Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পিরানদেল্লোর গল্প – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব বসু

    বুদ্ধদেব বসু এক পাতা গল্প221 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মাছি – অনুবাদক: কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    মাছি

    গ্রামের নীচেকার খাড়াই খড়ি-পাথরের পাহাড় বেয়ে দু’টি যুবক উঠছিল। লোহার কাঁটা-লাগানো বুটগুলো পিছলে যাচ্ছিল বলে হাত আর পা দুই-ই তাদের ব্যবহার করতে হচ্ছিল। খুব তাড়াতাড়ি ওঠার জন্যে দম প্রায় শেষ হয়ে এসেছিল তাই হাঁপাতে-হাঁপাতে পিছল পথটাকে গালাগালি করছিল তারা। গ্রামের প্রবেশ-পথের সামনেই ছোট একটা কুয়ো। তার চারপাশে একদল মেয়ে গল্প করছিল। পাহাড়ের পাশ দিয়ে তাদের দু’জনের টকটকে লাল দুটো মুখ দেখা যেতেই মেয়েরা ঘাড় ফিরিয়ে চাইল, ওরা সেই দু’ ভাই নয়তো? তাই তো, নেলি আর সারো তরতোরিচি! আহা বেচারারা! কিন্তু এই ব্যস্ততার কারণটা কী?

    ছোট ভাই নেলির আর এক পা নড়বার ক্ষমতাও ছিল না। মেয়েদের কথার জবাব দেবার জন্যে এবং একটু দম নেবার জন্যে সে দাঁড়াল। সারো কিন্তু তার হাত ধরে হিড়হিড় করে নিয়ে চলল টেনে।

    যাবার সময় নেলি বলে গেল, ‘জুইরলাননু জারুর কথা বলছিলুম— সম্পর্কে আমাদের ভাই!’ হাত দুটো উপরে তুলল সে, যেন প্রার্থনা করল ঈশ্বরের কাছে।

    আতঙ্ক ও ভয়-মেশানো সুরে মেয়ের দল আর্তনাদ করে উঠল। তাদের একজন প্রশ্ন করল, ‘কে করেছে এ কাজ?’

    ‘কেউই না। ভগবানের মার!’ দূর থেকে চেঁচিয়ে বলল নেলি। চাঁদনিচকে গ্রামের ডাক্তারের বাড়ি। তারা ব্যস্তভাবে সেদিকে এগিয়ে গেল। পায়ে একজোড়া পুরনো চটি, শার্টের বোতামগুলো খোলা আর আস্তিন দুটো গুটোনো— এই অবস্থায় ডাক্তার সিদোলো লপিচ্চোলো ঘরময় পায়চারি করছে। ঘুমের অভাবে চোখ দুটো ফোলা-ফোলা আর জলে ভারী। তার ফোলা গালের উপর অন্তত দশ দিনের দাড়ি জমেছে। প্রায় বছর নয়েকের একটি মেয়ে তার কোলে, একেবারে কঙ্কালসার। ভুগে ভুগে তার রং হলদেটে হয়ে গেছে।

    গত এগারো মাস ধরে স্ত্রী তার একেবারে শয্যাশায়ী। যে মেয়েটি কোলে ছিল তাকে বাদ দিয়ে এ সংসারে আরও ছ’টি ছেলেমেয়ে। মেয়েটিই বড়। ছেলেগুলো যেমন দুরন্ত তেমনি নোংরা। বাড়িটাও অসম্ভব অগোছালো— মেঝেয় কাচের বাসনের টুকরো, ফলের খোসা আর রাশি রাশি ময়লা, চেয়ারগুলো ভাঙা, আরামকেদারার বসার জায়গাগুলোয় গর্ত, কে জানে কতদিন বিছানা পাতা হয়নি, বিছানার চাদরগুলোও কুটিকুটি হয়ে এসেছে। এর কারণ আর কিছুই নয়— বাচ্চা শয়তানগুলো বিছানার উপর বালিশ নিয়ে লড়াই-লড়াই খেলে!

     

     

    কোনও-একদিন যেটা বসার ঘর ছিল তার দেয়ালের উপরকার শুধু একটি ছবি এখনও অক্ষত। ডাক্তার সিদোলো লপিচ্চোলো ডিপ্লোমা পাবার কিছুদিনের মধ্যেই একটি ছবি তোলা হয়েছিল। তখন সে তরুণ। সেই ছবিটাকেই বড় করে এখানে ঝোলানো হয়েছে। ছবিতে তাকে দেখাচ্ছিল পরিপাটি, এমনকী শৌখিন, খুব ফুর্তিবাজ আর হাসিখুশি।

    চটি ফটফট করে ছবিটার কাছে গিয়ে ভেংচি কেটে মেয়েটিকে তুলে ধরে বলল, ‘দেখলে তো সিসিনে।’

    ‘সিসিনে’ তার ডাকনাম। অনেক, অনেকদিন আগে খ্যাপাতে চাইলে মা তাকে ওই নামে ডাকত। তার মা-র আদুরে-ছেলে ছিল সে। অনেক আশা করা হয়েছিল তার উপর। সবাই ভেবেছিল ভবিষ্যৎ তার উজ্জ্বল।

    চাষি দু’জনকে দেখে প্রায় খ্যাপা কুকুরের মতো সে তেড়ে গেল।

    ‘কী দরকার তোমাদের?’

    হাতে টুপি নিয়ে তখনও হাঁপাতে হাঁপাতে সারো তরতোরিচি বলল, ‘ডাক্তারবাবু, আমাদের এক ভাই— আহা বেচারা— প্রায় মরতে বসেছে।’

     

     

    ‘ছোকরার কপাল ভাল বলতে হবে! উৎসবের ব্যবস্থা করেছ?’ চেঁচিয়ে উঠল ডাক্তার।

    ‘না-না ডাক্তারবাবু… সে মরতে বসেছে… হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ল… কী যে অসুখ কিছুই বুঝছি না। মন্তেলুসায় এক আস্তাবলে পড়ে রয়েছে।’

    এক পা পিছিয়ে ভীষণ রেগে ডাক্তার বলল, ‘মন্তেলুসায়? হা ভগবান!’ সে জানে পথ ধরে গেলে জায়গাটা গ্রাম থেকে পাকা সাত মাইল— আর সে কী পথ!

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ। দোহাই আপনার, যত শিগগির হয় আসুন।’ অনুনয় করে বলল তরতোরিচি। ‘মেটুলির মতো সে কালো হয়ে গেছে আর এমন ফুলেছে যে দেখলে ভয় করে। দোহাই আপনার, আসুন।’

    ‘কী! হেঁটে যেতে হবে নাকি?’ আবার চিৎকার করে উঠল ডাক্তার, ‘পায়ে হেঁটে দশ মাইল? মাথা খারাপ নাকি? একটা খচ্চরের ব্যবস্থা করো, বুঝলে? তোমাদের খচ্চর নেই?’

     

     

    ‘আমি দৌড়ে গিয়ে এখুনি জোগাড় করছি,’ তাড়াতাড়ি তরতোরিচি উত্তর দিল। ‘কারুর কাছ থেকে ধার করে আনছি।’

    ছোট ভাই নেলি বলল, ‘আমি ততক্ষণ তাড়াতাড়ি দাড়িটা কামিয়ে আসি।’

    এমনভাবে ডাক্তার তাকাল যে পারলে তাকে এখুনি গিলে ফেলে!

    ‘আজ রোববার কিনা ডাক্তারবাবু,’ অপ্রস্তুত হয়ে নেলি জানাল, ‘আর আমার বিয়ের কথাটা পাকা হয়ে গেছে কিনা…’

    রাগে আত্মবিস্মৃত হয়ে ডাক্তার বলল, ‘বটে! তুমি বিয়ে করতে যাচ্ছ? ধরো তা হলে এটাকে।’

    বলে রুগ্ন মেয়েটাকে তার কোলে গুঁজে দিল। তারপর অন্য ছেলে-মেয়েদের, যারা ভিড় করে দাঁড়িয়েছিল, এক-এক করে তার দিকে ছুড়ে দিতে দিতে চিৎকার করতে লাগল, ‘আর এটাকে,’ ‘আর এটাকে’, ‘আর এটাকে,’ ‘আর এটাকে’… ‘গর্দভ কোথাকার,’ শেষে আবার বলল, ‘গর্দভ কোথাকার।’

    যেন চলে যাবার জন্যেই সে ঘুরে দাঁড়াল, তারপর ফিরে এসে রুগ্ন মেয়েটাকে আবার কোলে নিয়ে তাদের বললে, ‘দৌড়ে একটা খচ্চর জোগাড় করে আনো। এখুনি যাব।’

     

     

    তার ভাইয়ের পিছন-পিছন সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে নেলি তরতোরিচি আবার হাসতে লাগল। তার নিজের বয়স কুড়ি, আর আলুৎসার, যার সঙ্গে বিয়ের ঠিক হয়েছে, বয়স ষোলো। ভারী সুন্দরী সে। সাতটা ছেলেমেয়ে? তা-ও যথেষ্ট নয়। সে চায় বারোটা, পুরো এক ডজন! অবশ্য এ কথা সত্যি যে ঈশ্বরদত্ত সবল দুটো হাত ছাড়া তাদের জীবিকা উপার্জনের আর কোনও উপায়ই নেই, কিন্তু হাসিমুখে যে-কোনও কাজ করতে সে প্রস্তুত। তার দুটো জিনিস ভাল লাগে— কাস্তে চালাতে আর গান গাইতে। কাজ করতে করতে গান বাঁধতে পারে বলে লোকে তাকে ‘লায়লা’ (কবি) বলে ডাকে। পরোপকারী আর সর্বদা হাসিখুশি বলে সবাই যে তাকে পছন্দ করে— এ কথাটাও সে জানে। সব সময়েই সে হাসে, সবাইকেই বিলোয় তার হাসি— এমনকী আকাশ-বাতাসকেও। রোদে পুড়ে এখনও তার চামড়া তামাটে হয়নি। তার একমাথা কোঁকড়ানো গাঢ় সোনালি রঙের চুল দেখে মেয়েরা পর্যন্ত হিংসে করে। উজ্জ্বল নীল চোখ মেলে একটি বিশেষ ভঙ্গিতে সে তাকাতে জানে। সেই চাউনির সামনে কত মেয়ে যে লজ্জায় রাঙা হয়ে উঠেছে তার ঠিক নেই!

    তার দূর-সম্পর্কের ভাই জারুর অসুখে সে দারুণ ঘাবড়ে পড়েছে। আরও দুর্ভাবনা হয়েছে লুৎসার জন্যে। মেয়েটা নিশ্চয়ই বেজায় চটে থাকবে— বেচারা দু’দিন ধরে এই রবিবারের জন্যে কীভাবেই না অপেক্ষা করে আছে। আজকের দিনে অন্তত কয়েক ঘণ্টার জন্যেও তো তারা একসঙ্গে থাকতে পেত। কিন্তু কী করেই বা সে কিছু না-করে চুপচাপ থাকতে পারে? তা হলে যে পাপ হবে! বেচারা জুইরলাননু জারু। তারও বিয়ের কথা পাকা হয়ে গিয়েছিল— আর একেবারে হঠাৎ কিনা তার মাথায় এই বাজ ভেঙে পড়ল! মন্তেলুসায় লোপেসের জমিতে গাছ ঝাঁকিয়ে বাদাম পাড়ার কাজে সে বহাল ছিল। তার আগের দিনটা ছিল শনিবার। হঠাৎ আকাশটা মেঘে ভারী হয়ে এল। তাই বলে শিগগিরই যে বৃষ্টি হবে এমন মনে হল না। দুপুরের দিকে লোপেস কিন্তু বলল, ‘ওহে ছোকরারা শুনছ, ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই দেবতা জল ঢালতে শুরু করবে। বাদামগুলোকে ভিজে জমিতে ফেলে রাখতে চাই না। বাদাম-পাড়া থামাও।’

     

     

    যে মেয়েরা ফলগুলো জড়ো করছিল তাদের ডেকে সে আদেশ দিলে পাহাড়ের পাশের গুদামে গিয়ে খোসা ছাড়াবার কাজে লাগতে। যেসব পুরুষরা গাছ থেকে বাদাম পাড়ছিল, সে দলে নেলি আর সারো তরতোরিচিও ছিল। তাদের দিকে ফিরে সে জানাল, ‘ইচ্ছে হলে তোমরাও মেয়েদের সঙ্গে গিয়ে খোসা ছাড়াতে পারো।’

    উত্তরে জুইরলাননু জারু বলল, ‘আমি যাব বটে, কিন্তু রোজকার মজুরি পঁচিশ সলদো আমাকে দিতে হবে।’

    ‘না, শুধু আধ-দিনের জন্যে ওই হিসেবে পাবে, বাকি আধ-দিনের জন্যে মেয়েরা যেমন আধ লিরা পায়, সেই হিসেবে দেব।’

    ঘোর অবিচার, সন্দেহ নেই! পুরুষরা নিজেদের কাজ করে পুরো দিনের যে মাইনে পায় তা কেন সে পাবে না তার কোনও সংগত কারণ নেই। আর সত্যিই, এদিকে দিনে তো বৃষ্টি হল না, এমনকী রাত্রেও না।

    ‘এক দিনে আধ লিরা এই হিসেবে আপনি মাইনে দেবেন?’ চিৎকার করে উঠল জুইরলাননু জারু। ‘বেশ, ভাল! কিন্তু কাজ আমি করব না। আমি পুরুষের পোশাক পরি, মেয়েদের ঘাঘরা তো আর পরি না! এক দিনে পঁচিশ সলদো এই হিসেবে আমার আধ-দিনের মাইনে চুকিয়ে দিন। আমি চললুম।’

     

     

    সে অবশ্য গেল না, তার ভাইদের জন্যে সন্ধে পর্যন্ত অপেক্ষা করে রইল। এক দিনে আধ লিরা এই হিসেবে মেয়েদের সঙ্গে খোসা ছাড়াবার কাজ করতে তারা রাজি হয়েছিল। দাঁড়িয়ে দেখতে আর অপেক্ষা করতে করতে অল্পক্ষণেই তার বিরক্তি ধরে গেল তাই কাছাকাছি এক আস্তাবলে গিয়ে সে রইল ঘুমিয়ে। সঙ্গীদের সে বলে গিয়েছিল ফেরার সময় তাকে যেন ডেকে নিয়ে যায়।

    মাত্র দেড় দিন ধরে তারা বাদাম-গাছ ঠেঙিয়েছিল বলে ফল অল্পই জড়ো হয়েছিল। মেয়েরা তাই প্রস্তাব করল সন্ধের দিকে কিছু বেশি কাজ করে, বাকি রাতটা সেখানেই কাটিয়ে পরের দিন রাত থাকতে উঠে গ্রামে ফিরে যাবে। এ প্রস্তাবে সবাই রাজি হল। তাদের জন্যে লোপেস এক গামলা বরবটি আর কয়েক বোতল মদ দিল আনিয়ে। মাঝরাতে কাজ শেষ হবার পর খামারের খোলা জমিতে স্ত্রী-পুরুষ সবাই শুয়ে পড়ল। শিশিরে তখন খড়গুলো ভিজে, যেন সত্যি-সত্যিই এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে!

    ‘লায়লা, আমাদের গান শোনাও!’

     

     

    আর নেলি গানের পর গান বেঁধে চলল। চাঁদটা এলোমেলো মেঘে কখনও ঢাকা পড়ছে, কখনও মেঘ থেকে বেরিয়ে আসছে, কখনও সাদা, কখনও কালো সেই মেঘ। চাঁদটা যেন তার লুৎসার মুখ, তাদের প্রেমের আনন্দ আর বেদনার মতো কখনও যেন হাসছিল, কখনও আসছিল কালো হয়ে।

    জুইরলাননু জারু সেই আস্তাবলেই পড়ে ছিল। ভোর হবার আগে তাকে জাগাতে গিয়ে সারো দেখল সে জ্বরে বেহুঁশ হয়ে পড়ে রয়েছে আর তার সমস্ত শরীর ফুলে উঠেছে কালো হয়ে।

    নাপিতের দোকানে বসে নেলি তরতোরচি এই গল্পটাই বলছিল। গল্পটা শুনতে শুনতে উত্তেজিত হয়ে নাপিত তার থুতনির কাছে খানিকটা কেটে ফেলল। ছোট্ট একটুখানি ক্ষত, মাথা ঘামাবার মতো কিছুই নয়। সেই মুহূর্তে দরজায় দেখা গেল লুৎসাকে, সঙ্গে তার মা আর মিতা লুমিয়া— ফলে লোকটার অসাবধানতা সম্বন্ধে অভিযোগ করার সময় পর্যন্ত সে পেল না। জুইরলাননু জারুর সঙ্গেই মিতা লুমিয়ার বিয়ের ঠিক হয়েছিল। বেচারি তখন ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিল নিজের পোড়াকপালের কথা ভেবে।

     

     

    মেয়েটি তার ভাবী স্বামীকে দেখবার জন্যে মন্তেলুসায় যাবে বলে বায়না ধরল। বহু কষ্টে নেলি নিরস্ত করল তাকে। মেয়েটিকে কথা দিল সন্ধের আগেই তাকে দেখতে পাবে— যেমন করেই হোক তাকে নিয়ে আসবার ব্যবস্থা করবে তারা। সেই মুহূর্তে ব্যস্ত হয়ে সারো এসে জানাল ডাক্তার রওনা হচ্ছে। আর এক মুহূর্তও সে দেরি করতে রাজি নয়। লুৎসাকে একপাশে নিয়ে গিয়ে নেলি তাকে অনুনয় করে বলল ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে রাত্রির— আগেই সে ফিরবে, তাকে কত কথাই না তার বলার আছে…

    বাস্তবিক জঘন্য রাস্তাটা। কয়েকটা গভীর খাদের ধার দিয়ে যাবার সময় ডাক্তার লপিচ্চোলো জীবনের আশাই প্রায় ছেড়ে দিয়েছিল, যদিও লাগাম ধরে তার একপাশে ছিল সারো, অন্য পাশে নেলি। নীচে শস্যখেত, জলপাই আর বাদামের বাগান-ভরা বিরাট মালভূমি-উপত্যকা। ফসলের গোড়াগুলো হলদে, মাঝে মাঝে খানিকটা জমির রং কালো— সার তৈরির জন্যে সেখানে আবর্জনা পোড়ানো হয়েছে। অনেক দূরে সমুদ্র দেখা যায়, কটকটে নীল তার রং। তুঁত, ঝাউ, জলপাই আর অ্যাকেশিয়া গাছের ফিকে গাঢ় নানা ধরনের চির-সবুজ রং চোখে পড়ে, বাদাম গাছের চুড়োগুলো কিন্তু ইতিমধ্যেই পাতলা হতে আরম্ভ করেছে। তাদের চারদিকে দিগন্ত-বিস্তৃত মস্ত পাহাড়ের মতো বাতাসে-উড়ে-আসা মেঘ। কিন্তু বাতাস থাকা সত্ত্বেও অসহ্য গরম। রোদে ফেটে যাচ্ছে পাথরগুলো। মাঝে মাঝে ধুলোয় ঢাকা ফণিমনসা ঝাড়ের ওপাশ থেকে ভারুই আর নীলকণ্ঠ পাখির পরিষ্কার ডাক কানে আসে। শব্দ শুনে খচ্চরটা ভয়ে কান খাড়া করে উঠল।

     

     

    ‘ভারী পাজি জানোয়ার! ভারী পাজি!’ হুংকার দিয়ে উঠল ডাক্তার। এক দৃষ্টিতে সে চেয়ে রইল জানোয়ারটার মাথার দিকে। সবুজ কাপড়ের ছাতাটা কাঁধ থেকে ক্রমশ সরে যাওয়ায় তার মুখে রোদ এসে পড়ল। তবু সেদিকে তার খেয়াল নেই।

    তারা দু’ ভাই সাহস দেবার জন্যে বলল, ‘আপনি ভয় পাবেন না। আমরা তো রয়েছি।’

    নিজের জন্যে ডাক্তারের অতটা ভয় ছিল না— কিন্তু বাচ্চা-কাচ্চাক’টার কথা ভেবেই সে ভয় পেল। ওই সাতটা অসহায় জীবনের জন্যেই তার নিরাপদে থাকা দরকার।

    তাকে ভুলিয়ে রাখার জন্যে দু’ ভাই গল্প জুড়ল। ফসলের কথাই তারা পাড়ল: গম আর বরবটি কীরকম অল্প হয়েছে এবার— আর বাদাম গাছের কথা তো সবাই জানে, এ বছর তো কিছুই ফলেনি— এক বছর অন্তর তাদের ভাল ফসল হয়। আর জলপাই! জলপাইয়ের কথা না বলাই ভাল— এ বছরের গোড়ায় কুয়াশা লেগে তার বাড় বন্ধ হয়ে গেছে, বড় হতে পারেনি। চাষিরা আঙুর দিয়ে যে তাদের লোকসান পুষিয়ে নেবে সে আশাও নেই, সে অঞ্চলের প্রত্যেকটা আঙুর গাছকেই কী এক রোগে ধরেছে…

     

     

    ‘কী সুন্দর ভবিষ্যৎ!’ মাঝে মাঝে মাথা ঝাঁকুনি দিয়ে ডাক্তার শুধু বলতে লাগল।

    দু’ ঘণ্টা হাঁটবার পর বলার মতো সব কথা শেষ হল। এখান থেকে অনেকটা পথ সোজা চলে গেছে— পুরু সাদা ধুলোয় ঢাকা। খচ্চরের খুরের শব্দের সঙ্গে চাষি দু’জনের লোহার নাল লাগানো বুটের শব্দ মিশতে লাগল। নিজের মনেই লায়লা গান ধরল, কিন্তু থামল চট করে। কোনওদিকে জনমানবের দেখা নেই। রবিবার বলে চাষিরা সব উপরের গ্রামে রয়েছে। কেউ বা গির্জেয় যাবে, কেউ বা কেনাকাটা সারবে, কেউ বা করবে ফুর্তি। মন্তেলুসায় সম্ভবত জুইরলাননু জারুর কাছে কেউই নেই। কে জানে এখনও সে বেঁচে আছে কি না। সম্ভবত তাকে মৃত্যুর মুখে একা রেখে সবাই চলে গেছে…

    আর সত্যিই দেখা গেল সেই দুর্গন্ধময় আস্তাবলের দেয়ালের পাশে একলা পড়ে আছে সে, সারো আর নেলি যেমনটি তাকে রেখে গিয়েছিল ঠিক তেমনি অবস্থায়। সর্বাঙ্গ ভীষণ ফুলেছে, মুখ দেখে আর চেনবার জো নেই। শব্দ করে অতি কষ্টে নিশ্বাস নিচ্ছে। খড় রাখবার তাকের পাশের জানলা দিয়ে রোদ এসে তার মুখে পড়েছে, সে মুখ কোনও মানুষের বলে মনে হয় না। সমস্তটা এত ফুলেছে যে নাকটা আর দেখাই যায় না; ঠোঁট দুটো কালো আর সাংঘাতিক ফোলা। সেই ঠোঁট দুটোর ভিতর দিয়ে খাবি খাবার মতো করে নিশ্বাস পড়ছিল। শব্দ শুনলে মনে হয় যেন রেগে গর্জন করছে। একটুকরো খড় তার কালো কোঁকড়ানো চুলে আটকে গিয়ে রোদে ঝকঝক করছে।

     

     

    তাকে দেখে কয়েক মুহূর্তের জন্যে তারা তিনজন দরজায় থমকে দাঁড়াল। যেন আতঙ্কে অবশ হয়ে গেছে। খচ্চরটা আস্তাবলের গা ঘেঁষে মেঝের উপর খুর ঠুকে নাকের ভিতর দিয়ে শব্দ করতে লাগল। তারপর সারো তরতোরিচি মরণাপন্ন লোকটির কাছে গিয়ে সস্নেহে বলল, ‘জুইরলা! জুইরলা! এই দেখো ডাক্তার এসেছে!’

    নেলি জানোয়ারটাকে খড়-রাখার তাকের কাছে বাঁধবার জন্যে নিয়ে গেল। দেয়ালে একটা দাগ, যেন আরেকটা জন্তুর ছায়া—সাধারণত যে গাধাটাকে এখানে বেঁধে রাখা হয় এটা তারই— সারাদিন সে দেয়ালের চুনে গা ঘষে।

    জারুকে জাগাবার চেষ্টা আর-একবার করা হল।

    হাঁপানি থামিয়ে কোনওরকমে চোখ মেলল সে। আতঙ্কে ভরা তার চোখ দুটো টকটকে লাল, চারদিকে কালো রেখা। বীভৎস মুখটা হাঁ করে সে ঘড়ঘড় শব্দ করতে লাগল, মনে হল তার স্বর বুঝি গলার কাছে এসেই বন্ধ হয়ে যাবে।

    ‘আমি… মরে গেলাম…’

    ‘না, না,’ আর্ত স্বরে তাড়াতাড়ি জবাব দিল সারো। ‘এই দেখো ডাক্তার তোমাকে দেখতে এসেছেন। আমরা তাঁকে নিয়ে এসেছি। তাঁকে দেখতে পাচ্ছ?’

    মুমূর্ষু জারু কাতর স্বরে বলল, ‘গ্রামে… নিয়ে চলো… ও মা, মাগো…’

    বহু কষ্টে হাঁপাতে-হাঁপাতে কথাগুলো সে বলল। দুটো ঠোঁট এক করতে পারল না।

    ‘নিশ্চয়ই, নিশ্চয়ই আমরা নিয়ে যাব। আমরা একটা খচ্চর এনেছি। এই দেখো,’ দ্রুতস্বরে জানাল সারো।

    ‘তোমাকে আমি কোলে করে নিয়ে যেতে পারি জুইরলা,’ তার পাশে তাড়াতাড়ি এসে ঝুঁকে পড়ে নেলি বলল। ‘ভয় পেয়ো না তুমি সেরে উঠবে।’

    নেলির স্বর শুনে জুইরলাননু জারু ধীরে ধীরে মাথা ফিরিয়ে টকটকে চোখে স্থিরভাবে তার দিকে তাকিয়ে রইল। মনে হল প্রথমে তাকে চিনতে পারেনি। তারপর হাত বাড়িয়ে তার ভাইয়ের কোমরে বাঁধা সিলকের রুমালটা মুঠো করে ধরল।

    ‘আরে কে… তুমি নাকি?’

    ‘হ্যাঁ হ্যাঁ, আমি। আমি নেলি। কিছু ভেবো না। কেঁদো না জুইরলা, কেঁদো না।… তোমার কিছুই হয়নি।’

    রোগীর বুকের উপর সে হাত রাখল। জারু ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে লাগল কাঁদতে, কিন্তু গলা দিয়ে কোনও স্বর বেরুল না। কয়েক মুহূর্ত ধরে নিষ্ফল চেষ্টা করে সে অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে মাথা ঝাঁকানি দিল, শেষটায় এক হাত বাড়িয়ে নেলির ঘাড়টা ধরে নিজের কাছে টেনে আনল।

    ‘আমাদের একই দিনে বিয়ে হবার কথা ছিল…,’ সে বলল।

    তার গলা থেকে হাতটা খুলতে খুলতে নেলি উত্তর দিল, ‘নিশ্চয়ই একই সঙ্গে আমাদের বিয়ে হবে, তাতে কোনও ভুল নেই।’

    ইতিমধ্যে ডাক্তার রোগীকে পরীক্ষা করছিল। অসুখটা যে গ্ল্যান্ডার্স, সে বিষয়ে তার কোনও সন্দেহ রইল না। ‘আচ্ছা বলো তো,’ সে প্রশ্ন করল, ‘কোনও পোকামাকড়ে কামড়েছে বলে কি মনে পড়ছে?’

    জারু মাথা নাড়ল। ‘পোকামাকড়?’ প্রশ্ন করলে সারো।

    সেই দুই নিরক্ষর চাষিদের ডাক্তার তার সাধ্যমতো ব্যাপারটা বোঝাল। নিশ্চয়ই কাছাকাছি কোনও জানোয়ার গ্ল্যান্ডার্স রোগে মরেছে আর তার মৃতদেহটা কোনও খানায় ফেলা হয়েছে। অসংখ্য মাছি এসে বসেছে তার উপর। সেই মাছিগুলোর মধ্যে একটা উড়ে এসে জারুর দেহে ওই রোগের বিষ ছড়িয়ে দিয়েছে।

    ডাক্তারের বোঝাবার সময় জারু দেয়ালের দিকে মুখ ফিরিয়ে রইল। তারা কেউ জানলও না যে মৃত্যুর বাহনটি সারাক্ষণ সেখানেই রয়েছে। এত ছোট যে প্রায় দেখাই যায় না। সে আর কেউ নয় কাছের দেওয়ালে বসে-থাকা ছোট্ট একটা মাছি। এমনিতে মনে হয় বুঝি চুপচাপ বসে আছে কিন্তু কাছে গিয়ে ভাল করে লক্ষ করলে চোখে পড়ে মাঝে মাঝে সে তার ছোট্ট শুঁড়টা বার করে চুষছে, নয় তো সামনের পা দুটো বেশ তৃপ্তির সঙ্গে ঘষে চটপট পরিষ্কার করে ফেলছে।

    ডাক্তার তখনও কথা বলছিল, হঠাৎ মাছিটাকে জুইরলাননু দেখতে পেল। এক দৃষ্টিতে সেদিকে তাকিয়ে রইল সে।

    একটা মাছি… হয়তো এটাই, হয়তো নয়— কে জানে? এখন তার মনে পড়ছে বটে কাল যখন বসে বসে ভাবছিল লোপেসের বাদামের খোসা ছাড়িয়ে কতক্ষণে তার ভাইরা আসবে, একটা মাছি তখন ভারী বিরক্ত করেছিল তাকে… সেটাই কি?

    হঠাৎ মাছিটাকে সে উড়ে যেতে দেখল। চোখ ফিরিয়ে সে লক্ষ করতে লাগল কোথায় সেটা যায়।

    ওই যা! সেটা যে নেলির গালে বসল। গাল থেকে নিঃশব্দে গোটা দুই ক্ষিপ্র লাফ মেরে থুতনির উপর, তারপর নাপিতের ক্ষুরে যেখানটায় কেটে গিয়েছিল, ঠিক সেখানে বসে পেটুকের মতো খেতে লাগল।

    অত্যন্ত মন দিয়ে সেটাকে দেখতে দেখতে জুইরলাননু জারু গভীর চিন্তায় আচ্ছন্ন হল। তারপর বহু কষ্টে কথাগুলো উচ্চারণ করে মুমূর্ষু স্বরে প্রশ্ন করল, ‘একটা মাছি?… একটা মাছির পক্ষে এটা সম্ভব…?’

    ‘নিশ্চয়ই, কেন একটা মাছি পারবে না?’ উত্তরে বলল ডাক্তার।

    আর কোনও কথা না বলে জুইরলাননু জারু মাছিটাকে দেখতে লাগল।

    এদিকে ডাক্তারের কথায় নেলি এমন তন্ময় হয়ে ছিল যে মাছিটাকে তাড়াবার কোনও চেষ্টাই করল না। জারু আর শুনল না। ডাক্তার যে ক্রমাগত কথা বলে যাচ্ছে, এতে সে খুশি হয়ে উঠেছে। কারণ নেলি পাথরের মূর্তির মতো নিঃস্পন্দ হয়ে তার কথা শুনছে, তার সমস্ত মন পড়ে আছে সেই কথার দিকে। ফলে মুখের উপরকার মাছিটাকে সে লক্ষই করছে না। কী মজা! এবারে সত্যিই তাদের বিয়ে হবে একসঙ্গে…। তার তরুণ ভাইয়ের নিটোল স্বাস্থ্য আর রঙিন ভবিষ্যৎ দেখে একটা গভীর ঈর্ষা আর ভোঁতা বিদ্বেষে ভরে উঠেছিল তার মন— কেবলই মনে হচ্ছিল এই সুন্দর জীবন অকস্মাৎ যেন তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

    শেষে এক সময় নেলির মনে হল যেন কিছু একটা তাকে কামড়াচ্ছে। হাত তুলে মাছিটাকে সে তাড়িয়ে দিল, তারপর থুতনির যেখানটা কেটে গিয়েছিল সেখানটা টিপতে লাগল। জারুর দিকে ফিরে দেখল একদৃষ্টিতে তার দিকে সে তাকিয়ে আছে। রুগ্ন লোকটির বীভৎস ঠোঁট দুটো এক বিশ্রী হাসিতে কুঁকড়ে উঠতে দেখে তার একটু অস্বস্তিই হল। কিছুক্ষণ তারা পরস্পরের দিকে তাকিয়ে রইল; তারপর, যেন নিজের অনিচ্ছাতেই জারু বলে ফেলল, ‘ওই মাছিটা…’

    নেলি বুঝল না। তার মুখের উপর ঝুঁকে পড়ে প্রশ্ন করল, ‘কী বললে?’

    ‘ওই মাছিটা…’ জারু আবার বলল।

    ‘কোনটা? কোথায়?’ আতঙ্কিত হয়ে ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে নেলি প্রশ্ন করল।

    ‘ওই যে ওখানটায়… যেখানটায় তুমি ঘষছ।… ওটা যে মাছি— আমি দেখলুম ওটা মাছি’ —বলে জারু বীভৎসভাবে হাসতে লাগল।

    ডাক্তারকে নেলি তার থুতনির কাটা জায়গাটা দেখাল।

    ‘এখানটায় কী হয়েছে বলুন তো? ভীষণ জ্বলছে…’

    জায়গাটা ভাল করে পরীক্ষা করে ডাক্তার যেন বেশ ভয়ই পেয়ে গেল। তারপর আরও ভাল পরীক্ষা করবার জন্যেই যেন নিয়ে গেল বাইরে। সারো চলল তাদের পিছনে।

    তারপর কী হল? গভীর উৎকণ্ঠায় কাঁপতে কাঁপতে জুইরলাননু জারু অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে রইল, কিন্তু কিছুই জানতে পারল না। অস্পষ্টভাবে সে শুনতে লাগল বাইরেকার কথাবার্তা। হঠাৎ ব্যস্তভাবে সারো ঘরে ঢুকে জুইরলার দিকে না তাকিয়েই খচ্চরটাকে খুলে তাড়াতাড়ি আবার বেরিয়ে গেল। সে বিড়বিড় করছিল, ‘হা ভগবান! আমার নেলি… আমার ছোট্ট নেলি…’

    তা হলে সত্যিই তাই! তারা তাকে কুকুরের মতো মৃত্যুর মুখে একা ফেলে চলে গেল! কোনওরকমে কনুইতে ভর দিয়ে উঠে দু’বার সে ডাকল, ‘সারো… সারো…’

    সব চুপ। কোথাও কেউ নেই।

    নিজেকে আর সে কনুইয়ের উপর ভর দিয়ে খাড়া রাখতে পারল না, মেঝের উপর পড়ল আছড়ে। গ্রামের এদিকটা যে কীরকম নিস্তব্ধ হয়ে গেছে সেটা যাতে লক্ষ করতে না হয় সেজন্যে কিছুক্ষণ সে খড়ের বিছানায় মুখ গুঁজে পড়ে রইল—কী ভয়ংকর স্তব্ধতা! হঠাৎ তার সন্দেহ হল সমস্ত ব্যাপারটাই একটা দুঃস্বপ্ন নয়তো? জ্বরের ঘোরে সে স্বপ্ন দেখছে না তো? কিন্তু দেয়ালের দিকে মুখ ফিরিয়ে আবার সেই মাছিটাকে সে দেখতে পেল, একই জায়গায় আবার সে এসে বসেছে।

    ঠিক, ঠিক! ওই তো ওখানেই রয়েছে ওটা।…

    মাঝে মাঝে তার ছোট্ট শুঁড়টা বের করে সে চুষছে, নয়তো তার সামনের পা দুটো বেশ তৃপ্তির সঙ্গে ঘষে ঘষে চটপট পরিষ্কার করে ফেলছে।

    কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাত ভ’রে বৃষ্টি – বুদ্ধদেব বসু
    Next Article তিথিডোর – বুদ্ধদেব বসু

    Related Articles

    বুদ্ধদেব বসু

    বোদলেয়ার: তাঁর কবিতা – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    ছোটগল্প – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    ছায়া কালো কালো – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    তিথিডোর – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    রাত ভ’রে বৃষ্টি – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    আমার ছেলেবেলা – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }