Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পারুল ও তিনটি কুকুর – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প149 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. ফার্মেসীর নাম উপশম

    ফার্মেসীর নাম উপশম।

    বিশাল হুলুস্থুল কাণ্ডকারখানা। ফার্মেসীর মালিক আলাদা বসেন। কাচের দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকতে হয়। ভদ্রলোকের নাম দেলোয়ার হোসেন। তবে দোকানের কর্মচারীরাও তাকে পল্টু নামেই চেনে। তাহেরের পল্টু সাহেবকে খুঁজে বের করতে দেরী হল না। পলু সাহেবের সামনে চার পাঁচটা চেয়ার। একজন সেই চেয়ারে পা তুলে বসে আছে। পল্টু সাহেব তাহেরকে বসতে বললেন না। চোখ মুখ কুঁচকে চিঠি পড়তে শুরু করলেন এবং প্রবল বেগে পা নাচাতে লাগলেন। মনে হচ্ছে পা নাচানো তার অভ্যাস। তাহেরের মনে হল পুরো চিঠি তিনি দুবার পড়লেন। তারপর তাহেরের দিকে তাকিয়ে বললেন, আরে দাঁড়িয়ে আছ কেন? বোস বাস। তুমি করে বললাম, কিছু মনে করো ন। পারুল ছিল আমার অত্যন্ত স্নেহভাজন। যতদূর মনে হয় তাকে তুই করে বলতাম। সেই হিসেবে তোমাকে তুমি বলছি।

    অবশ্যই বলবেন স্যার।

    আমাকে স্যার বলবে না। পারুল আমাকে পল্টু ভাই ডাকতো। তুমিও তাই ডাকবে। এবসুলিউটলি নো প্রবলেম। কি খাবে বল?

    কিছু খাব না।

    কিছু খাবে না বললেতো হবে না। পারুল যদি শুনে তার পল্টু ভাই কিছু না খাইয়ে তার স্বামীকে বিদায় করেছে তাহলে খুব অভিমান করবে।

    এক কাপ চা খেতে পারি।

    চা তো সবাই সবাইকে খাওয়ায়। তাতে বিশেষ কোন মমতা দেখানো হয় না। লাচ্ছি খাও। গরমের মধ্যে লাচ্ছি ভাল লাগবে। বাজে কটা, দশটা? গুড। পাশেই একটা দোকান আছে, দশটার দিকে গরম গরম সিঙ্গারা ভাজে। কলিজি সিঙ্গারা। একবার খেলে মুখে স্বাদ লেগে থাকে। বয়স হয়েছে, গুরুপাক জিনিস খেতে পারি না। তুমি খাও, ইয়াংম্যান, তোমার এখন লোহা হজম করার বয়স।

    পল্টু সাহেব সিঙ্গারা ও লাচ্ছি আনতে দিলেন। হাসি হাসি মুখে তাকালেন। ভদ্রলোকের মাথার চুল ধবধবে শাদা। কিন্তু স্বাস্থ্য এখনো বেশ ভাল। ঠোঁট অবশ্যি ফোলা ফোলা।

    তোমার নামটা কি তাতো জানা হল না।

    আমার নাম তাহের।

    শুধু তাহেরতো নাম হয় না। তাহেরের সঙ্গে আর কি আছে?

    আবু তাহের।

    ভেরী গুড। আবু তাহের। শুন আবু তাহের, পারুল চিঠিতে লিখেছে একবার তাকে গিয়ে দেখে আসতে। যাব, নিশ্চয়ই যাব। সময় পেলে হুট করে একদিন চলে যাব।

    চাকরি বাকরি পাচ্ছ না বলে লিখেছে। আমি চেষ্টা করব। তুমি ছবিসহ বায়োডাটা দিয়ে যেও।

    জ্বি আচ্ছ।

    চাকরির বাজার খুবই খারাপ। তবু দেখি কি করা যায়। তোমরা যেখানে থাক সেই জায়গার ঠিকানাটা ভাল করে লিখে দাও দেখি। বাসে করে যদি যাই কোথায় নামব।

    তাহের বলল, আপনি একা একা যাবেন না। বাড়িতে কুকুর আছে। কুকুরগুলা ভয়ংকর রাগী। আপনি কখন যেতে চান বলবেন, আমি নিয়ে যাব।

    সেটাতো সবচে ভাল হয়। তবু তুমি ঠিকানা লিখে দাও। ঐ দিকে ব্যবসায় খাতিরে প্রায়ই যেতে হয়–অসময়ে উপস্থিত হয়ে পারুলকে চমকে দিয়ে আসব, হা হা হা।

    তাহের সিঙ্গারা খেল, লাচ্ছি খেল, পান খেল। পল্টু সাহেব আরো ভদ্রতা করলেন। তিনি তাঁর গাড়ি দিয়ে বললেন, তুমি কোথায় যাবে বল। তোমাকে নামিয়ে দিয়ে আসবে। পারুলের তুমি হাসবেন্ড এইটুকু খাতির তো তোমাকে করতেই হবে।

    অফিসে নেমেই তাহের শুনল রহমান সাহেব তার খোঁজ করছেন। বলেছেন তাহের এলেই যেন তার সঙ্গে দেখা করে। খুব জরুরী।

    তাহের দেখা করতে গেল। রহমান সাহেব বিরক্ত গলায় বললেন–কামরুলকে খবর দিতে বলেছিলাম, তুমি দিয়েছ? কাল রাতে হঠাৎ বড় সাহেব বাসায় টেলিফোন করে জানতে চেয়েছেন কুকুরগুলিকে ইনজেকশন দেয়া হয়েছে কি না। আমি না জেনেই বলেছি দেয়া হয়েছে। নয়ত উনি টেনশানে থাকবেন। অফিসে এসে শুনি কামরুল এখনো ইনজেকশন নিতে আসেনি। তুমি কি তাকে বলনি?

    বলেছি, স্যার।

    তাহলে আসছে না কেন? বড় সাহেব নেই বলে তেল বেশী হয়ে গেছে? চিপে তেল সব বের করে ফেলব—হারামজাদা–

    তার শরীরটা খুব খারাপ এইজন্যে বোধহয় আসছে না। আজকেও জ্বর দেখে এসেছি। একটা কাজ করলে কেমন হয় স্যার। আমি ইনজেকশনগুলি নিয়ে যাই–আমি নিজের দায়িত্বে ইনজেকশন দেয়ায়ে দিব।

    এটা মন্দ না। কোথায় নিতে হবে জানতো?

    জানি স্যার, মহাখালি।

    পারবে?

    অবশ্যই পারব। অফিসের ভ্যান একটা নিয়ে যাও।

    জ্বি আচ্ছা স্যার।

    ভ্যান আছে কি-না এখন কে জানে। যখন যেটা প্রয়োজন সেটাতো কখনো থাকে না। দাঁড়াও, আমি দেখি ভ্যান আছ কি-না।

    রহমান সাহেব টেলিফোন তুলে ভ্যানের ব্যাপারে জানতে চাইলেন। তাহের তার মুখ দেখে বুঝতে পাল ভ্যান পাওয়া যাচ্ছে না। তাহের বলল, ভ্যান না পাওয়া গেলেও অসুবিধা হবে না স্যার। আমি বরং ডাক্তার সাহেবকে বাড়িতে নিয়ে আসব, তিনি এসে ইনজেকশন দিয়ে দেবেন। আগে একবার দিয়ে গেছেন। তাকে তিনশ টাকা দিতে হবে। আর আপনি যদি বলেন তাহলে বেবীটেক্সী করে নিয়ে যেতে পারি।

    যেটা ভাল বুঝ কর। তারপর একটা বিল দিও টাকা দিয়ে দেব। এক কাজ কর ক্যাশিয়ালের কাছ থেকে পাঁচশ টাকা এডভান্স নিয়ে যাও। যা খরচ লাগে কর। বাকিটা ফিরত দিও। এখনই চলে যাও। জিনিসটা আমি ঝুলিয়ে রাখতে চাই না। স্যারের সঙ্গে মিথ্যা কথা বলতে হয়েছে। ভাবতেই আমার খারাপ লাগছে।

    স্যার, আমি তাহলে যাই।

    দাঁড়াও এক মিনিট–তুমি নাকি মনিকার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছ? আমাদের রিসিপসনিষ্ট মনিকা।

    আমি তো স্যার কারুর সঙ্গেই খারাপ ব্যবহার করি না।

    আমি অবশ্য মনিকাকে তাই বলেছি। যাই হোক তার সঙ্গে তোমার কথা বলারই দকার নেই। সুন্দরী মেয়ে দেখলেই কথা বলতে হবে?

    আমি কি স্যার যাব?

    অবশ্যই যাবে।

    কুকুরকে ইনজেকশন দিয়ে কি স্যার খবর দিয়ে যাব?

    তোমার নিজের আসার দরকার নেই। বরং সন্ধ্যার দিকে একটা টেলিফোন করে জানিয়ে দিও। তাহলে আমি নিশ্চিত হতে পারি।

    এখনই আপনি পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে যান স্যার। আজ দিনের মধ্যেই আমি ইনজেকশন দেয়া।

    গুড।

    আমি স্যার রাতে টেলিফোন করে দেব।।

    টেলিফোন সন্ধ্যা ৭ টার আগে করবে। টেলিফোন নাম্বার আছে? মনিকার কাজ থেকে আমার একটা কার্ড নিয়ে যাও।

    জি আচ্ছা স্যার।

    তাহের হাসিমুখে বের হয়ে এল। ক্যাশিয়ারের কাছে ভাউচার সই করে পাঁচশ টাকা নিল। স্টোরের ফ্রীজ থেকে ইনজেকশানের এমপুল নিল। তারপর গেল মনিকার কাছে। হাসি মুখে বলল, ভাল আছেন?

    মনিকা তীব্র দৃষ্টিতে তাকাল। জবাব দিল না।

    তাহের বলল, রহমান সাহেব বলেছেন তাঁর একটা কার্ড আমাকে দিতে। আমার কথা বিশ্বাস না হলে স্যারকে ইটারকমে জিজ্ঞেস করতে পারেন।

    মনিকা দুয়ার খুলে কার্ড ডেস্কে রাখল। কথা বলে সে সময় নষ্ট করতে চাচ্ছে না।

    তাহের হাই তুলতে তুলতে বলল, স্যারের নামে আমার বিরুদ্ধে কমপ্লেইন করেছেন কেন? যা বলার আমাকে বললেই হত। কমপ্লেইন টমপ্লেইনতো ছেলেমানুষী ব্যাপার। বাচ্চারা করে, বড় বোনের কাছে নালিশ করে, মার কাছে নালিশ করে।

    আপনি আমাকে বিরক্ত করবেন না।

    কোন কোন মানুষের ভেতর অবশ্যি নালিশ করার অভ্যাস থেকেই যায়। তারা ম্যানেজারকে নালিশ করে, বসকে নালিশ করে। যাদের ম্যানেজার বা বস বলে কেউ থাকে না–তারা আল্লাহর কাছে নালিশ করতে বসে।

    মনিকা কঠিন স্বরে বলল, আপনার যদি আমার বিরুদ্ধে কিছু বলার থাকে–স্যারকে গিয়ে বলুন।

    আমি তো আগেই বলেছি আমার নালিশ করার অভ্যাস নেই। আমার স্ত্রীরও নেই। এই একটা দিকে আমাদের খুব মিল। অন্য কোনদিকে কোন মিল নেই। যেমন বাচ্চার নামের ব্যাপারটাই ধরুন। বাচ্চা আসতে এখনো অনেক দেরী–এর মধ্যে নাম খোঁজা খুঁজি। নামের জন্য বই কেনা। শেষ পর্যন্ত নাম ঠিক হয়েছে–আনান। আনান শব্দের অর্থ হল মেঘ। নামটা আপনার কেমন লাগছে?

    মনিকা তীব্র গলায় বলল, আপনি যদি এক্ষুণী বিদেয় না হন তাহলে আমি স্যারের কাছে বাধ্য হয়ে যাব।

    তাহের সহজ গলায় বলল, আমি চলে যাচ্ছি। অল্পতে রেগে যান কেন? মেয়েরা হবে সর্বংসহা। তাদের এত অল্পতে রাগলে চলে?

    মনিকার ঠোঁট কাঁপছে। মেয়েটা ভয়ংকর রেগে গেছে। এত সুন্দর একটা মেয়ে কেন অকারণে এত রাগে? তাহের অফিস থেকে বেরুল। বাড়িতে ফিরে যাওয়ার প্রশ্ন উঠে না। কুকুরের ইনজেকশনতো অনেক পরের ব্যাপার। তিন শয়তানকে এক বেবীটেক্সীতে করে নিয়ে যাবে? হাস্যকর একটা কথা না? ম্যানেজার সাহেবের হাস্যকর কথা বিশ্বাস করার রহস্য হল, বিশ্বাস করার কারণে তার দায়িত্ব কমে গেছে। কুকুর নিয়ে মাথা ঘামাতে হচ্ছে না।

    তাহের সময়টা কি ভাবে কাটাবে বুঝতে পারছে না। পার্কের কোন বেঞ্চিতে শুয়ে লম্বা ঘুম দেয়া যায়। গতকাল ঘুম এসেছিল বলে আজও যে ঘুম আসবে তা মনে হয় না। ঘুম না এলে সময় কাটানো একটা সমস্যা। সন্ধ্যা ছটার আগে বাড়িতে যাওয়া যাবে না। রহমান সাহেবকে টেলিফোন করতে হবে কাঢ়িায় কাটায় দুটায়। ম্যানেজার। সাহেবকে জানাতে হবে কুকরের ইনজেকশন যথারীতি দেয়া হয়েছে।

    এতক্ষণ সময় সে কাটাবে কিভাবে? জসিমের সঙ্গে দেখা করে এলে কেমন হয়? দিনের পর দিন জসিমের বিছানায় সে ঘুমিয়েছে। কৃতজ্ঞতা বোধ বলেওতো একটা-কিছুক থাকা উচিত। বিয়ের পর সে একবারও জসিমের সঙ্গে দেখা করেনি। এতটা নিমক হান্নাম সে হল কি করে? জসিম কোথায় কাজ করে তাহেরের জানা নেই, সে মেসে চলে যাওয়াই ঠিক করল। অফিস শেষ করে মেসেতো সে ফিরে আসবেই।

    জসিমকে মেসে পাওয়া গেল না। সে চার মাস হল মেস ছেড়ে দিয়েছে। পাঁচশ টকা বাকি ফেলে গেছে। কোথায় বাসা নিয়েছে সেই ঠিকানা দিয়ে গিয়েছিল। মেসের মালিক বরকতউল্লাহ সেই ঠিকানায় গিয়ে দেখে মিথ্যা ঠিকানা। বরকতউল্লা হতাশ গলায় তাহেরকে বলল–এই হচ্ছে আজকের যুগের ভদ্রলোকের নমুনা। তাকে সাহায্যতা কম করি নাই। দিনের পর দিন লোক জন নিয়ে ডাবলিং করেছে। আপনি নিজে ছিলেন তিন মাস। একটা কথা বলি নাই। বলতে গেলে সারাজীবন সিংগেল ভাড়া দিয়ে ডাবল থেকে গেছে। এই তার ফল। টাকা দিতে পারবে না বলুক–ভাই মাফ করে দেন। অসুবিধায় পড়েছি দিতে পারলাম না। এই কথা বলবে না। ফটকাবাজী করবে। শালা হারামী।

    তাহের বলল, গালাগালি করবে না। গালাগালিতে কিছু মীমাংসা হয় না। পান কত আপনি?

    পাঁচশ।

    জসিম টাকা না দেয়, আমি দেব। আপাতত দুশ টাকা রাখুন। ছেলেবেলার বন্ধু তার সম্পর্কে গালাগালি শুনতে ভাল লাগে না। আমার অনেক উপকার করেছে। সে থাকতে না দিলে থাকতাম কোথায়?

    দুশ টাকা আপনি দিবেন?

    কি করব বলেন। বন্ধুর অপমানে আমার অপমান। নিল, নোটটা ভাঙ্গায়ে দুশ টাকা রাখুন।

    দিচ্ছেন এখন পুরেটিাই দিয়ে দেন।

    তাহের দরাজ গলায় বলল–রেখে দিন চারশ রেখে দিন। একশ টাকা শুধু ফেরত দিন। চা পাতা চিনি কিনতে হবে। নয়ত পুরোটাই দিয়ে দিতাম। একশ টাকার নোটটি কাইগুলি ভাঙ্গায় দিন। পাঁচশ টাকার নোটের ভাংতি পাওয়া যায় কিন্তু একশ টাকার নোটের ভাংতি পাওয়া যায় না। বিচিত্র দেশ।

    বরকতউল্লাহ একশ টাকা ফেরত দিল। এবং অস্বস্থির সঙ্গে তাহেরকে দেখতে লাগল। তাহের বলল, বাকিটাও দিয়ে যাব। কোন এক ফাঁকে দিয়ে যাব।

    টাকাটা দিতে পেরে তাহেরের স্বস্তি লাগছে। কুকুরের জন্যে নেয়া টাকা নিজের জন্যে খরচ করতে খারাপ লাগতো। মানুষ হিসেবে অনেক নিচে সে নেমে গেছে কিন্তু এখনো কুকুর হতে পারে নি।

     

    প্রায় দুটা বাজে। গণগণে দুপুর। তাহেরের ক্ষিধে হচ্ছে না। ক্ষিধে হবে রাতে। তার স্বভাব প্রায় কুকুরের মতই হয়ে যাচ্ছে। একবেলা ক্ষিধে হয়। বাসায় ফিরে সে গপগপ করে ভাত খাবে। আপাতত কিছু না খেলেও চলবে। তাহের পার্কের দিকে রওনা হল। খালি বেঞ্চ জোগাড় করে শুয়ে থাকবে। ঘুম এলে ভাল। ঘুম না এলেও ক্ষতি নেই। এরপর থেকে সঙ্গে একটা শতরঞ্জির মত রাখবে। ভাঁজ করে পলিথিনের ব্যাগে বেখে। দেবে। প্রয়োজনে বিছিয়ে নিলেই সুন্দর বিছানা। একটা শতরঞ্জি থাকলে গাছের নিচেও শোয়া যায়। খালি বেঞ্চ খুঁজে বেড়াতে হয় না।

    খালি বেঞ্চ পাওয়া গেছে। তাহের বেঞ্চে শুয়ে আছে। লক্ষণ ভাল মনে হচ্ছে না। ঘুম আসছে না। পরিচিত মানুষদের একটা তালিকা সঙ্গে থাকলে ভাল হত। তাদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও সময় কাটে।

     

     

    শুধু দেখা হয়েছে। ভদ্রলোকের বোধহয় তাহেরকে মনেও নেই। ভদ্রলোকের নাম তফাতাল হোসেন। বিয়ে করেছেন কি না কে জানে। আশাদা পাড়ায় একবার চলে গেলে মন্দ হয় না। পারুলের দুর সম্পর্কের ভাই পরিচয় দিয়ে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলবে। তফাজ্জল সাহেবকে অবশ্যি বাসায় পাওয়া যাবে না। তিনি নিশ্চয়ই নানান কাজ কর্মে থাকেন। তাকে তাহেরের মত অবশ্যই দুপুরে পার্কে শুয়ে থাকতে হয় না।

    একবার মুগদা পাড়ায় গেলে কেমন হয়?

    মুগদাপাড়ায় পারুলের হলেও হতে পারত শ্বশুরবাড়ি। পারুলের বিয়ে সেখানে হয়েই যাচ্ছিল–মাঝখানে হুট করে সে ঢুকে পড়ল। ওদের সঙ্গে একটু দেখা করে আসা যেতে পারে। আর পারুলের শ্বশুর হবার কথা ছিল সেই ভদ্রলোকের সঙ্গে।তাহেরের ভালই থাতির হয়েছিল। বাড়িঘর ঘুরিয়ে দেখিয়েছিলেন। তাদের একটা নারকেল গাছে ছিয়াত্তরটা নারকেল হয়েছিল। তাদের ওল্ড মডেলের টয়োটা গাড়ি বিক্রি করে নতুন গাড়ি কেনার কথা ছিল। কিনেছেন কি না কে জানে। এই খবরটাও জান যেতে পারে।

    যার সঙ্গে পারুলের বিয়ে হবার কথা ছিল তার সঙ্গে তেমন আলাপ হয়নি, একবার শুধু দেখা হয়েছে। ভদ্রলোকের বোধহয় তাহেরকে মনেও নেই। ভদ্রলোকের নাম তফাজ্জল হোসেন। বিয়ে করেছেন কি না কে জানে। মুগদা পাড়ায় একবার চলে গেলে মন্দ হয় না। পারুলের দুর সম্পর্কের ভাই পরিচয় দিয়ে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলবে। তফাজ্জল সাহেবকে অবশ্যি বাসায় পাওয়া যাবে না। তিনি নিশ্চয়ই নানান কাজ কর্মে থাকেন। তাকে তাহেরের মত অবশ্যই দুপুরে পার্কে শুয়ে থাকতে হয় না।

     

    আশ্চর্যের ব্যাপার তফাজ্জল সাহেব বাসাতেই ছিলেন। কোথাও বোধ হয় বের হচ্ছিলেন–গায়ে ইস্ত্রী করা সিল্কের পাঞ্জাবী। সুন্দর করে চুল আঁচড়ানো। তাহের এর আগে ভদ্রলোকের চোখে চশমা দেখেনি— এখন সোনালী ফ্রেমের চশমা দেখা যাচ্ছে। সুন্দর মানিয়েছে চশমায়। যাদের চোখ অসুন্দর, চশমায় তাদের ভাল লাগে। চশমা চোখের ত্রুটি ঢেকে ফেলে। ভদ্রলোকের চোখ কি অসুন্দর? তাহের মনে করতে পারল না।

    আপনি কাকে চাচ্ছেন?

    আপনাকেই চাচ্ছি। আমার নাম তাহের। আবু তাহের। পারুলের দূর সম্পর্কের মামা।

    আমিতো ঠিক চিনতে পারছি না।

    না চেনারই কথা। ঐ যে পারুল নামের একটি মেয়ের সঙ্গে এনগেজমেন্ট হল। তারপর বিয়ে হল না।

    ও আচ্ছা।

    ভদ্রলোকের চোখ মুখ শক্ত হয়ে গেল। একটু আগে মানুষটাকে সুন্দর দেখাচ্ছিল–এখন রাগী রাগী দেখাচ্ছে। বিয়ে ভাঙ্গার অপমান বেচারা এখনো ভুলেনি।

    আমার কাছে কি ব্যাপার?

    আমি আপনাদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ কি মনে করে যেন ঢুকে পড়েছি। অপরাধ ক্ষমা করবেন। আসলে আপনাদের বাড়ি দেখে পুরানো কথা মনে পড়ে মনটা খারাপ হল। পারুলকে কত বুঝিয়েছিলাম। কত বলেছি–তুই ভুল করছিস, বিরাট ভুল। জীবন দিয়ে সেই ভুলের মাশুল শোধ করতে হবে। এখন তাই করছে। আপনার আবা কেমন আছেন? এরকম ভদ্রমানুষ এ যুগে সচরাচর চোখে পড়ে না। উনাকে আমার সালাম দিবেন।

    বাবা বেঁচে নেই। গত নভেম্বরে ইন্তেকাল করেছেন।

    বলেন কি? সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় উঠছিলেন–হঠাৎ স্ট্রোকের মত হল–গড়িয়ে পরে গেলেন।

    আহা হা। আমি তো দেখেছিলাম খুব ভাল স্বাস্থ্য।

    স্বাস্থ্যতো উনার বরাবরই ভাল ছিল। মৃত্যুর আগের দিনও জগিং করেছেন।

    তাহের সত্যি সত্যি ব্যথিত হল। সে নিঃশ্বাস ফেলে বলল, ভাই তাহলে যাই। হঠাৎ এসে বিরক্ত করলাম–কিছু মনে করবেন না।

    না, না, মনে করার কি আছে?

    বিয়ে করেছেন কি?

    জ্বি।

    আলহামদুলিল্লাহ। শুনে খুব খুশী হলাম। পারুল মেয়েটার উপর কোন রাগ রাখবেন না। দুঃখী মেয়ে এখন হাড়ে হাড়ে বুঝছে। এখন বুঝে আর লাভ কি বলুন? ক্ষতি যা হবার তা তো হয়েই গেছে। ভাই যাই?

    বসুন কিছুক্ষণ। চা খান।

    আপনি বোধহয় কোথাও বেরুচ্ছিলেন।

    দোকানের দিকে যাচ্ছিলাম। কর্মচারীরা আছে–পরে গেলেও হবে। আপনি আরাম করে বসুন। চায়ের কথা বলে আসি। ধুমপানের অভ্যাস আছে?

    মাঝে মাঝে খাই।

    নিন, আমার কাছ থেকে নিন।

    ভদ্রলোক মালবরোর একটা প্যাকেট বের করে সিগারেট ধরিয়ে দিলেন। খুশী খুশী গলার বললেন, পুরো এক কার্টুন মালবরো সিগারেট আমার এক ফ্রেণ্ড আমাকে প্রেজেন্ট করেছে। এদিকে স্ত্রী দিয়েছে সিগারেট খাওয়া বন্ধ করে। পকেটে সিগারেট নিয়ে ঘুরে বেড়াই। মাঝে মাঝে বন্ধু বান্ধবকে দেই। ওরা আরাম করে খায় দেখতে ভাল লাগে। আপনি চা খাবেন না কফি খাবেন? ভাল কফি আছে।

    কফিটাই ভাল হবে।

    আমি আগে চা খেতাম। আমার স্ত্রী এসে কফির অভ্যাস ধরিয়ে দিয়েছে। সারাদিনে এখন দশ কাপের মত কফি খাই।

    মেয়েরা স্বামীদের কিভাবে যে বশ করে। বিয়ের আগের দিন এক মানুষ। বিয়ের পরের দিন অন্য মানুষ।

    তফাজ্জল উৎল্ল গলায় বলল, একশ ভাগ খাঁটি কথা বলেছেন। ট্রুথ অব দ্য সেঞ্চুরী। বসুন কফির কথা বলে আসি।

    তাহের আরাম করে সিগারেট টানছে। বুঝা যাচ্ছে তাকে দীর্ঘ সময় কাটাতে হবে। তাফাজ্জল সাহেব খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পারুলের কথা জানতে চাইবেন। তার দুঃখের কথা যতই জানবেন ততই ভদ্রলোকের ভাল লাগবে। তাহের যদি ঠিকঠাক বলতে পারে তাহলে যাবার সময় ভদ্রলোক তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবেন। তাঁর পাঞ্জাবীর পকেটের সিগারেটর প্যাকেটটাও দিয়ে দেবার সম্ভাবনা আছে।

    তফাজ্জল সাহেব ফিরে এলেন। তাহেরের সামনের চেয়ারে বসতে বসতে বললেন, তারপর ভাই বলুন–খবরাখবর বলুন।

    খবরাখবর বলার মত কিছু নেই।

    আপনার যে ভাগ্নির কথা বললেন সে ঢাকাতেই আছে?

    জি। ঠিক ঢাকাতে না–ঢাকা থেকে দূরে উত্তরখান, রাজপ্রাসাদের মত এক বাড়ি।

    রাজপ্রাসাদের মত বাড়ি?

    নকল রাজপ্রাসাদ।

    নকল রাজপ্রাসাদ মানে?

    রাজপ্রাসাদ ঠিকই আছে–বিশাল বাড়ি। বাড়ির সামনে দাঁড়ালে আক্কেলগুড়ুম হয়ে যাবে তবে …।

    তবে কি?

    ওরা ঐ বাড়ির কিছু না। পারুলের হাসবেন্ড ও বাড়ির কেয়ারটেকার। দারোয়ানও বলতে পারেন। পারুল তার দায়োরান স্বামীর সঙ্গে থাকে।

    কি বলছেন এসব?

    পাপের প্রায়শ্চিত্ত করছে। এক ভদ্রলোকের সঙ্গে বিয়ে ঠিক ঠাক হল। পান চিনি হল, তারপর তাদের মুখে চুনকালি দিয়ে লোফার টাইপ একটা ছেলের সঙ্গে বের হয়ে যাওয়া–এই পাপের শাস্তি হবে না!

    তফাজল আগ্রহের সঙ্গে বলল, ওর হাসব্যান্ড কি সত্যি দারোয়ান?

    একশ ভাগ সত্যি। শিক্ষিত দারোয়ান। এম এস সি পাশ দারোয়ান–হা হা হা।

    তফাজ্জল বলল, ভাই হাসবেন না। অন্যের দুঃখ কষ্ট নিয়ে হাসা ঠিক না।

    মনের দুঃখে হাসি। আর কিছু না। পারুলের বোকামী দেখে হাসি।

    খুব কষ্টে আছে?

    কষ্ট কত প্রকার ও কি কি জানতে হলে ওদের দেখতে হয়। স্ত্রীর বাচ্চা হবে। এখন চলছে তিন মাস। এর মধ্যে কোন ডাক্তারের কাছে যায় নি। যাবে কি ভাবে? ডাক্তারতো মাগনা দেখবে না। স্বামীটি হল পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ অপদার্থের একজন। পাঁচ বছর আগে এম. এস. সি. পাশ করেছে–এই পাঁচ বছরে একটা চাকরি জোগাড় করতে পারে না।

    ভদ্রলোকের এরকম অবস্থায় বিয়ে করা ঠিক হয় নি।

    ওর কথা বাদ দিন। পুরুষ মানুষ। বিয়ের কথা উঠলে পুরুষ মানুষের মাথা ঠিক থাকে না। বৌকে খাওয়াতে পারবে কি পারবে না এটা নিয়ে মাথা ঘামায় না। কিন্তু  পারুলতো পুরুষ না, পারুল হচ্ছে মেয়ে মানুষ। তার একটা বিবেচনা নেই?

    তফাজ্জল বিষণ্ণ গলায় বলল, প্রেম ছিল। প্রেমের সময় বিবেচনা কাজ করে না।

    প্রেমতো আর রান্না করে খাওয়া যায় না। খেতে হয় ভাত। প্রেম যদি খাওয়া যেত তাহলেতো কথাই ছিল না। বাড়িতে বাড়িতে প্রেমের পোলাও, প্রেমের কোরমা রান্না হত। দেশে প্রেমের অভাব নেই। দেশে অভাব হচ্ছে ভাতের।

    আপনি খুব সুন্দর করে কথা বলেন। করেন কি আপনি?

    অধ্যাপনা করি। প্রাইভেট কলেজে ম্যাথমেটিকস পড়াই।

    পারুল কি ঐ বাড়িতেই থাকে?

    জ্বি।

    পার্মানেন্টলি থাকছে?

    আরে না। পার্মানেন্টলি থাকলেতো ওদের সমস্যার সমাধানই হয়ে যেত। খুবই টেম্পোরারী ভাবে আছে। যার বাড়ি তিনি দেশের বাইরে। পারুলের স্বামীর উপর বাড়ি দেখাশোনার দায়িত্ব। সে এই সুযোগে বউকে নিয়ে তুলেছে। ভদ্রলোক ফিরে ওদের গেট আউট করে দেবে। তখন কমলাপুর রেলস্টেশনের প্লাটফরমে থাকা ছাড়া এদের গতি নেই।

    একটা কাজের ছেলে ট্রে হাতে ঢুকল। ট্রেতে কফির পট, পনিরের স্লাইস, জেলী মাখানো বিসকিট। তফাজ্জল বলল, আমার স্ত্রী বাসায় নেই, থাকলে পরিচয় করিয়ে দিতাম। ও গেছে তার খালার বাড়ি। ওর এক খালাতো ভাই এসেছে জাপান থেকে। ওঁর সঙ্গে দেখা করতে গেছে। খালাতো ভাইটা আবার জাপানী এক মেয়ে বিয়ে করে ফেলেছে।

    বলেন কি?

    মেয়েটা দেখতে ভাল না। বড়ই গুটার মত সাইজ। বিরাট স্বাস্থ্য। দেখলে মহিলা কুস্তিগীরের মত লাগে। কি মনে করে বিয়ে করল কে জানে।

    তাহের কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে বলল, প্রেম হয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক প্রেম। এই হল ঘটনা।

    ঠিক বলেছেন। শুনুন ভাই সাহেব–সময় পেলে মাঝে মধ্যে চলে আসবেন। আমার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বললে আপনা ভাল লাগবে। একদিন সুযোগ পেলে গান শুনিয়ে দেব।

    উনি গনি জানেন নাকি?

    অল্প-স্বল্প জানে। রেডিও টিভিতে যায় নি। গেলে চান্স পাবে। তবে আমার ইচ্ছা না। কি দরকার? মাসমিডিয়াতে যাওয়ার?

    তাই ভাল–ছাদে বসে ভাবী গান গাইবে, আপনি শুনবেন।

    তফাজ্জল সিগারেটের প্যাকেট বের করে বলল, নিন আরেকটা সিগারেট নিন।

    তাহের সিগারেট নিল।

    প্যাকেটা রেখে দিন। আমার কাছে থাকা না থাকা একই। আমি তো খেতে পারছি না।

    খেয়ে ফেলুন একটা। ভাবীতো আর দেখছে না?

    ওকে চেনেন না। লুকিয়ে সিগারেট খেলেও ঠিক ধরে ফেলবে।

    তাহলে না খাওয়াই ভাল।

    তফাজ্জল তাহেরকে গেট পর্যন্ত এগিয়ে দিল।

    পাঁচটা বাজে।

    ম্যানেজার সাহেবকে টেলিফোন করার সময় হয়ে এসেছে। তফাজ্জল সাহেবের বাসায় আরো কিছুক্ষণ থাকলে সেখান থেকে কথা বলা যেত। তবে টেলিফোনের কথাবার্তা তফাজ্জল সাহেব শুনলে সমস্যা হয়ে যেত। অংকের প্রফেসর কুকরের ইনজেকশন নিয়ে ছোটাছুটি করছে… কেমন যেন লাগে।

     

    কে কথা বলছেন?

    স্যার, আমি তাহের।

    ও আচ্ছা, তাহের।

    ইনজেকশন দেয়া হয়েছে স্যার।

    গুড।

    বেবী টেক্সীতে তিনটাকে একসঙ্গে ঢোকানো একটু সমস্যা হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিয়ে গেছি।

    ভেরী গুড। ডাক্তার ইমুনাইগ্রেশন সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছেনতো?

    জ্বিনা–কাল এসে নিয়ে যেতে বলেছেন।

    দেশের কি অবস্থা। সামান্য একটা কাজ একবারে হয় না। দুবার তিনবার যেতে হয়। তুমি মনে করে কাল সাটিফিকেটটা নিয়ে এসো।

    অবশ্যই নিয়ে আসব।

    তাহের বলে, স্যার, তাহলে টেলিফোন রেখে দেই?

    আচ্ছা। ও শোন–বড় সাহেবের একটা খবর আছে, তোমাকে দেয়া দরকার। খারাপ খবর। ভেরি ব্যাড নিউজ। উনার ক্যান্সার ধরা পড়েছে।

    কি বলছেন স্যার?

    এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। তবু ক্যান্সার বলে কথা। স্যার চিকিৎসার জন্যে আমেরিকা চলে যাবেন। তোমাকে আরো বেশ কিছুদিন বাড়ি দেখাশোনা করতে হবে বলে মনে হচ্ছে।

    কোন অসুবিধা নেই স্যার।

    তোমার কাজকর্মে আমি খুশি। বড় সাহেব এলে উনাকে বলে আমি তোমার জন্যে অফিসে পার্মানেন্ট একটা ব্যবস্থা করব। তুমি এম. এ. পাশ আমি জানতাম না। মনিকার কাছে শুনলাম।

    থার্ড ক্লাস পেয়েছিলাম স্যার। থার্ড ক্লাস এম. এ. আর মেট্রিক একই।।

    কথাটা মন্দ বলনি। যাই হোক, আমি দেখব–আরেকটা কথা–এতদিন যখন তোমাকে থাকতেই হবে–তুমি বরং তোমার স্ত্রীকে নিয়ে এসো। দুজন মিলেই থাক। বাড়ি দেখাশোনা কর।

    আপনার দয়ার কথা কোনদিন ভুলব না স্যার।

    তাহের কান্নায় মত একটা শব্দ করল। হেঁচকি তুলে ফেলল। যে দোকান থেকে টেলিফোন করা হচ্ছে সেই দোকানের দুজন কর্মচারী অবাক হয়ে তাকাচ্ছে। তারা। অনেকদিন এমন উৎকৃষ্ট অভিনয় দেখেনি।

    টেলিফোনের ওপাশ থেকে রহমান সাহেব কোমল গলায় বললেন, কি মুশকিল, কাঁদছ কেন? যাও, এখনি তোমার স্ত্রীকে নিয়ে আস। বিছানা, টুকটাক জিনিস সব নিয়ে চলে এসো। টেক্সি নিয়ে যাও। অফিসে বিল করে দিও। টেক্সি ভাড়া দিয়ে দেবে।

    জ্বি আচ্ছা, স্যার।

    টেলিফোনের জন্যে দোকানে পাঁচ টাকা দিতে হয়। তাহের দশ টাকা দিয়ে বলল, বাকিটা রেখে দিন ভাই। চা খাবেন।

     

    প্রথম দিন পারুল যখন এ বাড়িতে এসেছিল, ভয়ে সে অস্থির হয়ে গিয়েছিল। আজ আবার কেন জানি ভয় লাগছে। ভয়টা সন্ধ্যা থকে শুরু হয়েছে। মতই সময় যাচ্ছে ততই বাড়ছে। বারান্দায় স্টোভ জ্বালিয়ে ভাতের চুলা বসানোর সময় গ্রিলের পাশে খক খক কাশির শব্দ শুনল। কাশির পর থু করে থুথু ফেলার শব্দ। অবিকল কামরুল যেমন থুথু ফেলত সে রকম। পারুল চোখ তুলে কিছু দেখার চেষ্টা করল না। আগুনের দিকে তাকিয়ে রইল। আগুন মানুষের ভয় কাটিয়ে দেয়, তার ভয় কাটছে না। বরং ভয়টা একটু একটু বাড়ছে। স্টোভ থেকে শোঁ শোঁ শব্দ হচ্ছে। শব্দটার ভেতরও কিছু আছে। সে কি স্টোভ নিভিয়ে শোবার ঘরে চলে যাবে? দরজা বন্ধ করে বসে থাকবে? দরজা বন্ধ করে বসে থাকা যাবে না। শোবার ঘর থেকে গেটের শব্দ শোনা যায় না। তাহের এসে গেটে ধাক্কা দেবে, কলিংবেল টিপবে। সে শুনতে পাবে না। কাজেই তাকে বসে থাকিতে হবে বারান্দায়।

    কে যেন বরান্দার পেছনে হাঁটছে। পা টেনে টেনে হাঁটছে। পারুলের হাত-পা শক্ত হয়ে আসছে। সে ঢাপা গালায় ডাকল, ফিবো, নিকি, মাইক।

    কুকুর তিনটির ছুটে আসার কথা। গ্রিলের ফাঁক দিয়ে মাথা গলিয়ে থাকার কথা–কেউ আসছে না। ওরা আসছে না কেন? কেউ কি ওদের বলেছে–না, তোমরা যাবে না, ওদের পরিচিত কেউ?

    স্টোভের শব্দ কমে আসছে। পাম্প করতে হবে। আশ্চর্য! পাম্প করার শক্তিও তার নেই। পারুল উঁচু গলায় ডাকল–নিকি, ফিবো, মাইক।

    ঝন ঝন করে শব্দ হল। তখনি পারুলের মনে পড়ল, এরা শিকল দিয়ে বাধা। পারুল নিজেই বেঁধে রেখেছে, খুলে দিতে মনে নেই। এরাই হয়ত কাশছিল। কুকুরের ঠাণ্ডা লাগলে এরা অবিকল মানুষের মত কাশে।

    গেটে শব্দ হচ্ছে। প্রথম পর পর তিনবার, একটু থেমে আবার দুবার। তাহের চলে এসেছে। এখন মুখ তুলে গ্রিলের বাইরে তাকানো যায়। পারুল কিছু দেখবে ভাবেনি। তারপরেও অস্পষ্টভাবে দেখল–মাটির স্তূপের উপর কে যেন বসে আছে। পাত অটছে। কামরুল না? হ্যাঁ, কামরুলই তো।

    চোখের ভুল। অবশ্যই চোখের ভুল। ভয় পেলেই মানুষ চোখে ভুল দেখতে শুরু করে। গেটে শব্দ হচ্ছে। তিনবার–দুবার। তিনবার দুবার। আশ্চর্য! ছায়া ছায়া লোকটাও শব্দ শুনে গেটের দিকে তাকাচ্ছে।

    পারুল উঠল। গেটের দিকে রওনা হল। যে তীব্র ভয় শুরুতে লাগছিল এখন তা লাগছে না। পারুলকে দেখে নিকি, ফিবো, মাইক ডাকাডাকি শুরু করেছে। পারুল। আগে তাদের দিকে গেল। ওদের ছেড়ে দিতে হবে। ওরা ছাড়া থাকলে ভয় থাকবে না। এরা বাড়ির চারপাশে চক্কর দেবে। মাটির স্তূপের উপর কাউকে থাকতে দেবে না।

     

    তাহের খেতে বসেছে। পাগলের মত খাচ্ছে। মুঠি ভর্তি ভাত মুখে দিচ্ছে। ঠিকমত চিবুচ্ছে না, গিলে ফেলছে। পারুল অবাক হয়ে দেখছে। তাহের লজ্জিত মুখে বলল, রাক্ষসের মত খিদে লেগেছে।

    তাই তো দেখছি।

    একবেলা খাই তো, মনে হয় এই জন্যে। কুকুর স্বভাব হয়ে গেছে একবেলা আওয়া। হা হা হা।

    এরকম অদ্ভুত করে হাসছ কেন।

    তাহেরের মুখ ভর্তি ভাত। কখা বলা সমস্যা। তার মধ্যে বলল, একটা অসাধারণ। ভাল খবর আছে। মেসবাউল সাহেবের ক্যান্সার হয়েছে।

    পারুল বলল, মুখের ভাত শেষ করে কথা বল। পানি খাও।

    তাহের মুখের ভাত গিলে ফেলল। পুরো এক প্রান পানি খেয়ে হাঁপাতে লাগল।

    পারুল বলল, কি বলছিলে?

    আমার স্বভাব হয়ে গেছে শয়তানের মত। মিথ্যা বলা অভ্যাস হয়ে গেছে। বাইরে এখন বলতে গেলে সারাক্ষণই মিথ্যা বলি। খুব গুছিয়ে বলি।

    মিথ্যা সব সময় গুছিয়ে বলতে হয়। সত্য গুছিয়ে বলতে হয় না।

    ঠিক বলেছ। ভেরি রাইট। মিথ্যা বলায় এখন এমন এক্সপার্ট হয়েছি, যাকে যা বলি তাই সে বিশ্বাস করে।

    মেসবাউল করিম সাহেবের সম্পর্কে কি যেন বলছিলে?

    উনার ক্যান্সার হয়েছে। দুঃখজনক খবর, কিন্তু আমি বললাম, কি রকম করে দেখেছ? আমি বললাম–একটা অসাধারণ ভাল খবর আছে …, একেবারে কুকুরের মত হয়ে যাচ্ছি। কিছুদিন পর হতে দেখলে মেঝেতে চার পায়ে হামা দিচ্ছি।

    পারুল শান্ত গলায় বলল, মেসবাউল করিম সাহেবের ক্যান্সার হওয়ায় আমাদের কিছু সুবিধা হয়েছে এই জন্যেই তুমি বলেছ–অসাধারণ ভাল খবর। মানুষ মাত্রই নিজের ভালটা আগে দেখে। এটা অপরাধ না। এবং এটা কুকুরের স্বভাবও না। মানুষের স্বভাব। সাধারণ মানুষের স্বভাব।

    তাও ঠিক। আরো একটা খবর আছে। সেই খবরটা আরো ভাল। আন্দাজ কর তো খবরটা কি?

    পারুল বলল–রহমান সাহেব তোমাকে বলেছেন যে তুমি আমাকে এনে তোমার সঙ্গে রাখতে পার।

    আশ্চর্য তো। আসলেই তাই। কি করে বললে?

    আমি উনাকে চিঠিতে অনুরোধ করেছিলাম।

    চিঠি তো উনাকে দেইনি। চিঠির কথা মনে ছিল। দেয়ার সাহস হয়নি।

    চিঠি না পড়েই তিনি আমাকে এখানে থাকার অনুমতি দিলেন?

    হ্যাঁ। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে আনান-এর জন্ম পর্যন্ত আমরা এ বাড়িতে থাকতে পারব।

    তুমি কি পল্টু ভাইয়ের চিঠিটাও তাকে দাও নি?

    হ্যাঁ, দিয়েছি।

    উনি কি বললেন?

    খুব খুশি হয়েছেন। বলেছেন একবার এসে তোমাকে দেখে যাবেন।

    কবে আসবেন?

    তা বলেননি। বিশিষ্ট ভদ্রলোক। ছবিসহ বায়োডাটা দিতে বললেন। আমার জন্যে চাকরির চেষ্টা করবেন। করবেন না কিন্তু তা জানি–তবুও তো বলল। আজকাল তো মুখের বলটাও কেউ বলে না।

    পারুল হাসছে। তার হাসির বেগ বাড়ছে। সে আঁচলে মুখ চাপা দিল। তাহের তাকিয়ে আছে। এ কি বিশ্রী অভ্যাস হচ্ছে পারুলের! হাসির শব্দে আকৃষ্ট হয়ে কুকুর তিনটা এসেছে। গ্রিলের ফাঁক দিয়ে তাদের লম্বা মুখ ঢুকিয়ে দিয়েছে। পারুল হাসতে হাসতে বলল, খবর শুনেছিস? পল্টু ভাই আমাকে দেখতে আসবেন। বিশিষ্ট ভদ্রলোক। উনি এলে তোদের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেব। উনাকে খুব ভাল লাগবে।

    তাহের বলল, কুকুরের সঙ্গে কথা বলছ?

    নগর মাছ সব সময়ই তো বলি। নতুন কি?

    এইসব লক্ষণ ভাল না। খারাপ লক্ষণ।

    খারাপ লক্ষ কেন? তোমার কি বা হাবের সঙ্গে কথা বলতে বলতে আমিও এক সময় করে হয়ে যাব? চার পায়ে হামা দেব? এটা মন্দ না কিন্তু। তুমি আমি দুজনেই হামাগুড়ি দিয়ে ঘরে হাঁটছি–হি হি হি।

    তাহের খেতে শুরু করেছে। খাওয়া বন্ধ করে অনেকক্ষণ কথা বলার জন্যে খিদে। মরে গেছে, এখন আর খেতে ভাল লাগছে না। পারুল বলল, এই শোন। তাকাও আমার দিকে।

    তাহের তাকালো। পারুল বলল, এখন এ বাড়িতে আমাদের গুছিয়ে বসতে হবে। কাজেই কামরুল যে নেই এটাও তোমাকে অফিসে জানাতে হবে।

    কি বলব তাদের? আমরা তাকে মাটিতে পুঁতে রেখেছি, যাতে ফুলের বাগানে ভাল সার হয়?

    কি বলবে তা তুমিই ঠিক করবে। একটু আগেই না বললে তুমি গুছিয়ে মিথ্যা বলতে পার। খুব গুছিয়ে কিছু একটা বলবে। ভাল কথা, তোমাকে যে একটা চিঠি লিখেছিলাম সেটা পড়েছ?

    তাহের বিরক্ত মুখে বলল, কিছুই তো সেখানে লেখা নেই। শাদা একটা পাতি। এই রকম ঠাট্টা করার মানে কি? আমি তো ঘাম খুলে হতভম্ব।

    পরুল আবার হাসতে শুরু করেছে। তার হাসির বেগ বাড়ছে। এই তো এখন মুখে আঁচল চাপা দিল। তাহের ঘাওয়া বন্ধ করে তাকিয়ে আছে। অবাক হয়ে সে পরুলকে দেখছে। নিকি, ফিবো ও মাইক ওর। ও দেখছে। তবে তারা অবাক হচ্ছে না। পশুদের বিস্মিত হবার ক্ষমতা থাকে না।

    এত হাসছ কেন?

    আনন্দ হচ্ছে এই জন্যে হাসছি। আচ্ছা শুন কুকর যে হাসতে পারে তা-কি তুমি জান?

    কুকুর হাসতে পারে?

    হ্যাঁ পারে। আজ সকালে কি হয়েছে শোন–আমি নিকিকে বললাম, এই নিকি তুই দুই স্বামী নিয়ে ঘুরে বেড়াস তোর লজ্জা লাগে না? তখন দেখি নিকি চুপ করে আছে। ফিবো হাসছে।

    পারুল তোমার চিকিৎসা হওয়া দরকার?

    আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না? এই দেখ ফিবো হাসছে। দেখ ভাল করে।

    তাহের তাকাল।

    সে রকমই তো মনে হচ্ছে। তাহেরের গায়ে কাঁটা দিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাখি আমার একলা পাখি – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article প্রথম প্রহর – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }