Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প568 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. হাজারহাত কালিতলা রহস্য

    পাণ্ডব গোয়েন্দা – ৫ – পঞ্চম অভিযান – হাজারহাত কালিতলা রহস্য / ষষ্টীপদ চট্টোপাধ্যায়

    গ্রীষ্মের এক অলস দুপুরে পাণ্ডব গোয়েন্দারা মিত্তিরদের বাগানে খেলা করছিল। বাগানে ঘন গাছ-পালার অভাব ছিল না। আম, জাম, বেল, কাঁঠাল ইত্যাদির গাছ তো ছিলই, তা ছাড়াও ছিল গুলঞ্চ চাঁপা টগর প্রভৃতি ফুলের গাছ। খেলতে খেলতে এক জায়গায় এসে বিশ্রাম নিল ওরা। জায়গাটা যেমনই ছায়া সুনিবিড় তেমনই মনোরম। সহজে কারও চোখেও পড়বার নয়। একসঙ্গে কয়েকটি গাছ জড়াজড়ি করে রয়েছে এখানে। একটা প্রকাণ্ড বটগাছ অসংখ্য ঝুরি নামিয়ে ছাউনির মতো করে রেখেছে। সেই বটগাছকে আশ্রয় করে গজিয়েছে একটি মাধবীলতার গাছ। একটি গুলঞ্চ গাছও বাঁধা পড়েছে সেই স্নেহবন্ধনে।

    বাবলু বলল, “জায়গাটা বেশ আরামদায়ক। না রে বিলু?”

    বিলু বলল, “সত্যি। প্রাণ যেন জুড়িয়ে গেল।”

    ভোম্বল বলল, “তোরা বোস। আমি একটু গাছে উঠে হাওয়া খাই।”

    বাচ্চু-বিচ্ছু বলল, “না ভোম্বলদা, এই ভর দুপুরে গাছপালায় উঠতে যেয়ো না।”

    ভোম্বল বলল, “ওসব সংস্কার রাখ তো।” বলে পাকা গেছুড়েদের মতো গাছে ওঠা শুরু করল। পঞ্চু এক পাশে দাড়িয়ে লেজ নাড়ছিল। সেও ভোম্বলের দেখাদেখি এক লাফে শক্ত মোটা একটি ডালের ওপর বসে রইল। আর ভোম্বল একটু একটু করে উঠতে লাগল একেবারে মগ-ডালের দিকে। হঠাৎ দুর্ঘটনা ঘটে গেল। গুলঞ্চ গাছের একটা অপলকা ডাল ভোম্বলকে নিয়ে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল। ভোম্বল অসহায়ভাবে করুণ চিৎকার করে উঠল একটা। পরক্ষণেই গাছের অন্য একটা ডাল ধরে ঝুলে পড়ল। আর ঝুলে পড়েই বলল, “বাবলু, হেল্প মি প্লিজ। আমাকে বাঁচা।”

    বাবলু বিলু তরতরিয়ে গাছে উঠে ধরে ফেলল ভোম্বলকে। বাচ্চু নীচে থেকে বলল, “তখন বারণ করলাম শুনলে না তো আমাদের কথা।”

    বিচ্ছু বলল, “ভাগ্যিস নীচে পড়নি। তা হলে কী হত?”

    এমন সময় বাবলুর চোখে পড়ল জিনিসটা। একটা পুটলি। বড় বটগাছের ঘন পত্র-বিশিষ্ট একটি মোটা ডালে অতি যত্নে বাধা আছে। বাবলু বলল, “কী ব্যাপার বল তো?”

    ততক্ষণে বিলু ভোম্বলেরও নজরে পড়েছে। বাবলু নিজেই তখন এ-ডাল ও-ডাল করে এগিয়ে গেল সেখানে। তারপর পুটলিটা হাতে নিয়েই চমকে উঠল। কয়েক বাণ্ডিল একশো টাকার নোট বাঁধা আছে তাতে। এত টাকা একসঙ্গে ডালে বাঁধা দেখলে যে-কেউ চমকে উঠবে।

    টাকার পুটলি নিয়ে বাবলু নীচে নেমে এল। বিলু, ভোম্বল, বাচ্চুু, বিচ্ছু সবাই তখন ঝুকে পড়ল সেই টাকার ওপর। একসঙ্গে এত টাকা ওরা কখনও দেখেনি। টাকাগুলো নিয়ে এখন যে কী করা যায় এটাই হল সমস্যা। প্রথমে গুণে তো দেখতে হবে। কিন্তু গোনাই বা যায় কোথায়? ওরা তখন বাচ্চু-বিচ্ছু আর পঞ্চুুকে পাহারায় রেখে সেই মাধবীলতার ঝোপের ভেতর ঢুকল। বিস্ময়ের-পর-বিস্ময়। ওরা দেখল ঝোপের মধ্যে যেন একটি ছোট সংসার পাতা আছে কার। তার মানে কেউ-না-কেউ থাকে এখানে। বাবলুরা-অযথা বিলম্ব না করে গুণতে লাগল টাকাগুলো। মোট এক লক্ষ চৌষট্টি হাজার টাকা। ওদের তিনজনেরই চোখ কপালে উঠে গেল।

    বিলু বলল, “টাকাগুলো নিয়ে কী করা যায় বল তো?”

    বাবলু বলল, “কিছুই না। টাকা যেখানে ছিল সেখানেই বেঁধে রেখে চলে চল। পরে রাত্রিবেলা এসে ধরে ফেলব টাকার মালিককে। এখানে যে আমাদের পদার্পণ হয়েছিল এটা যেন সে কোনওরকমেই টের না পায়।” এই বলে বাবলু টাকাটা পুটলি বেঁধে যথাস্থানেই রেখে দিয়ে এল।

    তারপর নৈশ অভিযান কীভাবে হবে সে সম্বন্ধে আলোচনা করতে করতে যে-যার বাড়ি চলে গেল।

    রাত্রিবেলা বাড়ির লোকজন ঘুমিয়ে পড়লে ওরা সবাই চলল মিত্তিরদের বাগানে। অমাবস্যার রাত। চারিদিকে ঘুট-ঘুট করছে অন্ধকার। সেই অন্ধকারে শুরু হল অভিযান। বাবলু, বিলু, ভোম্বল তিনজনের হাতেই টর্চ। বাচ্চু-বিচ্ছু শুধু হাতে। ওরা কিন্তু সঙ্গে টর্চ থাকা সত্ত্বেও অন্ধকারে অনুমান করেই পথ চলতে লাগল। তারপর এক সময় নির্দিষ্ট স্থানের একটু দূরত্বে এসে থেমে দাঁড়াল ওরা। কারও মুখে একটি কথাও নেই।

    বাবলু বলল, “হু।”

    বিলু বলল, “আর এগোবি?”

    বাচ্চু-বিচ্ছুর মুখ ভয়ে এতটুকু হয়ে গেছে।

    ওরা এগোবে কি পিছোবে কিছুই ঠিক করতে পারল না। পঞ্চুও জিভ লকলকিয়ে চেয়ে চেয়ে দেখতে লাগল সেই দৃশ্য। বাবলুর আদেশ না পাওয়া-পর্যন্ত কিছুই করতে পারছিল না সে।

    ওরা সবাই দেখল অন্ধকারে গাছের ডালে কে যেন বসে বসে পা দোলাচ্ছে। এবং একজোড়া চোখ আগুনের গোলার মতো জ্বলছে।

    বিলু বলল, “পা দোলানো দেখে আমরা ভয় পাই না। কিন্তু ওই চোখদুটো তো মানুষের নয়। ও চোখ কার?”

    বাচ্চু বলল, “বাবলুদা পালিয়ে চলো।”

    ভোম্বল বলল, “সেই ভাল। বাবলু, কেটে পড় ভাই।”

    বাবলু বলল, “পালাবার আগে টর্চ মেরে দেখাই যাক না ওটা কী!”

    এমন সময় কড়মড় কড়মড় করে একটা শব্দ উঠল। সেই সঙ্গে গরর করে একটা শব্দ। তারপরেই ‘ক্যাঁচ’।

    বিলু বলল, “একটা ঢ়িল ছুড়ে দেখব?”

    “না।”

    বাবলুর হাতের টর্চ জ্বলে উঠল মুহুর্তের মধ্যে। পা দোলানো স্থির হয়ে গেল। পঞ্চুও তখন চিৎকার করে তেড়ে গেল সেই দিকে, “ভৌ-ভৌ-ভৌ! ভৌ-ভৌ-ভৌ। ভো-উ—উ—উ উ।”

    একসঙ্গে সব কটি টর্চ জ্বলে উঠল তখন। রাত্রির নিস্তব্ধতা ভেঙে যেন খান খান হয়ে গেল। একটা ভালুক লাফিয়ে নামল গাছের ডাল থেকে। আর মাথায় রুমাল বাধা একটা লোক মাধবীলতার ঝোপের ওপর উলটে পড়ল। পঞ্চু তাড়া করল ভালুকটাকে। আর বাবলুরা ছুটে গেল লোকটিকে উদ্ধার করতে।

    গাছ থেকে বে-কায়দায় পড়ে গিয়ে লোকটির সর্বাঙ্গ কেটে-কুটে-ছড়ে একশা হয়ে গেছে। খতিয়েও গেছে রীতিমতো। বাবলুরা কাছে যেতেই ভয়ে এতটুকু হয়ে গেল সে। একবার শুধু বলল, “পানি। থোড়া পানি। একটু জল।”

    বাবলু বলল, “জল এখানে কোথায় পাব?”

    “হ্যায়। বোতলমে।”

    ওরা সবাই ধরাধরি করে কোনওরকমে ঝোপের ভেতর থেকে টেনে বার করল তাকে। লোকটা বসে বসে হাফাতে লাগল। ভোম্বল ঝোপের ভেতর টর্চ নিয়ে ঢুকতেই দেখতে পেল এক জায়গায় একটি বোতলে এক বোতল জল আছে। সেই জল এনে লোকটাকে দিতেই এক নিশ্বাসে সব জলটুকু চো-চো করে শেষ করে দিল। তারপর একটু আশ্বস্ত হলে বাবলু বলল, “কে তুমি?”

    লোকটি ওদের দিকে তাকিয়ে বলল, “আমার নাম ইব্রাহিম।”

    “রাত্রিবেলা এখানে বসে কী করছিলে?”

    লোকটি তখন বাবলুদের দিকে বেশ ভাল করে একবার তাকিয়ে নিতান্তই ছেলেমানুষ দেখে বলে উঠল, -ব-ও সব। ভাগো হিয়াসে। ঝামেলা মাৎ করো।”

    ভোম্বল তখন লোকটার চুলের মুঠি ধরে ঠাস করে বসিয়ে দিয়েছে এক চড়।

    চড় খেয়ে লোকটাও টিপে ধরেছে ভোম্বলকে। যেই না ধরা বাবলু, বিলুও অমনি ঝাঁপিয়ে পড়ল তার ওপর সে এক প্রচণ্ড ধস্তাধস্তি। ততক্ষণে পঞ্চুও এসে পড়েছে। পঞ্চুুর গো গো শুনে শান্ত হল লোকটি।

    বাবলু বলল, “বলো তুমি এখানে কী করছিলে?”

    লোকটি এবার ভালমানুষের মতোই বলল, “মেরা জিন্দগি খতম হো যায়েগা খোকাবাবু! তুম লোগ কেয়া সমঝোগে?”

    বাবলু বলল, “তুমি যদি সত্যিকথা বলো তা হলে কোনও ভয় নেই। না হলে কিন্তু বিপদ হবে তোমার। ওই ভালুকটাকেই বা পেলে কোথায় তুমি?”

    লোকটি তখন সব কথা খুলে বলল, সে যা বলল তা হল এই– ‘

    ওর নাম ইব্রাহিম। ফৈজাবাদে ওর বাড়ি। ভালুকের নাচ দেখিয়ে পয়সা রোজগার করে ও দিনযাপন করে। কেউ কোথাও নেই ওর। ঘুরতে ঘুরতে ও কলকাতায় আসে। একদিন ও আউটরাম ঘাটে রাত কাটাচ্ছিল এমন সময় কালো মোটরে চেপে একজন লোক ওকে অনেক টাকার লোভ দেখিয়ে নিজেদের ডেরায় নিয়ে আসে। তারপর ও খেলা দেখিয়ে ভুলিয়ে ভালিয়ে কিছু ছেলেমেয়েকেও ওদের হাতে তুলে দেয়। ইতিমধ্যে একদিন ওদের গোপন কক্ষে ঢুকে পড়ে ও। সেখানে ঢুকে যা ও দেখল তা দেখে ওর মন-প্রাণ কেঁদে উঠল। ও দেখল একটা ঘরের ভেতর দশ-বারোটা ছেলেকে হাত-মুখ বেঁধে এক এক জনকে এক একটা হাড়ির ভেতর বসিয়ে রাখা হয়েছে। যাতে তাদের ওপরের অংশটা বাড়ে কিন্তু নীচের অংশ বাড়তে না পারে। আরও কয়েকটি ছেলে আছে। তাদের শরীরের নিম্নভাগ ছোট্ট এবং উপরিভাগ স্বাভাবিক। যে লোকটা ওকে কাজ দেবে বলে নিয়ে গিয়েছিল সেই ছিল দলের সর্দার। ওই ছেলেদের দিয়ে ভিক্ষে করিয়ে ওরা পয়সা রোজগার করে। তা ছাড়া আরও কিছু লোক আছে তারা কেউ অন্ধ, কেউ খোড়া, কারও বা গায়ে দগদগে ঘা। এদের দিয়েও ওরা ভিক্ষে করায়। এইসব দেখে ও দলের সংস্পর্শ ছেড়ে দিতে চায়। ওরা তখন মৃত্যুভয় দেখায় ওকে। মৃত্যুভয়ে ও আবার ওদের কাজ করতে রাজি হয়। কাল ও দলের হয়ে কাজ করবার নাম করে পালিয়ে এখানে এসে আশ্রয় নিয়েছে।

    সব শুনে বাবলু বলল, “বেশ, তা না হয় নিলে। কিন্তু গাছের ডালে যে অত টাকা বেঁধে রেখে তুমি উধাও হয়েছিলে সে টাকাটা পেলে কোথায় ?”

    ইব্রাহিম টাকার কথায় কেমন যেন মিইয়ে গেল। বলল, “ও টাকা আসল নয় বাবু। জাল। আসবার সময় কয়েক বাণ্ডিল নিয়ে পালিয়ে এসেছি।”

    বাবলু বলল, “কিন্তু পালিয়ে তুমি এখানে এলে কেন? দেশেও তো চলে যেতে পারতে। থানায় খবর দিতে পারতে। ”

    “দেশে যাবার উপায় নেই বাবু। আমি ওদের দেশের ঠিকানাটাও দিয়ে দিয়েছি। ওরা ঠিকানা খুঁজে গিয়েও আমাকে গুলি করে মারত। আর থানায় গেলেও তো আমি নিজেই হাজতে ঢুকব। কেন না আমিও তো ওদের পাপ-ব্যবসায় সাহায্য করেছি।”

    বাবলু বলল, “কিন্তু এখানেই কি ওদের নজর এড়িয়ে তুমি বাঁচতে পারবে?”

    “এখানে আমি থাকব না। একটা ট্রাক ম্যানেজ করবার জন্যে আজ দুপুরে একবার বেরিয়েছিলাম। ভোর রাতে একটা ট্রাক যাবে। তাইতে চলে যাব।”

    “কোথায় যাবে?”

    “ময়ুরভঞ্জ।”

    “ট্রাকের ভাড়া কি ওই জাল নোট দিয়েই দেবে?”

    “তা ছাড়া আমার টাকা কই বাবু?”

    বাবলুরা কী করবে এখন কিছু ভেবে পেল না। বিলু বলল, “আচ্ছা, ওদের ঘাটিটা কোনখানে?”

    ইব্রাহিম বলল, “সানাপাড়ায়। জাহাজ প্যাটার্নের বাড়ি। বাড়ির চিলেকোঠার মাথায় একটা মাস্তুলের মতো আছে। তাইতে একটা প্যাঁচা বসানো আছে। পাথরের প্যাঁচা।”

    বাবলু বলল, “কালই তা হলে সন্ধান নিতে হচ্ছে তো।”

    ইব্রাহিম বলল, “দয়া করে আমার কথা যেন কিছু বলে ফেলবেন না খোকাবাবুরা। ওরা আমার জিন্দগি বরবাদ করে দেবে।” তারপর বলল, “আপনাদের একটা টর্চ একবার দিন আমায়। টাকাটা গাছ থেকে নামিয়ে নিয়ে আসি। আর দেখি সুন্দরটা গেল কোথায়।”

    বাবলু বলল, “সুন্দরী!”

    “আমার ভালুকটার নাম।”

    “যাও যাও দেখ। না হলে কাউকে হয়তো আঁচড়ে কামড়ে বসে থাকবে।”

    “না বাবু! কামড়াতে ও জানে না। ওর মুখ বাঁধা। আর আঁচড়াতেও পারে না। পায়ের নখ কাটা বলে। ভালুকটা আমার বড় প্রিয়। ওকে নাচিয়ে আমি কত পয়সা আয় করেছি। ওর মায়াতেই তো কোথাও যেতে পারি না। একা হলে এতক্ষণে হয়তো আমি হিমালয়ে চলে যেতাম।”

    ইব্রাহিম বাবলুর টর্চ নিয়ে গাছে উঠল। তারপর টাকার পুটলিটা পেড়ে নামাতে গিয়ে দেখল ভালুকটা ফের ডালে শুয়ে আছে। ইব্রাহিম গাছ থেকে টৰ্চটা বাবলুর হাতে দিয়ে বলল, “বহুৎ মেহেরবানি খোকাবাবু! লোকন আমার কথা কাউকে বলবেন না কেমন?”

    বাবলুরা বলল, “আচ্ছা। কিন্তু তোমার ওই জাল নোটের বাণ্ডিলটা তুমি আমাদের দিয়ে দাও।”

    না খোকাবাবু না। ওটা দিলে আমি না খেতে পেয়ে মরে যাব।”

    ”তোমাদের মতো লোকের মরে যাওয়াই দরকার। যারা টাকার লোভে পরের ছেলেকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে শয়তানের হাতে তুলে দেয় তাদের মরা উচিত।”

    “তা আপনি যাই বলুন ও টাকা আমি দিচ্ছি না।”

    “দেবে না?”

    “না।”

    বাবলু ডাকল, “পঞ্চু!”

    পঞ্চু ইব্রাহিমের দিকে তাকিয়ে গরর করে উঠল। পঞ্চুুর রোখ দেখে নার্ভাস হয়ে পড়ল ইব্রাহিম।

    বাবলু কড়া গলায় বলল, “দাও বলছি।”

    পঞ্চুু কিন্তু ইব্রাহিমের দেওয়ারও অপেক্ষা রাখল না। তার ওপর আচমকা ঝাঁপিয়ে পড়ে হাত থেকে ছিনিয়ে নিল পুটলিটা।

    বাবলু বলল, “ঠিক আছে। আজ তা হলে চলি কেমন? গুড নাইট। আর যদি নিজের মঙ্গল চাও কাল ভোর বেলাতেই চলে যেয়ো।”

    এই বলে ওরা সবাই চলে গেল।

    আর ইব্রাহিম ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে রইল ওদের চলে যাওয়ার পথের দিকে।

    পরদিন সকালে পাণ্ডব গোয়েন্দারা থানায় গিয়ে সব কথা খুলে বলল এবং টাকাগুলো জমা দিল পুলিশকে। টাকাগুলো দেখেই চমকে উঠলেন ওসি। বললেন, “আরে এ তো জাল নোট নয়। এ তো আসল টাকা। কিছুদিন আগে একটা ব্যাঙ্ক-ডাকাতি হয়েছিল এ সেই টাকা।”

    বাবলু বলল, “তাই নাকি। কিন্তু ইব্রাহিম যে বলল…।”

    “সে হয় জানত না। না হলে মিথ্যে কথা বলেছে। তবে মনে হয় জানত না। জানলে সামান্য একটা ভালুকের মোহে পড়ে থাকত না। তবে লোকটাকে ছেড়ে দিয়ে খুব ভুল করেছ। যাক। ময়ূরভঞ্জের দিকে গেছে তো ? ওকে এখনই ধরার ব্যবস্থা করছি।”

    বাবলু বলল, “আমরা তা হলে আসি?”

    “এসো।”

    ওরা থানা থেকে বেরিয়ে বাড়ির দিকে যাচ্ছে এমন সময় হঠাৎ ওদের নজরে পড়ল একটা লোক সাইকেল চেপে দ্রুত মিত্তিরদের বাগান থেকে বেরিয়ে আসছে।

    ভোম্বল বলল, “লোকটাকে চিনি। প্রায়ই ময়দান-গ্যালারিতে বসে থাকে সন্ধের সময়।”

    বিলু বলল, “তা থাকুক। কিন্তু ও লোক এখানে কেন?”

    বাবলু বলল, “বাগানে গিয়েই দেখা যাক কী ব্যাপার।”

    ওরা সকলে বাগানে গিয়ে সেই মাধবীলতার ঝোপের দিকে এগিয়ে চলল। ঝোপের কাছে গিয়েই চক্ষুস্থির। দেখল ইব্রাহিম আর তার সাধের ভালুক মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। দুজনেরই দেহে গুলির দাগ। ভালুকের ছালটা ছাড়ানো।

    বাবলুরা ইব্রাহিমকে স্পর্শ করে দেখল। দেহটা শক্ত ও শীতল। তার মানে এখনকার কাজ নয়। কাল রাতেই শেষ করে দেওয়া হয়েছে ওদের।

    বিলু বলল, “এখন কী করবি বাবলু?” .

    “আর একবার থানায় যাব। তারপর আজই সন্ধের সময় ময়দানে গিয়ে সাইকেলে চাপা লোকটাকে ফলো করব। ইতিমধ্যে দুপুরবেলা সন্ধান নিয়ে আসব সেই জাহাজবাড়িটার। তারপর পুলিশে ইনফর্ম করে ধরিয়ে দেব দলটাকে ৷ ”

    সবাই আনন্দে মেনে নিল বাবলুর কথা।

    সারাদিন ধরে সবাই মিলে অনেক ঘুরেও যখন ইব্রাহিমের সেই জাহাজবাড়ির সন্ধান পেল না তখন বুঝতে পারল ইব্রাহিমের সব কথাই মিথ্যে। অন্তত ওর পরিচয়ের ব্যাপারে। আসলে ওর নাম ইব্রাহিম কিনা তাই বা কে জানে? সে যাক। মরেছে যখন আপদ চুকেছে। ঠিক ভর সন্ধেবেলা বাবলু, ভোম্বল ও পঞ্চু ময়দানে চলল লোকটাকে ফলো করতে।

    ময়দানের আশপাশে একটু ঘোরাঘুরির পর লোকটাকে একটি অ্যাটাচি হাতে নিয়ে আসতে দেখা গেল। লোকটির মাথায় হ্যাট, মুখে চুরুট, ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি। আর গালের ওপর বিশ্রী একটা কাটা দাগ। সঙ্গে এক বেঁটে মস্তান।

    বাবলুরা গ্যালারির পিছনে পাঁচিলের অন্ধকার মতো জায়গাটায় ঘাপটি মেরে বসে রইল। লোক দু’জন গ্যালারিতে বসলে ওরা প্রায় কুমিরের মতো বুকে হেঁটে পাঁচিলের গা ঘেঁষে ওদের কাছাকাছি গেল।

    কিন্তু ওরা সেই নির্জনেও এমনভাবে ফিস ফিসিয়ে কথা বলতে লাগল যে বাবলুরা তা শুনতেই পেল না।

    বাবলু বলল, “বৃথা চেষ্টা। তুই এক কাজ কর ভোম্বল। ওদের অ্যাটাচিটা ঝেড়ে আন। সন্তৰ্পণে যাবি। যাতে টের না পায়।”

    ভোম্বলকে শুধু বলার অপেক্ষা। সে নিঃশব্দে এগিয়ে গিয়ে অ্যাটাচিতে টান দিতেই লাফিয়ে উঠল লোকটা। তারপর ভোম্বলের হাত ধরে টেনে তুলে নিল গ্যালারির ওপর।

    বেঁটে লোকটা বলল, “চোরের ওপর বাটপাড়ি করতে এসেছিস ব্যাটা! কদিন লাইনে এসেছিস বল?” ভোম্বল নীরব। বেঁটেটা ভোম্বলের গালে একটা চড় মারল, “বল বলছি।” গালকাটা বলল, “মারার দরকার নেই। এই রকম একটা ছেলেই আমি খুঁজছিলাম এতদিন। একে আমাদের কাজে লাগাব। তুমি যাও। আমার গাড়িটা আনার ব্যবস্থা করো।”

    ভোম্বল বলল, “আমার নাম নীল আর্মস্ট্রং।”

    লোকটি হেসে বলল, “গুড়। তুমি আমার মনের মতো ছেলে। আমাদের দলের হয়ে কাজ করবে তুমি!”

    ভোম্বল বলল, “কত মাইনে দেবেন।”

    “ধরো মাসে পাঁচশো টাকা।”

    “সে তোমাকে বলে দেবোখন। কোথায় থাক তুমি?”

    “৩ নম্বর আকাশ পাতাল রোড়ে।”

    লোকটি এবার রেগে গেল, “বেশি ফাজলামো করো না হে ছোকরা, বুঝেছ?”

    ভোম্বল তখন লোকটির অন্যমনস্কতার সুযোগে অ্যাটাচিটা হাতে নিয়েই গ্যালারি থেকে এক লাফ। বিহ্বল লোকটি একটু থমমত খেয়ে ছুটে আসতেই ভোম্বল সেটা অদূরে দণ্ডায়মান বাবলুকে ছুড়ে দিল। বাবলু সেটা লুফে নিয়েই লেলিয়ে দিল পঞ্চুুকে। পঞ্চুু বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ল লোকটির ওপর। তারপর আঁচড়ে কামড়ে এমন তাড়া লাগাল যে ময়দান থেকে পালাতে পথ পেল না বাছাধন। বাবলুরাও বিপদমুক্ত হয়ে অ্যাটাচিটা নিয়ে ফিরে এল।

    বিলু-বাচ্চু আর বিচ্ছু অপেক্ষা করছিল বাবলু ও ভোম্বলের জন্যে। ওরা যেতেই উৎসুক হয়ে জানতে চাইল কি হল না হল।

    বাবলু সব কথা খুলে বলল ওদের। তারপর সবাই মিলে ভেঙে ফেলল অ্যাটাচিটা। ভেতরটা তন্ন তন্ন করে খুঁজে কতকগুলো টাইপ করা কাগজ ও ঠিকানা লেখা কার্ড ছাড়া আর কিছুই পেল না। ঠিকানা যা লেখা আছে তা হাজারহাত কালীতলার দিকে।

    বাবলু বলল, “দেরি নয়। আজই এবং এখনই যাব সবাই। চল।”

    যাত্রা হল শুরু। পাণ্ডব গোয়েন্দার দল পঞ্চু সমেত চলে এল হাজারহাত কালীতলায়। তারপর নম্বর মিলিয়ে যেখানে এল সে এক মস্ত পাঁচিল ঘেরা বাগানবাড়ি।”

    বাবলু বলল, “এই হচ্ছে শয়তানের ঘাটি। অন্তত এর পরিবেশ তাই বলে দিচ্ছে। তা যাক। এর ভেতরে আমাদের যেমন করেই হোক প্রবেশ করতে হবে। বিলু আমি পঞ্চু ভেতরে ঢুকব। ভোম্বল, তুই বাচ্চু-বিচ্ছুকে নিয়ে বাইরে থাকবি। আমার কাছে হুইসিল আছে। যদি কোনওরকম গোলমাল বুঝি তা হলে বাজাব। তোরা সঙ্গে সঙ্গে থানায় চলে যাবি। আর তোরা যদি বেগতিক বুঝিস তবে ভোম্বল তুই কোকিলের গলা করে ডাকতে থাকবি। আমরা হুশিয়ার হয়ে যাব।”

    ভোম্বল বলল, “আচ্ছা।” বাবলু আর বিলু তখন পাঁচিল টপকাবার ব্যবস্থা করতে লাগল। একদিকে পাঁচিলের লাগোয়া একটা লাইট পোস্ট ছিল। তা বেয়ে বাবলু পাঁচিলে উঠল। বিলু করল কী পঞ্চুুকে দুহাতে চাগিয়ে তুলল। অমনি বাবলুও ধরে নিল পঞ্চুকে। তারপর বিলু উঠল। পাঁচিল থেকে বাগানেও নামল একই কায়দায়। একটা নারকেল গাছ বেয়ে। পঞ্চু অবশ্য লাফিয়ে নামল।

    বাগানে নেমে প্রথমেই একটি কামিনী গাছের ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে পড়ল ওরা। তারপর তার ভেতরে বসে বেশ ভালভাবে চারদিক দেখে যখন দেখল কেউ কোথাও নেই তখন ওরা খুব সন্তৰ্পণে এগিয়ে চলল বাগানের মধ্যস্থিত প্রকাণ্ড বাড়িটার দিকে। কিন্তু সমস্যা হল বাড়ির ভেতর প্রবেশ করা নিয়ে। নীচের তলার দরজা ভেতর থেকেই বন্ধ। একটা কাঠালগাছ শুধু বারান্দার গা ঘেঁষে ডালপাতা মেলে বাতাসে শিরশির করছে। বাবলু আর বিলু পঞ্চুকে সঙ্গে নিয়ে সেই গাছ বেয়ে বারান্দায় নামল।

    বারান্দার পাশেই একটু ছোট্ট প্যাসেজ। সেটায় ঢুকতেই ওরা ভেতর বাড়িতে চলে এল। বাড়িতে লোকজনের চিহ্নমাত্র নেই। সেকেলে চুন বালিখসা পুরনো বাড়ি। ভেতরে ঢুকেই ওরা নীচে নামবার সিঁড়ি পেল। সেই সিঁড়ি বেয়ে কয়েক ধাপ নামতেই চক্ষুস্থির হয়ে গেল দুজনের। ওরা সবিস্ময়ে দেখল একটা ঘরের ভেতর দু’জন ভয়ংকর চেহারার লোক হাত-পা ও মুখ বেঁধে হাড়ির মধ্যে বসানো কয়েকটি ছেলেকে নির্মমভাবে বেত্ৰাঘাত করছে। আর একটা থামে বাঁধা লোকের পিঠে মাঝে মাঝে ঝামা ঘষে ছাল চামড়া উঠিয়ে দগদগে ঘা করে দিচ্ছে। এ লোকটার মুখ এমনভাবে বাধা যে সে কিছুতেই চিৎকার করতে পারছে না। দেখে ওদের চোখে জল এসে গেল।

    এমন সময় হঠাৎ শোনা গেল কোকিলের ডাক। বাবলু বলল, “লুকিয়ে পড় বিলু। এ ডাক ভোম্বলের। নিশ্চয়ই কেউ আসছে।” ওরা দুজন তখনই পঞ্চুুকে নিয়ে লুকিয়ে পড়ল এক পাশে একটু পরেই দেখা গেল ময়দানের সেই লোকদুটো আসছে। গালকাটা এবং বেঁটেটা ওরা ঘরে ঢুকল। গালকাটা ভেতরের লোকদের বলল, “খুব সাবধান। কালকের মার্ডারের ব্যাপারে পুলিশ আমাদের ধরবার জন্যে তৎপর হয়েছে।”

    “সেটা তো আমিও ভেবে পাচ্ছি না। তার ওপর অ্যাটাচিটা খোয়ালাম।” ভেতরের সেই সাংঘাতিক চেহারার লোকদের একজন বলল, “কিন্তু আপনার সারা গা এমন ছড়ে কেটে গেল কী করে?”

    “সে কথা আর বলো না। দুটো হাড় বজাত ছেলের কাণ্ড কুকুর লেলিয়ে দিয়েছিল। একবার এই ঝামেলাটা একটু সামলে নিই। তারপর নিজে হাতে খুন করব ওদের।”

    বিলু ফিসফিস করে বাবলুকে বলল, “পালিয়ে চল বাবলু না হলে ওরা সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠলেই ধরে ফেলবে আমাদের।”

    কিন্তু কান বটে শয়তানদের। বিলু চাপা গলায় বললেও কথাটা কানে যেতেই সাংঘাতিক লোকদুটাে ছুটে এল, “কে ! কে ওখানে?”

    আর কে। বাবলু খুব জোরে হুইশিল বাজিয়েই বলল, “বিলু তুই পালা। আমি দেখছি ততক্ষণ ব্যাটাদের। পঞ্চুু আমার কাছেই থাক।”

    বাবলু কিছু বলার আগেই যে লোকদুটো ওদের তেড়ে এসেছিল পঞ্চু তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে আঁচড়ে কামড়ে ছিড়ে ফেলল একেবারে।

    বিলু তখন চলে গেছে। লোকদুটো বাবা রে মারে করে ঢুকে পড়ল ঘরের ভেতরে। তারপর চোখের পলকে দুজনে দুটো লাঠি নিয়ে আবার ঝাঁপিয়ে পড়ল। একজন পড়ল পঞ্চুকে নিয়ে। আর একজন তেড়ে এল বাবলুর দিকে। পঞ্চু অদ্ভুত কায়দায় লাফিয়ে লাফিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে লাগল। আর বাবলু উপায়ান্তর না দেখে তরতরিয়ে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে পালাবার চেষ্টা করল। সিঁড়ির ওপর ধাপে মস্ত একটা কাঠের পিপে বসানো ছিল। বাবলু তাড়াতাড়ি সেটাকে গায়ের জোরে উলটে গড়িয়ে দিল নীচের দিকে। যে লোকটা বাবলুকে তেড়ে আসছিল সে তখন বেকায়দা দেখে পালাতে গেল। কিন্তু ততক্ষণে পিপেটা গড়াতে গড়াতে তার ওপর গিয়ে সজোরে মারল এক ধাক্কা লোকটা হেটমুণ্ডে থুবড়ে পড়ল। গালকাটা লোকটা তখন ঘরের ভেতর চেঁচাচ্ছে, “সাংঘাতিক, কী সাংঘাতিক।”

    বেঁটেট বলল, “সেই ছেলেদুটো। সেই ডেঞ্জারাস ছেলেদুটো।”

    বাবলুও ততক্ষণে বাইরে বেরিয়ে এসেছে। বাইরে বেরিয়েই সে দেখল চারদিকে থিক থিক করছে পুলিশ।

    ভোম্বল বলল, “তোরা দুজনে পাঁচিল টপকাবার পরই আমি বাচ্চু-বিচ্ছুকে থানায় পাঠিয়েছিলাম। কে জানে কখন কী ঘটে।”

    বাবলু বলল, “বেশ করেছিস।”

    পুলিশের লোকেরা তখন ঘাঁটিতে ঢুকে চারজনকেই অ্যারেস্ট করেছে।

    বাবলু ও সিকে বলল, “এদের একটা অ্যাটাচি আমার কাছে আছে। কাল আপনাকে দিয়ে আসব। যে সব কাগজপত্তর রয়েছে তাতে করে এদের দলের আরও অনেক কিছু ফাঁস হবে বলে মনে করি।”

    ওসি বললেন—তোমাদের প্রত্যেককে আমার অভিনন্দন জানাচ্ছি। চলো তোমাদের বাড়ি পৌঁছে দিয়ে আসি।

    পঞ্চুু সমেত পাণ্ডব গোয়েন্দারা সবাই পুলিশের জিপে চেপে বসল। বাবলুর মনে শুধু একটা রহস্যই দানা বেঁধে রইল। ইব্রাহিম তা হলে কে? তার সত্যিকারের পরিচয়টাই বা কী?

    তার যে পরিচয়ই হোক, পাণ্ডব গোয়েন্দাদের জয় জয়কার। জিপ থেকে নামার পরই বিলু চেঁচিয়ে উঠল, “থ্রি চিয়ার্স ফর পাণ্ডব গোয়েন্দা।”

    সবাই বলল, “হিপ হিপ হুরর রে।”

    পঞ্চুও উল্লাসে ডেকে উঠল, “ভৌ। ভৌ ভোঁ।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    Next Article কত অজানারে – শংকর

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }