Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুলিশ কাহিনী ২ – পঞ্চানন ঘোষাল (দ্বিতীয় খণ্ড)

    পঞ্চানন ঘোষাল এক পাতা গল্প256 Mins Read0
    ⤶

    পরিশিষ্ট – দেশ স্বাধীন

    পরিশিষ্ট

    দেশ স্বাধীন হলে পুলিশ-কর্মীরা নতুন করে আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করেছিলেন। মহাদাঙ্গার সময় যে শহরকে তাঁরা রক্ষা করেন সেই শহরে পুলিশের মর্যাদা রাখতে তাঁরা তখন ব্যস্ত। এঁদের প্রত্যেকের গঠনমূলক মনোভাব, সততা ও দক্ষতা তুলনাহীন। ইতিমধ্যে তাঁদের প্রভূত স্বদেশ-প্রেম ও ব্যক্তিত্ব গড়ে উঠেছে।

    মুশ্লিম ও ইংরাজ-কর্মীরা চলে যাওয়ায় কর্মক্ষেত্রে বিরাট ভ্যাকুয়ামের সৃষ্টি হয়। কলিকাতা-পুলিশকর্মীদের আশা, শহর রক্ষার পুরস্কার-স্বরূপ এই-সব শূন্যপদে তাদের উন্নীত করা হবে। শিক্ষাদীক্ষা ও বংশগরিমায় তাঁরা কেউই কম নন। কিন্তু হঠাৎ দেখা গেল যে পুলিশ-পদগুলিকে শ্রেণীহীন না করে শ্রেণীযুক্ত করা হ’ল। সর্বভারতীয় সার্ভিসের জন্য (আই. পি.এস্.) তরুণদের ভর্তি করে অভিজ্ঞ প্রবীণদের উপর-ওয়ালা করা হ’ল। একজন ইংরাজ-কর্মীকে যে পদে পৌঁছতে বিশ বৎসর অপেক্ষা করতে হয়েছে সেই-সব গুরুত্বপূর্ণ পদে মাত্র দুই বৎসর অভিজ্ঞ তরুণদের বসানো হ’ল। এঁদের ঠাট্টা করে বলা হ’ত: ‘পার্টিশন প্রোডাক্‌টস্।’ ফলে অভিজ্ঞ ব্যক্তির অভাবে পুলিশের দক্ষতা ম্লান হয়। প্রবীণ কর্মীরা তাঁদের দীর্ঘদিনের অর্জিত ব্যক্তিত্ব একটু-একটু করে হারিয়ে এক অদ্ভুত নির্লিপ্ততার শিকার হয়ে যান। আশাভঙ্গ হওয়ায় ওদের কেউ-কেউ আগের মতো আখের গুছাতে মন দেন। পরবর্তীকালে অভূতপূর্ব পুলিশ-স্ট্রাইক তার ফলশ্রুতি। সেই সময় কিছু ডিপার্টমেন্টাল পোস্ট সৃষ্টি না-হলে বিপর্যয় ঘটতো। প্রমোটেড, অফিসাররা ডিরেক্‌ট রিক্রুট ঊর্ধ্বতন অপেক্ষা প্রায়শঃ ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করেছেন। তবে সুষ্ঠু প্রশাসনের জন্য কিছু-সংখ্যক তরুণ-ঊর্ধ্বতনদের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু তাদের ইংরাজ-উর্ধ্বতনদের মতো নম্র অথচ কঠোর এবং ট্যাক্‌টফুল নিশ্চয় হতে হবে।

    আমি বহু দুরূহ মামলা তদন্ত করে হাইকোর্টে বারে বারে প্রশংসিত হই। এক অনভিজ্ঞ তরুণ-ঊর্ধ্বতনকে একটি মামলায় আমাকে অবান্তর উপদেশ দেবার স্পর্ধা দেখে অবাক হয়ে যাই। পুঁথিগত অধীত বিদ্যায় যে শেষ-কথা লেখা নেই তা তারা জানেন না। এতে পুলিশী তদন্তের মানের দ্রুত অবনতি ঘটেছিল। আমার সৌভাগ্য এই-যে আমার পূর্বতন পুলিশী গুরু রায়বাহাদুর সত্যেন্দ্রনাথের বিভাগ থেকে উন্নীত হয়ে পরে ওঁদের মতোই ঊর্ধ্বতন অফিসার হতে পেরেছিলাম। তাই অপমানের বোঝা আমাকে কিছুমাত্র বইতে হয় নি।

    স্বাধীনতার পর প্রকৃত কংগ্রেসীরা খদ্দর ও গান্ধী টুপি পরিত্যাগ করেন। তাঁদের স্থলে হঠাৎ একদল দালাল-শ্রেণীর লোক খদ্দর ও গান্ধীটুপি পরে থানাদের উত্যক্ত করতে থাকে। এই ভূয়া-কংগ্রেসীদের বক্তব্য এই-যে তারা মন্ত্রীদের প্রিয়পাত্র হওয়ায় কর্মীদের উপকার করতে অক্ষম। স্বাধীনতার পূর্বেই আমি অ্যাসিসটেন্ট কমিশনার হয়েছি। এই দলটিকে আমার অধীন-থানাগুলি থেকে উৎখাত করতে বেগ পেতে হয়েছিল। বহু মন্ত্রী দীর্ঘকাল জেল খাটায় জনগণকে ঠিকমতো চিনতেন না। উপরন্তু স্বাধীনতা-উত্তর জনগণের রূপ ছিল ভিন্ন। তাই এই সব-দালাল ভূয়া-জননেতার দাবী মন্ত্রীদেরও বিভ্রান্ত করতো। কিছু ঊর্ধ্বতন-কর্মীরাও এদের প্রকৃত-নেতাভ্রমে খুশি করতে অধীনস্থ কর্মীদের হুকুম দিতেন।

    মহাদাঙ্গার সময় কোনও শাস্তিসেনা না-থাকলেও দাঙ্গাশেষে হঠাৎ বহু পল্লীতে শাস্তিসেনা সংগঠিত হয়েছিল। সৎলোকের সংখ্যা সর্বদেশে কম। জনসংখ্যা বেশি হলে মন্দলোক আসবেই। তাছাড়া, নবগঠিত শাস্তিসেনার প্রত্যেকে ট্রেনিংহীন অজ্ঞাতকুলশীল ব্যক্তি। শ্রীপ্রণব সেন প্রতি থানায় অনুরূপ একটি ছোট সংস্থা গড়ে নাম-রেজিস্টারের অজুহাতে ওদের হাটিয়ে একটি সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান করেছিলেন। এইরূপ ট্যাক্‌ট তথা কায়দার জন্য তিনি প্রখ্যাত ছিলেন। বিঃ দ্রঃ-স্বাধীনতার পর আমার অধীন থানাগুলিতে আমি সম্পূর্ণ বাংলা ভাষার মাধ্যমে কাজকর্মের প্রবর্তন করেছিলাম। প্রয়োজনীয় পরিভাষা তৈরি করে কর্মীদের লিখন-ব্যাপারে শিক্ষা দিই। এমন-কি ডিসট্রিক্ট প্যারেডে বাংলা-ভাষায় কম্যাণ্ডেরও প্রচলন করি। যেমন: অ্যাটেনশন = প্রস্তুত, স্ট্যাণ্ড অ্যাট ইজ= আরাম, রাইট টার্ণ=ডানে ফ্রো, লেফট হুইল = বামে বৃত ইত্যাদি। কিন্তু আদালতের ভাষা ইংরাজি এই ওজুহাতে কর্তৃপক্ষ পরে তা বন্ধ করে দেন।

    যুদ্ধ ও দাঙ্গা থামার আগেই, পরে কি করা হবে তার পরিকল্পনা রচিত হয়েছিল—অথচ দেশবিভাগের মতো এত বড়ো ঘটনার পরে কি ঘটতে পারে কেউ তার পরিকল্পনা রচনা করলেন না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বোঝা উচিত ছিল এ-বিষয়ে প্রস্তুত না-হয়ে দেশ-বিভাগের প্রস্তাব গ্রহণ করা যায় না। তারই ফলস্বরূপ পার্টিশনের পর হাজার-হাজার ব্যক্তি উৎপীড়িত হয়ে দেশত্যাগে বাধ্য হ’ল। তখনই, এই একমুখী বাস্তুহারাদের পুনর্বাসনের জন্য কিছু জমি হুকুম-দখল না-করায় এদেরকে বরং জমি-দখলে উৎসাহিত করে স্থানীয় লোকেদের মনে বিরূপতা এবং এদের মনে অপরাধপ্রবণতার বীজ বপন করা হ’ল। স্থানীয় ব্যক্তিদের ওদের প্রতি পূর্ব-সহানুভূতি হারানোর ফল শুভ হয় নি। অথচ বাস্তুহারারাও খুশি নয়। ফলে উভয়-শ্রেণীর জনগণ ধীরে-ধীরে সরকার-বিরোধী হতে থাকে। কিছু রাজনীতিবিদেরা এই অবস্থার পূর্ণ সুযোগ গ্রহণ করেছিল। কংগ্রেসকে গদী হতে হটাবার জন্য হাঙ্গামার সৃষ্টি করা ওদের পক্ষে সহজ হয়।

    [কিন্তু সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়ে গেলে রাজনৈতিক দাঙ্গা বন্ধ হয়ে যায়। স্বাধীনতার পর জনৈক বাঙালী শিখের হত্যা-উপলক্ষে স্থানীয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা আমি নিমেষে দমন করেছিলাম। নাড়ীর টান এমনই যে এ-বঙ্গে কিছু ঘটলে ও-বঙ্গে তার প্রতিক্রিয়া হবেই। ১৯৫২ খ্রীঃ বরিশালে ও পূর্ববঙ্গের অন্যত্র হিন্দু-নিধন শুরু হয়েছিল। বহু হিন্দুনারী অপহৃতা হন। পূর্ববঙ্গ থেকে আসা শূন্য ট্রেনগুলিতে শুধু ভাঙা কাচের চুড়ি ও রক্তের দাগ। আমার একদা অনুগত পূর্ববঙ্গের পূর্বতন কলিকাতা-পুলিশের কর্মীদের পত্র লিখে আমি বিভিন্ন এলাকার বহু পরিবার ও অপহৃতা কন্যাদের উদ্ধারে সাহায্য করেছিলাম। এদিকে তার প্রতিক্রিয়া স্বরূপ মধ্য-কলকাতা অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হলে আমি ও সত্যেন্দ্রবাবু তা কঠোরহস্তে দমন করে স্থানীয় মুশ্লিমদের রক্ষা করেছিলাম।]

    এর মধ্যে মুল্লুকী আইনে অন্য প্রদেশে বাঙালীদের চাকুরি বন্ধ। গভর্নমেন্টে সাম্প্র দায়িক নিয়োগ হলেও, কলকাতার ইংরাজ-সওদাগরী অফিসগুলিতে বাঙালী মাত্রেই চাকুরি হ’ত। কেউ মারা গেলে ওরা গ্রামে লোক পাঠিয়ে তার পুত্র বা স্বজনকে ডেকে এনে চাকুরি দিতেন। কলকাতার ব্যবসায়ী-সম্প্রদায় বিদেশী কোম্পানীগুলি ক্রয় করায় এখানেও বাঙালীদের চাকুরি বন্ধ হ’ল। এদিকে মহিলারাও তরুণদের অবশিষ্ট চাকুরিতে ভাগ বসাতে শুরু করেছেন। বহিরাগত কর্মীরা নিজদেশের খাদ্যের চাপ কমিয়ে এই প্রদেশে খাদ্য ভাগ নেওয়ায় এবং মনি-অর্ডারে মুল্লুকে প্রতি সপ্তাহে অর্থ পাঠানোয় এখানে খাদ্য ও অর্থের যথেষ্ট অভাব হ’ল।

    ফলে এক বিরাট খাদ্য ও অর্থহীন বাঙালী বেকার চমু বিরোধী-রাজনীতিবিদের অফুরন্ত রিক্রুটিং গ্রাউণ্ড তৈরি করেছিল। তৎসহ ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ-কর্মও এরা বৃত্তিরূপে গ্রহণ করে। এদের মধ্যে মাত্র দুই বা চারজন বেপরোয়া তরুণই সমাজ-ব্যবস্থা বিপন্ন করে তোলে। এতে রাজনৈতিক দাঙ্গা-হাঙ্গামা এয়াসীদের যথেষ্ট সুবিধা হয়। কোনো বেকার যুবক কৃষিকাজ কিংবা ছোট শিল্প বা দোকান করলে তার ফসল বা দ্রব্যগুলি অন্য বেকার যুবকের। লুঠ করতো। এই ছোট্ট দেশে সমগ্র ভারতের লোকেদের চাকুরি ও ব্যবসাস্থল কোনোমতেই সংকুলান-সাধ্য নয়। অথচ স্থানীয় তরুণদের জন্য কোনও রক্ষাকবচের বা অগ্রাধিকারের ব্যবস্থা নেই।

    [বাঙালীর ব্যবসা সাম্প্রতিক ঘেরাও-নীতির ফলে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। কোনও এক মাড়োয়ারী শিল্পপতি আমাকে বলেছিল: ‘সাময়িক অসস্থবিধা সত্ত্বেও এতে আমাদের যথেষ্ট লাভ হয়েছে। বহু ছোট ছোট বাঙালী ব্যবসায়ী একত্রে আমাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় উদ্যোগী হচ্ছিল। আমরা অর্থের জোরে টিকে গিয়েছি, কিন্তু ঘেরাও ও কারবার বন্ধের ফলে এখন আমাদের আর কোনো প্রতিযোগী নেই।’

    এইরূপ এক অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে জল সিঞ্চনের ব্যবস্থা না করে আমরা ওদের দমনে ব্যাপৃত হলাম। আমরা কেউ বুঝলাম না যে অন্য কোনো কাজ না-থাকায় ওরা বিক্ষোভে ও মিছিলে যোগদান করতে বাধ্য হয়। আমি আমার কংগ্রেসী বন্ধুদের বলেছিলাম যে আপাতত পথ-ঘাট তৈরি বন্ধ রেখে ওই টাকায় ওদের জন্য ফ্যাক্‌টরি ও ব্যবসার ক্ষেত্র তৈরি করো, ওরা জল-কাদা ভেঙে অফিস-কাছারী না-করলে ক্ষতি নেই।

    এই-সব আন্দোলন মধ্যে-মধ্যে ভীষণ আকার ধারণ করতো। পলায়ন-বিশারদরা শাস্ত্রবাক্য অনুসরণ করে আত্মরক্ষা করলে, পুলিশের প্রতি-আক্রমণে নিরীহ পথচারী বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠতো। ফলে সরকার-বিরোধীদের সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে যায়। এজন্য আমি ঠিক-ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অধীনদের উৎসাহিত করি।

    ট্রাম ও বাস পোড়ানো দুষ্কর্ম বন্ধের জন্য ট্রাম ও বাসের মধ্যে সশস্ত্র ছদ্মবেশী পুলিশ থাকতো। কেউ দুষ্কর্ম করতে আসামাত্র ওঁরা ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন। দুষ্কৃতকারীদের মধ্য হতে গুপ্তচর সংগ্রহ করে ক্ষেত্রবিশেষে আমরা প্রকৃত-অপরাধীদের গ্রেপ্তার করেছি। ওদের গোপন সভায় ছদ্মবেশী পুলিশ পাঠিয়ে নাটের গুরু ও তার চেলাদের আমরা গ্রেপ্তার করতাম।

    একবার লক্ষ্য করলাম রাত্রিকালে সাংবাদিকদের গাড়ি দেখলে গলি থেকে বেরিয়ে ওরা গাড়ি থামায় ও নিজেদের বক্তব্য রাখে। সাংবাদিকরা সেইমতো পুলিশ-বিরোধী রিপোর্ট পত্রিকাতে বাহির করেন। আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে বিরোধের পক্ষপাতী না থাকায় অন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলাম। অন্ধকারে একটি সাদা জীপগাড়িতে ‘রিপোর্টার’ লিখে ওদের ঘাঁটিতে গেলে ওরা পূর্বের মতো ছুটে আসে এবং বোমা-সহ ওদের আমরা গ্রেপ্তার করি। পরদিন রাত্রে প্রকৃত-সাংবাদিকরা ওখানে গেলে ওরা তাদের পুলিশ মনে করে যথেচ্ছ পিটোয়। প্রভাতী পত্রিকার সাংবাদিকরা ওই গুণ্ডাদের দমন না করার জন্য উলটো অভিযোগ করেন।

    একবার বহুবাজার স্ট্রীটের দুপাশে দুটি বাড়ি দখল করে কিছু লোক বোমাবর্ষণে পথ-চলা অসম্ভব করে তোলে। আমরা বোমা বর্ষণের মধ্যেই ছুটে গিয়ে ওদের বার করে আনার সময় বোমার স্পিলিন্টার আমাদের শরীরে ঢুকে যায়। আমি রক্তাপ্লুত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হই এবং অজ্ঞান করে দুবার অস্ত্রোপচার করে। তা সত্ত্বেও কিছু স্পিলিন্টার শরীরের ভিতরে রয়ে যায়! আমার কানটি সেলাই করে আগের মতো করা হয়।

    স্বর্গত ডঃ বিধানচন্দ্র রায় আমাকে দেখতে এলেন রাজ্যপালকে সঙ্গে নিয়ে। তিনি আমাকে সাহস দিয়ে বলেছিলেন, ‘আরে, তোমাকে তো কেউ দুকান-কাটা বলবে না!’ জনৈক ডাক্তার বাকী স্পিলিন্টারগুলি যার করবার জন্য পুনর্বার অস্ত্রোপচারের কথা বললে তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, ‘পরের দেহে সবাই ছুরি চালাতে চায়। এর কোনও প্রয়োজনই নেই।’ তারপর তিনি সস্নেহে বলেন, ‘তুমি তো লৌহ-মানব হে। এতো বড়ো শরীরে একটু স্পিলিন্টার থাকলে ক্ষতি নেই। ছত্ৰপতি শিবাজী, রাণা প্রতাপ ও মহারাজ রণজিৎ সিংহের শরীরে এমন কতো গোলা-গুলির টুকরো ছিল। কই তাঁদের কাজে-কর্মে তো কোনো ক্ষতি হয়নি। ওহে, তুমি জলদি উঠে পড়ো, কাজ-কর্ম আরম্ভ করে দাও।’ আমাকে ভড়কে যেতে দেখে তিনি বুঝিয়ে বলেন, ‘বাড়িতে অবাঞ্ছিত কেউ ঢুকে পড়লে তোমরা কি করে।?—সবাই মিলে ঘিরে ধরো তো। সেই রকম মানুষের শরীরে অবাঞ্ছিত কিছু প্রবেশ করলে চতুর্দিকের সেল (Cell) -গুলি তাকে ঘিরে ধরে শক্ত হয়ে যায়। তারপর ক্রমে ক্রমে অবাঞ্ছিত বস্তু গ’লে রক্তের সঙ্গে মিশে শরীরের মধ্যেই লীন হয়।

    [কখনও খুনে-গুণ্ডা ধরতে গিয়ে, কোনোদিন দাঙ্গা থামাতে, কখনও-বা রাজনৈতিক হাঙ্গামা থামাতে গিয়ে আমি বহুবার আহত হয়েছি। আমার অভিজ্ঞতা এই-যে সামান্য আঘাতে ব্যথা পেলেও, বড়ো আঘাতে শক-এর দরুন ব্যথা কম হয়। আমার আঘাত প্রাপ্ত ঘটনাগুলি আর উল্লেখ করলাম না।]

    আমি ক্রিমিন্যাল সাইকোলজি বিষয়ে গবেষণা করে বহুদূর এগিয়েছিলাম। এ বিষয়ে দুটি পুরনো থিওরী বাতিল করে নতুন থিওরী রচনা করি। সেগুলি একাধিক বিজ্ঞানী স্বীকার করেছেন। এ সম্পর্কে পিওর-লাইন ক্রিমিন্যাল হেরিডিটি গবেষণার জন্য আমি ছুটি নিয়ে আন্দামানে কিছুদিন ছিলাম। সেখানে পিতা-মাতা উভয়-পক্ষই অপরাধী এমন কেস পাওয়ায় ওই বিষয়ে গবেষণার কাজে সুবিধা হয়। আমি ফিরে এসে আন্দামানে বাস্তুহারাদের পুনর্বাসনের সুবিধার কথা রায়বাহাদুর সত্যেন্দ্রনাথ মুখার্জিকে বলি। তিনি নিজে তারপর আন্দামান ঘুরে এসে ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়কে বুঝিয়ে বলেন। কিছুদিন পরে কাগজে দেখলাম যে আন্দামানে বাস্তুহারাদের পাঠানোর ব্যবস্থা হয়েছে। গবেষণার জন্য দ্বিতীয়বার ওখানে গিয়ে বাস্তুহারাদের বসবাসে উৎসাহিত করে এসেছিলাম। আমি ও সত্যেন্দ্রবাবু ওদের বসবাসের ব্যাপারে কিছু অসুবিধার কথা ডঃ রায়কে জানালে তিনি তার বিহিত করেছিলেন।

    এ সময়ে শিল্পক্ষেত্রেও অশান্তির সৃষ্টি করা হয়। বিখ্যাত জোসেফ কোম্পানি এবং অন্য এক কোম্পানির ইংরাজ ও দেশীয় ম্যানেজারদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। আমি মধ্য-কলকাতার এক কারখানায় খণ্ডযুদ্ধ করে আহত হলেও, অসহায় ম্যানেজারকে ফারনেস-এ ঢোকাবার পূর্বে উদ্ধার করতে সক্ষম হই। প্রতিটি ধর্মঘট ভাঙার পর আমি সেই-সব কারখানায় স্থানীয় বেকারদের চাকুরির ব্যবস্থা করেছিলাম। কিন্তু ওদের কেউ-কেউ অনুগত না-থেকে চাকুরিক্ষেত্রে উৎপাত শুরু করে দেয়।

    কলকাতা কর্পোরেশনের সামগ্রিক ধর্মঘটের কালে আমি মধ্য-কলকাতায় পুলিশ ও জনগণকে সমবেত করে থানা-ভিত্তিক বিকেন্দ্রিক পৌর-কর্মের ব্যবস্থা করি। কর্পোরেশনের কিছু ময়লা-ফেলা লরী প্রতি-থানায় রেখে ময়লা সাফ করাই। উপরন্তু, ওদের কাছ থেকে চাবি সংগ্রহ করে প্রতি রাত্রে বিভিন্ন পথের বাতি জ্বালাতে সক্ষম হই।

    কিছু ঊর্ধ্বর্তন-কর্মীর সৎ-ব্যবহার বারে বারে আমার মনে পড়ে। হঠাৎ একদিন আমার ৩১ নং জীপগাড়িটির বদলে অন্য একটি গাড়ি আমাকে দেওয়া হ’ল। ৩১ নং জীপগাড়িটি বোমার আঘাতে বিক্ষত শরীর হলেও আমি বহুবার এতে চড়ে নিরাপদে দূরে চলে এসেছি। এই সেন্টিমেন্টের কথা বলে হেড কোয়ার্টারস-এ ডেপুটি রঞ্জিৎ গুপ্তের নিকট আর্জি পেশ করে ওটা ফেরত চাইলাম। উনি আর্জি প্রত্যাখ্যান করে বললেন যে মানুষের মতো কোনো বস্তুও অপরিহার্য নয়। কিন্তু রাত্রি দশটার সময় তিনিই আবার ফোন করে বললেন যে আমি ওটা ফেরত পেতে পারি।

    সাউথের ডেপুটি কমিশনার চন্দ্রশেখর বর্মন হল্লা-ডিউটির শেষে সারাক্ষণ বৃষ্টিতে ভিজে প্রতিটি সিপাহীকে ট্রাকে তুলে দিয়ে তবে নিজের গাড়িতে উঠে বাড়ি ফিরেছিলেন, মনে পড়ে।

    পুলিশ-কমিশনার উপানন্দ মুখার্জি তাঁর ডেপুটি কমিশনারদের কাছে একবার বলেছিলেন, ‘অধীনস্থ কর্মীদের প্রতি বিরূপতা দেখানো তোমাদের পক্ষে সামান্য ব্যাপার হলেও ওদের পক্ষে যথেষ্ট উৎকণ্ঠা ও ক্ষতির কারণ হয়। ওদের প্রতি অকারণে রূঢ় হলে সমগ্র বাহিনী বানচাল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা।’

    পুলিশ কমিশনার হরিসাধন চৌধুরী তাঁর ডেপুটিদের প্রায়ই বলতেন যে অধীনস্থ কর্মীদের পারিবারিক অসুবিধা ও অসুখ-বিসুখের ক্ষেত্রে ওদের সাহায্য করবে। রায়বাহাদুর সত্যেন্দ্রনাথ মুখার্জির মতে সাধারণ সিপাহীদের কাছেও পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

    ডেপুটি-কমিশনার খোন্দকার হোসেন রেজা অতিথিদের খাওয়ানোর পর নিজে মুশ্লিম সিপাহীদের সঙ্গে একত্রে ভোজনে বসতেন।

    কমিশনার সুরেন্দ্রনাথ চ্যাটার্জি তাঁর ডেপুটিদের বলেছিলেন, ‘আমার কাছে তোমরা যে রকম ব্যবহার প্রত্যাশা করো, তোমাদের অধীনস্থ কর্মীদের প্রতি সেই রকম ব্যবহার করবে।’

    আমি থানা-বিভাগ থেকে বদলি হয়ে তারপর এনফোর্সমেন্ট তথা আরোপক বিভাগে এলাম। ব্রিটিশ শাসনে দ্বিতীয় যুদ্ধকালে এই বিভাগ সৃষ্টি হয়। তখন সিভিল সাপ্লাই থেকে আসা নতুন রিক্রুট দ্বারা ভর্তি অফিসারদের প্রশিক্ষণের ভার আমি নিই। এতদিন পরে উচ্চপদী হয়ে এই বিভাগে যোগ দিলাম।

    এইখানে আমি ভেজাল নিবারণে ও মুনাফা রোধে কিছু ব্যবসায়ীর কাছে বিভীষিকাস্বরূপ হয়েছিলাম। কিছু ব্যবসায়ী নির্লজ্জের মতো সরকারকে ভেজাল দেওয়ার পরিমাপ বেঁধে দিতে অনুরোধ করে এবং আমাকে লক্ষ লক্ষ মুদ্রার বৃথা প্রলোভন দেখায়। আমি বহুদ্রব্যের কৃত্রিম ঘাটতি প্রমাণ করার ফলে কয়েকবার কন্ট্রোল বাতিল করা হয়। আমরা নিজেরাই অফিসে ভেজাল নিরূপণের যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করি। বহুস্থানে প্রদর্শনী খুলে জনগণকে ভেজাল ঔষধ ও পণ্যদ্রব্য চিনতে সাহায্য করি। এই সময় আমাদের সাহায্যে শহরে জনসংযোগেরও ব্যবস্থা করা হয়। শহরের মেসেজ হোম ও নাইট ক্লাবগুলি বন্ধেরও আমরা পথপ্রদর্শক হয়েছিলাম। (টালিগঞ্জ মেডিকেল ইউনিটেরও আমি তখন সেক্রেটারি।) ভারত-সরকারের অধীন কলকাতার ডিটেকটিভ ট্রেনিং কলেজে আমার সংগৃহীত দুইশত প্রদর্শনী-দ্রব্য সহ ক্রাইম-মিউজিয়মটি স্থাপন করা হয়। আমারই পরিকল্পিত স্ট্যাণ্ড তৈরি করে সাজানোর কায়দায় সেটি বেশ শিক্ষাপ্রদ হয়েছিল। ক্রিমিন্যাল সাইকোলজি, অ্যাপ্লায়েড ক্রিমিনোলজি, ফরেনসিক সায়ান্স, কমার্শিয়াল ক্রাইম এবং নিষিদ্ধ পণ্য, ভেজাল ও আবগারী বিভাগসমূহে এগুলি বিভক্ত করা হয়। প্রাচ্য, পাশ্চাত্য এবং ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের অপরাধীদের ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি সমূহের একটি কমপারেটিভ স্টাডির ব্যবস্থা আমি ওখানে করেছিলাম। তাছাড়া, ব্যারাকপুর ট্রেনিং কলেজ এবং মাউন্ট আবু কেন্দ্রিয় পুলিশ-ট্রেনিং কলেজের মিউজিয়মে বহু মডেল, চার্ট ও যন্ত্রপাতি আধার-সহ আমি দান করি।

    উপরোক্ত তিনটি সংস্থাতেই বহুবার মধ্যে মধ্যে অধ্যাপনার কাজ ও আমাকে করতে হয়। পাবলিক সার্ভিস কমিশনও কয়েকবার আমাকে পেপার-সেটার ও পরীক্ষকরূপে নিয়োগ করে। এই সময় সরকারের অনুমতি নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগে কয়েকটি পর্যায়ে বক্তৃতা দিই। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আমার অধীনে কিছুকাল গবেষণাও করে। শিবপুর কলেজ থেকে এনভারমেন্টাল ইঞ্জিনীয়ারিং গবেষণার জন্যও আমার কাছে ছাত্র পাঠানো হয়। বহুস্থানে গভর্নমেন্টের পক্ষ থেকে পাবলিক প্রদর্শনী করা হলে আমার সংগৃহীত দ্রব্য ও মডেলাদি সংবাদপত্র ও জনগণ কর্তৃক বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।

    সেন্টাল ক্যালকাটা রাইফেল ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের মধ্যে আমি ও সত্যেন্দ্র মুখ্যার্জি অন্যতম ছিলাম।

    আমি কলিকাতা-পুলিশের স্পেশাল-ব্রাঞ্চের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (আই.পি.এস.) হয়ে এলাম। তার পরদিনই খবর পেলাম যে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে ক্রিমিন্যাল সাইকোলজিতে ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করেছেন। আমি দীর্ঘকাল নীরবে গবেষণা করে গোপনে থিসিস সাবমিট করেছিলাম।

    কিছুকাল পরে এনফোর্সমেন্ট ও অ্যান্টিরাউডির ডেপুটি কমিশনার পদে আমি বহাল হলাম। ততদিনে শহরের উঠতি-গুণ্ডা ও মস্তানদের উপদ্রব বন্ধ করে দিয়েছি। পরে ই. বি. (হোম) অ্যান্টিকরাপশনের স্পেশাল অফিসার হয়েছিলাম। উল্লেখ্য এই-যে গভর্নমেন্ট আমাকে প্রথম কলিকাতা সহ চব্বিশ পরগণা, হাওড়াও হুগলী জেলাতেও জুরিসডিকশন প্রদান করেন। বহু উচ্চপদী ও নিম্নপদী কর্মীর উৎকোচ-গ্রহণ বন্ধ করেও যোগ্যতা দেখিয়েছিলাম। কিছুকাল পরে অলক্ষ্যে আমি অবসর গ্রহণ করে জনগণের সঙ্গে মিশে গেলাম। কেউ জানতেও পারলো না যে কলিকাতা-পুলিশে আমি আর নেই।

    কিন্তু যাকে বলে অলস জীবন-যাপন তা আমার দ্বারা সম্ভরপর হয় নি। অবসর-গ্রহণের পরেও অনেক বড়ো-বড়ো মিল, ফ্যাক্‌টরি ও কোম্পানিতে জেনারেল-ম্যানেজার বা অনুরূপ গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল থেকে সুনাম অর্জন করেছি। প্রকৃতপক্ষে আমি ইউনিফর্মড ডিউটির পক্ষপাতী।

    কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, টাটা স্টাফ ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট, ইণ্ডিয়ান ল’ ইনষ্টিটিউট, কলিকাতা ডেফ এণ্ড ডাফ স্কুলের সর্বভারতীয় ট্রেনিং সেন্টার, মাউন্ট আবুর কেন্দ্রীয় পুলিশ ও ব্যারাকপুর ট্রেনিং কলেজে আমি ভিজিটিং লেকচারার-এর কাজ করেছি। অল ইণ্ডিয়া ইনডাসট্রিয়াল সাইকোলজিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হই। গভর্নমেন্ট আমাকে স্থানীয় ‘জাস্টিস অফ পীস’ও করেছিলেন। হাওড়া হনুমান হাসপাতালের এক্‌সিকিউটিভ মেম্বাররূপে ওখানে মনোরোগের একটি কেন্দ্র স্থাপন করেছিলাম।

    সাহিত্য ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও আমার কিছু অবদান আছে। আট খণ্ড অপরাধ-বিজ্ঞান, এক-এক খণ্ড হিন্দু প্রাণীবিজ্ঞান ও শ্রমিক-বিজ্ঞান, কিশোর-অপরাধী, পুলিশ-কাহিনী (প্রথম খণ্ড) এবং চল্লিশটি উপন্যাস ও রম্যরচনা ইত্যাদি যথেষ্ট প্রশংসা অর্জন করেছে।

    বর্তমানে একটি জেনারেল কলেজ ও এগ্রিকালচারাল স্কুল এবং বেকারদের জন্য কিছু শিল্প-কেন্দ্র স্থাপনের চেষ্টা করছি। এজন্য আরও কয় বৎসর জীবিত থাকা আমার প্রয়োজন।

    [আমি পূর্বে সরকারের নিকট হতে পারমিট গ্রহন করে একটি টেপ-লুম্ কারাখানা স্থাপন করে পঞ্চাশ জন বেকারের অন্নসংস্থান করেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে সাম্প্রতিক মার-দাঙ্গাকালে বিবিধ উৎপীড়নে সেটি বন্ধ হয়ে যায়।

    তবু মধ্যবিত্ত শিক্ষিত-সম্প্রদায় দ্বারা কৃষি-ব্যবস্থাটি এখনও চালু রয়ে গেছে। এখানে উচ্চবর্ণের তরুণেরাও কৃষিকাজ ও পশুপালন করে থাকে।]

    প্রত্যেক মানুষ বেশি উঁচুতে উঠলে সমাজের ক্ষতিসাধন হয়। তাতে মূল সমাজ-বন্ধন হতে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আমার জীবনের লক্ষ্যস্থল ছিল খুব উঁচুও নয় খুব নিচুও নয়। তাই জীবনের সীমিত ক্ষেত্রে আমি সফল হয়েছি বলে মনে করি।

    (সমাপ্ত)

    ⤶
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    Next Article পুলিশ কাহিনী ১ – পঞ্চানন ঘোষাল (প্রথম খণ্ড)

    Related Articles

    পঞ্চানন ঘোষাল

    পুলিশ কাহিনী ১ – পঞ্চানন ঘোষাল (প্রথম খণ্ড)

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }