Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাস – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প493 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. পার্মেনিদেস

    ৫. পার্মেনিদেস

    কর্মে কিংবা তত্ত্বে-কোনোটাতেই মধ্যপন্থায় গ্রিকদের আকর্ষণ ছিল না। হেরাক্লিডস বললেন, সবই পরিবর্তনশীল, পার্মেনিদেস উত্তর করলেন, কিছুই পরিবর্তিত হয় না।

    দক্ষিণ ইতালির এলিয়া (Elea)-র অধিবাসী ছিলেন পার্মেনিদেস, তাঁর জীবনকাল খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীর প্রথমার্ধে। প্রাতন (Plato) বলেছেন, সাতেস তাঁর যৌবনকালে (খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০ নাগাদ) পার্মেনিদেসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন পার্মেনিদেস তখন বৃদ্ধ। এই সাক্ষাৎকার ঐতিহাসিক সত্য কিনা তা জানা নেই কিন্তু এটুকু অন্তত অনুমান করা যায়, প্লাতন স্বয়ং পার্মেনিদেসের মতবাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। দক্ষিণ ইতালিয় এবং সিসিলীয় দার্শনিকরা অতীন্দ্রিয়বাদ এবং ধর্মের পক্ষপাতী ছিলেন, তুলনায় ইওনীয়-র দার্শনিকরা মোটের উপর মতবাদের দিক দিয়ে বিজ্ঞানমনস্ক ও অজ্ঞেয়বাদী ছিলেন। কিন্তু পুথাগরসের প্রভাবে গণিতশাস্ত্র ইওনীয়-র চেয়ে মাগনা গ্রায়েকিয়া (Magna Graecia)-তে অধিক বিকশিত হয়েছিল; গণিতশাস্ত্র তখন অতীন্দ্রিয়বাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। পার্মেনিদেসের উপর পুথাগরসের প্রভাব ছিল কিন্তু সেই প্রভাবের পরিমাণ অনুমাননির্ভর। ঐতিহাসিকভাবে পার্মেনিদেসের গুরুত্ব তিনি এমন এক ধরনের অধিবিদ্যক যুক্তি (mataphysical argument) আবিষ্কার করেছিলেন, যে যুক্তি হেগেল পর্যন্ত পরবর্তী সমস্ত অধিবিদ্যবিদরা কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করেছেন। প্রায়শই বলা হয় তিনি যুক্তিবিদ্যার আবিষ্কর্তা, কিন্তু আসলে তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যুক্তিবিদ্যাভিত্তিক অধিবিদ্যা।

    পার্মেনিদেসের মতবাদ প্রকাশ করা হয়েছে প্রকৃতি সম্বন্ধীয় একটি কবিতাতে। তিনি পরে বোধেন্দ্রিয়গুলোকে ভ্রান্তিমূলক মনে করতেন এবং ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বস্তুর বহুত্বকে শুধুমাত্র মায়া বলে নিন্দা করতেন। একমাত্র সত্য বস্তু সেই এক-সে বস্তু অসীম এবং অবিভাজ্য। এটা বিপরীতের মিলন নয়, কারণ বিপরীত কিছু নেই- বিপরীতের মিলন সম্পর্কে মতবাদ ছিল হেরাক্লিসের। আপাতদৃষ্টিত মনে হয়, তাঁর মতবাদ ছিল শীতলের আলোক নয়। অনুষ্ণ (যা গরম নয়) এবং অন্ধকার-এর অর্থ শুধুমাত্র আলোক নয়। পার্মেনিদেসের কল্পনে সেই এক আমাদের চিন্তনের ঈশ্বর নয়, মনে হয় তিনি এটাকে বাস্তব পদার্থ মনে করতেন এবং মনে করতেন তার বিস্তৃত হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে, কারণ, তিনি একে গোলকরূপে বর্ণনা করেছেন। কিন্ত একে ভাগ করা যায় না, কারণ এটা সর্বত্র পূর্ণরূপে বিরাজমান।

    পার্মেনিদেস তাঁর শিক্ষাকে দুভাগে ভাগ করেছেন, যাকে যথাক্রমে বলা হয় সত্যের পথ এবং মতের পথ। শেষোক্তটি নিয়ে আমাদের বিচার অপ্রয়োজনীয়। তিনি যাকে সত্যের পথ বলেছেন তা যতটুকু পাওয়া যায় তার মূল অংশ নিম্নরূপ :

    যা নেই তা তুমি জানতে পার না- সেটা অসম্ভব- এমনকি উচ্চারণও করতে পার না। তার কারণ, যা রয়েছে এবং যার সম্পর্কে ভাবা যায় সে দুটোই এক।

    কিন্তু তাহলে যা রয়েছে ভবিষ্যতে তার কী হবে? কিংবা তার অস্তিত্ব এল কীভাবে? যার অস্তিত্ব এসেছে সেটা নেই; ভবিষ্যতে এলেও এটা হবে অস্তিত্ববিহীন। অস্তিত্বে আসা এভাবেই নির্বাপতি হলো এবং অবসান হওয়ার কথাও শ্রোতব্য নয়।

    যে বস্তু চিন্তনীয় এবং যে বস্তুর অস্তিত্ব রয়েছে তারা অভিন্ন; উচ্চারিত বস্তুর অস্তিত্ব না থাকলে সে সম্পর্কে চিন্তা থাকতে পারে না।

    এই যুক্তির সারাংশ হলো : যখন কিছু ভাবা হয় তখন বস্তুর সম্পর্কেই ভাবা হয়; যখন কোনো নাম ব্যবহার করা হয় তখন তা নিশ্চয়ই কোনো কিছুর নাম। সুতরাং চিন্তা এবং ভাষা- দুইয়েরই প্রয়োজন নিজেদের বাইরে অবস্থিত বস্তুর। এবং যেহেতু একটি বস্তু সম্পর্কে ভাবা অথবা বলা যেতে পারে কোনো একটি সময় এবং তার পরেও আবার- সুতরাং চিন্তনীয় অথবা কথিত বস্তুর অস্তিত্ব রয়েছে সব সময়েই। অতএব কোনো পরিবর্তন হতে পারে না, তার কারণ পরিবর্তনের অর্থ বস্তুর আবির্ভাব অথবা তিরোভাব।

    চিন্তা এবং ভাষা থেকে উদ্ভূত যুক্তি সমগ্র বিশ্ব সম্পর্কে প্রয়োগের এটাই দর্শনশাস্ত্রের প্রথম উদাহরণ। এ যুক্তি অবশ্যই সিদ্ধ বলে গ্রহণীয় নয় কিন্তু এর ভিতরে কতটা সত্য আছে সে বিচার মূল্যবান।

    আমরা যুক্তিটা এইভাবে উপস্থিত করতে পারি ও ভাষা যদি নেহাৎ অর্থহীন না হয় তাহলে শব্দের অর্থ থাকবে এবং সাধারণভাবে শব্দগুলো কখনোই অন্য শব্দ বোঝাবে না- বোঝাবে কোনো বস্তু তার সম্পর্কে আমরা আলোচনা করি বা না করি। উদাহরণ ধরুন, জর্জ ওয়াশিংটন (George Washington) সম্পর্কে আলোচনা হচ্ছে। ঐ নামে কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তি না থাকলে নামটি আপাতদৃষ্টিতে (মনে হতো) অর্থহীন এবং যে সমস্ত বাক্যে এই নাম অন্তর্ভুক্ত হতো সেই বাক্যগুলোও হতো অর্থহীন। পার্মেনিদেসের বক্তব্য- জর্জ ওয়াশিংটনের অস্তিত্ব শুধু অতীত ছিল তাই নয়, কোনো না কোনো অর্থে তার অস্তিত্ব এখনও রয়েছে। তার কারণ, এখনও আমরা তাঁর নাম অর্থবহরূপে ব্যবহার করতে পারি। দেখাই যাচ্ছে এই যুক্তি অসত্য কিন্তু এই যুক্তিকে খণ্ডন করব কীভাবে?

    একজন কাল্পনিক লোকের কথা ভাবা যাক, ধরুন হ্যামলেট। হ্যামলেট ছিলেন ডেনমার্কের যুবরাজ- এই বিবৃতি বিচার করা যাক। একটি অর্থে এই বিবৃতি সত্য, তবে সহজ ঐতিহাসিক অর্থে নয়। সত্য বিবৃতি হবে শেক্সপীয়ার বলেন, হ্যামলেট ছিলেন ডেনমার্কের যুবরাজ কিংবা আরও বিশদ করে বলা যায়, শেক্সপীয়ার বলেন, ডেনমার্কে হ্যামলেট নামে যুবরাজ ছিলেন। এক্ষেত্রে আর কাল্পনিক কিছু রইল না। শেক্সপীয়ার এবং ডেনমার্ক এবং হ্যামলেট আওয়াজটি-প্রতিটি বাস্তব কিন্তু হ্যামলেটা এই গুঞ্জনটি আসলে নাম নয়, কারণ, প্রকৃতপক্ষে হ্যামলেট কারও নাম নয়। যদি বলা হয় হ্যামলেট একজন কাল্পনিক মানুষের নাম- সেটাও সূক্ষ্ম বিচারে সত্য নয়: বলা উচিত একজন কাল্পনিক হচ্ছে হ্যামলেট একজন বাস্তব মানুষের নাম।

    হ্যামলেট একজন কাল্পনিক ব্যক্তিঃ একশৃঙ্গীও (unicorn-কাল্পনিক একশৃঙ্গবিশিষ্ট অশ্বতুল্য পশু) কাল্পনিক পশু। যে সমস্ত বাক্যে একশৃঙ্গী শব্দ উচ্চারিত হয় তার ভিতরে কতকগুলো সত্য এবং কতকগুলো মিথ্যা কিন্তু কোনো ক্ষেত্রেই প্রত্যক্ষভাবে নয়। এই বাক্যটি বিচার করুন একশৃঙ্গীর একটি শিং আছে এবং গরুর দুটি শিং আছে। শেষের বাক্যটি প্রমাণ করার জন্য গরু চাক্ষুষ করতে হবে; শুধু এটা বলা যথেষ্ট নয় যে, কোনো কোনো বইয়ে লেখা আছে গরুর দুটি শিং থাকে। কিন্তু একশৃঙ্গীর যে একটি শিং থাকে এই তথ্যের সাক্ষ্য শুধুমাত্র বই, আসলে নির্ভুল বিবৃতি হলো : কিছু কিছু বইয়ে দৃঢ়ভাবে বলা হয় এমন কতগুলো পশু আছে যাদের একটি শিং, তাদের নাম একশৃঙ্গী। একশৃঙ্গী সম্পর্কে সমস্ত বিবৃতি একশৃঙ্গী শব্দ নিয়ে, ঠিক যেমন হ্যামলেট নিয়ে সমস্ত বিবৃতি হ্যামলেট শব্দ সম্পর্কে।

    কিন্তু এটা স্বপ্রকাশ যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা শব্দ সম্পর্কে বলি না, বলি শব্দের অর্থ সম্পর্কে। পার্মেনিদেসের যুক্তিতে ফিরে আসছি অর্থাৎ অর্থবহরূপে ব্যবহৃত শব্দ কোনো একটা বস্তুর আভাস দেবে, শূন্যতার নয়। সুতরাং শব্দার্থের কোনো না কোনোরকম অস্তিত্ব থাকতেই হবে।

    তাহলে জর্জ ওয়াশিংটন সম্পর্কে আমাদের কী বক্তব্য? মনে হয়, দুটি বিকল্প আছেঃ এক, তিনি এখনও আস্তিমান; দুই, জর্জ ওয়াশিংটন শব্দটি ব্যবহার করার সময় আমি ঐ নামধারী মানুষটি সম্পর্কে বলছি না। দুটিই কূটাভাস (paradox) কিন্তু শেষেরটা একটু কম এবং আমি দেখাতে চেষ্টা করব কোন অর্থে এটা সত্য।

    পার্মেনিদেস ধরে নিচ্ছেন শব্দগুলোর স্থায়ী অর্থ (constant meaning) রয়েছে, এটাই আসলে তার যুক্তির ভিত্তি। তাঁর ধারণা এ যুক্তি প্রশ্নাতীত। যদিও অভিধানে কিংবা বিশ্বকোষে প্রকাশিত শব্দার্থ হলো সরকারি অর্থ বা সামাজিকভাবে স্বীকৃত অর্থ কিন্তু একই শব্দ ব্যবহারকারী দুই ব্যক্তির ব্যবহৃত শব্দের অন্তর্নিহিত চিন্তন এক নয়।

    জর্জ ওয়াশিংটন নিজের নাম এবং আমি-দুটি সমার্থকভাবে ব্যবহার করতে পারতেন। নিজের চিন্তন এবং নিজের দেহের গতি তিনি অনুভব করতে পারতেন সুতরাং তিনি নিজের নাম পূর্ণতর অর্থে ব্যবহার করতে পারতেন- এ কাজ অন্য কারও পক্ষে সম্ভব ছিল না। তাঁর উপস্থিতিতে তাঁর বন্ধুরা তাঁর দেহের গতিবিধি ও চিন্তন অনুমান করতে পারতেন- তখনো জর্জ ওয়াশিংটন নামটি বন্ধুদের অভিজ্ঞতায় মূর্ত ছিল। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁদের নিজেদের অনুভূতির স্থলে স্মৃতিকে প্রতিস্থাপন করতে হয়েছে, এর অর্থ এ শব্দ ব্যবহার করার সময় তাদের মানবিক ক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন হয়েছে। আমরা যারা জর্জ ওয়াশিংটনকে কখনোই চিনতাম না তাদের ক্ষেত্রে মানসিক ক্রিয়াটা আবার পৃথক। আমরা তাঁর ছবির কথা ভাবতে পারি এবং নিজেদের কাছে বলতে পারি, হ্যাঁ, সেই লোকটি। ভাবতে পারি, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি। যদি খুব অজ্ঞ হই তাহলে উনি আমাদের কাছে হতে পারেন শুধুমাত্র লোকটি জর্জ ওয়াশিংটন নামে পরিচিত ছিলেন। সে নামের যে অর্থই আমাদের কাছে হোক নামটি কিন্তু কখনোই সেই আসল লোকটিকে বোঝাবে না। কারণ, আমরা তাঁকে কখনই জানি না কিন্তু অনুভূতি বা স্মৃতি অথবা চিন্তনের ক্ষেত্রে একটা কিছু থাকেই। পার্মেনিদেসের যুক্তির হেত্বাভাস (fallacy) এভাবে দেখানো যায়।

    শব্দার্থের এই অবিরাম পরিবর্তন সাধারণত এই জন্য গুপ্ত থাকে- যে প্রতিজ্ঞায় এই শব্দটি উপস্থাপিত হয় অর্থের পরিবর্তনে সেই প্রতিজ্ঞার সত্যাসত্য অপরিবর্তিত থাকে। জর্জ ওয়াশিংটন নামের উল্লেখ আছে এমন একটি সত্য বাক্য যদি বিচার্য হয় তবে নিয়মানুসারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতিএই বাক্যাংশ দিয়ে প্রথম বাক্যাংশকে প্রতিস্থাপন করলে বাক্যটি তবুও সত্য থাকবে। এই নিয়মের ব্যতিক্রমও আছে। ওয়াশিংটনের নির্বাচনের আগে কেউ বলতে পারত, আশা করি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি হবেন জর্জ ওয়াশিংটন, অবশ্য সমরূপতার বিধির (law of identity) সম্পর্কে কোনো তীব্র আকর্ষণ না থাকলে সে কখনোই বলবে না যে, আশা করি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি হবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি। কিন্তু ব্যতিক্রমগুলো যাতে বাদ পড়ে সেইরকম বিধি গঠন করা সহজ এবং তাহলে অবশিষ্ট সব ক্ষেত্রে জর্জ ওয়াশিংটন এর স্থলে শুধুমাত্র তাকেই বোঝাবে এমন শব্দমসষ্টি স্থাপন করা যায়। এবং একমাত্র আমাদের জানা শব্দসমষ্টির মাধ্যমে আমরা তার সম্বন্ধে সব জ্ঞাতব্য বিষয় জানতে পারি।

    সাধারণত যাকে অতীত বলা হয় সে সম্পর্কে আমরা বর্তমানে জানতে পারি, সে জন্যই তা সত্যই অতীত হতে পারে না- কোনো অর্থে সেটা এখনও বর্তমান আছে, এ হলো পার্মেনিদেসের যুক্তি। সেইজন্য তিনি সিদ্ধান্ত করেছেন পরিবর্তন বলে কোনো জিনিস থাকতে পারে না। এতক্ষণ আমরা জর্জ ওয়াশিংটন সম্পর্কে যা বলেছি সেটা এই যুক্তিকে খণ্ডন করে। এক অর্থে বলা যেতে পারে, আমাদের অতীত সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই। যখন অতীতকে স্মরণ করা হয় তখন তা করা হয় বর্তমানে এবং স্মৃতি ঘটনা আর আসল ঘটনা একেবারেই অভিন্ন নয়। কিন্তু স্মরণক্রিয়া অতীতের একটি ঘটনার বিবরণ দান করে তবে অধিকাংশ ব্যবহারিক ক্ষেত্রে বিবরণ এবং বিবৃত বস্তুর ভিতরে পার্থক্য করার প্রয়োজন হয় না।

    এই সম্পূর্ণ তর্কটি দেখায় ভাষা থেকে অধিবিদ্যক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা কত সহজ এবং এই ধরনের হেত্বাভাসযুক্ত তর্ক এড়ানোর একমাত্র উপায় ভাষার যৌক্তিক এবং মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় অধিকাংশ অধিবিদ্যকদের থেকে বেশি অগ্রসর হওয়া।

    যদি মৃত পার্মেনিদেস বেঁচে উঠে আমার লেখা পড়তেন, তাহলে তিনি বলতেন আমার বক্তব্য খুবই অগভীর। তিনি প্রশ্ন করতেন, জর্জ ওয়াশিংটন সম্পর্কে আপনার বক্তব্য যে অতীত সম্পৰ্কীয় সেটা আপনি কী করে জানলেন? আপনার নিজের কথাতেই প্রত্যক্ষ নিদর্শনটি বর্তমান বস্তু সম্পৰ্কীয়। দৃষ্টান্তস্বরূপ, আপনি স্মরণ করছেন এখন- যে সময় স্মরণ করছেন বলে ভাবছেন সে সময় নয়। স্মৃতিকে যদি জ্ঞানের একটি উৎস বলে গ্রহণ করা হয় তাহলে অতীত এখন আপনার মনের সামনে রয়েছে, কোনো অর্থে তার অস্তিত্বও রয়েছে।

    আমি এখন এই যুক্তি খণ্ডন করার চেষ্টা করব না, এর জন্য প্রয়োজন স্মৃতি সম্পর্কে আলোচনা- বিষয়টা কঠিন। এই যুক্তি এখানে অবতারণা করার কারণ পাঠককে স্মরণ করিয়ে দেওয়া- দার্শনিক তত্ত্বগুলো যদি গুরুত্বপূর্ণ হয় সেগুলো প্রাথমিক অবস্থায় খণ্ডিত হলেও নতুন রূপে আবার পুনর্জীবিত হতে পারে। খণ্ডন কখনো শেষ কথা নয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে খণ্ডন অধিকতর সংস্কৃত রূপের পথিকৃৎ।

    আধুনিক কালের বেশ কিছুদিন পর্যন্ত পরবর্তী দর্শন পার্মেনিদেসের কাছ থেকে যা গ্রহণ করেছেন তা পরিবর্তনের অসম্ভব্যতা নয়। এই তথ্য কঠিন হেত্বাভাসযুক্ত, তবে বস্তুর অবিনশ্বরত্ব গৃহীত হয়েছে। বস্তু শব্দটি তার প্রত্যক্ষ শিষ্যরা গ্রহণ করেননি কিন্তু তাঁদের দূরকল্পনে এই চিন্তন রয়েছে। মনে করা হতো বস্তু পরিবর্তনশীল নানা বিধেয় সাপেক্ষ পরিবর্তনহীন স্থায়ী কর্তা। ব্যাপারটা এই রকম হয়ে এইভাবে দুহাজার বছর টিকে যায়- দর্শনশস্ত্র, মনস্তত্ত্ব, পদার্থবিদ্যা এবং ধর্মতত্ত্বে এটা একটা মূলগত কল্পন। এ সম্পর্কে পরবর্তীকালে আমার অনেক কিছু বলার রইল। আপাতত আমি এটা উপস্থিত করছি-স্বতঃপ্রতীয়মান তথ্য অস্বীকার না করেও পার্মেনিদেসের যুক্তির প্রতি সুবিচার করার জন্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য মেটামরফসিস – ফ্রানজ কাফকা
    Next Article সক্রেটিসের আগে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }