Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প809 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মনের মতো পাগল পেলাম না – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনের মতো পাগল পেলাম না

    পাগল বলতে আমরা কি বুঝি? পাগল তো শ্রদ্ধেয় কিছু চরিত্র নয়, কিন্তু না—ঠাকুর রামকৃষ্ণ বলতেন, যে, যাঁরা তাঁর দিকে এগোন তাঁরা একটু পাগলাটেই হন, তাঁদের কোনকিছুর আকঢাক থাকে না তার কারণ তাঁরা কিছু নিজের করে জড়িয়ে ধরতে চান না, জড়িয়ে ধরতে পারেন না। তার কারণ, এই নশ্বর সংসারের সমস্ত জিনিস এতই তুচ্ছ যে এই নিয়ে নাড়াচাড়া করা মানে মনে হয় যেন একটা বাচ্চা মেয়ে, অবোধ মেয়ে পুতুল খেলা খেলছে। তা এই বোধটি জাগিয়ে দেবার জন্যে সমস্ত সাধকই তিনটে জিনিসের ওপর খুব জোর দিয়েছেন। বেশি জোর দিয়েছেন বাউল সন্ন্যাসীরা।

    বাউল মানে কে? যাঁরা জীবনের সঙ্গে খুব গভীরভাবে জড়িয়ে আছেন। যেমন আমরা আজকে তো এত সাহিত্য করি সংস্কৃতি করি, গান গাই। কিন্তু লালন কে হতে পেরেছে? যদি কেউ প্রকৃত কিছু রচনা করে থাকেন, তাহলে লালন ফকিরের মতো ফকির। তার কারণ হচ্ছে যে তিনি আমাদের জনজীবনের আর্তি আর বেদনার কথা এত সহজ করে বলতে পেরেছেন যা আমরা কেউ কোনদিন পারব না। তার কারণ আমরা যখনই কথা বলি তখনই একটা অহঙ্কারের ভাব আসে। আমি বক্তা, আপনারা শ্রোতা, আমি লেখক, আপনারা পাঠক। তা এই অহঙ্কার বস্তুটাই কিন্তু আমাদের সত্যবস্তু থেকে সরিয়ে রাখে। সেইজন্য সমস্ত সাধকের একটি কথা—আগে অহঙ্কারের পর্দাটিকে সরাও, অহঙ্কারকে না সরানোর ফলে সৎকামী মানুষ তাদের দেখতে পাবে না এবং তাদের যদি আমি দেখতে না পাই তাহলে আমি নিজেকেও দেখতে পাব না। তার কারণ হচ্ছে মানুষই মানুষের দর্পণ, সেই কারণে সমস্ত বাউল তিনটি জিনিসের ওপর জোর দিয়েছেন। একটি জিনিস তাঁরা বলেছেন যে, সবসময় মনে রাখবে যে তোমার এই নশ্বর ইন্দ্রিয়ের খাঁচাটি একদিন ভেঙে যাবে, আর ভেঙে গেলে কি হবে? না এর ভেতর যে প্রাণপাখিটি বসে এই জনমভোর কিচির মিচির করে গেল এটি উড়ে চলে যাবে। তো সেটি উড়ে চলে গিয়ে কোথায় যাবে? সে তো জানিনা—পাখি এমনি করেই আসে আর এমনি করেই উড়ে যায় তা এই যে পাখি—অচিন পাখি-এ কমনে আসে কমনে যায় এ আমরা জানি না। তা এর আশ্রয়ই হচ্ছে, এই নরদেহ, এই খাঁচা এবং এই খাঁচাটি কিসের তৈরি? না, রিপু আর ইন্দ্রিয়। তা এই যে ইন্দ্রিয় আর রিপু এটা কি করছে? পাখি বসে আছে ঠিকই, সে করছে কি, চালনা করছে। অষ্টপাশে বন্ধন করে ফেলেছে, লোভ-মোহ-মদ-মাৎসর্য ইত্যাদি দিয়ে। এটা আমার, ওটা তোমার, ওটা আমার এইটা আমার এই করে সে সারাটা জীবন শুধু কচর মচ করে যাচ্ছে। ইন্দ্রিয়ের কিচির মিচির। তার ফলে সেই প্রাণপাখি যে সেই বিশ্বস্রষ্টার গুণগান করছে তার কথাটি কিন্তু সে শুনতে পাচ্ছে না। সেই কারণে ঠাকুর বলছেন, মনে রেখো মৃত্যু-স্মরণ হও। তুমি আজ আছ কাল নেই, তাই মৃত্যু স্মরণ হলে কি হবে? মৃত্যু একটা মস্ত বড় ভয়। হে মৃত্যু, তুমি আমাকে সরিয়ে নিও না এই ভোগের জগৎ থেকে, তাহলে আমার অনেক আশা অপূর্ণ থেকে যাবে। দেহ দিয়ে আমি বহু কিছু ভোগ করতে চাই। আবার এই ভয় যে, আমি আছি, সব আছে কিন্তু আমার লিভার নেই। পিলে বড় হয়ে গেছে। তাহলেও চলবে না, যেমন আমি একজন বড়লোককে জানতাম তিনি পাঁচজনকে ডেকে এনে খুব খাওয়াতেন আর নিজে বার্লি খেতেন। তা আমি জিজ্ঞেস করলাম, এই অবস্থা হলো কেন? বললেন, ভাইরে, আমার লিভার গেছে, পিলে গেছে, গলব্লাডার গেছে—সব গেছে, খোলটা আছে। তোমরা খাও আমি দেখি আর দীর্ঘশ্বাস ফেলি। আমি বললাম, আপনার এই বেঁচে থাকার কি অর্থ? বললেন, এই তোমরা খাও আমি দেখি। তা ঐ ভয়, ঐ ভয় যে, সময় আমার ওপরে হাত বুলিয়ে যাচ্ছে। যে যন্ত্র নিয়ে আমি জন্মেছিলাম ছেলেবেলায়, একেবারে যেন প্যাকেট খোলা হলো—যেমন বলে না, সিল খুলে ট্রানজিস্টর রেডিও বেরল, সব পার্টস নতুন ঝকঝক করছে। তারপরে চানাচুর খেলুম, আলুকাবলি খেলুম, ফুচকা খেলুম, ধীরে ধীরে আমার যন্ত্রপাতি সমস্ত বিকল হতে লাগল, সার্জেন যেটুকু পারলেন কেটে ছেঁটে সেলাই জোড়াই করে দিলেন কিন্তু বললেন, দেখ বাপু, তুমি পুরনো হচ্ছ, তোমার যন্ত্রপাতিও পুরনো হচ্ছে নতুন তো হবে না বাপু। তখন একটা সমঝোতায় আসতে হয়। কিছু কিছু মানুষ আছেন সকালবেলা প্রবলবেগে ভ্রমণ করছেন, কেউ হাফ-প্যান্ট পরে দৌড়চ্ছেন, কেউ ডন বৈঠক করছেন, কেউ বারবেল ভাঁজছেন। কি ব্যাপার মশাই, এরকম করছেন কেন? জনসেবা করবেন বুঝি মানবহিতের জন্য? বললেন, না মানবহিত নয়, আমি একটু বেশি বাঁচতে চাই। আবার যে যত বড়লোক সে বেশি বাঁচতে চায় কারণ তার ভোগ বেশি। সমস্ত মানুষেরই একটা ভয়—মৃত্যু আসছে। আর এই পঞ্চাশ বছর বয়সের পর থেকে মৃত্যুভয়টা ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে। আবার মৃত্যুভয়ের সঙ্গে একালে যোগ হয়েছে মৃত্যুরও বাছবিচার। কেউ কেউ ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেন, হে ভগবান থ্রম্বোসিস-এ নাও যেন এক ধাক্কায় চলে যাই, ক্যান্সার দিও না তাহলে তিন মাস বিছানায় পড়ে চ্যাঁ চ্যা করতে হবে। মৃত্যুরও দেখা যাচ্ছে নানারকম আছে। আর শমন থেকে নিষ্কৃতি পাবার উপায় কি! না মৃত্যুকে উত্তীর্ণ হতে হবে। মৃত্যু থেকে কে আমাকে রক্ষা করবেন? না, মা কালী, তারা, শক্তি। আমি তাঁকে ধরি, আমি তাঁর হাত ধরে আছি। আচ্ছা এইবার যদি মৃত্যু আসে যন্ত্রণা আসে তাহলে আমার কি হবে? আমার কিছুই হবে না। ঠাকুর বলতেন যে, বাঁদরের ছানা সে তার মাকে আঁকড়ে ধরে থাকে। সেইজন্য তার ভয় যদি হাত খুলে যায়। তাই আমার হাতটি তুমি ধর তাহলে তো আমার ভয় নেই কারণ তাঁকে ধরিয়ে দিয়েছি আর তো আমার কিছু করার নেই। তিনি আমাকে আলের পথে, খালের পথে যেখান দিয়েই নিয়ে যান আমি জানি তিনি আমার হাত ধরে আছেন। তিনি তো আমাকে ফেলবেন না। সেইজন্য ঠাকুর বলছেন, হবি তো বেড়ালের ছানাই হ, কারণ বেড়ালের মা করে কি? তাকে নড়া ধরে কখনো খাটে শোয়াচ্ছে কখনো প্যাকিং বাক্সে রাখছে, কখনো রকে ফেলছে। যেখানে মা নিয়ে যাচ্ছে সেইখানেই পড়ে মিউ মিউ করছে। সেই কারণেই বলছেন যে তুমি তোমার হাতটি তাঁকে ধরিয়ে দাও। আবার সমস্ত বাউলের কথা হচ্ছে যে সেই প্রাণপুরুষকে সেই মহাপুরুষকে সেই তোমার স্রষ্টার কাছে তুমি নিজেকে নিবেদন কর তারপরে দেখ না কি হয়। একজন মহাপুরুষের কাছে গিয়ে আমি আমার কোষ্ঠীর ছক ফেলে বললাম, স্বভাবতই গৃহী মানুষ, ভীষণ ভয়। তার কারণ হচ্ছে, আপনি জানবেন যে আমাদের সবচেয়ে বড় ভয়, হারানোর ভয়। কি হারানোর ভয়? না, বেশ একটা বাড়ি আছে, একটা জীবিকা, আছে মাস গেলে একটা মাইনে। এগুলো যদি চলে যায় তাহলে কি হবে! আমেরিকায় একজন ধনকুবের কোটিপতি, তিনি সাততলা থেকে লাফিয়ে পড়লেন। পকেট থেকে একটা চিরকুট বেরল। কি ব্যাপার! না আমার সকালবেলা মনে হলো যদি গরিব হয়ে যাই তাই আত্মহত্যা করলাম। গরিব হয়ে যাবার ভয়ে আত্মহত্যা করলেন। ঐজন্য বাউলরা বলছেন যে, সব ছাড় তবে সব পাবে, সব ছাড়। কি ছাড়? এই ঐহিক, জাগতিক যাকিছু আছে সব ছেড়ে দাও। একটা কথা বলি সময় খুব কম আর জানেন তো, কথার একটা নেশা আছে। “হরতি নিমেষাৎ কালঃ সর্বং।” কাল আমাদের ওপর দিয়ে ক্রীড়া করে যাচ্ছে, ক্ষণকালের ওপর দিয়ে মহাকাল চলে যাচ্ছে। সেই কারণে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন যে, এই মহাবিশ্বে মহাজীবন থেকে একটি একটি করে পাতা খসে পড়ে যাচ্ছে, আবার তিনি প্রশ্ন করছেন আমরা জন্মেছি কি শুধু মরার জন্য, আমি কি আমার জীবনকে মৃত্যুর পায়ে উৎসর্গ করে দিয়ে যাব? না, তাঁর শেষ উত্তর আছে আমাদের ভারতের আধ্যাত্মিকতায়। আজকে একটা কথা খুব বড় করে শোনা যাচ্ছে, কে মৌলবাদী আর কে অমৌলবাদী। যাঁরা ইন্টেলেকচুয়াল তাঁরা এখন এইরকম কথা বলেন, আপনি তো মৌলবাদী, আপনি নিশ্চয়ই সতীদাহ সমর্থন করেন? মৌলবাদ জিনিসটা কি? মৌলবাদ মানে মন্দির মসজিদ নয়। মৌলবাদ হচ্ছে আমি মৌলিক কোন সত্তা থেকে উদ্ভূত হয়েছি এবং সেই সত্তাটিকে স্বরূপে রাখা। হিন্দুধর্ম কি? হিন্দুধর্ম হচ্ছে তিনটি জিনিসকে স্মরণে রাখা। আমি এসেছি, আমি চলে যাব। আমি কোথা থেকে এসেছি কোথায় চলে যাব। এই প্রশ্ন। আমি কোথা থেকে এসেছি কোথায় চলে যাব এইটাই হচ্ছে মস্তবড় দর্শনের উদ্ভবভূমি। পৃথিবীর সমস্ত প্রান্তের মানুষ, সে হিন্দুই হোক, মুসলমান হোক, যেই হোক তার কাছে এই প্রশ্ন যে আমি কেন এসেছি কি করতে এসেছি, কোথায় চলে যাব? এই প্রশ্নের থেকেই ধর্মের উদ্ভব অর্থাৎ আমি এসেছি কোন্ জায়গা থেকে। আমি মাঝে মাঝে বসে বসে ভাবি যে, যদি অদ্ভুত কোন একটা এ্যাক্সিডেন্ট থেকেই মানুষ আর এই জীবজগৎ তৈরি হয়ে থাকে তাহলে আপনারা ভেবে দেখুন, একটা গরু, একটা ছাগল, একটা বেড়াল, একটা বাঘ, একটা কুকুর, চারটে পা, সারা গায়ে লোম, কারোর লোম আছে, কারোর লোম নেই। আচ্ছা মানুষ কেন এমন বিচিত্র হলো? আমি বসে বসে ভাবি মানুষের কোথাও চুল নেই কিন্তু মাথাতে কি দরকার ছিল, মাথার তালুতে, এমন সুন্দর এক খামচা চুল করে দেবার? আবার ঠোঁটের ওপর একটু সরু গোঁফ হয়ে গেল। কেন বাঘের মতো হলো না? সারা গায়ে লোম বনমানুষের মতো? আমাদের সৃষ্টির একটা প্যাটার্ন আছে। হিসেব আছে। উদ্দেশ্য আছে। পরিকল্পনা আছে।

    Chance combination of Atom, Hydrogen and Carbon আজকালের যারা অমৌলবাদী, যাঁরা নাস্তিক তাঁরা তো বলছেন ভগবান-টগবান কিছু নেই, সৃষ্টি হয়েছিল এইভাবে-হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন এই তিনটে ঘুরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, প্রচণ্ড উত্তাপে তিনটি কাছাকাছি এল ধুপ করে। একটা বাঘ হলো, বনমানুষ হলো, হায়না হলো, মানুষ হলো। একথা কিন্তু এখনকার বড় বিজ্ঞানীরাও স্বীকার করছেন না, বলছেন, না হে বাপু এত সহজ! মানুষের মাথায় একটা মস্তিষ্ক আছে, মানুষের একটা ভাবনা আছে, মানুষ বিচার করে প্রশ্ন তোলে, সেই প্রশ্ন হচ্ছে কতকগুলি মৌলিক প্রশ্ন, আমি কেন এসেছি, কোথায় যাচ্ছি কতদিন থাকছি এবং মৃত্যু আমার পেছনে পেছনে তাড়া করছে, কোন্‌টা আমার কোটা তোমার বা কোন্‌টা ক্ষণকালের কোন্টা সর্বকালের কোটা অমর, কোন্‌টা নশ্বর—এই মৌলিক প্রশ্ন যে করে সেই হচ্ছে মৌলবাদী। আর আমাদের যাঁরা পাগল বলেন তাঁরা কিন্তু এই প্রশ্নের সমাধানের খুব কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছেছেন যার ফলেই তাঁরা বলছেন পাগল। কেন পাগল? না তিনি জেনে গেছেন। আর জেনে গেলে কি হচ্ছে? জেনে গেলে তাঁর কাছে এই ইহসংসারের সমস্ত ভোগ্যবস্তু সমস্ত মানুষের আচার-আচরণ দেখে মনে হচ্ছে, এরা কি করছে? ইয়ে কেয়া কর রহা হ্যায়—এই প্রশ্ন। তাঁরা সেইজন্য সমস্ত কিছু ছেড়ে একটু কিরকম ফ্যালফ্যালে হয়ে যান, একটু অন্যরকম হয়ে যান। ঠাকুর তো বলতেন, যাঁরা যোগী তাঁদের চোখ দেখলেই বোঝা যায় যেন পাখি ডিমে তা দিতে বসেছে, চোখ দুটো ফ্যালফ্যাল করছে। তাঁরা কোন কিছুতে অংশগ্রহণ করতে পারেন না, তাঁরা, ‘আপনি নাচে, আপনি গায় আপনি দেয় মা করতালি।’ কিসের জন্য করতালি দেয়? হা ঈশ্বর তুমি আমায় পাঠিয়েছ, কেন পাঠিয়েছ দ্বৈত-আস্বাদনে, তুমি আর আমি, আমি যদি মানবদেহ ধারণ না করতাম তাহলে তুমি ঈশ্বর কোথায় থাকতে? তোমার কথা কে গ্রামে-গঞ্জে হাটে-বাজারে সভায়-মঞ্চে বলে বেড়াত? তা তুমি তোমার কথা শুনবে বলে আমাকে সৃষ্টি করে এখানে বসিয়েছ। এই প্রশ্নের থেকেই উদ্ভব হয়েছে ধর্ম আর এর সমাধান আছে মৌলবাদে অর্থাৎ মৌলিক প্রশ্নের উত্তর যারা দিতে পারে তারাই মৌলবাদী। মন্দিরে নেই, মসজিদে নেই, ন বহুধাশ্রুতেন, ন মেধয়া কোন শাস্ত্রে নেই। এই প্রশ্নের উত্তর আছে। শুধুমাত্র নিজে চুপটি করে বস। আর গুরুর প্রয়োজন তার কারণ হচ্ছে গুরুই আপনাদের দেবেন জ্ঞান-সহায়, তিনি মহান্ধকার দূর করবেন, তিনি পথ দেখিয়ে দেবেন, কি করিস সারাটা দিন, কিসে কাটালি। যেমন বাবা বলেন, সারাটা দিন মাঠে খেলে এলি। একটু পড়লি না। গুরু আরো বড় কথা বলবেন, ‘আমি আমি’–এইটা হলো অজ্ঞান ‘তুমি তুমি’ সেইটা হলো জ্ঞান। আমি আর তুমি, তুমি আর আমি। হ্যাঁ এটাই হলো বিজ্ঞান। সেইজন্য মূল বিজ্ঞানের কথাই হলো যে, আমি তুমি সমস্ত এক, সেই উদ্ভবভূমি এক। এক থেকে এই বহু হয়েছে। এই কথাই বলছেন তাঁরা। আমাদের সহজ করে বলছেন বাউলরা এবং তাঁদের সমস্ত কথার মধ্যেই আছে যে, এই রিপুর বন্ধন থেকে বেরিয়ে এস, শমন স্মরণ হও। শমন হলো মৃত্যু। যে কোনদিন ছোঁ মেরে ঈগল পাখির মতো তুলে নিয়ে যাবে, যেটুকু সময় আছে আনন্দে রহো, আনন্দে গান কর, আনন্দে তাঁর কথা শোন, আনন্দই কিন্তু সবচেয়ে বড় বস্তু, আমরা যাকিছু করি রসগোল্লা খাই আনন্দ পাবার জন্য, আমরা ভোগ করি আনন্দ পাবার জন্য, ভাল বিছানায় শুই আনন্দ পাবার জন্য, বেড়াতে যাই আনন্দ পাবার জন্য, সমস্ত আনন্দের কিন্তু একটা নিরানন্দ আছে। কিছুকাল পরে মনে হয় এতে হচ্ছে না সেই পরম আনন্দ। ভবার একটি গান আছে—”সেই পরমানন্দ সাগরে ডুবতে শেখ।” ডুবতেই যদি না শিখলি তবে তোর কি হলো। ডুবতে শেখ, কোথায় ডুবতে শেখ? আনন্দসাগরে। বলেছেন আমাদের পাগল। বড় সুন্দর কথা একটি চেতবাণীর মতো। বারে বারে আর আসা হবে না, মানুষ জনম তো আর পাবে না, ভেবেছ মনে এই ভুবনে, তুমি যাহা করে গেলে কেউ জানে না। দেখবেন আমরা যা যা করছি মনে হচ্ছে ও বেটা তো দেখেনি ও যখন দেখেনি তখন আমি বেশ আছি। সবকিছু করে যাচ্ছি। ওরে গোপাল বাবা না দেখুন কেউ না দেখুন, একজন তো ঠিক দেখছেন। তুমি যাহা করে গেলে আসিয়া হেথা, চিত্রগুপ্ত লিখি ভরিল খাতা। বিচার করিবেন সেই বিধাতা, ফাঁকিঝুঁকি তাঁর কাছে চলে না। সেইজন্য ঠাকুর বলতেন, “মনে মুখে এক কর।” ঠাকুর রামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে বলতেন যে, ঐসব তিলক ফিলক কেটে ‘জয়রাম’ ‘জয়রাম’ করলে কিছু হবে না। মন আর মুখ এক কর। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে পবিত্র হও–দেহে পবিত্র, চিন্তায় পবিত্র, মনে পবিত্র। একজন মস্তবড় সাধককে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ধ্যান জপ করলে মশাই কি হয়? তা তিনি বললেন, ধ্যান জপ করলে তোমার মধ্যে একটা ভীষণ বিশ্বাস আসে, যে আমি তিন কোটিবার জীবনে জপ করেছি তুই ব্যাটা আমার কি করবি? এই যে একটা বিশ্বাস, এই যে একটা জেদ—এই জেদই হচ্ছে সবচেয়ে বড় জিনিস। যুদ্ধ করতে গেলে সৈনিক সেও বলে তার বিশ্বাস ওয়া গুরুজি কী ফতে। তবেই সে যুদ্ধ করতে পারে। একটা ভারি জিনিস তুলতে গেলে দেখবেন জয়গুরু বলে আমরা তুলি। কোথা থেকে একটা শক্তি এসে যায়। তা এই শক্তি এই দেহের মাসলে নেই, এই শক্তি পেশীতে নেই, এই শক্তি ভিটামিন-এ নেই, এই শক্তি আছে একমাত্র মনের অন্তর-শক্তিতে। এই অন্তর-শক্তি জাগে শুধু ধ্যান আর জপে আর তাঁর চিন্তায় তাঁর সঙ্গে আমি যুক্ত আছি। আমার কে কি করবে, কেউ তো কিছু করতে পারবে না। সেইজন্য বাউলের গানেই আছে যে, শ্যামা নামের গণ্ডি দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি, আয় তুই। একি ছেলের হাতের মোয়া যে তুই কেড়ে নিবি আমার হাত থেকে। এ-যে মোক্ষফল, একি ছেলের হাতের মোয়া!

    তাই বলি—

    “আমি মনের মতো, পাগল পেলাম না।
    আমি তাইতো পাগল হলেম না—তাইতো পাগল হলেম না
    নকল পাগল সকল দেখি—আসল পাগল দেখি না
    শিব যে ছিল পাগলেরই সার, সুধা ত্যেজে গরল যার আহার
    দালানকোঠা ফেলে দিয়ে শ্মশানে বৈঠকখানা
    আমি মনের মতো পাগল পেলাম না কলিকালের পাগল গৌরাঙ্গ
    একটুখানি ছেলে ভবে করল কি রঙ্গ
    জয় রাধে বলে ঐ কালো জলে ডুবল আর উঠল না।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article শ্বেতপাথরের টেবিল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }