Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প809 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নারী ও শ্রীরামকৃষ্ণ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    নারী ও শ্রীরামকৃষ্ণ

    একালে একটি কথা উঠিয়াছে—শ্রীরামকৃষ্ণ ও স্বামী বিবেকানন্দ নারীবিদ্বেষী ছিলেন। একালের শিক্ষিতা, বিশেষ এক রাজনৈতিক মতবাদে বিশ্বাসী কিছু মহিলা, যাঁহারা নিজদিগকে ‘নারীবাদী’ অভিধায় ভূষিত করিয়াছেন তাঁহারাই ঐরূপ বলিতেছেন। এই বিদুষীগণ ধর্মবিশ্বাসী নন। ঈশ্বরকে তাঁহারা দুর্বলের অবলম্বন বলিয়া মনে করেন। ঈশ্বর বলিয়া কেহ নাই। ঈশ্বরবিশ্বাস—ইঁহাদের মতে—বিতর্কিত মধ্যযুগীয় অন্ধবিশ্বাস। ঈশ্বরবিশ্বাস, ইঁহারা মনে করেন, গুরুশ্রেণীর একদল অলস মানুষের শোষণের শালগ্রাম শিলা। ইঁহারা বলেন— ঈশ্বর, ধর্ম ইত্যাদি লইয়া মাথা ঘামাইবার প্রয়োজন নাই। উৎপাদন কর, মজুরি বুঝিয়া লও, জীবনসংগ্রামে লিপ্ত হও, আহার-বিহার করিয়া মরিয়া যাও। জন্মের পূর্বেও কিছু ছিল না। মৃত্যুর পরেও কিছু নাই। ব্যবহারিক পৃথিবীতে ব্যবহারিক জ্ঞানই জ্ঞান। তুমি আমাকে ব্যবহার কর, আমি তোমাকে ব্যবহার করি, রাষ্ট্র আমাদিগকে ব্যবহার করুক। প্রত্যক্ষ সম্পদই সম্পদ; অপ্রত্যক্ষ যাহা তাহার জন্য অকারণ সাধনায় সময়ের অপচয় রাষ্ট্রীয় ক্ষতি ভিন্ন আর কিছু নহে। তুমি আসিয়াছ রাষ্ট্রের জন্য, তুমি মরিবেও রাষ্ট্রের জন্য।

    ইহাও একটি মতবাদ। আস্তিকের গোঁড়ামির মতো নাস্তিকের গোঁড়ামি। কলম্বাস-পূর্ব পৃথিবীতে ইউরোপের মানুষের জ্ঞানে আমেরিকা নামে কোন মহাদেশের অস্তিত্ব ছিল না। দূরবীন যখন আবিষ্কৃত হয় নাই তখন আমাদের মহাবিশ্বের পরিধি সঙ্কীর্ণ ছিল। আদি জ্যোতির্বিদ্রা মনে করিতেন, পৃথিবী একটি থালার মতো। এত কথা বলিবার উদ্দেশ্য, হাজার হাজার বৎসর পূর্বে যাহা অবাস্তব, অলীক ছিল আজ তাহাই বাস্তব। আজ যাহা অবাস্তব হাজার বৎসর পরে তাহাই বাস্তব হইবে।

    অতএব ঈশ্বরের অস্তিত্ব যাঁহারা অবিশ্বাস করেন, যাঁহারা জীবনের পাশব ব্যাখ্যায় সুখী থাকিতে চাহিতেছেন তাঁহাদের সহিত আমাদের কোন দ্বন্দ্ব নাই। ‘আমরা’ বলিতে আমি বিশ্বাসীদের কথাই বলিতেছি, অবিশ্বাসীরা যাঁহাদের দুর্বল বলিতেছেন। দুর্বল বলিতে তাঁহারা অবশ্যই দেহবলের ইঙ্গিত করিতেছেন না। তাঁহাদের ব্যাখ্যায় কাম-কাঞ্চনবিমুখ ব্যক্তিরাই দুর্বল। আর

    “জঁহা রাম তহাঁ কাম নহী,
    জঁহা কাম তহাঁ নহীঁ রাম।
    ছুঁহু মিলত নহী
    রব রজনী নহী মিলত একঠাম।।”

    গীতায় শ্রীভগবান বলিলেন—

    “যা নিশা সর্বভূতানাং তস্যাং জাগর্তি সংযমী।
    যস্যাং জাগ্রতি ভূতানি সা নিশা পশ্যতো মুনেঃ।।”

    —সর্বজীবের কাছে যা রাত্রিস্বরূপ অর্থাৎ অজ্ঞাত, সেই ব্রহ্মে স্থিতপ্রজ্ঞ জাগ্রত থাকেন অর্থাৎ সর্বদা ব্রহ্মদর্শন করেন। আর যে অজ্ঞানরূপ রাত্রিতে ভূতগণ জাগ্রত থাকে, অর্থাৎ সংসার দর্শন করে স্থিতপ্রজ্ঞের পক্ষে তা রাত্রিস্বরূপ অর্থাৎ তিনি সংসার অনুভব করেন না।

    ইহার ব্যাখ্যায় উদাহরণস্বরূপ বলা যাইতে পারে, যেমন পেচক প্রভৃতি প্রাণীর পক্ষে দিনই রাত্রি এবং রাত্রিই দিন হয় এবং অন্যান্য প্রাণী, যথা মানুষ দিনকে দিন, রাত্রিকে রাত্রি দেখে, সেইরূপ বিবেকিগণ পরমার্থ বিষয়ে জাগ্রত এবং জাগতিক বিষয়ে নিদ্রিত; আর মূঢ়গণ পরমার্থ বিষয়ে উদাসীন ও ঐহিক বিষয়ে সদা তৎপর।

    যে উঁহারা বলিলেন, আগেও কিছু নাই পরেও কিছু নাই, ইহা হইতে দুইটি জীবনধারা জন্ম লইল। যে-ধারাটি স্ফীত তাহা ভোগবাদ। ইন্দ্ৰিয়বাদ। ভোগ করিয়া, ক্ষতবিক্ষত হইয়া, ক্লান্ত হইয়া, ইন্দ্রিয়সকল শিথিল হইয়া, অনুগামী জীবনের পদাঘাতে মরিয়া যাও। ইহাই নিয়ম, ইহাই তোমার পরিণতি, অনিবার্য নিয়তি। ইহা হইতে শিক্ষাগ্রহণ করিবার কিছু নাই। পরিণতির কথা ভাবিয়া ভোগের বর্তমানটিকে পরিত্যাগ করিও না। দার্শনিক হইও না। দর্শন ব্যতীত জীবন তো চলিতে পারে না, যেমন দন্ত ব্যতীত খাদ্যবস্তু চিবানো যায় না। দৈত্যেরও গুরু থাকেন। অতএব দর্শনের নূতন ধরন লইয়া যুগাকাশে আসিলেন সোরেন কির্কেগাড়। তিনি বলিলেন, মানবের অস্তিত্বই জীবনের মুখ্য দর্শন। তুমি আছ, তোমাকে থাকিতে হইবে। তুমি এবং তুমিই। সমাজ-সংসার তোমাকে গ্রাস করিতে চাহিবে, তোমাকে বৃহতের একটি অংশ করিতে চাহিবে। আইন, সংস্কার, শৃঙ্খলা দ্বারা বাঁধিয়া তোমার স্বাধীনতা, স্বকীয়তা হরণ করিতে চাহিবে, তোমার অস্তিত্বরক্ষার প্রয়াসই হইবে তোমার ধর্ম। জীবন মানে ভয়—মৃত্যুভয়, অস্তিত্ব মুছিয়া যাইবার ভীতি। ব্যক্তিমানবকে যাহা লইয়া বাঁচিতে হয় তাহা হইল একরাশ নেতিবাচক চিন্তা, দুশ্চিন্তা। কেমন করিয়া আমি বাঁচিব! ‘From the cradle to the grave’ আমাকে হাঁটিয়া যাইতে হইবে। এই পথটুকু তাহাকে যাবতীয় ভয় লইয়াই পাড়ি দিতে হইবে। এইটিই তাহার জীবনদর্শন।

    শ্রীভগবান অন্তরে মৃত্যুভয়ে ভীত অর্জুনকে বলিলেন : “অজো নিত্য শাশ্বতোহয়ং পুরাণো ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে।।”

    অর্থাৎ আত্মা জন্ম ও মৃত্যুরহিত, অপক্ষয়হীন এবং বৃদ্ধিশূন্য, শরীর নষ্ট হইলেও আত্মা বিনষ্ট হন না—এই শাশ্বত সত্যে অস্তিত্ববাদীরা বিশ্বাসী নহেন। ইতিবাচক অথবা ‘পজিটিভ ফিলিংস’ কাহারো কাহারো ব্যক্তিগত বিশ্বাস হইতে পারে, জগতের জাগতিক বিশ্বাস ‘নেগেটিভ ফিলিংস’। চতুর্দিকে আমাকে মুছিয়া ফেলিবার আয়োজন, তাহার মধ্যে আমাকে আমার অস্তিত্ব বজায় রাখিতে হইবে। কির্কেগাড়ের বিখ্যাত উক্তি—’Existence precedes essence.’ সর্বাগ্রে অস্তিত্ব, তাহার পরে স্বরূপের বোধ। ‘আমি’ আছে, ‘আমাকে’ থাকিতে হইবে। কোথায় আছি, কেন আছি, কি কারণে আছি, অস্তিত্বের চরিত্র নির্ধারণের প্রয়োজন নাই। “কোথা হতে আসি কোথা ভেসে যাই”—ইহা চিন্তার সৌখিনতা ভিন্ন কিছু নয়।

    মৃত্যু সর্বকালে, সর্বদেশে নানাভাবে আলোচিত হইয়াছে। মৃত্যুই দার্শনিকতার উৎস। শ্রীভগবান যুদ্ধকাতর পার্থকে বলিতেছেন : “জাতস্য হি ধ্রুবো মৃত্যুধ্রুবং জন্ম মৃতস্য চ।” দেহধারী জীব মরিবে, মরিতে বাধ্য; কারণ প্রবাহিত সময়—’Passage of time’। “দেহিনোহস্মিন্ যথা দেহে কৌমারং যৌবনং জরা।” পাশ্চাত্যের অস্তিত্ববাদীরাও মৃত্যুসচেতন। দুই চিন্তার পার্থক্য কোথায়? শ্রীভগবান এই চিন্তার সহিত একটি বিশ্বাস জুড়িয়াছেন—দেহান্তর প্রাপ্তি। একবার নহে বারে বারেই বলিতেছেন। পুনর্জন্মের কথা বলিয়া তিনি বলিতেছেন—

    “অব্যক্তাদীনি ভূতানি ব্যক্তমধ্যানি ভারত।
    অব্যক্তনিধনান্যেব তত্র কা পরিদেবনা।।”

    পূর্বেও তুমি ছিলে না, পরেও তুমি থাকিবে না, তোমার জন্ম ও মৃত্যুর মধ্যভাগে জীবনের যে সবুজ উপত্যকাটি, সেটিকে তোমার নিষ্কাম কর্মে ভরিয়া তোল। কোন্ মন লইয়া তুমি বিচরণ করিবে? “সুখদুঃখে সমে কৃত্বা লাভালাভৌ জয়াজয়ৌ।” তুমি নিষ্কাম হও এবং ঈশ্বরার্থ কর্ম কর। “নিস্ত্রৈগুণ্যো ভবার্জুন।” “নির্দ্বন্দ্বো নিত্যসত্ত্বস্থো নির্যোগক্ষেম আত্মবান্।।” তুমি সুখ-দুঃখাদি দ্বন্দ্বরহিত ও সদা সত্ত্বগুণাশ্রিত হও এবং যোগ ও ক্ষেমের আকাঙ্ক্ষারহিত এবং অপ্রমত্ত হও।

    ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে একই কথা বলিতেছেন – মৃত্যুকে সর্বদা স্মরণ রাখিয়া কর্ম করিবার উপদেশ—”মৃত্যুকে সর্বদা মনে রাখা উচিত। মরবার পর কিছুই থাকবে না। এখানে কতকগুলি কর্ম করতে আসা। যেমন পাড়াগাঁয়ে বাড়ি—কলকাতায় কর্ম করতে আসা। বড় মানুষের বাগানের সরকার বাগান যদি কেউ দেখতে আসে, তা বলে এ-বাগানটি আমাদের, এ- পুকুর আমাদের পুকুর। কিন্তু কোন দোষ দেখে বাবু যদি ছাড়িয়ে দেয় তার আমের (আমকাঠের) সিন্দুকটা লয়ে যাবার যোগ্যতা থাকে না। দারোয়ানকে দিয়ে সিন্দুকটা পাঠিয়ে দেয়।”

    প্রাচ্যের আধ্যাত্মিকতায় মৃত্যু এক অন্য পথের দিশারী। শুদ্ধিকরণের প্রয়াসী। প্রথমে ভাবিতে হইবে–আমি থাকিব না; অতএব কেন আমি আগ্রাসী, আত্মপর, ইন্দ্রিয়সেবী, প্রমত্ত, উন্মত্ত মানুষ হইব! “না ঘর মেরা, না ঘর তেরা, দুনিয়া সবসে বসেরা।“ আমার পাশব প্রবৃত্তিসমূহকে সংযত করিয়া, অভিনিবেশ সহকারে বুঝিবার চেষ্টা করিব—’আমি কে?’

    কেন আমি আসিয়াছি? মানব বোধসম্পন্ন প্রাণী। আহার, নিদ্রা, মৈথুন, গোষ্ঠীবর্ধন ও সংরক্ষণ, অধিকারের জন্য সংগ্রাম পশুও করিয়া থাকে, তাহা হইলে মানুষের গর্বটা রহিল কোথায়! মানব তাহার সত্তার অন্বেষণ করিতে করিতে খণ্ড হইতে অখণ্ডে যাইবার চেষ্টা করিবে। বিষয়ানন্দ হইতে পরমানন্দে উপনীত হইয়া ইন্দ্রিয়াদির চক্রান্তকে ব্যর্থ করিবে। মায়াকে জয় করিবে। শ্রীরামকৃষ্ণ বলিতেছেন : “পাশবদ্ধ জীব, পাশমুক্ত শিব।” পাশমুক্ত হইয়া হীরা-জহরত নয়, আনন্দলাভ করিতে হইবে।

    শ্রীভগবানের কথা—”বশে হি যস্যেন্দ্রিয়াণি তস্য প্রজ্ঞা প্রতিষ্ঠিতা।।” শ্রীরামকৃষ্ণ বলিলেন : “মন নিয়ে কথা। মনেতেই বদ্ধ, মনেতেই মুক্ত। মন যে-রঙে ছোপাবে সেই রঙে ছুপবে।” শ্রীরামকৃষ্ণ আমাদের ভিতর সাত্ত্বিক পুরুষকার জাগ্রত করিতেছেন এই বলিয়া–”মনেতেই বদ্ধ, মনেতেই মুক্ত।” মনে মনে দৃঢ়ভাবে বলিতে থাক : “আমি মুক্ত পুরুষ; সংসারেই থাকি বা অরণ্যেই থাকি, আমার বন্ধন কি? আমি ঈশ্বরের সন্তান, রাজাধিরাজের ছেলে; আমায় আবার বাঁধবে কে? যদি সাপে কামড়ায়, বিষ নাই—জোর করে বললে বিষ ছেড়ে যায়! তেমনি—আমি বদ্ধ নই, আমি মুক্ত—এই কথাটি রোখ করে বলতে বলতে তাই হয়ে যায়। মুক্তই হয়ে যায়।” “এষা ব্রাহ্মী স্থিতিঃ পার্থ নৈনাং প্রাপ্য বিমুহ্যতি।” হে পৃথাপুত্র, এই অবস্থাই ব্রাহ্মীস্থিতি। এই অবস্থা লাভ করিলে কেহ মোহগ্রস্ত হন না। শ্রীরামকৃষ্ণ আবার বলিতেছেন : “যে- ব্যক্তি ‘আমি বদ্ধ, আমি বদ্ধ’ বলে, সে শালা বদ্ধই হয়ে যায়।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ আদৌ নারীবিদ্বেষী ছিলেন না, নারীহিতৈষী ছিলেন। তাঁহার সর্বাধিক প্রিয় শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দও তাঁহার গুরুর মতোই নারীজাগরণের জন্য আন্দোলন করিয়া গিয়াছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ নারীদের স্বার্থেই পুরুষের ঘর সামলাইবার জন্য তাহাদের মান-হুঁশ করিতে চাহিয়াছিলেন। যে-সমাজে নারীকে বধূ হইয়া, মাতা হইয়া, কর্মী হইয়া, সাধিকা হইয়া বিচরণ করিতে হইবে, সেই সমাজে যদি ভোগী, ইন্দ্রিয়পরায়ণ, কাম-কাঞ্চনকীট পুরুষ ঘুরিয়া বেড়ায় তাহা হইলে মানবসভ্যতা কিসের গৌরবে গৌরবান্বিত বোধ করিবে! সেই সমাজে নারী চিরকালই ভোগ্যপণ্যের ন্যায় ব্যবহৃত হইতেই থাকিবে, হইতেই থাকিবে। পশ্চিমের ভোগবাদী উন্মাদ সভ্যতা, অস্তিত্ববাদী জীবনদর্শন হিন্দুধর্মের প্রাচীরে আঘাত হানিয়া তাহার শান্ত জীবনছন্দকে ব্যাহত করিতে চাহিবে। আবার দুয়ার খুলিয়া বিশ্বের সহিত যোগস্থাপন না করিলে কূপমণ্ডুক হইবার সম্ভাবনা। প্রাচীর ভাঙিতেই হইবে। বিরোধী চিন্তার সংস্পর্শে আসিতেই হইবে। শত প্রলোভনের কিরণে বাহির হইতেই হইবে; কিন্তু ভাসিয়া না যাইবার মন্ত্রটি আয়ত্ত করিতে হইবে। মিশিব, কিন্তু গুলিয়া যাইব না! ধ্বংস হইব না। ইহাই তো সমর, ইহারই নাম কুরুক্ষেত্র। শ্রীভগবানের নির্দেশ :

    “তানি সর্বাণি সংযম্য যুক্ত আসীত মৎপরঃ।
    বশে হি যস্যেন্দ্রিয়াণি তস্য প্রজ্ঞা প্রতিষ্ঠিতা।।”

    ইন্দ্রিয়গুলিকে সংযত করিতে হইবে। আত্মস্থ, সমাহিত হইতে হইবে। ইন্দ্রিয় যাঁহার বশীভূত তিনিই ঋতন্তরা, বিবেকজা, প্রতিষ্ঠিত প্রজ্ঞা অর্থাৎ তিনি স্থিতপ্রজ্ঞ।

    নরেন্দ্রনাথ বলিয়াছিলেন : “যতক্ষণ আমার কাম, ততক্ষণই স্ত্রীলোক; তা নাহলে স্ত্রী-পুরুষ ভেদ বোধ থাকে না।” সুতরাং কামজয়ী হওয়ার প্রয়োজন; কিন্তু কামকে তো জয় করা যায় না। তাহা হইলে কি হইবে? শ্রীরামকৃষ্ণ ছিলেন উত্তম বৈদ্য। কামজয়ী হও, বৈরাগ্য অবলম্বন কর, সংসার ত্যাগ করিয়া শ্মশানে ত্রিশূল-হস্তে চলিয়া যাও। নারীর মুখদর্শন করিও না। সংসার ভাঙিয়া দাও। নারী একদিকে, পুরুষ একদিকে হইয়া যাও। মধ্যে প্রাচীর তুলিয়া দাও আর যতপ্রকার ব্যভিচার ও ধর্মের নামে কদাচারের শিকার হইয়া মনুষ্যসমাজকে কলুষিত কর। না, তিনি ইহা বলিলেন না। চিকের দিকে তাকাইয়া পুরুষদিগকে বলিলেন, ব্রহ্মানন্দে মাতিয়া থাকিলে চিকের ওধারে যাহারা বসিয়া আছেন তাহাদের কি হইবে! সচ্চিদানন্দ সাগরে একেবারে নিমজ্জিত হইও না। একবার করিয়া ডোব, একবার করিয়া ওঠ। ঈশ্বরকোটি পুরুষ ব্যতীত সর্বদাই সমাহিত অবস্থায় থাকা সম্ভব নহে। মহামায়ার এমনি মায়া! তাহা হইলে? শ্রীরামকৃষ্ণ-মননে আধুনিক পরিবারের জন্ম হইল, যে-কারণে তাঁহাকে ‘গৃহীর ভগবান’ বলা হইয়া থাকে।

    ব্রাহ্মভক্ত প্রশ্ন করিলেন : “স্ত্রীজাতি খারাপ, না আমরা খারাপ?”

    নারী সম্পর্কে শ্রীরামকৃষ্ণের ব্যাখ্যা অসাধারণ, অনন্য।

    তিনি বলিতেছেন : “তিনি মহামায়া। জগৎকে মুগ্ধ করে সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয় করছেন। তিনি অজ্ঞান করে রেখে দিয়েছেন। সেই মহামায়া দ্বার ছেড়ে দিলে তবে অন্দরে যাওয়া যায়। বাহিরে পড়ে থাকলে বাহিরের জিনিস কেবল দেখা যায়—সেই নিত্য সচ্চিদানন্দ পুরুষকে জানতে পারা যায় না। তাই পুরাণে কথা আছে—চণ্ডীতে। মধুকৈটভ বধের সময় ব্রহ্মাদি দেবতারা মহামায়ার স্তব করছেন।” অপূর্ব সেই স্তব—

    “ত্বং স্বাহা ত্বং স্বধা ত্বং হি বষট্কারঃ স্বরাত্মিকা।
    সুধা ত্বমক্ষরে নিত্যে ত্রিধা মাত্রাত্মিকা স্থিতা।।”

    ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ সেই আদ্যাশক্তি মহামায়া হইতে জগৎ-কারণে প্রবেশ করিতেছেন : “শক্তিই জগতের মূলাধার। সেই আদ্যাশক্তির ভিতরে বিদ্যা ও অবিদ্যা দুই আছে—অবিদ্যা মুগ্ধ করে। অবিদ্যা—যা থেকে কামিনী-কাঞ্চন মুগ্ধ করে। বিদ্যা—যা থেকে ভক্তি, দয়া, জ্ঞান, প্রেম—ঈশ্বরের পথে লয়ে যায়।”

    এই ব্যাখ্যার পর তিনি মানবীতে নামিতেছেন, বলিতেছেন : “মেয়েরা এক- একটি শক্তির রূপ! পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে—অর্থাৎ ঐ শক্তিরূপা কন্যার সাহায্যে বর মায়াপাশ ছেদন করবে। এটি বীরভাব। কন্যা শক্তিরূপা। বিবাহের সময় দেখ নাই—বর- বোকাটি পেছনে বসে থাকে! কন্যা কিন্তু নিঃশঙ্ক।”

    ইহার পর তিনি আরেকটু গুটাইয়া আসিয়া বক্তব্য আরো স্পষ্ট করিতেছেন। ব্রাহ্মভক্তের প্রশ্নটিকে ধরিয়া বলিতেছেন : “বিদ্যারূপিণী স্ত্রীও আছে আবার অবিদ্যারূপিণী স্ত্রীও আছে। বিদ্যারূপিণী স্ত্রী ভগবানের দিকে লয়ে যায়, আর অবিদ্যারূপিণী ঈশ্বরকে ভুলিয়ে দেয়, সংসারে ডুবিয়ে দেয়।”

    অবিদ্যারূপিণীকে বিদ্যারূপিণী করিবার দায়িত্ব কাহার? পুরুষের। নারীকে ভোগের জন্য ভোগের পথ ধরাইলে সাময়িক সুবিধা হইতে পারে; কিন্তু পরিশেষে বিশালাক্ষীর দহে মজিতে হইবে। ভবনাথকে বলিতেছেন, বিবাহ করিয়াছিস ভাল করিয়াছিস, কারণ, সাধারণ মানুষের সংসারে থাকাই শ্রেয়ঃ।

    “ত্যাগ তোমাদের কেন করতে হবে? যেকালে যুদ্ধ করতেই হবে, কেল্লা থেকেই যুদ্ধ ভাল। ইন্দ্রিয়ের সঙ্গে যুদ্ধ, খিদে-তৃষ্ণা—এসবের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হবে। এ-যুদ্ধ সংসার থেকেই ভাল। আবার কলিতে অন্নগত প্রাণ, হয়তো খেতেই পেলে না। তখন ঈশ্বর-টীশ্বর সব ঘুরে যাবে। তোমরা ত্যাগ কেন করবে? বাড়িতে বরং সুবিধা। আহারের জন্য ভাবতে হবে না। সহবাস স্বদারার সঙ্গে, তাতে দোষ নাই। শরীরের যখন যেটি দরকার কাছেই পাবে। রোগ হলে সেবা করবার লোক কাছে পাবে।”

    সেই কারণে ভবনাথ যাহা করিয়াছেন, ঠিকই করিয়াছেন; কিন্তু যাহা করিতে হইবে তাহা শিখাইতেছেন : “খুব বীরপুরুষ হবি। ঘোমটা দিয়ে কান্নাতে ভুলিসনে। শিকনি ফেলতে ফেলতে কান্না। ভগবানেতে মন রাখবি; যে বীরপুরুষ সে রমণীর সঙ্গে থাকে, না করে রমণ! পরিবারের সঙ্গে কেবল ঈশ্বরীয় কথা কবি!”

    তুলসীদাস যেমন বলিয়াছিলেন : “রাজা করে রাজ্যবশ, যোদ্ধা করে রণ জই। আপনা মন কো বশ করে সো, সব কো সেরা ওই।” তিনি যেমন উপদেশ দিয়াছেন, সেইরূপ কঠোর ভাষায় চাবকাইয়াছেন। বলিতেছেন : “বিষয়ী লোকগুলোর পদার্থ নাই। যেন গোবরের ঝাড়। সংসারী লোকগুলো তিনজনের দাস, তাদের কি পদার্থ থাকে? মেগের দাস, টাকার দাস, মনিবের দাস।”

    শিক্ষিতা, আলোকপ্রাপ্তা মহিলারা যে-প্রকার সম্ভ্রান্ত, সজ্জন পুরুষ পছন্দ করিবেন, সেইপ্রকার পুরুষসমাজের নির্মাতা হইতে চাহিয়াছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ।

    তিনি চাহিয়াছিলেন আদর্শ পুরুষ। নরেন্দ্রনাথ চাহিয়াছিলেন আদর্শ নারী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article শ্বেতপাথরের টেবিল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }