Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প809 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রামকৃষ্ণ মিশন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    রামকৃষ্ণ মিশন

    তিন ধরনের সন্ন্যাসীর কথা স্বামীজী বলছেন, প্রমদাবাবুকে লেখা একটি চিঠিতে—”মানভিখারি, পেটবৈরাগী এবং উভয়ভ্রষ্ট।” যেসময় স্বামীজী এইসব বিচার করছেন, সেই সময়টায় তিনি ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পরিব্রাজক অবস্থা। দুটি পথের সংযোগখণ্ডে সামান্য দ্বিধান্বিত। ঠাকুরের মহাপ্রয়াণের পর যাঁরা আর ঘরে ফিরে গেলেন না, ঠাকুরের অন্তিম ইচ্ছায় বরানগরে এক পোড়ো জমিদারবাড়িতে তাঁরা সঙ্ঘবদ্ধ হয়েছেন, গেরুয়াও ধারণ করেছেন। একটা আশ্রমের আকার অস্পষ্ট হলেও দেখা যাচ্ছে। ঠাকুরই নরেন্দ্রকে এঁদের নেতা নির্বাচন করে গেছেন। সেই মুহূর্তে নেতার মনে কোন আশ্রম-ভাবনা আছে কি না বোঝা যাচ্ছে না, কারণ তাঁর অন্বেষণ সবে শুরু হয়েছে। গুরু কি চেয়েছেন? “আমার সিদ্ধাই করার জো নেই, তোর মধ্য দিয়ে আমি করব।”

    আমি সমাধি চাই—বললেন শিষ্য।

    তোমাকে আমি সমাধির স্বাদ দিয়েছি, ঐতেই সন্তুষ্ট থাক। চাবি রইল আমার হাতে। তোমাকে আমার কাজ করতে হবে, নরেন্দ্রনাথ-গুরু বললেন।

    কাজটা কি, পরিষ্কার করে বলবেন তো! একটা আশ্রম, মন্দির, মা ভবতারিণীর প্রতিষ্ঠা। দশনামী সম্প্রদায়ের একটি আখড়া, অনেক সন্ন্যাসী, ধ্যান-জপ, ঘণ্টা, আরতি, আপনার প্রচার।

    রামকৃষ্ণ অত সহজ নয় বৎস! সে যদি হতো তো নিজেই করে ফেলতাম! ওরে, আমার রসদদারের কি অভাব ছিল? রামকৃষ্ণ কে বল তো? গৃহী, সন্ন্যাসী, সমাজসংস্কারক, সমাজসেবী? দূর বোকা, ওর কোনটাই নয়। রামকৃষ্ণ হলো সময়ের সারথি। চিরকালের মানুষের চিরসখা। শ্রীকৃষ্ণ স্পষ্ট করে বলেছিলেন—

    “মন্মনা ভব মদ্ভক্তো মদ্যাজী মাং নমস্কুরু।
    মামেবৈষ্যসি সত্যং তে প্ৰতিজানে প্ৰিয়োঽসি মে।।” (গীতা, ১৮।৬৫)

    আমি তা বলিনি। কেন? কারণ, আমি আরো এক ধাপ এগিয়ে আছি। আমি গুরু হতে চাই না, আমি মন হতে চাই। আমার অদৃশ্য উপস্থিতি বায়ুর মতো। সংসার যত যন্ত্রণা দেবে, যত তুমি সংসার থেকে সরবে ততই আমার কাছে আসবে। আমাকে অনুভব করবে। অনুভূতি আর প্রেম, এই হলো ধর্ম। মনে নেই, তোমার প্রশ্নের উত্তরে আমি বলেছিলাম, ঈশ্বরকে দেখা যায়, এই ঠিক তোমাকে যেমন আমি দেখছি। মাইরি বলছি, তাঁকে দেখা যায়, তবে হ্যাঁ, এই নয়নে নয়—প্রেমের চোখে দেখা যায়। ভগবান যেমন অর্জুনকে বলেছিলেন, তুমি নিজের প্রাকৃত স্থূল চক্ষু দ্বারা আমার প্রকৃত রূপ দেখতে পাবে না, তাই তোমাকে আমি অপ্রাকৃত জ্ঞানচক্ষু দান করছি। ঐ চোখ দিয়ে আমার অঘটন- ঘটনসামর্থ্যরূপ যোগশক্তি দর্শন কর।

    “ন তু মাং শক্যসে দ্রষ্টুমনেনৈব স্বচক্ষুষা।
    দিব্যং দদামি তে চক্ষুঃ পশ্য মে যোগমৈশ্বরম্।।” (গীতা, ১১।৮)

    শোন নরেন্দ্রনাথ, তুমি হলে চিরযুবা। তোমার আধুনিক শিক্ষা, তোমার সংশয়, বিচার, প্রশ্ন, অস্থিরতা হলো চিরকালের যুবধর্ম। তোমার বিদ্রোহ, তোমার আঘাত, তোমার তৃষ্ণা, বিতৃষ্ণা, হতাশা আমারই পরীক্ষা, আমার ধর্মেরই পরীক্ষা। কারণ, তোমাকে অবশেষে বলতে হবে—

    “তস্মাৎ প্রণম্য প্রণিধায় কায়
    প্রসাদয়ে ত্বামহমীশমীড্যম্।
    পিতেব পুত্রস্য সখেব সখ্যুঃ
    প্রিয়ঃ প্রিয়ায়াইসি দেব সোম।।” (গীতা, ১১।৪৪)

    —হে পরমপূজ্যদেব, আপনাকে দণ্ডবৎ প্রণাম করে আপনার প্রসন্নতা প্রার্থনা করছি। পিতা যেমন পুত্রের, সখা যেমন সখার, প্রিয় যেমন প্রিয়ার অপরাধ ক্ষমা করেন, আপনিও সেইরকম আমার অপরাধ ক্ষমা করুন।

    তুমি অর্জুনের কথাই তোমার মতো করে বলবে—”তাঁহার জীবদ্দশায় তিনি কখনো আমার প্রার্থনা গরমঞ্জুর করেন নাই—আমার লক্ষ অপরাধ ক্ষমা করিয়াছেন—এত ভালবাসা আমার পিতামাতায় কখনো বাসেন নাই।”

    তোমাকে বলতে হবে—”রামকৃষ্ণের জুড়ি আর নেই, সে অপূর্ব সিদ্ধি, আর সে অপূর্ব অহেতুকী দয়া, সে Intense sympathy বদ্ধ জীবনের জন্য— এজগতে আর নাই।”

    সিমপ্যাথি সব ‘প্যাথি’র ঊর্ধ্বে। একথা যখন মেনেছ তখন বিশ্বকে তুমি সেই ‘রামকৃষ্ণ ধর্ম’ই দাও। এতে নতুন কিছু নেই। এ বহুদিনের শবসাধনার শব, শুধুমাত্র রামকৃষ্ণতন্ত্রে জেগে উঠে সব সাধনার সঙ্গমে পরিণত হয়েছে। তুমি সেই তন্ত্রের তান্ত্রিক। তোমার পথে গোলাপ বিছাইনি আমি। জীবের দুঃখের, দিশাহীনতার কণ্টকে আস্তীর্ণ। তুমি দারিদ্র্য সহ্য করে দরিদ্রের বন্ধু হবে, ধর্মের মূঢ়তা দেখে প্রকৃত ধার্মিক হবে, দিশাহারা হয়ে দিশা খুঁজে পাবে, শত্রুতা সহ্য করে তুমি চিরমিত্র হবে। ধর্ম প্রসাধন নয়, ধর্ম সাধন। ভিতর থেকে ফুটবে। কাগজের ফুল নয়, কুঁড়ির আবেগে ফোটা ফুল।

    আমি তোমাকে সমাধিতে থাকতে দিইনি। দিতে কি পারতাম না নরেন? শালা, আমি কি ঢ্যামনা সাপ? আমি জাত গোখরো। সবচেয়ে বড় বস্তু তোমাকে দিয়েছি, যা তোমাদের ষোলজনের আর কাউকে আমি দিতে পারিনি। বজ্র ধরতে গেলে আধার চাই! আমি তোমার আধারে ঢেলে দিয়েছি শাশ্বত সেই প্রার্থনার প্রার্থিত বস্তু—যাতে তুমি বলতে পার চাবুকের শক্তিতে—

    “তেজোহসি তেজো ময়ি ধেহি। বীর্যমসি বীর্যং ময়ি ধেহি।
    বলমসি বলং ময়ি ধেহি। ওজোহস্যোজো ময়ি ধেহি।
    মন্যুরসি মন্যুং ময়ি ধেহি। সহোহসি সহো ময়ি ধেহি।।” (বাজসনেয় সংহিতা, ১৯।৯)

    আমি তোমাকে সচেতন করেছিলাম এই বলে, গুরুগিরি আর বেশ্যাগিরিতে কোন পার্থক্য নেই। একথাও বলেছিলাম, হেগো গুরুর পেদো শিষ্য। তোমাকে বলেছিলাম, যে-সে লোক গুরু হতে পারে না। বাহাদুরি কাঠ নিজেও ভেসে চলে যায়, অনেক জীবজন্তুও চড়ে যেতে পারে। হাভাতে কাঠের ওপর চড়লে কাঠও ডুবে যায়, যে চড়ে সেও ডুবে যায়! তাই ঈশ্বর যুগে যুগে লোকশিক্ষার জন্য নিজে গুরুরূপে অবতীর্ণ হন। সচ্চিদানন্দই গুরু।

    আমি গুরু কেন হতে যাব! আমি শ্রীকৃষ্ণের মতো সখা। বলিনি—যে রাম, যে কৃষ্ণ, ইদানীং সে-ই রামকৃষ্ণ? রামের সত্যনিষ্ঠা, রামের আদর্শ, কৃষ্ণের পরিচালনা ও সখাপ্রীতি, দূরদর্শিতা, জ্ঞান—এইসব মিলিয়ে যে-আধার তার নাম শ্রীরামকৃষ্ণ। আমি ‘জয় গুরু’ মার্কা গুরু নই। সেরকম হলে নরেন্দ্রনাথ ‘বিবেকানন্দ’ হতো না। তোমার দ্বিধাতে আমার প্রকৃত প্রকাশ—”হয় তিনি অবতার—যেমন তিনি নিজে বলিতেন, অথবা বেদান্তদর্শনে যাঁহাকে নিত্যসিদ্ধ মহাপুরুষ ‘লোকহিতায় মুক্তোঽপি শরীরগ্রহণকারী’ বলা হইয়াছে।”

    তুমি আমার মতোই স্বীকার করেছ—”ধর্ম দলে নহে, হুজুগে নহে।” ভারতটাকে চক্কর মেরে দেখে এলে কিসের আবেগে! বরানগরে তোমাদের আখড়া, একটা ছবি, তোমাদের আত্মারামের কৌটো, সভা, মিছিল, চাঁদা সংগ্রহ, চূড়াওলা মন্দির, মোহান্ত, প্রণামী! রামকৃষ্ণ লোপাট! কে মনে রাখত স্বামী বিবেকানন্দকে—যদি আগুন না জ্বলত, যদি হৃদয় না কাঁদত, যদি মহাক্রোধে ফেটে না পড়ত; সব নস্যাৎ করে, তাই না গর্জন করে বলেছিলে-

    “আর তোমরা কি করছ? সারা জীবন কেবল বাজে বকছ। এস, এদের (জাপান, চীন) দেখে যাও, তারপর যাও—গিয়ে লজ্জায় মুখ লুকোও গে। ভারতের যেন জরাজীর্ণ অবস্থা হয়ে ভীমরতি ধরেছে! তোমরা দেশ ছেড়ে বাইরে গেলে তোমাদের জাত যায়!! এই হাজার বছরের ক্রমবর্ধমান জমাট কুসংস্কারের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে বসে আছ, হাজার হাজার বছর ধরে খাদ্যাখাদ্যের শুদ্ধাশুদ্ধতা বিচার করে শক্তিক্ষয় করছ! পৌরোহিত্যরূপ আহাম্মকির গভীর ঘূর্ণিতে ঘুরপাক খাচ্ছ! শত শত যুগের অবিরাম সামাজিক অত্যাচারে তোমাদের সব মনুষ্যত্বটা একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে—তোমরা কি বলো দেখি? আর তোমরা এখন করছই বা কি? আহাম্মক, তোমরা বই হাতে করে সমুদ্রের ধারে পায়চারি করছ। ইউরোপীয় মস্তিষ্কপ্রসূত কোন তত্ত্বের এক কণামাত্র—তাও খাঁটি জিনিস নয়—সেই চিন্তার বদহজম খানিকটা ক্রমাগত আওড়াচ্ছ, আর তোমাদের প্রাণমন সেই ৩০ টাকার কেরানিগিরির দিকে পড়ে রয়েছে; নাহয় খুব জোর একটা দুষ্ট উকিল হবার মতলব করছ! ইহাই ভারতীয় যুবকগণের সর্বোচ্চ আকাঙ্ক্ষা। আবার প্রত্যেক ছাত্রের আশেপাশে একপাল ছেলে—তাঁর বংশধরগণ—’বাবা খাবার দাও, খাবার দাও’ করে উচ্চ চিৎকার তুলেছে!! বলি, সমুদ্রে কি জলের অভাব হয়েছে যে, তোমাদের বই, গাউন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপ্লোমা প্রভৃতি সমেত তোমাদের ডুবিয়ে ফেলতে পারে না?”

    কালের পথে সরে এসে স্বামীজীকে আমরা এখন সম্পূর্ণরূপে দেখতে পাচ্ছি। কী আগুন! জীবন ছেড়ে জ্যোতিঃ হয়ে আমাদের জগৎ-পরিমণ্ডলে ভেসে আছেন। কখনো মনে হয় কাঁদি, যেমন শরশয্যায় শায়িত পিতামহকে ঘিরে আঁধার কুরুক্ষেত্রে সপার্ষদ শ্রীকৃষ্ণ অশ্রুমোচন করেছিলেন। কখনো মনে হয় বিবেকাগ্নিতে লোহাটাকে পুড়িয়ে ইস্পাত করি। কখনো মনে হয়, তাঁর মতো ‘ইমিটেশন অফ ক্রাইস্ট’ থেকে বলি— “For we have taken up the cross, Thou hast laid it upon us, and grant us strength that we bear it unto death. Amen!’

    ধর্মের ইতিহাসে পূর্বে এমনটি আর কখনো ঘটেনি। গুরু-শিষ্যের এই সমন্বয়! জাগতিকভাবে, সোস্যাল স্ট্যাটাস অনুসারে দুজনের অবস্থান দুই মেরুতে। একজন দূর গণ্ডগ্রামের ধর্মযাজী ব্রাহ্মণসন্তান। আধুনিক শিক্ষা থেকে দূরে। পরে মন্দিরের বেশকার, কিছুকাল পূজারী, অতঃপর ‘বিজ্ঞানী’। তারপর বিদ্রোহী। অবশেষে তোপ, কামান-সমন্বিত এক ফিল্ড মার্শাল। যে আসে সে উড়ে যায়। অতঃপর বিশ্বপ্লাবী এক প্রবাহ। সেই প্রবাহে পণ্ডিত, প্রবক্তা, তার্কিক—সব ভেসে চলে গেল এঁটো পাতার মতো।

    অন্যজন খাস কলকাতার ধনী-বাড়ির সন্তান। সুদেহী। শিক্ষিত, সুরূপ, সর্বগুণান্বিত। এলাইট। এইবার, এস তুমি নরেন্দ্র। একটা সেতু তৈরি করি। একটা ‘ফিউশন’। তোমার ঘরে রামকৃষ্ণ। মানে আশি শতাংশ ভারতের অনুপ্রবেশ। কলকাতার খোল ভাঙা—এইটাকেই আমি বলতে চাই ঠাকুরের ‘হাটে হাঁড়ি ভাঙা।’ নিজেকে ‘আমি অবতার’ বলে আত্মপ্রচার করার মতো সঙ্কীর্ণ তিনি ছিলেন না। বরং তাঁর সংশয় ছিল—”আমি কে বল তো!” নরেন্দ্রকে ভাঙা মানে চিরকালের যুবশক্তির মোহ ভাঙা, সঙ্কীর্ণতা, আচ্ছন্নতা, আত্মকেন্দ্রিকতা, স্বার্থপরতা, দিশাহীনতা ভাঙা। কথা পরে, তর্ক পরে, বেদবেদান্ত পরে। আগে কাজ, আগে উপলব্ধি, আগে সহমর্মিতা, আগে বীরের চোখে জল। পরে দেখা যাবে ঈশ্বর কোথায়, কোন্ তালুকে তাঁর বসবাস, কোন্ বীজমন্ত্রে দেউড়ি খুলবে।

    “বাগ্‌বৈখরী শব্দঝরী শাস্ত্রব্যাখ্যানকৌশলম্।
    বৈদষ্যং বিদুষাং তদ্বভুক্তয়ে ন তু মুক্তয়ে।। (বিবেকচূড়ামণি, ৫৮)

    যা করেন সবাই—বাগ্‌বৈখরী, বাক্যবিন্যাস, শব্দচ্ছটা—ওসব ভাঁওতা, শাস্ত্রব্যাখ্যার কৌশলমাত্র। পণ্ডিতদের পাণ্ডিত্য-প্রকর্ষ শুধু ভোগের জন্য, মুক্তির জন্য নয়। কে বলছেন! স্বয়ং শঙ্করাচার্য। তিনি দুটোই দেখেছিলেন—প্রচলিত ধর্ম ও ভূমি-সংলগ্ন জীবন।

    স্বামীজী দুঃখ করে প্রমদাবাবুকে লিখছেন পরিব্রাজক অবস্থায়—”কিন্তু এবার অন্যপ্রকার রোগ। ঈশ্বরের মঙ্গলহস্তে বিশ্বাস আমার যায় নাই এবং যাইবারও নহে—শাস্ত্রে বিশ্বাসও টলে নাই। কিন্তু ভগবানের ইচ্ছায় গত ৫।৭ বৎসর আমার জীবন ক্রমাগত নানাপ্রকার বিঘ্নবাধার সহিত সংগ্রামে পরিপূর্ণ। আমি আদর্শ শাস্ত্ৰ পাইয়াছি, আদর্শ মনুষ্য চক্ষে দেখিয়াছি, অথচ পূর্ণভাবে নিজে কিছু করিয়া উঠিতে পারিতেছি না, ইহাই অত্যন্ত কষ্ট; বিশেষ, কলিকাতার নিকট থাকিলে হইবারও কোন উপায় দেখি না। আমার মাতা এবং দুইটি ভ্রাতা কলিকাতায় থাকে। আমি জ্যেষ্ঠ, মধ্যমটি এইবার ফার্স্ট আর্টস পড়িতেছে, আরেকটি ছোট।… ইঁহাদের অবস্থা পূর্বে অনেক ভাল ছিল, কিন্তু আমার পিতার মৃত্যু পর্যন্ত বড়ই দুঃস্থ, এমনকি কখনো কখনো উপবাসে দিন যায়।”

    এই তো তোমার ‘ক্রস’ নরেন। ছিলে কলকাতার বড়লোক। বাগ্‌বৈখরী শব্দঝরীদের দলে। চুরমার করেছি। জান না ভগবানের ইচ্ছে। এখন লিখছ : “এবার তাঁহাদের মকদ্দমা শেষ হইয়াছে। কিছুদিন কলিকাতায় থাকিয়া, তাঁহাদের সমস্ত মিটাইয়া এদেশ হইতে চিরদিনের মতো বিদায় হইতে পারি, আপনি আশীর্বাদ করুন।”

    “আপূর্যমানমচলপ্রতিষ্ঠং সমুদ্রমাপঃ প্রবিশন্তি যদ্বৎ।
    তদ্বৎ কামা যং প্রবিশন্তি সর্বে স শান্তিমাপ্নোতি ন কামকামী।।” (গীতা, ২।৭০)

    প্রমদাবাবুকে যা লিখছিলে, ভাবলাম, আমার নরেন বুঝি এন. আর. আই. হয়ে আমেরিকায় দর্শনের অধ্যাপক হতে চলেছে! না, অচলপ্রতিষ্ঠং, ব্রহ্মপ্রতিষ্ঠ পুরুষ হতে চাইছে! অজ্ঞ ব্যক্তির কাম্য শব্দাদিবিষয়সমূহ যত আসে আসুক, সমুদ্রে সব নদী যত জল ওগরায় ওগরাক, সমুদ্র কখনো বেলাভূমি লঙ্ঘন করে না। যদি ধর—বিষয় অশান্তি। যদি ছাড়—বিষয় শান্তি। তাই তুমি বলতে শিখেছ—”তাঁহাদের মামলা, তাঁহাদের দুঃখ।” তাই বলতে পারলে— “আদর্শ শাস্ত্র আমি পাইয়াছি, আদর্শ মনুষ্য চক্ষে দেখিয়াছি।” এই দুয়ের মিলনে তুমিই গড়বে সেই সঙ্ঘ

    পরবর্তী কালে রবীন্দ্রনাথ কি এই সঙ্ঘের কথাই বলেননি?

    “অন্নহারা গৃহহারা চায় ঊর্ধ্বপানে,
    ডাকে ভগবানে।
    যে-দেশে সে ভগবান মানুষের হৃদয়ে হৃদয়ে
    সাড়া দেন বীর্যরূপে দুঃখে কষ্টে ভয়ে
    সে-দেশের দৈন্য হবে ক্ষয়।
    হবে তার জয়।”

    তোমার বীরের ভাষায়, তুমি লিখবে :

    “ব্রহ্ম হতে কীট-পরমাণু, সর্বভূতে সেই প্ৰেমময়,
    মন প্রাণ শরীর অর্পণ কর সখে, এ সবার পায়।
    বহুরূপে সম্মুখে তোমার, ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর?
    জীবে প্রেম করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।”

    ধর আমি, যে-আমি অশিক্ষিত, আর তুমি—তুমি শিক্ষিত। তুমি দেখলে কি? জ্ঞান ভিতরে থাকে। ‘পাওয়ার হাউসে’ গিয়ে বসতে পারলে সমস্ত ‘সার্কিট’-এই সহজে যাওয়া যায়। পুঁথির বিদ্যায় চাকরি মেলে। আত্মজ্ঞানে শাস্ত্রের চোখ খোলে। শ্বাস ফেলে, নড়ে চড়ে।

    আর তুমি কি দেখলে? দারিদ্র্যের দুঃখ। কি পেলে? দরিদ্রের ঈশ্বর অন্ন। বলেছিলাম, কলিতে অন্নগত প্রাণ। শাস্ত্র, লেকচার, নৃত্য, ভাগবতে পেটের জ্বালা কমবে না। সৎকর্মই কলির ধর্ম। তাই তুমি বলতে পারলে—”আমার মহাভয় শশীর ঐ ঠাকুরঘর। ঠাকুরঘর মন্দ নয়, তবে ঐটি all in all করে সেই পুরনো ফ্যাসনের nonsense করে ফেলবার একটা tendency।”

    তাই বলতে পারলে—”পরমহংস মশাই নরেনকে হেন বলতেন, তেন বলতেন—কেন বলতে গেলে? আর আজগুবি ফাজগুবি যত—পরমহংস মশায়ের বুঝি আর কিছুই ছিল না?… মিছামিছি কর্তাভজার দল বাঁধতে আমার ইচ্ছা নাই। I will wash my hands off you forever!”

    তাহলে, তোমার হাতে যাদের দিয়ে গেলাম, যে-ভার, দায়িত্ব, নেতৃত্ব—তার পরিণতি?

    শিকাগো থেকে তুমি অগ্নি-অক্ষরে লিখলে : “আমি আসছি… দুহাজার, দশ হাজার, বিশ হাজার সন্ন্যাসী চাই, মেয়ে-মদ্দ। চেলা চাই—at any risk। গৃহস্থ চেলার কাজ নয়, ত্যাগী… young educated men-not fools। হুলস্থূল বাঁধাতে হবে। জায়গায় জায়গায় centre, মেয়ে-মদ্দ যে আসে দে মাথা মুড়িয়ে, তারপর আমি আসছি। মহা spiritual tidal wave আসছে—নীচ মহৎ হয়ে যাবে, মূর্খ মহাপণ্ডিতের গুরু হয়ে যাবে তাঁর কৃপায়।… life is ever expanding, contraction is death.”

    বিবেকানন্দ-প্লাবন এল। শতবর্ষের কর্মতরঙ্গে মহান ঐ রামকৃষ্ণ মিশন। বুদ্ধ দিলেন সঙ্ঘচৈতন্য, শঙ্কর দিলেন জ্ঞানতরঙ্গ, রামকৃষ্ণ দিলেন চৈতন্যদীপ, বিবেকানন্দ বিবেকরূপী সেই ‘ক্রশ’ (cross ) “ that we bear unto death. Amen!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article শ্বেতপাথরের টেবিল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }