Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প568 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. চিনা রহস্য

    পাণ্ডব গোয়েন্দা – ৬ – ষষ্ঠ অভিযান – চিনা রহস্য / ষষ্টীপদ চট্টোপাধ্যায়

    আন্দুল রোডের ধারে বকুলতলার একটা বুনো জায়গায় পাণ্ডব গোয়েন্দারা পিকনিক করতে গেল। ভারী মনোরম জায়গা। রাস্তার ধারে গাড়ি রেখে ওরা মেতে উঠল পিকনিকে।

    মাথার ওপর নীল আকাশ। আর চারদিকে ঘন সবুজের সমারোহ। একপাশে হাসখালির খাল। পঞ্চু এখানে এসে বেজায় খুশি হয়ে গেল। তাই সে বারে বারে লেজ নেড়ে লাফিয়ে ছুটে তার আনন্দ প্রকাশ করতে লাগল। কখনও খালের জলের কাছে ছুটে গেল। কখনও মাঠে নেমে গেল ছুটে। আবার কখনও বা বনের ভেতর ঢুকে আনন্দে উল্লাসে গড়াগড়ি খেতে লাগল।

    সবুজ ঘাসের ওপর শতরঞ্জি বিছিয়ে বাবলু, বিলু, ভোম্বল, বাচ্চু, বিচ্ছুরা বসল। বাচ্চুু-বিচ্ছুর বাবাও এসেছিলেন সঙ্গে। তিনি রুটিতে মাখন দিয়ে সকলের জন্য ভাগ করতে লাগলেন। এমন সময় হঠাৎ পঞ্চু চিৎকার করে উঠল, “ভৌ—ভৌ—ভৌ।”

    বাবলু বলল, “কী ব্যাপার বল তো!”

    বিলু বলল, “ও কিছু নয়। ব্যাটা ফুর্তিতে ডাকছে।”

    “উহু! এ ডাক সে ডাক নয়।”

    ভোম্বল তখন জোর গলায় পঞ্চুকে ডাকল, “আয়—আয়—পঞ্চু।”

    পঞ্চু তখনও ডাকছে, “ভৌ—ভৌ—ভৌ—ভৌ।”

    বাবুল উঠে দাঁড়াল।

    বাচ্চু-বিচ্ছুর বাবা বললেন, “কী হল, উঠলে যে!”

    “আসছি কাকাবাবু” বলেই বনের দিকে ছুটল বাবলু।

    তার দেখাদেখি বিলু, ভোম্বল সবাই। বাচ্চু-বিচ্ছুও ছুটল। ছুটে গিয়ে ওরা দেখল বনের ভেতর এক জায়গায় একটি লোহার সিক ও ছেঁড়া কাগজ বোঝাই বস্তা পড়ে আছে। আর সেখানেই একটি গাছের ডালে একজন ছেড়া কাগজ কুড়ানোওয়ালা চিনা প্রাণপণে ডাল আঁকড়ে ঠকঠক করে কাঁপছে।

    বাবলু গিয়ে পঞ্চুকে নিরস্ত করতেই চিনাটা নেমে পড়ল গাছ থেকে। তারপর সে তার ভাষায় কী সব বলল বাবলুদের। বাবলুরা তার কিছুই বুঝল না।

    ভোম্বল চিনাটাকে বলল, “এই বনের ভিতর তুই কী করতে এসেছিলি বল? কাগজ কুড়োতে?”

    চিনাটা আবার তার ভাষায় কী বলল।

    পঞ্চু তখন বাবলুর হাত ছিনিয়ে একটি ব্যাগের উপর ঝাপিয়ে পড়ল।

    এই ব্যাগটা এতক্ষণ ওদের নজরে পড়েনি। ওরা দেখল সেটা একটা ত্রিপলের বড় ব্যাগ। দড়ি দিয়ে তার মুখ বাধা। অনেকটা ডাক ব্যাগের মতো। বাবলু তাড়াতাড়ি খুলে দেখল তার ভেতরে নানা রকমের পার্শেল আছে। দেখে বাবলু বলল, “বুঝেছি। এই ব্যাটারই কাজ। ভোম্বল, ধরে রাখ ব্যাটাকে যেন পালাতে না পারে। পুলিশে দেব ব্যাটাকে।”

    কিন্তু কাকে দেবে পুলিশে? বাবলুদের অন্যমনস্কতার সুযোগে চিনাটা তখন পগার পার। সে তখন তির-বেগে ছুটছে।

    তার দিকে নজর পড়তেই পঞ্চুও ছুটল উর্ধ্বশ্বাসে।

    চিনাটা তখন হাসখালির পোলের ওপর। পঞ্চুু গিয়ে বাঘের মতো ঝাপিয়ে পড়ল তার পায়ে। আর সেই মুহুর্তে চিনাটাও লাফিয়ে পড়ল পোলের ওপর থেকে খালের জলে। সামান্য কয়েকটি বুদবুদ। তারপর ডুব সাঁতারে কোথায় যেন অদৃশ্য হয়ে গেল সে।

    বাবলুরা ফিরে এল। ফিরে এসে পার্শেলের ব্যাগটাকে মোটরের ভেতর রাখল। তারপর মাখন-রুটি খেয়ে মেতে উঠল পিকনিকে।

    পিকনিক শেষে ফেরার পথে পার্শেল ব্যাগটা ওরা থানায় জমা দিল।

    পুলিশ অফিসার সব শুনলেন ব্যাপারটা, কীভাবে ওটা পাওয়া গেল। শুনে বললেন, “একদল ওয়াগন ব্রেকার এই সব পার্শেলের জিনিস চুরি করছে। ভালই হল এগুলো ফেরত পেয়ে। তারপর বাবলুকে বললেন—চিনের যুদ্ধের পর থেকে এই সব চিনারা গা ঢাকা দিয়েছিল। আবার একটা দুটো করে বেরোচ্ছে দেখছি। যাক, সেই চিনাটাকে এরপরে কখনও দেখলে চিনতে পারবে?”

    “পারব।”

    “কী করে চিনবে?”

    “তার পা দেখে। আমাদের কুকুরে তার পায়ের ডিম থেকে এতখানি মাংস খুবলে নিয়েছে।”

    “ভেরি গুড়। এবার থেকে তোমরা লক্ষ রাখবে ওকে আর কখনও দেখতে পাও কি না। পেলে আমাদের জানাবে। কেমন?”

    বাবলুরা আচ্ছা বলে বিদায় নিল।

    রাত্রি তখন কত তা কে জানে। হঠাৎ একদল পাখি বাড়ির পাশের গাছটা থেকে কলরব করে উড়ে পড়ল। সেই সঙ্গে শুরু হল কিছু কুকুরের চিৎকার। তারপরই মনে হল কে যেন বাবলুদের ঘরের দরজাটা আঁচড়াচ্ছে। আর চিৎকার করছে, “ভৌ—ভৌ—ভৌ।”

    এ তো পঞ্চুর গলা! বাবলু মাথার কাছে রাখা টর্চটা নিয়ে ধড়মড়িয়ে উঠে পড়ল। তারপর তরতর করে সিঁড়ি বেয়ে উঠে গেল ছাদে। চারদিকে আলো আর আলো। কোথা থেকে এল এই আলো? দূরের আকাশ পর্যন্ত লাল হয়ে উঠেছে। আগুন লেগেছে কোথাও। ওই তো জ্বলছে আগুন। লকলক করে জ্বলছে। কালীবাবুর বাজারে আগুন লেগেছে ঠিক। একবার মনে হল ঠিক হয়েছে। সকাল হলেই যেমন বাজারে জিনিসপত্তরের দামে আগুন লাগে, তেমনি ঠিক হয়েছে। পরক্ষণেই কঠোর হয়ে উঠল বাবলু। ছাদের গায়ে গায়ে ছুয়ে থাকা নারকোল গাছ বেয়ে তরতর করে নেমে এল।

    বাবলুকে দেখেই ছুটে এল পঞ্চু। বাবলু পঞ্চুুকে ইশারা করল। তারপর ছুটতে লাগল দু’জনেই ছুটতে ছুটতে একেবারে বিলুদের বাড়ি।

    বিলুও আগেই উঠে পড়েছিল। বাবলুকে দেখে শিস দিল সে। তারপর পাঁচিল টপকে সেও রাস্তায়। বাবলু, বিলু আর পঞ্চু তির-বেগে ছুটে চলল কালীবাবুর বাজারের দিকে। ওরা যাবার আগেই কত লোক সেখানে জড়ো হয়েছিল। বালতি বালতি জল ঢেলে আগুন নেভাবার চেষ্টা করছে সবাই। একজন ফায়ার বিগ্রেডে ফোন করে দিয়ে এল।

    কত লোকের কত সর্বনাশ যে হল। বস্তির লোকেরা ঘরদোর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে এসেছে। ঘুমের ঘোরে আগে টের না পাওয়ায় কত লোক হয়তো পুড়েই মরেছে।

    হঠাৎ ও কী! নোংরা একটা গলির মুখে দাঁড়িয়ে দুটো লোক অমন খিকখিক করে হাসছে কেন?

    বিলু বলল, “বাবলু।”

    “হুঁ”

    পঞ্চুু অবাক হয়ে আগুনের দিকে তাকিয়ে আছে। বাবলু আর বিলুকায়দা করে পিছু হটে সেই লোকদুটোর কাছাকাছি দাঁড়াল।

    একজন বলল, “সাবাস ওস্তাদ। আচ্ছা প্ল্যান বটে তোমার!”

    “এ ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না শুকুর।”

    “আমিও শুকুর মোল্লা। কেমন হাত বল দেখি? চটপট কাজ সেরে ফেললাম, কেউ টেরও পেল না।”

    “এই জন্যেই তোমাকে আনা। লোকের সর্বনাশ করতে তোমার জুড়ি আর কেউ কি আছে?”

    “ও কথা বলে লজ্জা দিয়ে না। তুমি হলে গুরু। সর্বনাশ যা কিছু তো তুমিই করছ। আমি নিমিত্ত মাত্র।”

    “বেকুব। তুমি ধরালে আগুন। সর্বনাশ করলাম আমি?”

    “করলে না? তোমার সঙ্গে আড়তদারদের আর আলুওলা কেষ্টর সঙ্গে গোলমাল হল বলেই তো তুমি আমাকে আগুন দিতে বললে। তোমার জন্যেই তো গোটাকতক নিরীহ লোক সর্বস্বান্ত হল।”

    “খুব যে দরদ দেখছি? ব্যাটা বেইমান।”

    “খবরদার ! বেইমান বলবে না।”

    “একশোবার বলব। তুমি আমার মুখের ওপর কথা বলেছ।”

    “ওস্তাদ, এটুকু জেনে রেখো যে, আমাদের শক্তিতেই তোমার শক্তি। বেশি বাড়াবাড়ি করলে মুণ্ডু নামিয়ে দেব। আমার পাওনাগণ্ডা এখনই বুঝিয়ে দাও।”

    “বেশ, এই নাও।” বলেই ওস্তাদ প্যান্টের পকেট থেকে একটি স্প্রিং দেওয়া ছুরি বার করে শুকুর মোল্লার বুকে বসিয়ে দিল।

    শুকুর মোল্লা চিৎকার করেই ওস্তাদের মুখ লক্ষ করে মারল সজোরে একটা ঘুষি। ওস্তাদ ছিটকে পড়ল। তারপর ওস্তাদ উঠে এসে মারল শুকুরের পেট লক্ষ করে স-বুট একটি লাথি। শুকুর আগেই ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে পড়েছিল। তার ওপর ওই লাথি খেয়ে রক্তবমি করতে লাগল।

    ব্যাপার দেখে বাবলু আর বিলু গেল হতভম্ব হয়ে। বিলু তাড়াতাড়ি গিয়ে শুকুরের বুক থেকে হেঁচকা টানে ছুরিটা খুলে নিল। আর বাবলু হাতের কাছে যা পেল তাই নিয়ে ওস্তাদের দিকে ছুড়ে মারতে মারতে তাড়া করল।

    বিলু লেলিয়ে দিল পঞ্চুকে, “লিয়ো—পঞ্চু—লিয়ো।”

    ততক্ষণে হইহই করে আরও অনেক লোক এসে গেছে। সবাই এসে ঘিরে ধরেছে শুকুর মোল্লাকে। বাবলু আর পঞ্চু তখন প্রাণপণে ছুটে চলেছে ওস্তাদকে ধরবার জন্য। কিন্তু কিছু পথ গিয়ে ওস্তাদ হঠাৎ একটি বাড়ির পাইপ বেয়ে অর্ধেক উঠে এর ওর ছাদে লাফাতে লাফাতে অন্ধকারে কোথায় যে অদৃশ্য হয়ে গেল তার আর হদিসই পাওয়া গেল না।

    হতাশ হয়ে বাবলু আর পঞ্চু ফিরে এল। বিলু তখন পাশের কল থেকে আঁজলা ভরে জল এনে শুকুরের মুখে দিচ্ছে। বাবলু শুকুরের মুখের উপর বুকে পড়ে বলল, “ওস্তাদ কোথায় থাকে বলতে পার? আমরা ওকে পুলিশে ধরিয়ে দেব।”

    শুকুর কী যেন ভাবল। তারপর অতিকষ্টে বলল, “বাঁশতলা ঘাট রোড। হোটেল—সা।” ব্যস। আর উচ্চারণ করতে পারল না শুকুর। চোখ বুজে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করল সে।

    এর পর পুলিশ এল। দমকল এল। হইহই ব্যাপার। বাবলু, বিলু পুলিশের কাছে আগাগোড়া সব কিছু বলল। শুধু ওস্তাদের আংশিক ঠিকানাটা জানাল না।

    পরদিন মিত্তিরদের বাগানে সেই ভাঙা বাড়ির ভেতর পাণ্ডব গোয়েন্দারা জড়ো হল। বাচ্চুু-বিচ্ছুর মা এক ঠোঙা চিনাবাদাম পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। তাই খেতে খেতে ওদের আলোচনা চলতে লাগল।

    বাবলু বলল, “আজ তোদের কেন ডেকেছি, জানিস?”

    “জানি। সেই চিনাটাকে ধরবার ব্যাপার নিয়ে নিশ্চয়ই!”

    না। কাল রাতে বিলু আমি আর এক শয়তানকে আবিষ্কার করেছি। সর্বাগ্রে তাকে খুঁজে বার করতে হবে।”

    “বলো কী! কাল রাতে কখন?”

    “কালীবাবুর বাজারে যখন আগুন লাগে।”

    “কী ব্যাপার শুনি তা হলে?”

    বাবলু সব বলল।

    সব শুনে অবাক হয়ে গেল ওরা, “হাউ ডেঞ্জারাস!”

    “তা হলেই বুঝতে পারছিস তো, এখন আমাদের করণীয় কী?”

    “হ্যা। ওস্তাদকে খুঁজে বার করা। কিন্তু কীভাবে খুঁজব?”

    “আজ আমরা বাঁশতলা ঘাটের দিকে বেড়াতে যাব।”

    “কখন?”

    “এই সন্ধের পর।”

    বাচ্চু বলল, “দেখ বাবলুদা, আমি কিন্তু মনে করি এটা খুব কাঁচা কাজ হবে। কেন না, ওস্তাদ আমাদের সকলকে চেনে না। শুধু তোমাকে আর বিলুদাকে চেনে। তাই বলি তোমরা দুজনে বরং ওঁত পেতে থাকবে। যাব আমরা তিনজনে। বিচ্ছু, আমি আর ভোম্বলদা। আমরা ফিরে এসে যা বলব, সেই মতো কাজ করবে।”

    বিলু বলল, “সেই ভাল। না হলে কোনওরকমে একবার চিনে ফেললে বিপদে পড়ে যাবে।”

    বাবলু একটুক্ষণ কী যেন ভাবল। তারপর বলল, “না। দলছাড়া হয়ে যাওয়াটা ঠিক হবে না। বিশেষ করে তোরা আমার চেয়েও ছেলেমানুষ। তোদের বুদ্ধি ঠিক কাজ করবে না। তার চেয়ে আমরা প্রত্যেকে একটা করে মুখোশ পরে যাব। সবাই ভাববে আমরা ছেলেমানুষ। তাই শখ করে পরেছি। কেউ বুঝতেই পারবে না আমাদের উদ্দেশ্য। চিনতে তো পারবেই না। তবে এবারে পঞ্চুকে আমরা দলে নেব না।”

    পঞ্চুর নাম হওয়া মাত্রই সে ডেকে উঠল, “ভৌ-ভৌ—ভৌ।” আলোচনা শেষ হলে সবাই চলে গেল যে যার ঘরে।

    সন্ধের পর ওরা পাঁচজনে পাঁচটি বিচিত্র মুখোশ পরে যথাস্থানের দিকে চলল। ফজিরবাজারের গা বেয়ে বাঁশতলার ঘাট। একপাশে বেঙ্গল জুট মিলের পাঁচিল, অপর পাশে তেলেঙ্গিপাড়ার বস্তি। ওদের পাঁচজনকে দেখে বস্তির লোকেরা সকলেই খুব হাসাহাসি করতে লাগল।

    যেতে যেতে এক জায়গায় হঠাৎ থমকে দাঁড়ায় ওরা। দেখল, সরু একটি গলির মুখ থেকে একজন চিনা কাকে যেন ধাক্কা মারতে মারতে বার করে দিচ্ছে। যাকে ধাক্কা দিচ্ছে, সে তখনও চিনাটার হাতে পায়ে ধরে বলছে, “একটা কানি কাটা পয়সা দিন না বাবু একটা দিন।”

    বিলু বলল, “আরে, এ যে নিত্য পাগলা।”

    বাবলু বলল, “ওই চিনেটা সেই ব্যাটা নয়তো? ও কী করে এখানে এল?”

    ভোম্বল বলল, “হ্যাঁ। হ্যাঁ। সেই তো। আমি চিনেছি। ব্যাটা নিশ্চয় এখানেই থাকে। হয়তো ওস্তাদের দলের লোকও হতে পারে।”

    বাবলু বলল, “এই গলিতেই সকলে ঢুকে পড়ি আয়। হোটেলটা নিশ্চয়ই এই গলির ভেতরেই হবে।”

    ওরা ঢুকল। চিনেটা সরে দাড়িয়ে ওদের রাস্তা করে দিল। গলির ভেতর ঢুকতেই ওরা এক জায়গায় দেখল, টিনের ওপর রং করে একটা নোংরা দোকানঘরের গায়ে লেখা আছে ‘হোটেল সাজাহান’।

    বাবলু বলল, “আর কোনও সন্দেহ নেই। এই সেই হোটেল। শুকুর মোল্লা এর প্রথম অক্ষরটা শুধু উচ্চারণ করতে পেরেছিল সা’।”

    বাবলুরা হোটেলের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, এমন সময় হোটেল থেকে আর এক অতিকায় চিনা বেরিয়ে এল, “ক্যা মাংতা?”

    বাবলু বলল “খানে কা চিজ কুছ হ্যায়?”

    “মাটন চাপ, মোগলাই মিলেগা।”

    “ঠিক হ্যায়। হাম সবকো মাটন চাপ ঔর মোগলাই একঠো করকে দে দেও।”

    “থোড়া বৈঠনে হোগা।”

    “বৈঠেগা।”

    ওরা ভেতরে ঢুকে বসল। বাইরের চেয়ে ভেতরটা আবার আরও বেশি নোংরা।

    একটু পরে সেই চিনেটা এল। পায়ে পঞ্চুর কামড়ানো ক্ষতচিহ্ন। চিনাটা এসে ওদের দিকে একবার তাকাল। তারপর কোনও কথা না বলে ঢুকে গেল ভেতরের ঘরে।

    কিছু পরেই দেখা গেল আসল মালিককে। অর্থাৎ যার খোঁজে এসেছে ওরা এখানে, সেই ওস্তাদকে। ওস্তাদ চিনেটার সঙ্গে একবার দরজার আড়াল থেকে উকি মেরে ওদের দেখেই চলে গেল।

    বাবলু চাপা গলায় বলল, “বিলু, হাওয়া খারাপ। আমাদের সন্দেহ করছে। ধরা পড়ে গেলুম বলে।”

    “কিন্তু আমরা তো মুখোশ পরে আছি। কী করে চিনবে?”

    “শয়তানের চোখকে ফাকি দেওয়া এত সহজ নয়। যাক, এক কাজ কর। তোরা বসে থাক। আমি চট করে পালিয়ে গিয়ে থানায় একটা ফোন করে দিয়ে আসি কোথাও থেকে।” এই বলে বাবলু যেই না বেরোতে যাবে অমনি দরজাটা বাইরে থেকে বন্ধ করে দিল কে। বাবলু ধাক্কা দিতে লাগল—“খোল, খোল। দরজা খোল।”

    ওস্তাদ এবং সেই চিনাটা পিছন দিক দিয়ে ঘরের ভেতর ঢুকল তখন। ঢুকে বলল, “না। ও দরজা আর খোলা হবে না। তোমরা কারা? খোল মুখোশ। আগে মুখগুলো দেখি।”

    বাবলু বলল, “না, খুলব না।”

    “খুলবে না?” বলেই ওস্তাদ এগিয়ে এসে ওর মুখোশটাই সর্বাগ্রে খুলল।

    ওস্তাদ চমকে উঠে বলল, “এই তো। এই তো সে। যাক, পাখি নিজেই এসে ধরা দিয়েছে!”

    চিনাটা বলল, “আমিও চিনি একে। এদের সঙ্গে একটা কুকুর থাকে। আজ সেটা নেই। সেদিন বকুলতলার কাছে এদের কুকুরই কামড়ে দিয়েছিল আমাকে।”

    ততক্ষণে সবার মুখোশ সবাই যে যার খুলে ফেলেছে।

    ওস্তাদ ওদেরকে এক জায়গায় বসিয়ে আলো জ্বালল ঘরে। হারিকেনের আলো। আর চিনাটা ওদের রক্তচক্ষু দেখাতে লাগল।

    বাবলু বলল, “আমাদের আটকালে কেন? ছেড়ে দাও।”

    ওস্তাদ বলল, “তা হলে পুলিশে খবর দেবার খুব সুবিধে হয়, না?”

    “আমরা কথা দিলাম, পুলিশকে কোনও কথা বলব না। আমাদের ছেড়ে দাও।”

    “ছেড়ে দেব। তবে এখন নয়। ঘর ভর্তি চোরাই গাজা, আফিম, কোকেন, দামি দামি পার্সেল, সোনার পাত আছে। এগুলো আগে সরাই। তারপর প্রত্যেককে মুখ-হাত বেঁধে মাঝ-গঙ্গায় টুপ টুপ করে ছেড়ে দেব।”

    এমন সময় হঠাৎ চালার ওপর খড়মড় করে কীসের যেন শব্দ হল। টালির চাল তো। মনে হল কে যেন উঠেছে। ওস্তাদ চেঁচিয়ে উঠল, “চালার ওপর কে রে?”

    উত্তর এল, “ভৌ-ভৌ-ভৌ।”

    “কুকুর!”

    বাবলু বলল, “হ্যা। আমাদের ট্রেনিং দেওয়া কুকুর। আমরা নিয়ে আসিনি ওকে। আমাদের পিছু পিছু লুকিয়ে এসেছে। যাক ভালই হয়েছে।” বলেই ঁচেচিয়ে উঠল বাবলু, “পঞ্চুু, আমরা এখানে।”

    অমনি প্রত্যুত্তর হল, “ভৌ—ভৌ।”

    ওস্তাদ চেঁচিয়ে উঠল, “ধর। ধর ব্যাটাকে।”

    চিনাটা বলল, “ওরে বাবা। আমি পারব না। সাংঘাতিক কুকুর!”

    “পারবি না?”

    “তুমি যাও ওস্তাদ।”

    ওস্তাদ তখন ঠাস করে চিনাটার গালে একটা চড় মেরে বেরিয়ে গেল পঞ্চুকে ধরতে।

    চিনাটা রাগে থরথর করে কাপতে লাগল।

    বাবলু দেখল এই সুযোগ। সকলকে একবার ইশারা করে দিয়েই টেবিলের ওপর থেকে হ্যারিকেনটা তুলে নিয়ে চিনাটার মাথায় দড়াম করে বসিয়ে দিল এক ঘা। তারপর সবাই মিলে দৌড়-দৌড়-দৌড়।

    হতভম্ব চিনাটা হাউ মাউ করে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ল।

    বাবলুরা যখন রাস্তায় তখন ওস্তাদের নজর পড়ল ওদের দিকে। কিন্তু যেই না ছুটে ওদের ধরতে যাবে অমনি পঞ্চু এসে ঝাঁপিয়ে পড়ল ওস্তাদের ওপর।

    বাবলুরা তখন এক ছুটে একেবারে থানায়।

    খবর পেয়েই পুলিশের লোকেরা এসে ঘিরে ফেলল বস্তিটাকে। আসল ঘাঁটির ভেতর থেকে প্রচুর চোরাই মাল উদ্ধার করা হল। গ্রেফতারও করা হল বহু লোককে। তাদের ভেতর সেই চিনাটা এবং পঞ্চুর কামড়ে ক্ষতবিক্ষত ওস্তাদও ছিল।

    পুলিশ অফিসার বাবলুদের বুদ্ধির প্রশংসা করলেন। খবরের কাগজের লোকেরা এসে ওদের ফটো তুলল। সবাই যখন পাণ্ডব গোয়েন্দাদের প্রশংসায় পঞ্চুমুখ তখন বাবলু বলল, “না এই অভিযানের সম্পূর্ণ-কৃতিত্ব পঞ্চুুর। তাই থ্রি চিয়ার্স ফর পঞ্চু—।”

    সবাই বলল, “হিপ হিপ হুরর রে।”

    আর পঞ্চু? সেও আওয়াজ দিল, “ভৌ। ভৌ ভৌ।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    Next Article কত অজানারে – শংকর

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }