Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পিতা পুত্রকে – চাণক্য সেন

    চাণক্য সেন এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পিতা পুত্রকে – ২৬

    ছাব্বিশ

    আমাদের পরিবারে ইতোমধ্যে অনেক পরিবর্তন এসে গিয়েছিল। কাকামণির পাঞ্জাব যাওয়ার ছ’মাসের মধ্যেই কাকিমা ও খুড়তুতো ভাই বোনেরা তাঁর কাছে চলে গেল। ২৯ নম্বর বীডন স্ট্রিটের পরিবারগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল। পিসিমা গোয়াবাগানে আলাদা ঘর ভাড়া নিলেন। তিনখানা ঘরের ফ্ল্যাট। রেণুদি, অনুদি দুজনেই কলেজে পড়ছে, বেথুনে দুজনেরই সম্মান। দাদামণি যুদ্ধের বাজারে ব্যবসা করে অর্থবান হতে চলেছে; পিসেমশাই বেহালায় কবিরাজি করেন। সারা সপ্তাহ ওখানে কাটিয়ে শনিবার রবিবার বাড়ি আসেন। আমি টমোড়ি হোস্টেলে থাকার সময় মা’র একটা পত্রে জানলাম আমার এক নতুন বোন জন্মেছে। নাম রাখা হয়েছে বেণু। খবরটা জেনে কেন জানি খুশি হতে পারলাম না। এক বোন ও দুই ভাই আমার হাতে ছোটবেলায় তৈরি হয়েছে। আমি তাদের স্নান করিয়েছি, খাইয়েছি, জামাকাপড় পরিয়ে দিয়েছি। বোনকে স্কুলে ভর্তি করিয়েছি, ভাইদের প্রথম পাঠ শিখিয়েছি। এ-বাড়িতে এবার একটি বোন জন্মাল, যার সঙ্গে আমার বয়সের প্রচুর ব্যবধান, আদান-প্রদানের বিরাট দূরত্ব। এর সঙ্গে আমার সম্পর্ক কখনো গভীর হতে পারবে না। আমার প্রভাব পড়বে না এর জীবনে।

    হোস্টেলে আমার আর্থিক অবস্থা ভালো। খেতে পরতে খরচা লাগত না। পনেরো টাকা সরকারি বৃত্তি এবং কাকামণির দ্বারা প্রেরিত দশ টাকা। সরকারি বৃত্তি আসতে মাসের পর মাস দেরি হয়ে যেত, তখন, অনেক সময় অধ্যাপক গ্রে অগ্রিম টাকা ধার দিতেন। কিছু টাকা আমি প্রতি মাসেই গণেশপুরে পাঠাতে পারতাম।

    ১৯৪১-এ ইচ্ছে হলো গ্রামে যাবার। সব আত্মীয়স্বজনদের জন্য শাড়ি, ফ্রক, প্যান্ট, শার্ট, ধুতি, পাঞ্জাবী কিনে ফেললাম। সংকল্প করলাম পুজোর পর সব প্রজাদের খাওয়া হবে, খরচ বহন করব আমি। বালকদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হবে আমার খরচে। সেজন্যে বেশ কিছু প্রাইজ কিনে নিলাম।

    শিয়ালদা থেকে গোয়ালন্দ পর্যন্ত রেলগাড়ি, তারপর স্টিমার চেপে সুরেশ্বর। সেখান থেকে নৌকা চেপে গণেশপুর। বাজারের সামনে নৌকা ভিড়বার সঙ্গে সঙ্গে দেখতে পেলাম জ্যেঠামশাই দুই ভাই—বোনকে নিয়ে আমার অপেক্ষায়। রাস্তায় যেতে যেতে দীর্ঘ বছরগুলোর বড় বড় ঘটনা শোনা গেল। কোন্ বাড়ির কার মৃত্যু হয়েছে, কার হয়েছে বিবাহ, ক’বার বসেছে যাত্রাগান ও সংকীর্তন, দোলের সময় শিব সেজে যারা নাচতে আসত তাদের কথা এবং আমাদের প্রজা—বাড়িগুলোর মধ্যে এক বাড়িতে একটি স্ত্রীলোকের উপর ভূতের আক্রমণ।

    বাড়ি পৌছে দেখি মা প্রায় তেমনিই আছেন। প্রণাম করতে আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলেন বিছানায়। দেখতে পেলাম হাত পা ছুঁড়ে শুয়ে আছে ও খেলছে একটি শিশু, আমার তিন মাসের বোন বেণু। জ্যেঠামশাইকে মনে হলো অনেকটা বৃদ্ধ হয়ে গেছেন। তাঁর স্ত্রী বড়মা নীরব ও লাজুক। অন্য শরিকদের মধ্যেও কোনো পরিবর্তন নজরে পড়ল না। জ্যেঠামশাই আমার কেনা ধুতি-পাঞ্জাবি পরে গর্বের সঙ্গে সারা গ্রাম ঘুরে এলেন।

    পুজো আসবার ঠিক মুখে গ্রাম সব প্রবাসীদের প্রত্যাগমনে সরগরম হয়ে উঠল। প্রতিমা তৈরি প্রায় শেষ, খড়ি পড়ে গেছে, এখন লাগানো হবে রং। ছোট দু’ভাই কানু ও ভানু প্রায় সারা দিন ও উত্তীর্ণ-সন্ধে কুমোরদের সঙ্গে দুর্গামণ্ডপে।

    পুজোর দু’দিন আগে বাবাও এসে হাজির হলেন। সেই মুটের মাথায় চাপানো বিছানা, কিন্তু তাঁকে নিয়ে আমার আর কৈশোরের কৌতূহল নেই। বাবাকেও দেখে মনে হলো, বয়স বেড়ে গেছে। স্থির হয়ে গিয়েছিল গণেশপুরের পাট তুলে মা ও ভাইবোনেরা খুলনা চলে যাবে। প্রধান প্রয়োজন বোন মধুর শিক্ষা। প্রাথমিক পাস করে দু’বছর বসে আছে। এবার তাকে হাইস্কুলে ভর্তি করতে হবে। মা’র বিবাহিত জীবনের প্রথম শখ শহরবাসী হওয়ার। সে শখ এখন পূর্ণ হতে চলেছে। বাবা পুরোপুরি নিরানন্দ। তিনি চাকরি করতেন খুলনায়, কিন্তু সারা বছর তাঁর মনপ্রাণ পড়ে থাকত গণেশপুরের পৈতৃক বাড়িতে। সেখানকার ঘরবাড়ি ত্যাগ করে চলে যাবার সিদ্ধান্ত তাঁকে খুব পীড়িত করেছিল, কিন্তু দুঃখের সমব্যথী ছিল না কেউ। ছোট ভাই কানু বড় বড় তক্তাপোষ, হাতলহীন চেয়ার ও নড়বড়ে পড়ার টেবিল সবকিছু কী করে খুলনায় নিয়ে যাওয়া যায়, প্রশ্নে প্রশ্নে জর্জরিত করছে প্রতিদিন। গ্রাম থেকে একটি পরিবার শহরে চলে যাচ্ছে, আর কোনোদিন ফিরবে না, তা প্রায় নিশ্চিত। এতে গ্রামের সবারই দুঃখ, কিছু যেন একটা হারিয়ে যাচ্ছে— কোথায় তৈরি হচ্ছে মস্ত একটা ফাঁক, যা পূর্ণ হবার সম্ভাবনা নেই। সবার চেয়ে উদাস দুর্বল ও পরিষ্কারভাবে আতঙ্কিত আমাদের বহু বছরের প্রধান অভিভাবক জ্যেঠামশাই, বাবার খুড়তুতো বড় ভাই। গ্রামের প্রাথমিক স্কুলের দ্বিতীয় শিক্ষক। নিঃসন্তান, তাঁর জীবনে আমরাই তাঁর সন্তানসন্ততি। এবার আমরা চলে যাচ্ছি, তাঁর তো যাবার কোনো স্থান নেই, থাকলেও তাঁকে কিছুতেই গ্রাম থেকে সরানো যেত না।

    পুজোর সময় গ্রামে প্রত্যাগত মুখ্য ব্যক্তিদের সামাজিক আদান—প্রদান ঘটে থাকে। এবার দেখলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় ভালো ফল দেখিযে গ্রামের সম্মানিত গুরুজনদের কাছে আমার দাম বেড়েছে। পিতৃদেব মুখে কখনো একটি প্রশংসার বাক্য উচ্চারণ করেননি। তাঁর হাতের স্নেহ স্পর্শ লাগেনি আমার শরীরে, অথচ ফল্গুধারার মতো স্ত্রী-পুত্র-কন্যা ও আত্মীয় স্বজনের প্রতি নির্ভেজাল মমতা ও দায়িত্ববোধ তাঁর দেহের শিরায় শিরায় প্রবাহিত রয়েছে। একদিন শুনতে পেলাম পিতৃদেব গ্রামের অন্য এক নমস্যকে বলছেন, “শ্ৰীমন্ত কাকা (শ্ৰীমন্ত দাশগুপ্ত, গণেশপুরের একমাত্র জেলা প্রশাসক) বলছিলেন, প্রেসিডেন্সি কলেজে না পড়ে স্কটিশে পড়ানো আমার পক্ষে ঠিক হয়নি। প্রেসিডেন্সি কলেজের ছাত্ররাই বেশির ভাগ আইসিএস—বিসিএস পরীক্ষায় পাস করে থাকে।”

    আমার সেই বিএ পড়ার সময় তখনও জীবনে কী হব না হব, কী কাজ জুটবে না জুটবে, তা নিয়ে কোনো পরিষ্কার চিন্তাভাবনার তাগিদ আসেনি। যখন এসেছিল এবং ভাগ্যের সুযোগে ও গ্রে সাহেবের সহায়তায় ‘স্টেটসম্যানে’ চাকরি পেলাম, তখন আর একবার বাবার মুখে তাঁর ‘শ্রীমন্ত কাকা’র অভিমত জানবার সুযোগ হয়েছিল। অভিমতটা ছিল, “স্টেটসম্যানে কাজ করা আর বিসিএস হওয়া সমান।” আমার কিন্তু কখনো আইসিএস, বিসিএস হবার ইচ্ছে ছিল না, চেষ্টা করলেও হতো না, ব্যর্থ হতাম। শুধু বুঝতে পেরেছিলাম আমার পিতৃদেবের কাছে এই ধরনের রাজপদ কত মূল্যবান। তাঁর ব্রিটিশ শ্রদ্ধার আর এক নিদর্শন!

    পুজো উপলক্ষে যাত্রা, নাটক, সংকীর্তন সব হলো, গ্রামের অভিনেতারাও ডি.এল. রায়ের ‘চন্দ্রগুপ্ত’ অভিনয় করলেন। আমার নিমন্ত্রণে তখন কুমিল্লার জেলাশাসক শ্রীমন্ত দাশগুপ্ত ছেলেদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সভাপতিত্ব করলেন। একটি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় আমার পিতামহ রজনীকান্তের দেশপ্রেমের প্রশংসা করে আমাকে কিছুটা বাহবা দিলেন। বিজয়ার পরের দিন প্রজাদের খাওয়ানো হলো। আমার মনে আছে পঞ্চাশের উপরে নারী-পুরুষ, কিশোর-শিশুদের খাওয়াতে জ্যেঠামশাইয়ের হাতে আমাকে তুলে দিতে হলো পনেরো টাকা।

    গ্রামে আমার এই শেষ উপস্থিতির প্রধান ঘটনার সঙ্গে শারদ উৎসবের কোনো সম্পর্ক ছিল না। প্রাইমারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষক দীনেশ কাকা (দ্বিতীয় শিক্ষক আমার জ্যেঠামশাই) একদিন আমাকে এসে পাকড়াও করলেন। তাঁর চোখেমুখে রক্তবর্ণ উত্তেজনা। বললেন, “একটা ভীষণ কেলেঙ্কারী চলছে, তোমাকে তার মীমাংসা করতে হবে।”

    “কেলেঙ্কারী! কী কেলেঙ্কারী? মীমাংসা করার ক্ষমতা আমার কোথায়?”

    “তোমাদেরই এক প্রজাবাড়িতে।”

    “কোন্ প্রজা?”

    তোমার মনে থাকবে, আমাদের বাড়ির বাইরের পুকুরের দক্ষিণ পাড়ে এক স্বর্ণকার পরিবারের শিশু-বিধবা কমলার কথা। সেই কমলা যে সাত বছরে বিধবা হয়েছিল, সে এখন ষোলো সতেরো বছরের যুবতি। বিজয়ার পরের নিমন্ত্রণের দিনে বাবামা’র সঙ্গে সেও খেতে এসেছিল। তখন দেখতে পেয়েছিলাম তার সৌন্দর্য গভীর কোমলতা ও নম্রতায় বিস্ময়করভাবে গর্জিত। আমার বোন মধুর সঙ্গে তখনও তার গলাগলি বন্ধুতা, যদিও সে বয়সে দু-তিন বছরের বড়। তার চোখে আমার চোখ পড়তে, খণ্ডিত মুহূর্তের হঠাৎ চোখাচোখি, আমার শরীরে শিহরণ জেগেছিল, কমলার মুখখানা শারদীয় অপরাহ্নে মেঘের ওপর প্রসারিত সূর্যের আভায় লজ্জারুণ। আমি প্রশ্ন করেছিলাম, “তুমি ভালো আছো তো?”

    আমার বোন পাশেই ছিল। সে বলেছিল, “কমলা প্রাইমারি স্কুলে বৃত্তি পেয়েছে। এখন কোথায় কী পড়বে তাই নিয়ে ওর বাবার ভীষণ দুশ্চিন্তা।”

    দীনেশ কাকাকে জিজ্ঞেস করলাম, “কমলার কী হয়েছে?”

    “ছোট মামার সঙ্গে অবৈধ প্রেম করছে।”

    “আপনি জানলেন কী করে?”

    “আমি সব সময় নজর রাখছি। ওরা চিঠিপত্র লেখালেখি করছে। কয়েকটা চিঠি আমি ধরতে পেরেছি। এই নাও, পড়ে দেখো।”

    একগুচ্ছ চটকানো প্রায়-ছেঁড়া রুলটানা খাতার পৃষ্ঠা দীনেশ কাকা আমার হাতে গুঁজে দিলেন। দেখলাম এক একটি চিঠির অনেকগুলো টুকরো তিনি সযত্নে আঠা দিয়ে পাতায় সংযুক্ত করেছেন। একটা চিঠির ওপর নজর রেখে বোঝা গেল— আসল প্রেমের চিঠি, গ্রামের মাটি জল জঙ্গল পশু পাখিদের মতো জীবন্ত ও নির্মোক।

    দীনেশ কাকা বললেন, “আমি কমলার বাবাকে বারবার সাবধান করেছি। এই গোপাল ছেলেটা একেবারে বদ। পেশায় মিস্ত্রি, গায়ে গতরে পালোয়ান, দেখলে তুমি বলবে সুপুরুষ, কিন্তু কোনো নীতিবোধ নেই। নিজের ভাগ্নির সঙ্গে প্রেম করছে, তাকে সর্বনাশের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। তোমার জ্যেঠামশাইকে বলেছি। ওকে পেঁদায় এমন কেউ নেই গ্রামে। পুলিশের হাতে তুলে দিতে হয়।”

    আমি বললাম, “দীনেশ কাকা, এ ব্যাপারে আমার কী করার আছে? আমি তো এক সপ্তাহ পরে কলকাতায় ফিরে যাচ্ছি। ওর বাবার উচিত কমলার আবার বিয়ে দেওয়া।”

    “বিয়ে দেওয়া! বিধবা মেয়েকে আবার বিয়ে দেওয়া! তোমরা কলকাতায় পড়াশোনা করে এই শিক্ষা পাচ্ছ?”

    “যদি বিয়ে না দেয়, কমলা অবৈধ প্রেম তো করবেই। ওরা তো ছোটজাত, ব্রাহ্মণ, বৈদ্য, কায়স্থদের পরিবারের অল্প বয়সী বিধবারা কি উপবাসী থাকে?”

    দীনেশ কাকা একসঙ্গে বিস্মিত ও ক্রুদ্ধ হলেন। “তাহলে তুমি কিছু করবে না?”

    “আমার কিছু করার নেই, দীনেশ কাকা। আপনারা যাঁরা গ্রামে আছেন এটা আপনাদেরই কাজ। শুধু বলব, কমলার কথাটাও ভেবে দেখবেন।”

    তিন-চার দিন পরে কমলার বাবাই আমাদের বাড়িতে এসে আমার সঙ্গে কথা বলতে চাইল। অতীক কর্মকার। ব্যবসায়ে স্বর্ণকার। তার অবস্থা ভালো।

    আমি তাকে ঘরে নিয়ে এসে তক্তপোষের উপরে বসালাম। দু—চারটে বাক্য বিনিময়ের পরে প্রশ্ন করলাম, “অতীক কাকা, আমার কাছে আপনার বিশেষ কোনো কাজ আছে?”

    “একটি বিষয়ে তোমার পরামর্শ চাই।”

    “আমার পরামর্শ!”

    “তুমি বিশ্ববিদ্যালয়ে কী সব করেছ, সবার কাছে তোমার নাম শুনি। আমার সামনে এক বড় বিপদ। কমলাকে নিয়ে।”

    “কমলাকে নিয়ে কিসের বিপদ আপনার? ও তো প্রাথমিক পরীক্ষা পাস করে সরকারি বৃত্তি পেয়েছে।”

    “সেটাই তো বিপদ। বৃত্তি ভোগ করতে হলে ওকে পড়াতে হয়। বড় হয়েছে। নানা রকমের পুরুষ লেগেছে ওর পেছনে। ওই যে দীনেশ শিক্ষক মশাই, তিনি সবচেয়ে বেশি। সকালে ঘুম উঠে দাঁতন দিয়ে দাঁত মাজতে মাজতে আমাদের বাড়িতে হাজির হয়। সবসময় কমলাকে কাছে ডাকে, নানারকম লোভ দেখায়। কী যে করি ওকে নিয়ে ভেবে পাই না। কোনো উপায় বাতলাতে পারবে?”

    আমরা সবাই জানতাম দীনেশ কাকা অকৃতদার। বয়স তখন বোধহয় চল্লিশ পেরিয়ে গেছে।

    আমি বললাম, “ওকে নার্সিং স্কুলে ভর্তি করে দিন। মাদারীপুরে স্কুল আছে, কলকাতাতে তো আছেই। পড়ার খরচা লাগবে না। হোস্টেলে থাকার ব্যবস্থা হবে। আমি কলকাতায় গিয়ে আপনাকে খোঁজ খবর করে কাগজপত্র পাঠাব। আপনারা তপসিলি জাতের লোক। অনেক সরকারি সুবিধা রয়েছে আপনাদের জন্যে যা আপনারা জানেন না। কমলা পুরোপুরি নার্স হতে পারবে। ওর জীবন একেবারে বদলে যাবে।”

    অনেক সময়ের দীর্ঘ ব্যবধান এক মুহূর্তে অতিক্রম করে যায় মানুষের মন। মনসা মথুরাং। অলডুস হাক্সলি তাঁর ‘ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড’-এ স্যাভেজ নামে একটি চরিত্র সৃষ্টি করেছেন। এক জায়গায় স্যাভেজ বলেছে— আমি দশ দিনে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর পেরোতে পারি! উপন্যাসে আর একটি চরিত্র আছে, অ্যারিয়ল। সে বলে উঠল, ‘আমি পারি এক মুহূর্তে, আমার মনের গতিতে।’

    মনের গতিকে এক মুহূর্তের জন্য অনেক সময় পেরিয়ে যেতে দাও। ষাট দশকে আমার প্রথম লন্ডন যাবার সুযোগ হয়েছিল। একটি ভারতীয় রেস্তোরাঁয় এক ইংরেজ বন্ধুর সঙ্গে খেতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ বুঝতে পারলাম কাছাকাছি টেবিলে বসে আছে এক দম্পতি, মহিলা আমাকে বারবার দেখছে। মুখখানা চেনা চেনা মনে হলো, কিন্তু এগিয়ে গিয়ে পরিচয় জানবার মতো সাহস হলো না।

    মেয়েটি নিজেই এগিয়ে এল। বলল, “আমায় চিনতে পারছেন না? আমি কমলা।”

    “তুমি কমলা! কী আশ্চর্য! আর উনি, তোমার স্বামী?”

    “হ্যাঁ।”

    কমলা তার স্বামীকে ডেকে আনল। সে ডাক্তার, লন্ডনের কাছাকাছি ক্যান্টারবেরি শহরে এক হাসপাতালে কাজ করে। কমলা সেখানে নার্স। কে বলে জীবন মানুষকে পুরস্কার দেয় না? কাকে দেয় কাকে দেয় না তার কোনো বাঁধা-ধরা নিয়ম নেই। অনেক সময় যে পায়, সে হাত ভরে, বুক ভরে পায়।

    আমার গ্রামে গণেশপুরের চামার বাড়ির শিশু-বিধবা কমলা ইংল্যান্ডের এক হাসপাতালের নার্স! শুধু পুনর্বিবাহিতই নয়, তার স্বামী ডাক্তার। জীবনের বিস্ময়গুলো আমাদের বারবার ধাক্কা মারে, চমকিত করে, বুঝিয়ে দেয় জীবন কী ভীষণ সুন্দর রহস্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীকৃষ্ণকীর্তন – চণ্ডীদাস
    Next Article ডিসেন্ট অফ ম্যান – চার্লস ডারউইন (অসম্পূর্ণ বই)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }