Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাস – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প493 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২২. আরিস্ততেলেসের যুক্তিবিদ্যা

    ২২. আরিস্ততেলেসের যুক্তিবিদ্যা

    আরিস্ততেলেসের বিরাট প্রভাব ছিল চিন্তাশীল ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে, আর যুক্তিবিদ্যায় তা ছিল সবচেয়ে বেশি। প্রাচীনকালের শেষ দিকটায় যখন প্লাতন ছিলেন অধিবিদ্যার সর্বোচ্চ শিখরে তখন আরিস্ততেলেস ছিলেন যুক্তিবিদ্যার স্বীকৃত প্রধান এবং সম্পূর্ণ মধ্যযুগ জুড়ে তিনি এই প্রাধান্য রক্ষা করেছেন। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে খ্রিষ্টান দার্শনিকরা তাঁকে অধিবিদ্যার ক্ষেত্রে প্রধান বলে মেনে নিয়েছেন- তবে তার আগে নয়। রেনেসাঁ-র পর এই প্রাধান্য প্রায় লুপ্ত হয় কিন্তু যুক্তিবিদ্যায় তাঁর প্রাধান্য যায়নি। এমনকি আজকের দিনেও দর্শনশাস্ত্রের সমস্ত ক্যাথলিক শিক্ষক এবং অন্য আর অনেক একগুয়ের মতো আধুনিক যুক্তিবিদ্যার আবিষ্কারগুলোকে অদ্ভুত জেদের সঙ্গে বর্জন করছেন এবং আশ্চর্য জেদের সঙ্গে এমন একটি তন্ত্রের সঙ্গে সেঁটে থাকেন সেটা টলেমী-র জ্যোতির্বিজ্ঞানের মতোই নিশ্চিতভাবে সেকেলে। এর ফলে আরিস্ততেলেসের প্রতি ঐতিহাসিক ন্যায়বিচারে অসুবিধা হয়। আজকের দিনে তাঁর প্রভাব স্বচ্ছ চিন্তনের এমনই বিরোধী যে, পূর্বগামীদের তুলনায় (প্লাতন ও তার অন্তর্ভুক্ত) তাঁর অগ্রগতি যে কী বিরাট কিংবা যুক্তিবিদ্যায় তাঁর কাজকর্ম আজও কতটা প্রশংসার যোগ্য মনে হতে পারত সেটা আমাদের স্মরণে রাখা কঠিন যদি কানাগলি এবং তার পরবর্তী দুই সহস্র বৎসরব্যাপী নিশ্চলতার কারণ না হয়ে অবিচ্ছিন্ন অগ্রগতির একটা স্তর বলে মনে করা হতো (আসল ব্যাপারটাও তাই ছিল) আরিস্ততেলেসের পূর্বগামীদের নিয়ে আলোচনার সময় পাঠকদের একথা স্মরণ করানোর দরকার নেই যে, তাঁরা অক্ষরে অক্ষরে প্রভাবিত হবেন না, সেইজন্য তাদের সমস্ত মতবাদ মেনে না নিলেও তাঁদের কর্মদক্ষতার প্রশংসা করা যেতে পারে। এর বিপরীতে আরিস্ততেলেস এখনও যুদ্ধক্ষেত্র বিশেষ করে যুক্তিবিদ্যায় এবং সেইজন্য বিশুদ্ধ ঐতিহাসিক মানসিকতায় তার বিচার করা যায় না।

    যুক্তিবিদ্যায় আরিস্ততেলেসের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ ন্যায় (syllogism) সম্পর্কে মতবাদ। ন্যায় তিন অংশযুক্ত একটি যুক্তি- একটি প্রধান আশ্রয়বাক্য (premiss) একটি অপ্রধান আশ্রয়বাক্য এবং একটি সিদ্ধান্ত। ন্যায় কয়েকরকমের হয়, প্রত্যেকেরই একটি করে নামকরণ করেছিলেন মধ্যযুগীয় পণ্ডিতরা (scholastics)। সর্বাধিক পরিচিত ন্যায়বাক্যটির নাম বারবারাঃ

    সমস্ত মানুষ মরণশীল (প্রধান আশ্রয়বাক্য)

    সক্রাতেস একজন মানুষ (অপ্রধান আশ্রয়বাক্য)

    সুতরাং : সক্রাতেস মরণশীল (সিদ্ধান্ত)।

    কিংবা : সমস্ত মানুষ মরণশীল।

    সমস্ত গ্রিকরা মানুষ।

    সুতরাং : সমস্ত গ্রিকরা মরণশীল।

    (আরিস্ততেলেস এই দুটি আকারে কোনো পার্থক্য করেননি, পরে আমরা দেখব এটা একটা ভ্রম)

    অন্য আকারগুলো হলোঃ কোনো মাছই যুক্তিবাদী নয়, সমস্ত হাঙরই মাছ, সুতরাং কোনো হাঙরই যুক্তিবাদী নয়) (এর নাম সেলারেন্ট)।

    সমস্ত মানুষই যুক্তিবাদী, কোনো কোনো পশু মানুষ, সুতরাং কোনও কোনো পশু যুক্তিবাদী। (এর নাম ডেরিয়াই)।

    কোনো গ্রিকই কালো নয়, কিছু কিছু মানুষ গ্রিক, সুতরাং কিছু কিছু মানুষ কালো নয়। (এর নাম ফেরিও)।

    এই চারটি দিয়ে নির্মিত প্রথম নক্সা আরিস্ততেলেস দ্বিতীয় ও তৃতীয় নক্সা যোগ করেছেন এবং তার গোষ্ঠীর লোকেরা তৈরি করেছে একটি চতুর্থ নক্সা। দেখানো হয়েছে। পরবর্তী তিনটি নক্সাকে নানা কৌশলে প্রথম নক্সায় পরিণত করা যায়।

    একক একটি আশ্রয়বাক্য থেকে কতকগুলো অনুমিতি করা যায়। কিছু কিছু মানুষ মরণশীল, এ থেকে অনুমিতি হতে পারে কিছু মরণশীলরা মানুষ। আরিস্ততেলেসের মতে সমস্ত মানুষই মরণশীল, এ থেকেও এই অনুমিতি সম্ভব। কোনো দেবতাই মরণশীল নন, এ থেকে আমাদে অনুমান হতে পারে কোনো মরণশীলই দেবতা নয় কিন্তু কিছু কিছু মানুষ গ্রিক নয় থেকে কিছু গ্রিকরা মানুষ নয় এই অনুমিতি সম্ভব নয়।

    উপরোক্ত এরকম অনুমিতি ছাড়া আরিস্ততেলেস এবং তার অনুগামীরা ভেবেছিলেন সমস্ত অবরোহী অনুমিতিগুলো নিখুঁতভাবে বর্ণনা করলে ন্যায়ানুসারী হয়ে দাঁড়ায়। সমস্ত বৈধ ন্যায়কে প্রকাশ করলে কিংবা অভিভাবিত সমস্ত যুক্তি ন্যায়ের আকারে সাজালে সমস্ত হেত্বাভাস (fallacy)-কে এড়ানো যায়।

    এই তন্ত্র প্রথাগত যুক্তিবিদ্যার শুরু এবং সেইজন্য গুরুত্বপূর্ণ ও প্রসংসনীয় ছিল। কিন্তু প্রথাগত যুক্তিবিদ্যার শুরু না ভেবে একেই তার শেষ কথা ভাবলে ব্যাপারটার তিনরকম সমালোচনা হতে পারে?

    ১) তন্ত্রের ভিতর আকারগত ত্রুটি।

    ২) অবরোহী যুক্তির অন্য আকারের তুলনায় ন্যায়বাক্যকে অত্যধিক মূল্য দেওয়া।

    ৩) যুক্তির একটা পদ্ধতি হিসেবে অবরোহী পদ্ধতিকে অত্যধিক মূল্য দেওয়া। এই তিনটির প্রতিটি সম্পর্কে অবশ্যই কিছু বলার আছে।

    ১) আকারগত ত্রুটি। সক্রাতেস একজন মানুষ এবং সমস্ত গ্রিকরাই মানুষ এই দুটি বিবৃতি দিয়ে শুরু করা যাক। দুটি বিবৃতির ভিতরে সুস্পষ্ট পার্থক্য করা প্রয়োজন, আরিস্ততেলেসীয় যুক্তিবিদ্যায় সেটা করা হয়নি। সমস্ত গ্রিকরা মানুষ এই বিবৃতির ব্যাখ্যার সাধারণত এ নিহিতার্থ যে, গ্রিকদের অস্তিত্ব আছে- এই নিহিতার্থ ছাড়া আরিস্ততেলেসের কতকগুলো ন্যায় বৈধ নয়। উদাহরণঃ

    সমস্ত গ্রিকরা মানুষ, সমস্ত গ্রিকরা শ্বেতকায় সুতরাং কিছু কিছু মানুষ শ্বেতকায়। যদি গ্রিকদের অস্তিত্ব থাকে তাহলে এই বিবৃতি বৈধ কিন্তু তা না হলে নয়। আমি যদি বলতাম।

    সমস্ত সোনার পাহাড়ই পাহাড়, সমস্ত সোনার পাহাড়ই সোনার, সুতরাং কিছু পাহাড় সোনার, তাহলে আমার সিদ্ধান্ত ভুল হবে যদিও কোনো কোনো অর্থে আমার আশ্রয়বাক্যগুলো সত্য। আমাকে যদি স্পষ্টভাবে বলতে হয় তাহলে সমস্ত গ্রিকই মানুষ এই বিবৃতিকে দুভাগ করতে হবে। একটা বলবে গ্রিকদের অস্তিত্ব আছে, অন্যটি বলবে কিছুকে যদি গ্রিক বলা হয় তাহলে সেটা মানুষ। পরবর্তী বিবৃতিটি একেবারেই আনুমানিক এবং গ্রিকরা যে আছেন, প্রকল্পটির ভিতরে সে অর্থ নিহিত নেই।

    সেইজন্য সমস্ত গ্রিকরা মানুষ এই বিবৃতিটি সক্রাতে একজন মানুষ এই বিবৃতির চাইতে আকারে অনেক জটিল। সক্রাতেস একজন মানুষ এই বিবৃতির কর্তা সক্রাতেস কিন্তু সমস্ত গ্রিকরা মানুষ এই বিবৃতিতে কর্তা হিসেরে সমস্ত গ্রিকরা কথাটির অবস্থান নেই, কারণ, গ্রিকরা আছে কিংবা যদি গ্রিক বলে কিছু থাকে এই দুটি বিবৃতিতে সমস্ত গ্রিকরা সম্পর্কে কোনো বক্তব্য নেই।

    এই বিশুদ্ধ আকারগত ত্রুটি ছিল অধিবিদ্যা এবং জ্ঞানতত্ত্বের ভুলগুলোর একটা উৎস। সক্রাতেস মরণশীল এবং সমস্ত মানুষ মরণশীল এই দুটি প্রস্তাবে আমাদের জ্ঞানের অবস্থা বিচার করুন। সক্রাতেস মরণশীল এই বিবৃতির সত্যতা নির্ণয়ের জন্য আমাদের অধিকাংশই সাক্ষ্যতে সন্তুষ্ট হন কিন্তু সাক্ষ্য বিশ্বাসযোগ্য হতে হলে আমাদের এমন লোকের কাছে যেতে হবে যিনি সাতেসকে জানতেন এবং তাঁকে মৃত অবস্থায় দেখেছেন। একটি ইন্দ্রিয়ানুভূত তথ্য- সাতেসের মৃতদেহ তার সঙ্গে এই জ্ঞান যে, এর নাম ছিল সক্রাতেস সক্রাতেস মরণশীল এ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। কিন্তু যখন আলোচ্য বিষয় হয় সমস্ত মানুষ মরণশীল তখন ব্যাপারটা অন্যরকম। এইরকম সাধারণ প্রস্তাব সাপেক্ষ আমাদের জ্ঞানের প্রস্তাব অত্যন্ত কঠিন। কখন কখনো সেগুলো শুধুমাত্র বাচনিক ও সমস্ত গ্রিকরা মানুষ এ তথ্য জানা, কারণ, মানুষ না হলে কাউকে গ্রিক বলা হয় না। এরকম সাধারণ বিবৃতিগুলোর অর্থ অভিধান থেকে জানা যায় শব্দ ব্যবহারের রীতি ছাড়া অভিধান আমাদের পৃথিবী সম্বন্ধে আর কিছুই বলে না। কিন্তু সমস্ত মানুষ মরণশীল সেরকম নয়, অমর মানুষ বিষয়ে যৌক্তিকভাবে স্ববিরোধী কিছু নেই। আমরা এ প্রস্তাব বিশ্বাস করি আরোহী পদ্ধতির ভিত্তিতে, কারণ, কোনো মানুষ (ধরুন) ১৫০ বছরের বেশি বেঁচেছে এরকম সুপ্রমাণিত কোনো তথ্য নেই। কিন্তু এর ফল প্রস্তাবটিকে শুধুমাত্র সম্ভাব্য করে তোলে, সুনিশ্চিত করে না। যতক্ষণ পর্যন্ত জীবিত মানুষের অস্তিত্ব আছে ততক্ষণ পর্যন্ত এ প্রস্তাব নিশ্চিত হতে পারে না।

    যে অর্থে সক্রোতেস-সক্রাতেস মরণশীল এই বাক্যের কর্তা, সেই অর্থে সমস্ত মানুষই মরণশীল এই বাক্যের কর্তা সমস্ত মানুষ এই অনুমান করার জন্য অধিবিদ্যক ভুল হয়েছিল। এর ফলে সক্রাতেস যেমন একটি সত্তা চিহ্নিত করে, সমস্ত মানুষও তেমনি একটি সত্তা চিহ্নিত করে- এরকম একটি মত সমর্থন করা সম্ভব হয়েছিল। এর ফলে আরিস্ততেলেস বলেছিলেন একটি প্রজাতি কোনো অর্থে বস্তু। তিনি সতর্কভাবে এই বিবৃতি বিশেষিত করেছিলেন কিন্তু তাঁর অনুগামীরা, বিশেষ করে পর্চুরিরা (Porphyry) অনেক কম সাবধানী ছিলেন।

    এই ভুলের ফলে আরিস্ততেলেস আর একটি ভুল করেছিলেন, তিনি ভুলভাবে ভেবেছিলেন বিধেয়-র বিধেয় মূল কর্তার বিধেয়। আমি যদি বলি সক্রাতেস গ্রিক, সমস্ত গ্রিকরা মানুষ তাহলে আরিস্ততেলেস ভাবেন মানুষ শব্দটি গ্রিক শব্দের বিধেয়, গ্রিক শব্দটি সক্রাতেস শব্দের বিধেয় এবং স্পষ্টতই মানুষ শব্দটি সক্রাতেস শব্দের বিধেয়। কিন্তু আসলে মানুষ শব্দটি গ্রিক শব্দের বিধেয় নয়। এভাবে নাম এবং বিধেয়-র পার্থক্য কিংবা অধিবিদ্যক ভাষায় বিশেষ এবং সামান্য-র পার্থক্য অস্পষ্ট হয়ে যায়, দর্শনশাস্ত্রে এর ফল হয় সর্বনাশা। এর ফলে যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয় তার একটি হলো, যে শ্রেণির সভ্য মাত্র এক সেই একক সভ্য এবং সম্পূর্ণ শ্রেণিটিকে অভিন্ন অনুমান করা। এর ফলে একক সংখ্যা সাপেক্ষ কোনো সঠিক তত্ত্ব গঠন অসম্ভব হয়ে পড়ে এবং ফল হয় একত্ব সম্বন্ধে অশেষ মন্দ অধিবিদ্যার সৃষ্টি।

    ২) ন্যায়ের অতিমূল্যায়ন। ন্যায় অবরোহী যুক্তির একটি ধরন মাত্র। গণিত সম্পূর্ণ অবরোহী কিন্তু তাতে ন্যায় প্রায় নেই বললেই চলে। অবশ্য গাণিতিক যুক্তিকে ন্যায়বাক্যের আকারে পুনর্লিখন সম্ভব কিন্তু সেটা হবে অত্যন্ত কৃত্রিম এবং তার ফলে সেটা অধিক অকাট্য হবে না। পাটিগণিতের উদাহরণ বিচার করা যাক। আমি যদি ১৬ শিলিং ৩ পেন্স-এর জিনিস কিনি এবং দাম দেওয়ার জন্য এক পাউন্ড নোট দিই তাহলে কত খুচরো আমার পাওনা? এই সরল অঙ্ককে একটি ন্যায়রূপ দেওয়া হবে একেবারেই অবাস্তব এবং তার প্রবণতা থাকবে যুক্তিগুলোর সঠিক চরিত্র ঢেকে রাখবার। তাছাড়া, যুক্তিবিদ্যায়ও ন্যায়বাক্য বহির্ভূত অনুমিতি আছে, যেমনঃ ঘোড়া একটি পশু সুতরাং ঘোড়ার মাথা একটি পশুর মাথা। আসলে বৈধ ন্যায়গুলো শুধুমাত্র বৈধ অবরোহী যুক্তিগুলোর একটি অংশ এবং তাদের অন্যগুলোর উপর কোনো যৌক্তিক প্রাধান্য নেই। অবরোহী প্রথাতে ন্যায়কে প্রাধান্য দানের প্রচেষ্টা গাণিতিক যুক্তির স্বভাব সম্পর্কে দার্শনিকদের পথভ্রষ্ট করেছে। কান্ট বুঝতে পেরেছিলেন গণিতশাস্ত্র ন্যায়বাক্য নির্ভর নয়, সেইজন্য তার অনুমান ছিল গণিতশাস্ত্র যুক্তিবিদ্যা বহির্ভূত নীতি ব্যবহার করে। তবে তিনি অনুমান করেছিলেন এ নীতি যুক্তিবিদ্যার মতোই নিশ্চিত। ভিন্ন পথে হলেও, তাঁর পূর্বগামীদের মতো তিনি আরিস্ততেলেসের প্রতি শ্রদ্ধার দরুন পথভ্রষ্ট হয়েছিলেন।

    ৩) অবরোহী পদ্ধতির অতিমূল্যায়ন। গ্রিকরা সাধারণত জ্ঞানের উৎস হিসেবে অবরোহী পদ্ধতিকে আধুনিক দার্শনিকদের তুলনায় অনেক বেশি গুরুত্ব দিতেন। এ বিষয়ে আরিস্ততেলেসের দোষ প্লাতনের চাইতে অল্প ছিল। তিনি বারবার আরোহী পদ্ধতির গুরুত্ব স্বীকার করেছেন এবং এই প্রশ্নে প্রচুর মনোযোগ দিয়েছেন : যা থেকে অবরোহণ শুরু করা আবশ্যিক সেই প্রথম আশ্রয়বাক্য কী করে জানা যাবে? সে যাই হোক, অন্য গ্রিকদের মতো তার জ্ঞানতত্ত্বে তিনি অবরোহী পদ্ধতিকে অনুচিত গুরুত্ব দিয়েছেন। আমরা মেনে নিই মিঃ স্মিথ (ধরা যাক) মরণশীল, এবং আমরা হয়তো হাল্কাভাবে বলতে পারি, কারণ, আমরা জানি সমস্ত মানুষ মরণশীল, আমরা বরং যা জানি সেটা অনেকটা এরকম দেড়শ বছরেরও আগে যারা জন্মেছে তারা মরণশীল এবং একশ বছরেরও আগে যারা জন্মেছে তাদের প্রায় সবাই মরণশীল। মিঃ স্মিথ মারা যাবেন- আমাদের এই চিন্তনের কারণ তাই। কিন্তু এই যুক্তি আরোহী- অবরোহী নয়। এর অকাট্যতা একটি অবরোহী যুক্তির তুলনায় স্বল্প এবং এটি সম্ভাব্যতার জনক, নিশ্চিয়তার নয় কিন্তু অপরপক্ষে এটা আমাদের নতুন জ্ঞান দান করে সেটা অবরোহী পদ্ধতি করে না। যুক্তিবিদ্যা এবং শুদ্ধ গণিত ছাড়া সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুমিতি আরোহী, অবরোহী নয়। একমাত্র ব্যতিক্রম আইন এবং ধর্মতত্ত্ব- এগুলোর প্রত্যেকটিই প্রথম নীতি আহরণ করে একটি প্রশ্নাতীত গ্রন্থের মূল পাঠ থেকে অর্থাৎ একটি সংবিধি থেকে কিংবা ধর্মশাস্ত্র থেকে।

    দি প্রায়র অ্যানালিটিকস (The Prior Analytics- পূর্ববর্তী বিশ্লেষণ) এর আলোচনা ন্যায় নিয়ে, এছাড়া যুক্তিবিদ্যা নিয়ে আরিস্ততেলেসের অন্য বই আছে দর্শনশাস্ত্রের ইতিহাসে সেগুলো বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এগুলোর ভিতর একটি ছোট পুস্তিকা আছে, বিষয়বস্তু দি ক্যাটেগরিজ (The Categories- নিরুপাধিক জ্ঞান)। নবপ্নাতনবাদী (নিওপ্লাতনিস্ট- Neoplatonist) পফুরি এর উপর একটি টীকা লিখেছেন, মধ্যযুগীয় দর্শনের উপর সেই টীকার উল্লেখযোগ্য প্রভাব ছিল। কিন্তু আপাতত পফুরিকে অগ্রাহ্য করে আরিস্ততেলেসের মধ্যে সংহত হওয়া যাক।

    ক্যাটেগরি (category) বলতে আরিস্ততেলেস কিংবা কান্ট এবং হেগেল সঠিক কী বোঝাতে চাইতেন, স্বীকার করতেই হবে সেটা আমি কখনোই বুঝতে পারিনি। আমি নিজে বিশ্বাস করি না- দর্শনশাস্ত্রে (কোনো স্বচ্ছ ধারণার প্রতিনিধি হিসেবে) ক্যাটেগরি শব্দ কোনোরকম প্রয়োজন সাধন করে। আরিস্ততেলেসে দশটি ক্যাটেগরি আছে; বস্তু, পরিমাণ, গুণ, সম্বন্ধ, স্থান, কাল, অবস্থান, স্থিতি, দশা, ক্রিয়া এবং আবেগ। ক্যাটেগরি শব্দের যে একমাত্র সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে সেটা হলো : অভিব্যক্তি যা কোনোক্রমেই যৌগিক কিছু বোঝায় না- এবং এরপর রয়েছে উপরিল্লিখিত তালিকা। মনে হয়, যে শব্দগুলোর অর্থ অন্য কতগুলো শব্দের অর্থ জুড়ে করা যায় না, তার প্রতিটি শব্দই একটি বস্তু অথবা একটি পরিমাণ কিংবা ইত্যাদি কিছু নির্দেশ করে। যে নীতি অনুসারে এই শব্দটি ক্যাটেগরি তালিকা করা হয়েছে তার কোনো ইঙ্গিত নেই।

    বস্তু মূলত সেটাই যেটা কর্তার বিধেয় হতে পারে না, কর্তায় উপস্থিত থাকতে পারে না। একটি জিনিস একটি কর্তায় উপস্থিত তখনই বলা যায় যখন কর্তার অংশ না হয়েও কর্তাবিহীন তার অস্তিত্ব অসম্ভব। প্রদর্শিত দৃষ্টান্তগুলো এরকম একখণ্ড ব্যাকরণের জ্ঞান যা একটি মনের ভিতর উপস্থিত থাকে এবং বিশেষ একটি শুভ্রতা যেটা একটি বস্তুপিণ্ডে উপস্থিত থাকতে পারে। উপরিল্লিখিত প্রাথমিক অর্থে একটি বস্তু একক একটি জিনিস কিংবা ব্যক্তি কিংবা পশু। কিন্তু একটি দ্বিতীয় অর্থে প্রজাতি কিংবা বর্গ-অর্থাৎ মানুষ কিংবা পশুকে বস্তু বলা যায়। এই দ্বিতীয় অর্থকে যুক্তিহীন মনে হয় এবং তা পরবর্তী লেখকদের কাছে বহু মন্দ অধিবিদ্যার দ্বারোদঘাটন করেছে।

    দি পস্টিরিয়র অ্যানালিটিকস (The Posterior Analytics-পরবর্তী বিশ্লেষণ) বইটি প্রধানত একটি প্রশ্ন নিয়ে, সে প্রশ্ন অবশ্যই যে কোনো অবরোহী তত্ত্বের অসুবিধা সৃষ্টি করবে, প্রশ্নটি হলো : প্রথম আশ্রয়বাক্যগুলো কী করে পাওয়া যায়? যেহেতু অবরোহী পদ্ধতিকে অবশ্যই কোনো একটি স্থান থেকে শুরু করতে হবে, সুতরাং আমাদের অবশ্যই অপ্রমাণিত কিছু দিয়ে শুরু করতে হবে, সেটা অবশ্যই জানা থাকবে প্রকট প্রমাণ ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে। আরিস্ততেলেসের তত্ত্ব আমি বিস্তৃতভাবে দেব না, কারণ, সেটা নির্ভর করে সার সম্পর্কীয় মনোভাবের উপর। তিনি বলেন, সংজ্ঞা হলো এমন যা একটি বস্তুর সারধর্ম সম্পর্কীয় বিবৃতি। আরিস্ততেলেসের পর থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত সমস্ত দর্শনশাস্ত্রেরই ঘনিষ্ঠ অংশ সার সম্পর্কীয় ধারণা। আমার মতে এটা একটা হতাশ তালগোল পাকানো মনোভাব : কিন্তু এর ঐতিহাসিক গুরুত্বের জন্য আমাদের এই বিষয়ে কিছু বলা প্রয়োজন।

    মনে হয় একটি জিনিসের সার বলতে বোঝানো হতো সেই ধর্মগুলো- নিজের আত্মপরিচয় না হারিয়ে যার পরিবর্তন করা অসম্ভব। সক্রাতেস কখনো সুখী, কখনো বিষণ্ণ, কখনো সুস্থ, কখনো অসুস্থ হতে পারেন। যেহেতু তিনি সাতেস হয়েই এই ধর্মগুলো পবির্তন করতে পারেন সেইজন্য এগুলো তার সারধর্মের কোনো অংশ নয়। কিন্তু এটা ধরে নেওয়া হয় যে, সক্রাতেসের সার হলো- তিনি একজন মানুষ, যদিও দেহান্তরে বিশ্বাসী একজন পুথাগোরীয় এ কথা মানবেন না। বস্তু, সার সম্পর্কীয় প্রশ্ন শব্দ ব্যবহারের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি প্রশ্ন। আমরা বিভিন্ন উপলক্ষ্যে কিছুটা ভিন্ন ভিন্ন। ঘটনা সম্পর্কে একই নাম ব্যবহার করি। আমরা ভাবি সেটি একক একটি জিনিস অথবা ব্যক্তির প্রকাশ। আসলে কিন্তু এটা শুধু একটি বাক্য ব্যবহারের সুবিধা মাত্র। সক্রাতেসের সার এমন কতগুলো ধর্ম যার অবর্তমানে আমাদের সক্রাতেস নামটি ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রশ্নটি শুদ্ধ ভাষাতাত্ত্বিক ও একটি শব্দের সার থাকতে পারে কিন্তু একটি জিনিসের সার থাকতে পারে না।

    সারের কল্পনের মতো বস্তুর কল্পন আসলে শুধুমাত্র ভাষাতাত্ত্বিক সুবিধাকে অধিবিদ্যায় প্রক্ষেপ করা। জগতের বিবরণ দেওয়ার সময় কতকগুলো ঘটনাকে সক্রাতেস-এর জীবনের ঘটনা বলা এবং কিছু ঘটনাকে মি. স্মিথ-এর জীবনের ঘটনা। বলা আমাদের সুবিধাজনক মনে করি। এর ফলে আমরা ভাবি সক্রাতেস কিংবা মি. স্মিথ এমন একটা কিছু যা টানা কয়েক বছর ধরে থাকে এবং কোনো না কোনোভাবে তার জীবনের ঘটনাগুলোর চাইতে ব্যক্তিটি বেশি নিরেট এবং বাস্তব। সাতেস যদি অসুস্থ হন তাহলে আমরা ভাবি অন্য সময় সক্রাতেস সুস্থ থাকেন, সুতরাং সাতেসের সত্তা তার অসুস্থতা নিরপেক্ষ। পক্ষান্তরে, অসুস্থতার অস্তিত্বের জন্য অসুস্থ হওয়ার মতো একজন মানুষ প্রয়োজন। কিন্তু যদিও সক্ৰাতেসের অসুস্থ হওয়ার দরকার নেই তবু তাঁর অস্তিত্ব মেনে নিতে হলে তাঁর জীবনে কিছু না কিছু ঘটতে হবে। সুতরাং তার জীবনে যা। ঘটছে বাস্তবে তিনি তার চাইতে বেশি সত্য নন।

    বস্তুকে গুরুত্বের সঙ্গে বিচার করলে দেখা যায় এ কল্পনের সঙ্গে জড়িত অসুবিধা দূর করা অসম্ভব। অনুমান করা হয় বস্তু তার ধর্মের আধার এবং তার সমস্ত ধর্মের চাইতে পৃথক। কিন্তু আমরা সমস্ত ধর্ম হরণ করে যদি শুধুমাত্র বস্তুর সত্তা কল্পনা করতে চেষ্টা করি তাহলে দেখব কিছুই অবশিষ্ট নেই। ব্যাপারটা অন্যভাবে বলা যায় : একটি বস্তুর সঙ্গে অন্য বস্তুর পার্থক্য কি করে নির্ণীত হয়? ধর্মের পার্থক্য নয়, কারণ বস্তুবিষয়ক যুক্তি অনুসারে ধর্মগুলোর পার্থক্য পূর্বাহ্নেই সংশ্লিষ্ট বস্তুগুলোর ভিতরে সংখ্যার বৈচিত্র্য অনুমান করে নেয়। সুতরাং দুটি বস্তুর শুধুমাত্র দুটি হতে হবে, তাদের ভিতর স্বকীয়ভাবে অন্য কোনো পার্থক্য থাকবে না। তাহলে তারা যে দুটি সেটা আমরা কি বুঝব?

    বস্তু আসলে শুধুমাত্র ঘটনাগুচ্ছ সংগ্রহ করার একটি সুবিধাজনক পন্থা। মি. স্মিথ সম্পর্কে আমরা কি জানতে পারি? তাঁর দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই কতকগুলো রঙের নক্সা। তাঁর কথা শোনার সময় শুনতে পাই একটি শব্দমালিকা। আমরা বিশ্বাস করি আমাদেরই মতো তাঁর চিন্তা ও অনুভূতি আছে। কিন্তু এই সমস্ত ঘটনা বাদ দিলে পৃথক ভাবে মি. স্মিথ কী? একটি কাল্পনিক আংটা মাত্র, যা দিয়ে ঘটনাগুলোকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে অনুমান করা হয়। আসলে তাদের আংটার কোনো প্রয়োজন নেই, ঠিক যেমন পৃথিবীরও পা রাখবার জন্য কোনো হাতির দরকার নেই। যে কোনো লোকই বুঝতে পারে তুলনীয় ভৌগোলিক অঞ্চলের ক্ষেত্রে ফ্রান্স (ধরে নেওয়া যাক) শব্দ একটি ভাষাতাত্ত্বিক সুবিধা মাত্র এবং তার বিভিন্ন অংশ বাদ দিলে ফ্রান্স বলে কোনো জিনিসের অস্তিত্ব থাকে না। মি. স্মিথ-এর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য অর্থাৎ মি. স্মিথ কতকগুলো ঘটনার সংযুক্ত নাম মাত্র। এর চাইতে বেশি কিছু অর্থ যদি এর উপর আরোপ করি তাহলে সেটা এমন জিনিস যা সম্পূর্ণ অজ্ঞেয়, সুতরাং আমরা যা জানি সেটা প্রকাশ করার জন্য তার কোনো প্রয়োজন নেই।

    এক কথায় বস্তু শব্দটি অধিবিদ্যক ভুল, যার কারণ বিষয় (predicate) এবং বিষয়ী (subject) দিয়ে গঠিত একটি বাক্যের গঠন বিশ্ব গঠনে প্রক্ষেপ করা।

    আমার সিদ্ধান্ত- এই অধ্যায়ের আলোচিত আরিস্ততেলেসীয় মতবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ব্যতিক্রম শুধুমাত্র ন্যায়ের তাত্ত্বিক গঠনে, সেটাও গুরুত্বহীন। আধুনিক যুগে যুক্তিবিদ্যা শিখবার জন্য কেউ আরিস্ততেলেস কিংবা তাঁর কোনো ছাত্রের লেখা পড়লে শুধুমাত্র সময়ই নষ্ট হবে। তবুও আরিস্ততেলেসের যুক্তিবিদ্যা বিষয়ক লেখায় তাঁর বিরাট ক্ষমতা বোঝা যায় এবং যে যুগে বৌদ্ধিক মৌলিকত্ব জীবন্ত ছিল সে যুগে এটা প্রকাশিত হলে মনুষ্যজাতির কাজে লাগত। দুর্ভাগ্যক্রমে এগুলো প্রকাশিত হয়েছিল গ্রীক চিন্তনের সৃজনশীল যুগের অন্তিমে, সুতরাং সেগুলোকে প্রামাণিক বলে মেনে নেওয়া হয়েছিল। যুক্তিবিদ্যায় মৌলিকত্ব যখন পুনর্জীবিত হলো তখন আরিস্ততেলেসের দুহাজার বছরের রাজত্বকে সিংহাসনচ্যুত করা ছিল অন্তত কঠিন। সমগ্র আধুনিক যুগ জুড়ে বিজ্ঞান, যুক্তিবিদ্যা কিংবা দর্শনশাস্ত্রের প্রতিটি অগ্রগতিকেই আরিস্ততেলেসের শিষ্যদের কঠিন বিরোধিতার সঙ্গে যুদ্ধ করে অগ্রসর হতে হয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য মেটামরফসিস – ফ্রানজ কাফকা
    Next Article সক্রেটিসের আগে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }