Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুরানো সেই দিনের কথা – আকবর আলি খান

    লেখক এক পাতা গল্প489 Mins Read0
    ⤷

    ১. প্রথম অধ্যায় – পূর্বাভাষ

    প্রখ্যাত সাহিত্যিক ডব্লিউ এইচ অডেন (W. H. Auden) আত্মজীবনী লেখার সমস্যা সম্পর্কে একটি সুন্দর বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘Every autobiography is concerned with two characters : Don Quixote, the Ego and a Sancho Panza, the Self.’ বিখ্যাত স্প্যানিশ ঔপন্যাসিক স্যারভান্টিসের (Cervantes) উপাখ্যান ডন কিহটিতে দুটি প্রধান চরিত্র রয়েছে। উপাখ্যানের নায়ক হলেন ডন কিহটি (Don Quixote)। তিনি আত্মগরিমায় বিভোর। তিলকে তাল করে দেখেন, যা কিছু করেন তার কাছে। তাই মনে হয় অসাধারণ। পক্ষান্তরে তার অমাত্য সাঙ্কো পাঞ্জা (Sancho Panza) একেবারেই সাদামাটা মানুষ, অতিরঞ্জন তার ধাতেই নেই। যা সাধারণ মানুষের কাছে সত্যি বলে মনে হবে, সেটাই তিনি বলেন। আত্মজীবনীকার তাই একই সঙ্গে ডন কিহটি ও সাঙ্কো পাঞ্জার সমাহার। তিনি ডন কিহটির মতো নিজের অর্জনের ঢাকঢোল পেটাতে ব্যস্ত। আবার তিনি অনেক সময় সাধারণ মানুষের পর্যায়ে নেমে এসে সত্য কথা লেখার চেষ্টা করেন। অতিরঞ্জন ও সত্যের সংমিশ্রণে আত্মজীবনী রচিত হয়।

    আত্মজীবনী শুধু নিজের গরিমা প্রচারের জন্য লেখা হয় না, অনেক ক্ষেত্রে আত্মজীবনী লেখা হয় নিজের সুনাম রক্ষা করার জন্য। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ 56369, ‘Histery is written by the victor; autobiography is written by the vanquished।’ যুদ্ধে যারা জয়লাভ করে, তারা শুধু শত্রুকেই পরাজিত করে না, যুদ্ধের বিবরণও তাদের মর্জিমাফিক লেখা হয়। যারা পরাজিত হয়, তাদের বক্তব্য ইতিহাসে গৃহীত হয় না। তবু যারা হারে, তারা হার স্বীকার করতে চায় না। তাই তারা নিজেদের অবস্থানের পক্ষে আত্মজীবনী লেখে।

    প্রকৃতপক্ষে কোনো সৎ আত্মজীবনী নেই। ইংরেজিতে বলা হয়, ‘There is no truly honest autobiography. একজন সমালোচক তাই দাবি করেছেন, ‘There is no such thing as autobiography, there is only art and lies.’ আত্মজীবনী বলে কিছু নেই, আত্মজীবনীতে যা থাকে তা হলো সুন্দর করে কথা বলার দক্ষতা এবং মিথ্যা।

    আত্মজীবনী কতটুকু সত্য ও কতটুকু মিথ্যা, তা যাচাই করতে হলে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য জানতে হবে। এ প্রসঙ্গে গোপাল ভাঁড়ের একটি চুটকি স্মরণ করা যেতে পারে। কথিত আছে, একবার মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র গোপাল ভাড়ের ওপর অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। তিনি গোপাল ভাঁড়কে শাস্তি দেওয়ার জন্য তার মন্ত্রীকে বললেন, এমন একটি প্রশ্ন তৈরি করো, যার উত্তর গোপাল ভাঁড় দিতে পারবে না। তাহলেই তার গুমর ফাঁস হয়ে যাবে। মন্ত্রী অনেক চিন্তা করে রাজাকে পরামর্শ দিলেন যে গোপাল ভাঁড়কে জিজ্ঞেস করুন, সত্য থেকে মিথ্যা কত দূরে। মহারাজ এ প্রশ্ন করাতে গোপাল ভাঁড় জবাব দিলেন, ‘সত্য ও মিথ্যার মধ্যে ফারাক খুবই কম। রাজা বললেন, কত কম সেটা বলতে হবে।’ গোপাল ভাঁড় তার বাম হাতটি দিয়ে তার কান এবং ডান হাতটি দিয়ে চোখ ঢেকে বললেন, কান এবং চোখের দূরত্ব যতটুকু, সত্য এবং মিথ্যার দূরত্ব মাত্র ততটুকু। মহারাজ বললেন, এটা কীভাবে নির্ণয় করেছ? গোপাল ভাঁড় বললেন, যা কানে শোনা যায় তার বেশির ভাগই মিথ্যা, যা চোখে দেখা যায় কেবল সেটাই সত্য। তবে গোপাল ভাঁড় যদি আজকে এই জবাব দেন, তাহলে তার জবাব সম্পূর্ণরূপে গৃহীত হবে না। যা চোখে দেখা যায় তার সবকিছুই সত্য নয়, চোখেও ভুল দেখা যেতে পারে। এই বিভ্রান্তি মনস্তাত্ত্বিক হতে পারে আবার বিভ্রান্তি চোখের ত্রুটির জন্যও হতে পারে। আত্মজীবনীর লেখক সত্য কথা লিখতে চাইলেও সব সময় সত্য কথা লিখতে পারেন না।

    এর দুটি কারণ রয়েছে। এ কারণ দুটি সম্পর্কে জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার arty (Gunter Grass) লিখেছেন, ‘Over the years, I had something in principle against autobiographical writing altogether because memory plays tricks on us, and we also tend to reinvent ourselves.’ সত্য জানা থাকলেও সব সময় সত্য লেখা যায় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আত্মজীবনীকারের কাছে ঘটনাবলি সম্পর্কে দলিল-দস্তাবেজ থাকে না। তাঁকে স্মৃতির ওপর নির্ভর করে লিখতে হয়। অনেক সময়ই স্মৃতি প্রতারণা করে, আবার সত্য লিখতে গিয়েও অনেকে সত্যের ওপর রং চাপিয়ে দেন। এর ফলে। সত্য আর নির্ভেজাল সত্য থাকে না। অনেক আত্মজীবনীকার তাদের কর্মকাণ্ডের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করার জন্য লেখেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আত্মজীবনী লেখকেরা দুষ্কর্মের দায়িত্ব গ্রহণ করতে রাজি হন না। দুষ্কর্মের দায়িত্ব অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত সাপ্তাহিক Time-এর প্রকাশক ও সম্পাদক ক্লেয়ার বুথ লুস (Clare Boothe Luce) লিখেছেন, ‘Autobiography is mostly alibiography’ আত্মজীবনী হচ্ছে দুষ্কর্ম ঘটার সময় অনুপস্থিত থাকার ওজর বা অজুহাত। লেখকেরা সাধারণত খারাপ কাজের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে চান। শুধু তা-ই নয়, অনেকে ভিন্নমত মেনে নিতে রাজি নন। তাই একজন সমালোচক লিখেছেন, ‘If I wrote Autobiography, I would like to sue the author for defamation.’ সত্যিকারের আত্মজীবনী লিখলে লেখকের নিজেরই নিজের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে ইচ্ছা করবে।

    আত্মজীবনী লেখার এত সমস্যা, তবু মানুষ কেন আত্মজীবনী লেখে? একজন দুমুখ ব্যক্তি বলেছেন, ‘Any one who writes autobiography is either a twat or broke.’ আত্মজীবনী যারা লেখেন তারা হয় বেকুব, অন্যথায় দেউলিয়া। দেউলিয়া ব্যক্তিরা অর্থলোভে আত্মজীবনী লিখতে পারেন।

    আত্মজীবনী সাধারণত দুই ধরনের ব্যক্তিরা লেখেন, এক ধরনের ব্যক্তি হলেন তাঁরা, যারা জীবনে বিরাট অর্জন করেছেন। ভবিষ্যতে যারা বড় হতে চান, তাঁরা সফল ব্যক্তিদের আত্মজীবনী থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। আমি একজন সাধারণ মানুষ। আমার অর্জন অতি সামান্য। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে আমার আত্মজীবনী লেখার কোনো প্রয়োজন নেই। আরেক ধরনের আত্মজীবনীকার যারা জীবনে এত খারাপ কাজ করেছেন যে তাঁরা স্বীকারোক্তি লিখতে চান; যেমন লিখেছেন সেন্ট অগাস্টিন। আমার জীবনে সেন্ট অগাস্টিনের মতো স্বীকারোক্তি লেখার কোনো ঘটনাও ঘটেনি। আত্মজীবনী লেখার জন্য বিশেষ কোনো তাগিদ আমি অনুভব করিনি।

    তাই প্রশ্ন ওঠে, আমার আত্মজীবনী লেখার আদৌ কোনো যৌক্তিকতা আছে কি না। এ কথা সত্যি, আত্মজীবনীতে সব সময় নির্ভেজাল সত্য কথা লেখা হয় না। কী লাভ হবে মিথ্যা কথা বলে এবং আত্মগরিমা প্রচার করে? এসব অভিযোগ যেমন সত্য, অন্যদিকে আত্মজীবনী প্রকাশে অনেক সময় বাধ্যবাধকতা থাকে।

    আমার ক্ষেত্রে তিনটি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রথমত, আমার একমাত্র সন্তান নেহরীন খানকে আমার আত্মজীবনী লিখব বলে কথা দিয়েছিলাম। কথা দেওয়ার কারণ ছিল, নেহরীন খান আমার পূর্বপুরুষদের ইতিহাস জানতে চান। রসুল্লাবাদ খাঁ বাড়ির ইতিহাস এখনো কেউ লেখেননি। আমি তাকে কথা দিয়েও ব্যস্ততার জন্য কাজটি শুরু করতে পারিনি। তিনি আমার ওপর অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হয়ে নিজেই আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন। তবে তিনি তার কাজ শেষ করতে পারেননি, দুরারোগ্য ব্যাধিতে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে যান। তাঁর অনুপস্থিতিতে আমি আত্মজীবনী লেখার তাগাদা ভেতর থেকে অনুভব করছি।

    দ্বিতীয়ত, ২০০৬ সালে আমি মরহুম ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করি। তবে কিছুদিনের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে আমার মতানৈক্য হয়। আমি উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করি। ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের সঙ্গে আমার মতানৈক্যের কারণ ছিল তাঁর নির্লজ্জ দুর্নীতি। উপরন্তু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব সম্পর্কে তার বিন্দুমাত্র আগ্রহ ছিল না। বিদায়ী সরকারের তল্পিবাহক হিসেবে তিনি তাদের নিতান্ত আজ্ঞাবহ ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে আরও তিনজন সহকর্মীসহ আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার থেকে পদত্যাগ করি। সে সময় গণমাধ্যমের কর্মীরা আমার কাছ থেকে সব বক্তব্য শুনতে চান। আমি তাদের সবকিছু জানাইনি এবং প্রতিশ্রুতি দিই আমার আত্মজীবনীতে এ বিষয়ে আমি লিখব। এখনো গণমাধ্যমের কোনো কোনো প্রতিবেদক আমাকে স্মরণ করিয়ে দেন যে আমি আমার প্রতিশ্রুতি রাখিনি।

    তৃতীয়ত, আমার কর্মজীবনের একটি বড় অংশ বাংলাদেশের আমলাতন্ত্রের জগতে অতিবাহিত হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আত্মজীবনী পাঠ করে আমলাতন্ত্রের বর্তমানে যেসব কর্মকর্তা কর্মরত আছেন, তারা তাদের পূর্বতন কর্মকর্তারা কীভাবে সফল অথবা ব্যর্থ হয়েছেন, সে সম্পর্কে ধারণা করতে পারেন। অন্যান্য পেশায় আত্মজীবনী গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত না হলেও আমলাতন্ত্রে এর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। তাই আত্মজীবনীর অন্তর্নিহিত দুর্বলতা সত্ত্বেও অনেক আমলা তাদের আত্মজীবনী লেখেন। অনেক আমলা আত্মজীবনীতে তাঁর বিবেচনায় ‘সাফল্য’-এর জন্য উল্লাস প্রকাশ করেন এবং ব্যর্থতার দায় অন্যের কাঁধে চাপিয়ে দেন।

    উচ্চপদস্থ আমলাদের আত্মজীবনী লেখার আরেকটি বড় সমস্যা রয়েছে। সরকারের উচ্চ পদে যারা কাজ করেন, তারা রাষ্ট্রের অনেক গোপন তথ্য জানেন। এসব তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা অনাকাঙ্ক্ষিত; অনেক ক্ষেত্রে তা আইনের বরখেলাপ। তাই অনেক আমলার পক্ষে সব সত্য লেখা সম্ভব হয় না। আবার কোনো কোনো আমলা তাঁদের বইয়ের বিক্রি বাড়াতে অনেক গোপনীয় তথ্য প্রকাশ করেন। এসব তথ্য অনেক ক্ষেত্রে সত্য, অনেক ক্ষেত্রে বানোয়াট। সরকারের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য আমার পক্ষে আত্মজীবনীতে সব তথ্য পরিবেশন করা সম্ভব হবে না। এ ধরনের সমস্যা ভারতের শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আত্মজীবনী লেখার সময়েও ঘটেছিল। ভারত বিভাগের সময় তিনি ছিলেন নিখিল ভারত কংগ্রেসের সভাপতি। কংগ্রেসে তার সবচেয়ে বড় মিত্র ছিলেন জওহর লাল নেহরু। মাওলানা আজাদ এ সময় জওহর লাল নেহরু এবং কংগ্রেসের কোনো কোনো নেতার ভূমিকায় আদৌ সন্তুষ্ট ছিলেন না। কিন্তু জওহর লাল নেহরুর মন্ত্রিসভার সদস্য থেকে তাঁর সমালোচনা করা মোটেও শোভনীয় নয়। তিনি বইটি লেখেন। কিন্তু বইটি প্রথম প্রকাশ করার সময় বিতর্কিত ৩০টি পৃষ্ঠা আপাতত না ছেপে ব্যাংকের ভল্টে রেখে দেন। তাঁর প্রসিদ্ধ বই ইন্ডিয়া উইনস ফ্রিডম বইটি প্রথম সংস্করণ তার বিতর্কিত ৩০ পৃষ্ঠা ছাড়া প্রকাশিত হয়।[১]

    মাওলানা আজাদের অনুকরণে আমি তথ্যের গোপনীয় রক্ষার চেষ্টা করতে পারি। মাওলানা আজাদ প্রথমে পুরো বইটি লিখেছিলেন। তারপর বিতর্কিত অংশগুলো চিহ্নিত করেছিলেন। আমি বইটি দুই খণ্ডে লিখতে চাই। প্রথম খণ্ডের সময়কাল হলো ১৯৪৪ সালে আমার জন্ম থেকে শুরু করে ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কানাডিয়ান কমনওয়েলথ বৃত্তি নিয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করার জন্য দেশ ত্যাগ পর্যন্ত। ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত আমি নিম্নপর্যায়ে সরকারের কর্মকর্তা ছিলাম। তাই এই সময়কালে সরকারি কাজের গোপনীয়তার বড় সমস্যা ছিল না। পরবর্তী সময়ে আমি সরকারের অনেক উঁচু দায়িত্ব পালন করেছি। সে সময়ে গোপনীয়তার অনেক সমস্যা রয়েছে। এই সময়ের স্মৃতিকথা আমি দ্বিতীয় খণ্ডে লিপিবদ্ধ করব। দ্বিতীয় খণ্ডটি আমি লিখে রেখে যাব। দ্বিতীয় খণ্ডের লেখা শেষ হলে এটি কখন প্রকাশিত হবে, এ সম্পর্কেও নির্দেশনা দিয়ে যাব।

    প্রথম খণ্ডের রূপরেখা

    প্রথম খণ্ডে ১৫টি অধ্যায় রয়েছে। প্রথম অধ্যায়ে পূর্বাভাসে আত্মজীবনী লেখার বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এসব সমস্যা সত্ত্বেও আমি শেষ পর্যন্ত আত্মজীবনী লেখার চেষ্টা করেছি। তা ছাড়া এ অধ্যায়ে প্রথম খণ্ডের রূপরেখা সম্পর্কেও আলোকপাত করা হয়েছে।

    আত্মজীবনীর প্রথমেই পূর্বপুরুষদের শিকড়ের সন্ধান করার রীতি রয়েছে। আমার ক্ষেত্রে এ রীতি পালন করার একটি বিশেষ কারণ রয়েছে। আমার পিতৃবংশ রসুল্লাবাদ খাঁ বাড়ির ইতিহাস একটু ভিন্ন ধরনের। বেশির ভাগ অভিজাত মুসলমান পরিবার গর্ববোধ করে যে তাদের পূর্বপুরুষেরা মধ্যপ্রাচ্যের শরিফ গোষ্ঠীর বংশধর। সামান্য কিছু পরিবার দাবি করে যে তারা এ দেশে উচ্চবর্ণের হিন্দু পরিবার থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। রসুল্লাবাদ খ বাড়িও এ ধরনের দাবি করে থাকে। এ সম্পর্কে কোনো লিখিত ইতিহাস নেই। তবে এই ইতিহাস শোনা ইতিহাস (Oral history), বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই ইতিহাসের সমর্থনে কোনো দলিল-দস্তাবেজ নেই। দ্বিতীয় অধ্যায়ে শোনা ইতিহাসের ভিত্তিতে রসুল্লাবাদ খ বাড়ির প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাস রচনার চেষ্টা করা হয়েছে। উপরন্তু এ অধ্যায়ে আমার মায়ের বংশ কণিকাড়া চৌধুরী বাড়ি সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়েছে।

    রসুল্লাবাদ খাঁ বাড়ির অনেক কৃতী পুরুষ জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তারা রসুল্লাবাদের জীবনকেও সমৃদ্ধ করেছেন। তাদের মধ্যে যারা উল্লেখযোগ্য, তাঁদের বর্ণনা তৃতীয় অধ্যায়ে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

    আমার বংশের সন্তানেরা নবীনগর থানায় মানুষ হয়েছে। খাঁ বাড়ির সদস্যদের জীবনের বিবর্তন বুঝতে হলে আমাদের বিশ শতকে নবীনগরের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জীবন সম্পর্কে সুষ্ঠু ধারণার প্রয়োজন রয়েছে। চতুর্থ অধ্যায়ে তাই নবীনগরের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

    সরকারের নথিপত্রে আমার জন্মতারিখ ২ আগস্ট ১৯৪৪। এ জন্মতারিখ সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে পঞ্চম অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই অধ্যায়ে আমার শৈশব এবং কৈশোর সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ১৯৫৯ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া পর্যন্ত আমার স্মৃতি পঞ্চম অধ্যায়ে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

    ১৯৫৯ সালে আমি ঢাকা কলেজে ভর্তি হই। গ্রাম থেকে শহরে আমার উত্তরণ ঘটে। ঢাকা কলেজে অনেক প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ছিলেন অধ্যাপক, তাঁদের সংস্পর্শে আসি। ঢাকায় অনেক বড় বড় পাঠাগারে যাওয়ার সুযোগ ঘটে। কলেজে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ছিল স্কুলের তুলনায় ব্যাপক। ঢাকা কলেজে আমার অনেক নতুন বন্ধু হয়। যাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল, তাদের মধ্যে যারা মারা গেছেন, তাঁদের সঙ্গে আমৃত্যু এবং যারা বেঁচে আছেন, তাঁদের সঙ্গে এখনো সম্পর্ক বজায় রেখেছি। ঢাকা কলেজের স্মৃতি ষষ্ঠ অধ্যায়ে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

    ১৯৬১ সালে আমার ঠাই হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে। বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া যেমন শিখেছি, তেমনি জীবনের বিভিন্ন দিকের সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় সাড়ে চার বছর ছিলাম। এ সময়ে প্রথম সামরিক আইনবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাস করার পর আমি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিই এবং ১৯৬৭ সালে মেধার ভিত্তিতে সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তানে চাকরি পাই। সপ্তম অধ্যায়ে ১৯৬১ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত আমার উল্লেখযোগ্য স্মৃতিসমূহ লিপিবদ্ধ করেছি।

    ১৯৬৭ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৬৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১২ মাস আমি লাহোরের সিভিল সার্ভিস একাডেমির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। সে সময়ে আমাদের কুমিল্লার পল্লী উন্নয়ন একাডেমি এবং পেশোয়ারের পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে প্রশিক্ষণ হয়। এ ছাড়া আমাদের পশ্চিম পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে, মধ্যাঞ্চল এবং পাঠান অধ্যুষিত উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে তিনটি সফরের ব্যবস্থা করা হয়। প্রায় তিন মাস কোয়েটা জেলায় জেলা প্রশাসন। সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য সংযুক্ত ছিলাম। এ সময়ের অভিজ্ঞতা অষ্টম অধ্যায়ে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

    ১৯৬৮ সালে আমি পূর্ব পাকিস্তানে ফিরে আসি এবং রাজশাহী জেলায় অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার (প্রশিক্ষণরত) হিসেবে কাজ শুরু করি। এ সময়ে প্রায় তিন মাসব্যাপী আমাদের জরিপ এবং ভূমি বন্দোবস্তের প্রশিক্ষণ রাজশাহী। জেলাতেই অনুষ্ঠিত হয়। এই সময়ে আমরা দুই সপ্তাহের জন্য পূর্ব পাকিস্তানে। শিক্ষাসফর এবং দুই সপ্তাহের জন্য সচিবালয়ের কাজকর্ম দেখার জন্য ঢাকায় থাকি। এ সময়ের অভিজ্ঞতা নবম অধ্যায়ে লেখা হয়েছে।

    ১৯৬৯ সালের ১ ডিসেম্বর আমি হবিগঞ্জ মহকুমার দায়িত্ব গ্রহণ করি। মহকুমা প্রশাসক হিসেবে আমাকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এসব সমস্যা নিয়ে আমি দশম অধ্যায়ে আলোচনা করেছি। সবশেষে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাফল্য ও ব্যর্থতা সম্পর্কে কিছু আলোচনা করেছি। আমার অভিজ্ঞতা থেকে যেসব প্রশ্ন দেখা দেয় এবং যা থেকে পরবর্তীকালে। আমি মিত্রপক্ষের গুলি হামটি ডামটি ব্যামো ও অন্যান্য সমস্যা সম্বন্ধে লিখেছি, সে সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

    একাদশ অধ্যায়ে ৭ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল ১৯৭১ পর্যন্ত সময়পর্বে মুক্ত হবিগঞ্জের অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করেছি। ৩০ এপ্রিল আমি হবিগঞ্জ থেকে আগরতলা চলে যাই।

    দ্বাদশ অধ্যায়ে আগরতলায় মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রায় সাড়ে তিন মাস আমি আগরতলায় ছিলাম। এরপর আমি কলকাতায় চলে যাই।

    ত্রয়োদশ অধ্যায়ে মুজিবনগর সরকারে আমার কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে আলোচনা করেছি। এ ছাড়া কলকাতায় অবস্থানকালে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে যেসব ভাবনা মনে এসেছে, সেগুলো নিয়েও আলোচনা করেছি। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমি বাংলাদেশ সচিবালয়ে চাকরি শুরু করি। ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমি সংস্থাপন মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কাজ করি। এ সময়ে সরকারে আমার কাজের অভিজ্ঞতা চতুর্দশ অধ্যায়ে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

    পঞ্চদশ অধ্যায়ে রয়েছে উপসংহার। আমার জীবনের প্রথম ২৯ বছরের। অভিজ্ঞতা সম্পর্কে আমি যা শিখেছি, সে সম্পর্কে কিছু আলোচনা করা হয়েছে। আমি শুধু আত্মজীবনীই লিখিনি, আমি আত্মজীবনী লেখার সময়। আত্মবীক্ষণেরও চেষ্টা করেছি।

    পাদটীকা

    ১. Maulana Abul Kalam Azad, India Wins Freedom, 1994, Delhi, Orient Longman

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপরার্থপরতার অর্থনীতি – আকবর আলি খান
    Next Article আজব ও জবর-আজব অর্থনীতি – আকবর আলি খান

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }