Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পারিবারিক – মহাশ্বেতা দেবী

    মহাশ্বেতা দেবী এক পাতা গল্প222 Mins Read0
    ⤶

    পারিবারিক : স্ত্রী – ৩

    রায়বর্মার কাছে ও সকালে গেল?

    তনিমার চলে আসা পর্ব মিটলে পরে। রথীনের বউদি বললেন, কষ্ট হবে, নীপাদের ঘরে থাকবে। তবে নিচের ঘরে রথীন, মধু, তপু তো থাকে।

    —অনেক নিরাপদ।

    —এ পাড়াতেই ওরা আছে বলে…

    ওদের অত্যন্ত বিস্মিত করে বিকেলে মেজশরিকের উৎসাহী কর্মী ও ট্রেনিং কলেজের শিক্ষিকা দীপালি আর আদি মহিলা সেবাসমাজের ভারতী আসেন। দুজনেই প্রৌঢ়, দুজনেই অবিবাহিত, শহরে ওদের যথেষ্ট সুনাম আছে।

    —রথীন কোথায়, রথীন?

    —বেরিয়েছে।

    —কখন ফিরবে?

    —এখনি। আবার বেরোবে।

    রথীনের সঙ্গে দেখা করব।

    —বসুন। চা খাবেন?

    ভারতী বলেন, না। চা আমিও খাব না, তুমিও খাবে না, লোকজনকেও দেবে না। চা পান মানে বিষ পান। এখন চায়ে চামড়ার কুচি থাকছে।

    —কি খাবেন?

    —জল। বিশুদ্ধ পানীয় জল।

    —কোত্থেকে আসছেন?

    —কত জায়গা ঘুরে।

    রথীন এসে যায়। যে সব কথাবার্তা হয়, তনিমা খুবই অবাক। তাকে নিয়ে অত কথা হচ্ছে? রথীন কত কি করেছে?

    দীপালি আর ভারতী কথা বলতে থাকে।

    —তনিমার সমস্যাটা আমরা সমাধান করতে পারি নি।

    —রথীন যা করল…

    —এখন আমরা লড়ে যাব।

    —লড়ে যাবেন দীপালিদি?

    —হ্যাঁ রথীন। এতদিন তনিমা ওখানে, পারিনি। এবার বাচ্চু আর তার মস্তানদের নামে লিখে স্বাক্ষর সংগ্রহ করব। ম্যাজিস্ট্রেট, এস.পি. কলকাতায় মন্ত্রীদের দেব।

    —সবাই সই করবে না।

    —পলটু করবে না, রায়বর্মাদা সই করবে। আমি, নেপুদা, ডাক্তারদের মধ্যে অধীপ, বিমলেন্দু, উকিলদের মধ্যে তো অনেককেই পাব। মহিলা সংগঠনগুলি…

    —পলটুদাদের কোনো সংগঠন করবে না।

    —সে তো ভালই! পরিষ্কার বোঝা যাবে, টাউনের লোক বুঝবে কারা বাচ্চুর কাজে মদত দিচ্ছে।

    —তা হবে।

    —তোমরা, রায়বর্মাদা, তোমরাও চিহ্নিত হয়ে যাবে। কিন্তু একাজ করলে পলটুর দলের ইমেজটা কেমন দাঁড়াবে? সমাজবিরোধীকে কোনো ব্যক্তি মদত দিতেই পারে। কিন্তু গোটা দলটাকে জড়ানো…

    তনিমা ক্ষীণস্বরে বলে, কেন? এত সব?

    —তুমি যে এ বাড়িতে এসেছ, এ খবর তো শহরে রটে গেছে। কেন এসেছ, তাও সবাই বুঝছে। তুমি বাইরের মেয়ে। তুমি বাইরের মেয়ে শহরে কাজ করতে এলে বিপন্ন হবে কেন? নাগরিকদের কোনো কর্তব্য নেই? সেজন্যেই…

    —রথীন! রায়বর্মাদা কি বললেন?

    —আপনারা যা বলছেন।

    —জয়াদি?

    —বউদি আমার হাতটা চেপে ধরলেন। বললেন, রথীন! তোমার ঋণ আমি জীবনে ভুলব না।

    —জয়াদির জন্যে কষ্ট হয়।

    —উনি সই দেবেন।

    —দেবে?

    —হ্যাঁ, দেবেন।

    —কি ভাবছ হঠাৎ?

    —একটু অবাকই হলাম।

    —কেন?

    —বউদি সই দিলে পলটুদা কি বলবে তা জানি না। তবে তনিমাকে আমাদের বাড়িতে এনেছি শুনে পলটুদা যেন স্বস্তি পেল। বলল, খুব ভালো করেছ রথীন। তোমার বউদি ওর জন্যে খুব চিন্তিত ছিল…আমিও…।

    —খুবই আশ্চর্য কথা।

    —যেন মুখোশ খুলে আগেকার পলটুদা কয়েক মিনিটের জন্যে…বলল, ভুল বোঝাবুঝি তো হতেই পারে রথীন। তা বলে আমাকে একেবারে ত্যাগ করলে!

    —তুমি কি বললে?

    —বললাম, ভুল তো আপনিই বুঝলেন পলটুদা। আমরা কবে অন্যরকম ছিলাম বলুন?

    দীপালি মাথা নাড়ে বার বার। বলে, বাম রাজনীতিটা একেবারে দেউলে করে দিলাম সকলে মিলে…নিজেদের মধ্যে অবিশ্বাস…সন্দেহ…

    —বেনোজল ঢুকে গেল।

    —বাঁধ ভাঙছে তা আমরা দেখেও দেখিনি রথীন। কেউই দেখিনি। বেনোজল যদি ঢুকে থাকে, সেও আমরাই ঢুকিয়েছি।

    —ওই বাচ্চু আর লাডিয়া…

    —ওরাই যদি এখানকার রাজনীতিতে প্রয়োজনীয় হয় তাহলে ওরা গেলে আরেক বাচ্চু, আরেক লাডিয়াকে সময়ই তৈরি করে নেবে।

    —হ্যাঁ, তাও সত্যি। তবু দুঃখ হয়।

    —দুঃখ কোরনা, —দীপালি সান্ত্বনা দেয়, অন্ধকারের পর আলো আসেই। প্রকৃতির নিয়ম।

    —প্রকৃতির নিয়মে বর্তমান অবস্থার কোন সমাধান হবে না দীপালিদি। এ শহর এখন সমগ্র রাজ্যের দর্পণ। এ শহরের সামাজিক রাজনীতিক অবস্থা যা, সমগ্র রাজ্যে তাই।

    —আশা হারিও না।

    রথীন তনিমাকে রায়বর্মার বাড়িতেও নিয়ে যায়। সে এখন এতবড় একটা আলোচনার বস্তু হয়েছে, তাতে তনিমার বড় সংকোচ।

    —এস মা, বোস।

    ”মা” শুনে তনিমা হঠাৎ অভিভূত হয়। ওর চোখে জল আসে। বাবার মৃত্যুর পর ওকে ”মা” কেউ বলে নি।

    বাবা বলতেন, তোকে নিয়েই আমার ভাবনা মা! তুই এত নরম!

    মা ওকে ”মা” বলেন না।

    মার সঙ্গে ওর সম্পর্কটা খুব অদ্ভুত। সুবীরকে বিয়ে করবে শুনে মা খুশি হননি।

    —মা ভাইকে ভাসিয়ে দিবি?

    —না মা, ভাই আগে দাঁড়াক।

    —দেখিস! এ টুকু দয়া করিস।

    —দয়া কেন বলছ মা? কর্তব্য…

    —তোর বড়দির ছিল কর্তব্যজ্ঞান। বিয়ে করেনি, নিজের কথাও ভাবে নি…

    —মা! বড়দি যদি বেঁচে থাকত তাহলে একদিন তো সেও দেখত যে ভাই সংসারী হল, তুমিও থাকলে না, তার জীবনটা শূন্য হয়ে যেত না?

    —সে অন্য আদর্শ বুঝত।

    বড়দিই তনিমাকে বলত, আমার মতো ভুল করিস না তনিমা। বিয়ে করিস। নইলে বড় শূন্য লাগবে।

    সে কথা তনিমার মাকে বলে নি। মেয়ের রোজগারের ওপর যখন নির্ভর করতে হয়, তখন মেয়ের বিষয়ে মা স্বার্থপর হবেই। এটাই হয়তো নিয়ম।

    এইতো দীপালিদি! দেখতেও সুন্দর ছিল, মানুষটাও কত ভালো।

    —কেন বিয়ে করেন নি দীপালিদি?

    —ভাইবোনদের মানুষ করতে করতে, ওদের বিয়ে দিতে দিতে, আমার আর হল না।

    —দুঃখ হয়?

    —না না। ভাবিই না।

    রায়বর্মা বলেন, রথীন আমাদের মুখ রেখেছে মা। যেদিন থেকে শুনেছি…

    —আমাকে বাঁচিয়েছেন।

    —আমার কাছে দীনু থাকলে…

    —দীনুদা তো আসবেন।

    —ক’দিন বাদে। যাক! প্রমাণ হল যে এ শহরে এখনো মানুষ আছে, সাহস আছে। থাক, তবুও সাবধানে চলাফেরা কোর।

    —হ্যাঁ, নিশ্চয়।

    —এই যে তনিমা।

    —জয়াদি!

    —রায়বর্মাদার জন্যে একটু…

    —কি, আমলকীর মোরববা?

    —ভালো হয় নি।

    —ওই আমার খুব ভালো।

    —তনিমা, আমি যে কি নিশ্চিন্ত হয়েছি…

    রথীন বলে, পলটুদাও।

    জয়া তির্যক হাসে। বলে, পলটুদার ব্যাপারটা আলাদা। আমার কথায় ও বাচ্চুকে ডেকেছিল।

    —ডেকেছিলেন?

    —হ্যাঁ। মিনমিনে গলায় বলেও ছিল। বাচ্চু ওকেই দাবড়ে দিয়ে বেরিয়ে যায়।

    —তারপর?

    —আমি ওকে যা নয় তাই বললাম।

    —উনি কিন্তু খুশিই হয়েছেন।

    —ও একটু ভাল করে কথা বলল, তাতেই গলে গেলে? সত্যি! নেতারা তোমাদের ক্রীতদাস বানিয়ে ছাড়ে। ওকে তুমি চেন না, আমি চিনি।

    —বেশ তো বউমা। তুমিই বলো।

    —ওর সবটাই একসঙ্গে জটিলতা আর ধান্দাবাজি। বাচ্চুকে ও থামাতে পারত না। আবার তনিমার কিছু যদি বাচ্চু থেকেই হয়, তাহলে ওর একটা পরিষ্কার স্ট্যান্ড নেবার প্রশ্ন এসে যেত। বাচ্চু, লাডিয়া, মহীন্দর, এদের বিরুদ্ধে স্ট্যান্ড নেয়া ওর পক্ষে অসম্ভব। কেন না সেখানে টাকাকড়ি, দশ আনা—ছ’আনার ব্যাপার। তুমি তো ওকে বাঁচিয়ে দিলে।

    —পলটুদাকে?

    —নিশ্চয়। এখন ও বলতে পারবে রথীন নিয়ে গেছে, আমি কি করব? ও জানে যে বাচ্চু তোমাদের সঙ্গে খোলাখুলি সংঘর্ষে নামবে না। ও তো নিজের বাড়িতেই রাখতে পারত তনিমাকে। ওকে কিছুই করতে হল না। এখন ও বলতেও পারবে যে আমাদের রথীনই কাজটা করেছে।

    —ওঃ! কত ঘোরপ্যাঁচ।

    —বাচ্চু ওকে সেদিন দাবড়ে অপমান করে। তোমার এ কাজটার ফলে বাচ্চু খানিক দাবড়া খেয়েছে এ জন্যেও ও খুশি। অথচ লোকটা নিজের ফাঁদে এমনই বন্দী যে সে কথা খোলাগলায় বলে বাচ্চুকে চটাতে পারবে না।

    রথীন বলে, এ শহরে একটা কিছু ঘটা দরকার। যাতে সব পর্দা ছিঁড়ে যায়। মানুষকে বিবেকীর বা অবিবেকীর, একটা স্ট্যান্ড নিতে হয়।

    রায়বর্মা বলেন, বর্তমানে তা অসম্ভব।

    —কেন?

    —সব তুষচাপা আগুন। দাবানল নয়।

    ৬

    বাচ্চু মনে মনে জ্বলছিল।

    আগুন জ্বালিয়ে দেবে ও, সইবে না এমন অপমান। ”ওকে যেতে দিলে কেন শুওরের বাচ্চা” বলে নিশীথকে লাথির পর লাথি মেরে ও শান্তি পায় নি।

    পাঁজরা ও হাড় ভেঙে নিশীথ এখন হাসপাতালে। ”কে বা কাহারা”র আক্রমণে নিশীথ জখম হবার প্রতিবাদে শহরে বড় শরিক উৎকৃষ্ট কাগজে ছাপানো ইস্তাহার মেরেছে, উচ্চ পর‍্যায়ে আলোচনা করেছে এবং শহরে আইন শৃঙ্খলা উন্নত না করলে কপালে দুর্ভোগ আছে বলে এস.ডি.ও—কে শাসিয়েছে।

    এ কারণে পৌরসভা কর্মীদের মধ্যে কৃপাণসিন্ধুর লোক ও পলটুর লোকদের মধ্যে মারামারিও হয়েছে।

    কৃপাণসিন্ধুও ইস্তাহার ছেড়েছে, বড় শরিকের গুন্ডাবাজির প্রতিবাদে বন্ধ ও হরতাল পালন করুন।

    কবে ”পালন করুন” তারিখ ঠিক হয়নি।

    বাচ্চু বর্তমানে রাজা ও কাবলি ছাড়া কারো সঙ্গে কথা বলছে না।

    পলটু ডাকলে যাচ্ছে না।

    পলটু ওকে বোঝাতে পারছে না, নিশীথের ওপর হামলা নিয়ে বাচ্চুর নেতৃত্বে যুবোদের প্রতিবাদ মিছিল করা দরকার।

    বাচ্চু বলেছে, মাইরি আর কি! ”সত্যবার্তা” দেখেছেন? ওরা তো লিখেই দিয়েছে যে আততায়ীকে সবাই চেনে, ভয়ে মুখ খুলছে না।

    —তুমি এসো।

    —না।

    ফোন নামিয়ে রেখেছে বাচ্চু।

    রথীনের বাড়ি! এত বড় ঔদ্ধত্য। বিয়ে তোমায় করব না তনিমা নাগ, শিক্ষা দেব।

    আমার হাত ছাড়িয়ে…

    রাজা ও কাবলি প্রমাদ গণেছে।

    —কত মেয়ে তো আছে গুরু!

    —চুপ করে থাক।

    গুরু এখন ক্ষ্যাপা কুকুর। না, কোনো একটা হাঙ্গামা বাধতে চলেছে।

    —আমরা কেটে যাব।

    —কোথায়?

    —নেপাল, বাংলাদেশ।

    —হ্যাঁ, এখানে আর নয়।

    —গুরু কিছু একটা করে বসবে।

    তনিমা এত কথার কিছুই জানে নি। এখন ওর জীবন কত আতঙ্কমুক্ত। রথীনকে ও বাধ্য করেছে কিছু টাকা নিতে। দীনু বলেছে,

    —প্রেসটা দাঁড়াক। মধু বিয়ে করবে। বউ নিয়ে থাকবে ওখানে। আমিও থাকব। ওখানে আপনি থাকতে পারবেন? কোনো ঝামেলা হবে না।

    —ওই বাচ্চু?

    —বাচ্চু আমায় চেনে। ভয়ের তো শেষ থাকে না তনিমা ভয় কাটাতে হয়।

    তনিমা সে জন্যেই সুবীরকে সব খুলে মেলে লিখতে পেরেছে।

    ”আর তো দেড় বছর। তারপরেই আমরা বিয়ে করতে পারব। এখন তুমি খুব নিশ্চিন্ত হতে পারো, জানো? আমি ভাবতাম, এ শহরে বুঝি সবাই ভিতু। কিন্তু জানো, মানুষের মতো মানুষও অনেক আছে। এটা কি কম পাওনা? তুমি এবারে এলে সবায়ের সঙ্গে তোমার আলাপ করিয়ে দেব।”

    —মানুষের মতো মানুষ!

    রথীন, দীনু, তপু, মধু, দীপালি, সীমা, জয়া, ভারতী, রায়বর্মা।

    মানুষের মতো মানুষরা কিছুই করতে পারে না।

    সেদিন শহরে সাতদিন ব্যাপী মুক্ত মঞ্চে নাট্যোৎসবের আসর থেকে তনিমা উঠে যায় হঠাৎ।

    একটা চিরকুট পেয়ে।

    —একবার আসবে তনিমা? লিলি খুব অসুস্থ।

    —জয়াদি।

    লেখাটা কার, জয়াদির কি না তা তনিমা ভেবে দেখেনি। লিলির শরীর খারাপ যাচ্ছে জানে। জয়া নাটক দেখতে আসে না, জানে। নীপাকে ও বলে, এই! লিলি বোধ হয় অসুস্থ। জয়াদি লিখে পাঠিয়েছে। এই দেখ।

    স্থানীয় নাট্যদলের ”সাজানো বাগান” দেখতে নীপা তখন মশগুল। চিরকুটটা ও নেয়, ব্যাগে রাখে।

    —আমি একটু যাচ্ছি, কেমন?

    নীপা ঘাড় হেলায়।

    তনিমা বেরিয়ে আসে। মুক্তমঞ্চ, ময়দানে মঞ্চ। চা, পান, ঝালমুড়ি, বাদাম, চপ ও রোলের দোকান, কোলড্রিংক। তপুর ভাই দীপু চা খাচ্ছিল।

    —তনিমাদি?

    —তুমি নাটক দেখছ না?

    —এ নাটক আগেও খোদ কলকাতায় বসে দেখা। আপনি?

    —লিলি খুব অসুস্থ ভাই, জয়াদি ডেকেছে।

    —চলুন, এগিয়ে দিই।

    …না না। আমি যেতে পারব।

    —অন্তত চেনা রিকশায় তুলে দিই।

    —রিকশায় যাব? সামনেই তো?

    —তবে সাইকেলের পেছনে বসুন।

    —বেশ, চলো।

    —একা যাবেন কেন?

    দীপুর সাইকেলের পেছনে তনিমা বসে। ময়দানের পর রাস্তা। নীরব ও অন্ধকার পৌরভবন। রাস্তা বেঁকে যায়। নীরব ও অন্ধকার স্কুল বাড়ি। তারপর পথ। পলটুর বাড়ি ওই বাঁক ঘুরলেই।

    দীপ বাঁক ঘুরতে পারেনি।

    কি যে হল ও বুঝতেও পারেনি। সামনে গাড়ি আড়াআড়ি করে রাখা, স্টার্ট নিয়েই আছে।

    সাইকেল দাঁড় করাতেই ওর মাথায় রড পড়ে। পড়ে যেতে যেতে…পড়ে যেতে যেতে …ও দেখছিল একটা মাংসল মুখ ও আর্ত চীৎকার হঠাৎ থেমে যেতে শুনেছিল তনিমার।

    —দীপু—উ—উ—উ—উ।

    স্কুলের দারোয়ান সবই দেখে ও ”রাম রাম” বলে ঘরে ঢুকে যায়।

    —কি হল?—বউ বলে।

    —কিছু নয়।

    —কে চেঁচাল?

    —কেউ না। কিছু বলবিনা কাউকে, কিচ্ছু না, রাম রাম!

    —কি হল?

    —ওহি বাচ্চু বাবু!

    —কাকে মারল? আওরৎ?

    —আওরৎকে তুলে নিল। ঔর সাইকেল ওয়ালাকে…

    —মেরে ফেলেছে?

    —জানি না।

    —বাবা রে বাবা! কুছ তো করিও।

    —না। বাচ্চু বাবু কা কাম। আমাদের জীবনের কা ভরোসা? দেখতে যাব তো আমাদেরও…

    —হা ভগবান!

    দীপু পড়ে থাকে, পড়ে থাকে। মাথার পিছনে কান ঘেঁষে রড পড়েছে। দীপু অজ্ঞান।

    একটি ট্রাক ঘণ্টাখানেক বাদে দীপুকে আবিষ্কার করে। শহরের ট্রাক। দীপুকে চেনে।

    দীপুকে হাসপাতালে পৌঁছে তবে ড্রাইভার তপুর খোঁজে যায়।

    নাট্যোৎসবের ভিড় থেকে তপুকে পেতে পেতে আরো সময় যায় এবং নাটক ভাঙলে তবে নীপার খেয়াল হয় যে তনিমা ফেরে নি।

    নীপাকে রথীন ধমকাতে থাকে, ভীষণ ধমকাতে থাকে। কাঁদতে কাঁদতে নীপা চিরকুটটি বের করে দেয়। নাটক ভাঙলেও ওদের ঘিরে ভিড় ভাঙে না।

    অবশেষে চায়ের দোকান থেকে জানা যায় যে দীপু তনিমাকে নিয়ে সাইকেল নিয়ে কোথায় যেন গেল। হ্যাঁ তনিমা কি বলছিল বটে!

    এই চিরকুট!

    দীপু রড খেয়ে অজ্ঞান। তবে মাথা ফাটার ওর দিয়েই গেছে। ভিতরে রক্তক্ষরণ হয়তো হয় নি। রথীন বলে তপু, তুই এখানে থাক। তনিমাকে পাওয়া যাচ্ছে না।

    —পাওয়া যাচ্ছে না।

    —সার্চ পার্টি চাই।

    —তুই, দীনু, মধু…শান্তিদার চায়ের দোকানে খবর দে, আর শোন, দীপালিদির ভাইপোরা আছে।

    খোঁজ চলতে থাকে, চলতে থাকে। দীপুর জ্ঞান ফেরে রাত দুটো নাগাদ।

    তিনটে নাগাদ ও বলতে পারে, দাদ…বাচ্চু…গাড়িতে তনিমাদিকে…

    —গাড়ি কোথায় ছিল?

    —স্কুলবাড়ির সামনে…

    জয়ার বাড়িতে তার আগেই যায় রথীন। জয়া পাথর হয়ে যায়।

    —বউদি!

    —এ আমার লেখা নয় রথীন।

    —তনিমা আপনার লেখা চেনে না?

    —জানি না…মনে করতে পারছি না…

    —পলটু কোথায়?

    —নেই। নিউ জলপাইগুড়ি গেছে।

    —আমরা খুঁজতে বেরোচ্ছি?

    —শুধু তোমরা কেন? পুলিশও খুঁজুক! জয়া ফোন তোলে।

    —হ্যাঁ, আমি জয়া দত্ত। আমার নাম লেখা জাল চিঠি দেখিয়ে কেউ আজ নাট্যোৎসব থেকে তনিমা নাগকে আমার বাড়ি আসতে বলে।

    —কে?

    —জানি না। তনিমাকে দীপক পাল, তপন পালের ভাই সাইকেলে পৌঁছে দিচ্ছিল।…দীপু মাথায় রড খেয়ে হাসপাতালে। আপনারা এখনি তনিমার খোঁজ করুন। বুঝলেন? আমি প্রমট অ্যাকশন চাই।

    রথীন বলে, বউদি! চিরকুটটা দিন। ওটা নজীর। পুলিশ নিলে চেপে দেবে।

    —নাও।

    —এটা জেরক্স করিয়ে…

    —তোমরা কেউ গাড়ি চালাতে জানো?

    —মধু জানে।

    —চলো। গ্যারেজ খুলে দিচ্ছি। ওর গাড়ি নিয়ে যাও।

    —পলটুদার গাড়ি?

    —একদিন আমার কাজে লাগুক।

    —মারুতি চালানো…

    —মারুতি নিয়ে ও গেছে।

    —বেশ! চাবি দিন।

    দীনু বলে, তাড়াতাড়ি।

    ওরা খুঁজতে থাকে। খুঁজতে থাকে। তারপর ভোর নাগাদ শহরের উপকণ্ঠে। পি.ডবলিউ.ডি—র গুদামের মাঠে ওরা তনিমাকে পায়।

    উলঙ্গ। কাপড় জামা পাশে পোঁটলা করে রাখা। অজ্ঞান। মুখ থেকে উরু কামড়ে কামড়ে রক্তাক্ত। দুই উরুর মাঝখানে রক্তের ধারা। কাপড় দিয়ে মুড়বে বলে নিচু হতে ওরা অদ্ভুত গন্ধ পায় মুখে।

    একটা তেল ঢালার ফানেল। জ্বলে গেছে যেন। দীনু বলে, ”আদালত ও একটি মেয়ে!” তুলে নে আস্তে। যত্ন করে তুলবি।

    হাসপাতালে তনিমা। অজ্ঞান, অজ্ঞান। অক্সিজেন কোথা দিয়ে দেয়া যাবে? গলায় ফানেল ঢুকিয়ে অ্যাসিড ঢাললে গলনালী পুড়ে যায়। গলা ফুটো করা যাবে না। নাক দিয়ে?

    তনিমাকে ঘিরে দীপালি, জয়া, ভারতী, স্কুলের শিক্ষিকারা। রথীন, মধু, দীনু।

    রায়বর্মা সীমাকে ডাকেন!

    —বলুন!

    —পুরুষরা সরে যাও। চাদর সরিয়ে দাও সীমা। কোথায় কি ক্ষত, সব লিখে নাও দীপালি। দেখে নাও।

    —কি দেখব আর!

    —বউমা!

    রায়বর্মা মাথা নাড়তে থাকেন।

    —সব ওরা রিপোর্টে ঘুরিয়ে দেবে। সব চেপে দেবে। থাকবে শুধু মিথ্যা!

    —শুধু মিথ্যা।

    —হ্যাঁ। তোমরা যা দেখবে, দীপালি যা লিখে নেবে, দীপু যা বলেছে, ওই চিরকুট, এগুলোই নজীর। একটা বিশাল মদমত্ত ক্ষমতাচক্রের মার আসছে সর্বশক্তি নিয়ে। এই নজীর দিয়ে তার বিরুদ্ধে লড়তে হবে।

    —কি করে বেঁচে আছে!

    —ও তো কিছু বলতে পারবে না। পাছে বলে, সেজন্যেই তো অ্যাসিড ঢালা। আমরা পারলাম না, পারলাম না মেয়েটাকে বাঁচাতে। আমাদের সকলের কাছে ও নিরাপত্তা চেয়েছিল।

    দীনু ছটফট করে ওঠে।

    রথীন বলে, সিগারেট খা।

    —আমি একাই পারব।

    —লাভ নেই দীনু দা। বাচ্চু শহরে নেই। ভোরে কেটে গেছে।

    —কোথায় যাবে ও? কতদিন সরে থাকবে?

    —দীনু দা…আমি বারবার বলতাম, এ শহরে মানুষ সবাই বিকিয়ে গেছে কিনা যাচাই করার জন্যে একটা ভয়ঙ্কর কিছু ঘটা দরকার। কিন্তু সেটা তনিমাকে নিয়ে ঘটুক…তনিমাকে নিয়ে…

    রথীন কাঁদতে থাকে।

    জয়া বসে থাকে বারান্দায়, বসেই থাকে। আরো কত লোক, কত লোক! আজ ও লিলির কথাও ভাবছে না। লালুর মাকে বসিয়ে রেখে এসেছে।

    এর পরে কি? এর পরে?

    ভিড়ের মধ্যে থেকে কথা কানে আসে।

    —পলটু দত্তের বউ এখানে কেন?

    —মুখ দেখাতে এসেছে।

    —বাচ্চু তো পলটু দত্তের লোক।

    —বাচ্চুর টাকায় তো সংসার চালায়।

    —লজ্জা করে না?

    —থুতু দিতে হয়।

    জয়া চোখ বোজে। চোখ দিয়ে জল পড়ে ওর। হ্যাঁ, তোমরা আরো বলো। আমাকে অপমান করো। পলটু দত্তের স্ত্রী হয়ে থাকার জন্যে তোমাদের ঘৃণা আমার ওপর নেমে আসুক।

    —কাঁদছে…ঢং দেখাচ্ছে।

    —পলটুই বাচ্চুকে বাঁচাবে রে ভাই। দুধেল গাই কি হাত ছাড়া করে কেউ?

    ওরা ঠিক বলছে। ওরা পলটুকে চিনেছে। শান্তি, তাতেও শান্তি।

    জয়া কি করবে?

    লিলিকে নিয়ে চলে যাবে।

    কোথায়?

    কলকাতায়।

    তারপর?

    আর ফিরবে না।

    আর না, আর না। তনিমা ওকে পথ বলে দিয়ে গেছে।

    তনিমা অজ্ঞান অবস্থাতেই বেলা একটা নাগাদ মারা যায়।

    রায়বর্মা সরেন না।

    —তোমরা থাকো। পোস্টমর্টেম দুরকম হবে। আসল রিপোর্টটা দরকার হলে…

    দীনু বলে, বের করব।

    —কি করে?

    —তা আপনার জানার দরকার নেই। আমি অ্যাকশান করা ছেলে দাদা। এখানে আমারও চেনাজানা আছে। চিরবে কাটবে তো লখীন্দর ডোম!

    —হাসপাতাল ছেড়ো না।

    —তাই ছাড়ি?

    —চলো বউমা।

    —কোথায়?

    —বাড়ি চলো, আবার এসো।

    আজ শহরে কোথাও মানুষ নেই। সবাই হাসপাতালে। জয়া শুনতে শুনতে বেরোয়।

    কাল মিছিল করে তনিমাকে শহরে ঘোরানো হবে। কাল সব বন্ধ থাকবে।

    আজ কি হবে, আজ?

    একটা বিশাল মদমত্ত ক্ষমতাচক্র বাচ্চুকে বাঁচাতে, হাসপাতাল ও মর্গের রিপোর্ট পালটে দিতে ঝাঁপ দিল বলে।

    আজ শুধু পাহারা দেবার দিন।

    জয়া বাড়ির দিকে চলে। হেঁটে। কোথায় সময় বাজে। কোতোয়ালিতে? সময় থেমে যায় নি? ঘড়ি চলছে? কেমন করে?

    বাড়িতে পলটু।

    পলটু, সামন্ত শ্রীমতী আশা রায়, হরি বোস। বড় শরিকের জরুরি মিটিং না কি?

    জয়া আস্তে আস্তে ওপরে ওঠে।

    পলটু বেরিয়ে আসে, জয়া!

    লিলি শুয়ে আছে। মুখ পাথর পাথর।

    —মা?

    —লিলি?

    —আমি এখানে থাকব না মা।

    —না লিলি, থাকবে না।

    —তনিমাদি…তনিমাদি…

    —কে বলল?

    —লালুর মা।

    —না লিলি। তুমি আর আমি চলে যাব। চলে তো, যেতামই। ডাক্তার লাহিড়ীকে দেখাবার জন্যে আমরাই যাব। তারপর…

    —আর আসব না?

    —না লিলি।

    —ঠিক বলছ?

    —আমি তো তোমার কাছে মিথ্যা বলি না।

    —মা।

    —বলো?

    —তনিমাদি…খুব কষ্ট তো পায় নি?

    —ওর তো জ্ঞানই ফেরে নি লিলি।

    —না লিলি।

    —তোমার নাম করে কে ওকে লিখেছিল মা? আমার অসুস্থতা জেনেই তো ও আসছিল…

    —জানি না লিলি। শোনো, যদ্দিন না চলে যাই, তদ্দিন এ সব নিয়ে কোনো কথা বোল না কেমন? একটা কথাও না।

    —বলব না।

    —আমি স্নান করি?

    —করো।

    —জয়া স্নানের ঘরে ঢুকে যায়।

    .

    পরদিন শহর বন্ধ।

    পরদিন শহর ভেঙে শোক মিছিল।

    প্রতিবাদ মিছিলও বটে।

    প্রতিটি মানুষ নীরব। মিছিলের মাঝে মাঝে উত্তোলিত ব্যানার।

    —তনিমা নাগের ধর্ষণ ও হত্যার জবাব চাই।

    —অপরাধীকে আশ্রয় দেয়া চলবে না।

    —সম্পূর্ণ তদন্ত ও বিচার চাই।

    —তনিমা নাগের হত্যাকারীর চরম দণ্ড চাই।

    পলটু বেরিয়ে আসে।

    —তুমি কোথায় যাচ্ছ?

    —মিছিলে।

    —না না। আমরা মিছিলে যাচ্ছি না।

    —তোমরা মানে?

    —আমাদের পার্টির কোনো সংগঠন মিছিলে যাবে না।

    —ভালো। শহরবাসী পরিষ্কার জানবে, দেখবে কারা অনুপস্থিত থাকছে।

    —তুমি গেলে জয়া…

    —সরে যাও।

    —আমার এ শহরে…

    —থাকা চলবে না?

    —যেওনা জয়া।

    —আস্তে, চেঁচিও না। তুমি থাকবে। তোমরাই থাকবে। স্বসৃষ্ট সাম্রাজ্যে থাকবে।

    —তুমি?

    —আমি থাকব না, আমি থাকব না। লিলি থাকবে না। টেলিগ্রাম করেছি, ছোড়দা আসছে, আমাদের নিয়ে যাবে।

    —চলে যাবে?

    —এই তো যাচ্ছি। এখনো তো যাচ্ছি।

    বেরিয়ে আসে জয়া। আসছে, মিছিল আসছে। পলটু দত্ত পরাজিত, বিধবস্ত। ও জানালা দিয়ে চেয়ে থাকে।

    মৃতদেহ নিয়ে মিছিল আসছে। ওর বাড়ির সামনে দাঁড়াচ্ছে কেন? কেন ওর বাড়ির দিকে তাকাচ্ছে?

    মিছিলের দিকে এগিয়ে যায় ওর স্ত্রী। পলটুর দিকে সারি সারি ব্যানার উঁচানো।

    প্রতিটি ব্যানার বেয়নেট।

    জয়াও একটি ব্যানার উঁচিয়ে ধরে।

    —তনিমা নাগের হত্যাকারীকে আশ্রয়দাতাদের শাস্তি চাই।

    জয়ার চোখে কিসের ঝলক? ইস্পাতের? পলটু দত্ত ওর স্ত্রীর দিকে তাকাতে পারে না, তবু চেয়ে থাকে।

    বারবার বিদ্ধ হয়, বারবার।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমুখ – মহাশ্বেতা দেবী
    Next Article প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে – মহাশ্বেতা দেবী

    Related Articles

    মহাশ্বেতা দেবী

    হাজার চুরাশির মা – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মিলুর জন্য – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রস্থানপর্ব – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    আই. পি. সি. ৩৭৫ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মুখ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }