Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পিতা পুত্রকে – চাণক্য সেন

    চাণক্য সেন এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পিতা পুত্রকে – ২৮

    আঠাশ

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে এম.এ. পড়বার প্রথম বছরে তিনটি ঘটনা আমার সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে। প্রথম, ক্লাসে ক্লাসে ঢুকে ইংরেজি ভাষায় বক্তৃতা করে ছাত্র ফেডারেশনের সভা-সমিতিতে ছাত্র-ছাত্রীদের আহ্বান। দ্বিতীয়, আমার জীবনের প্রথম প্রেম, যে কাহিনি বলব একটু পরে। তৃতীয়, চাকরির সন্ধান।

    চাকরির জন্য অনেকের সঙ্গে দেখা করলাম। আমাদের তখনকার সুব্রতদা, পরে যিনি বিজ্ঞাপন জগতে সুব্রত সেনগুপ্ত নামে বিখ্যাত হয়েছিলেন, এ.আর.পি-র একজন হোমরা-চোমরা ব্যক্তি ছিলেন। এ.আর.পি. মানে ‘এয়ার রেড প্রিকশন’। অর্থাৎ শত্রু বিমান কলকাতার কাছাকাছি আসার সঙ্গে সঙ্গেই বেজে উঠবে বুক কাঁপানো সাইরেন এবং সবাই প্রাণ রক্ষার জন্য আশ্রয় নেবে একতলার সিঁড়ির নিচে, রাস্তায় বাফেলওয়াল ও ট্রেঞ্চে। সুব্রতদার কাছে চাকরির জন্য হাজির হলে তিনি এক সাহেবের কাছে পাঠিয়ে দিলেন। সেই সাহেবের অফিসে আধঘণ্টা বসে থাকার পর মনে এমন ধিক্কার এল যে আমি হনহন করে বেরিয়ে গেলাম। তখন দরখাস্ত করলেই মিলিটারি একাউন্টসে কেরানির চাকরি পাওয়া যেত। আমার দু-তিনটি সহপাঠী এই চাকরি পেয়েওছিল। আমিও দরখাস্ত করলাম, চাকরির নিয়োগপত্র এসে গেল। কিন্তু কেরানি হিসেবে জীবন শুরু করব এই নিশ্চয়তা আমার এমন তিক্ত মনে হলো যে আমি নিয়োগপত্র ছিঁড়ে ফেলে দিলাম। মনে আছে এক সুখ্যাত ইংরেজ আই.সি.এস, আর্থার হিউজ—এর সঙ্গে দেখা করেছিলাম। তিনি যুদ্ধে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের ক্ষতিপূরণ ধার্য করার জন্য স্থাপিত একটা বড় অফিসের প্রধান। হিউজ সাহেব সুন্দর বাংলা বলতেন। আমার বক্তব্য শুনে ও পরীক্ষার রেজাল্টবাহী কাগজপত্র দেখে পরিষ্কার বিশুদ্ধ বাংলায় বললেন, “জীবন এমনি করে নষ্ট কর না। চাকরি আমি এখুনি তোমাকে দিতে পারি; কিন্তু কেরানি হয়ে শুরু করলে কোথায় পৌঁছবে? বেশিরভাগ কেরানি হয়েই জীবন শেষ করে। তুমি এম.এটা পাস করে নাও।”

    এমন সময় একদিন মার্কাস গ্রে’র একখানা চিঠি হাতে এল। লিখেছেন, “ইয়ান স্টিফেন্সকে তোমার কথা লিখেছি। তুমি তার সঙ্গে সত্বর দেখা কর।”

    আমি বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্টেটস্ম্যানস হাউসের বাইরে দাঁড়িয়ে প্রকাণ্ড বাড়িটার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম। হৃদকম্পের শব্দ নিজের কানে ধাক্কা মারতে লাগল। মনে মনে ভাবলাম এ বাড়িতে ঢুকে স্টিফেন্স সাহেবের সঙ্গে দেখা করে চাকরি সংগ্রহ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

    বাবা-মা, ভাই-বোন তখন সবাই থাকে খুলনায়। আমিও গেলাম তাদের কাছে। সাত দিন থেকে মনটা ভীষণ বিগড়ে গেল। এতটুকু সাহস আমার নেই যে ‘স্টেটসম্যানের’ এডিটরের সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পারি? বাবা বলেছিলেন, আইসিএস, বিসিএস, কম করে ভারত সরকারের অ্যাসিস্টেন্টের পরীক্ষাটা দিয়ে দাও— এটাও খুব ভালো চাকরি।

    ছোটবেলা থেকে ইংরেজ সরকারের চাকরি করব না, একরকম প্রতিজ্ঞা করে নিয়েছিলাম।

    কলকাতায় ফিরে এলাম। ‘স্টেটস্ম্যান’ অফিসে যাওয়ার মতো আমার না আছে প্যান্ট, না শার্ট, না জুতো। স্কটিশে পড়ার সময় জীবনে সর্বপ্রথম যে দুটি প্যান্ট তৈরি করিয়েছিলাম বিবেকানন্দ রোড ও কর্নওয়ালিশ স্ট্রিটের মোড়ে ‘রায় অ্যান্ড রায়’ দর্জির দোকানে, তার একটাও তখন পরার মতোন নয়।

    পিসতুতো ভাইয়ের কাছ থেকে প্যান্ট ধার করে নেওয়া হলো। তিনি একটা শার্ট দিলেন। আমার খুড়তুতো ভাই বাদলের জুতো দেখা গেল পায়ে বেশ লেগে যায়।

    এভাবে বেশভূষায় সজ্জিত হয়ে পাহাড় প্রমাণ সাহস সঞ্চয় করে ‘স্টেটস্ম্যান হাউস’-এর দরজা পেরিয়ে কাচের ঘূর্ণি দরজার মধ্যে দিয়ে একতলায় ঢুকে গেলাম। দেখলাম ডান ও বাঁ দু’দিকে তিনজন করে কাজ করে যাচ্ছে। একটু লক্ষ্য করে বোঝা গেল এরা খুচরো বিজ্ঞাপন নিচ্ছে। এদের মধ্যে একজন প্রায় বৃদ্ধ ভদ্রলোক, আমার মনে হলো, উপরতলার সাহেবদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের মাধ্যম।

    আমি তার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। ভদ্রলোকের দীর্ঘ একজোড়া পাকা গোঁফ। মাথার চুলও সাদা। চোখে পুরু কাচের চশমা।

    চশমাটা নাকের মাঝখানে। চশমার উপর দিয়ে দুটি চোখ আমার দিকে নিক্ষেপ করে তিনি বললেন, অবশ্যই ইংরেজিতে, “কী চাই তোমার?”

    আমি বললাম, “আমি মিস্টার ইয়ান স্টিফেন্সের সঙ্গে দেখা করতে চাই।”

    ভদ্রলোকের চোখদুটি আমার আপাদমস্তক বার বার দেখে নিল। প্রশ্ন হলো, “এপয়েন্টমেন্ট আছে?”

    “আজ্ঞে না।”

    ভদ্রলোক তক্ষকের ডাকের মতো শব্দ করে হেসে উঠলেন। গুরুগম্ভীর স্বরে আমাকে বললেন, “স্টেটসম্যানে’র এডিটর এপয়েন্টমেন্ট ছাড়া কারও সঙ্গে দেখা করেন না। আপনার সঙ্গে দেখা হবার কোনো সম্ভাবনা নেই।”

    আমার তখন জিদ চেপে গেছে।

    “স্টিফেন্স সাহেবের বন্ধু অধ্যাপক মার্কাস ডি. গ্রে আমাকে লিখেছেন ওঁর সঙ্গে দেখা করতে। এই দেখুন চিঠি। হয় আমাকে উপরে যেতে দিন, নয় স্টিফেন্স সাহেবকে ফোন করে আমার এপয়েন্টমেন্ট পাইয়ে দিন।”

    ভদ্রলোক আবার কিছুক্ষণ আমার আপাদমস্তক দেখে নিল।

    একটা স্লিপ আমার হাতে দিয়ে বললেন, “নাম লিখুন আর সঙ্গে ওই প্রফেসর গ্রে’র চিঠিটাও গেঁথে দিন।”

    দেওয়া হলো। ভদ্রলোক আমাকে বসতে বললেন না। আমি দাঁড়িয়ে রইলাম। এক পেয়াদা আমার নাম ও অধ্যাপক গ্রে-র চিঠি নিয়ে উপরে চলে গেল।

    মিনিটপাঁচেক পরে সে ফিরে এল। ভদ্রলোককে বলল, “সাহেব একে সেলাম দিয়েছেন।”

    এতক্ষণে আমার ভদ্রলোকের নাম মনে পড়েছে। মনমোহনবাবু—এবার আমার দিকে বিস্ময় ও অসন্তোষের দৃষ্টি হানলেন, বললেন, “যান এর সঙ্গে।”

    বেয়ারার পিছু পিছু আমি লিফট-এ চড়ে দোতলায় উঠলাম। সে আমাকে একটা প্রকাণ্ড ঘরে নিয়ে গেল। ঘরের চার দেওয়ালে বার্মাটিক কাঠের তৈরি শেল্ফ-এর উপর কেবল বই আর বই। ঘরে দুটো সোফাসেট। দুটোরই মাঝখানে কাচের টেবিলের উপর দুই প্রকাণ্ড ফুলের স্তবক। কার্পেটে সারা মেঝে আবৃত। শুধু ঝকঝকে পরিষ্কার নয়, সমস্ত পরিবেশ নিস্তব্ধ। একপাশে এডিটরের কক্ষ। দরজার কাছাকাছি বসে আছেন এক ভদ্রলোক একটা প্রকাণ্ড টেবিলের সামনে, যার কাছে বেয়ারা আমাকে হাজির করল।

    ভদ্রলোক উঠে করমর্দন করলেন। বললেন, “আমার নাম রবার্ট মেডমেন্ট, আমি এডিটরের পার্সোনাল অ্যাসিসটেন্ট এবং ‘স্টেটম্যানে’র অ্যাসিসটেন্ট এডিটর। মিস্টার স্টিফেন্স তোমার সঙ্গে দেখা করবেন, কিন্তু একটু অপেক্ষা করতে হবে।”

    আমি দেখতে পেলাম মেডমেন্টের দেহের বর্ণ তামাটে, উচ্চারণও ঠিক সাহেবদের মতো নয়। অনুমান করে নিলাম ইনি অ্যাংলো ইন্ডিয়ান। বললাম, “আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমি বিনা অ্যাপয়েন্টমেন্টে এসে হাজির হয়েছি। নিশ্চয়ই অপেক্ষা করব। “

    এমন সময় পাশের দরজা খুলে গেল। বেরিয়ে এলেন দীর্ঘকায় এক পুরুষ। মাথার চুল বিরল হতে শুরু করেছে, দীর্ঘ নাক, লম্বা মুখখানার চোয়াল চওড়া। চিবুক একটা প্রাচীরের শেষাংশ। হাতে একগাদা প্রুফ। মেডমেন্টের সঙ্গে দু’চারটে কথা বলে প্রুফগুলো তাঁর টেবিলের উপরে রাখলেন। তখন নজরে পড়ল অদূরে দণ্ডায়মান আমার উপর। বলে উঠলেন, “ও এই হচ্ছে সেই ছেলেটি, তুমি আমার ঘরে বসো।”

    এডিটরের ঘরও বেশ বড়সড়। সমস্ত ঘরে কাগজপত্র আকর্ষণীয় বিশৃঙ্খলার সঙ্গে ছড়িয়ে আছে। কয়েকটি চেয়ারের উপর স্তূপাকার বই, একপাশে একটা টেবিলের উপর একরাশি পেপার ক্লিপিং, কালো মলাটে একই সাইজে বাঁধানো, প্রত্যেক খণ্ডের শিরদাঁড়ায় প্রত্যেক খণ্ডের নাম ও নির্ধারিত সময় লিখিত।

    ইয়ান স্টিফেন্স কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ট্রাইপস পেয়ে কিছুদিন ওখানকারই একটা কলেজে প্রথমে টিউটর পরে লেকচারার হয়েছিলেন। দৈর্ঘ্যে ছয় ফুট দু’ইঞ্চি, কৃশ মজবুত শরীর। যেটা আমাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করল তা হলো তার দুই ঘন গভীর নীল চোখ। আমি নীলা পাথর দেখেছি, কিন্তু এ যেন সাগরের গভীর জলের নীলটুকু পাথরে রূপান্তরিত! গভীর নীল চোখদুটি অতিশয় জীবন্ত। মুখের ভাষার চেয়ে চোখের ভাষা ত্বরান্বিত ও স্বচ্ছ।

    চল্লিশ দশকের প্রথমে ইয়ান স্টিফেন্স ভারত সরকারের প্রিন্সিপ্যাল ইনফরমেশন অফিসার হয়ে দিল্লিতে আসেন। পেশায়, অতএব তিনি সাংবাদিক ছিলেন না। যুদ্ধের শেষদিকে দীর্ঘকালীন সম্পাদক আর্থার মূরের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের মতান্তর ঘটে পত্রিকার ভারতনীতি নিয়ে। আর্থার মূর চেয়েছিলেন ইংরেজ সরকার যুদ্ধান্তে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সম্বন্ধে অঙ্গীকারে নিবদ্ধ হোন। কংগ্রেসেরও দাবি তাই ছিল। ‘স্টেটস্ম্যানে’র কর্তৃপক্ষ আর্থার মূরের কংগ্রেসী গন্ধ পেতে লাগলেন ১৯৪৩ সাল থেকে। সে বছর আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আশুতোষ হলে ছাত্র ও অধ্যাপকদের এক সভায় আর্থার মূরকে নিমন্ত্রণ করে ‘মহাযুদ্ধ ও ভারতবর্ষ’ বিষয়ে তাঁর বক্তৃতা শোনবার পরিকল্পনা হয়েছিল। আর্থার মূরকে নিমন্ত্রণ করতে যাবার দায়িত্ব পড়েছিল যে তিনটি ছেলের উপর, আমি তাদের মধ্যে একজন। আমরা তাঁর সঙ্গে ক্যালকাটা ক্লাবে দেখা করেছিলাম। কথাবার্তার বেশির ভাগটাই ছাত্রদের পক্ষ থেকে চালাতে হয়েছিল আমাকে। আর্থার মূর কয়েকটা প্রশ্ন করেছিলেন, যার তাৎপর্য ছিল যুবকরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সম্বন্ধে কী ভাবছে। জবাবে কী বলেছিলাম তা মনে নেই, মনে আছে তিনি বেশ খুশি হয়েই বক্তৃতা করতে যেতে রাজি হয়েছিলেন।

    সভা উপলক্ষে ‘আশুতোষ হল’ জনাকীর্ণ। আর্থার মূর নিজেই চলে এসেছিলেন। ইউনিভার্সিটি গেটে আমরা তাঁকে অভ্যর্থনা করেছিলাম, মালা পরিয়ে নয়, নমস্কার করে। জনাকীর্ণ আশুতোষ হল তাঁকে খুব খুশি করেছিল। সভার কাছে আর্থার মূরের পরিচয় দেবার ভার ও পড়েছিল আমার উপর। তিনি তাঁর বক্তৃতা শুধু লিখে নয়, ছাপিয়ে এনেছিলেন। তার কয়েকশো কপি সভায় উপস্থিত লোকেদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছিল। সেই বক্তৃতার কয়েকটা অংশে আর্থার মূর পরিষ্কার ভাষায় বলেছিলেন, মিত্র শক্তির আটলান্টিক চার্টার এবং ফোর ফ্রিডমস্—অর্থাৎ ঔপনিবেশিক শাসন হতে ক্ষুধা অশিক্ষা ও অস্বাস্থ্য থেকে মুক্তি যদি ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে প্রযুক্ত না হয় তাহলে ইতিহাসে হয়ে দাঁড়াবে কয়েকটি ফাঁকা আওয়াজ। উচ্ছ্বসিত করতালির মধ্যে আর্থার মূরের বক্তৃতা শেষ হয়েছিল।

    ফিরে যাবার সময় তিনি আমাকে তাঁর গাড়িতে তুলে নিয়েছিলেন। বলেছিলেন, “আমি আর বেশিদিন ‘স্টেটস্ম্যানে’র এডিটর থাকব না। তোমার যদি জার্নালিজম করার ইচ্ছা থাকে তুমি নতুন এডিটর ইয়ান স্টিফেন্সের সঙ্গে দেখা কর।”

    .

    ইয়ান স্টিফেন্স খুব তাড়াতাড়ি কথা বলেন, ফলে আমার পক্ষে বুঝতে অসুবিধা হয়। তবু বুঝতে পারলাম তিনি আমাকে বলছেন, “মার্কাস গ্রে’র চিঠি এসেছে প্রায় দশদিন হলো। তুমি এতদিন কোথায় ছিলে?”

    “খুলনা শহরে পালিয়ে গিয়েছিলাম। ওখানে আমার বাবা-মা, ভাই—বোন বাস করেন!”

    “পালিয়ে গিয়েছিলে কেন?”

    “ভয়ে। আপনার সঙ্গে দেখা করার সাহস হচ্ছিল না।”

    হেসে উঠলেন ইয়ান স্টিফেন্স। বললেন, “এখনও ভয় করছে?”

    “না।”

    “তাহলে তুমি কিছুক্ষণ ওই কোণের চেয়ারটায় বসো। আমার হাতে কিছু জরুরি কাজের চাপ আছে। এগুলো শেষ করে তোমার সঙ্গে কথা বলব। ওখানে আজকের পত্রিকাগুলো সবই আছে। যেটা ইচ্ছা পড়তে পার।”

    প্রায় আধঘণ্টা লেগে গেল জরুরি কাজ থেকে মুক্তি পেতে ইয়ান স্টিফেনের। এর মধ্যে তিন-চারবার ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়ে অন্য লোকদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেছিলেন। দু’বার তাঁর সেক্রেটারি মিস কেলিকে ডেকে ডিকটেশন দিয়েছেন। অন্তত পাঁচ-ছ’জন লোক তাঁর ঘরে ঢুকে সংক্ষিপ্ত বাক্য বিনিময়ে কাজের নির্দেশ নিয়ে প্রস্থান করেছেন। তিনবার টেলিফোনে কথা বলতে হয়েছে তাঁকে।

    আমার মণিবন্ধে কাকামণির ঘড়ি। তার উপর আমার সজাগ দৃষ্টি। ঠিক আধঘণ্টা পর স্টিফেন্স আমাকে বললেন, “এসো, আমার সামনে বসো। এবার আমরা কথা বলি।”

    সামনাসামনি বসতে তিনি বললেন, “মার্কাস গ্রে আমার সহপাঠী ও বিশেষ বন্ধু। টমোড়ি হোস্টেলে তার বাড়িতে আমি অনেকবার গেছি। তোমার মনে নেই, কিন্তু আমার মনে আছে, দু’বার অধ্যাপক গ্রে’র বাড়িতে আমি তোমাকে দেখেছি।”

    “অধ্যাপক গ্রে আমাকে খুব স্নেহ করেন।”

    “শুধু তাই নয়, তোমার খুব প্রশংসাও করেন। কিন্তু তাঁর পত্রে তিনি লিখেছেন যে তুমি কমিউনিস্ট। তুমি কতখানি কমিউনিস্ট?”

    “আমি কমিউনিস্ট পার্টির সভ্য নই। ছাত্র ফেডারেশনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক। আমি নিজেকে কমিউনিস্ট বলি না। বরং মার্কসিস্ট বলি।”

    “দুটোতে তফাত কী?“

    “কমিউনিস্টরা বিপ্লবী সংগ্রামে সংযুক্ত। আমি তা নই। আমার মধ্যে বিদ্রোহ নেই। প্রতিবাদ আছে। মার্কসিষ্ট মানে সমাজ ও রাজনীতি বিশ্লেষণ করার একটা নির্ভরযোগ্য পথ।”

    “স্টেটস্ম্যান কমিউনিস্টদের পছন্দ করে না। কিন্তু এখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েট ইউনিয়ন মিত্রশক্তিদের অন্যতম। আমাদের মধ্যে বর্তমানে কোনো ঝগড়া নেই। তোমার মার্কসিজম্ বা কমিউনিজম আমার কাছে বর্তমানে আপত্তিকর কিছু নয়। এখন বল আমি তোমার জন্য কী করতে পারি?”

    আমি খুব সংক্ষেপে নিজের অবস্থার বর্ণনা করলাম। বললাম, “এখন পরীক্ষাটা শেষ করার খুব ইচ্ছে। আমি কি ‘স্টেটস্ম্যানে’ বুক রিভিউ বা ছোটখাটো কিছু লিখতে পারি? তাহলে আমার পড়ার খরচটা এসে যায়।”

    স্টিফেন্স বললেন, “দুটোর একটাও সম্ভব নয়। যুদ্ধ পত্রিকার সাইজকে কী রকম ছোট করে দিয়েছে তা তো তুমি জান। বুক রিভিউ আমরা বন্ধ করে দিয়েছি। দিল্লি ও কলকাতা অফিসের স্টাফদের লেখার জায়গা দিতে পারছি না।”

    আমার মুখে নৈরাশ্যের কালো মেঘ দেখে ইয়ান স্টিফেন্স বললেন, “স্টেটম্যানে’ লেখবার সুযোগ নেই। কিন্তু চাকরি হতে পারে। হোয়াট অ্যাবাউট এ জব হিয়ার?”

    এবার আমার বাক্যহীনতা একেবারে অন্য কারণে!

    একটু পরে বললাম, “অতটা আশা করার মতো সাহস আমার একেবারে ছিল না। “

    “এখুনি কিছু হবে না। তবে দু-তিন মাসে আমরা একজন সাব—এডিটর নিতে পারি। অন্য কিছু সম্ভাবনাও ঘটতে পারে। তুমি মিস্টার মেডমেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে। আর এখন তুমি দেখা করবে আমাদের নিউজ এডিটর অ্যালেক রীডের সঙ্গে।”

    আমি ধন্যবাদ দিয়ে উঠে দাঁড়ালাম। স্টিফেন্স নিজেই আমাকে মেডমেন্টের টেবিল পর্যন্ত নিয়ে গেলেন। যাবার আগে বললেন, “আর একজন লোক তোমার কথা আমাকে বলেছেন।”

    আমি প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে তাকাতে তিনি বললেন, “শুনে একটু অবাক হবে— তার নাম আর্থার মূর।”

    মেডমেন্টের কাছে আমাকে নিয়ে এসে স্টিফেন্স বললেন, “এই ছেলেটি তোমার সঙ্গে সংযোগ রাখবে। এখন ওকে রীডের কাছে পাঠিয়ে দাও।”

    অ্যালেক রীড স্কটল্যান্ডের মানুষ। বিরাট চেহারা। ঘোঁৎ ঘোঁৎ করে কথা বলেন। শাসক ইংরেজ সমাজে তিনি ঘোরতর অপরাধ করেছিলেন এলা সেনকে বিবাহ করে। এলা সেন পাণ্ডিত্য ও সুরুচির জন্য সারা দেশে সুপরিচিত। শুনেছি দু’চারজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছাড়া সাহেবরা বিবাহে যোগ দেননি। রীড সাহেব শ্বশুরবাড়ি ভারতবর্ষের উপর অনুচিতভাবে আকৃষ্ট। শাসক সমাজে তাঁর জন্য চেয়ার পাতা নেই।

    একজন পেয়াদা আমাকে রীড সাহেবের ঘরে নিয়ে গেলেন। ঘোঁৎ ঘোঁৎ স্কটিশ উচ্চারণ বুঝে নিতে আমার তো বিশেষ বিপদ। রীড সাহেব প্রশ্ন করলেন, “তুমি কী ধরনের কাজে উপযুক্ত?”

    আমি বললাম, “সব কাজেরই। কেননা কোনো কাজই আমি এখনও করিনি।”

    মুখের বিকৃতি দেখে মনে হলো রীড সাহেব হাসলেন।

    “কত মাইনে আশা কর?”

    এবার আমি সত্যিকারের বিপদে পড়লাম। দেখলাম গলা শুকিয়ে গেছে, তবু সাহসে বুক বেঁধে বললাম, “ষাট টাকা।”

    এবার রীড সাহেব ঘোঁৎ ঘোঁৎ করে হেসে উঠলেন। বললেন, “স্টেটম্যানে’ দেড়শো টাকার কমে মাইনা হয় না। উইল দ্যাট বী টু লিটল ফর ইউ?”

    “নো স্যার, বাট ইট উইল নট বী টু মাচ ফর মী।”

    রীড সাহেব বললেন, “আমার প্ল্যান আছে একটি রেফারেন্স সেকশন খোলার। তুমি তার দায়িত্ব নিতে পারবে?”

    “পারব।”

    “এখনও প্ল্যান ফাইনাল হয়নি। মাসখানেকের মধ্যে তুমি জানতে পারবে।”

    এই এক মাসের মধ্যেই অনেক কিছু পারিবারিক পরিবর্তনস হয়েছে। কাকামণি পুনরায় চাকরি পেয়ে পাঞ্জাব চলে গেছেন। আমি বাস করছি পিসিমার সঙ্গে। একদিন সন্ধেবেলা বাড়ি ফিরতে পিসিমা আমার পিঠে হাত দিয়ে তাঁর নিজের ঘরে নিয়ে গেলেন। বুঝিয়ে—সুঝিয়ে যা বললেন, তার মানে হলো জীবনে অনেক ব্যর্থতা আসে, তাতে ঘাবড়াতে নেই।

    এবার আসল খবরটা ভাঙলেন। রীড সাহেব দুঃখ জানিয়ে একটি ছোট চিঠি দিয়েছেন। চিঠিটি আমি পড়লাম। “আমাদের রেফারেন্স সেকশন খোলবার প্ল্যান পরিত্যক্ত হয়েছে। সুতরাং এখানে তোমার চাকরির সম্ভাবনা নেই। আমি বিশেষ দুঃখিত।”

    দু’দিন পরে আমি সোজা মেডমেন্টের অফিসে গিয়ে হাজির। তিনি বললেন, “তোমাকে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। এডিটর তোমার সম্বন্ধে বেশ খুশি। একটা কিছু হয়ে যাবে।” একটু থেমে বললেন, “আসলে হয়েই যেত। একটা সাব-এডিটর পদ খালি ছিল, কিন্তু দিল্লি থেকে একজন নিয়োগ করতে হলো।”

    আমি বললাম, “আমার সহনশীলতার বাকি নেই। আমি আপনাদের এই বিরাট অফিসে যে কোনো পদে, যত ক্ষুদ্রই হোক না কেন, শুরু করতে রাজি। শুধু আমার জন্য উপরে ওঠার দরজা যদি খোলা থাকে।”

    জীবনে কীসে কী হয়ে যায়। কোন্ কথা কীভাবে কার মনে কী প্রতিধ্বনি তোলে, এ প্রশ্নের শেষ নেই। মেডমেন্ট সাহেব উত্তেজিত হয়ে উঠলেন, বললেন, “ইয়ংম্যান, পঁচিশ বছর আগে ঠিক এই কথা বলেই আমি এই অফিসে কাজ পেয়েছিলাম। পঁচিশ বছর পর তোমার মুখে শুনতে পেলাম সেই কথা। তুমি প্রুফ রিডার হিসেবে ঢুকতে রাজি আছ?”

    “আছি।”

    মেডমেন্ট সাহেব আলেক রীডকে ফোন করলেন। আমাকে বললেন, “গো অ্যান্ড সী মিস্টার রীড।”

    আমি রীড সাহেবের ঘরে ঢুকতেই তিনি আমাকে বললেন, “কাছে এসে এই চেয়ারটায় বসো।” বসলে বললেন, “আমাদের এখুনি একজন প্রুফ রীডার চাই। তুমি প্রুফ রিডিং জানো?”

    “না। কিন্তু চিহ্নগুলো জানা আছে। খুব বেশি হলে তিন-চার দিন সময় লাগবে।”

    “বেশ, কাল থেকে জয়েন কর। নাইট ডিউটি। রাত্রি ন’টা থেকে ভোর চারটে পর্যন্ত। তোমাকে নিজেই আসতে হবে। অফিসের গাড়ি তোমাকে বাড়ি পৌঁছে দেবে।”

    আমি অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে উঠে দাঁড়ালাম।

    রীড সাহেব বললেন, “কত মাইনে পাবে তা তো জিজ্ঞেস করলে না?”

    “আপন বলেছিলেন এ অফিসে দেড়শো টাকার নিচে কোনো মাইনে শুরু হয় না। মাইনে ঠিক করবেন আপনি। আমি কাজটা তো ভালো করে শিখি।”

    রীড সাহেব বললেন, “তোমার স্টার্টিং স্যালারি একশো পঁচাত্তর টাকা। এক বছরের প্রবেশন। এক বছর ভালো কাজ করলে সাব—এডিটর হবার সম্ভাবনা। স্টেটস্ম্যান থেকে সস্তায় রেশন ও ধুতি কাপড় দেওয়া হয়। এখন তুমি আসতে পার।”

    শুরু হলো আমার কর্মজীবন। সাংবাদিকতা। তিন মাস প্রুফ রিডিং চলল। এবং তারই মধ্যে বুঝতে পারলাম অন্তত নিউজ রুমে ভারতীয়দের সম্মান নেই। তিন মাস যেদিন শেষ হবে সেদিন সকালে স্টেটসম্যানের প্রথম পৃষ্ঠায় বড় রকমের ভুল চোখে পড়ল, যার দায়িত্ব আমার। সারাদিন কাটল ভয়ে ভয়ে, দুশ্চিন্তায়। রাত্রে অফিসে এসে সোজা প্রুফ রীডারদের ঘরে ঢুকে আমার টেবিলের উপর রাখা প্রুফ পড়তে শুরু করলাম।

    রীড সাহেব ঠিক রাত ন’টায় দ্বিতীয়বার অফিসে আসতেন, থাকতেন এগারেটা কি বারোটা পর্যন্ত। বেশ খানিকটা মদ্যপান করে আসতেন। বড়সড় কুমড়োর মতো মুখখানা ভীষণ থমথমে ও রক্তবর্ণ দেখাত। কথা বলতেন খুব কম।

    বেয়ারা এসে পাশে দাঁড়িয়ে বলল, “রীড সাহেব সেলাম দিয়েছেন।”

    আমার বুক ভীষণ কেঁপে উঠল। নির্ঘাত চাকরি থাকবে না। প্রবেশন বছরের মাত্র এক-চতুর্থাংশ কাটানো গেছে। এবার আবার রাস্তায় দাঁড়াতে হবে।

    রীড সাহেবের ঘরের দরজায় মৃদু আঘাত করলাম। ভিতর থেকে যেন হুঙ্কার এল, “কাম ইন।”

    আমি ভিতরে গিয়ে তাঁর সামনে দাঁড়াতে তিনি বললেন, “আজ তো শনিবার, না? তুমি কাল ছুটি নাও, পরশু থেকে তুমি সাব-এডিটর।”

    আমার নিজের কানকেই বিশ্বাস হচ্ছিল না, বিহ্বল হয়ে নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম।

    রীড ভাবলেন, তাঁর কথা বুঝতে পারিনি। পুনরায় একটু আস্তে আস্তে সেই কথাগুলো বললেন।

    এতক্ষণে আমার মুখে কথা এল। আমি বললাম, “আপনার কথা আমি বুঝতে পেরেছিলাম। কিন্তু বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।”

    রীড বললেন, “ধন্যবাদ দিও তিন মাস পরে। তোমার তিন মাসের প্রবেশন। হ্যাঁ, একটা কথা বলতে ভুলে গেছি তোমার মাইনে হবে আড়াইশো টাকা।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীকৃষ্ণকীর্তন – চণ্ডীদাস
    Next Article ডিসেন্ট অফ ম্যান – চার্লস ডারউইন (অসম্পূর্ণ বই)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }