Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পিতা ও পুত্র – ভেরা পানোভা

    ভেরা পানোভা এক পাতা গল্প194 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বড় মায়ের শবযাত্রা

    বড় মা নাকি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। দু-দিন ধরে সবাই বলাবলি করল তাকে হাসপাতালে দেখতে যাওয়া উচিত, কিন্তু কেউই আর গিয়ে উঠতে পারল না। তারপর তৃতীয় দিন হঠাৎ নানি এসে উপস্থিত। তখন বাড়িতে শুধু সেরিওজা আর পাশা খালা আছে। নানি আগের চাইতেও যেন আজ অনেক বেশি গুরুগম্ভীর, হাতে সেই কালো ব্যাগ। গতানুগতিক কুশল প্রশ্নের পর নানি বসে পড়ে বলল, ‘মা মারা গেছেন।

    পাশা খালা তক্ষুনি হাত দিয়ে ক্রশ করে প্রার্থনার ভঙ্গিতে বলল, ‘তার আত্মার শান্তি হোক।

    নানি এবার তার ব্যাগটা খুলে একটা বেরি বের করে সেরিওজার দিকে এগিয়ে ধরল। তারপর বলল, ‘আমি মায়ের জন্য কয়েকটা জিনিস নিয়ে যেতে ওরা বলল মা আর নেই, ঘণ্টা দুয়েক হল মারা গেছেন। এই যে নাও সেরিওজা, বেরিগুলো ধোয়াই আছে, খেয়ে ফেল। বেশ মিষ্টি। মা খুব ভালোবাসতেন। চায়ের মধ্যে রেখে নরম করে তিনি খেতেন। ওগুলো তুমিই নাও, খেয়ে ফেল। নানি ব্যাগ থেকে অনেকগুলো বেরি বার করে টেবিলের উপর রাখল।

    পাশা খালা এবার বলল, ‘সব দিয়ে দিচ্ছেন কেন? আপনিও কয়েকটি খান।’

    নাস্তিয়া নানি কাঁদতে শুরু করল।

    কাঁদতে কাঁদতে বলল, ‘না, আমি খাব না। মায়ের জন্য কিনেছিলাম।’

    ‘ওঁর বয়স কত হয়েছিল?’ খালা প্রশ্ন করল।

    ‘বিরাশি বছর। অনেকে তো আরো কত বেশি দিন বাঁচে। মা আমার নব্বুই বছর বাঁচলেই-বা কী হত।

    খালা বলল, ‘নিন, এই দুধটা খেয়ে ফেলুন। খুব ঠাণ্ডা। শোক দুঃখ মানুষের জীবনে আছেই, তবুও আমাদের খেতে হবে, চলতেও হবে।’

    নাক ঝেড়ে নানি বলল, ‘দাও একটু। দুধ খেতে খেতে সে বলে চলল :

    ‘আমি যেন মাকে আমার চোখের সামনে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। মা কত বিদ্বান ছিলেন, কত বই পড়তেন, কত কী জানতেন, আশ্চর্য…এখন তো শূন্য পুরীতে থাকতে হবে আমাকে। ভাড়াটে বসাতে হবে।

     

    আরও দেখুন
    PDF
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা লাইব্রেরী
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ভাষা
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    বাংলা কমিকস

     

    খালা দরদ-ভরা কণ্ঠে বলল, ‘আহা!’

    বেরিগুলো দু-হাতের মুঠোয় ভরে নিয়ে সেরিওজা এবার উঠানে বেরিয়ে এল। মিঠে রোদে বসে ও কত কী ভাবতে লাগল। নানির বাড়ি শূন্য হয়ে গেছে বলল কেন? তাহলে বড় মা আর নেই, মারা গেছে বুঝি। ওরা দু-জনেই তো এক সঙ্গে থাকত। তাহলে বড় মা ঝুঝি এই নানির মা? এখন থেকে নানির ওখানে বেড়াতে গেলে আর কেউ ভুরু কুঁচকে মুখভঙ্গি করে ওকে বকবে না, খেপাবেও না।

    মৃত্যু কাকে বলে সেরিওজা জানে। মৃত্যু কয়েকবার ও দেখেছে। একবার ও ওদের হুলো বেড়ালটাকে একটা ইঁদুরছানা মারতে দেখেছে। মেরে ফেলবার আগে ইঁদুরছানাটাকে নিয়ে বেড়ালটা এদিক-ওদিক কেমন খেলা করেছে। তারপর আচমকা একটা লাফ দিয়ে ইঁদুরছানাটাকে গপ করে টুটি চেপে ধরে ওর লাফালাফি এক নিমেষে ঘুচিয়ে দিল। তারপর বেশ আমিরি চালে ওটাকে খেতে লাগল থ্যাবড়া লোভী মুখটাকে নেড়েচেড়ে… আর একবার ও একটা মরা বেড়ালছানা দেখেছে, এক মুঠো নোংরা তুলো যেন। মরা প্রজাপতি তো কতই দেখেছে। ওদের অপূর্ব সুন্দর ডানাগুলো জায়গায় জায়গায় কেমন খুলে গেছে আর ফুলের রেণুর মতো যে মিহি কণাগুলো ওদের ডানার উপর ছড়িয়ে থাকে সেগুলোও কোথায় উঠে গেছে। নদীর তীরে অনেক মরা মাছও পড়ে থাকতে দেখেছে। ওদের রান্নাঘরের টেবিলে তো মরা মুরগিছানা দেখতে পায়। হাঁসের মতো লম্বা গলার এক জায়গায় ছোট্ট কালো একটা ফুটো দিয়ে একটা পাত্রের মধ্যে ফোঁটা ফোঁটা রক্ত ঝরে পড়ে। মা কিংবা পাশা খালা মুরগিছানা মারতে জানে না কিন্তু। লুকিয়ানিচই এই কাজটা করে। লুকিয়ানিচ একটা ছানাকে ধরলে ও কিচির মিচির করে ডানা ঝটপট করতে থাকে। ওর এই করুণ কান্না শুনতে সেরিওজার ভালো লাগে না বলে ও দৌড়ে পালায় তখন। তারপর রান্নাঘরে ঢুকলে ও আড়চোখে মরা মুরগিছানাটার দিকে তাকায় আর ঐ ফোঁটা ফোঁটা রক্ত দেখে ওর গা কেমন গুলিয়ে ওঠে। মনটা ভারি খারাপ হয়ে যায়। ওরা বলে এখন আর ওটার জন্য কষ্ট লাগবার নাকি কোনো কারণ নেই। খালা তার নিপুণ হাতে পালক ছাড়াতে ছাড়াতে বলবে, ‘এখন আর এটা কিছুই টের পাচ্ছে না।’

     

    আরও দেখুন
    Books
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    PDF
    অনলাইন বই
    বাংলা কমিকস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বইয়ের

     

    সেরিওজা একবার একটা মরা চড়ুই ছুঁয়ে ফেলেছিল। এত ঠাণ্ডা ছিল যে ও ভয় পেয়ে তক্ষুনি হাত সরিয়ে নিয়েছিল। বরফের টুকরোর মতো ঠাণ্ডা চড়ুই, সকালবেলাকার নরম রোদের আঁচে তেতে ওঠা লাইলাক ঝোপের কোলে বেচারি যেন ঘুমিয়ে আছে।

    একেবারে ঠাণ্ডা নিথর হয়ে যাওয়াকেই তাহলে মৃত্যু বলে।

    সেই মরা চড়ই দেখে লিদা সেদিন বলেছিল, ‘এস, ওকে শোভাযাত্রা করে কবর দিতে নিয়ে যাই।

    তারপর ও ছোট্ট একটা কার্ডবোর্ডের বাক্স এনে তার মধ্যে ছেঁড়া ন্যাকড়া পেতে, হিজিবিজি জিনিস দিয়ে ছোট্ট একটা বালিশ তৈরি করে, চারধারে লেসের জালি দিয়ে পরিপাটি করে একটা বিছানা পেতে ফেলল। লিজা সত্যিই সব কাজে অদ্ভুত পটু এ কথা স্বীকার করতেই হবে। তারপর ও সেরিওজাকে একটা গর্ত খুঁড়তে বলল। বাক্সের মধ্যে মরা চড়ুইটাকে শুইয়ে দিয়ে বাক্সের ঢাকনা বন্ধ করে সেই গর্তের ভেতরে বাক্সটা ঢুকিয়ে মাটি দিয়ে ঢেকে দিল। সেই মাটির মাঝখানটিতে একটা গাছের ডাল সোজা দাঁড় করিয়ে দিল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বইয়ের
    অনলাইন বুক
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বিনামূল্যে বই

     

    তারপর বলল, ‘দেখ, কেমন সুন্দরভাবে ওকে আমরা কবর দিয়ে দিলাম! এটা কি ও আশা করেছিল নাকি?’

    ভাস্কা আর জেঙ্কা এই শবযাত্রায় কোনো অংশ নেয় নি সেদিন। ওরা সিগারেট ফুঁকতে ফুঁকতে একটু দূরে বসে দুঃখিতভাবে আনমনে শুধু ব্যাপারটা লক্ষ করছিল। কিন্তু এ নিয়ে ওদের এতটুকু উপহাসও করে নি।

    মানুষরাও মাঝে মাঝে মরে যায় একথাও সে জানে। তখন কফিন বলে লম্বা একটা বাক্সের মধ্যে তাদের পুরে রাস্তা দিয়ে শোভাযাত্রা করে নিয়ে যাওয়া হয়। সেরিওজা দূর থেকে অনেকবার তা দেখেছে। কিন্তু মরা মানুষ সে কখনো দেখে নি।

    …পাশা খালা একটা প্লেটে একরাশ শাদা ধবধবে ভাত বেড়ে তার চারপাশে লাল মিষ্টি সাজিয়ে ঠিক মাঝখানটিতে ভাতের উপর কয়েকটি মিষ্টি দাঁড় করিয়ে দিল, ঠিক যেন ফুল নয়, আবার তারাও নয়।

    সেরিওজা প্রশ্ন করল, ‘তারা করলে বুঝি?’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    বই পড়ুন
    বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

     

    ‘না, তারা নয়। এটা ক্রশ করেছি। আমরা বড় মায়ের শবযাত্রায় যাচ্ছি কিনা।’

    তারপর খালা ওকে হাত-মুখ ভালো করে ধুইয়ে মুছিয়ে জামা জুতো মোজা পরিয়ে দিল। নাবিকের নীল স্যুটটা আর নীল টুপি ওকে পরান হল। খালাও ভালো করে সেজে কালো লেসের স্কার্ফটা গলায় জড়িয়ে নিল। তারপর সাদা রুমালে সেই ভাতের প্লেটটা বেঁধে এক হাতে সেটা আর অন্য হাতে ফুলের একটা তোড়া নিল। সেরিওজার হাতেও খালা দুটো বড় ডালিয়া দিল।

    সেরিওজা বাইরে বেরিয়ে এসে দেখে ভাস্কার মা বালতি হাতে জল আনতে যাচ্ছে। ও চিৎকার করে উঠল, ‘নমস্কার! আমরা বড় মায়ের শবযাত্রায় যাচ্ছি!’

    লিদা তখন ওদের বাড়ির দরজায় ভিক্তরকে কোলে করে দাঁড়িয়ে আছে দেখে সেরিওজা বুঝতে পারল লিদাও ওদের সঙ্গে আসতে চায়। কিন্তু ওর ফ্রকটা যা ছেঁড়া আর ময়লা। সেরিওজা আজ কেমন সেজেছে আর লিদা ঐ বিশ্রী পোশাকে খালি পায়ে যাবে কেমন করে? সত্যি, ওর জন্য সেরিওজার বড্ড কষ্ট হচ্ছে কিন্তু। তাই ওকে ডেকে বলল, ‘এস-না আমাদের সঙ্গে! কী আর হবে!’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্য
    গ্রন্থাগার
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ভাষা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বইয়ের

     

    কিন্তু লিদা অহংকারী মেয়ে। সেরিওজা পথের বাঁকটা না-ঘুরে যাওয়া পর্যন্ত একটা কথাও না বলে লিদা ওর দিকে তাকিয়ে রইল শুধু।

    ওরা এবার বাঁকটা ঘুরে অলিগলি দিয়ে চলল। কী গরম লাগছে! দু-দুটো বিরাট ডালিয়া ও আর যেন বইতে পারছে না। তাই খালাকে ও বলল :

    ‘ফুল দুটো তুমি নাও।’

    পাশা খালা ওর হাত থেকে ফুল নিল কিন্তু তারপরেও, হোঁচট খেতে খেতে চলল। পথের উপর কাঁকর পাথর কিছু নেই তবুও ও হোঁচট খাচ্ছে।

    খালা এবার প্রশ্ন করল, ‘কী, ব্যাপারটা কি বল তো?’

    ‘গরম লাগছে যে। এত কাপড়-চোপড় পরে থাকা যায় নাকি? শার্টটা খুলে নাও, আমি শুধু প্যান্ট পরেই যাব।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অডিওবুক
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ই-বই
    বাংলা বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

     

    ‘বোকার মতো কথা বল না তো! শবযাত্রায় কেউ কখনো শুধু প্যান্ট পরে যায় নাকি? এই যে আমরা বাস-স্টপে এসে গেছি। এক্ষুনি বাসে উঠব।’

    বাসে উঠবে জেনে সেরিওজা একটু উৎসাহ নিয়ে পথ চলতে আরম্ভ করল। পথের ও বেড়ার যেন শেষ নেই আর বেড়ার ওদিকে গাছগুলো।

    সামনে থেকে একরাশ ধুলো উড়িয়ে একদল গরু আসছে দেখে খালাকে বলল, ‘জল  খাব। তেষ্টা পেয়েছে।’

    ‘বোকামো কর না। তোমার তেষ্টা পেতেই পারে না।’

    পাশা খালাটা যেন কী! কেন বিশ্বাস করছে না যে ওর সত্যিই খুব তেষ্টা পেয়েছে? কিন্তু খালার ঐ ধমকে এখন আর তেমন করে জল খেতে মন চাইছে না।

    গরুগুলো ওদের গুরুগম্ভীর মাথাগুলো হেলিয়ে-দুলিয়ে ভরা বাঁট নিয়ে ওদের পাশ দিয়ে চলে গেল।

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা কবিতা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা সাহিত্য
    নতুন উপন্যাস

     

    তারপর ময়দানের কাছে এসে ওরা বাসে চাপল। বাচ্চাদের বসবার নির্দিষ্ট জায়গায় ওরা বসল। সেরিওজা বাসে খুব কমই চড়েছে। তাই আজকের দিনটা তার জীবনে সব দিক দিয়ে একটা বিশেষ দিনই বলতে হবে। হাঁটু মুড়ে বসে সে জানালা দিয়ে বাইরের দিকে তাকাতে লাগল, আবার মাঝে মাঝে তার পাশের সঙ্গীটিকেও দেখতে লাগল। সঙ্গীটি তার চাইতে বয়সে অনেক ছোটই হবে, তবে দেখতে বেশ নাদুসনুদুস। মিষ্টি চুষছে ছেলেটা। ওর গাল দুটো চিনির রসে জবজবে হয়ে গেছে।

    সেরিওজার দিকে ও কেমন গর্বভরা দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে। ওর সেই দৃষ্টি যেন সেরিওজাকে বলছে : দেখ, আমি কেমন খাচ্ছি। তোমার তো নেই।

    কনডাকটার ওদের কাছে এসে দাঁড়াতেই পাশা খালা তাকে প্রশ্ন করল, ‘এই বাচ্চাটার ভাড়া লাগবে নাকি?’

    কনডাকটার তার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘খোকা, এদিকে এস তো, মেপে দেখি।’ বাসের গায়ে একদিকে কালো দাগ আছে বাচ্চাদের উচ্চতা মাপবার জন্য। যে বাচ্চার মাথা সেই দাগটাকে ছুঁতে পারবে তার জন্য টিকিট লাগবে। সেরিওজা সেই দাগ পর্যন্ত এসে ওর পায়ে আঙুলের ওপর একটুখানি উঁচু হয়ে দাঁড়াল। কনডাকটার রায় দিল, ‘হাঁ, এর টিকিট লাগবে।’

     

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    অনলাইন বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সাহিত্য
    গ্রন্থাগার
    বই পড়ুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

     

    সেরিওজা এবার গর্বিতভাবে সেই মোটাসোটা ছেলেটার দিকে তাকাল। ভাবটা যেন এই : ‘তোমার জন্য তো টিকিট লাগে নি, কিন্তু আমার টিকিট লাগছে। কিন্তু এই নাদুসনুদুস ছেলেটারই শেষ পর্যন্ত জিত হল, কারণ সেরিওজা আর খালার যখন বাস থেকে নামবার সময় এল ছেলেটি তখনো বসেই রইল।

    ওরা বাস থেকে নেমেই একটা শ্বেতপাথরের বিরাট ফটকের সামনে এসে পড়ল। ফটকের ওদিকে অনেকগুলো লম্বা লম্বা শাদা বাড়ি। বাড়িগুলোর চারধারে ছোট ছোট গাছের সারি। গাছের গুঁড়িগুলো শাদা রঙে রঙানো। নীল ড্রেসিং-গাউন পরা কত লোক এদিক-ওদিক বেড়াচ্ছে, অনেকে আবার বেঞ্চের উপর বসে বসে গল্প করছে।

    সেরিওজা অবাক হয়ে প্রশ্ন করল, ‘এটা কী?’

    ‘হাসপাতাল’, জবাব দিল পাশা খালা।

    সব শেষে যে বড় বাড়িটা এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে ওরা এবার সেদিকেই চলল। রাস্তার একটা বাঁক ঘুরতেই দেখল করোস্তেলিওভ, মা, লুকিয়ানিচ আর নানি দাঁড়িয়ে আছে। মাথায় রুমাল বাঁধা তিনজন বৃদ্ধা ভদ্রমহিলাও তাদের পাশে।

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    PDF
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা কমিকস
    বইয়ের
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ই-বই

     

    সেরিওজা ওদের দিকে তাকিয়ে সাগ্রহে বলে উঠল, ‘আমরা বাসে করে এলাম!’

    কেউ তার কথার কোনো উত্তর দিল না। খালা মুখে আঙুল দিয়ে শ্-শ্-শ্ করে উঠল। সে এবার বুঝল এখানে কথা বলা বারণ। ওরা অবশ্য চুপি চুপি ফিসফিস করে কথা বলছিল। মা পাশা খালার দিকে চেয়ে বলল : ‘ওকে আবার আনলে কেন?’

    করোস্তেলিওভ টুপি হাতে নিয়ে শান্ত অথচ চিন্তিতভাবে দাঁড়িয়ে আছে। সেরিওজা দরজার দিকে একটু এগিয়ে দেখল একটা অন্ধকার ঘরের দিকে কয়েকটি সিঁড়ি নেমে গেছে তা থেকে ঠাণ্ডা হাওয়া আসছে…এবার ওরা সবাই ধীর পায়ে সেই সিঁড়ি দিয়ে নেমে ঐ ঘরটায় ঢুকল।

    প্রখর দিনের আলো থেকে এসে প্রথমে তো সেরিওজা চোখে প্রায় অন্ধকারই দেখল। তারপর একটু একটু করে দেখতে পেল দেওয়ালের দিকটায় একটা চওড়া বেঞ্চ পাতা রয়েছে। ঘরের মেঝেটা কী এবড়োখেবড়ো। মাঝখানটিতে বেশ অনেকটা উঁচুতে একটা কাঠের কফিন রয়েছে। কফিনটার চারধারে মসলিনের ঝালর। ঘরটা কী স্যাঁতসেঁতে, কেমন একটা সোঁদা গন্ধ নাকে ঢুকছে। নানি তাড়াতাড়ি সেই কফিনটার কাছে এগিয়ে মাথা নত করে দাঁড়াল।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বইয়ের
    PDF
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বুক শেল্ফ

     

    পাশা খালাও তার কাছটিতে গিয়ে দাঁড়িয়ে রুদ্ধশ্বাসে বলে উঠল, ‘হায় ভগবান! এ কী কাণ্ড? দেখ, দেখ, ওঁর হাত দু-খানি কেমন দু-পাশে নামানো রয়েছে।’

    নানি সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বলল, ‘মা ওসবে বিশ্বাস করতেন না। ‘

    খালা বলল, ‘তাতে কী হয়েছে? এভাবে মিলিটারি কায়দায় ঈশ্বরের দরবারে যাওয়া যায় নাকি?’ অন্য তিনজন ভদ্রমহিলার দিকে তাকিয়ে খালা প্রশ্ন করল, ‘আপনারা কোথায় ছিলেন?’

    তিনজনে শুধু দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলল। সেরিওজা এত নিচু থেকে কিছুই দেখতে পাচ্ছে না। এবার সে বেঞ্চের উপর উঠে ঘাড় উঁচু করে কফিনটার ভেতরে তাকাবার চেষ্টা করল।

    সে ভেবেছিল ওটার মধ্যে বড় মাকে দেখতে পাবে। কিন্তু ঠিক বড় নানি তো নয়, অন্য একটা অদ্ভুত কিছু যেন ওখানে শুয়ে আছে। বড় মায়ের মতো কিছুটা দেখতে হলেও ভাঙাচোরা মুখ আর হাড়গোড় বের করা থুতনি এ-তো বড় মা হতেই পারে না। এভাবে মানুষ কি কখনো চোখ বন্ধ করে থাকে নাকি? লোকে ঘুমোলেও কিন্তু ঠিক এমন অদ্ভুতভাবে চোখ বন্ধ করে না…

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    Books
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা কবিতা
    বাংলা বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    আর ওটা কী লম্বা! কিন্তু বড় মা তো দেখতে ছোটখাটো মানুষটি ছিল। চারদিকে কেমন একটা ঠাণ্ডা স্যাঁতসেঁতে গুমোট ভাব। সবাই যেন গভীর দুঃখে মুষড়ে পড়ে কাছাকাছি দাঁড়িয়ে কী জানি সব ফিসফিস করে বলছে। সেরিওজার হঠাৎ কেমন ভয় করতে লাগল। এখন যদি ওটা জীবন্ত হয়ে তড়াক করে লাফিয়ে ওঠে ‘হাঁরে-রে’ বলে চেঁচায় তাহলে কী সাংঘাতিক ব্যাপারই-না হবে। একথাটা ভাবতেই সেরিওজা প্ৰাণপণ শক্তিতে চেঁচিয়ে উঠল।

    সেরিওজা চেঁচাল আর তক্ষুনি যেন উপর থেকে, সূর্যের আলো থেকে একটা তীক্ষ্ণ প্রাণবস্তু পরিচিত স্বর তার চিৎকারের প্রত্যুত্তর দিল। মনে হল একটা গাড়ির ভেঁপু… মা ওকে হেঁচকা টানে ওখান থেকে তুলে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে এল। ফটকের কাছে একটা লরি দাঁড়িয়ে ছিল। কত লোক এদিক-ওদিক বেড়াচ্ছে, সিগারেট খাচ্ছে। তোসিয়া খালা লরিটার কেবিনে বসে আছে। এই খালাই সেদিন করোস্তেলিওভের জিনিসপত্তর ওদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছিল। তোসিয়া খালা ‘ইয়াসি বেরেগ’ ফার্মে কাজ করে আর মাঝে মাঝেই করোস্তেলিওভকে লরি করে নিয়ে যায়। মা সেরিওজাকে খালার পাশে ধপ করে বসিয়ে দিয়ে বলল, ‘ওখানে বসে থাক। এবং দরজাটা বন্ধ করে দিল।

    মা চলে গেলে তোসিয়া খালা ওকে প্রশ্ন করল, ‘বড় মাকে কবর দেওয়া দেখতে এসেছ? ওকে তুমি খুব ভালোবাসতে বুঝি?

    ‘না, একটুও ভালোবাসতাম না।’

    ‘তা হলে এসেছ কেন? ওঁকে যদি ভালো না-ই বাস তাহলে কবর দেখতে আসতে নেই।’

    বাইরের আলো আর এই কথাবার্তায় তার সেই অদ্ভুত ভয়টা, গা ছমছম ভাবটা একটু কমল। কিন্তু ঐ স্যাঁতসেঁতে ঘরটার অদ্ভুত দৃশ্য সে সহসা ভুলতে পারল না। তার শরীরটা থেকে থেকে কেমন মোচড় দিয়ে উঠল, চারদিকে কয়েকবার তাকিয়ে কী জানি মনে মনে চিন্তা করে নিয়ে অবশেষে বলল, ‘আচ্ছা ঈশ্বরের দরবারে যাওয়ার মানে কী?’

    তোসিয়া খালা হেসে বলল, ‘ও একটা কথার কথা।’

    ‘কিন্তু ওরা এরকম করে বলে কেন?’

    ‘বুড়োরা ওরকম কথাবার্তাই বলে থাকে। ওদের কথায় কান দিও না যেন। ওসব একদম বাজে কথা।’

    তারপর ওরা দু-জনেই কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে রইল। তোসিয়া খালা তার সব্‌জে চোখ দুটোকে কেমন একটু ছোট করে ইঙ্গিতপূর্ণ হাসি হেসে বলল, ‘হাঁ, আমরা সবাই ওখানে একদিন না একদিন যাব।’

    ‘ওখানে…কোনখানে? কী বলছে ওরা?’ কিন্তু আরো স্পষ্ট করে সে কিছু জানতে চায় না, তাই আর প্রশ্ন করল না। তারপর যখন কফিনটাকে ঐ অন্ধকূপ থেকে বার করে বাইরে বয়ে আনতে দেখল তখন সে অন্যদিকে চোখ ফিরিয়ে নিল। তবে এখন কফিনের উপর ওর ডালাটা ফেলে দেওয়া হয়েছে এই যা বাঁচোয়া। কিন্তু ওদের এই লরিটাতেই ওটাকে এনে তোলা হল বলে সে বড় অস্বস্তি বোধ করতে লাগল।

    কবরখানায় পৌঁছে সবাই মিলে কফিনটাকে ধরাধরি করে ভেতরে বয়ে নিয়ে চলল। সেরিওজা আর তোসিয়া খালা লরি থেকে নামল না। বাইরে গাড়ি দাঁড়াবার জায়গায় লরিটা দাঁড়িয়ে রইল। সেরিওজা তাকিয়ে দেখল কবরখানার চারদিকে কেবল ক্রশ আর কাঠের পিলার এক-একটা লাল তার মাথায় নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেরিওজা আরো দেখল ফটকের খুব কাছে একটা ঢিবির ফাঁটল দিয়ে লাল পিঁপড়ে সারি বেঁধে আসছে যাচ্ছে। অন্য অনেকগুলো ঢিবিতে আবার ছোট ছোট আগাছা জন্মেছে… সেরিগুজা এবার ভাবল : ‘আচ্ছা, এই কবরখানাতেই সবাইকে একদিন আসতে হবে তোসিয়া খালা তাই বলেছে নাকি?…’ কিছুক্ষণ পর ওরা সবাই ফিরে এল। লরি আবার ওদের নিয়ে বাড়ির দিকে চলল।

    সেরিওজা প্রশ্ন করল, ‘বড় মাকে মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে নাকি?’

    তোসিয়া খালা উত্তর দিল, ‘হাঁ, বাছা।’

    বাড়ি ফিরে সেরিওজা লক্ষ করল পাশা খালা ওদের সঙ্গে ফেরে নি!

    লুকিয়ানিচ বলছে, ‘পাশা শবযাত্রীদের ভাত খাওয়াবে। সারাদিন ধরে সব রান্না করে নিয়ে গিয়েছে…’

    নাস্তিয়া নানি মাথার রুমালটা খুলে ফেলে হাত দিয়ে চুল পরিপাটি করল। তারপর বলল, ‘ওদের সঙ্গে এ নিয়ে তর্ক করে কী লাভ? ও আর ঐ তিনজন ভদ্রমহিলা এবার প্রার্থনা করবে। আর তাতেই যদি শান্তি পায় ওরা পাক না।

    ওরা সবাই আবার স্বাভাবিক স্বরে কথা বলতে শুরু করেছে। এমনকি একটু-আধটু হাসছেও।

    মা আবার বলল, ‘সত্যি, পাশার অনেক কুসংস্কার।’

    কিছুক্ষণ পর ওরা টেবিলের চারপাশে খেতে বসল। কিন্তু সেরিওজা খেতে পারছে না। তার কেমন বমি বমি করছে। সে নীরবে বসে আছে আর ডাগর দুটি চোখ মেলে বড়দের দিকে তাকিয়ে আছে শুধু। এতক্ষণ যা ঘটনা ওসব কিছু মনে করতে চায় না, ভাবতে চায় না। কিন্তু কী আশ্চর্য, ঘরে ফিরে সব কথা তার ভাবনায় এসে পড়ছেই–সেই গা ছমছমানি ভাবটা। স্যাঁতসেঁতে ঘরের কেমন আবছা অন্ধকার, গুমোট ভাব আর মাটির সোঁদা গন্ধ, সব মনে হচ্ছে।

    হঠাৎ সে প্রশ্ন করল, ‘আচ্ছা, আমরা সবাই একদিন ওখানে যাব, ওকথা বলল কেন?’

    বড়রা কথাবার্তা থামিয়ে ওর দিকে তাকাল এবার।

    করোস্তেলিওভ বলল, ‘কে বলল, এ কথা?

    ‘তোসিয়া খালা।’

    ‘তার কথা শুনো না তুমি। সব শুনতে হয় নাকি?’

    ‘কিন্তু একদিন আমরা সবাই তো মরব?’

    ওরা কেমন অদ্ভুতভাবে তার দিকে তাকাচ্ছে! এই প্রশ্নটা করা যেন তার খুবই অন্যায় হয়ে গেছে। সে সবার দিকে আগ্রহভরে তাকিয়ে রইল ওরা কী বলে শোনবার জন্য।

    একটু পরে করোস্তেলিওভ বলল :

    ‘না, আমরা কেউ মরব না। তোমার তোসিয়া খালার ইচ্ছে হলে মরুকগে। কিন্তু আমরা মরব না। বিশেষ করে তুমি কোনোদিন মরবে না সে কথা আমি হলফ করে বলছি সোনা।’

    ‘আমি কোনোদিন মরব না?’

    ‘না, কোনোদিন না!’ করোস্তেলিওভ দৃঢ়স্বরে সগাম্ভীর্যে তার চোখে চোখ রেখে বলল। সেরিওজা এবার কেমন হালকা বোধ করল, সুখী মনে করল। খুশিতে লাল টুকটুকে হয়ে উঠে সে হাসতে শুরু করল। কিন্তু আবার তার ভয়ানক তেষ্টা পেল যে! অনেকক্ষণ আগেই তো তার তেষ্টা পেয়েছিল, শুধু পাশা খালার ধমকে সে-কথা এতক্ষণ বেমালুম ভুলে বসে ছিল। এখন গ্লাসের পর গ্লাস ঢকঢক করে জল খেল সে প্রাণভরে বেশ মজা করে। করোস্তেলিওভ যা বলে তার মধ্যে এতটুকুও মিথ্যে নেই, তার প্রতিটি কথা সে সমস্ত মন দিয়ে বিশ্বাস করে। একদিন সে মরে যাবে এ কথা মনে হলে কী করে সে বাঁচবে? আর করোস্তেলিওভ যখন বলেছে সে কোনোদিন মরবে না তখন আর ভাবনা কীসের!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleম্যানস সার্চ ফর মিনিং – ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    Next Article মূলধারা ’৭১ – মঈদুল হাসান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }