Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পালাবার পথ নেই – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প261 Mins Read0
    ⤶

    ২.১৫ শহরে সন্ধে নেমে গেছে

    [পনেরো]

    শহরে সন্ধে নেমে গেছে অনেকক্ষণ।

    লালবাজার থেকে ফেরার পথে মিতিনদের ঢাকুরিয়া নামিয়ে দিয়ে গেল অর্চিষ্মান। গাড়িতে এতক্ষণ চুপচাপই ছিল পার্থ, বাড়ি ঢুকেই সে উত্তেজিত ভাবে প্রশ্ন করল,— বাপটাকে তুমি বেমালুম ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিলে?

    মিতিন বড় অবসন্ন বোধ করছিল। মস্তিষ্কের কসরত শেষ, শরীর যেন আর চলছে না, সোফায় নিজেকে ছেড়ে দিতে দিতে অলস গলায় বলল,—হুম।

    জুতো খুলে উল্টো দিকের সোফায় বসল পার্থ। বেজার মুখে বলল,—তা হলে তোমার এতদিনের পরিশ্রমের কী অর্থ?

    —অর্থ তো আমার ব্যাগেই রয়েছে। করকরে পঞ্চাশ হাজার!

    —তা ঠিক। তবু…। পার্থ সিগারেট ধরাল। খুঁতখুঁত গলায় বলল,—এটা কিন্তু সুবিচার হল না। একই অপরাধের জন্য একজন শাস্তি পাবে, অথচ তার সহযোগীর সব দোষ মাপ? দিস ইজ হাইলি আনএথিকাল।

    মিতিন সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল না। বুমবুম ডুবে আছে পাজ্লে, ঘরময় অজস্র রঙিন পিজবোর্ডের টুকরো, জুড়ে জুড়ে বাঘ সিংহ হাতি ভাল্লুক বানাচ্ছে অখণ্ড মনোযোগে। এভাবে বসার ঘরের মেঝে নোংরা করার জন্য ছেলেকে বকাবকি করে মিতিন, আজ যেন দেখেও দেখছে না।

    একটু পরে খানিকটা আত্মগত ভাবেই বলল,—মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা দিয়ে আর কী লাভ, বলো? বেচারা দিননাথবাবু এমনিতেই অন্তর্দাহে পুড়ছেন। তিনিও তো এক ধরনের ব্ল্যাকমেলিং-এরই শিকার, নয় কি? তাঁর অতীত, তাঁর ভুল তাঁকে তপনের হাতের পুতুল বানিয়ে রেখেছিল।

    —কিন্তু অফেন্সটা তো অফেন্সই। তা হলে তপনকেও তোমাদের ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিল।

    —সে তো এমনিই ছাড়া পেয়ে যাবে। অর্চিষ্মানকে দেখে বুঝলে না, সে এখন প্রাণপণে পারিবারিক কলঙ্ক গোপন করতে চায়? তপনকে নিয়ে বেশি নাড়াঘাঁটা করলে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে যাবে না? বড় জোর এখন তপনের এগেনস্টে নাম-কা-ওয়াস্তে একটা টাকা এক্সটরশনের কেস চলবে। তবে সেই কেসও অর্চিষ্মান আর পারসিউ করবে বলে মনে হয় না। মিতিন বড় করে একটা নিশ্বাস ফেলল,—তপন অনেক দোষ করেছে। বিশেষত অর্ককে গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেল্লার কোনও ক্ষমা হয় না। কিন্তু লজিকালি স্পিকিং, গাড়ি চাপা দিয়ে খুন প্রমাণ করা খুব কঠিন। তাও আবার এতদিন পর। তার থেকেও বড় কথা, ঘাতক গাড়িটা যদি আইডেন্টিফায়েড হয়, দিননাথ রুদ্র আবার বিপাকে পড়বেন। কারণ সবাই জানে তিনি তাঁর পুরনো অ্যাম্বাসাডার বেচে দিয়েছিলেন। এটাও যে মিথ্যে, গাড়িটা যে তিনি তপনকে দিয়ে দিয়েছিলেন…। আমি সুভাষকে মোটর ভেহিকল্সে পাঠিয়েছিলাম। দিননাথের সাদা অ্যাম্বাসাডার কার নামে ট্রান্সফারড হয়েছিল জানো? বীথিকা নন্দী। তপনের মা।

    বিমলা চা এনেছে। সেন্টার টেবিলে কাপ নামিয়ে বলল,—বিকেলে একটু চিঁড়ের পোলাও বানিয়েছিলাম, খাবে?

    —আমি আর এখন কিছু খাব না। তোর দাদা খায় তো দে।

    —না, না, আমার পেটে এখনও চিকেন পকোড়া গজগজ করছে। তুমিই বরং একটু…। ওখানে তো কিছুই মুখে দিলে না।

    —ইচ্ছে করছে না। একটু পরে একেবারে রাতের খাওয়া খেয়ে নেব। ক’দিন ধরে মাথাটা জ্যাম হয়ে ছিল, আজ একটা লম্বা ঘুম দরকার।

    আর বিশেষ কথা হল না। একটুক্ষণ চোখ গোল গোল করে বসে রইল পার্থ, তারপর চা শেষ করে বাথরুমে ঢুকে গেছে, শাওয়ার খুলে গান ধরেছে সুরেলা গলায়। বুমবুম ক্যাঙারুর দেহে খরগোসের মাথা বসাচ্ছিল, মিতিন হাঁ হাঁ করে বাধা দিল তাকে। নেমে বসেছে মেঝেয়, ছেলের সঙ্গে যোগ দিয়েছে ধাঁধা খেলায়, আধ ঘণ্টার মধ্যেই শরীর মন অনেকটা চনমনে।

    আবার বিদিশা-প্রসঙ্গে ফিরল রাত্রে। খাওয়া দাওয়ার পর। বুমবুম ঘুমিয়ে পড়েছে, ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসে টান টান করে চুল বাঁধছিল মিতিন, খাটে চিৎপাত পার্থ ঘুরন্ত ফ্যানের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল,—আচ্ছা, কেসটা তুমি সল্ভ করলে কী করে বলো তো?

    মিতিন হাসি হাসি মুখে বলল,—তুমি কি শুয়ে শুয়ে কেসটার কথাই ভাবছ নাকি?

    —ভাবছিই তো। দিননাথ রুদ্রকে তুমি সন্দেহের তালিকায় আনলে কী করে?

    —এটা বুঝলে তো তুমিই টিকটিকি হতে, আর আমি আরশোলা। মিতিন হাসতে হাসতে পার্থর পাশে এসে বসল। হাতে নাইটক্রিম, ঘষছে মুখে। পার্থর নাকে একটু ক্রিম লাগিয়ে দিয়ে বলল,—দিননাথকে আমিও প্রথমে গোনায় ধরিনি মশাই। আমার প্রথম সাসপেক্ট কে ছিল তুমি তো জানই!

    —হ্যাঁ। অর্চিষ্মান রুদ্র।

    —রাইট। অর্চিষ্মানকে সন্দেহ করার কারণও তোমায় বলেছিলাম। আপাতদৃষ্টিতে অনেক কিছুই অর্চিষ্মানের বিরুদ্ধে যায়। দিঘায় তার হঠাৎ অস্বাভাবাবিক আচরণ, দুম করে বিদিশার নামে দশ লাখ টাকার পলিসি করা, সদ্যবিবাহিত স্ত্রী টেনশানে ছটফট করছে, সেদিকে আদৌ লক্ষ না করা, অথচ সেই স্ত্রীর ব্ল্যাকমেলারকে দু-পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়া—এর একটাকেও ঠিক স্বাভাবিক বলা যায় না। এমনকী রবির হাপিশ হয়ে যাওয়াও অর্চিষ্মানের কারসাজি বলে মনে হয়। ঈর্ষায় উন্মাদ মানষ কী না করতে পারে!

    —বটেই তো। বউ-এর পেছনে ড্রাইভার লেলিয়ে দেওয়াও অস্বাভাবিক নয়, বাই চান্স বউ-এর লাভলেটার-বক্স হাতে পেয়ে গিয়ে আরও হিংস্র হয়ে ওঠাও বিচিত্র নয়। পার্থ কনুই-এ ভর দিয়ে আধশোওয়া হল,—আমার কিন্তু প্রেমিকদের দিকেও সন্দেহ গিয়েছিল।

    —সে তো তুমি বলেই দিয়েছিলে ওটা অর্কর কাজ।

    —তার কারণও ছিল। লোকটা গাড়ির তলায় আধঘণ্টা শুয়ে রইল, অথচ অর্ক তাকে তখন ধরারও চেষ্টা করল না…

    —আমি শিওর অর্ক তখন পাজল্‌ড্ হয়ে গিয়েছিল। বেচারা ভাল মানুষ ওরকম পরিস্থিতিতে তো কখনও পড়েনি। যদি ধরতে গিয়ে ফেল করে যায়, যদি প্রেমিকার কোনও নতুন বিপদ হয়…! তা ছাড়া লোকটা, আই মিন তপন, কেন ওভাবে অতক্ষণ শুয়ে রইল, অর্কর হিসেবেই আসছিল না। যেমন তপনেরও হিসেবে আসেনি সত্যি সত্যি বিদিশা অর্ককে সঙ্গে এনেছে। শেষ পর্যন্ত অর্ক যখন মরিয়া ডাইভ দিল, তখনই মুশকিলটা হয়ে গেল। দুজনেই দুজনকে সামনাসামনি দেখে ফেলল। তপন বেজায় ঘাবড়েছিল, তবে সে সময়ে বিদিশা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তপন ভেবেছিল ব্যাপারটা বুঝি ধাপাচাপা পড়ে গেল। কিন্তু অর্ক তক্কে তক্কে ছিল, আকস্মিক ভাবে তপনের সুলুক সন্ধানও পেয়ে গিয়েছিল সে। যখন তপনের সম্পর্কে অর্ক অনেকটা জেনে ফেলেছে, তখনই ব্যাপারটা তপনের নলেজে আসে। খুন হওয়ার আগে তপনের পাড়ায় গিয়েছিল অর্ক, তখনই তপন ঠিক করে অর্ককে সরিয়ে দেবে। অজয় খবর এনে দিয়েছে, সে দিন সকাল থেকেই স্টেডিয়ামের আশেপাশে একটা সাদা অ্যাম্বাসাডার ঘোরাফেরা করছিল। অবশ্য প্রত্যক্ষদর্শীরা সঠিক বলতে পারেননি সন্ধেবেলা ওই অ্যাম্বাসাডারই অর্ককে হিট করেছে কিনা।…যাই হোক, দুয়ে দুয়ে তো আর পাঁচ হয় না। সুতরাং আমরা ধরে নিতে পারি তপনই…। অতি দুঃসাহসী হয়ে তপন সেদিনই বিদিশাকে আবার ফোনও করেছিল।

    —হুঁ। পার্থ উঠে বসল। হাত বাড়িয়ে বেডসাইড টেবিল থেকে সিগারেটের প্যাকেট বার করেছে। ধরাল না সিগারেট, ঘোরাচ্ছে আঙুলে।

    মিতিন বলল,—শুনুন স্যার। অর্ক কেন, বিদিশার কোনও প্রেমিককেই আমি সন্দেহ করিনি। বিদিশা বার বার ভাস্করের দিকে আঙুল তোলা সত্ত্বেও না।

    —তা হলে তাদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে কেন?

    —ছাই উড়িয়ে দেখতে চাইছিলাম, মণিমুক্তোর সন্ধান পাই কিনা। ভাস্করকে দেখে বুঝলাম লোকটি একটি অতি পগেয়া মাল। বিদিশাকে সে মন থেকে বহুকাল আগে ঝেঁটিয়ে বিদায় তো করেছেই, সে এখন যে মেয়ে দেখে তার হাত ধরেই টানাটানি করতে চায়। রাজনীতির দৌলতে সে এখন দিব্যি করে কম্মে খাচ্ছে, অর্চিষ্মানের কাছেও তার কিছু ধান্দা আছে, ও সব বাঁকাচোরা ঝামেলায় জড়ানোর বান্দাই নয় সে। মাঝে সে অনেক দিন কলকাতার বাইরে ছিল, এই পয়েন্টটাও তার ফেবারে যায়। কিন্তু মিহিরের কেসটা আলাদা। সে গেরস্ত মানুষ সদ্য বিয়ে-থা করে সুখে আছে…। তবে এর কাছ থেকেই মোক্ষম ইনফরমেশানটা জুটে গেল।

    —আর সেই সূত্র ধরেই চিত্রভানু, চিত্রভানুকে ধরে সোনাদা! পার্থ সিগারেটটা ধরাল,—এ তো আমি জানি। কিন্তু দিননাথকে তুমি পিকচারে আনলে কী করে?

    —মনের ভেতর অনেক কাঠ খড় পোড়াতে হয়েছে মশাই। চিত্রভানুর কাছ থেকে জনৈক সোনাদার সন্ধান পেয়ে চমকে ছিলাম বটে, কিন্তু ব্ল্যাকমেলিং-এর ঘটনার সঙ্গে এই লোকটাকে ঠিক অ্যাসোসিয়েট করতে পারছিলাম না। কারণ তখনও আমার মন জুড়ে আছে অর্চিষ্মান। সোনাকে বছর দুই আগে ছাঁটাই করেছে অর্চিষ্মান, গত বছর জুলাই আগস্টে চিত্রভানুর সঙ্গে পরিচয় হয়েছে সোনার, পুজোর ঠিক পরে কেউ একজন গিয়ে চিত্রভানু সেজে মিহিরের কাছ থেকে বিদিশার প্রেমপত্র নিয়ে এল, তার মাস আড়াই পরে আকস্মিক ভাবে অর্চিষ্মানের সঙ্গে বিয়ের ঠিক হল বিদিশার, ব্ল্যাকমেলিং শুরু হল বিয়ের ছ মাস পরে, ব্ল্যাকমেলিং-এর ফোন আসার আগের দিন অদ্ভুত এক চুরি হয়ে গেল নিলামঘরে, চোর প্রায় কিছুই নিল না, শুধু শুধু কিছু আলমারি ঘেঁটে গেল, তার মধ্যে একটা আবার ভাঙা বাতিল আলমারি—ব্যাপারগুলোকে ঠিক ঠিক লিংকআপ করতে পারছিলাম না। অথচ মনে হচ্ছে প্রতিটি ঘটনার মধ্যেই কোথায় যেন একটা সুতোর যোগ আছে। মিহিরের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়ে গেছি বিদিশা আর অর্চিষ্মানের বিয়ে হঠাৎ স্থির হয়নি, এটা রীতিমতো পূর্বপরিকল্পিত। প্ল্যানটা কার? অর্চিষ্মানেরই? তা হলে প্রতিহিংসার থিয়োরিটা মিথ্যে হয়ে যায়। ধরে নিলাম, দিননাথ সাদা সরল মানুষ, অর্চিষ্মানই আটঘাট বেঁধে বাবাকে দিয়ে বিয়ের ব্যাপারটা ঠিক করিয়েছিল। সে ক্ষেত্রে কি দিননাথ পরে ঠাট্টার ছলেও কথাটা বিদিশাকে বলতেন না? তা ছাড়া মাত্র দশ লাখ টাকা পাওয়ার সম্ভাবনায় এমন দীর্ঘমেয়াদি একটা প্ল্যান…? নাহ্, হিসেবটা মিলছে না, হিসেব মিলছে না। ভাবতে ভাবতে সেদিনই অবশ্য চোখ অনেকটা খুলে গেল।

    —কী করে?

    —ওই শার্ট। অর্চিষ্মান যদি গোটা ব্ল্যাকমেলিং-এর ব্যাপারটা সাজিয়ে থাকে, সে কেন নিজের জাপাকাপড়ের মধ্যে ওই শার্ট রাখতে যাবে? তা হলে রাখল কে? বাড়িরই কেউ! পদ্মপাণি মানদা সুমতি…! কেন তারা রাখবে? অর্থপ্রাপ্তির আশা? কারও নির্দেশ? তখনই মনে পড়ল অৰ্চিষ্মানের জাপাকাপড় ঘাঁটতে দিননাথই বিদিশাকে বলেছিলেন! তবে দিননাথই কি বিদিশাকে বিভ্রান্ত করার জন্য…? আবার আমি তোমার আনা স্টেটমেন্টগুলো নিয়ে বসলাম। কয়েকটা অসঙ্গতি আগেই চোখে পড়েছিল, এবার স্টাডি করে সেগুলো আরও স্পষ্ট হল। সুমতি বলছে, রবি মিসিং হওয়ার আগের দিন চলে গিয়েও আবার ফিরে এসেছিল। বোনাস নিতে। বোনাস, নাকি দিননাথের সঙ্গে অন্য প্রয়োজন ছিল? মানদার এজাহার অনুযায়ী, রবি বলত বিদিশা এ বাড়ি আসার পর তার কপাল খুলে গেছে! কেন বলত? শুধুই বিদিশার কাছ থেকে বখশিস পেত তাই? উঁহু, ধোঁয়া ধোঁয়া লাগছে। পদ্মপাণির বক্তব্য, ইদানীং বড় উদ্ধত হয়ে গিয়েছিল রবি। কোন জোরে? দিননাথের দিকে সন্দেহের তিরটা এবার সরতে লাগল। সঙ্গে সঙ্গে এও বুঝতে পারছি, দ্বিতীয় আর একজন লোকও আছে। যে গাড়ির তলায় শুয়ে ছিল, সাদা অ্যাম্বাসাডার নিয়ে ঘোরে, অর্ককে গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলেছে, যার শার্ট এসে গেছে অর্চিষ্মনের দেরাজে…। কাকে আড়াল করতে চাইছেন দিননাথ? সে কি ভাড়া করা লোক? নাকি সে’ই চক্রান্তের হোতা? আমার সিক্সথ সেন্স বলছিল, চিত্রভানুর সোনাকেও একবার বাজিয়ে দেখা দরকার। পরদিনই নিলামঘরে গিয়ে অর্চিষ্মানের কাছ থেকে ছাঁটাই হওয়া সকলেরই নাম ঠিকানা নিয়ে নিলাম। ওই সময়ে স্ট্যাম্পপেপারের টুকরোটাও পেয়ে যাই। তারপর ছুটলাম বাড়ি বাড়ি। স্বর্ণেন্দু হরিপ্রসাদ হয়ে তপন। বিকেলের মধ্যে ছবি মোটামুটি পরিষ্কার হয়ে গেল। তপন যে সোনা, সেটাও।…তপনের বাড়িতেই মোস্ট ভাইটাল জিনিসটা চোখে পড়ল। ইনসুলিনের ভাঙা অ্যাম্পিউল। সঙ্গে সঙ্গে আরও একটা ধাঁধার সমাধান পেয়ে গেলাম।

    পার্থর সিগারেট শেষ, আর একটা সিগারেট ধরাল। দু দিকে মাথা নেড়ে বলল,— বুঝলাম না।

    —তুমি কী গো? মনে নেই চিত্রভানু কী বলেছিল? সোনাদা মিষ্টি খাওয়ায়, কিন্তু নিজে খায় না। বীথিকা নন্দী বললেন, ইনসুলিন নেয় তার ছেলে। অর্থাৎ তপন অ্যালিয়াস্ সোনা একজন অ্যাকিউট সুগার পেশেন্ট। এই সব রোগীদের হঠাৎ হঠাৎ হাইপোগ্লাইসিমিয়ার অ্যাটাক হয়। বিশেষত টেনশানের মুহূর্তে।

    —সেটা কী জিনিস? ওই হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া?

    —ইয়েস। ব্লাডের সুগার লেভেল সাডেনলি ফল করে সেন্সলেস হয়ে যায় রোগী, এতে আকস্মিক মৃত্যু ঘটাও বিচিত্র নয়। এরা সব সময়ে পকেটে চিনি রাখে। মুখে চিনি দিলেই সঙ্গে সঙ্গে চাঙ্গা। শুধু চাঙ্গা নয়, একশো পারসেন্ট ফিট। তখন এরা হাঁটতে পারে, দৌড়তে পারে, গাড়ি চালাতে পারে…। গাড়ির নীচে তপনের এই অ্যাটাকটাই হয়েছিল। সে তো আর বর্ন ক্রিমিনাল নয়, সুস্থ হওয়ার পরেও কনফিডেন্স পাচ্ছিল না, বেরোতে সময় নিচ্ছিল…

    —এটা কিন্তু তোমার স্রেফ আন্দাজ।

    —মোটেই না। পরশুদিন বিদিশার বাড়ি গিয়ে তপনের শার্ট আমি পরীক্ষা করেছি। ওতে চিনির দানা লেগেছিল। চোখে দেখা যায় না, চেটে বুঝেছি। দেখলে না, ওই অ্যাটাকই আজ আবার…। মিতিন হাত নেড়ে মুখের সামনে থেকে সিগারেটের ধোঁয়া সরাল,—বিদিশার কাছ থেকে পরশু আরও কয়েকটা খবর পেলাম। দিননাথের উইল করার কথা, মামাবাড়ির সঙ্গে অর্চিষ্মানদের কোনও সম্পর্ক প্রায় না থাকার কথা, ভাই বোন কারও গানের অত ঝোঁক নেই অথচ বাবা গানপাগল—সব মিলিয়ে দিননাথকে নিয়ে মনে মনে গড়ে তোলা কাহিনীটা যেন পুরোপুরি একটা শেপ পাচ্ছিল। ছুটলাম অৰ্চনার বাড়ি। রবি পূষনের দেওয়া লোক, সেই ছুতো ধরে পূষনকে ব্ল্যাকমেলিং-এ জড়িয়ে অর্চনাকে কষে ভয় দেখালাম। ব্যস, চাপের মুখের অর্চনার পেট থেকে কথা বেরিয়ে এল! বাবার অ্যাফেয়ারের কথা, বাবা অবৈধ সন্তানকে সম্পত্তির ভাগ দিতে পারেন, সেই আশঙ্কার কথা…। পুরনো উইলের চিন্তাটাও তখনই মাথায় এসে যায়। সঙ্গে সঙ্গে কাহিনী কমপ্লিট।

    —হুঁ। পার্থ মাথা দোলাচ্ছে, —আচ্ছা, পূষন অর্চনাকে তুমি আদৌ সন্দেহ করলে না, এটা কেন হল?

    —কে বলল করিনি? আমার লিস্টে সবাই ছিল। প্রভাকর ভারতী চিত্রভানুরাও। কিন্তু সোনা আর দিননাথকে এত হুড়মুড় করে পেয়ে গেলাম…। মিতিন লম্বা হাই তুলল। আড়মোড়া ভেঙে শুয়ে পড়েছে বিছানায়। বিড়বিড় করে বলল,—বেচারা দিননাথ। বিদিশাকে উনি সত্যি সত্যিই ভালবেসে ফেলেছেন, অথচ এই কুকর্মে তাঁকে সমানে তাল দিয়ে যেতে হয়েছে।…আননেসেসারি কত মিথ্যে বলতে হয়েছে জানো? তোমার দেওয়া স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, রবি মিসিং হওয়ার আগের দিন উনি রবিকে নিয়ে শ্যামবাজারে টেপ সারাতে গিয়েছিলেন। শ্যামবাজার মোড়ে চরকি মেরে সেই দোকানটাও আমি খুঁজে বার করেছি। বহুকাল ধরে সেখানে নিয়মিত যাতায়াত ছিল নামি অকশনিয়ার দিননাথ রুদ্রর, দোকানদারই বলেছে। সত্যিই ওখানে রেডিও টেপ রেকর্ড প্লেয়ার সারাতেন দিননাথ। কিন্তু ওই বিশেষ দিনটিতে উনি সেখানে যানইনি। আবার বৃহস্পতিবার দিননাথ অবলীলায় বলে দিলেন মঙ্গলবার নজরুল মঞ্চে ফাংশন শুনতে গিয়েছিলেন। আমি ছোট্ট টোপ দিলাম, আমজাদ আলি খাঁর বাজনা? ওঁর মুখ ফসকে বেরিয়ে গেল, হ্যাঁ। সেদিন নজরুল মঞ্চে আমদাজ আলি খাঁর প্রোগ্রামই ছিল না। সম্ভবত তিনি আন্দাজই করতে পারেননি আমি একজন গোয়েন্দা।…দিননাথ আসলে যেতেন তপনদের বাড়ি। বীথিকা দেবীকে বুঝিয়ে টুঝিয়ে তপনকে থামানোর চেষ্টা করতেন। বখে যাওয়া অবৈধ সন্তানটিকেও তিনি বড় ভালবাসতেন যে। আর এই ভালবাসাই তাকে বাধ্য করেছে তপনের শার্টখানা অর্চিষ্মানের দেরাজে রেখে বিদিশাকে পুরোপুরি ঘুলিয়ে দিতে। ভয়েস রেকর্ডার আনা দেখে তিনি ভেতরে ভেতরে বিপদের গন্ধ পাচ্ছিলেন।

    —যাই বলো, বেচারা তো তপনও। পার্থও আলো নিবিয়ে শুয়ে পড়ল,—আহা রে, শেষ বাজিটা আর মারতে পারল না। এটা পেয়ে গেলে হয়তো চিরকালের মতো চুপ করে যেত।

    —হয়তো। মিতিন চোখ বুজল,—তাই না দু লাখ লাফিয়ে পাঁচ লাখ হয়ে গিয়েছিল…কিন্তু লোভের তো শেষ নেই পার্থ। লোভ লালসা বাসনা কামনা, কোনও কিছু থেকেই মানুষের পালাবার পথ নেই।

    খানিকক্ষণ দুজনেই চুপ। অন্ধকার ঘরে শুধু ঘূর্ণায়মান পাখার শব্দ। যেন দীর্ঘশ্বাস বাজছে একটা।

    একটু পরে পার্থর গলা শোনা গেল,—ওয়ান লাস্ট কোয়েশ্চেন মিতু। বিদিশাকে তুমি সব কথা জানতে দিলে না কেন? অর্চিষ্মানকেও বারণ করে দিলে..

    —যে কারণে বিদিশার সব কথা অর্চিষ্মানকে জানালাম না…। বিদিশার প্রেমিকদের লিস্ট শুনে অর্চিষ্মান কী করবে? শ্বশুরের কীর্তির কথা শুনেই বা কী মোক্ষ লাভ হবে বিদিশার? এতে তো শুধু তিক্ততা আর সন্দেহই বাড়ে।

    —তার মানে বলছ স্বামীস্ত্রীর মধ্যে কিছু গোপনীয়তা থাকা ভাল?

    —কখনও কখনও ভাল বইকি। অন্তত যতক্ষণ পর্যন্ত সম্পর্কটা ভাল করে দানা না বাঁধে। ওরা যদি কখনও গভীর ভাবে পরস্পরকে ভালবাসতে পারে, নিজেরাই পরস্পরকে বলে দেবে সব কথা।

    পার্থ হাত বাড়িয়ে ছুঁল মিতিনকে,—আমাদের মধ্যে কি কোনও গোপনীয়তা আছে, মিতু?

    মিতিন হেসে ফেলল,—আছে বইকী। এই মুহূর্তে একটা গোপনীয়তা তো আছেই।

    —কী?

    —কাল যখন অত বার করে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলছিলাম, হুঁ হ্যাঁ করে ঘুমিয়ে পড়লে, অথচ আজ সকালেই আমি আলমারিতে একটা খাম পেয়েছি। খামে ট্রেনের টিকিট। পরীর। জার্নি ডেট ফিফটিনথ অক্টোবর। অর্থাৎ একাদশী। তুমি এটা আমার কাছে চেপে গেছ কেন?

    —সারপ্রাইজ দেব বলে।

    —কবে কেটেছ?

    —অ্যাই অ্যাই, নো টিকটিকিপনা। পার্থ মিতিনের ঠোঁটে আঙুল চাপা দিল, তোমাকে আগে থেকে ওয়ার্নিং দিয়ে রাখছি, পুরীতে গিয়ে কিন্তু নো গোয়েন্দাগিরি। কোনও অর্চিষ্মান অর্কর পেছনে দৌড়োনো চলবে না।

    —তুমিও কোনও বিদিশার পেছনে ছুটো না, তা হলেই…

    কথাটা শেষ করতে পারল না মিতিন। ছেলেকে টপকে চলে এসেছে পার্থ, একেবারে নীরব করে দিয়েছে মিতিনকে।

    মাথার ওপর এখন আবার শুধু ঘুরন্ত পাখার শব্দ। তবে দীর্ঘশ্বাসটা নেই আর, কোত্থাও নেই।

    —

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article নীল ঘূর্ণি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }