Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পিশাচ দেবতা – অনীশ দাস অপু

    লেখক এক পাতা গল্প212 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেতাত্মার প্রতিশোধ

    এডিথ তার স্বামী আর্থার নোয়াকসের স্বভাব চরিত্র খুব ভালই জানত। জানত তার মৃত্যুর পরপরই সে পরস্ত্রীর দিকে ঝুঁকে পড়বে। কারণ বিয়ের পর থেকেই সে দেখে এসেছে আর্থার পরস্ত্রীর প্রতি ভীষণ দুর্বল। হিংসায় ছটফট করত এডিথ। কিন্তু শত চেষ্টা করেও স্বামীকে ওই লাইন থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি সে। দীর্ঘ বিবাহিত জীবনে সুখ নামের শুক পাখিটির সন্ধান পায়নি সে। এজন্য আর্থারকেই মনে প্রাণে দায়ী করে এসেছে এডিথ। তাই ওর মৃত্যুশয্যায় শেষবারের মত স্বামীকে সতর্ক করে দিয়েছিল-তার মৃত্যুর পর আর্থার যদি কোনও নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। তবে এডিথ তাকে ছাড়বে না। সারা জীবনে যা করতে পারেনি মৃত্যুর পর কবর থেকে উঠে এসে সে তাই করবে। আর্থার কোনও মেয়ের দিকে যদি ফিরেও তাকায়, জীবন নরক করে তুলবে এডিথ। যে আগুনে এতদিন দগ্ধ হতে হয়েছে তাকে, সেই আগুনেই পুড়িয়ে মারবে ওকে।

    আর্থার নোয়াকসের মুখ দেখে মনে হয়নি স্ত্রীর হুমকিতে তার কোনও ভাবান্তর ঘটেছে। মৃত্যু পথযাত্রী স্ত্রীর শেষ কথা সে প্রলাপ বলেই ধরে নিয়েছিল। এবং স্ত্রী বিয়োগের অল্প কদিনের মধ্যেই দেখা গেল পরস্ত্রীদের পেছনে ঘুরঘুর শুরু করে দিয়েছে। এডিথের মৃত্যুতে আসলে সে মনে মনে উল্লসিতই হয়েছে। কারণ এখন সে মুক্ত ভ্রমরের মত ফুলে ফুলে মধু খেয়ে বেড়াতে পারবে। বাধা দেয়ার কেউ নেই। কেউ তাকে আর জ্বালাতন করতে আসবে না। চাই কি আবার বিয়ে করেও ফেলতে পারে। অবশ্য এখনই ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই। পৃথিবীতে মেয়ের অভাব নেই। আপাতত কিছুদিন সে মৌজ করে নেবে।

    নিউহাস্টের খুদে শহর সাসেক্স টাউনে জামাকাপড়, কসমেটিকস থেকে শুরু করে চুলের কাটা কিংবা ফিতের জন্য সব মেয়েকেই একটা দোকানে আসতে হয়। কারণ সবেধন নীলমণি দোকান আছেই এই একটা। আর এটার মালিক হচ্ছে আর্থার নোয়াকস। সাসেক্স টাউনের সুন্দরী মহিলারা এই দোকানেই কেনাকাটা করতে আসেন। আর্থারের মনে সাধ জাগে এদের কারও সাথে প্রেম করতে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে দেখতে হ্যান্ডসাম হলেও বিপত্নীক আর্থারের সঙ্গে কোনও কুমারী সম্পর্ক গড়তে ভয় পায়। কারণ সাসেক্স টাউন খুবই ছোট শহর। এখানে প্রেমের মত একটা ব্যাপার কিছুতেই গোপন থাকবে না। আর বিপত্নীক কোনও পুরুষের সাথে মাখামাখির কথা একবার কেউ জানতে পারলে ব্যাপারটা খুব দ্রুত মুখরোচক সংবাদে পরিণত হবে, সন্দেহ নেই। কুমারীদের সাথে প্রেম প্রেম খেলার কোনও চান্স নেই দেখে আর্থার নোয়াকস সিদ্ধান্ত নিল সে সুন্দরী কোনও বিধবাকেই প্রেম নিবেদন করবে। এদিকে ঝুঁকি কম। ঠিকমত টোপ ফেলতে পারলে মাছ বড়শি গিলতে বাধ্য। তক্কে তক্কে ছিল সে। একদিন সুযোগ মিলেও গেল।

    আর্থারের দোকানে ফিতে আর লেস কিনতে প্রায়ই আসে মিস ম্যাবেল। ম্যাবেল বিধবা। স্বামী গত হয়েছে অনেকদিন। সুন্দরী, তন্বী। লাবণ্যে মুখখানা ঢলঢল, ওকে প্রথম দেখার পরেই আর্থারের বুকে, যাকে বলে প্রেমের তুফান ছুটেছিল। একদিন সে সাহস করে দুরুদুরু বক্ষে ম্যাবেলকে প্রস্তাবটা দিয়েই ফেলল, বলল ম্যাবেলকে খুব পছন্দ তার, বান্ধবী হিসেবে তাকেই কামনা করে। এহেন প্রস্তাবে ম্যাবেলকে দৃশ্যত বিরক্তিতে সামান্য ভুরু ভঙ্গী করতে দেখা গেলেও তার গভীর নীল চোখের ঝিকিমিকিতে বোঝা গেল প্রস্তাবটা একেবারে ফেলে দিচ্ছে না সে, বিবেচনায় রাখছে। আর্থারের বান্ধবী হতে খুব একটা আপত্তি নেই তার। কিন্তু মুখে বলল, দেখুন, মি. নোয়াকস, আপনার স্ত্রী মারা গেছেন বেশি দিনও হয়নি। এরই মধ্যে অন্য কোনও মহিলাকে বান্ধবী হিসেবে প্রত্যাশাটা কি বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে না? এডিথের কথা বলতেই আর্থার সামান্য কেঁপে উঠল। তবে পরক্ষণে সামলে নিল নিজেকে। কারণ ম্যাবেলের সাগর নীল দুই চোখের প্রশ্রয়কে চিনে নিতে ভুল হয়নি তার। কথা বলার রাজা সে। মেয়েদেরকে পটাতে পারে খুব সহজে। গলায় পুরো এক বোতল মধু ঢেলে সে এবার আবেগমথিত কণ্ঠে বলতে শুরু করল, মাই ডিয়ার ইয়াং লেভী, আপনাকে প্রথম যেদিন দেখি সেদিনই আমার বুকে ঢেউ উঠেছে। প্রচণ্ড ভাললাগায় প্লাবিত হয়েছিল অন্তর। আবেগের জোয়ারে ভেসে যাচ্ছিলাম। বুঝতে পারছিলাম আপনার প্রেমে পড়ে গেছি আমি। অনেক চেষ্টা করেছি তীব এই আবেগকে সংযত করতে পারিনি। মানেনি হৃদয়। মনে হয়েছে আমার হৃদয়ের কথাগুলো আপনাকে বলতে না পারলে বুক ফেটে মরে যাব। আপনি যদি আমাকে বান্ধবী হিসেবে একটুক্ষণ সঙ্গ দেন, আপনার পাশে একটু হাঁটার সুযোগ দেন, নিজেকে ধন্য মনে করব আমি। যদি আপনার আপত্তি থাকে প্রকাশ্যে গল্প করতে, তাহলে কি আমরা শহরের বাইরে কোথাও গিয়ে মিলিত হতে পারি না, যেখানে কেউ আমাদের দেখবে না? আমার অব্যক্ত কথাগুলো বলতে পেরে হালকা বোধ করছি, মিস ম্যাবেল। সবই তো শুনলেন আপনি, এরপরেও কি এই ভালবাসার কাঙাল মানুষটিকে আপনার মধুর সাহচর্য থেকে বঞ্চিত করবেন? কথাগুলো বলে নিজেই চমৎকৃত হলো আর্থার। সাগ্রহে চেয়ে রইল ম্যাবেলের দিকে। ম্যাবেল চুপ করে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে। ডান পা হালকাভাবে। মেঝেতে ঘষছে। ইতস্তত একটা ভঙ্গী। যেন সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না কি বলবে। আর্থার দেখল ওর মসৃণ গাল ধীরে ধীরে রাঙা হয়ে উঠছে। লাজুক এক টুকরো হাসি ফুটে উঠছে মুখে। হার্টবিট বেড়ে গেল আর্থারের। তবে কি সে সফল হতে চলেছে?

    চোখ তুলল মার্বেল। ভীরু লাজ সেই চোখে। কেউ আমাদের দেখবে না এমন কোথায় আমরা দেখা করতে পারি? লজ্জা লজ্জা ভাব করে জানতে চাইল সে, যেন পরপুরুষের আহ্বানে এভাবে দ্রুত সাড়া দেয়া প্রগলভতারই পরিচয়।

    জয়ের উল্লাস অনুভব করল আর্থার। ইচ্ছে করল একপাক টুইস্ট নাচে। জায়গাটা তার আগে থেকেই চেনা ছিল। কারণ এর আগেও সে ওখানে গিয়েছে। এ্যাবেগকে জায়গাটার রোমান্টিক বর্ণনা দিয়ে জানাল ওখানে কেউ তাদের বিরক্ত করতে আসবে না! এখন ম্যাবেল সাহস করে এলেই হয়। ম্যাবেল মৃদু গলায় বলল, সন্ধেয় সে আর্থারের সঙ্গে ওখানে দেখা করবে।

    শহর থেকে দূরে, ছোট নদীটার ওপরের সেতুটাই হচ্ছে প্রেমিক প্রেমিকাদের অন্তরঙ্গ আলাপনের একমাত্র গোপনীয় স্থান। চমৎকার জায়গাই বেছে নিয়েছে আর্থার। এখানে সত্যি কেউ ওদের বিরক্ত করতে আসবে না। সন্ধ্যায় আগেভাগে নির্ধারিত স্থানে গিয়ে নতুন প্রেমিকার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল সে। ম্যাবেল বুদ্ধিমতী মেয়ে। তাই বেশিক্ষণ তার অপেক্ষায় চাতকের মত হাঁ করে থাকতে হলো না আর্থারকে। দেখল ভীরু পদক্ষেপে সে ব্রিজের ওপর দিয়ে আসছে। আনন্দের ষােলো কলা পূর্ণ হলো আর্থারের। খুশিতে সবকটা দাঁত বেরিয়ে পড়ল। ম্যাবেল এল। আর্থারের আলিঙ্গনে বাঁধা পড়ল। তারপরের ঘটনা সহজেই অনুমেয়। সেই দীর্ঘ কামকলার কাহিনী বয়ান করে পাঠককুলের ধৈর্যচ্যুতি ঘটাতে চাই না।

    এভাবে দিনের পর দিন চলতে লাগল অভিসার। নির্ধারিত সময়ে ম্যাবেল। আসে ওখানে। তারপর দুজনে ঘাসের বুকে শুয়ে শুয়ে ভালবাসার গল্প বলে, প্রেম করে। এমনি করে দিব্যি হেসে খেলে কেটে যাচ্ছিল দিন। কিন্তু সেদিন সন্ধ্যায় একটু ছন্দপতন হলো। নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেছে, অথচ ম্যাবেলের এখনও দেখা নেই। আর্থার প্রথমে ভাবল কোনও কাজে হয়তো সে আটকা পড়ে গেছে, তাই আসতে দেরী হচ্ছে। কিন্তু দেখতে দেখতে এক ঘণ্টা গেল, অথচ ম্যাবেলের টিকিটিও দেখা যাচ্ছে না। এবার খুব চিন্তায় পড়ে গেল আর্থার। মেয়েটার হলো কি? আসছে না কেন এখনও? নাকি ওকে অপেক্ষায় রেখে মজা পাচ্ছে সে? হয়তো আজ আর আসবেই না! বসে থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে আর্থার যখন ঠিক করে ফেলেছে চলে যাবে, এমন সময় ম্যাবেলকে দেখতে পেল সে। ব্রিজের ওপর দিয়ে তাড়াতাড়ি এগিয়ে আসছে।

    দাড়াও, মজা দেখাচ্ছি তোমাকে, এরকম ভেবে আর্থার একটা গাছের আড়ালে গিয়ে দাড়াল। অপেক্ষা করতে লাগল ম্যাবেল ওদের প্রেমকুঞ্জে এসে দাঁড়ালেই ওকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে চমকে দেবে। ম্যাবেল সোজা হেঁটে এসে ওদের ভালবাসাবাসির জায়গাটায় দাঁড়াল, আর্থারের দিকে পেছন ফিরে আছে সে। হঠাৎ আর্থার বেরিয়ে এল গাছের আড়াল থেকে। মার্বেলকে কিছু বুঝতে না দিয়ে ওর সরু কোমর জড়িয়ে ধরল সে দুহাতের বেড়িতে।

    সাথে সাথে ভয়ানক নাড়া খেল আর্থার। মনে হলো বরফের মত ঠাণ্ডা, অস্তিত্বহীন একটা জিনিসকে সে জড়িয়ে ধরেছে। ম্যাবেল এই সময় মুখ ঘোরাতে শুরু করল। ভয় কাকে বলে টের পেল আর্থার। তীব্র আতঙ্কে শরীর কেঁপে উঠল। এ কাকে দেখছে সে? এ তো ম্যাবেল নয়, ম্যাবেলের সেই চাদের মত ঢলঢল মুখখানা কোথায়? খড়ির মত সাদা মুখ, নিপ্রাণ কোটরাগত চোখে বিকৃত ভঙ্গী নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে হাসছে তারই মৃতা স্ত্রী এডিথ। ঘৃণা আর ভয়ে আর্তনাদ করে ছিটকে সরে গেল আর্থার।

    বীভৎস মূর্তিটা ওর দিকে সাদা হাড়ের একটা আঙুল তুলল, যেন অমঙ্গলের সঙ্কেত দিচ্ছে। পরক্ষণে অদৃশ্য হয়ে গেল সে। সঙ্গে সঙ্গে আর্থারের মনে পড়ল মহাশ্যায় এডিথ ওকে কি হুমকি দিয়েছিল। ভয়ে কাঁপতে কাপতে ব্রিজ লক্ষ্য করে দুটল সে। এক দৌড়ে ব্রিজ পেরিয়ে রাস্তায় নেমে এল। হঠাৎ দেখল ম্যাবেল এগিয়ে আসছে ওর দিকে। কিন্তু একি সত্যিই ম্যাবেল নাকি ম্যাবেলের পোশাকে সেই প্ৰেতিশী? ভায় আর উত্তেজনায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাপতে লাগল আর্থার। ম্যাবেল একেবারে কাছে আসার পর নিশ্চিন্ত হলো, না, এ তার প্রেমিকাই।

    খুব অধৈর্য হয়ে পড়েছিলে, তাই না, সোনা? কোমল দুই বাহু দিয়ে আর্থারের ঘাড় জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়ে হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করল ম্যাবেল।

    স্বস্তির বিরাট এক নিঃশ্বাস ফেলল আর্থার। ম্যাবেলের উষ্ণ হাতের স্পর্শ, গা থেকে ভেসে আসা সেই পরিচিত পারফিউমের গন্ধে যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেল। কিন্তু কাপা হাতে আস্তে করে ম্যাবেলের আলিঙ্গন থেকে নিজেকে মুক্ত করল সে।

    কি হয়েছে, আর্থার? কাঁপছ কেন? দেরী হওয়ার জন্য খুব রেগে গেছ বুঝি? নাকি তোমাকে কেউ ভয় টয় দেখিয়েছে? আর্থার নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করল। ম্যাবেলকে কড়া এক ধমক লাগাবে ভেবেছিল। চিন্তাটা বাদ দিয়ে যথাসম্ভব শান্ত গলায় জানতে চাইল এত দেরী হলো কেন ওর।

    দেরী হওয়ার জন্য আমি খুবই দুঃখিত, ডার্লিং। বলল ম্যাবেল, আমার শাশুড়ী হঠাৎ করেই বিকালে এসে হাজির। এ জন্যই সময়মত আসতে পারিনি। থাকগে, ওসব কথা। এখন চলো তো আমাদের সেই প্রেমকুঞ্জে! আমি এখুনি তোমার মন ভাল করে দিচ্ছি। এত মদির ভঙ্গীতে আমন্ত্রণ জানাল সে, অন্যসময় হলে এই সুরেলা কণ্ঠের আহ্বানে এতক্ষণে রক্তে বান ডাকত আর্থারের। কিন্তু এখন, এই রাতে, সেই ভয়ঙ্কর জায়গাটায় আবার ফিরে যাওয়ার কথা ভাবতেই শিউরে উঠল আর্থার। ম্যাবেলকে বলল, তারচেয়ে চলো মিউজিক হলে ঘুরে আসি। আসলে এই মুহূর্তে সে মানুষের সরব সঙ্গ কামনা করছে একান্তভাবে। সেই সাথে কিছু মদ পেটে দিতে না পারলে কিছুতেই স্বস্তি পাচ্ছে না। মদ খেয়ে আজ রাতের ভয়াবহ ঘটনাটা ভুলে থাকতে চায় ও।

    কিন্তু লোকে লোকারণ্য মিউজিক হলের মত জায়গায় যেতে কিছুতেই রাজি নয়। ম্যাবেল। আর্থার তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করছে না দেখে খুব অভিমান হলো ওর। বলল আর্থার আসলে তাকে আর আগের মত ভালবাসে না। আর্থার বলল ম্যাবেল অযথাই তাকে ভুল বুঝছে। আসলে সে তাকেই ভালবাসে। কিন্তু ম্যাবেলের সেই একই গো। কিছুতেই যাবে না মিউজিক হলে। খুব অভিমানী কণ্ঠে বলল, ঠিক আছে, তোমার যদি একান্তই ইচ্ছে হয় তাহলে তুমি একাই ওখানে যাও, আর্থার নোয়াকস। অনেক মেয়ে পাবে সেখানে। কিন্তু আমাকে আর পাবে না। কারণ আমার প্রতি যে তোমার আর কোনও আকর্ষণ নেই সেটা আমি খুব ভাল করেই বুঝতে পারছি।

    আর্থারের শরীর এখনও কাঁপছে। ম্যাবেলের অভিমান ওকে স্পর্শও করল না। সে ভাবল মেয়েরা রাগের মাথায় এমন অনেক কথাই বলে। পরে আবার সোহাগ করালে ভুলে যায়। আর ম্যাবেল যাই বলুক না কেন একটা ব্যাপার ঠিক যে এই টাবনে আর ওই ব্রিজের নিচে প্রেম করার জন্য আসবে না সে। ম্যাবেলকে আরেকবার অনুরোধ করতে যেতেই, তুমি আমার সাথে আর কথা বোলো না, বলে। ম্যাবেল বেগে মেগে একাই বাড়ির পথ ধরল। আর্থার আর কি করা ভঙ্গীতে শ্রাগ কর টন শুরু করল মিউজিক হলের দিকে।

    কয়েক পেগ হুইস্কি পেটে পড়তেই এবং স্টেজে সুন্দরী, হাসিখুশি নায়িকার সমধুর কণ্ঠ আর শরীরের হিল্লোল দেখতে দেখতে আর্থার একটু আগের ঘটনা দ্রুত ভুলে যেতে লাগল। ওর মনে হতে লাগল ব্যাপারটা আসলে কল্পনা ছাড়া কিছু নয়। মরে গিয়ে আবার ওভাবে কেউ হাজির হতে পারে নাকি?

    আর্থার প্রায় নিশ্চিত ছিল পরদিন ম্যাবেল আবার তার সাথে দেখা করতে দোকানে আসবে। ম্যাবেল এল। কিন্তু একা নয়। তার সাথে আরেক লোক। আর্থারকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করল সে। যেন চেনেই না। ম্যাবেলের এই আচরণে আর্থার মনে মনে খুব রেগে গেল। ঠিক আছে, এভাবে যদি তুমি উঁটি মারো আমিও উঁাট দেখাতে জানি। ভাবল সে। সিদ্ধান্ত নিল শিগগিরই অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলবে। এমন কেউ যে ম্যাবেলের মত ঢাকঢাক গুড়গুড় স্বভাবের নয়।

    ম্যাবেলের পর আর্থার যে রমণীর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ল তার নাম এলিস। অসাধারণ রূপবতী তাকে বলা যাবে না, কিন্তু অসুন্দরীও সে নয়। তার সবচে বড় সম্পদ তন্বী দেহখানা আর ভালবাসায় ভরাট অকৃত্রিম হৃদয়। এলিসের স্বামী নেভীর ক্যাপ্টেন। বছরের বেশিরভাগ সময়ই তাকে বাইরে বাইরে থাকতে হয়। ফলে এলিসের সাথে আর্থারের সম্পর্ক দ্রুত ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠল। অবশেষে এলিস ওকে একদিন বাসায় আসার দাওয়াতও দিল। আর্থার সানন্দে গ্রহণ করল সেই আমন্ত্রণ। উল্লসিত মনে নির্দিষ্ট দিনটিতে হাজির হলো এলিসের বাড়িতে। আজ যে ওকে একান্ত করে পাবে সে এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই।

    এলিস আর্থারের জন্য খুব যত্ন করে ভাল ভাল সব খাবার তৈরি করেছে। তরল পানীয় হিসেবে রেখেছে জিন আর বীয়ার। এমনকি চমৎকার সিগারও জোগাড় করেছে। সিগারটা সম্ভবত ওর স্বামীর, ভাবল আর্থার। এলিস যত্ন করে আগুন ধরিয়ে দিল সিগারে। বড় একটা টান দিয়ে সোফায় গা এলিয়ে দিল আর্থার। মুখে মৃদু হাসি। যা যা আশা করেছে সব ঠিক সেভাবে ঘটছে দেখে তৃপ্তিবোধ করছে সে .. এলিস ওর পাশেই বসা। আস্তে একটা হাত বাড়িয়ে দিল সে এলিসের দিকে। মৃদু আদর করতে করতে চুমু খেল। উঠে দাঁড়াল এলিস।

    তোমার সিগারটা শেষ করো, আর্থার। এই ফাঁকে আমি পোশাকটা বদলে ফেলি। মোহিনী কণ্ঠে বলল এলিস, চোখ দুটো চকচক করছে। স্পষ্ট আমন্ত্রণ সেখানে। আমি যখন ডাকৰ, চলে এসো ওপরে।

    তা আর বলতে, সোনামণি, গদগদ কণ্ঠে বলল আর্থার।

    তবে বেশি দেরী কোরো না কিন্তু বেশিক্ষণ অপেক্ষা সইতে পারব না আমি। গালে টোল ফেলে নিতম্বে ঢেউ তুলে চলে গেল এলিস।

    মিনিট দুই পর, এলিস আবার ফিরে এল। নতুন পোশাক পরনে। এত তাড়াতাড়ি হয়ে গেল! অবাক হলো আর্থার। কিন্তু অতশত ভাবার সময় কোথায়। তার? সে তাড়াহুড়ো করে জ্বলন্ত সিগারেটটা ছুঁড়ে ফেলল কার্পেটের ওপর। কার্পেট পুড়ে যাচ্ছে, সেদিকে খেয়াল নেই, ও এখন প্রেমময় আলিঙ্গনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। আর উত্তেজিত ছিল বলেই খেয়াল করেনি মুখ নিচু করে ভেতরে ঢুকেছে এলিস। এলিস রুমে ঢোকার সাথে সাথে একরাশ ঠাণ্ডা হাওয়া বয়ে গেছে ভেতরে। হাত বাড়াল আর্থার। মুখ তুলল এলিস। আতঙ্কে জমে গেল সে। এলিস কোথায়-তার সামনে দাঁড়ানো এটা এডিথের ভূত। সাদা, মরা মুখটা বিকৃত ভঙ্গীতে তার দিকে তাকিয়ে হাসছে। এডিথ আরও কাছে এগিয়ে এল, হাড্ডিসার বাহু দিয়ে জড়িয়ে ধরল ওর ঘাড়। ঠাণ্ডা বরফের তীব্র ছ্যাকা খেল আর্থার! এডিথের প্রাণহীন চোখ দুটো যেন ওকে ঠাট্টা করছে। রক্তশূন্য ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে পচা মাংসের বিকট গন্ধ বেরিয়ে এল।

    এই সময় ওপর থেকে এলিসের নরম কণ্ঠ ভেসে এল, এখন তুমি ওপরে আসতে পারো, আর্থার ডার্লিং। সাথে সাথে সামনের বিকট মূর্তিটা হাওয়া হয়ে গেল। কিন্তু আর্থারের মনে হলো এখনও যেন হাড্ডিসার হাত দুটো তার ঘাড় জড়িয়ে আছে, কবর থেকে উঠে আসা ঠাণ্ডা আর পচা গন্ধটা সিগারের মিষ্টি গন্ধ। ছাপিয়ে এখনও যেন নাকে এসে লাগছে।

    হঠাৎ সংবিৎ ফিরে পেল আর্থার। হলওয়ে দিয়ে কাঁপতে কাঁপতে ছুটল সে। মনেই পড়ল না দোতলায় তরবারির মত ধারাল শরীর নিয়ে একজন তীব্র কামনায় তার জন্য অপেক্ষা করছে। দরজায় ধাক্কাধাক্কির শব্দ শুনে এলিস নিচে এসে অবাক হয়ে দেখল দরজা খোলার জন্য পাগলের মত টানাটানি করছে আর্থার। ধড়াস করে পাল্লা দুটো খুলে যেতেই একলাফে সে বেরিয়ে পড়ল বাইরে। এমন জোরে দৌড়াল যেন নরকের সব কটা পিশাচ একযোগে তাড়া করেছে ওকে।

    এলিসের সঙ্গে আর্থারের সম্পর্ক ওখানেই শেষ। বলাবাহুল্য, পরবর্তী একটা সপ্তাহ আর্থার ঘর থেকেই বেরুল না। প্রতিটি সন্ধ্যা মদ খেয়ে ভুলে থাকতে চাইল ভৌতিক স্মৃতিটাকে। দিন দিন মেজাজ খিটখিটে হয়ে উঠল। খদ্দেরদের সাথেও এমন খারাপ ব্যবহার শুরু করল যে, তারা ক্ষুব্ধ হয়ে বলাবলি শুরু করল শহরে যদি কসমেটিকসের আরেকটা দোকান থাকত তাহলে তারা ভুলেও আর্থার নোয়কসের। দোকানে পা দিত না। খুব দ্রুত খদ্দেরের সংখ্যা কমতে লাগল। কিন্তু সেদিকে আর্থারের কোনও হুঁশ নেই। সে সারাদিন বাড়িতে পড়ে থাকে আর মদ খায়। কিন্তু যেদিন তার চীফ অ্যাসিস্ট্যান্ট জানাল ব্যবসা প্রায় লাটে ওঠার জোগাড়, আর্থারের। চৈতন্যোদয় হলো। বুঝল কিছু একটা করা দরকার। নইলে এভাবে চলতে থাকলে নিজেই একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে। সিদ্ধান্ত নিল ব্যবসা বিক্রি করে দিয়ে লন্ডন চলে যাবে। ওখানে নিশ্চয়ই এডিথের প্রেতাত্মা তাকে তাড়া করবে না। লন্ডনে সে আবার নতুন করে সবকিছু শুরু করবে। বড়দিনের সময় আর্থার ওর ব্যবসাপাতি সব বিক্রি করে লন্ডন চলে এল। চেয়ারিং ক্রস স্টেশনের কাছে ছোট একটা হোটেলে উঠল কিছুদিনের জন্য। বড়দিন এখানে কোনও ঝামেলা ছাড়াই গেল। কারণ হোটেলে যে সব মহিলা ছিল এদের কারও বয়সই চল্লিশের নিচে নয়। আর আর্থার তাদের প্রতি কোনও আগ্রহও অনুভব করেনি। দিনগুলো ওর কাটল রুমে বসে মদ গিলে।

    ক্রিসমাসের ছুটি শেষ হওয়ার পর ব্যবসা শুরু করার জন্য চেষ্টা শুরু করল আর্থার। ও চাইছিল নিউহাস্টে যে ব্যবসা করুত এখানেও ওরকম কিছু একটা। করত। অনেক চেষ্টার পর সুযোগ মিলল। গ্রীন উইচ এলাকায় ব্যবসা ফেঁদে বসল আর্থার। ব্যবসা শুরু করতে পাই পয়সা পর্যন্ত ব্যয় হয়ে গেল। কিন্তু ভাগ্যটা ওর। ভালই। দেখতে দেখতে এখানেও জমে উঠল ব্যবসা। পয়সাপাতি ভালই পেতে শুরু করল সে। ধীরে ধীরে মন প্রফুল্ল হয়ে উঠল ওর।

    দোকানের কাজে সাহায্য করার জন্য দুটি মেয়েকে সহকারী হিসেবে রেখেছিল আর্থার। এদের মধ্যে একজন, মেরী থম্পসনের প্রতি সে দুর্বলতা অনুভব করতে লাগল। রক্তের উন্মাদনা কি আর সহজে ঝিমিয়ে পড়ে? আর আর্থার নোয়াকসের মত পরস্ত্রী লোভী নারীসঙ্গ কামনায় ব্যাকুল লোক যে তার সুন্দরী সহকারিণীর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়বে এ তো খুবই স্বাভাবিক। মেরী তার বাপ মায়ের সাথেই থাকে। কিন্তু আর্থারের দোকানে কাজ করতে হচ্ছে যুদ্ধে আহত পঙ্গু বাপের সংসার চালানোর জন্য।

    আর্থার খুব শিগগিরই আবিষ্কার করল নাট্যকলা সম্বন্ধে তার তন্বী সহকারিণীর দারুণ দুর্বলতা রয়েছে। এই সুযোগটা কাজে লাগাল সে। তার বন্ধু মহল, যারা নাট্যচর্চা করে, তাদের ওখানে নিয়ে যেতে শুরু করল সে মেরীকে। নাট্যচর্চার ওপর বই কিনে দিল ওকে, পড়ে শোনাল। এমনকি নিজে প্রমোটরের ভূমিকাও পালন করতে লাগল। মেরীকে সে অভিনয় করার জন্য পোশাক-আশাক কিনে দিতে দ্বিধা করল না। মেরী স্বভাবতই তার চাকরিদাতার প্রতি হৃদয়ের অন্তঃস্তল থেকে কৃতজ্ঞতা অনুভব করল। দেখতে দেখতে ওদের মধ্যে বন্ধুত্বের চেয়েও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠল। তরুণী মেরী বুঝতে পারল বিপত্নীক এই লোকটিকে কখন জানি সে অজান্তে ভালবেসে ফেলেছে। আর আর্থার মেরীর স্নিগ্ধ সাহচর্যে মদ খাওয়া। ছেড়ে দিল আস্তে আস্তে। আবার জীবনটা আগের মত উপভোগ্য হয়ে উঠল তার কাছে।

    এক রাতে আর্থারদের নাট্যদল লাল গোলায় খুন নাটকের রিহার্সাল দিচ্ছে। দৃশ্যটা এরকম-মারিয়া নামের মেয়েটিকে তার প্রেমিক খুন করার জন্য লাল গোলায় নিয়ে এসেছে। আজকের রিহার্সালেও আগের মতই প্রমোটরের দায়িত্ব পালন করছে আর্থার। বিশাল হলরুমের গা ছমছমে পরিবেশের জন্য, নাকি দৃশ্যটার ভয়ঙ্করত্নের জন্য, ঠিক বলতে পারবে না আর্থার, কিন্তু উইংসের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে প্রমোট করতে করতে এক সেকেন্ডের জন্য বই থেকে মুখ তুলে স্টেজের ম্লান আলোর দিকে তাকাতেই শরীর শিরশির করে উঠল তার। মনে হলো স্টেজে ওর মৃত স্ত্রী সেই পৈশাচিক মূর্তি নিয়ে দাড়িয়ে আছে। সাথে সাথে ওর হাত কাঁপতে লাগল। কাপুনিটা এতই তীব্র যে বইটা ছিটকে পড়ে গেল মাটিতে। মেরী পাশেই দাঁড়ানো ছিল। তাড়াতাড়ি বইটা হাতে তুলে নিল সে।

    ভয়ে ভয়ে আর্থার মেরীর দিকে ফিরল। এটা কি সত্যিই মেরী নাকি তার রূপ ধরে স্বয়ং এডিথ আবার এখানে এসেছে ওকে ভয় দেখাতে?

    কি হয়েছে, আর্থার? তোমাকে এরকম দেখাচ্ছে কেন? মেরী ফিসফিস করে বলল, মনে হচ্ছে যেন ঠাণ্ডায় জমে গেছ।

    আর্থার মেরীর প্রসারিত হাতটা চেপে ধরল দুহাতে। উষ্ণ, নরম হাত। এই হাত কোনও অশরীরীর হতে পারে না। নিজেক্লে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করল এই ভেৰে, নিশ্চয়ই চোখে ভ্রম দেখেছে। পা দুটো কাঁপছিল ওর। কাঁপুনি বন্ধ করার চেষ্টা করতে করতে মেরীকে বলল, সে ঠিকই আছে, চিন্তার কিছু নেই, কিন্তু মন যে কিছুতেই মানে না! মৃত স্ত্রীর আত্মা এই লন্ডনেও তাকে ধাওয়া করে এসেছে এই চিন্তাটা কিছুতেই মন থেকে দূর করতে পারল না আর্থার।

    রিহার্সাল শেষ হয়ে গেল। মেরী জিদ ধরল আর্থারের সাথে সেও তার বাড়ি যাবে তাকে পৌঁছে দিতে। যুক্তি দিয়ে বোঝাতে চাইল এই অবস্থায় তার একজন সঙ্গীর প্রয়োজন।

    তোমার এখন দুধ আর হুইস্কির একটা গরম ড্রিঙ্ক দরকার, মেরী বলল ওকে, এবং আমি তোমার সাথে গিয়ে দেখতে চাই বিছানায় যাওয়ার আগে তুমি ওটা ঠিকঠিক খেয়েছ।

    অন্য সময় হলে আর্থার সহাস্যে মেরীর এই প্রস্তাবে রাজি হত। কিন্তু পরিস্থিতি এখন ভিন্ন। বরং আর্থার এখন মেরীকে কাটাতে পারলেই বাঁচে।

    আমি তোমাকে কথা দিচ্ছি, গরম দুধ এবং হুইস্কি দুটোই খাব। তোমাকে আর কষ্ট করে যেতে হবে না, মেরী ডিয়ার। বলেছ এতেই আমি খুশি।

    কিন্তু মেরী ওকে একা ছাড়ল না। সঙ্গে এল। দরজা খুলে যখন মেরীকে ভেতরে যেতে বলছে, আর্থার চকিতে একবার ভীত দৃষ্টিতে পেছন ফিরে তাকাল। দোতলায় উঠে এল ওরা। হাফ-ল্যান্ডিংয়ে টিমটিমে বাতি জ্বলছে। আর্থার বান্ধবীকে নিয়ে ওর লিভিংরুমে ঢুকল। দ্রুত হাতে টেবিল ল্যাম্প এবং ম্যান্টলপিসের ওপর রাখা বাতি দুটো জ্বেলে দিল। তড়িঘড়ি করে গ্যাসের চুলোয় আগুন ধরিয়ে দুধের পাত্রটা একটানে বের করল শেলফ থেকে। ওটাতে খানিকটা দুধ ঢেলে বসিয়ে দিল চুলোর ওপর।

    মেরী ওর ব্যস্ততা দেখে মনে মনে হাসছিল। কাজ করতে আর্থার এতই ব্যস্ত যে ওকে চুমু খেতে পর্যন্ত ভুলে গেছে। অথচ এটা অস্বাভাবিক একটা ব্যাপার। কারণ এর আগে ওরা যখনই একত্রিত হয়েছে, আর্থার সবার আগে চুম্বন পর্বটি সেরে নিতে ভোলেনি।

    আমি কিন্তু তোমার মত ঠাণ্ডা বাধাইনি, ডার্লিং। মদালসা কণ্ঠে বলতে বলতে মেরী আর্থারের হাত দুটো টেনে নিয়ে নিজের কোমরে রাখল। মুখ উঁচু করল। ফাঁক হয়ে গেছে কমলা কোয়ার মত অধর। চুম্বনের প্রত্যাশায় অধীর। আর্থারের এই আমন্ত্রণে সাড়া না দিয়ে উপায় কি? দুজোড়া ঠোঁট মিলেমিশে এক হয়ে গেল, হয়েই। থাকল। হঠাৎ দুধ উপচে পড়ার শব্দ শুনে স্বর্গ থেকে মর্তে ফিরে এল আর্থার। তাড়াতাড়ি বিচ্ছিন্ন হলো মেরীর কোমল আলিঙ্গন থেকে কাপড় দিয়ে চুলোর গায়ে উপচে পড়া দুধ মুছছে, এমন সময় শুন নিচের দরজায় ধড়াম ধড়াম শব্দ হচ্ছে। মেরীও শব্দটা শুনল। নিচে গিয়ে দরজাটা ভাল করে লাগিয়ে এসো, ডার্লিং, তুমি নিশ্চয়ই ওটা লাগাতে ভুলে গেছ। বলল সে। অনিচ্ছাসত্ত্বেও উঠে দাঁড়াল আর্থার। হঠাৎ অনুভব করল ঘরের ভেতরে যেন একরাশ ঠাণ্ডা হাওয়া ঢুকে গেছে। সেই হাওয়া ওর শরীরটাকেও নাড়া দিয়ে গেল। ওর খুব ভাল করেই মনে আছে ওরা যখন ভেতরে ঢুকেছে তখন দরজাটা বন্ধ করেই এসেছে। কিন্তু মেরীকে মুখ ফুটে বলতে পারল না বাইরের অন্ধকারে যেতে সে ভয় পাচ্ছে। ভয় পাচ্ছে কারণ সে ভাল করেই জানে নিচে গেলে কাকে দেখতে পাবে। যা থাকে কপালে, কিন্তু প্রেমিকার কাছে কাপুরুষ সাজব না ভেবে দৌড়ে নিচে নেমে এল আর্থার। দরজা বন্ধই আছে। কাপা হাতে হুড়কো লাগিয়ে দিল সে এবার। আর তখুনি সেই বিকট পচা গন্ধটা নাকে ভেসে এল। যেন কবর থেকে উঠে এসেছে। প্রচণ্ড ভয়ে কেঁপে উঠল আর্থার, ঘুরল। জানে কাকে দেখতে পাবে। দাড়িয়ে আছে সে। ওর পথ রোধ করে। সবুজ একটা আলো ঠিকরে আসছে তার অন্ধকার চোখের গর্ত থেকে। গালের মাংস পচে খসে পড়েছে। মুখের অর্ধেকটা নেই, বেরিয়ে পড়েছে চোয়াল, বীভৎস ভঙ্গীতে হাসছে সে। ডিড়সার হাত দুটো দিয়ে সে আর্থারের গলা জড়িয়ে ধরল। বাধ্য করল তার চোখহীন অন্ধকার গর্তের দিকে তাকাতে। যেন অভিশাপ দিচ্ছে। তীব্র আতঙ্কে শরীর অবশ হয়ে এল আর্থারের।

    হঠাৎ মেরী ওপর থেকে ওর নাম ধরে ডাকল। পৈশাচিক মূর্তিটা অদৃশ্য হয়ে গেল সাথে সাথে। ভয়ানক আতঙ্কে স্তব্ধ আর্থার টলতে টলতে উঠে এল ওপরে। মেরী ওর চেহারা দেখে ভয়ে চিৎকার করে উঠল। আর্থারের মুখ কাগজের মত সাদা। শরীর কাঁপছে থরথর করে।

    আর্থার স্পষ্ট বুঝতে পারছে এডিথের প্রেতাত্মার কবল থেকে মুক্তির একটাই পথ-এই মুহূর্তে মেরীর সান্নিধ্য ত্যাগ করা। কিন্তু মেরী ওকে ছাড়তেই চাইছে না। বরং ওকে যত্ন করে আগুনের সামনে বসাল, গরম দুধ আর হুইস্কি খাইয়ে দিল মমতাভরে। আর্থার ঢক ঢক করে পানীয় দুটো গিলল। মেরী বোতলে গরম পানি ভরতে ভরতে বলল, আসলে খুব বেশি ঠাণ্ডা লেগেই তোমার এই অবস্থা হয়েছে, আর্থার ডিয়ার। কাল তোমার সারাদিন বিশ্রাম নেয়া উচিত। দোকানের কাজকাম আমরা দুজনেই দিব্যি চালিয়ে নিতে পারব। আমি তোমাকে কালকেও দেখতে আসব।

    মেরীর কথা শুনে আর্থারের টেনশন বাড়ল আরেক দফা। এডিথ এই ব্যাপারটাকে মেনে নেবে না কিছুতেই। মেরীকে যদি সে ত্যাগ না করে সেই পিশাচিনী ফিরে আসবে আবার। মেরীর সাথে সম্পর্ক চুকিয়েই ফেলতে হবে ওকে। এছাড়া কোনও পথ নেই। কিন্তু নিজেকে এত ক্লান্ত আর বিধ্বস্ত লাগল যে মেরীকে চলে যাওয়ার কথা বলার শক্তিও পেল না।

    মেরী অনেকক্ষণ বকবক করে অবশেষে বিদায় হলো। আর্থার বিছানায় শুয়ে চেষ্টা করল ঘুমাতে। কিন্তু দুঃস্বপ্ন তাড়া করল ওকে ঘুমের মধ্যে। স্বপ্নে দেখল ওর মৃত স্ত্রী আবার ফিরে এসেছে সেই ভয়ঙ্কর ঠাণ্ডা আর পৈশাচিক রূপ নিয়ে। তার হাডিউসার হাতদুটো বুকে রেখে চাপ দিচ্ছে, ক্রমশ বাড়ছে সেই চাপ। শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে আর্থারের। চেষ্টা করছে ঘুম থেকে জেগে উঠতে। কিন্তু পারছে না। সেই ভয়ঙ্কর হাতের দানবীয় চাপ আরও বেড়ে চলছে। নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে আর্থারের। তীব্র যন্ত্রণায় গুঙিয়ে উঠল সে। তারপরই ঘুম ভেঙে গেল।

    পরদিন দোকানে ঢুকেই মেরীকে সোজা জবাব দিয়ে দিল আর্থার। তোমার ওই নাট্যচর্চার ব্যাপারটা আমাকে খুব বিরক্ত করে তুলেছে, মেরী। আমি এই যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি চাই। চাই আরও স্বাধীনতা। আমার এখন পুরুষ বন্ধুদের সঙ্গ দরকার। তোমার সঙ্গ আমার কাছে ইদানীং স্রেফ ন্যাকামি মনে হচ্ছে। আমি এখন থেকে বন্ধুদের সাথে মদ খেয়ে মাতাল হব, গল্পগুজবে মেতে উঠব। তোমার সাথে নাটক করে এই ক্ষুদ্র জীবনটাকে আর একঘেয়ে করে তুলতে চাই না। জীবনটা আমি ইচ্ছেমত উপভোগ করব। তোমার যদি এখন ইচ্ছে হয় আমার দোকানে থাকতে পারো। কিন্তু আমাদের সম্পর্ক এখন থেকে শুধু ব্যবসায়িক সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। অন্য কিছু নয়। আর্থার এক নিঃশ্বাসে গড়গড় করে কথাগুলো বলে গেল। অপমানে, দুঃখে মেরীর চোখে জল এল। দৃশ্যটা দেখে আর্থারের নিজের কাছেই খুব খারাপ লাগল। কিন্তু এছাড়া ওর আর কিইবা করার ছিল? মেরীর সাথে এভাবে খারাপ ব্যবহার না করলে সে তাকে ত্যাগ করবে না, বাধ্য হয়ে এই কর্কশ পথটা বেছে নিতে হয়েছে ওকে। কারণ এখন এডিথের পালা। এডিথ জিততে শুরু করেছে। মৃত্যুর আগের সেই হুমকি এভাবে সে কাজে লাগাবে স্বপ্নেও ভাবেনি আর্থার। এই বিভীষিকা থেকে বুঝি এ জীবনে রক্ষা পাবে না সে।

    মেরীর সাথে খারাপ ব্যবহার করার পর থেকে বিবেকের দংশনে জ্বলছে আর্থার। কিছুতেই নিজেকে ক্ষমা করতে পারছে না। মেরী এদিকে তার ব্যবহারে ভয়ানক মর্মাহত হয়ে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে। ওর জায়গায় গিলবার্ট নামে এক লোক এসেছে। কিন্তু মেরীর শূন্যস্থান পূরণ হবার নয়। বসের মন জয় করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হলো সে। আর আর্থার মেরীকে ভুলে থাকার জন্যই যেন আবার মদ খেতে শুরু করল। ব্যবসা সম্পর্কে দারুণ উদসীন হয়ে উঠল। আবার আগের মত ব্যবসার বারোটা বাজতে শুরু করল। কিন্তু অর্থারের সেদিকে কোনও নজর নেই। এডিথের ভূত এখন আর তাকে তাড়া করে ফেরে না বটে, কিন্তু অতিরিক্ত মদ্যপান আর অনিয়মিত খাওয়া দাওয়ার ফলে তার স্বাস্থ্য ভেঙে পড়তে শুরু করল দ্রুত।

    এক রোববার সকালে ঘুম ভাঙার পর আর্থারের ফেলে আসা সাসেক্স টাউনের জন্য মন খুব কেমন করতে লাগল। কতদিন সে নিজের বাড়িতে যায় না। খুব ব্যাকুল হয়ে উঠল সে বাড়ি যাওয়ার জন্য। সিদ্ধান্ত নিল আজকেই যাবে।

    সন্ধ্যার সময় পৌছুল সে বাড়িতে। অত্যন্ত রোগা আর্থারকে চিনতে পারছিল না কেউ। বুকের মধ্যে দারুণ ব্যথা চেপে এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াল সে। ঘুরতে ঘুরতে চার্চে কখন চলে এসেছে নিজেও জানে না।

    একটি মাত্র আলো মিটমিট করে জ্বলছে ভেতরে। একটি মেয়ে বসা ওখানে। সে ঘুরল। আর্থার তাকে দেখে চমকে উঠল। এ যে এডিথ! কিন্তু এ সেই তরুণী এডিথ, যার সাথে আর্থারের বিশ বছর আগে এই জায়গাতেই প্রথম দেখা হয়েছিল। এডিথ ওকে দেখে মধুর হাসল। হাতছানি দিয়ে ডাকল। কি যে হলো আর্থারের, মন্ত্রমুগ্ধের মত এগিয়ে গেল এডিথের দিকে। এডিথ হাঁটতে শুরু করল হালকা পায়ে। সম্মোহিতের মত তাকে অনুসরণ করে চলল আর্থার।

    হাঁটতে হাঁটতে ভেজা একটা কবরের পাশে এসে দাঁড়াল এডিথ। হাত তুলে আহ্বান করল আর্থারকে। তীব্র তুষ্ণা বুকে নিয়ে সেই আহ্বানে সাড়া দিল আর্থার। শিশু যেন মায়ের কোলে আশ্রয় নিচ্ছে এইভাবে সে সেঁধিয়ে গেল এডিথের বুকের ভেতর। এডিথ কোমল বাহ দিয়ে ওকে পেঁচিয়ে ধরল। এবং তখুনি ওর চেহারার পরিবর্তন শুরু হলো। আস্তে আস্তে তরুণী এডিথের লাবণ্য মুছে গিয়ে চেহারাটা বীভৎস হয়ে উঠল। সেই আগের পৈশাচিক চেহারায় রূপান্তরিত হলো এডিথ। আপেল রাঙা গালের মাংস খসে গিয়ে সাদা হাড় বেরিয়ে পড়ল, মায়াবী চোখ দুটো গলে গিয়ে মণিহীন দুটো গর্ত ধক ধক করে উঠল। মুখ থেকে বমি ওঠা পচা গন্ধটা ভকভক করে বেরিয়ে আসছে। আর্থারের হৃৎপিণ্ড খাচার সাথে বাড়ি খেতে শুরু করল। মনে হচ্ছে ওর গলা যেন চেপে বসছে, শ্বাস নিতে পারছে না। প্রাণপণে মনে করতে চাইল এটাও একটা দুঃস্বপ্ন। কিন্তু এটা কোনও দুঃস্বপ্ন নয়। আর্থার স্পষ্ট অনুভব করছে মুখের ওপর বড়বড় ফোঁটায় বৃষ্টি পড়ছে। হাড্ডিসার হাতদুটো যেন অজগরের মরণ পার্ক শ্বাসরোধ করে ফেলছে ওর। দুনিয়া আঁধার হয়ে আসছে দ্রুত। টের পাচ্ছে এডিথ ওকে নিয়ে কবরের মধ্যে ঢুকছে..মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে আর্থার আবছাভাবে দেখতে পেল এডিথ মাংসহীন মাড়ি বের করে হাসছে। বিজয়ের উৎকট উল্লাস সেই হাসিতে। অবশেষে জয়ী হতে চলেছে এডিথের প্রেতাত্মা। প্রতিশোধ নিচ্ছে সে। ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ

    [মূল: ভিডা ডেরী’র ‘ডেথ টেকস ভেনজেন্স’]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদুনিয়া কাঁপানো ভূতের গল্প – অনীশ দাস অপু
    Next Article খুনির রং – অনীশ দেব

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }