Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পিতা পুত্রকে – চাণক্য সেন

    চাণক্য সেন এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পিতা পুত্রকে – ১৩

    তেরো

    চাঁদপুর থেকে খুলনা বন্দর হয়ে গঙ্গা পর্যন্ত প্রবাহিত যে নদী তার নাম একটি নয়, দুটি। নদী কোথায় কী কারণে নাম বদলায় ভৌগোলিকরা তা বিশেষভাবে জানেন। আমার কাছে চিরবিস্ময়, গঙ্গা কেন পদ্মা হলো? মেঘনা হলো ভৈরব? মেঘনার মেঘছায়া জল পেরিয়ে জাহাজ যখন ভৈরবের স্বচ্ছ স্থির জলে পৌছল, আমি তখন নিদ্রিত। আমার ডেকের মেঘের ওপর বিছানো সতরঞ্চির ওপর, বিছানার বাকি অংশকে বালিশ তৈরি করে নিয়ে। গণেশপুর ছাড়বার সময় জ্যেঠামশাই সতর্ক করে দিয়েছিলেন, নিজের মালপত্রের ওপর সর্বদা নজর রাখবি। স্টিমারে সর্বদা চুরি হয়। মালপত্র ছেড়ে কোথাও যাবি নে।

    আমি অবশ্য সে উপদেশ মানি নি। আমার পার্শ্ববর্তী মধ্যবয়সী স্বামী-স্ত্রী তাঁদের বিছানা করে নিয়েছিলেন। আমিই এগিয়ে তাঁদের সঙ্গে আলাপ করেছিলাম। আশ্বস্ত হয়েছিলাম জানতে পেরে যে এঁদের গন্তব্যস্থানও খুলনা। আমি সদ্য স্কুল পাস করে কলকাতা যাচ্ছি কলেজে পড়তে। পথে পিতৃদেবের সঙ্গে খুলনায় কয়েকটা দিন থাকব জেনে এঁরা খুশি হয়েছিলেন। আমার বাবাকে এঁরা চিনতেন না, কিন্তু খুলনা বালিকা বিদ্যালয়ের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। ভদ্রলোক খুলনা মিউনিসিপ্যালিটিতে কাজ করেন। এঁদের গ্রামীণ দেশ পালং।

    ভদ্রলোকের নাম বিপিন সরকার। স্ত্রীকে সম্বোধন করেন, “ওগো, শুনছ?” ইত্যাদি বলে। অতএব আমার কাছে মহিলার নাম “ওগো, শুনছ!”

    বিপিন সরকার মহাশয়ের মাথাজোড়া টাক, কানের ওপর, ঘাড়ের ওপর সামান্য কয়েক হাজার কাঁচাপাকা চুল। সরু কপাল, ক্ষুদ্র চোখ গভীর গর্ত থেকে জ্বলজ্বল করে তাকায়। যেন দুটি অনির্বান জোনাকি। গাল চুপসে গেছে। গালের হাড় চোয়ালের হাড়ের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। পাঁচফুট ছ’ইঞ্চির বেশি লম্বা নন। শরীর জানিয়ে দিচ্ছে মহাশয়ের পেটের গোলমাল। সরু সরু হাড়াল হাতের আঙ্গুলের গ্রন্থিগুলোতে গুচ্ছ গুচ্ছ ধূসর চুল।

    “ওগো শুনছ” কিন্তু বেশ ভারী মহিলা। স্বামীর চেয়ে দৈর্ঘ্যে কিঞ্চিৎ বেশি। দেহ বিপুল, তাই বেঁটে দেখায়। গোলগাল মুখখানার বড় অলংকার সোনার নাকছাবি নয়। সরল বহমান হাস্য। কথা বলতে গেলে হাসেন মহিলা। সে হাসি পরকে কাছে টেনে নেয়। দুহাতে মোটা সোনার বালা, দু’গুচ্ছ সোনার চুড়ি, গলায় সোনার হার ও কানে বড় বড় সোনার মাকড়ি। দেখে মনে পড়ল গণেশপুরে ফেলে আসা আমার মার হাতে শুধু একজোড়া শাঁখা ও একটা লোহা, তাঁর যেটুকু বিয়েতে পাওয়া গয়না ছিল, চোরের হাতে তার সবটুকু গেছে।

    মনে পড়ল, মাকে আমি বলেছিলাম, মা, আমি বড় হয়ে তোমাকে নতুন গয়না করে দেব।

    এখন মনে পড়ছে আমি তা করিনি। মাকে কোনো গয়না তৈরি করে দিইনি আমি।

    সরকার দম্পতির সঙ্গে আমার খুব সহজে আলাপ-পরিচয় হয়ে গেল। মহিলা আমাকে মা-ছাড়া কাতর একটি তরুণ যুবক হিসেবে দেখে ফেললেন। আমার সঙ্গে তখনও রাত্রের আহার লুচি-তরকারি ছিল। একরকম জোর করেই সদ্য তৈরি ‘মাসিমা’ আমাকে তরকারি, বেগুনভাজা ও রসগোল্লা খাওয়ালেন। বললেন, তিনি বরিশালের গ্রামের মেয়ে। এখনও দু-তিন বছরে একবার বাপের বাড়ি যান স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে। ‘মাসিমা’র বাবা প্রয়াত হয়েছেন, কিন্তু বৃদ্ধা মা এখনও জীবিত, দুই ভাই ও তাদের সংসার রয়েছে। পাঁচ ভাইপো ভাইঝি স্কুল কলেজে পড়ে। বাপের বাড়িতে এখন তাঁর প্রচুর আদর। ‘মাসিমা’ এও বলে ফেললেন তাঁর নতুন তৈরি বোনপোকে, বিয়ের সময় তাঁর আশা ছিল স্বামী একদিন বড় অফিসার হবেন, অনেক টাকা মাইনে পাবেন। খুব সচ্ছল অবস্থায় জীবন কাটবে তাঁর ঘরভরা কোলভরা ছেলেমেয়ে নিয়ে। ভাগ্যে না থাকলে আমগাছও নিষ্ফল হয়ে যায়। তাঁর স্বামীর যোগ্যতার অভাব ছিল না মোটেই বিএ পর্যন্ত পাস করেছিলেন। কিন্তু মিউনিসিপ্যালিটির চেয়ারম্যানের কুনজরে পড়ে কেরানিই রয়ে গেলেন। রিটায়ার করার সময় বড়জোর হেডক্লার্ক হবেন। ভগবানের আশীর্বাদ না থাকলে জীবনে কিছুই পাওয়া যায় না। ভগবানের ইচ্ছে, তাই তাঁকে নিঃসন্তান থাকতে হয়েছে। সারাদিন একা একা ঘরকন্না করতে করতে মাঝে মাঝে জীবনে ঘেন্না ধরে যায়।

    সব দুঃখের কথা বলবার সময়ও ‘মাসিমা’র মুখের হাসি নিভে যায়নি। সন্তানহীনতার কথা বলবার সময় চোখ থেকে জল ঝরে পড়ল, কিন্তু মুখের হাসিটি মিলিয়ে গেল না।

    খাওয়া-দাওয়া শেষ হলে আমি বললাম, “আমি ওপরে গিয়ে সারেঙ সাহেবের সঙ্গে দেখা করে আসছি। উনি বলেছেন, কী করে নদীর বুকের ওপর দিয়ে জাহাজ চালিয়ে নিয়ে যেতে হয় বুঝিয়ে দেবেন। আপনি আমার বিছানার ওপর একটু নজর রাখবেন, মাসিমা? আমি বেশি দেরি করব না।”

    মাসিমা বললেন, “ওপরে যাবে? ভয় করবে না? চারদিকে তো শুধু জল আর গভীর অন্ধকার। সারেঙ ছাড়া দ্বিতীয় মানুষ নেই।”

    আমি হেসে বললাম, “না, মাসিমা, ভয় করবে না। সারেঙের নিমন্ত্রণেই যাচ্ছি।”

    সরকার মশাই দেখলাম খুব কম কথা বলেন। এতক্ষণ কথাবার্তা হচ্ছিল ‘মাসিমা’ আর আমার মধ্যে। সরকার মশাই শুনছিলেন কিনা তাও বুঝতে পারছিলাম না। যখন ‘মাসিমা’ তাঁর স্বামীর পদোন্নতির অভাব ও সন্তানহীনতা নিয়ে দুঃখ করছিলেন তখনও তাঁকে উদাসীন মনে হচ্ছিল।

    এবার তিনি মুখ খুললেন।

    “তুমি ভবিষ্যতে কী হবে? ম্যাট্রিকে কেমন রেজাল্ট করেছ?”

    আমি বললাম, “মন্দ নয়, ভালোই বলতে হবে। প্রথম বিভাগে পাস করেছি।”

    “লেটার টেটার কিছু পাওনি?”

    “পেয়েছি। তিনটে বিষয়ে।”

    “জিলা স্কলারশিপ পেয়েছ? ‘স্টার’ পেয়েছ?”

    “না, দুটোর একটাও পাইনি।”

    “ভবিষ্যতে কী করবে? মাস্টারি, না ওকালতি?”

    আমি বললাম, “জানি না। সে তো অনেক দূরের ব্যাপার। কোনো আইডিয়া নেই আমার।”

    “তোমার বাবা তো স্কুলের মাস্টার?”

    “আজ্ঞে, হ্যাঁ।”

    “কত আর মাইনে পাবেন। চল্লিশ পঞ্চাশ টাকা হবে!”

    আমি চুপ করে রইলাম।

    “একটা পরামর্শ তোমাকে দিয়ে রাখি, ভারত সরকারের সেক্রেটারিয়েটে অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের জন্য পরীক্ষা হয় প্রতি বছর। পঞ্চাশ থেকে একশো চাকরি খালি থাকে। খুব ভালো চাকরি। আমি ঐ পরীক্ষা না দিয়ে যে বোকামি করেছি তার ফল সারাজীবন ভোগ করছি। তুমি নিশ্চয়ই অ্যাসিস্ট্যান্ট পরীক্ষা দিয়ো। ফেডারেল সার্ভিস কমিশন পরীক্ষা নেয়। লেখাপড়ায় ভালো, তোমার হয়েও যেতে পারে।”

    আমি বললাম, “মনে থাকবে আপনার উপদেশ, মেশোমশাই।” সরকার মশাই বললেন, “তোমার মাসিমা দশ মিনিটের মধ্যে গভীর নিদ্রায় ডুবে যাবেন। আমি জেগে থাকব। আমার নিদ্রা আসে না সহজে। আমি নজর রাখব তোমার বিছানার ওপর। তুমি সারেঙের কাছ থেকে ঘুরে এসো। সাবধানে কথাবার্তা বোলো। সারেঙরা সাধারণত চট্টগ্রাম, নোয়াখালির লোক। ওদের দেহে পর্তুগিজরক্ত। যাকে আমাদের দেশে বর্গী বলা হয়। এ সারেঙটা ভাগ্যক্রমে হিন্দু। বেশিরভাগই ওরা মুসলমান। খুব চড়া মেজাজ। খুন খারাবিতে পরোয়া নেই। বেশিক্ষণ থেকো না। চলে এসো তাড়াতাড়ি।”

    আমি “যে আজ্ঞে” বলে সরু লোহার সিঁড়ি বেয়ে ওপরে চলে গেলাম। সত্যিই জাহাজের প্রকাণ্ড ছাদের চারদিকে কেবল জল আর গভীর অন্ধকার। হঠাৎ মনে হলো, জল ও অন্ধকারের সঙ্গে আমি মিশে গেছি, হারিয়ে গেছি, আকাশ স্বচ্ছ, অসংখ্য তারা তাকিয়ে দেখছে বসুন্ধরাকে। কেউ মিটমিটে চোখে, কেউ বা জ্বলন্ত দৃষ্টিতে। মেঘনা পেরিয়ে কখন জাহাজ ভৈরবে পড়েছে জানতে পারিনি। ভৈরব নদী পদ্মার তুলনায় অনেক সরু, দু’পাশের গাছগুলো অন্ধকারে গা ঢেকে জাহাজের চোখের ওপর পিছে সরে যাচ্ছে। নদীর জল ও গাছপালার মিশ্রিত গন্ধ উঠে আসছে বাতাসের সঙ্গে। তরঙ্গহীন ভৈরব। শুধু জাহাজের জল কাটার শব্দ নিঃশব্দ স্তব্ধ অন্ধকারের সঙ্গে সখ্যতার আলাপ করছে। ভৈরবে পদ্মার মতো নদী ও জাহাজে লড়াই নেই। বাতাসের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে ‘এক বাণী মধুর অর্থ ভরা’।

    জাহাজের ছাদে সারেঙের ঘর। আমি দরজার সামনে দাঁড়াতেই সারেঙ সাহেব ভেতর থেকে আহ্বান করলেন, “আসুন, আসুন, মাই ইয়ং ফ্রেন্ড।”

    ভেতরে ঢুকে দেখতে পেলাম প্রথমে সারেঙের কম্পাস ঘর। বড় কম্পাস, একটা লোহার থামের ওপর বসানো, অনেকটা মোটরগাড়ির স্টিয়ারিং হুইলের মতো দেখতে। তখণ পর্যন্ত আমি মোটরগাড়ি দেখিনি, স্টিয়ারিং হুইল তো দূরের কথা। কাপ্তান চক্রটাকে ডাইনে —বাঁয়ে ঘুরিয়ে জাহাজের ভারসাম্য রাখছে, গতিপথে ধরে রেখেছে জাহাজকে। ঘরটা ছোটই, কম্পাসের পেছনে কাপ্তানের জন্য একটা চেয়ার, আর বাড়তি বেতের চেয়ার একটা। দুটি লোহার চেয়ার, গায়ে জং পড়ে গেছে। বেতের চেয়ারে বসরবার আসনে বেত গেছে ছিন্নভিন্ন হয়ে। দেওয়ালে মহাদেব ও গণেশের ছবি, কাপ্তানের চোখের বরাবর দেওয়ালে মা-কালীর পট।

    কম্পাস ঘরের সংলগ্ন আর একটি ছোট ঘর। সারেঙ সাহেবের বেডরুম। লোহার ফ্রেমের বেড, তোষক, চাদর, বালিশ সবই আধময়লা। দুটো বসবার চেয়ারও রয়েছে শয়নঘরে। দেওয়ালের সঙ্গে ছোট্ট একটি টেবিল, তার ওপর যে আয়না তাতে মুখচ্ছবি ঘোলাটে জলের মতো আবছা। পিতলের কলসে পানীয় জল, ঢাকনার ওপরে পেতলের গেলাস। ঘরখানার একমাত্র জানলার ওপর রংচটা কালো পর্দা। জানলার এক কপাট ও দেওয়ালে ঢোকানো একটা পেরেক : এই দুইয়ের মধ্যে সেতু বেঁধেছে এক পাটের দড়ি। তার ওপর কাপ্তানের গেঞ্জি লুঙ্গি, গামছা, একটা শার্ট ও একখানা চাদর।

    সারেঙ, আগেই বলেছি, চাঁটগার হিন্দু। আমাদের গ্রামে চাঁটগা, নোয়াখালি ও কুমিল্লার বৈদ্যদের ‘নিচু’ বৈদ্য বলা হতো। অগত্যা হলে তাদের সঙ্গে বিক্রমপুর, বরিশাল ঢাকার বৈদ্যদের বিয়ে শাদি হতো না। ‘বিক্রমপুর’ ছিল পূর্ববঙ্গের সংস্কৃতির প্রধান অঞ্চল। ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার কিছুটা অংশ নিয়ে বিক্রমপুর। বিক্রমপুরে আবার উত্তরাংশের সমাজ দক্ষিণাংশের থেকে উঁচু। আগেই বলেছি মাদারীপুর মহকুমার বেশিরভাগের ওপর বরিশালের প্রভাব। গণেশপুর ছিল দক্ষিণ বিক্রমপুরের মধ্যে। ‘আসল’ বিক্রমপুরের মধ্যে বিখ্যাত গ্ৰাম সমষ্টির নাম ছিল সোনারগঞ্জ। আবার খুলনা জিলার যশোহর ও ইতনার ছিল আরও সামাজিক উচ্চতা। আমার কাকিমা ছিলেন সোনারপুরের মেয়ে। তাঁর সামাজিক কৌলিন্য আমার মার নোয়াখালির অনভিজাত্যকে বেশ একটু মালিন্য লাগিয়ে রাখত।

    আমার কিন্তু চাটগাঁর সারেঙকে তৎক্ষণাৎ ভালো লেগে গেল। টুপি খুললে মাথার ঠিক মাঝখানে গোল টাক, মেদহীন দীর্ঘ শরীরের মাংসপেশি মজবুত। হাতের অঙ্গুলিগুলো বেঁটে। কারিগরি কাঠিন্যে সবল। কপালে অনেকগুলো কুঞ্চিত রেখা। সামান্য চ্যাপ্টা ছোট নাকের দু’পাশে তীক্ষ্ণ একজোড়া চোখ। তারা কথাবার্তার মধ্যেও সব সময় কম্পাস সম্বন্ধে সজাগ।

    সারেঙ দেওয়ালে আটকানো ম্যাপের নদীপথের সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দিল। তিনটে স্টেশনে থেমে সকাল আটটা নাগাদ জাহাজ ‘খুলনা’ বন্দরে পৌছবে। খুলনা তখনও পূর্ববঙ্গের নদীপথের অন্যতম প্রধান জংশন। এখন বাংলাদেশের দ্বিতীয় বন্দর, চট্টগ্রামের পরেই খুলনা। সারেঙ আমাকে বলল, খুলনা সমুদ্রের তীরবর্তী নয়, তার প্রাধান্য নদ-নদীবাহী বাণিজ্যে। খুলনায় সারাদিন জাহাজ বিশ্রাম নেবে। নাবিকদের কিছু রদবদল হবে। খুলনা থেকে হুগলি যাবার সময় মাঝে মাঝে সারেঙও বদল হয়। এ জাহাজে হবে না, কারণ কোম্পানির কয়েকজন সারেঙ অন্য একটা নতুন স্টিমার কোম্পানিতে যোগ দিয়েছে সারেঙের অভাবে।

    কম্পাস ঘুরিয়ে কী করে জাহাজের গতিপথ বদলাতে হয় তাও দেখবার সুযোগ পেলাম যখন নদীপথ কিছুটা বেঁকে পশ্চিম থেকে উত্তরমুখী হলো।

    এক ঘণ্টারও বেশি গল্প হলো সারেঙের সঙ্গে। তার বয়স পঞ্চাশ পেরিয়ে একান্নতে পড়েছে। ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ নৌ-বাহিনীতে যোগ দিয়েছিল লোকটি। “তার আগে চৌদ্দ বছর বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে আমি একটা ব্রিটিশ বাণিজ্য জাহাজে ঢুকে পড়ি। প্রথম কাজ ছিল জাহাজের মেঝে ধোওয়া-মোছা, জল তোলা, ডেকের রেলিং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, এককথায় ‘সাফাই বয়’। একটু একটু করে, নানা রকমের কাজ শিখতে পেরেছিলাম, ইঞ্জিনঘরের কাজ পর্যন্ত। নোঙর ফেলা ও তোলায় হাত লাগানো, কেবিনের যাত্রীদের আরাম-বিরামের কাজে অংশ নেওয়া। আমি নিজেকে নাবিক বলেই মনে করতাম সেই ছোট্ট বেলা থেকে। তাই যুদ্ধ যখন বাধল, আমি ব্রিটিশ নেভীতে ঢুকে যেতে আমার বিশেষ পরিশ্রম করতে হলো না।”

    আমি জানতে চাইলাম, “আপনার ঘর-সংসার নেই?”

    সারেঙ বলল, “হতে পারত, কিন্তু হলো না। চাঁদপুরের একটি মেয়েকে বিয়ে করেছিলাম। কিন্তু বছরের মধ্যে এগারো মাস নদীতে বাস করলে বউ ঘরে রাখা যায় না। আমার বউ-ও চলে গিয়েছিল। তারপরে আর ওদিকে পা বাড়াইনি।”

    একটু পরে সারেঙ আরও বলল, “আপনারা যারা মাটির ওপর বাস করেন তারা বুঝতেই পারেন না জলের কী প্রকাণ্ড টান, কী বিপুল রহস্য। রবিঠাকুর বলেছেন না, “অতল জলের আহ্বান” সে আহ্বান যে কী মধুর, কী গভীর তা বোধহয় তিনিও জানতেন না। যুদ্ধের চার বছর আমি ভূমধ্যসাগর, ভারত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগরে কাটিয়েছি। সমুদ্র যে কী ভীষণ আকর্ষণীয় তা মাটির মানুষ জানবে কী করে? মাটির মানুষ সমুদ্রতীরে রৌদ্রস্নান করে, তটের কাছাকাছি জলে সাঁতার কাটে। সমুদ্রের অপার রহস্য তার বুকের মধ্যে। সে রহস্য একবার আপনাকে দখল করে নিলে আর রেহাই নেই আপনার। শুনেছি ফাইটার পাইলটরা আকাশে মহাশূন্যে উড়ে তারাদের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়ে রাত্রির অন্ধকারে এক সম্পূর্ণ অনুভূতির সন্ধান পায়। আমি তা পুরোপুরি বিশ্বাস করি। সমুদ্র দিনেরাত্রে বারবার রং বদলায়। ঋতুর পরিবর্তনের সঙ্গে হয় তারও পরিবর্তন। ঠিক যেন প্রকৃতি। সমুদ্র মানুষকে যেভাবে ভালোবাসবে, নদী ও মাটির তা সাধ্যের বাইরে। যুদ্ধ শেষ হবার পরও আমি ব্রিটিশ নেভীতে ছিলাম। বন্দর আমার একেবারে ভালো লাগত না। নাবিকরা বন্দরে নামে বেশ্যাপাড়ায় ফুর্তি করতে, মদ খেতে, কেনাকাটা করতে। আপনি এখন ছেলেমানুষ, আমার কথার মানে বুঝবেন না। বড় হলে বুঝতে পারবেন। মেয়েমানুষের খপ্পরে পড়া মানে পুরুষের জীবন থেকে অ্যাডভেঞ্চার চলে গেল। ঘর সংসার বাড়ি জমি ছেলে মেয়ের বেড়ায় চিরজীবনের জন্য আপনি বন্দী হয়ে গেলেন। সমুদ্রের সঙ্গে হয়ে গেল আপনার ছাড়াছাড়ি, ডাইভোর্স। নাবিকরা এত খারাপ অসুখে ভোগে কেন? বন্দরে বন্দরে বেশ্যা বাড়ি যাবার জন্য। কী আছে বেশ্যাদের? এই যাঃ, আপনি তো বালক? কী সব বলে যাচ্ছি আপনার কাছে!”

    সারেঙ আমাকে ড্রিঙ্ক করতে আহ্বান করেছিল। পরে নিজেই বলেছিল, “না, না, আপনার জন্য এ সব নয়। আমি অবশ্য আপনার বয়সেই র‍্যাম খেতে শুরু করেছি। এক কাপ চা খাবেন? আমার তৈরি করতে কোনো কষ্ট হবে না।”

    আমি বলেছিলাম, “আমি এখনও চা খাইনি কোনোদিন। একদিন গ্রামের এক বন্ধুর বাড়িতে আধ পেয়ালা চা খাবার সঙ্গে সঙ্গে আমার বমি এসে গেল।”

    সারেঙ গলা ছেড়ে হেসে উঠেছিল। তার হাসি নদীর বাতাস ও জলের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ফিরে আসছিল আমাদের ছোট্ট আসরে।

    সারেঙ বলেছিল, “আমি একটু পান করলে আপত্তি নেই তো?”

    আমি কাউকে মদ্যপান করতে দেখিনি। আমার জানা ছিল মদ খেলে লোকে মাতাল হয়, মাতালের কাণ্ডজ্ঞান থাকে না। সরকার মশাই’র সতর্কবাণী মনে পড়ল আমার। বুঝতে পারছি ভয় পাচ্ছি। বুকের মধ্যে দুরু দুরু আনন্দ হচ্ছে। হাতের তালুতে ঘাম অনুভব করছি।

    তবু বললাম, “না, আপত্তি হবে কেন?”

    আমার গলা সম্ভবত ভয়কে ফাঁস করে দিয়েছিল।

    সারেঙ বলল, “ভয় পাবেন না। খুব ধীরে আস্তে পান করব আপনার কাছে। আমাদের মাতাল হওয়া একবারেই বারণ। জাহাজ চালাবার সময় মাথা পুরোপুরি ঠান্ডা রাখতে হয়।”

    সারেঙ তার নিজের কথায় ফিরে এল।

    “সমুদ্রের পর নদী—দুধের বদলে ঘোল। নদীর সে গুরুগম্ভীর ভীষণ সুন্দর, ঐশ্বর্য কোথায়? নদী ঘরের বউ, সমুদ্র দুরন্ত প্রেমিকা।”

    গ্লাসে চুমুক দিয়ে, “তবু জল তো! নদীও তো জল! বহমান, তরঙ্গিত, উচ্ছল জল। পদ্মা বর্ষাকালে সমুদ্রের ছোট বোন। এই যে ভৈরব, দেখতে তো বড় গাঙের মতো, এতেই শ্রাবণ-ভাদ্রে ঝড় উঠলে জল তাণ্ডব নৃত্য শুরু করে দেয়। মেঘনাকে আমি উর্বশী হতে দেখি প্রত্যেক ঘোর বর্ষায়। নদীর যে মাতন আছে, মাটির তা নেই। নদী জীবনের মতো চলে, আর নাচে, আর বলে।”

    আমি গভীর বিস্ময়ে শুনে যাচ্ছিলাম। এ লোকটা এত সুন্দর করে সমুদ্র-নদীর কথা বলতে পারছে কী করে? চৌদ্দ বছর বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে বিদেশি জাহাজে চাকরের কাজ শুরু করেছিল। স্কুলেও পড়েনি নিশ্চয়ই। কলেজ তো দূরের কথা! এত সব বুঝল জানল কী করে?

    সারেঙ আবার বুঝতে পারল আমি কী ভাবছি।

    বলল, “আমার কথা শুনে আপনি অবাক হচ্ছেন, মাই ইয়ং ফ্রেন্ড। আমি স্কুল কলেজে পড়িনি। কিন্তু ভাববেন না আমি অশিক্ষিত। নিজের চেষ্টায় অনেক কিছু শেখা যায়। জাহাজের সারেঙরা আমার উৎসাহ দেখে ইংরেজি শিখতে সাহায্য করেছে আমাকে। বন্দরে বন্দরে জাহাজ দীর্ঘকাল নোঙর রাখলে আমি খুঁজে লাইব্রেরি বার করেছি। বইয়ের দোকান থেকে বই কিনে পড়েছি। অনেক বই আছে আমার। দেখবেন? আসুন আমার সঙ্গে।

    শয্যাঘরের সংলগ্ন ছোট্ট একটা ঘর। দরজা এমনভাবে বন্ধ যে দেওয়াল থেকে তাকে প্রভেদ করতে পারিনি আমি। দরজা খুলে সারেঙ আমাকে সেই ছোট্ট ঘরে নিয়ে গেল। চার-দেওয়ালে কাঠের তাক, প্রত্যেকটা বইয়ে ঠাসা। বই ছড়িয়ে রয়েছে মেঝেয়। বেশিরভাগই সমুদ্র ভ্রমণের কাহিনি। যুদ্ধের ইতিহাস ও বর্ণনা। বড় বড় যোদ্ধার জীবনী। কলম্বাস, ভাস্কো-দা-গামা, ড্রেক, সিসিল রোডস, রবিনসন ক্রুশো, এগুলো এখনও আমার মনে আছে। নেপোলিয়ন, নেলসন, ক্রমওয়েল, জর্জ ওয়াশিংটন থেকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বড় বড় প্রধান সেনাপতি, স্থল, জল, আকাশবাহিনী সৈন্যদের সেনাপতির জীবনী সাজানো রয়েছে সারেঙের পড়ার ঘরে। হিন্ডেনবার্গ, ফার্দিনান্দ এঁরা সব প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বড় বড় যোদ্ধা। এখনও মনে পড়ছে দেখতে পাচ্ছিলাম প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কয়েকটি ইতিহাস।

    আছে অনেক বাংলা বইও। বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, জলধর সেন, আরও অনেক বঙ্গ সাহিত্যের রথী মহারথী সারেঙ সাহেবের সঙ্গে দিনের পর দিন পূর্ববঙ্গের নদীপথে যাতায়াত করছেন। প্রবাসী, ভারতবর্ষ, মডার্ন রিভিউর সংখ্যাগুলো, সংখ্যা ও সন ক্রমে বাঁধাই। রেকসিন চামড়ার স্পাইনের (spine) ওপর, সোনার জলে তাদের নাম ও বর্ষ খোদাই।

    আমি সারেঙকে বিস্মিত করে প্রশ্ন করেছিলাম, “এইসব বই আপনি পড়েছেন?”

    সারেঙ একটু বিষণ্ন হাসির সঙ্গে জবাব দিয়েছিল, “নো মাই ইয়ং ফ্রেন্ড, অনেক বই পড়তে পারিনি। নিজের হাতে নিজেকে শিখিয়েছি বাংলা ও ইংরেজি। সে শিক্ষায় যেটুকু বিদ্যালাভ হয়েছে তা নিয়ে এসব বই পড়ে হজম করা সহজ নয়। আমি তো শিক্ষিত ভদ্ৰলোক নই। আমি জাহাজের সারেঙ।”

    আমরা দুজনে আবার কম্পাস ঘরে ফিরে এসেছি। সারেঙ বলল, “ভৈরব নদী এখান থেকে সংকীর্ণ হতে শুরু করেছে। এখন আর বড় নদী নয়, ঢেউয়ের আছালি-পাছালি শুনতে পাবেন না। দেখুন, জাহাজ একটু একটু কাঁপছে, চলতে চলতে। আমরা উজান বেয়ে চলছি। নদীর স্রোতের বিপরীত। চেয়ে দেখুন আকাশ কী ভয়ানক গভীর অন্ধকার। মেঘ জমেছে আকাশে। তারা দেখতে পাচ্ছেন না একটাও। না, এ মেঘ ঝড় তুফান তুলবে না, শুধু নদীর তরঙ্গগুলোকে কিছুটা উন্মত্ত করে দেবে। ঢেউ নেচে নেচে একটা অন্যটার গায়ে গড়িয়ে পড়ছে। গভীর প্রেমে গলাগলি হয়ে চুমোচুমি হয়ে নেচে চলেছে। এই অন্ধকার রাত্রে ভৈরব যেন ভৈরবী হয়ে ওঠে। আমি দেখতে পাই তার মূর্তি হঠাৎ চঞ্চল অন্তরে। বৃষ্টি হবে বেশি রাত্রে।। ঝড় উঠবে না। শুধু বৃষ্টি। গোধূলি বেলায় আকাশে কালোয় সোনায় মেঘের কোনায় কোনায় উছলে পড়া আলোর খেলা দেখেছিলেন তো! এখন দেখুন, নদীর বুকে থমথমে জমজমাট অন্ধকারের পূর্ণ প্রকাশ অনুভব করুন। মনে হচ্ছে না কি যে আপনি সৃষ্টির পূর্বেকার মুহূর্তগুলোকে একত্র করে এক মহাপ্রশান্ত পরিপূর্ণ নীরবতার মধ্যে ধ্যানমগ্ন মহাদেবের মতো বসে আছেন।”

    “আপনি তো এখনও তরুণ এ উপলব্ধি আপনার এখন হবার কথা নয়। আমি প্রতি রাত্রিতে নদীর বুকে সৃষ্টির নতুন চেহারা দেখতে পাই। নদী অনেক কথা বলে, কোনো কথা না বলেও বলে যায় কথার পর কথা। তার ভাষা কখনো বুঝি, কখনো রয়ে যায় অবোধ্য। জীবনের মতো। আমার কিছুটা জীবনের মর্মকথা আমি জানি, কিছুটার কিছুই জানি না, বুঝি না। আমি চাঁটগাঁয়ের জনৈক সারেঙ বৈ তো কেউ নই! তবু জানেন, আমার দুর্বল ভাষায় নদী ও অন্ধকারের উচ্চারিত অনুচ্চারিত অনেক কথা আমি লিখে রাখি। পড়বে শুধু একজন, যতদিন তার পড়বার ক্ষমতা আছে। সে চাটগাঁয়ের জনৈক সারেঙ। আপনি পড়তে চান? আমার হস্তাক্ষর এমন কুৎসিত যে একবর্ণও পড়তে পারবেন না। আমাকে পড়তে হবে, শুনতে পাবেন আপনি। এ যাত্রায় নয়, এখন রাত দুপুর হয়ে এসেছে। নিচে নেমে গিয়ে বিছানায় শুলে ঘুম এসে যাবে আপনার। হয়তো নদী ও অন্ধকার স্বপ্নে আপনাকে কিছু বলবে। হয়তো কিছুই বলবে না। প্রভাত হবার সঙ্গে সঙ্গে জাহাজ খুলনা বন্দরে পৌঁছবে। আপনার সঙ্গে আবার যদি এই জাহাজে দেখা হয়, এক পথের যাত্রী হতে পারি। পড়ে শোনাব আপনাকে আমার ভাষায় নদীর কলরব, তরঙ্গের কোলাহল, বাতাসের হাহাকার, মেঘের ও বৃষ্টির সংগীত, ঝড় তুফানের হুংকার। যদি আবার কোনোদিন দেখা হয়…”

    আমি নিচে নেমে এসে বিছানায় শুয়ে পড়ছি, শুনতে পেলাম সরকার মশাইয়ের কণ্ঠ, “এতক্ষণ কী করছিলে সারেঙের সঙ্গে? আমার তো বেশ দুশ্চিন্তা হচ্ছিল।”

    আমি বললাম, “কিছু করছিলাম না, নদী ও অন্ধকার দেখছিলাম।”

    “কী করছিলে?”

    আমি আর কিছু না বলে শুয়ে পড়লাম। মা একটা রংচটা বেডকভার সঙ্গে দিয়েছিলেন। “জাহাজে ঠান্ডা লাগবে দেখিস।”

    সত্যিই তাই। আমি বেড কভারটা গায়ে জড়িয়ে চোখ বোজার সঙ্গে সঙ্গে ঘুম আমাকে গভীর স্নেহে জড়িয়ে ধরল।

    ঘুমিয়ে পড়তে পড়তে শুনতে পেলাম জোর বৃষ্টি পড়ছে নদীতে। জাহাজের ছাদে। গগন থেকে মাদল বাজছে, “গুরু গুরু গুরু…।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীকৃষ্ণকীর্তন – চণ্ডীদাস
    Next Article ডিসেন্ট অফ ম্যান – চার্লস ডারউইন (অসম্পূর্ণ বই)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }