Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পারুল ও তিনটি কুকুর – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প149 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. এক কেজি টক দৈ

    তাহের এক কেজি টক দৈ কিনেছে। পঁয়তাল্লিশ টাকা বের হয়ে গেছে। বুকের ভেতর খচখচ করছে। দৈ না কিনলেও হত। মিষ্টির দোকানের সামনে সিগারেট কিনতে না দাঁড়ালে হয়ত দৈ কেনা হত না। ম্যানিব্যাগে নতুন ৫০ টাকার নোটটা থাকত। এখন আছে একুশ টাকা।

    দৈ কেনা হয়েছে সিরাজউদ্দিন সাহেবের জন্যে। তাহের ঠিক করেছে মতিঝিল যাবার পথে তার বাড়ি হয়ে যাবে। সম্পর্কটা ঝালিয়ে রেখে যাবে। কে জানে পারুলকে নিয়ে এই বাড়িতেই হয়ত উঠতে হবে। নীলা হাউস ছেড়ে তাদের যদি চলে আসতে হয় তাহলে যাবে কোথায়? যাবার একটা জায়গা তো লাগবে। নানান রকম সম্ভাবনা নিয়ে তাহের চিন্তাভাবনা করছে। তার একটা হল–মেসবাউল করিম সাহেবের কাছে সমস্যার কথাটা বলা। তাঁর এত বড় বাড়ি–তার এক কোণায় সে পারুলকে নিয়ে কবে। কিছু বোঝাই যাবে না। সিন্ধুতে বিন্দু। এতে তারও লাভ হবে। দুজনে মিলে ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবে। তিনি এই প্রস্তাবে রাজি না হলে তাহের তার চাকরির কথাটা তুলবে। তাহেরকে একটা ভদ্র চাকরি জোগাড় করে দেয়া তার কাছে কিছুই না। টেলিফোন তুলে দুটা কথা বললেই চাকরি হবে। তবে ক্ষমতাবান লোকদের সমস্যা হল তারা সহজে টেলিফোন তুলতে চান না।

    তাহের সিরাজউদ্দিন সাহেবের বাড়িতে ঢুকে হকচকিয়ে গেল। বাড়ি ভর্তি মানুষ। এক তলায় প্যান্ডেলের মত করা হয়েছে। হৈচৈ-এ কান পাতা যাচ্ছে না। ভিডিও ক্যামেরা কাঁধে এক ছেলে ঘুরছে। তার সাথে একজন লাইটম্যান।

    সিরাজউদ্দিন সাহেব ইস্ত্রী করা পায়জামা-পাঞ্জাবি পরে বসার ঘরে ইজিচেয়ারে কাত হয়ে আছেন। তাকে অন্যরকম দেখাচ্ছে–চুল কেটেছেন কিংবা চশমার ফ্রেম বদলেছেন। তাহেরকে দেখে তিনি আনন্দিত গলায় বললেন, আসুন আসুন। আপনি দেরি করে ফেলেছেন।

    তাহের হকচকিয়ে গেল। মামা তাকে চিনতে পারছেন না। এই কয়েক দিনে তাকে বেমালুম ভুলে যাওয়াটাও খুবই অস্বাভাবিক। তাহেরের ক্ষীণ সন্দেহ হল–মামা হয়ত তাকে ইচ্ছে করেই চিনতে পারছেন না। সে শুকনো মুখে বলল, মামা, আমি তাহের।

    ভাল আছ বাবা?

    জি মামা, ভাল–বাড়িতে কি কোন উৎসব?

    মীনার গায়ে-হলুদ–বরপক্ষের এরা এক কাতল মাছ এনেছে, একান্ন কেজি ওজন–যাও মাছটা দেখে আস। মাছের সাথে ছবি তুলবে? ছবি তুলতে চাইলে তোল। ভিডিও করতে চাইলে ভিডিওওয়ালাদের বলো। ভিডিও করবে।

    তাহের পুরোপুরি নিশ্চিত হল সিরাজউদ্দিন সাহেব তাকে চিনতে পারছেন না। একান্ন কেজি ওজনের কাতল মাছের প্রতিও সে আগ্রহ বোধ করছে না। ছবি তোলার তো প্রশ্নই আসে না …।

     

     

    সিরাজউদ্দিন হাসিমুখে বললেন, জামাই কাস্টমে আছে কাঁচা পয়সা। কাঁচা পয়সা না থাকলে একান্ন কেজি ওজনের মাছ কেউ আনে? তুমি বস, দাঁড়িয়ে আছ কেন?

    আমার একটা কাজ আছে মামা–পরে আসব।

    আচ্ছা আচ্ছা।

    মামা, আমাকে কি চিনতে পেরেছেন?

    হ্যাঁ, চিনতে পেরেছি। চিনতে পারব না কেন?

    পারুল এবং আমি অনেকদিন ছিলাম আপনার এখানে।

    ও আচ্ছা। ভাল। খুব ভাল।

    তাহের দৈ-এর হাড়ি নিয়েই বের হয়ে এল। বিয়ে বাড়ির এই হৈচৈ-এর মধ্যে এক হাড়ি টক দৈ রেখে আসার প্রশ্নই ওঠে না। এরা হাড়ি খুলেও দেখবে না। এরচে বরং পারুলকে দিলে কাজ হবে। দৈ-এ নিশ্চয়ই অনেক পুষ্টি আছে। এই সময় পুষ্টিকর খাবার দরকার।

     

    মতিঝিল অফিসের ম্যানেজার রহমান সাহেব চশমার ফাঁক দিয়ে অনেকক্ষণ তাহেরর দিকে তাকিয়ে রইলেন। মনে হল সিরাজউদ্দিন সাহেবের মত তিনিও তাকে চিনতে পারছেন না।

    স্যার, আমি তাহের। নীল হাউসের দেখাশোনা করছি।

    কি চাই?।

    বড় সাহেব কখন আসবেন এটা জানার জন্যে…

    রহমান সাহেব চশমার ফাঁক থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিলেন। হাতের ফাইলপত্র দেখতে লাগলেন। তার সামনে খালি চেয়ার আছে কিন্তু তিনি বসতে বলছেন না…।

    কোন ফ্লাইটে আসছেন খবর পেয়েছেন স্যার?

    ঘণ্টাখানিক পরে আস। হাতের কাজটা সেরে নেই। কাজের সময় তোমরা বিরক্ত কর। আশ্চর্য!

    দৈ—এর হাড়ি হাতে নিয়ে এক ঘণ্টা বসে থাকা খুব সমস্যা। সমস্যা হলেই কি। বসে থাকতেই হবে। রহমান সাহেবের হাতে এমন কোন কাজ নেই যে, বড় সাহেব কোন ফ্লাইটে আসছেন এই বাক্যটা বলা যাবে না। হাজারো কাজের মধ্যেও বলে ফেলা। যায়। না বললে করার কিছু নেই। এক ঘণ্টা পরে যেতে বললে–এক ঘণ্টা পরেই যেতে হবে।

     

     

    তাহের এক ঘণ্টা সাত মিনিট পর আবার ঢুকল। আবারও রহমান সাহেব চশমার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে রইলেন। মনে হচ্ছে চিনতে পারছেন না। এর মধ্যে ভুলে গেছেন।

    কি ব্যাপার?

    স্যার, বড় সাহেব কখন আসবেন?

    বললাম না একটু পরে আসতে–কাজ করছি।

    জি আচ্ছা, স্যার।

    লাঞ্চের পরে আস।

    জি আচ্ছা।

    লাঞ্চের অনেক দেরি। এতক্ষণ তাহের কোথায় বসবে? রিসেপশনিস্টের ঘরে বসা যায়। রিসেপশনিস্ট মেয়েটি অতিরিক্ত সুন্দর। এত সুন্দর মেয়ের সামনে মূর্তির মত দীর্ঘ সময় বসে থাকা যায় না। মেয়েটা কোন কথা বলে না। সবার দিকেই অবজ্ঞা এবং অবহেলার ভঙ্গিতে তাকায়। নিজের মনেই কিছুক্ষণ পর পর ভ্যানিটি ব্যাগ বের করে ঠোঁটে লিপিস্টিক দেয়।

    তাহের দৈ—এর হাড়ি হতে রিসেপশনিস্টের ঘরে ঢুকল। মেয়েটা সরু চোখে বলল, কি ব্যাপার?

    একটু বসব।

    মেয়েটা অসম্ভব বিরক্ত মুখে ভ্যানিটি ব্যাগ খুলে লিপিস্টিক বের করছে।

    তাহের মনে করতে পারছে না পারুল ঠোঁটে লিপিস্টিক দেয় কি না। মনে হয় দেয়। লিপিস্টিকের নিশ্চয়ই অনেক দাম। মেয়েটার গায়ে সবুজ শাড়ি। ঠোঁটে গাঢ় লাল লিপিস্টিক। সবুজ এবং লালে কি সুন্দর যে মেয়েটাকে লাগছে…।

    এই যে, শুনুন।

    তাহের মেয়েটির কথা শুনে এমন চমকে উঠল যে, কোল থেকে দৈ-এর হাড়ি পড়ে যাবার জোগাড় হল। মেয়েটি কঠিন গলায় বলল, আপনি এভাবে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবেন না। এটা অসভ্যতা। এখানে শুধু শুধু বসেই-বা আছেন কেন?

    ম্যানেজার সাহেবের সঙ্গে একটা কথা আছে।

    ক্যান্টিনে গিয়ে বসুন।

    জ্বি আচ্ছা।

    খুব অপমানিত বোধ করার কথা–তাহের বোধ করছে না। সম্ভবত তার গায়ের চামড়া মোটা হয়ে গেছে। একবার চামড়া মোটা হতে থাকলে মোটা হতেই থাকে। এক সময় সেই চামড়া গণ্ডারের চামড়াকেও ছাড়িয়ে যায়। তাহেরের মনে হল–কিছুদিন পর কেউ অকারণে তার গায়ে থুথু দিলেও সে নির্বিকার থাকবে।

    ক্যান্টিনে ঢুকে তাহের এক কাপ চায়ের অর্ডার দিল। চা জিনিসটা তার কাছে অসহ্য। অসহ্য হলেও খেতে হবে–শুধু শুধু তো ক্যান্টিনে বসে থাকা যায় না। মনে হচ্ছে আজও দেরি হবে। ভাত না খেয়ে পারুল অপেক্ষা করবে। খাওয়ার সময় পার হয়ে যাবে–আর কিছু খাবে না। অথচ এই সময়ই খাওয়া-দাওয়া ঠিকমত করা উচিত। তাহের চিন্তিত মুখে চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছে। পারুলের জন্যে হঠাৎ তার মনটা কেমন করছে। বাইরে বের হলে সচরাচর পারুলের কথা তার মনে পড়ে না। হঠাৎ হঠাৎ মনে পড়ে, তখন মনটা খুব অস্থির লাগে। তার খুব অস্থির লাগছে…

     

     

     

    পারুল অনেকক্ষণ ধরে গোসলখানায়। গোসলখানাটা ছোট এবং স্যাঁতস্যাঁতে। মেঝেতে শ্যাওলা পড়ে স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে আছে। অসম্ভব পিছল। পা টিপে টিপে হাঁটতে হয়। শরীরের এই অবস্থায় পা পিছলে পড়া বিপজ্জনক হবে। পারুল শ্যাওলা ধরা মেঝেতেই পা ছড়িয়ে বসেছে। তার সামনে গামলা ভর্তি পানি। মগে করে এক মগ পানি সে মাথায় ঢালল। শরীর কেঁপে উঠল। কি ঠাণ্ডা পানি। ঠাণ্ডার প্রথম ধাক্কাটা কেটে গেলে হিমশীতল পানিতে নাওয়ার মত আনন্দ আর কিছুতেই নেই। এক পর্যায়ে নেশার মত লাগে। তবে গায়ে ভেজা কাপড় থাকলে হয় না ভেজা কাপড়ে শীত বেশি লাগে। বরফের মত ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করতে হয় সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে। পারুল তার গায়ের কাপড় খুলে ফেলল। অন্ধকার বন্ধ গোসলখানা, নিজেকে দেখা যাবে এমন কোন আয়না পর্যন্ত নেই–এখানে নগ্ন হতে বাধা নেই। পারুল তার গায়ে পানি ঢালছে। তার। নেশার মত লাগছে। গামলার পানি শেষ হয়ে গেল। চৌবাচ্চায় পানি ভর্তি। চৌবাচ্চায় নেমে গেলে কেমন হয়? সারা শরীর ডুবিয়ে শুধু মাখাটা বের করে রাখবে। অনেক পানি। নষ্ট হবে–হোক না। পারুল উঠে দাঁড়াল আর তখনি তার বুকে একটা ধাক্কার মত লাগল। মনে হল কে যেন তাকে দেখছে। বাথরুমের কোন ফুটো, কোন ফাঁক-ফোকর দিয়ে তাকিয়ে আছে এক দৃষ্টিতে। পারুল চারদিকে তাকাল। না, কোথাও কোন ফুটো চোখে পড়ছে না। এটা নিশ্চয়ই তার মনের ভুল। কিন্তু তার শরীর ঝিম ঝিম করছে। কেউ একজন অবশ্যই তাকে দেখছে। পারুল কঁপা কাঁপা গলায় বলল, কে?

     

     

    কেউ জবাব দিল না। জবাব দেবার কথাও না। কেউ যদি ফুটোর ওপাশে চোখ রেখে তাকিয়ে থাকে সে চুপ করেই থাকবে। মনে মনে খিক খিক করে হাসবে–ডাকলে সাড়া দেবে না।

    পারুল হাত বাড়িয়ে কাপড় নিল। নিজেকে ঢাকিল। তার এখন কান্না পাচ্ছে। চোখে পানি আসছে না, কিন্তু চোখ জ্বালা করছে। লজ্জা ও অপমানে শরীর কাঁপছে—শরীর অশুচি মনে হচ্ছে। পারুল গোসলখানা থেকে বের হয়ে এল। না, আশেপাশে কেউ ইি। হালকা পায়ের শব্দ কি পারুল পাচ্ছে? যেন কেউ একজন স্যান্ডেল পায়ে সরে যাচ্ছে। স্যান্ডেলের ফট ফট শব্দ।

    বাড়ি থেকে বেশ খানিকটা দূরে বা দিকের আম গাছের নিচে রাখা পাথরগুলির উপর বসে আছে কামরুল। সে তাকিয়ে আছে অন্যদিকে। কুকুর তিনটা আশেপাশে নেই। দিনের বেলা বেশির ভাগ সময়ই তারা বাঁধা থাকে। আজও মনে হয় বাঁধা।

    পারুল তোয়ালে দিয়ে ভেজা চুল জড়াল। তারপর নেমে গেল বাগানে। তার পায়ে স্যান্ডেল। সে স্যান্ডেলে শব্দ করতে করতে এগুচ্ছে। তারপরেও কামরুল তার দিকে ফিরছে না।

    শুনুন তো।

    কামরুল তাকাল। টকটকে লাল চোখ। এই মানুষটার চোখ কি আগেও এমন লাল ছিল? পারুল লক্ষ্য করেনি।

    আপনি একটু আগে কোথায় ছিলেন?

    কামরুল তাকিয়ে আছে। জবাব দিচ্ছে না। তাকে খুব বিচলিতও মনে হচ্ছে না। মাশলাইয়ের কাঠি দিয়ে দাঁত খুটছে। কামরুল পিচ করে থুথু ফেলল। সেই আগের ত থুথু চোয়ালে লেগে আছে।

    কথা বলছেন না কেন? একটু আগে আপনি কোথায় ছিলেন?

    তা দিয়া তোমার কি দরকার?

    দরকার আছে। আপনি কি বাথরুমের ফুটো দিয়ে আমাকে দেখার চেষ্টা করেছেন?

    তোমায় দেইখ্যা আমার লাভ কি?

    লাভ-লোকসানের কথা না–আপনি আমাকে দেখার চেষ্টা করেছেন কি না বলুন।

    কামরুল আবার পিচ করে থুথু ফেলল। এবারের থুথু এসে পড়ল পারুলের পায়ের কাছে। সে এখনো নির্বিকার ভঙ্গিতে দেয়াশলাইয়ের কাঠি দিয়ে দাঁত খুঁচাচ্ছে।

     

     

    পারুল কি করবে? সে কি লোকটার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে, না কি সে ফিরে যাবে নিজের ঘরে? দাঁত খুটাতে খুটাতে লোকটা নিজের মনে হাসছে। হাসির দমকে তার শরীর একটু কেঁপে উঠল। পারুলের সারা শরীর কাঁপছে। আর কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে সে সত্যি সত্যি লোকটার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। আর দাঁড়িয়ে থাকা ঠিক না। পারুল ফিরে যাচ্ছে ঘরের দিকে। সামান্য রাস্তা সে যেতে পারছে না। পা মনে হচ্ছে পাথরের মত ভারি। টেনে টেনে পা ফেলতে হচ্ছে।

    কামরুল সত্যি সত্যি হাসছে। হাসির খিক খিক শব্দ আসছে। পারুল পেছনে ফিরল না। পারুল আবার বাথরুমে ঢুকে গেল। তার মুখ ভর্তি করে বমি আসছে। সমস্ত শরীর যেন কেমন করছে। সে কি মারা যাচ্ছে। শীত লাগছে। প্রচণ্ড শীত লাগছে। বাথরুম থেকে বের হয়ে বিছানায় শুয়ে পড়তে হবে। গায়ে একটা ভারী কম্বল দিতে হবে। দরজা খুব শক্ত করে বন্ধ করতে হবে। আচ্ছা, কুকুর তিনটা কোথায়? ওরা কি তার বিপদে পাশে এসে দাঁড়াবে না? ওদের নামগুলি কি? নাম মনে পড়ছে না। একজনের নাম কি সে? উহুঁ, সেন্টু না। সেন্টু তার ফুপাতো ভাইয়ের নাম।

     

    দরজায় টক টক শব্দ হচ্ছে। পারুল ভাবছিল লালটা বোধহয় স্বপ্নের মধ্যে হচ্ছে। না, স্বপ্ন না। এখন সে জেগে আছে। তার সারা গা ঘেমে আছে। ঘর অন্ধকার। মাথার উপর শোঁ শোঁ শব্দে ফ্যান ঘুরছে।

    পারুল! পারুল। কি হয়েছে তোমার?

    তাহেরের গলা। কতক্ষণ হল সে এসেছে? ঘর এমন অন্ধকার কেন? সে কি ঘুমিয়ে পড়েছিল? ঘুমের মধ্যেই রাত হয়ে গেছে? কত রাত? পারুল ধড়মড় করে উঠে বসল, ক্ষীণ স্বরে বলল, কে?

    আমি। আমি … কি ব্যাপার পারুল?

    পারুল দরজা খুলল। তাহের উদ্বিগ্ন গলায় বলল, অসুখ-বিসুখ নাকি? অনেকক্ষণ ধরে দরজা ধাক্কাচ্ছি।

    ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।

    পারুল বাতি জ্বালাল। সে এখনও পুরোপুরি ধাতস্থ হয়নি। এখনও নিজের কাছে সব এলোমেলো মনে হচ্ছে–এটা কাদের বাড়ি? তাদের নিজেদের? তাহের আবারও বলল, পারুল, কি হয়েছে?

    কিছু না।

    শরীর খারাপ?

    হুঁ।

    ভাত আছে? দুপুরে কিছু খাইনি–দারুণ খিদে লেগেছে।

    পারুল নিজেকে সামলে নিয়েছে। দুপুরের ঘটনাটা সে অতি দ্রুত মাখা থেকে মুছে ফেলে স্বাভাবিক হয়ে গেল। সে তাহেরের দিকে তাকিয়ে হাসল। সহজ গলায় বলল, ভাত ঠাণ্ডা কড়কড়া। গরম করলে খেতে পারবে না। পরোটা বানিয়ে দেই?

    দাও। তোমার হাতে এটা কিসের হাড়ি–মিষ্টির?

    টক দৈ।

    টক দৈ কি জন্যে?

    তাহের জবাব দিল না। হাত-মুখ ধুতে গেল। তার ভাত খেতেই ইচ্ছা করছে। খিদে যা লেগেছে তাতে ঠাণ্ডা-গরম কিছুই বোঝা যাবে না–পরোটা বানাতে দেরি হবে। হোক দেরি–পরোটা বানানোর সময় সে পাশে মোড়ায় বসে থাকবে–টুকটাক গল্প করবে। এও মন্দ না। স্ত্রীর সঙ্গে গল্প করতে তার ভাল লাগে। সব সময় না—পারুল যখন কোন কাজকর্মে ব্যস্ত থাকে তখন পারুলের ব্যস্ত ভঙ্গির কাজকর্ম দেখতে তার ভাল লাগে কেন কে জানে।

    পারুল ময়দা মাখছে। তাহের পাশে বসে আছে। ময়দা মাখার মত অতি সাধারণ একটা দৃশ্যও তার দেখতে ভাল লাগছে।

    পারুল বলল, করিম ভাইয়া কবে আসছেন?

    তাহের বিস্মিত হয়ে বলল, করিম ভাইয়াটা কে?

    মেসবাউল করিম, এই বাড়ির মালিক।

    তাহের বিস্মিত হয়ে বলল, তাকে করিম ভাইয়া বলছ কেন?

    বয়সে বড়, এই জন্যেই বলছি।

    সম্মানিত লোক, এদের নিয়ে ঠাট্টা-ফাজলামি করা ভাল না।

    ভাইয়া ডাকছি। ঠাট্টা ফাজলামি তো করছি না। উনি কবে আসছেন?

    বুঝতে পারছি না। মনে হয় না উনি আসছেন। উনি আসার আগে অফিসে সাজ সাজ রব পড়ে যায়। আজ দেখলাম অফিস ঠাণ্ডা।

    কাউকে জিজ্ঞেস করনি?

    ম্যানেজার সাহেবের কাছে তিনবার গেলাম। যতবার যাই উনি বলেন–পরে আস।

    তোমাকে তুমি করে বলেন?

    হুঁ।

    পারুল হালকা গলায় বলল–তুমি করেই তো বলবে। বাড়ির দারোয়ানকে ম্যানেজার জাতীয় মানুষরা তুই করে বলে–তোমাকে তাও খানিকটা সম্মান দেখাচ্ছে।

    তাহের চুপ করে আছে। গভীর মনোযোগে পরোটা ভাজা দেখছে। ভাজা পরোটার খিদে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে–পারুলের কোন কথা এখন আর তার মাথায় ঢুকছে না।

    ম্যানেজার সাহেব তোমাকে তাহলে কিছু বলেন নি?

    না।

    তার মানে হচ্ছে করিম ভাইয়ার প্রোগ্রামের পরিবর্তন হয়েছে। উনি আসছেন না। আসতে দেরি হবে। দুএকদিনের মধ্যে তার আসার কথা থাকলে ম্যানেজার সাহেব তোমাকে অবশ্যি জানাতেন। কারণ তোমাকে বাড়ি খালি করতে হবে…

    কথাটা তো তুমি ভালই বলেছ।

    ম্যানেজার সাহেবের নাম কি?

    লুৎফুল কবীর। সিরাজগঞ্জ বাড়ি।

    কবীর ভাইয়ার সঙ্গে তুমি কাল আবার দেখা করবে। আরো কতদিন তোমাকে বাড়ি পাহারা দিতে হবে জেনে আসবে। বাড়তি দিনগুলির জন্যে খরচ চাইবে। মনে থাকবে?

    হুঁ।

    পারুল তাহেরের খাওয়া দেখছে। গরম পরোটা ছিঁড়ে ছিঁড়ে মুখে দিচ্ছে। গরমের জন্যে ঠিকমত চিবুতেও পারছে না। গিলে ফেলছে। আহ, বেচারার এতটা খিদে লেগেছে।

    তাহের বলল, একা একা সারাদিন ছিলে, ভয় লাগেনি তো!

    ভয় লাগবে কেন?

    আমি প্রায়ই একা এই বাড়িতে থাকতাম, তখন ভয় ভয় লাগত।

    কিসের ভয়? ভূতের?

    জানি না কিসের। কুকুর তিনটাকে বেশি ভয় লাগত–এরা ডেঞ্জারাস। একটা মানুষ মারল একবার।

    বল কি। কবে?

    গত বৎসর। দেয়াল টপকে চোর ঢুকেছিল। চোর বেচারা জানত না এমন ভয়ংকর কুকুর আছে। ঝপ করে নিচে পড়েছে, ওম্নি কুকুর তিনটা তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ছিঁড়ে খুঁড়ে শেষ করে দিয়েছে। চিৎকার করারও সময় পায়নি।

    এই নিয়ে কিছু হয়নি?

    না। কি হবে? একটা মানুষ মারা গেছে এটা কেউ বুঝতেও পারেনি। বড় সাহেব পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে রাতের বেলা ডেডবডি পার করে দিলেন। টাকাওয়ালা মানুষদের কখনো কোন সমস্যা হয় না।

    আরেকটা পরোটা ভেজে দেব, খাবে?

    দাও।

    রাতে তাহলে কিন্তু ভাত খেতে পারবে না।

    থাক, আজ তাহলে পরোটাই খাই–রাতে টক দৈ খেয়ে শুয়ে পড়ব।

    পারুল মাথা নিচু করে হাসছে। তাহের বিস্মিত হয়ে বলল, হাসছ কেন?

    মজার একটা কথা ভেবে হাসছি।

    আমাকে বল, আমিও হাসি।

    তোমার শুনে হাসি আসবে না। সবাই সব ব্যাপারে হাসে না। কেউ কেউ হাসির শুনে রেগে যায়। তুমিও এই কথাটা শুনে রেগে যাবে।

    হাসির কথা শুনে রাগব কেন? এইসব তুমি কি বল? কথাটা কি?

     

     

    কথাটা হচ্ছে–কুকুর তিনটাকে দিয়ে আমরা কিন্তু অনেক মজা করতে পারি। যেমন, প্রথমে ওদের দিয়ে কুকুরের সর্দার কামরুলকে মেরে ফেললাম। ইশারা করলাম, ওরা ছুটে গিয়ে কামরুলকে ছিঁড়ে খুঁড়ে খেয়ে ফেলল। তারপর খোঁজ নিতে এলেন ম্যানেজার সাহেব কবীর ভাইয়া–যে তোমাকে তুমি করে বলে, আবারও ইশারা করলাম, ওরা কবীর–ভাইয়ার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল, তাকেও খেয়ে ফেলল … এক সময় এলেন মহা ক্ষমতাবন মেসবাউল করিম। আমি আবারও…

    চুপ কর তো।

    পারুল হাসছে। শব্দ করে হাসছে। তাহের কঠিন গলায় বলল, হাসি বন্ধ কর।

    পারুল চেষ্টা করেও হাসি বন্ধ করতে পারছে না। তার হাসি বেড়েই যাচ্ছে। সে কোন মতে বলল, বললাম না হাসির কথা শুনে তুমি রেগে যাবে। এই তো রেগে গেছ।

    এর মধ্যে হাসির কি আছে?

    অনেক কিছুই আছে।

    তাহের চিন্তিত মুখে পারুলের দিকে তাকিয়ে আছে। পারুলের কি মাথাটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে? অভাবে, দুঃখে, দুঃশ্চিন্তায় মাথা এলোমেলো হয়ে যাওয়া অসম্ভব না। এখনো হাসছে। মুখে শাড়ির আঁচল চাপা দিয়ে এখন অবশ্যি হাসি চাপা দেবার চেষ্টা করছে, পারছে না।

    হাসির শব্দে আকৃষ্ট হয়েই হয়ত কুকুর তিনটা ছুটে এসেছে। লোহার গ্রীলের ফাঁক দিয়ে মাথা গলিয়ে দিয়েছে। তারাও তাহেরের মতই বিস্মিত চোখে তাকিয়ে আছে। পারুল হাসি থামিয়ে কুকুর তিনটার দিকে তাকিয়ে বলল, কি রে, তোরা কেমন আছিস? তোরা তো আর কথা বলতে পারিস না, লেজ নেড়ে বল, ভাল আছিস।

    তিনজনই লেজ নাড়ছে। পারুল তাহেরের দিকে তাকিয়ে উজ্জ্বল মুখে বলল, দেখছ, ওরা আমার কথা বুঝে। ওদের আমি যা করতে বলব তাই ওরা করবে। কিরে, তোরা আমার কথা শুনবি না?

    কুকুর তিনটির ভেতর থেকে চাপা এক ধরনের শব্দ বের হল। তারা আবারও লেজ নড়ল। পারুল বলল, তোরা কিন্তু খাবি?

    তাহের রাগী গলায় বলল, তোমার হয়েছেটা কি? তুমি কুকুরের সঙ্গে কথা বলছ কেন?

    পারুল তাহেরের প্রশ্ন সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে বলল, আচ্ছা, এই তিন অতিথিকে কি খেতে দেয়া যায় বল তো? টক দৈ দেব? কুকুর কি টক দৈ খায়?

    তাহের বিরক্ত গলায় বলল, টক দৈ খায় কি না জানি না, গু খেতে দেখেছি। টক দৈ খেতে কখনো দেখিনি।

     

     

    পারুল উজ্জ্বল চোখে বলল, ওরা কি দুধ খায়? দুধ খেলে দৈও খাবে। কুকুরকে তুমি কখনো দুধ খেতে দেখেছ? আমি দেখিনি। আমি বিড়ালকে দুধ খেতে দেখেছি। বিড়াল যখন খায় তখন নিশ্চয়ই কুকুরও খাবে, তাই না?

    বিড়াল খেলেই কুকুর খাবে এটা কেমন মুক্তি? কুকুর মানুষের গু খুব আরাম করে খায়। বিড়াল খায় না।

    তুমি বার বার একটা বাজে প্রসঙ্গ টেনে আনছ কেন? চা খাবে?

    না

    এরকম রেগে গেলে কেন? খাও না একটু চা। তোমার সঙ্গে আমিও খাব। জান, আজ সারাদিন আমিও কিছু খাইনি।

    সে কি!

    শরীরটা ভাল ছিল না।

    তাহের উদ্বিগ্ন গলায় বলল, শরীর ভাল না থাকলেও খেতে হবে। তুমি না খেলে পেটে যে আছে সে পুষ্টি পাবে কোত্থেকে?

    ওকে অভ্যস্ত করে দিচ্ছি, জন্মের পর তো ওকে খেয়ে না খেয়েই কাটাতে হবে। জন্মের আগেই অভ্যস্ত হয়ে পৃথিবীতে আসুক।

    পারুল চায়ের কেতলি চাপিয়ে উঠে দাঁড়াল। তাহের বলল, কোথায় যাচ্ছ?

    ওদের জন্যে একটু টক দৈ নিয়ে আসি। চিনি মাখিয়ে দিলে ওরা নিশ্চয়ই খাবে। খাবে না?

    তাহের কিছু বলল না। সে মোটামুটি নিশ্চিত পারুলের মাথাটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

    এ বাড়িতে তাকে আর রাখা যাবে না। অন্য কোথাও নিয়ে যেতে হবে। কোথায় নিয়ে যাবে? গ্রামের বাড়িতে? বসতবাড়ি তো এখনো আছে। চারদিকে জঙ্গল-টঙ্গল হয়ে সাপখোপের আড্ডা হয়েছে। সাফ-সুতরা করে মোটামুটিভাবে বাসযোগ্য কি করা যাবে না?

    বড় একটা বাটি ভর্তি টক দৈ নিয়ে পারুল কুকুর তিনটাকে খাওয়াচ্ছে। শুধু যে খাওয়াচ্ছে তাই না, গায়ে-মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। বিড় বিড় করে খুব নিচু গলায় কি বলছে। কি বলছে তাহের শুনতে পাচ্ছে না। পারুল কথা বলছে প্রায় ফিস ফিস করে। দৈ খেতে খেতে মাঝে মাঝে মুখ তুলে তারা এমন ভঙ্গিতে পারুলকে দেখছে যে, তাহেরের মনে হল ওরা মন দিয়ে পারুলের কথা শুনছে।

     

     

    তাহের কান পেতে আছে–পারুলের কথা শোনার চেষ্টা করছে। পারুল শুধু কথা বলছে তাই না–মাঝে মাঝে হাসছেও। আশ্চর্য কাণ্ড।

    তোর কবিতা শুনবি? আমি একটাই কবিতা জানি–রবিঠাকুরের দুই বিঘে জমি। শুনবি? গোটা কবিটাই আমার মুখস্থ।

    তাহের হতভম্ব হয়ে শুনছে সত্যি সত্যি পারুল বিড় বিড় করে কবিতা আবৃত্তি করছে। কুকুর তিনটাও মনে হচ্ছে আগ্রহ করে কবিতা শুনছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাখি আমার একলা পাখি – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article প্রথম প্রহর – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }