Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পিতা ও পুত্র – ভেরা পানোভা

    ভেরা পানোভা এক পাতা গল্প194 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাইকেল কেনা হল

    রবিবার আবার সেই কাঁধে চড়ে সে সাইকেল কিনতে চলল।

    রবিবারটাও হঠাৎ যেন এসে পড়ল। আর এসে পড়তেই সে আনন্দে উত্তেজনায় পাগল হয়ে উঠল।

    করোস্তেলিওভকে প্রশ্ন করল, ‘আজকের কথা মনে আছে তো?’

    ‘নিশ্চয়ই মনে আছে, অতবড় দরকারি কথা ভুলতে পারি নাকি? দু-একটা হাতের কাজ সেরেই আমরা যাব।’

    এই কাজের কথাটা একেবারেই কিন্তু বাজে। শুধু মায়ের সঙ্গে বসে বসে গল্প করা ছাড়া তার কোনো কাজই করবার নেই। আর এই কথা বা গল্পও কেমন যেন একঘেয়ে আর বোকা বোকা। কিন্তু ওরা দু-জনেই এরকম কথা বলতেই বেশ ভালোবাসে তা বোঝা যায়। কারণ ওরা কথা বলতে আরম্ভ করলে আর শেষ করতে চায় না। বিশেষ করে মা তো একই কথা বার বার বলবেই। ক’বার সেরিওজা ওদের দু-জনের এপাশ-ওপাশ থেকে নীরবে লক্ষ করেছে, ওরা দু-জনে চুপি চুপি একটা কথাই কেবল বলে যাচ্ছে। সে শুধু অবাক হয়ে ভাবে কখন ওরা ক্লান্ত হয়ে এরকম বকানি বন্ধ করবে।

    মা ফিস ফিস করে বলছে, ‘তুমি এত দরদি, তোমার সমস্ত বুক দিয়ে সবকিছু বুঝতে পার বলেই আমি এত সুখী হয়েছি।’

    করোস্তেলিওভও বলছে, ‘সত্যি কথা বলতে কি, তোমাকে দেখবার আগে এসব বিষয় আমি অন্তর দিয়ে ঠিক বুঝতে পারি নি। কত জিনিসই বুঝতে পারতাম না আগে—কবে থেকে বুঝতে পারলাম বল দেখি? ঠিকই বুঝতে পারছ তো?’

    তারপর ওরা দু-জন দু-জনের হাত ধরল।

    মা বলল, ‘তখন আমি ছিলাম ছোট। ভাবতাম আমি খুব সুখে আছি। তারও পর মনে হত দুঃখে একেবারে মরে যাব। আজ কিন্তু সে সব স্বপ্ন মনে হচ্ছে…’

    করোস্তেলিওভের দুই হাতের মধ্যে নিজের মুখখানি লুকিয়ে মা কেবলই একটা কথা বিড়বিড় করে বলছে এবার :

    ‘আমি যেন মধুর একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম, ঘুমের আবেশে শুধু যেন একটা সুখস্বপ্ন। তারপর যেন হঠাৎ সেই ঘুম ভেঙে জেগে দেখি তুমি-তুমি রয়েছ আমার পাশে…

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ভাষা
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    অনলাইন বই

     

    করোস্তেলিওভ মা’কে কথা বলতে না দিয়ে বলে উঠল, ‘আমি তোমায় ভালোবাসি।’

    মা কিন্তু তার কথায় এতটুকুও বিশ্বাস করতে পারছে না। বার বার কেবল বলছে, ‘সত্যি বলছ?’

    ‘ভালোবাসি, প্রাণ দিয়ে ভালোবাসি…’

    ‘সত্যি ভালোবাস?’

    মা যেন কী! বার বার একটা কথাই বলছে কেন?

    করোস্তেলিওভই-বা দিব্যি করে কিংবা ভয়ানক একটা শপথ করে কথাটা বলছে না কেন? তাহলে তো মা আর অবিশ্বাস করতে পারবে না।

    এবার করোস্তেলিওভ কোনো কথা না বলে মা’র দিকে অপলকে তাকিয়ে আছে শুধু। বোধহয় তার আর কথা বলতে ইচ্ছে করছে না। মা-ও কেমন তার দিকে একভাবে তাকিয়ে আছে। উঃ, ওরা দু-জন দু-জনের দিকে এমনি করে আর কতক্ষণ তাকিয়ে থাকবে? অনেকক্ষণ পর মা আবার বলল, ‘আমি তোমায় ভালোবাসি।’ (এ যেন একটা খেলা। একই কথা কতবার কতভাবে বলা।)

     

    আরও দেখুন
    Books
    অনলাইন বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    PDF
    অনলাইন বুক
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ভাষা
    Library

     

    সে ভাবতে লাগল, ওরা কখন এসব একঘেয়ে বাজে কথা বন্ধ করবে?

    কিন্তু সে জানে বড়রা যখন নিজেদের মধ্যে কথা বলে তখন তাদের কোনোমতেই বিরক্ত করা চলে না। ওটা ওরা কিছুতেই সহ্য করতে পারে না।

    সে যদি এখন ওদের মাঝখানে গিয়ে দাঁড়ায় তাহলে না-জানি ওরা রেগে কী করবে! একপাশে চুপটি করে এমনি দাঁড়িয়ে থেকে মাঝে মাঝে ফোঁস ফোঁস করে নিঃশ্বাস ফেলে সে যে ওখানে দাঁড়িয়ে আছে সে কথাটা ওদের বুঝিয়ে দেওয়া ছাড়া কিছুই তো সে করতে পারে না।

    কিন্তু আর কিছুক্ষণ পর তার কষ্টের শেষ হল মনে হয়। করোস্তেলিওভ শেষ পর্যন্ত মাকে বলল, ‘আমাকে একঘণ্টার জন্য একটু বাইরে যেতে দাও মারিয়াশা! সেরিওজা আর আমি একটা জরুরি কাজে যাচ্ছি।’

    তারপর করোস্তেলিওভের কাঁধে চড়ে ভালো করে চারদিকে তাকাবার আগেই সে খেলনার দোকানে পৌঁছে গেল। করোস্তেলিওভের পা দুটো কী লম্বা আর কী তাড়াতাড়িই-না চলে! আশ্চর্য! দোকানের দরজায় পৌঁছে করোস্তেলিওভ তাকে কাঁধ থেকে নামিয়ে দিয়ে দু-জনে ভেতরে ঢুকল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বই
    Library
    Books
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    ওঃ! কত রকমারি সুন্দর সুন্দর খেলনা চারদিকে! ফোলা ফোলা গালের ঐ যে একটা ডল পুতুল তার দিকে তাকিয়ে হাসছে যেন! ওটার ছোট্ট পা দুখানিতে আবার চামড়ার জুতোও পরান রয়েছে যে। একটা লাল রঙের ড্রামের উপর নীল ভালুকের গোটা একটা পরিবার আরামে বসে আছে। একটা পাইওনিয়র শিঙা সোনার মতন ঝিকমিক করছে। আরো কত কী খেলনা ছড়ানো রয়েছে এদিকে-ওদিকে। কোনদিকে তাকাবে, কোনটা দেখবে! আশায় আনন্দে সে দিশেহারা হয়ে যাচ্ছে যেন… ভেতর থেকে একটা বাজনার সুর ভেসে আসছে। উকি মেরে দেখে একটা লোক একটা একর্ডিয়ান খেয়ালখুশিমতো প্যাঁ পোঁ করে টানছে আর বন্ধ করছে। ওটার ভিতর থেকে কান্নার মতো একটা যন্ত্রণার সুর বেজে উঠছে শুধু। তারপরেই আবার থেমে যাচ্ছে। এবার মিষ্টি গানের হালকা সুর শুনতে পেল সে। রবিবারের পোশাকপরা কতকগুলো লোক দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গান শুনছে। কাউন্টারের ওপাশে এক বুড়ো দোকানি দাঁড়িয়ে আছে। করোস্তেলিওভকে দেখে সেই লোকটা এগিয়ে এসে প্রশ্ন করল, ‘কী দেখবেন?

    ‘এই বাচ্চার জন্য একটা সাইকেল দেখান।

    লোকটা ঝুঁকে পড়ে সেরিওজাকে এক পলক দেখে নিয়ে বলল, ‘তিন চাকার সাইকেল তো?’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    নতুন বই
    বাংলা ভাষা
    Books
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    সেরিওজা তক্ষুনি কাঁপা গলায় বলে উঠল, ‘না, না, তিন চাকার সাইকেল আমি নেব না।’

    লোকটা এবার হাঁক দিল, ‘ভারিয়া!’

    কিন্তু কেউ এল না, আর বুড়োটাও তার কথা ভুলে গিয়ে ঐ লোকগুলোর কাছে গিয়ে এটা-ওটা কী করতে লাগল। মিষ্টি মজার গানের সুর বন্ধ হয়ে গেছে। তার বদলে কেমন একটা দুঃখের গান বাজতে লাগল। একি, ওরা কেন এখানে এসেছে সে কথা নিঃশেষে ভুলে গিয়ে করোস্তেলিওভও যে লোকগুলোর কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। ওরা সবাই এক মনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কী করছে কে জানে…সেরিওজা এবার অধৈর্য হয়ে করোস্তেলিওভের জ্যাকেট ধরে টান দিল সে যেন ঘুম থেকে জেগে উঠল। তারপর একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে বলল, ‘আঃ! কী সুন্দর গান!’

    সেরিওজা চেঁচিয়ে উঠল, ‘আমাদের সাইকেল দেবে নাকি?’

    বুড়ো আবার চিৎকার করল, ‘ভারিয়া!’

     

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    PDF
    Books
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    ই-বই ডাউনলোড
    অনলাইন বুক
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য

     

    এখন তাহলে ভারিয়া নামে লোকটার ওপরেই নির্ভর করছে সে সাইকেল পাবে কি পাবে না। যাক, শেষ পর্যন্ত কাউন্টারের পেছনে তাকের পাশের ছোট্ট দরজাটি দিয়ে একটি মেয়ে ঘরে ঢুকল। বোঝা গেল ওরই নাম ভারিয়া। ভারিয়া একটা পাউরুটি চিবোতে চিবোতে এগিয়ে এল। বুড়ো সেরিওজাকে দেখিয়ে তাকে এবার বলল, ‘গুদাম ঘর থেকে এই ভদ্রলোকটির জন্য একটা সাইকেল নিয়ে এস তো।’ হাঁ, ওকে বাচ্চাছেলে না বলে এরকম ভদ্রলোক বলাটাই তো সত্যিকারের ভদ্রতা।

    গুদামঘরটা মনে হচ্ছে পৃথিবীর অপর প্রান্তে! ভারিয়া যে গেল আর আসার নাম নেই। বাজনাটা নিয়ে টুং টাং করছিল যে লোকটা তার ওটা কেনা হয়ে গেল। করোস্তেলিওভ একটা গ্রামোফোন কিনল। গ্রামোফোন যন্ত্রটা কী অদ্ভুত! একটা বাক্সের উপর কালো একটা প্লেটের মতো কী বসিয়ে দিলেই প্লেটটা ঘুরতে ঘুরতে তোমার খুশিমতো মজার বা দুঃখের যে কোনো একটা গান বাজতে শুরু হয়ে যাবে। কাউন্টারের উপর ওরকম একটা বাক্সেই এতক্ষণ গানটা বাজছিল। করোস্তেলিওভ কাগজ মোড়ানো এক গাদা প্লেটের মতো ঐ জিনিসগুলো কিনল। দু-বাক্স ছুঁচের মতো পিন নাকি বলে ওগুলোকে, তা-ও নিল।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    বাংলা লাইব্রেরী
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন বুক
    ই-বই ডাউনলোড

     

    সেরিওজার দিকে তাকিয়ে একটু হেসে বলল, ‘তোমার মা’র জন্য এই উপহারটা কিনলাম।’

    সবাই বুড়োর দিকে হাঁ করে তাকিয়ে দেখছে কেমন করে সে জিনিসগুলো সব বেঁধে ছেঁদে দিচ্ছে। তারপর ভারিয়া যেন পৃথিবীর ওপার থেকে সাইকেল নিয়ে এসে উপস্থিত হল। স্পোক, বেল, দুটো হাতল, পাদানি, বসবার জন্য চামড়ার গদি আর একটা ছোট্ট লাল আলোও আছে তাতে! সাইকেলটার পেছনে হলদে রঙের টিনের প্লেটের ওপর একটা নম্বর লেখা রয়েছে যে!

    বুড়ো এবার সাইকেলটা হাতে নিয়ে বলতে শুরু করল, ‘দেখুন, জিনিসটা কী চমৎকার! এমন জিনিস আর অন্য জায়গায় পাবেন না। এই যে, সামনের চাকাটা ঘোরান, ঘণ্টিটা বাজান, পাদানিতে চাপ দিন, দেখুন, ভালো করে দেখুন-না সব। সত্যি জিনিসটা খুব সুন্দর আর মজবুত। ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন, জীবনভর আমাকে ধন্যবাদ জানাবেন।

    করোস্তেলিওভ সাইকেলটা হাতে নিয়ে ভালো করে পরীক্ষা করে দেখতে লাগল। সেরিওজা অবাক বিস্ময়ে শুধু হাঁ করে দেখছে আর ভাবছে—এই অপূর্ব সুন্দর জিনিসটা তাহলে ওরই জন্য কেনা হল? এ যেন ঠিক বিশ্বাস করা যায় না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    নতুন উপন্যাস
    PDF
    বই পড়ুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    তারপর সে সেই সাইকেলে চেপেই বাড়ি ফিরল। অর্থাৎ চামড়ার নরম গদিতে বসে ছোট্ট দু-হাতে হাতল দুটি আঁকড়ে ধরে, বেয়াড়া পাদানিতে পা দেবার আপ্রাণ চেষ্টা করে সে খুশি মনে সাইকেলের উপর বসে আছে আর করোস্তেলিওভ প্রায় কুঁজো হয়ে সাইকেলশুদ্ধ ওকে টেনে নিয়ে চলেছে। বাড়ির দরজা পর্যন্ত সে ওকে এনে সাইকেলটাকে বেঞ্চের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড় করিয়ে বলল :

    ‘এবার নিজে নিজে চড়বার চেষ্টা কর, আমি তো ঘেমে গিয়েছি।’

    করোস্তেলিওভ এবার বাড়ির ভেতরে ঢুকে গেল। জেঙ্কা লিদা আর শুরিক ওদিক থেকে সেরিওজাকে দেখতে পেয়েই দৌড়ে এল।

    সেরিওজা ওদের দিকে তাকিয়ে গর্বভরা সুরে বলল এবার, ‘আমি এরই মধ্যে এটা চালাতে শিখে গেছি! সরে যাও, সরে যাও তোমরা। না হয় চাপা দেব কিন্তু!’

    সেরিওজা সাইকেলটায় চেপে একটু চালাবার চেষ্টা করতেই ধপাস্ করে মাটিতে পড়ে গেল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    Books
    অনলাইন বই
    বাংলা বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা গল্প
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বিনামূল্যে বই
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    ‘ওঃ! বলেই সে তাড়াতাড়ি গা-ঝাড়া দিয়ে উঠে পড়ে হাসতে চেষ্টা করল। যেন এতে ওর কিছুই হয় নি। কৈফিয়তের ভঙ্গিতে বলল, ‘হাতলটা উল্টো দিকে ঘুরিয়েছি কিনা তাই এমনটি হল। আর পাদানিতে পা দেওয়া তো মুশকিল!’

    জেঙ্কা উপদেশ দিল, ‘জুতো খুলে ফেল। খালি পায়ে বেশ সুবিধে হবে। তাহলে পায়ের আঙুল দিয়ে পাদানি চেপে ধরতে পারবে। দেখি, একটু আমি চড়ি, শক্ত করে ধরে রাখ দেখি—আরও শক্ত করে।’ জেঙ্কা এবর সাইকেলের উপর উঠে বসল।

    সবাই মিলে সাইকেলটাকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরলেও জেঙ্কা ওটা চালাতে চেষ্টা করতেই শুধু একা নয়, সেরিওজাকে নিয়েই আছাড় খেল।

    লিদা এবার চেঁচিয়ে উঠল, ‘এবার আমি চড়ব!’

    শুরিক বলল, ‘না, না, আমি?’

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    সাহিত্য পত্রিকা
    বই পড়ুন
    Library
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা কমিকস
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    জেঙ্কা গা ঝাড়তে ঝাড়তে বলল, ‘এখানটায় কী ধুলো। তাই এখানে চালান শেখা যাবে না। এসো, আমরা ভাস্কার গলিতে গিয়ে শিখি।’

    ভাস্কার বাগানের পেছনে একটুখানি খালি সবুজ জমি, তারই গায়ে একটা কানাগলিকে ওরা বলত ভাস্কার গলি। তার একদিকে উঁচু বেড়া-দেওয়া কাঠের গুদাম। নরম সবুজ ঘাসে মনে হয় জায়গাটায় যেন সুন্দর গালিচা বিছানো রয়েছে। খেলাধুলোর পক্ষে জায়গাটা ভারি চমৎকার, কারণ বড়রা কেউ এখানে বিরক্ত করে না। তিমোখিনের বাড়ির সীমানায় বেড়া পর্যন্ত এসে জায়গাটা শেষ হয়ে গেছে। ভাস্কার মা আর শুরিকের মা দু-জনেই তাদের বেড়া ডিঙিয়ে গোবর মাটি নোংরা সমস্ত কিছু এদিকটায় ফেললেও জায়গাটার মালিকানাস্বত্ব নিয়ে তারা কেউ কখনো বাদানুবাদ করে নি। সবাই একবাক্যে মেনে নিয়েছে এটা ভাস্কারই গলি।

    জেঙ্কা, লিদা, শুরিক সবাই মিলে সাইকেলটাকে টানতে টানতে ভাস্কার গলিতে নিয়ে চলল। সেরিওজা ওদের পেছন পেছন ছুটতে লাগল। চলতে চলতে ওরা কে আগে শিখবে সেই নিয়ে তুমুল তর্ক শুরু করল। জেঙ্কা বলল, সে ওদের মধ্যে বয়সে বড়, তাই  আগে শিখবার অধিকারটা একমাত্র তারই। তারপর লিদা, তারপর শুরিক। সবশেষে সেরিওজাকে দিল চড়তে। কিন্তু একটু পরেই জেঙ্কা চেঁচিয়ে উঠল আবার, ‘নাও, হয়েছে! এবার আমার পালা!’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    Books
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা উপন্যাস
    বুক শেল্ফ
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

     

    এত তাড়াতাড়ি সাইকেলটা ছেড়ে দিতে সেরিওজার মন চায় না, ছোট্ট ছোট্ট হাত-পা দিয়ে সে সাইকেলটাকে জড়িয়ে ধরে বলল, ‘না, না, আমি আরো একটু চড়ব! এটা তো আমার সাইকেল!’

    শুরিক তখনই বলে উঠল, ‘কী ছোটলোক!’

    লিদাও বিশ্রী মুখভঙ্গি করে ওকে ভেংচাতে লাগল, ‘কী কিপ্টে বাবা, কী ছোটলোক! কৃপণ, নিজের জিনিস আঁকড়ে ছোটলোকি! ছি, ছি, লজ্জাও হয় না!’

    আর একটিও কথা না বলে সেরিওজা সাইকেলটা ছেড়ে দিল। তারপর তিমোখিনের বাড়ির বেড়ার সামনে গিয়ে ওদের দিকে পেছন ফিরে কাঁদতে লাগল। সে এখন সমস্ত প্রাণমন দিয়ে সাইকেলটাকে নিজের করে পেতে চাইছে আর ওরা বয়সে বড় বলে, ওদের গায়ের জোর তার চেয়ে অনেক বেশি বলে তাকে তারা আমলই দিতে চাইছে না, এটা কিন্তু ভারি অন্যায়। তাই সে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল।

    কিন্তু ওরা কেউ তার দিকে একবার ফিরেও তাকাল না। ওদের মাতামাতি চিৎকার আর সাইকেলটার ঝনঝনানি শব্দ সে পেছনে না ফিরেও ঠিক শুনতে পাচ্ছে। কেউ তাকে ডাকল না, বলল না তো, ‘এবার তোমার পালা, এস। ওদের তৃতীয় পালা চলছে এবার! আর সে কেঁদেই চলেছে। এমন সময় হঠাৎ ভাস্কা বেড়ার ওদিক থেকে দেখা দিল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    নতুন উপন্যাস
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা গল্প
    বইয়ের
    নতুন বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার

     

    কোমর পর্যন্ত খালি গা, বড় ট্রাউজার পরা, আঁটসাঁট করে কোমরে বেল্ট বাঁধা, টুপি মাথায় ভাস্কাকে বেশ চটপটে দেখাচ্ছে। এদিকে এক পলক তাকিয়েই ও ব্যাপারটা যেন এক মুহূর্তে বুঝে নিল।

    তারপর চিৎকার করে উঠল, ‘এই, কী করছ তোমরা? এটা তোমাদের সাইকেল, নাকি, ওর? সেরিওজা, এদিকে এস তো!’

    ভাস্কা বেড়া ডিঙিয়ে এদিকটায় এসে ওদের হাত থেকে সাইকেলটা তক্ষুনি ছিনিয়ে নিয়ে নিল। জেঙ্কা লিদা আর শুরিক কথাটি না বলে একপাশে সরে দাঁড়াল। সেরিওজা দু-হাতে চোখ কচলাতে কচলাতে এদিকে এগিয়ে এল এবার। লিদা গোমড়া মুখে বলল, ‘তোমরা দুটিতেই বড় ছোটলোক!’

    ভাস্কা ধমকে উঠল, ‘আর তুমি? স্বার্থপর, পাজি!’ আরো কী গালাগালি দিয়ে শেষে বলল, ‘সবার ছোট যে তাকেই আগে শিখতে দিতে হয় তা-ও জান না বুঝি? এস, সেরিওজা, এস তো।’

    সেরিওজা এবার সাইকেলটায় চড়ে বসল। লিদা ছাড়া আর সবাই ওকে শিখতে সাহায্য করল। লিদা ঘাসের উপর লেপটে বসে একমনে ঘাসফুল ছিঁড়ে ছিঁড়ে মালা গাঁথতে লাগল যেন ঐ সাইকেল চড়ার থেকে এতেই আনন্দ বেশি। তারপর কিছুক্ষণ পর ভাস্কা বলল, ‘এখন আমি চড়ব, কেমন!’ সেরিওজা খুশিমনেই ওকে সাইকেলটা ছেড়ে দিল। ভাস্কার জন্য সে এখন সব কিছু ছাড়তে পারে। তারপর আবার সে চড়ল। এখন সে একা একা চড়তে বেশ শিখে গেছে। মাটিতে না পড়ে কিছুক্ষণ এদিক-ওদিক ঘুরল। এদিক-ওদিক হেলেদুলে পড়ি পড়ি করে শেষ পর্যন্ত না-পড়ে সে খানিকটা চড়তে শিখল। ওর পা চাকার মধ্যে ঢুকে যাওয়ায় চারটে স্পোক খুলে এল। কিন্তু হলে কী হবে, সাইকেলটা এত চমৎকার যে তবুও সেটা ঠিকই চলছে। এবার অন্য ছেলেদের জন্য সেরিওজার কষ্ট হল।

    ‘ওরাও চড়ুক, আমি আবার না-হয় চড়ব’, বলে সে ওদের হাতে সাইকেলটা দিয়ে দিল।

    কিছুক্ষণ পর খালা বাগানে কী কাজে এসে কান্নার শব্দ শুনতে পেয়ে তাকিয়ে দেখে সেরিওজা ভেউ ভেউ করে কাঁদছে। একটু এগিয়ে এসে দেখে একটা বিচিত্র শোভাযাত্রা এদিকেই আসছে। প্রথমে সেরিওজা হাতলটি হাতে নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে আসছে। তারপর ভাস্কা সাইকেলের কাঠামোটা হাতে নিয়ে, তার পেছনে জেঙ্কার দু-কাঁধে দুটো চাকা ঝুলছে। লিদার হাতে ঘণ্টিটা আর শুরিক সবার শেষে এক বান্ডিল স্পোক হাতে নিয়ে চলেছে।

    খালা বলে উঠল, ‘কী সর্বনাশ!’

    শুরিক বলল, ‘আমরা কিছু করি নি কিন্তু। ও নিজেই এই কাণ্ডটা করেছে। চাকার মধ্যে ওর পা ঢুকে গিয়েছিল কিনা।’

    করোস্তেলিওভ এতক্ষণে বাইরে এসে দেখতে লাগল, ব্যাপারটা কী। তারপর বলল, ‘বাঃ! জিনিসটার বেশ সদ্ব্যবহার করেছ তো!’

    সেরিওজা এবার চিৎকার করে কেঁদে উঠল।

    করোস্তেলিওভ ওর কাছে এসে বলল, ‘না, আর কেঁদ না! ওটা সারিয়ে আনব দেখ। কারখানায় নিয়ে গেলেই ওরা আবার ওটাকে একেবারে নতুন করে দেবে।’

    কিন্তু সেরিওজা মাথা নিচু করে খালার ঘরে ঢুকে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতেই লাগল। করোস্তেলিওভ ওকথা শুধু তাকে সান্ত্বনা দেবার জন্যই বলেছে। ভাঙা টুকরোগুলোকে জোড়া লাগিয়ে দিলেই আবার কি ওটা আগের মতো সুন্দর চকচকে সাইকেল হবে? কেউ ওটাকে সারাতে পারবে না। সে কি তা বোঝে না? তাকে শুধু শুধু ভাঁওতা দেওয়া হচ্ছে কেন? আবার নরম গদিতে বসে ঘণ্টি বাজিয়ে ওটাকে আর সে চালাতে পারবে না কোনোদিন। সোনালি রোদ ওটার চাকার ঝকঝকে স্পোকগুলোর গায়ে পড়ে আবার ঝিকমিক করে উঠবে কোনোদিন? অসম্ভব! একেবারেই গিয়েছে ওটা। —সারাটা দিন সেরিওজা কেঁদে কেঁদে চোখ মুখ ফুলিয়ে গোমড়া হয়ে রইল। করোস্তেলিওভ ওর গ্রামোফোনটা বাজাতে আরম্ভ করলেও সে তাতে একটুও আনন্দ পেল না, একটুও হাসল না।

    কত মজার মজার হাসির গান পাড়ার সবাই একমনে শুনল। কিন্তু তার কিছুই ভালো লাগছে না। নিজের দুঃখের ভাবনা ভাবতে ভাবতে সে সারাটা দিন মনমরা হয়ে রইল।

    …কিন্তু তারপর কী হল বল দেখি? সাইকেলটাকে কয়েক দিনের মধ্যেই সারিয়ে আনা হল। করোস্তেলিওভ তাহলে বাড়িয়ে বলে নি! সে ওটাকে ‘ইয়াসি বেরেগ’ ফার্মে নিয়ে গিয়ে মিস্ত্রি দিয়ে সুন্দর করে সারিয়ে নিয়ে এল। মিস্ত্রি বলে দিল বড়রা যেন আর না চড়ে, তাহলে কিন্তু আবার সেই কাণ্ড হবে। ভাস্কা আর জেঙ্কা একথা শুনল, তারপর থেকে শুধু সেরিওজা আর শুরিক মজা করে চড়তে লাগল। বড়রা কেউ ধারেকাছে না থাকলে লিদাও কখনো কখনো চড়ে বসত। তা, লিদা তো রোগা আর হালকা, তাই ও চড়লে ক্ষতি কিছু হবে না ভেবে সেরিওজা ওকে খুশিমনেই চড়তে দিত।

    কিছুদিনের মধ্যেই সেরিওজা সাইকেল চালানোয় পাকা ওস্তাদ হয়ে উঠল। দু-হাত বুকে গুটিয়েও ঢালু রাস্তায় সে বেশ চালাতে পারত। কিন্তু কী আশ্চর্য, সেই প্রথম দিনটির মতো যেন আর সেই রোমাঞ্চকর মজা নেই এতে…

    তারপর একদিন সাইকেল চড়তে আর ভালো লাগল না। রান্নাঘরের এককোণে লাল আলো আর রুপোর মতো ঝকঝকে ঘণ্টিটা বুকে নিয়ে মজবুত সুন্দর সাইকেলটা দাঁড়িয়ে রইল দিনের পর দিন। সেরিওজা পায়ে হেঁটেই এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা শুরু করল আবার। সাইকেলটার কথা যেন সে ভুলেই যেতে লাগল। আর ওটাকে আগের মতো ভালো লাগে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleম্যানস সার্চ ফর মিনিং – ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    Next Article মূলধারা ’৭১ – মঈদুল হাসান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }