Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পিতা ও পুত্র – ভেরা পানোভা

    ভেরা পানোভা এক পাতা গল্প194 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বুদ্ধির অগোচরে

    তারপর একদিন বিছানা ছেড়ে উঠে একটু-আধটু বাইরে যাবার অনুমতি পেল সে। আবার বুঝি কিছু হয় এই ভয়ে বাড়ি থেকে বেশি দূরে বা অন্য কোনো বাড়িতে ওরা তাকে যেতে দিত না।

    সকালবেলায় যখন তার বন্ধুরা সবাই স্কুলে চলে যায় শুধু তখনই ওকে বাইরে বের হতে দেওয়া হয়। শুরিকের বয়স এখনও সাত বছর পূর্ণ হয় নি, কিন্তু তবুও ওকে স্কুলে যেতে হচ্ছে। বাবা-মা ঐ সব উল্কির ঘটনার পরেই ওকে স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছে। যখন তখন বাইরে বেরিয়ে দুষ্টুমিতে মন দিতে পারবে না। তাছাড়া মাস্টার মহাশয়দের চোখের সামনেও থাকবে…ছোটদের সঙ্গে খেলতে সেরিওজার ভালো লাগে না।

    একদিন সে উঠানে নেমে আসতেই দেখল ছেঁড়া টুপি মাথায় অদ্ভুত চেহারার একটি লোক তাদের চালাঘরের পাশে একগাদা কাঠের উপর বসে আছে। মুখখানি তার বড্ড শুকনো আর গায়ের জামা শতচ্ছিন্ন। লোকটা একটা সিগারেটের খুব ছোট্ট একটা টুকরো থেকে ধূমপান করছে, টুকরোটা এত ছোট যে মনে হচ্ছে আঙুলের ফাঁক দিয়েই বুঝি ধোঁয়াটা উঠছে পাকিয়ে পাকিয়ে। লোকটার আঙুল এবার পুড়ে না যায়!… অন্য হাতে একটা নোংরা ন্যাকড়া দিয়ে ব্যান্ডেজ বাঁধা। ফিতের বদলের দড়ি দিয়ে লোকটার জুতো বাঁধা। এক পলকে লোকটার আপাদমস্তক দেখে নিয়ে সেরিওজা এবার প্রশ্ন করল :

    ‘তুমি বুঝি করোস্তেলিওভের কাছে এসেছ?’

    লোকটা বলল, ‘সে আবার কে? আমি তাকে চিনি না।’

    ‘তাহলে লুকিয়ানিচকে চাও?’

    ‘তাকেও আমি চিনি না।’

    ‘ওরা কেউই বাড়ি নেই। শুধু আমি আর পাশা খালা আছি। আচ্ছা, তোমার ব্যথা লাগছে না?’

    ‘কোথায়?’

    ‘তোমার আঙুল পুড়ে যাচ্ছে যে।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ইসলামিক বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ভাষা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    ‘ও!’

    শেষবারের মতো সিগারেটের টুকরোটাতে একটা টান মেরে সে ওটা মাটিতে ছুড়ে ফেলে দিয়ে মাড়িয়ে আগুনটা নেভাল।

    সেরিওজা এবার বলল, ‘তোমার ঐ হাতটা…ওটাও কী আগে পুড়িয়েছ নাকি?’

    লোকটা কোনো উত্তর দিল না। ওর দিকে করুণ কাতর দৃষ্টিতে একবার তাকিয়ে একটা মুখভঙ্গি করল শুধু। সেরিওজা অবাক হয়ে ভাবল ও কেন আমার দিকে অমন করে তাকাচ্ছে? লোকটা এবার ওকে প্রশ্ন করল :

    ‘আচ্ছা খোকা, তোমরা এখানে কেমন আছ? বেশ ভালো?’

    ‘হাঁ, খুব ভালো আছি।’

    ‘এখানে জিনিসপত্র বেশ ভালোই পাওয়া যায়?

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ই-বই
    বাংলা কবিতা
    বইয়ের
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বুক শেল্ফ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    ‘কী রকম জিনিসপত্র?

    ‘আচ্ছা, তোমাদের কী কী জিনিসপত্র আছে বল তো?’

    ‘আমার একটা সাইকেল আছে। তাছাড়া খেলনা তো আছেই। যত রকমের খেলনা চাও সব পাবে। লিওনিয়ার কিন্তু শুধু ঝুমঝুমি ছাড়া তেমন কোনো খেলনা নেই।’

    ‘আচ্ছা, তোমাদের কাপড়-চোপড় কোথায় থাকে বলতে পার খোকা? এই ধর কোট বা স্যুট তৈরি করবার কাপড়?’

    ‘ওসব তো আমাদের এখানে বিশেষ কিছু নেই। ভাস্কার মা’র ওখানে অনেক আছে।’

    ‘ভাস্কার মা কে? কোথায় থাকে?

    আরও কী কথাবার্তা ওদের চলত কে বলতে পারে। ঠিক সেই মুহূর্তে সদর দরজা খোলার শব্দ হল। লুকিয়ানিচ ঢুকেই লোকটাকে দেখতে পেয়ে বলল :

     

    আরও দেখুন
    Library
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বই পড়ুন
    বাংলা কবিতা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    অনলাইন বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    অনলাইন বুক

     

    ‘কে তুমি? কী চাও?’ লোকটা তাড়াতাড়ি উঠে দাঁড়িয়ে বেচারার মতো করুণ চোখে তার দিকে তাকিয়ে রইল।

    তারপর বলল, ‘আমি কাজ খুঁজছি।’

    ‘বাড়ির ভেতর ঢুকে কাজ খোঁজা হচ্ছে? কোথায় থাক তুমি?’

    ‘থাকবার জায়গা নেই এখন।’

    ‘আগে কোথায় থাকতে?’

    ‘অনেকদিন আগেই সে আস্তানা ঘুচে গেছে।’

    ‘তাহলে, জেলখানা থেকে ছাড়া পেয়ে এসেছ বুঝি?’

    ‘হাঁ, একমাস আগে ছাড়া পেয়েছি।’

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    অনলাইন বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বুক শেল্ফ

     

    ‘জেলে গিয়েছিলে কেন?’

    কিছুক্ষণ নীরব থেকে লোকটা বলল, ‘ওদের মতে আমার নিজের জিনিস আর পরের জিনিসে নাকি আমি তফাত কিছু দেখি নি। কিন্তু বিশ্বাস করুন, ওসব আমি কিছুই করি নি। ভুল করে ওরা আমাকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল।’

    ‘তা, ছাড়া পেয়ে তুমি তোমার বাড়িতে না গিয়ে এদিক-ওদিক ঘুরঘুর করছ কেন বল তো?’

    ‘বাড়ি গিয়েছিলাম। কিন্তু বৌ আমাকে ঘরে ঢুকতে দেয় নি। এখন সে অন্য একজন লোককে বিয়ে করেছে, সে একটা দোকানদার। তাই আমি ভবঘুরে হয়ে পথে পথে ঘুরছি আমার মা অনেক দূরে চিতায় থাকে। ভাবছি তার কাছেই চলে যাব।’

    সেরিওজা হাঁ করে অবাক হয়ে লোকটার কথা শুনছিল। এই লোকটা জেলে ছিল!….. বইয়ে সে জেলখানার ছবি দেখছে। শক্ত লোহার শিক দিয়ে ঘেরা জেলখানা। ঢাল-তলোয়ার হাতে গোঁফ-দাড়িওয়ালা পাহারাওয়ালারা জেলখানার ফটকে। লোকটার আবার মা-ও আছে তাহলে! মা নিশ্চয়ই ওর জন্য কত কাঁদে। বেচারি মা…ছেলে এবার মায়ের কাছে ফিরে গেলে মা না-জানি কত খুশি হবে! ছেলেকে মা এবার একটা পোশাক তৈরি করিয়ে দেবে, জুতোর ফিতেও কিনে দেবে…

     

    আরও দেখুন
    Library
    নতুন উপন্যাস
    Books
    বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা কবিতা
    সাহিত্য পত্রিকা

     

    লুকিয়ানিচ বলছিল, ‘চিতা…সে তো অনেকটা পথ। এখন তাহলে কী করবে শুনি? সৎপথে রোজগার করবে তো? না, আবার সেই রকম তোমার নিজের আর আমার জিনিসের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ রাখবে না?…’

    ‘আপনার এই কাঠগুলো চিরতে দিন আমায়’, লোকটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে বলল এবার।

    ‘আচ্ছা, বেশ তো। লুকিয়ানিচ চালাঘরের ভেতর থেকে একটা করাত এনে লোকটার হাতে দিল।

    পাশা খালা ওদের এই কথাবার্তা শুনতে পেয়ে কিছুক্ষণ হল উঠানের একপাশে এসে দাঁড়িয়েছিল। এবার কেন কে জানে খালা হঠাৎ মুরগিগুলোকে ওদের খুপড়িতে ঢুকবার জন্য ডাকাডাকি শুরু করে দিল। ওদের ঘুমের সময় কিন্তু এখনও হয় নি। তবুও খালা ওদের খাঁচায় পুরে ঘরের দরজাটায় তালা লাগিয়ে চাবিটা পকেটের রাখল। তারপর সেরিওজাকে ফিসফিস করে বলল :

    ‘লোকটার ওপর একটু নজর রেখ তো। দেখ, করাতটা যেন আবার নিয়ে না পালায়।’ তারপর থেকে সেরিওজা লোকটার আশপাশে ঘুরঘুর করতে লাগল। তার ডাগর দু-টি চোখে কেমন একটু কৌতূহল, সন্দেহ, ভয়, করুণা মেশানো বিচিত্র দৃষ্টি। আর লোকটার সঙ্গে কথা বলতে সাহস হচ্ছে না তার। লোকটার জীবন কী রহস্য আর বৈচিত্র্যে ভরা, একথা ভেবে ভেবে তাকে যেন সে একটু শ্রদ্ধার চোখেই দেখছে। লোকটাও আর কোনো কথা বলছে না। খুব উৎসাহ নিয়ে কাঠের বুকে করাত চালাচ্ছে। মাঝে মাঝে একটু বসে সিগারেট বানিয়ে ধোঁয়া ছাড়ছে।

     

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    Books
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা গল্প
    নতুন বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    সেরিওজাকে দুপুরে খেতে ডাকলে সে বাড়ির মধ্যে গেল। মা আর করোস্তেলিওভ আজ বাড়িতে নেই। ওরা তিনজনে খেতে বসল। খাওয়াদাওয়ার পর লুকিয়ানিচ পাশা খালাকে বলল :

    ‘ঐ লোকটাকে আমার পুরানো জুতোজোড়াটা দিয়ে দিও তো।’

    খালা বলল, ‘আরও কয়েকদিন ওটা তুমিই পরতে পারবে। লোকটার তো জুতো রয়েছে দেখলাম।

    ঐ জুতো পরে ও চিতায় পৌঁছতে পারবে নাকি?’

    ‘আচ্ছা, সে দেখা যাবে। কালকের অনেক খাবার রয়েছে, ওকে কিছু খেতে দিই।’

    লুকিয়ানিচ এবার বিশ্রাম করতে গেল। খালা খাবার টেবিলের উপর থেকে টেবিলক্লথটা সরিয়ে রাখল।

    সেরিওজা অবাক হয়ে প্রশ্ন করল, ‘টেবিলক্লথটা সরালে কেন?’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    বই পড়ুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    বাংলা গল্প
    বাংলা বই
    বাংলা ভাষা

     

    খালা বলল, ‘দেখছ-না কী রকম নোংরা লোকটা, টেবিলক্লথ ছাড়াই ওর চলবে।’

    তারপর খালা সুপটা গরম করে কয়েক টুকরো রুটি নিয়ে লোকটাকে ডেকে বলল : ‘এই যে খেয়ে নাও।’

    লোকটা এগিয়ে এলে খালা ওর হাতমুখ ধোয়ার জন্য জল ঢেলে দিল। ছোট একটা তাকের উপর দুটো পাত্রে সাবান ছিল। একটা গোলাপি রঙের, অন্যটা ছাই রঙের। লোকটা ছাই রঙের কাপড়কাচার সাবানটাকে নিয়ে হাত ধুল। গোলাপি রঙের সাবানটা দিয়ে যে হাতমুখ ধুতে হয় বেচারা বোধহয় তা জানেও না, হয়তো টেবিলক্লথ বা আজকের সুপের মতো গোলাপি সাবানটাও ওর জন্য নয়। ওকে কত নিরীহ আর গোবেচারাই-না মনে হচ্ছে! কিছুটা অদ্ভুতভাবে, কিছুটা সতর্কতার সঙ্গে সে রান্নাঘরের ভিতর দিয়ে গেল, যেন তার পায়ের ভরে মেঝেটা ভেঙে যাবে ভেবে ভয় পাচ্ছে। পাশা খালার নজর কিন্তু তার দিকে আছেই। তারপর খেতে বসে সে নিজের দেহের উপর হাত দিয়ে ক্রশচিহ্ন আঁকল। সেরিওজা দেখল, খালা ওতে খুশি হয়েছে। ওকে অনেকটা ঝোল আর রুটি দিয়ে বলল :

    ‘নাও, পেট ভরে খেয়ে নাও।’

     

    আরও দেখুন
    Library
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    গ্রন্থাগার সেবা
    সাহিত্য পত্রিকা
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা সাহিত্য
    উপন্যাস সংগ্রহ
    Books
    অনলাইন বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার

     

    লোকটা যেন চক্ষের পলকে সবটা ঝোল আর তিন টুকরো রুটি গোগ্রাসে গিলে ফেলল। খালা আরো একটু ঝোল আর ছোট্ট একটা গ্লাসে একটু ভদকা দিয়ে বলল :

    ‘এবার ভদকা খেতে পার। খালি পেটে খেলেই অসুখ করে।

    খুব খুশি হয়ে মুখের কাছে গ্লাসটা তুলে ধরে ও বলল :

    ‘ভগবান আপনার মঙ্গল করুন।’

    তারপর এক লহমায় তলানিটুকু পর্যন্ত ঢকঢক করে গিলে ফেলে শূন্য গ্লাসটা টেবিলের উপর রাখল। সেরিওজা সপ্রশংস দৃষ্টিতে ওকে দেখছিল আর ভাবছিল, সত্যি লোকটা কী চটপটে!

    ও এবার আস্তে আস্তে খেতে লাগল এবং খালার সঙ্গে বেশ আলাপ জমিয়ে তুলল। ওর বউ ওকে তাড়িয়ে দিয়েছে সেকথা খালাকে জানিয়ে ও বলল :

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বই
    অনলাইন বুক
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ইসলামিক বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ই-বই
    বাংলা কমিকস

     

    ‘জানেন, আমার অনেক জিনিস ছিল। সেলাইকল, গ্রামোফোন, বাসনপত্তর কোনোটার অভাব ছিল না…কিন্তু আমাকে ও একটা জিনিসও দিল না। আমাকে দেখেই বলল, ‘যেখান থেকে এসেছ সেখানেই ফিরে যাও। আমার জীবনটা তো নষ্ট করেছ, আর কেন?’ আমি ওকে অনেক অনুরোধ করে বললাম, শুধু গ্রামোফোনটা দাও আমাকে। ওটা তো আমাদের দু-জনের টাকায় কেনা হয়েছিল। তবু ওটা দিল না। সে তার নিজের পোশাক করেছে আমার স্যুট কেটে। আমার কোট বেচে দিয়েছে দোকানে।

    ‘আগে কেমন ছিলে? দু-জনে বেশ সুখে ছিলে?’ খালা প্রশ্ন করল।

    ‘হাঁ, একেবারে কপোত-কপোতীর মতো। আমাদের দু-জনের মধ্যে কত ভালোবাসাই না ছিল! আমার জন্য একেবারে পাগল ছিল সে। কিন্তু এখন সব বদলে গেছে। একটা হতচ্ছাড়া লোককে বিয়ে করেছে, লোকটা দেখতে কদাকার, বেঁটে, একটা দোকানদার।’

    তারপর সে তার মায়ের গল্প বলতে লাগল। মা ওকে জেলখানায় কত কী জিনিস পাঠাত তা-ও বলল। ওর দুঃখের কাহিনী শুনে খালা তো নরম হয়ে গেছে মনে হল। এবার কয়েক টুকরো মাংস আর চা এনে দিল। তারপর একটা সিগারেটও দিল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    বইয়ের
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    Library
    বাংলা ই-বুক রিডার
    অনলাইন বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    লোকটা আবার বলল, ‘মা’র কাছে যাচ্ছি। একটা কিছু তার জন্য নিয়ে যেতে পারলে ভালো হত। গ্রামোফোনটা যদি নিতে পারতাম!’

    সেরিওজা ভাবল, ‘সত্যি বেচারা গ্রামোফোনটা পেলে কত খুশি হত! ওরা মা-ছেলে গান বাজিয়ে শুনতে পেত!’

    পাশা খালা সান্ত্বনার সুরে বলল, ‘তুমি কাজকর্ম করতে আরম্ভ করলে সব ঠিক হয়ে যাবে দেখ। আবার সব হবে।’

    ‘সবই তো বুঝি! কিন্তু যা ঘটে গেছে তারপর কাজকর্ম পাওয়াও বড় মুশকিল কিনা। খালা ওর দুঃখে দুঃখিত হয়ে বুঝি একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলল।

    লোকটা আবার বলল, ‘আমি অনেক কিছুই হতে পারতাম, দোকানদারও হতে পারতাম, কিন্তু কিছু না করে আলসেমি করে জীবনের দামী সময়টা নষ্ট করলাম। এখন অনুতাপ হচ্ছে।’

    ‘সে তো তোমারই দোষ। কেন অমন করতে গেলে?’

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা কবিতা
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    Books
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    অনলাইন বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    ‘সে কথা ভেবে আজ আর লাভ কী বলুন? যা হবার হয়ে গেছে। আচ্ছা, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমি এবার বাইরে গিয়ে কাঠ চেরা শেষ করিগে।’

    লোকটা এবার উঠানে ফিরে গেল। কিন্তু টিপ টিপ করে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পাশা খালা সেরিওজাকে বাইরে যেতে দিল না।

    সেরিওজা হঠাৎ প্রশ্ন করল, ‘লোকটা ওরকম কেন?’

    ‘ও জেলে ছিল কিনা! সব তো শুনলেই।’

    ‘কেন জেলে গিয়েছিল?’

    ‘কোনো খারাপ কাজ করেছিল বোধহয়। ভালো কাজ করলে জেলে নিয়ে যেত না।’

    লুকিয়ানিচ দুপুরের ঘুমটুকু সেরে উঠে এবার আবার অফিসে যাবার জন্য তৈরি হচ্ছে। সেরিওজা তার কাছে এসে প্রশ্ন করল :

    ‘আচ্ছা, লোকে মন্দ কাজ করলে তাকে জেলে নিয়ে যায় বুঝি?’

    ‘হাঁ, ঐ লোকটা অন্যের জিনিস চুরি করেছিল কিনা। ধর, আমি পরিশ্রম করে টাকা রোজগার করলাম, তা দিয়ে একটা জিনিস কিনলাম। আর একটা লোক এসে সেটা না বলে নিয়ে গেল। এটা কি ভালো কাজ হল?’

    ‘না।’

    ‘নিশ্চয়ই না, এটা খুব অন্যায়।’

    ‘তাহলে, লোকটা ভালো নয়?

    ‘নিশ্চয়ই নয়।’

    ‘তা হলে খালাকে কেন বললে তোমার পুরনো জুতোজোড়াটা ওকে দিয়ে দিতে?’

    ‘ওর জন্য দুঃখ হল কিনা, তাই।’

    ‘যারা মন্দ কাজ করে, তাদের জন্য তা হলে তোমার কষ্ট হয়?’

    ‘হাঁ… তা কথাটা কী জান…ও যে মন্দ লোক তার জন্য আমার কষ্ট নয়। ওর ছেঁড়া জুতোটা দেখে, ওকে এরপর খালি পায়ে হাঁটতে হবে ভেবেই ওর জন্য কষ্ট হল। তা ছাড়া, কোনো লোককে তুমি মন্দ ভেবে সবসময় কেবল ঘৃণাই করতে পার না… তবে হাঁ, একথা সত্যি লোকটা চোর না হলে ওকে খুশি হয়ে খুব ভালো জুতোই দিতাম… আচ্ছা, এবার আমাকে যেতে হবে।’ লুকিয়ানিচ তাড়াতাড়ি চলে গেল।

    সেরিওজা ভাবতে থাকে লুকিয়ানিচ এমন সব অদ্ভুত কথা বলে যার কিছুই বোঝা যায় না যেন।

    জানালার ধারে দাঁড়িয়ে ও এবার বাইরের ঝিরঝিরে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে আনমনে ভেবে চলল লুকিয়ানিচের কথাগুলোর কী মানে হতে পারে। হঠাৎ দেখল লোকটা ছেঁড়া টুপিটা মাথায় দিয়ে একজোড়া জুতো হাতে নিয়ে রাস্তা দিয়ে চলে যাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর মা লিওনিয়াকে কোলে নিয়ে ফিরল।

    সেরিওজা তক্ষুনি মায়ের কাছে ছুটে গিয়ে প্রশ্ন করল, ‘আচ্ছা মা, তোমার মনে আছে স্কুলের একটা বাচ্চা ছেলে একবার একটা খাতা চুরি করেছিল? ওকে কি জেলে ধরে নিয়ে গিয়েছিল নাকি?’

    ‘কেন, জেলে নেবে কেন?’ মা অবাক হয়ে প্রশ্ন করল।

    ‘কিন্তু কেন জেলে নেবে না?’

    ‘ও তো বাচ্চা ছেলে। মাত্র আট বছর তো বয়স।’

    ‘তা হলে ছোট্ট ছেলেদের বুঝি ওসব করতে দেওয়া হয়?’

    ‘কী সব?’

    ‘চুরি।’

    ‘না, বাচ্চারাও চুরি করবে না। আমি ওকে খুব ধমকে দিয়েছিলাম, তাই আর কোনোদিন ও চুরি করবে না। কিন্তু এসব কথা ভাবছ কেন বল তো?’

    সেরিওজা এবার মা’কে জেল ফেরত ঐ লোকটার সব গল্প বলল। সব শুনে মা বলল, ‘হাঁ, কতকগুলো লোক ওরকম মন্দ থাকে। তুমি আরো বড় হলে এসব বিষয়ে তোমার সঙ্গে আলোচনা করব, কেমন? এখন খালার কাছ থেকে রিফু করার ছুঁচটা নিয়ে এস তো।’

    সেরিওজা ছুঁচটা নিয়ে এসে আবার বলল, ‘লোকটা কেন চুরি করল?

    ‘কাজ করতে ওর হয়তো ভালো লাগত না।’

    ‘কিন্তু ও কি জানত না চুরি করলে জেলে যেতে হয়।’

    ‘নিশ্চয়ই জানত।’

    ‘তা হলে? ওর ভয় করল না? জেলখানা তো খুব ভয়ঙ্কর জায়গা, না মা?’

    মা এবার বিরক্তিভরা সুরে বলে উঠল, ‘অনেক হয়েছে, আর নয় এসব কথা। আমি তো তোমাকে বললামই এখনও এসব ব্যাপার বুঝবার মতো বড় হও নি তুমি। অন্য কিছু ভাব, এ বিষয়ে আর একটি কথাও আমি শুনতে চাই না, বুঝলে?’

    সেরিওজা মায়ের বিরক্তিভরা মুখের দিকে তাকিয়ে চুপ করে গেল। তারপর রান্নাঘরে ঢুকে একটা গ্লাসে খানিকটা জল ঢেলে নিল। মাথা হেলিয়ে মুখটা যথাসম্ভব হাঁ করে জলটা এক ঢোকে গিয়ে ফেলবার চেষ্টা করল, কিন্তু জলটা পড়ে ওর জামা ভিজে গেল। পেছনের কলারটাও ভিজে সপসপে হয়ে গেল, পিঠে জল গড়িয়ে পড়ল। কিন্তু ভিজে শার্টের কথা সে কাউকে কিছু বলল না। বললেই ওরা সবাই তাকে বকবে আর এ নিয়ে অকারণ হৈ হৈ শুরু করবে। রাত্রিবেলা ঘুমুতে যাবার আগে ভিজে শার্টটা তার গায়েই শুকিয়ে গেল।

    …সে ঘুমিয়ে পড়েছে ভেবে বড়রা খাবারঘরে বেশ জোরে জোরে কথা বলতে শুরু করল।

    করোস্তেলিওভকে বলতে শুনল, ‘সব ব্যাপারেই একটা হাঁ কি না স্পষ্ট জবাব শুনতে চায় ও। এই দুয়ের মাঝে কিছু-একটা বললেই ও বেচারা ঠিক বুঝে উঠতে পারে না।’

    লুকিয়ানিচ বলছে, ‘আমি তো পালিয়ে বাঁচলাম তখন। ওর হাজার প্রশ্নের জবাব কে দেবে?’

    মা বলছে, ‘বাচ্চাদের সব প্রশ্নর উত্তর দিতে নেই। ও যা বুঝবে-না তা নিয়ে ওর সঙ্গে আলোচনা করা কেন? তাতে কী লাভটা হবে শুনি; এবং উল্টো ফল হয় তাতে। ওর মনের ওপর অকারণ চাপ পড়ে আর আজেবাজে যত ভাবনা ভাবতে শুরু করে। একটা লোক খারাপ কাজ করলে শাস্তি পায়, ব্যস, শুধু এটুকু জানাই ওর পক্ষে যথেষ্ট। তোমাদের কাছে অনুরোধ করছি ওর সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে কখনো এত আলোচনা করো না তোমরা।’

    লুকিয়ানিচ এবার প্রতিবাদের সুরে বলল, ‘কে ওর সঙ্গে ওসব নিয়ে আলাপ করতে গেছে? ওই তো প্রশ্নের পর প্রশ্ন করেছে।’

    পাশের অন্ধকার ঘর থেকে সেরিওজা এবার চাপা গলায় ডাকল, ‘করোস্তেলিওভ!’

    সবাই তক্ষুনি নীরব হয়ে গেল…

    করোস্তেলিওভ উত্তর দিল, ‘এই যে আমি, যাচ্ছি। এবং ঘরে ঢুকে গেল।

    সেরিওজা প্রশ্ন করল, ‘আচ্ছা, দোকানদার কাকে বলে?

    করোস্তেলিওভ স্নেহ-মাখান স্বরে বলল, ‘এখনও ঘুমোও নি দুষ্টু ছেলে? এই যে আমি তোমার পাশে বসেছি, নাও এক্ষুনি ঘুমিয়ে পড় লক্ষ্মী ছেলের মতো, কেমন?’ সেরিওজা তেমনই বড় বড় চোখ দুটি মেলে অস্পষ্ট আলোতে তাকিয়ে রইল তার প্রশ্নের উত্তর শোনার আশায়। করোস্তেলিওভ তার মুখের কাছে উপুড় হয়ে পড়ে খুব চুপিসারে (যাতে ও-ঘর থেকে মা কিছু শুনতে না পায়) তার প্রশ্নের জবাবটা তার কানে কানে বলে দিল…।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleম্যানস সার্চ ফর মিনিং – ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    Next Article মূলধারা ’৭১ – মঈদুল হাসান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }