে আমরা যোগ করছি—ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ যা বলেছেন তা যথার্থ এবং অভ্রান্ত; এছাড়াও আরো কিছু, তা হলো—রাসমণি ছিলেন নারীর আধুনিক রূপের এক আদর্শ, চিরকালের অনুকরণযোগ্য একটি মডেল। ঠাকুর দেখিয়ে গেলেন, ধর্ম কি! সমস্ত সংস্কারমুক্ত আদর্শ হিন্দুধর্মকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে গেলেন। জীবের মধ্যে শিবকে প্রত্যক্ষ করতে বললেন। বললেন : “যত মত তত পথ।” বেদান্তের আধুনিক রূপ তিনি খুলে দিলেন। সেই আলো-হাতে স্বামীজী উঠে দাঁড়ালেন বিশ্বধর্মমহাসম্মেলনের মঞ্চে। ভারতধর্ম হয়ে গেল বিশ্বধর্ম।

    আর এই ধর্ম যে-বেদিতে প্রতিষ্ঠিত হবে, সেই বেদিটি নির্মাণ করে মার্জনা করেছিলেন রানী রাসমণি। সাড়ম্বরে সামান্য একটি মন্দির তিনি প্রতিষ্ঠা করেননি। তিনি ইতিহাসের প্রয়োজনে ইতিহাস রচনা করতে এসেছিলেন। তিনি মানবী; কিন্তু তাঁকে এখানে পাঠিয়েছিলেন মহাকালের কর্ত্রী। তাঁকে আমরা কালীও বলতে পারি; কারণ কালকে যিনি কলন করেন তিনিই কালী। তা নাহলে দুশ বছর আগে বাংলার অখ্যাত এক গ্রামে, অখ্যাত এক পরিবারে তাঁর আবির্ভাব, তাঁর বিকাশের ধারার কোন ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া কঠিন।

    মহাকালের ঐ পাদে ইতিহাস যে-পথে মোড় নেবে তা ঠিক করাই ছিল। প্রয়োজনীয় চরিত্রগুলি একে একে এসে গেল। আদর্শ গ্রন্থে নেই, উপদেশে নেই। আদর্শ আছে জীবনে। কর্মে তার প্রতিফলন। জীবনকে অনুসরণ করে গ্রন্থ। ধর্মও মানুষকে কেন্দ্র করে, ইতিহাসও তাই। যেমন মূর্তি দেবতা নন, দেবতা হলেন মানুষের মন, মানুষের ভাবনা, মানুষের জীবনদর্শন। দেব অথবা দেবীমূর্তিতে ঘনীভূত হয়ে আছে ইতিহাস, জীবনমুখী আদর্শ, ত্যাগ, বৈরাগ্য, তিতিক্ষা, নির্ভরতা, শান্তি, সখ্যতা। সভ্যতার ইতিহাসকে হাজার হাজার বছর গড়াতে দিয়ে কাল হঠাৎ থমকে দাঁড়াল পর্যালোচনার জন্যে। এইবার মানুষকে ভাবতে হবে—জীবনের সঙ্গে ধর্মের সমন্বয় কিভাবে হবে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে ধর্মের মিলন হবে মানবজীবনের কোন্ ভূমিতে দাঁড়িয়ে। এই পরীক্ষা হবে কোথায়? হবে প্রাচ্যে। গঙ্গাতীরবর্তী অখ্যাত এক গ্রামে। এই সমন্বয়কারী ধর্মের ভিত্তি কে নির্ধারণ করবেন? অখ্যাত এক রমণী।

     

     

    শ্রীচৈতন্য এসেছিলেন নবদ্বীপে। মানবকল্যাণে সেই কালে প্রয়োজন ছিল দুটি অস্ত্রের—প্রেমভক্তি ও বিদ্রোহের। বিদ্রোহ কেন? অত্যাচারীর অশুভ শক্তির নিয়ন্ত্রণে প্রেম নয়, প্রয়োজন বিদ্রোহের। সংস্কার যদি বন্ধনের কারণ হয়, নিপীড়নের কারণ হয়—সে শাস্ত্রের অনুশাসনই হোক আর রাজাদেশই হোক, বিদ্রোহে চুরমার করে দিতে হবে। সংস্কার না হলে প্রতিষ্ঠা হয় না। এই প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথকে উদ্ধৃত না করে পারা যাবে না—

    “দেবতা এলেন পর-যুগে
    মন্ত্র পড়লেন দানব দমনের
    জড়ের ঔদ্ধত্য হলো অভিভূত
    জীবধাত্রী বসলেন শ্যামল আস্তরণ পেতে।
    ঊষা দাঁড়ালেন পূর্বাচলের শিখরচূড়ায়,
    পশ্চিমসাগরতীরে সন্ধ্যা নামলেন মাথায়
    নিয়ে শান্তিঘট।” (‘পৃথিবী’)

     

     

    মহাপ্রভু বলছেন : “পাষণ্ডী সংহারিতে মোর এই অবতার/পাষণ্ডী সংহারি ভক্তি করিমু প্রচার।।” বিশাল শরীর, সিংহের মতো বিক্রম, প্রবল হুঙ্কার, আবার কুসুমের মতো কোমল, সঙ্কীর্তনানন্দে বিভোর, দরবিগলিতাশ্রু। সঙ্কীর্তন-মণ্ডপে প্রবেশ করে কাজি মৃদঙ্গ ভেঙে, সব লণ্ডভণ্ড করে ফতোয়া জারি করলেন—নবদ্বীপে তাঁর চৌহদ্দিতে নাম-সঙ্কীর্তন চলবে না। নিষেধ অমান্যকারীকে বেত্রাঘাত করা হবে। হিন্দুরাও এসে নালিশ করে গেল—এ কি বিধর্মিতা! ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর, কালী, তারা, দুর্গা ভেসে গেল, দিবারাত্র কেবল কৃষ্ণ কৃষ্ণ। এ পাপ কবে যাবে! গয়া থেকে ফিরে এসে এ যে বড় বাড়াবাড়ি করছে, কাজিসাহেব!

    মহাপ্রভু সব শুনে হুঙ্কার ছাড়লেন, তাই না কি! তাহলে চল সবাই, পাষণ্ডী সংহারি। নবদ্বীপের সমস্ত গৃহে আজ রাতে জ্বলবে আলো। যেখানে যত খোল আর করতাল আছে নিয়ে এস। জ্বালাও মশাল।

    “লক্ষকোটি দীপ সব চতুর্দিকে জ্বলে।
    লক্ষকোটি লোক চারিদিগে হরি বোলে।।

     

     

    *

    করতাল মন্দিরা সভার শোভে করে।
    কোটি সিংহ জিনিয়া সভেই শক্তি ধরে।।”

    বৃন্দাবনদাস লিখছেন : “ক্রোধে হইলেন প্রভু রুদ্রমূর্তিধর।” আজ আমি কাজির ঘরদ্বার সব পুড়িয়ে দেব। মহামিছিল। মহাকীৰ্তন। সমগ্র নবদ্বীপবাসী নেমে পড়েছেন পথে। আলোয় আলোময়। নেতা শ্রীচৈতন্য। বৃন্দাবনদাস বলছেন : “কি শোভা হইল সে বলিতে শক্তি কার!” প্রবল বন্যায় কাজি ভেসে গেলেন। পরাভূত হলেন।

    মহাপ্রভু এক হাতে প্রেম অন্য হাতে আধ্যাত্মিক শক্তি বিকিরণ করেছেন। আধ্যাত্মিক শক্তির দুটি দিক—দুটি ফলা। এক ফলায় নিজের তামস কাটে, তমোগুণ নাশ করে। আরেক ফলায় বাইরের অশুভ, বিরোধী শক্তিকে খানখান করে। সেখানে অদ্ভুত এক অহঙ্কারের প্রকাশ যাকে অনেক সময় রজোগুণ বলে ভুল হতে পারে, ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ যাকে বলছেন, সত্ত্বের অহঙ্কার। অহঙ্কার খারাপ। অহঙ্কারেরও তিনটি সত্তা। তম, রজ এবং সত্ত্ব। ঠাকুর বলছেন, সাত্ত্বিক আমি-র যে অহঙ্কার, সেই অহঙ্কার ভাল। মাথা নত করব একমাত্র তাঁর কাছে, আর কারো কাছে নয়। ঠাকুরের সেই সাপের গল্প। ছোবল মারতে বারণ করেছি, ফোস করতে তো বারণ করিনি। আধ্যাত্মিকতা মানুষকে ক্লীব করবে না, করবে চাবুক। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, শ্রীরাম, মহাপ্রভু, শ্রীরামকৃষ্ণ, যীশু, স্বামীজী— —সব একধারা। অনন্য শক্তির আণবিক বিস্ফোরণ। জীবসত্তার নিউক্লিয়াসকে আধ্যাত্মিক শক্তি দিয়ে বিশ্লিষ্ট করতে পারলেই সেই ভয়ঙ্কর শক্তির উন্মোচন। গীতায় বর্ণনা আছে। অর্জুন দেখেছিলেন, ভগবান দর্শন করিয়েছিলেন কৃপা করে

     

     

    “অনাদিমধ্যান্তমনন্তবীর্য-
    মনন্তবাহুং শশিসূর্যনেত্রম্।
    পশ্যামি ত্বাং দীপ্তহুতাশবক্ত্রং
    স্বতেজসা বিশ্বমিদং তপন্তম্।।’

    পরীক্ষামূলক প্রথম আণবিক বিস্ফোরণ দেখে বৈজ্ঞানিকেরা অভিভূত হয়ে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় এর উপমা খুঁজেছিলেন—”ব্রাইটার দ্যান থাউজ্যান্ড সানস।”

    রাসমণির প্রসঙ্গে এত কথা আসছে কেন? তিনি কি অবতার ছিলেন? না। তিনি ছিলেন সামান্য এক নারী। হালিশহরের দরিদ্র এক পরিবারে তাঁর আবির্ভাব। কিন্তু যে-শক্তি শ্রীরামকৃষ্ণ-অবতার হিসাবে আবির্ভূত হবেন, তিনি ছক সাজাচ্ছিলেন। ছকটা এত বড়, খেলাটা এত জমজমাট হবে যে, প্রথমদিকে বোঝার উপায় ছিল না কোন্ চরিত্র কোথায় কেন আসছেন! ঝড় আসার আগে একটা নিম্নচাপ তৈরি হয়। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন, দ্রুত বাতাস, অবশেষে প্রবল ঝড়। সেই ঝড় তার গতিপথে কাকে কাকে সঙ্গী করবে, ঝড় চলে না গেলে খতিয়ে দেখা অসম্ভব।

     

     

    মহাপ্রভু নবদ্বীপে অবতরণ করলেন। পুঞ্জীভূত হতে থাকল শক্তি। নবদ্বীপ তুলকালাম করে বেরিয়ে পড়ল চৈতন্যের রেলগাড়ি। মানুষের দীনতা, ক্ষীণতা, সঙ্কীর্ণতা, সংস্কার, বিশ্বাস সব উড়ে গেল ঝড়ে এঁটোপাতার মতো। সব বেবাক উড়ে চলে গেল। প্রসন্নপ্রাতে মানুষ বেরিয়ে এল দাওয়ায়। “নবাঙ্কুর ইক্ষুবনে এখনো ঝরিছে বৃষ্টিধারা।” সেই ধারা হলো নতুন ধর্ম, নতুন বিশ্বাস, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, প্রেম, ভক্তি। সেই প্রবল বাতাসে প্রকৃতি হলো দূষণমুক্ত। এই ঝড়ের আরোহী কারা ছিলেন! হোমড়াচোমড়া তেমন কেউ নয়। শ্রীদাম, সুদাম, বলরামের মতোই সামান্য মানুষ। রাঢ়ের একচাকা গ্রামের নিত্যানন্দ। শ্রীবাস দিলেন তাঁর অঙ্গন খুলে। গৌরাঙ্গের দরবার।

    এইখানে একটা কথা আছে, মহাপ্রভু অবতার। তিনি শক্তিপুঞ্জ। সেই শক্তির প্রকাশ বৃন্দাবনদাস বর্ণনা করেছেন :

    “মধ্যখণ্ডে কাজির ভাঙিয়া ঘরদ্বার।
    নিজশক্তি প্রকাশিয়া কীর্তন অপার।।
    পলাইলা কাজি প্রভু গৌরাঙ্গের ভরে।
    স্বচ্ছন্দে কীর্তন করে নগরে নগরে।।”

     

     

    কিন্তু যবন হরিদাসের শক্তি কোথা থেকে এল? কোন্ গোমুখী থেকে? সেই একই ফাউন্টেন হেড। আধ্যাত্মিকতা। তোমারি নাম নিতে নিতে।

    “কৃষ্ণের প্রসাদে হরিদাস মহাশয়।
    যবনের কি দায় কালের নাহি ভয়।।
    কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলিয়া চলিলা সেইক্ষণে
    মুলুকপতির আগে দিল দরশনে।।”

    মুলুকপতি কাজী বললেন : “কৃষ্ণ নাম ছাড়। তুমি যবন। তোমার ধর্ম আলাদা।” ধর্ম আবার আলাদা হয় কি করে! রঙ-বেরঙের জামা, হরেক কায়দায় কাটা। কাপড় তো সেই একই সুতোয় বোনা। মূলে সেই তুলো। শোন কাজী, সারকথা—

    “শুন বাপ সবারই একই ঈশ্বর।।
    নাম মাত্র ভেদ কহে হিন্দুয়ে যবনে।
    পরমার্থে এক কহে কোরানে পুরাণে।।
    এক শুদ্ধ নিত্যবস্তু অখণ্ড অব্যয়।
    পরিপূর্ণ হৈয়া বৈসে সবার হৃদয়।।”

     

     

    ভোলা ময়রা আসরে অ্যান্টনিকে আক্রমণ করেছেন জাত তুলে—ওরে ফিরিঙ্গি জবরজঙ্গি পারবে না মা তরাতে।/তুই যীশুখ্রীস্ট ভজগে যারে শ্রীরামপুরের গির্জেতে।। অ্যান্টনি হেসে হেসে উত্তর দিচ্ছেন—শুরুতে সব ভিন্ন ভিন্ন, অন্তিমে সব একাঙ্গী। আর লালন? তিনিও বললেন সেই এক কথা :

    “সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে!

    *

    ছুন্নত দিলে হয় মুসলমান,
    নারীলোকের কি হয় বিধান?
    বামন যিনি পৈতার প্রমাণ,
    বামনী চিনি কি ধরে।।
    কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়,
    তাইতে কি জাত ভিন্ন বলায়,
    যাওয়া কিংবা আসার বেলায়
    জেতের চিহ্ন রয় কার রে।।”

     

     

    হরিদাসের কথায় কাজীর বোধোদয় সম্ভব নয়। সেই পরশমণির ছোঁয়া তিনি পাননি। সেই কৃপা! “যৎকৃপা তমহং বন্দে পরমানন্দমাধবম্।” কাজী বলেছিলেন : “বাইশ বাজারে বেড়ি মারি।/প্রাণ লহ আর কিছু বিচার না করি।।” পাইকরা চাবুক মারছে। “দুই তিন বাজারে মারিলে লোক মরে।/ বাইশ বাজারে মারিলাম যে ইহারে।। মরেও না আরো দেখি হাসে ক্ষণে ক্ষণে।”

    ধর্ম মানুষকে এই সহনশীলতা, এই সাহস, উপেক্ষার এই শক্তি যোগায়। জীবশরীরে আলাদা একটা মেরুদণ্ডের সংযোগ ঘটায়। যীশুও তাঁর অনুগামীদের এই কথাই বলতেন। অতুলনীয় সেই উপদেশ। দেওয়ালে লিখে রাখার মতো— “They were to die to live, lose to find, give to gain.” আর এই সত্যেরই প্রতীক আমার ‘Cross’। “If any man will come after me, let him deny himself and take up his cross daily and follow me.”

    হরিদাস সেই পথেই মহাপ্রভুকে অনুসরণ করেছিলেন। নিবেদিতা করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দকে। রাসমণি সেই পথেই এসেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণের বৃত্তে। আগে-পরের প্রশ্ন সম্পূর্ণ অবান্তর। এ কোন সাধারণ জাগতিক ব্যাপার নয়। এখানে কাল অচল। এলিয়টকে উদ্ধৃত করা যায়, বড় চমৎকার সহজবোধ্য কয়েকটি লাইনে –

     

     

    “Time present and time past
    Are both perhaps present in time future
    And time future contained in time past
    If all time is eternally present
    All time is unredeemable.”

    বিশ্বরূপ দর্শন করে অর্জুন শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞেস করছেন : “আপনি কে?” ]

    “আমি কে? ‘কালোহস্মি লোকক্ষয়কৃৎ প্রবৃদ্ধো’ আমি প্রবৃদ্ধ কাল!”

    “তাহলে তো আপনি ‘অনাদিমধ্যান্তম্’। আদি, মধ্য, অন্ত কোনটাই নন। “ সেই একই বিশেষে নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর আট বছর আগে এসেছিলেন। প্রথম জীবনে ছিলেন তান্ত্রিক সন্ন্যাসী। হয়ে গেলেন পরম বৈষ্ণব। শুধু বৈষ্ণবই হলেন না, মহাপ্রভুর ভাবধারার একটা জোয়ার এনে দিলেন বঙ্গদেশে। রাসমণি শ্রীরামকৃষ্ণের প্রায় ৪৩ বছর (রানী রাসমণির জন্ম ২৬ সেপ্টেম্বর ১৭৯৩; শ্রীরামকৃষ্ণের ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৩৬) আগে এসেছিলেন। সুন্দরী মেয়ের বড়লোকের নজরে পড়ে পুত্রবধূ হওয়ার ঘটনাকে আমাদের সংস্কারে বলে ভাগ্য। আগে এমন হতো। এখনো এমন হয়। তাঁর আবির্ভাবের ৬২ বছর পরে জানা গেল কে তিনি, কেন তিনি এবং কোন্ লীলার তিনি সহচরী এই ৬২ বছরের সময়সীমায় তিনি আরো ধনী হয়েছেন। স্বামীকে হারিয়েছেন, আবার জামাতা হিসাবে এমন একজনকে পেয়েছেন যিনি রামকৃষ্ণদেবের ‘রসদ্দার’ হবেন। দুজনের কেউই জানেন না, মধ্য উনবিংশ শতাব্দীতে কোন্ ঘূর্ণীতে তাঁরা আকৃষ্ট হবেন, কোন্ বাতাস লাগবে তাঁদের মহাজনী পালে! যতক্ষণ না মঞ্চে শ্রীগদাধর চট্টোপাধ্যায় আসছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁরা জমিদার। ইংরেজের কলকাতায় তাঁরা চকমেলানো বাড়িতে—লোকজন, পাইক, বরকন্দাজ নিয়ে বসে আছেন। আর জানা যাচ্ছে, রাসমণি ধার্মিক, তেজস্বিনী, সৎক্রিয়াশীলা, একজন ‘এবল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর’। স্বামী রাজচন্দ্রের অকালমৃত্যুর পর আশঙ্কা জেগেছিল—রাসমণি কি পারবেন এই অতুল বৈভব সামলাতে? প্রিন্স দ্বারকানাথ প্রস্তাব দিলেন, ‘রানীর ইচ্ছা থাকলে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আমি নিতে পারি।’ ‘কালীপদ-অভিলাষী’ রানী রাসমণি জানালেন, যা সামান্য বিষয়কর্মাদি আছে, তা তাঁর জামাতা মথুরমোহনের সাহায্যেই তিনি চালাতে পারবেন। এ হলো তাঁর আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা আর দূরদর্শিতার একটি দিক।

     

     

    দ্বিতীয় দিক—তাঁর চরিত্রের অনমনীয়তা, সততা আর আধ্যাত্মিকতা। সাত্ত্বিকতার আধারে রজোগুণের ফোঁস প্রকাশ—ইংরেজ সরকারের দলননীতির সামনে তিনি মাথা তুলে দাঁড়ান। ফণা বিস্তার। নিজের আত্মগরিমাকে খাটো না করা। তোমার হাতিয়ার ক্রাউন, আমার হাতিয়ার ন্যায়-নীতি। যা অন্যায়, যা অত্যাচারের সামিল তার বিরুদ্ধে আমি দাঁড়াব। কিভাবে লড়াইটা হবে? হাতিয়ার? বুদ্ধি। ইংরেজীতে বললে বলতে হবে—’কানিং’। তোমার আইন দিয়েই তোমাকে পরাস্ত করব। ইংরেজ সরকার রানীর কূটচালে পরাভূত হয়েছিলেন। গঙ্গার বিস্তীর্ণ এলাকায় মৎস্যজীবীরা রানীর কৃপাতেই বিনা করে মাছ ধরার সুযোগ পেয়েছিলেন। সবাই বলতে লাগলেন :

    “ধন্য রানী রাসমণি রমণীর মণি।
    বাঙ্গলায় ভাল যশ রাখিলেন আপনি।।
    দীনের দুঃখ দেখে কাঁদিলে জননী।
    দিয়ে ঘরের টাকা পরের জন্যে বাঁচালে পরাণি।।”

    যেখানে আইনের কূটচাল অচল, সেখানে রানী খড়্গহস্ত। ফ্রী-স্কুল স্ট্রীটের গোরা সৈন্যরা মত্ত অবস্থায় রাসমণির বাড়ি আক্রমণ করেছিল। রানী হাতে খাঁড়া তুলে নিয়েছিলেন। স্বামীজী হিন্দু-রমণীর মধ্যে এই বীরত্ব, এই স্বয়ম্ভরতাই দেখতে চেয়েছিলেন। বিজ্ঞান বলছে ‘কজ অ্যান্ড এফেক্ট’। অর্থাৎ কি কারণে কি ঘটছে! রাসমণি প্রকৃতই ‘কালীপদ-অভিলাষী’ হয়েছিলেন। তা নাহলে চরিত্রে এমন বিচক্ষণতা ও বীর্যের সমন্বয় ঘটত না। স্বামীজী বলছেন : “সর্বশক্তিমত্তা, সর্বব্যাপিতা, অনন্ত দয়া—সেই জগজ্জননী ভগবতীর গুণ। তিনিই কালী। তাঁকে আরাধনা করলে সেই গুণাবলীর অংশীদার হওয়া যায়। রানী রাসমণির চরিত্রে সেই লক্ষণ প্রস্ফুটিত।”

     

     

    রাজশক্তিকে অর্থে, প্রতিরোধে বশীভূত করা যায়; কিন্তু হিন্দু পুরোহিতদের কুসংস্কার আর সেই সংস্কারজনিত নিপীড়নের হাত থেকে মুক্তির উপায়! ইংরেজীতে বলে, “কাস্টমস ডাই হার্ড’। মরতে চায় না, সরতে চায় না। হিন্দুধর্মের এই অচলায়তন মহাপ্রভু ও স্বামীজী ভাঙতে চেয়েছিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ উপেক্ষা করেছিলেন। পাত্তা দেননি। তিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মতো বলতে চেয়েছিলেন :

    “মন্মনা ভব মদ্ভক্তো মদ্যাজী মাং নমস্কুরু।
    মামেবৈষ্যসি সত্যং তে প্ৰতিজানে প্ৰিয়োঽসি মে।।”

    আমার কাছে এস, আমাকে দেখ, অনুসরণ কর, আমার কথা শোন। নতুন বিশ্বাস, ধর্ম, অনুশাসন আপনিই তৈরি হবে। আলো আসতে দাও। একটা দেশলাই কাঠি জ্বাললে হাজার বছরের অন্ধকার নিমেষে চমকে উঠবে। বলেছিলেন : “হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিয়ে যাব।” জীবনের শেষবেলায় জলের বিশ্ব জলেতে মেলাবার প্রাকমুহূর্তে বলেছিলেন : “যিনি রাম, যিনি কৃষ্ণ, তিনিই ইদানীং এই দেহে রামকৃষ্ণ।”

    রাসমণি আর মাত্র ছয়বছর পরে চলে যাবেন। স্বপ্নাদিষ্ট মন্দির নির্মিত হয়েছে। ভবতারিণী বেদিতে স্থাপিত। কে প্রতিষ্ঠা করবে? মৃন্ময়ীকে চিন্ময়ী করবে কে? পুরোহিতকুল এক দুর্লঙ্ঘ বাধা। হিন্দুধর্মের জাতিভেদ প্রথা পথ – আগলে আছে। ব্রাহ্মণ পূজারী সেবার ভার নেবে না, অন্নভোগ হবে না।

    গদাধর বসে আছেন ঝামাপুকুরে, দাদার টোলে। পূর্ণ যুবক। রানীর সমস্যার সমাধান দিলেন রামকৃষ্ণাগ্রজ রামকুমার। মঞ্চে প্রবেশ করলেন গদাধর। এই ভূমিতেই তিনি হবেন শ্রীরামকৃষ্ণ। প্রথমে তিনি দর্শক। সংশয়ান্বিত। দেখছেন, পরীক্ষা করছেন—এই সেই সাধনপীঠ কিনা! এই রাসমণিই কি সেই অষ্ট সখীর এক সখী! এই কি সেই শ্রীবাস-অঙ্গন! বিত্ত-বৈভব দেখছেন। বড় মানুষের জামাইটিকে দেখছেন। অগ্রজ রামকুমারের বৈধী সেবা দেখছেন। তিনি যেমন দেখছেন, মা ভবতারিণীও তাঁকে দেখছেন। তখনো তিনি রাসমণির কালী। রামকৃষ্ণ তাঁর কোলে চড়ে বসেননি।

    ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ হিন্দুর দশবিধ সংস্কারে বিশ্বাসী ছিলেন। ব্রাহ্মণের পালনীয় কর্মাদি সম্পর্কে তখনো তিনি সচেতন। সর্বাধিক যা মানতেন তা হলো আহারশুদ্ধি। সেই কারণে দাদা রামকুমার জগদম্বার অন্নভোগ গ্রহণ করলেও প্রথমে তিনি তা করেননি। পিতার সংস্কার তখনো তাঁর মনে—অশূদ্রযাজিত্ব, অপরিগ্রাহিত্ব।

    মা ভবতারিণী দেখছেন, যুবক গদাধর দূরে সরে আছে। বাগানে আছে, মন্দির-চাতালে আছে, গঙ্গার ধারে আছে। চিন্তায় আছে, সংশয়ে আছে। ঝামাপুকুরের টোল উঠে যাবার দুশ্চিন্তায় আছে। মা ভবতারিণী তাঁকে লম্বা সুতো দিয়ে রেখেছেন। বড় মাছ একটু খেলিয়ে তুলতে হয়।

    ঘটনার যদি ব্যাখ্যা খুঁজতে হয়, তাহলে দুটো পথ আছে—স্থূল ও সূক্ষ্ম। স্থূলমার্গে দুটি মাত্রা—কার্য এবং কারণ। সূক্ষ্ম ব্যাখ্যা অন্যরকম, জড়বাদীদের পছন্দ হবে না। সেখানে আছে—”সকলি তোমারি ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা তুমি, তোমার কর্ম তুমি কর মা, লোকে বলে করি আমি।” আছে খুব বিশ্বাসের কথা—

    “মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্।
    যৎকৃপা তমহং বন্দে পরমানন্দমাধবম্।।”

    তুলসীদাস এই সত্যকে তাঁর একটি দোঁহায় কাব্যসুষমামণ্ডিত করেছেন। উদ্ধৃতির আনন্দ সংযত করা যায় না—

    “রাম ঝরোখে বয়ে কর, সব্‌কো মুজরা লে।
    জ্যায়সা যাকে চারি, অ্যায়সা উকো দে।।”

    এই জগৎকে যদি একটা গৃহ ধরা যায়, তার উচ্চতম বাতায়নে বসে আছেন ভগবান শ্রীরাম। তিনি দেখছেন, তিনি দিচ্ছেন, তিনি করাচ্ছেন। ভবতারিণী জমিদার মথুরমোহনকে বলছেন, আমার চোখে তুমি ঐ আত্মমগ্ন সুদর্শন যুবকটিকে দেখ। ও কালের নায়ক হবে। আমি পাষাণী, ও আমাকে জাগাবে। শুধু আমাকে নয়, এই দেবালয় শুধু এক জমিদারের খেয়াল হয়ে থাকবে না, হবে ইতিহাসের প্রাণকেন্দ্র। এখান থেকে নতুন ভাবরাশি বিস্ফোরিত হবে। সম্পূর্ণ নতুন এক ধর্ম তৈরি হবে আগতকালের মানসিকতার প্রয়োজন মেটাতে। সংস্কার সব খুলে পড়ে যাবে। পুরোহিতরা সঙ্কুচিত হবেন। বিধান সব পালটে যাবে। যুক্তি, তর্ক, বুদ্ধি, বিশ্লেষণ, বিজ্ঞান মিলিত হবে একাধারে। “ধ্বংস ভ্রংশ করি বাহিরিবে” শাশ্বত বিশ্বাস। তোমাদের ঐ বেশকারী সেবকটিকেই দিনকয়েক পরে সেবা করতে হবে। রামকুমার নিমিত্তমাত্র। সে তোমার বৈষয়িকতাকে মুচড়ে দেবে। লাল জবার গাছে সাদা জবা ফুটিয়ে দেখিয়ে দেবে, ‘উয়ো ভি হো সকতা।’ তোমাদের রানীর গালে সপাটে এক চড় মেরে বুঝিয়ে দেবেন, একমনের আধ ছটাক কম হলেও রাধারানী পার করেন না। “কায়েন মনসা বুদ্ধ্যা।” সামান্য একটু ফেঁসো থাকলে ছুঁচে সুতো ঢুকবে না। আমি, তোমরা, তাঁরা সবাই তাঁরই জন্যে। কালের মাটিতে বীজ অপেক্ষা করছিল। বারকোশে চিনির রস। সব এসে পড়বে তাতে। মন্দির, মসজিদ, গির্জা, দ্বৈত, অদ্বৈত, ব্রাহ্ম, বৈদান্তিক, টিকিনাড়া পণ্ডিত; তারপর যিনি একটিমাত্র বিশ্বাসের সুতো ফেলে মিছরিখণ্ডটি চিরকালের মতো জমিয়ে দিয়ে যাবেন, তিনি শ্রীরামকৃষ্ণ, কালে যিনি অভিহিত হবেন ‘অবতার বরিষ্ঠ” বলে। ‘রামকৃষ্ণ ক্যারাভ্যানের’ সদস্য তোমরা। বল—”স্থাপকায় চ ধর্মস্য সর্বধর্মস্বরূপিণে।” বল—”তত্র সর্বাণি তীর্থানি প্রয়াগাদীনি তত্ৰ বৈ!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article শ্বেতপাথরের টেবিল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }