Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পারুল ও তিনটি কুকুর – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প149 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. অসুখ-বিসুখ

    রহমান সাহেব বললেন, তোমার কি অসুখ-বিসুখ?

    তাহের নিচু গলায় বলল, জ্বি-না স্যার। ঠাণ্ডা লেগেছে।

    চোখ টকটকে লাল, ঠাণ্ডায় চোখ লাল হয় নাকি?

    তাহের ফ্যাকাসে ভঙ্গিতে হাসল। কিছু একটা বলা উচিত–কি বলবে বুঝতে পারছে না। তার গায়ে জ্বর আছে সে বুঝতে পারছে–সব কেমন হলুদ হলুদ লাগছে।

    রহমান সাহেব বললেন, কাল তোমার ওখানে যাব বলে ভেবেছিলাম–বৃষ্টি-টৃষ্টি দেখে আর যাইনি। তোমার স্ত্রীকে সরিয়ে দিয়েছ তো?

    জ্বি স্যার। ওর বড় চাচার বাসায় দিয়ে এসেছি।

    গুড। ভেরী গুড।

    একা একা থাকতে খারাপ লাগে তো, এই জন্যে নিয়ে এসেছিলাম। অন্যায় হয়েছিল। কিছু মনে করবেন না স্যার।

    নিজের স্ত্রীকে সঙ্গে রাখবে এতে অন্যায় কি? কমপ্লেইন হচ্ছিল। স্যারের কানে গেলে স্যার রাগ করতে পারেন এই জন্যেই, অন্য কিছু না।

    আমি বুঝতে পারছি স্যার।

    ঠিক আছে, তুমি যাও। ও আচ্ছা শোন, কি একটা জরুরী কথা বলতে চাচ্ছিলাম–ভুলে গেলাম। ঠিক আছে মনে হলে বলব।

    আমি কি স্যার ঘন্টাখানিক পরে আসব?

    কেন?

    কথা যেটা ভুলে গিয়েছিলেন সেটা যদি মনে পড়ে!

    আসতে হবে না। এমন কিছু জরুরী কথা না। জরুরী কথা হলে মনে থাকত।

    চলে যাব স্যার?

    হ্যাঁ। বাড়ি-ঘর ঠিক-ঠাক রাখবে।

    অবশ্যই স্যার। এর মধ্যে কি আপনি একবার আসবেন?

    আসব। বাড়িটা রঙ করাতে হবে। র মিস্ত্রীকে নিয়ে এসে এস্টিমেট করাতে হবে।

    কবে আসবেন স্যার?

    দিন-তারিখের দরকার কি, চলে যাব এক সময়। ও আচ্ছা, কথাটা মনে পড়েছে–কামরুলের খবর কি?

    তাহেরের বুক ধ্বক করে উঠল–মনে হল সে মাথা ঘুরে পড়ে যাবে। কামরুলের খবর কি? এই প্রশ্নের উত্তরে সে কি বলবে?

    তাহেরকে কিছু বলতে হল না। রহমান সাহেব বিরক্ত ভঙ্গিতে বললেন, কুকুর তিনটাকে ইনজেকশন দেয়ার জন্যে তার নিয়ে যাবার কথা–আমি ইনজেকশন আনিয়ে রেখেছি–সে আসছে না কেন? সব সময় এ রকম করে। একবারের জায়গায় দশবার বলতে হয়। ওকে খবর দেবে।

    জ্বি আচ্ছা।

    স্যার চিঠিতে জানতে চেয়েছেন ইনজেকশন দেয়া হয়েছে কি না। এক সপ্তাহ আগে তাকে বলেছি, আশ্চর্য, এমন গাফিলতি। তুমি তাকে কালই আসতে বলবে।

    জ্বি বলব। তবে কাল বোধহয় আসতে পারবে না। জ্বর হয়েছে। বিছানায় শুয়ে আছে দেখলাম। কাছে অবশ্যি যেতে পারি নাই। কুকুরগুলির কারণে কাছে যেতে ভয় লাগে। কোন দিন এরা আমাকে মেরে ফেলে কে জানে।

    রহমান সাহেব বিরক্ত গলায় বললেন, আচ্ছা ঠিক আছে, এখন তুমি যাও। তাহের স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বের হয়ে এল। জ্বর বোধহয় আরো বেড়েছে। মাথা ঘুরছে। সকালে সে নাশতা না খেয়ে বের হয়েছে। পারুল নাশতা বানিয়েছিল–রুটি, আলু ভাজা। তার খেতে ইচ্ছে করেনি। তার ঘর থেকে বেরুতেও ইচ্ছা করেনি। পারুলই তাকে প্রায় জোর করে বাইরে পাঠিয়েছে। সহজ গলায় বলেছে–এই বাড়িতে থাকলেই তোমার আরো খারাপ লাগবে। গত রাতের কথা মনে পড়বে। তুমি বরং ঘুরে টুরে আস। সন্ধ্যাবেলা যখন ঘরে ফিরবে দেখবে আগের মত খারাপ লাগছে না।

    কোথায় ঘুরব?

    অফিসে যাও। সবার সঙ্গে গল্প-টল কর। যত গল্প করবে তত দ্রুত তুমি সহজ হবে। তাতে মাথা থেকে রাতের ব্যাপারটা চলে যাবে।

    তুমি একা থাকবে?

    একা কোথায়? আমার কুকুর তিনটা আছে না? আমি ভালই থাকব, আমার কোন সমস্যা হবে না–তুমি আসার সময় কিছু চা-পাতা নিয়ে এসো। চা-পাতা, আরেকটা বই–শিশুদের নামের বই। বাচ্চাদের নাম রাখার এখন সুন্দর সুন্দর বই পাওয়া যায়। এলফাবেটিকেলী সাজানো। বই-এ নাম, নামের অর্থ সব দেয়া থাকে। মনে থাকবে?

    হুঁ, থাকবে।

    চা-পাতা আনতে যদি ভুলেও যাও–বই আনার কথাটা কিন্তু ভুললে চলবে না।

    তাহের ভুলেনি–তার মনে আছে। তার শরীর খারাপ, মাথা ঘুরছে, গায়ে জ্বর, তারপরে সবকিছুই তার মনে আছে। সে ম্যানেজার রহমান সাহেবের ঘর থেকে লবীতে চলে এল। রিসেপসনিস্ট মেয়েটি আজও সবুজ শাড়ি পরেছে। সম্ভবত তার অনেকগুলি সবুজ শাড়ি। মেয়ে শাড়ির রঙ মিশিয়ে ঠোঁটে লিপস্টিক দেয়–সবুজ রঙের লিপস্টিক কি পাওয়া যায়? নিশ্চয়ই যায়। সে তো আর খোঁজ-খবর করে না। খোঁজ-খবর করলে দেখত দোকান ভর্তি সবুজ বরে লিপস্টিক। আজ যখন বইমের দোকানে যাবে তখন সে লিপস্টিকের দোকানে খোঁজ করবে। কিনতে পারবে না, টাকা নেই। দামটা শুধু জানবে। দোকানদার বিরক্ত হবে। ওরা আবার চট করে ধরে ফেলে কে কিনতে এসেছে আর কে শুধু দরদাম করতে এসেছে।

    হঠাৎ তাহেরের মন বিষণ্ণ হয়ে গেল–তার মনে পড়ল এখন পর্যন্ত সে পারুলকে কোন উপহার দেয়নি। কোন কিছুই না। এর মধ্যে তার একবার জন্মদিন গেল। তারা তখন সিরাজউদ্দিন সাহেবের বাসায় থাকে। সকালবেলা পারুল বলল, বুঝলেন জনাব, আজ আমার জন্মদিন। আজ অবশ্যই আমার জন্যে কয়েকটা গোলাপ ফুল কিনে আনবেন। বেশি আনার দরকার নেই–যা দাম। দুটা আনলেই হবে। খবর্দার, উপহার-টুপহার আবার আনতে যাবেন না।

    তাহের উপহার আনেনি, ফুলও আনেনি। ভুলে গিয়েছিল। জন্মদিনের সেই উপহার আজ কিনে নিয়ে গেলে কেমন হয়? কিছু টাকা সঙ্গে আছে। লিপস্টিকের দাম কত সে জানে না–চল্লিশ পঁয়তাল্লিশ টাকায় হলে কিনে ফেলা যায়। রিসেপসনিস্ট মেয়েটাকে কি সে জিজ্ঞেস করবে লিপস্টিকের দাম কত? রাগ করবে না তো আবার সুন্দরী মেয়েরা সব সময় রেগে থাকে। ব্যতিক্রম অবশ্যি আছে। যেমন পারুল কখনো রাগে না। সে রূপবতী এ কথাটা বোধহয় তার জানা নেই। জানলে সেও সারাক্ষণ রেগে থাকত।

    রিসেপসনিস্ট মেয়েটি তীক্ষ্ণ গলায় বলল, এই শুনুন। তাহের তার দিকেই তাকিয়েছিল–সে চমকে উঠল।

    আপনি কিছু বলবেন?

    জ্বি-না।

    কিছু বললেন না, তাহলে এভাবে তাকিয়ে আছেন কেন? মেয়েদের দিকে এভাবে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা যে অভদ্রতা এটা কি আপনার জানা নেই? আজ তো নতুন না, আপনাকে আগেও বলেছি।

    তাহের নিজের অজান্তেই বলল, আপনার কি অনেকগুলি সবুজ রঙের শাড়ি?

    মেয়েটি হকচকিয়ে গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে তার মুখে কোন জবাব আসছে না। তাহের বলল, সুন্দর করে যে সাজে সে তো অন্যকে দেখাবার জন্যই সাজে। কাজেই মানুষজন যদি তাকে অবাক হয়ে দেখে তাতে রাগ করার কিছু নেই–বরং খুশি হওয়া উচিত।

    জ্বরের ঘোরে বোধহয় তাহেরের মাথায় কিছু হয়েছে কিংবা কাল রাতের ভয়াবহ ঘটনার ফলও হতে পারে–কেমন সুন্দর কথার পিঠে কথা বলে যাচ্ছে। মেয়েটিকে কোণঠাসা করে–এক ধরনের আনন্দও সে পাচ্ছে।

    রিসেপসনিস্ট মেয়েটি থমথমে গলায় বলল–আপনি কি এই অফিসে কোন কাজে এসেছেন?

    জ্বি-না। আমি এখানে কাজ করি। আমি এই প্রতিষ্ঠানেরই একজন।

    কই, আমি তো জানি না। কি কাজ করেন?

    আমি দারোয়ান। বড় সাহেবের বাড়ি পাহারা দেই। উত্তরখানে উনার একটা বাড়ি আছে। আমি ঐ বাড়ির পাহারাদার। পাহারাদার শুনেই এমন ছোট চোখে তাকাবার দরকার নেই। ছোটবেলায় বই-এ পড়েননি–পৃথিবীর কোন কাজই ছোট না। আপনার কাজের যে মর্যাদা একজন গোর খোদকের কাজেরও একই মর্যাদা।

    প্লীজ, আপনি আমাকে যথেষ্ট বিরক্ত করেছেন। আর করবেন না।

    জ্বি আচ্ছা–আর বিরক্ত করব না। ইচ্ছা থাকলেও করা যাবে না। আমাকে নিউ মার্কেটে বইয়ের দোকানে যেতে হবে–একটা বই কিনতে হবে। শিশুদের নামের উপর একটা বই–যেখানে নাম সব এলফাবেটিকেলী সাজানো থাকে–নামের অর্থ দেয়া থাকে। আমরা স্ত্রী বেবী এক্সপেক্ট করছেন–এখনো দেরি আছে। মেয়েরা বাচ্চার নাম-টাম নিয়ে আগেভাগেই চিন্তা করতে ভালবাসে।

    রিসেপসনিস্ট মেয়েটি তীব্র দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে। তার চোখে সামান্য হলেও ভয়ের ছায়া। ভয়ের এই ছায়াটি কি জন্যে তাহের পরতে পারছে না। তার এলোমেলো কথা বলার জন্যে? না-কি জ্বরে তার চেহারা অন্য রকম হয়ে গেছে সে জন্যে? ভয় পাওয়া মানুষকে আরো ভয় পাইয়ে দিতে ইচ্ছে করে। তাহেরেরও করছে, তবে সে বুঝতে পারছে না–ঠিক কি করলে মেয়েটা আরো ভয় পাবে। তাহের হাই তুলল। সুন্দরী মেয়েদের সামনে কোন পুরুষ কখনো হাই তুলে না। তাহের তুলছে। কারণ মেয়েটিকে এখন আর তার তেমন সুন্দর লাগছে না। তাহের সহজ গলায় বলল–যাই, পরে কথা হবে। দারোয়ানের সঙ্গে অনেক কথা বলায় আপনি যদি মনে করে থাকেন আপনার সম্মানহানি হয়েছে, তাহলে ভুল করবেন–আমি দারোয়ান হলেও শিক্ষিত দারোয়ান। এম. এ. পাশ। জিওগ্রাফী। এম. এ. অনার্স, দুটাতেই থার্ড ক্লাস, এই জন্যে কলেজে চাকরি হল না। প্রাইভেট কলেজেও লেকচারার-এর চাকরির জন্য অনার্স এম. এ.-এর একটাতে মিনিমাম সেকেন্ড ক্লাস লাগে। যাই, কেমন?

    মেয়েটি শুন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল।

    তাহেরের মাথা ঘুরছে। বুক জ্বালা করছে। মুখে টুক টুক ঝঝ। এসিডিটি নিশ্চয়ই। কিছু খাওয়া দরকার। খিদে হচ্ছে না–খাবে কি? খিদে হলে অফিস কাটিনে ঢুকে একটা সিঙারা খেয়ে নিত। নিউ মার্কেটে বই কেনার পর কয়েকটা চক্কর লাগালে খিদে হতে পারে।

     

    বইয়ের দাম ত্রিশ টাকা। দোকানদার পাঁচ টাকা কমিশন দিল। না চাইতেই দিল। না চাইলে এই যুগে কেউ কমিশন দেয় না। বইয়ের দোকানদার দিয়েছে। তাহের তার ভদ্রতায় মুগ্ধ হয়ে গেল। সে আন্তরিক ভঙ্গিতে বলল, ভাই, মেনি মেনি থ্যাংকস। আমি দরিদ্র মানুষ তো–পাঁচটা টাকা আমার কাছে পাঁচশ টাকার মত।

    আপনার কি শরীর খারাপ?

    জ্বী, শরীর খুবই খারাপ। বলতে গেলে সারা রাত বৃষ্টিতে ভিজেছি। রাতেই জ্বর এসেছে।

    বাড়িতে চলে যান। বাড়িতে গিয়ে শুয়ে থাকেন।

    তাই করব। এক্ষুণি রওনা দেব–বাড়ি অবশ্যি শহরের বাইরে। যেতে যেতে দুঘণ্টা লাগবে। ভাই যাই। এগেইন মেনি মেনি থ্যাংকস।

    তাহের সরাসরি বাড়ির দিকে রওনা হল না। নিউমার্কেটে দুটা চক্কর দিল। আরো কি যেন তার কেনার কথা। মনে পড়ছে না। মনে করার জন্যে চক্কর দেয়া। পারুল বই ছাড়াও আরো কি যেন কিনতে বলেছে। সেটা কি? লিপস্টিক? না, লিপস্টিক না। লিপস্টিকের কথা কেউ তাকে বলেনি— এটা তার নিজের মাথায় এসেছে। আচ্ছা, লিপস্টিকের খোঁজটা নিয়ে গেলে হয় না? তাহের জমকাল করে সাজানো একটা দোকানে ঢুকে পড়ল।

    ভাই, আপনাদের কি লিপস্টিক আছে?

    আছে। কোন কোম্পানীর, কি রঙ?

    যে কোন কোম্পানীর হলেই হবে।

    রঙটা কি?

    সবুজ রঙ।

    সবুজ রঙ?

    জ্বি সবুজ। গাঢ় সবুজ–কলাপাতার মত সবুজ।

    সবুজ রঙের লিপস্টিক হয় না।

    লাল ছাড়া অন্য কোন রঙের হয় না?

    হবে না কেন? হয়। মেরুন আছে, মেটে রঙ আছে, হালকা ব্লু আছে, কালো আছে–সোনালী আছে।

    সোনালা রঙের লিপস্টিক আছে?

    জ্বি আছে। দেখবেন?

    একটু দেখান না—প্লীজ।

    কিনবেন?।

    দামে পুষলে কিনব। পঞ্চাশ-পাঁচপঞ্চাশ টাকার ভেতর যদি হয়।

    সোনালী রঙের লিপস্টিকের দাম তেত্রিশ শ টাকা।

    কত বললেন?

    তেত্রিশ শ টাকা। তিন হাজার তিন শ–সঙ্গে একটা লাইনার আছে। লাইনারটার দাম আলাদা।

    লাইনার কি?

    পেন্সিলের মত একটা জিনিস। লিপস্টিক দেয়ার পরে লাইনার দিয়ে বর্ডারের মত দিতে হয়। তাহলে লিপস্টিক ছড়িয়ে যায় না।

    লাইনারটার দাম কত?

    আটশ। তবে লিপস্টিক আর লাইনার একসঙ্গে কিনলে চার হাজারে দেয়া যাবে।

    তাহের হতভম্ব গলায় বলল, সত্যি বলছেন না ঠাট্টা করছেন?

    দোকানী সহজ গলায় বলল–ঠাট্টার কোন ব্যাপার না। খদ্দেরের সঙ্গে ঠাট্টা করা যায় না।

    আমি আপনার খদ্দের না। আমি কোনদিন এই জিনিশ কিনতে পারব না। ভাই, যদি কিছু মনে না করেন–সোনালী রঙের লিপস্টিকটা আমি দূর থেকে একটু দেখব। হাতও দেব না।

    হাত দিন। হাত দিয়ে দেখতে অসুবিধা কি? এটা তো আর আগুন না যে হাত দিলে হাত পুড়ে যাবে।

    তাহের গভীর আগ্রহে সোনালী রঙের লিপস্টিক হাত দিয়ে নেড়ে চেড়ে দেখছে। সামান্য এতটুক একটা জিনিশ, ঠোঁটে লাগানো হয়–এর দাম তেত্রিশ শ টাকা।

    ভাই, এই লিপস্টিকের বিশেষত্ব কি?

    বিশেষত্ব কিছু না। নামী কোম্পানী র‍্যাভলন। নন স্টিক। ঠোঁটে লিপস্টিক দিয়ে চা খেলে চায়ের কাপে লিপস্টিকের দাগ লাগবে না।

    চায়ের কাপে লিপস্টিকের দাগ পড়ে যায় এই তথ্যই তাহেরের জানা ছিল না। এই পৃথিবীতে কত কিছুই না আছে জানার।

    কেউ কি এই লিপস্টিক কেন?

    কেন কিনবে না? হরদম কিনছে। না কিনলে আমরা বাঁচব কি ভাবে?

    ভাই, মেনি মেনি থ্যাংকস।

    দুপুর হয়ে গেছে। মাথায় উপরে গনগনে সূর্য। এই রোদে বাসে করে রওনা হতে ইচ্ছা করছে না। পার্কের কোন বেঞ্চিতে ছায়ার মধ্যে শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করছে। আসলে বাড়ি ফিরতেই ইচ্ছা করছে না। তারপরেও ফিরতে হবে–পারুল বেচারী একা আছে। না জানি কত ভয় পাচ্ছে। কি জানি সে কিনতে বলেছিল মনে পড়ছে না। জরুরী কথা মনে পড়ে না। শুধু অদরকারী কথা মনে পড়ে। তাহের হেঁটে হেঁটে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে রওনা হল। ঘুমে তার চোখ বন্ধ হয়ে আসছে–কে জানে। হাঁটতে হাঁটতে ঘুমিয়ে পড়বে কি-না।

     

    তাহের বিকেল পর্যন্ত ঘুমালো। পাকের লম্বা বেঞ্চে শুয়ে দীর্ঘ সুম। আরামের ঘুম। অনেকদিন এত আরাম করে সে ঘুমায়নি।

    তাহের ঘুম ভাঙার পর অবাক হয়ে দেখল তাকে ঘিরে ছোটখাট একটা ভিড়। একজন পানওয়ালা, এই প্রচণ্ড গরমে সুয়েটার পরা এক বুড়ো লোক, মাস্তান টাইপ দুটা ছেলে। বুড়ো ভদ্রলোক বললেন, কি হয়েছে?

    তাহের বেঞ্চিতে উঠে বসল। সে আরাম করে ঘুমুচ্ছিল। এর বেশি তো কিছু হয়নি। গায়ে জ্বর ছিল–টানা ঘুম দেয়ায় ঘরটা সেরে শেছে বলে মনে হয়। তাকে ঘিরে এই জটিলার কারণটা কি?

    বুড়ো ভদ্রলোক ঝুঁকে এসে বললেন, ঘুমের মধ্যে চিৎকার করছিলেন। তাহের বিব্রত ভঙ্গিতে বলল, স্বপ্ন দেখছিলাম।

    সে উঠে দাঁড়াল। দ্রুত সরে পড়া উচিত। বুড়ো ভদ্রলোক বললেন, বই ফেলে যাচ্ছেন তো।

    তাহের বইটা হাতে নিল। বইটা সে কিছুক্ষণ আগে কিনেছে এটা মনে করতে তার কিছুটা সময় নিল। আশ্চর্য, সব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে।

    মস্তান ধরনের ছেলে দুটির একটি বলল, ব্রাদার, শরীর ঠিক আছে তো?

    জ্বি, ঠিক আছে।

    পার্কে এইভাবে ঘুমাবেন না। পকেট থেকে মানিব্যাগ হাপিস হয়ে যাবে। মানিব্যাগ পকেটে আছে?

    জি, আছে।

    তাহের হাঁটা ধরেছে। একবার পেছন ফিরল–লোকগুলো এখনো তাকিয়ে আছে। তাদের চোখে কৌতূহল। ঘুমের মধ্যে সে এমন কি করেছে যে লোকগুলো এখনো তাকিয়ে আছে? সাধারণত ভয়ংকর কোন স্বপ্ন দেখলেই মানুষ চেঁচিয়ে উঠে। সে কোন দুঃস্বপ্ন দেখেনি। শান্তির একটা ঘুম ঘুমিয়েছে।

    এখন কটা বেজেছে? তাহেরের হাতে ঘড়ি নেই। সময়টা জানা থাকলে ভাল হত। ফিরতে ইচ্ছা করছে না। রাত হোক, সে রাতের অন্ধকারে ফিরবে। এমন ভাবে কবে যেন কেউ তাকে না দেখে। এতক্ষণ কি করবে? হাঁটবে রাস্তায় রাস্তায়? মন্দ কি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাখি আমার একলা পাখি – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article প্রথম প্রহর – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }