Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পূর্বপার্বতী – প্রফুল্ল রায়

    প্রফুল্ল রায় এক পাতা গল্প551 Mins Read0
    ⤶

    ৫০. শিলং পাহাড়ে আসার পর

    ৫০.

    চুপচাপ শুয়ে ছিল সেঙাই। ঘুম আসছে না।

    শিলং পাহাড়ে আসার পর দুটো দিন পার হয়ে গেল। এই দু দিনে আদিম বুনো মনের বয়স যেন হঠাৎ অনেক বেড়ে গিয়েছে। কাল সমস্ত দিন চেঁচামেচি করেছে সেঙাই, কেঁদেছে, নিরুপায় আক্রোশে অশ্রাব্য গালাগালি করেছে, নিজের চুল মঠো মুঠো ছিঁড়ে ফেলেছে। খিমচে কামড়ে বসন্তকে ক্ষত বিক্ষত করেছে। কিন্তু আজ একেবারে চুপচাপ, নিঝুম পড়ে রয়েছে।

    সেঙাই ভাবছে। তার ভাবনাটা সোজা সহজ খাতে বইছে না। চিন্তাগুলোও শৃঙ্খলাবদ্ধ নয়। তার ভাবনাগুলোকে গোছগাছ করে নিলে মোটামুটি এরকম দাঁড়ায়।

    কোথায়, কত দূরে, ছয় আকাশ ছয় পাহাড়ের ওপারে তাদের ছোট গ্রাম কেলুরি পড়ে রইল। তাদের জোহেরি কেসুঙ, আঁকাবাঁকা টিজু নদী, পাহাড়-জলপ্রপাত-মালভূমি, চড়াই এবং উতরাই, সেই অরণ্য-আদিম জীবজগৎ–সেখানে কি আর কোনোদিনই ফেরা যাবে? শত্রুপক্ষের জোয়ানী মেহেলীকে কি বিয়ে করা সম্ভব হবে? নানকোয়া গ্রামের বাঘমানুষ মেজিচিজুঙের সঙ্গে হয়তো এই সাঙসু ঋতুর রাত্রিতে মেহেলীর বিয়ে হচ্ছে। হয়তো সালুয়ালাঙ এবং নানকোয়া বস্তির শয়তানগুলো বিয়ের উৎসবে বাঁশের চোঙা ভরে আকণ্ঠ রোহি মধু গিলে, সাদা শুয়োরের মাংস চিবুতে চিবুতে হস্লা করছে। নাচ-গান-বাজনা এবং উল্লাসে সালুয়ালাঙ গ্রামটা মেতে উঠছে। অসহ্য, অসহ্য। বুকের মধ্যে রাগ এবং যন্ত্রণা মোচড় দিতে থাকে।

    মেহেলীর কথা ভাবতে ভাবতে চিন্তাটা হঠাৎ অন্য দিকে ঘুরে গেল। সেঙাই ভাবতে লাগল, তাদের গ্রামটাকে ভেঙেচুরে তছনছ করে দিয়েছে সাহেবরা। ঘরে ঘরে আগুন লাগিয়েছে। জোয়ানদের বন্দুক দিয়ে খতম করেছে। গর্ভিণী জামাতসুকে পেটে লাথি মেরে সাবাড় করেছে। বুড়ি বেঙসানুকে বুকে গুলি মেরে শেষ করেছে। কেলুরি গ্রামের আর তাদের কত বড় বনেদি বংশের ইজ্জত নষ্ট করেছে। নানকোয়া আর সালুয়ালাঙ বস্তির জোয়ানরা মেহেলীকে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছে। ভাবতে ভাবতে ফুঁসতে লাগল সেঙাই, চোখের তারাদুটো জ্বলতে লাগল। না না, কাউকে সে রেহাই দেবে না।

    ছোট্ট সেল। একপাশে টিমটিমে তেলের লণ্ঠন।

    ওধারে গরাদের পাশে বসে ছিলেন বসন্ত। নিজের ভাবনা এবং জীবনধারায় পরিবর্তন ইত্যাদি নানা বিষয়ে চিন্তা করছিলেন। তার দৃষ্টি হঠাৎ সেঙাই-এর ওপর এসে পড়ল। অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। সেঙাই আসার পর থেকেই একটা নতুন ভাবনা অস্পষ্টভাবে মনের মধ্যে উঁকি মারছিল। এই মুহূর্তে, হঠাৎ সেটা অত্যন্ত স্পষ্ট হল, রাশি রাশি আলোক কণিকার মতো মনের ওপর ছড়িয়ে পড়ল।

    বসন্ত ভাবলেন, আসমুদ্রহিমাচল এই বিশাল, বিস্তীর্ণ ভারতবর্ষ। কোটি কোটি মানুষের এই দেশের আত্মা স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষায় জ্বলছে। সমতলের শহর বন্দরের সুসভ্য মানুষই কেবল নয়, অরণ্যচারী এবং পাহাড়ী আদিবাসীরাও নতুন স্বপ্নে উন্মুখ হয়ে উঠেছে। এদের শিক্ষাদীক্ষা নেই, সুশৃঙ্খল নেতৃত্ব নেই, শুধুমাত্র অফুরন্ত প্রাণাবেগ এবং উন্মাদনা সম্বল করে স্বাধীনতার লড়াইতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

    বসন্ত ভাবতে লাগলেন, সেঙাইকে শিক্ষাদীক্ষা এবং দেশকাল সম্পর্ক প্রয়োজনীয় ধারণা দেওয়া একান্ত উচিত। অফুরন্ত প্রাণপ্রাচুর্যের সঙ্গে শিক্ষা-দীক্ষা-জ্ঞানের মিলন ঘটলে এই সব আদিম মানুষ দেশকে নতুন শক্তি দেবে।

    বসন্ত স্থির সিদ্ধান্তে এসে পৌঁছুলেন, সেঙাই নামে ভারত সীমান্তের এক খণ্ড পাথরে তিনি অপরূপ ভাস্কর্য রচনা করবেন।

    স্তব্ধ, নির্নিমেষ চোখে তাকিয়ে রয়েছেন বসন্ত। লণ্ঠনের টিমটিমে আলোতে তাকে একটা ধাতুমূর্তির মতো দেখাচ্ছে।

    .

    ৫১.

    ভোর রাত্রির দিকে সেলের তালা খোলার শব্দ শোনা গেল। বসন্তের তন্ত্ৰামত এসেছিল। কম্বলের মধ্যে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে ছিল সেঙাই। ঘুম আসেনি।

    হঠাৎ সেলের দরজাটা খুলে গেল। নিমেষের মধ্যে একটা ভারী দেহ ছিটকে এসে পড়ল সেঙাই-এর ওপর। বাইরে থেকে সিপাইরা ঠেলে ঢুকিয়ে দিয়েছে। তারপরেই আবার দরজা বন্ধ হয়ে গেল।

    সেঙাই চিৎকার করে উঠল, ইজা হুতা! আমার ঘাড়ে এসে পড়েছিস শয়তানের বাচ্চা! একেবারে জানে লোপাট করে দেব। বর্শা দিয়ে ফুড়ে ফেলব।

    মানুষটা জবাব দিল না, চুপচাপ পড়ে রইল।

    ডান হাতের জখমী কবজিটা যন্ত্রণায় টাটিয়ে উঠেছে। কাতরাতে কাতরাতে একপাশে সরে বাঁ হাত দিয়ে লোকটার গলা খিমচে ধরল সেঙাই। সঙ্গে সঙ্গে আর্তনাদ শোনা গেল, আঃ-আঃ-আঃ–

    সেঙাই-এর চেঁচামেচিতে ধড়মড় করে উঠে বসেছিলেন বসন্ত। হামাগুড়ি দিয়ে লণ্ঠন হাতে সামনে এগিয়ে এলেন।

    লোকটার মুখে আলো পড়তেই সেঙাই চমকে উঠে। শেষ রাতের সঙ্কীর্ণ, নিস্তব্ধ সেলটাকে শিউরে দিয়ে সে চিৎকার করে উঠল, তুই, তুই মাধোলাল! এই মাধোলাল, তোর কী হয়েছে? শয়তানের বাচ্চা, কথা বলছিস না কেন?

    সেঙাই-এর স্ফুটনোম্মুখ মনে কতকগুলো ছায়া নড়াচাড়া করতে লাগল। কোহিমা শহর থেকে ডিমাপুরগামী সেই আঁকাবাঁকা সড়ক, তার পাশে সমতলের বেনিয়াদের বাজার, তেল লবণ-চাল, মোষের শিঙ, বাঘ-হরিণের ছাল, নানা রঙের নানা আকারের মনিহারী জিনিসের ছড়াছড়ি। তার মধ্যে বাঁশের মাচানে বসে থাকত মাখোলাল। রানী গাইডিলিওর গল্প বলত, সমতল দেশের গল্প, গান্ধিজি নামে একটি মানুষের আজব কহিনি বলে সবার তাক লাগিয়ে দিত।

    সেই মাধোলাল! তাজ্জবের ব্যাপার। শিলং শহরের জেলখানায় তার সঙ্গে দেখা হবে, এ কথা কি জানত সেঙাই? না, কস্মিনকালে ভেবেছিল?

    সেঙাই আবার ডাকল, এই মাধোলাল, শোন না, আমার দিকে তাকা।

    নির্জীব গলায় মাধোলাল আর্তনাদ করল, আঃ-আঃ-আঃ–

    হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে উঠল সেঙাই, তুই তো এখানে আঃ-আঃ–করছিস! কোহিমায় তোর দোকানটা যে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে রামখোর বাচ্চারা! শুনলি রে শয়তান, তোর দোকানে কিছু নেই, সব লোপাট করে দিয়েছে।

    চোখের পাতা দুটো অতি কষ্টে মেলল মাধোলাল। রক্তাভ, ঘোর ঘোর চোখ। জড়ানো বিকৃত গলায় বলল, কে? কখন এলি? আয় বাপ বুধোলাল–

    দাঁতমুখ খিঁচিয়ে সেঙাই গর্জে উঠল, আহে ভু টেলো! আমাকে চিনতে পারছিস না রে ধাড়ি টেফঙ! আমি তো সেঙাই। সারুয়ামারুর সঙ্গে তাদের দোকানে গিয়েছিলাম। তুই বানী গাইডিলিওর গল্প বলেছিলি। আসান্যুদের সদ্দার গান্ধিজির গল্প বলেছিলি। মনে পড়ছে না তোর! ইজ হুকুঙ তা।

    চোখের পাতা দুটো ভারী হয়ে বুজে আসছে। কোনোক্রমে অর্ধেক চোখ মেলে তাকাল মাধোলাল। অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল। তারপর অস্পষ্ট গলায় নাগা ভাষায় বলতে লাগল, বড় দরদ হচ্ছে। সায়েবরা মাজায় বন্দুকের গুলি করেছিল। দাওয়াই দেয়নি। আঃ-আঃ-আঃ–

    শেষ পর্যন্ত আর কথাগুলো শোনা গেল না। একটানা গোঙানি শুরু হল।

    এতকাল নাগা পাহাড়ে কাটিয়েছে। আজমিড় কি মাড়োয়ারের সেই দেহাতি গ্রাম এবং মাতৃ ভাষাটা প্রায় ভুলেই গিয়েছে মাধোলাল, নাগা ভাষাতেই সে কথা বলে।

    সেঙাই চেঁচিয়ে উঠল, সায়েরা তোকে ছুঁড়েছে, রামখোর বাচ্চারা আমাদেরও খুঁড়েছে। ওদের সব কটাকে খতম করব। বলতে বলতে মাধোলালকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে কাঁদতে লাগল। একটু পর মাধোলালকে ছেড়ে বসন্তর দিকে তাকাল সেঙাই। বলল, হুই যে। তোকে মাথোলালের কথা বলেছিলাম, এই সেই মাধোলাল। সায়েব শয়তানরা ওকে ছুঁড়েছে।

    বুঝেছি। লণ্ঠনটা নিয়ে মাথোলালের ওপর ঝুঁকে পড়লেন বসন্ত। তলপেট, কোমর, এমন। কি উরু পর্যন্ত অস্বাভাবিক ফুলে রয়েছে। কোমরের কাছে একটা ক্ষতমুখ। লালচে থকথকে রস গড়িয়ে আসছে। পাটকিলে রঙের পচা মাংস থেকে দুর্গন্ধ বেরুচ্ছে। দেখতে দেখতে শিউরে উঠলেন বসন্ত। আতঙ্কে চোখ দুটো বিস্ফারিত হল তাঁর। গ্যাংগ্রিন। কী বীভৎস! কী ভয়ানক!

    সেঙাইও দেখছিল। মাধোলালের কোমরে ক্ষত দেখতে দেখতে অনেক দিন আগে সালুয়ালা গ্রামের খোনকের কথা মনে পড়ল। সেদিন খোনকের বুকে বিরাট ক্ষত দেখে হিংস্র উল্লাসে মনটা ভরে গিয়েছিল, কিন্তু এই মুহূর্তে মাধোলালের দগদগে ঘা দেখতে দেখতে কী এক দুর্বোধ্য এবং অসহ্য বেদনায় শিরাস্নায়ুগুলো পাকিয়ে পাকিয়ে ছিঁড়ে পড়তে লাগল। হৃৎপিণ্ডটাকে দলে-মুচড়ে তীব্র, অদম্য কান্নার বেগ গলার ভেতর থেকে ছুটে আসতে চাইল।

    বিড়বিড় করে মাথোলাল বলল, সায়েবরা আমার দোকানটা ভেঙে দিল। আমি তো কোনো দোষ করিনি। খালি রানী গাইডিলিও আর গান্ধিজির গল্প বলেছি পাহাড়ীদের কাছে। বুঝলি বুধোলাল, বাপ আমার, খবদ্দার হুই পাহাড়ে যাবি না। নাগা পাহাড়ে পাপ ঢুকেছে। সীয়ারাম, সীয়ারাম। আঃ-আঃ-আঃ–

    গোঙাতে গোঙাতে থেমে গেল মাখোলাল। ঠোঁট দুটো একটু একটু নড়ল, মুখটা হাঁ হয়ে রইল। কোটরের মধ্যে চোখ বুজে রয়েছে। একসময় সমস্ত শরীর নিস্পন্দ হয়ে গেল তার।

    বাঁ হাত দিয়ে মাধোলালের কাঁধে কঁকানি দিল সেঙাই। বলল, শোন মাখোলাল, তোর কথামতো আমি কাজ করেছি। সায়েবদের সঙ্গে আমাদের বস্তির লড়াই হয়েছে। রানীর খোঁজে শয়তানরা গিয়েছিল আমাদের বস্তিতে। আমি তাদের মারিনি। তুই বারণ করেছিলি। ওরাই আমাদের বন্দুক দিয়ে খুঁড়েছে, ঘরে ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। অনেক সয়ে সয়ে কোহিমার বড় ফাদারকে বর্শা হাঁকড়ে ছিলাম। কী করব বল, ঠাকুমাকে আর জামাতসুকে সাবাড় করলে ওরা। মেজাজটা বিগড়ে গেল কি-না।

    মাধোলাল জবাব দিল না, তেমনি নিথর পড়ে রইল।

    বসন্ত বললেন, মাধোলাল বুঝি কোহিমাতে অনেকদিন ছিল?

    হু-হু, অনেক দিন। আমি মাস কয়েক আগে ওকে দেখেছি। আমাদের বস্তির সারুয়ামারু, বুড়ো নড্রিলো, আমার বাপ সিজিটো–সবাই ওর দোকান থেকে নিমক নিত। মজাদার গল্প বলত মাথোলাল। কথা শেষ হলেই বলত, সীয়ারাম সীয়ারাম। তাই না রে মাথোলাল? বলতে বলতে মাধোলালের গায়ে হাত পড়তেই সেঙাই চমকে উঠল। দেহটা ভীষণ ঠাণ্ডা, হিমাক্ত। সেবার সালুয়ালা গ্রামের খাদে পড়ে গিয়েছিল সেঙাই। মেহেলী না বাঁচালে খাদের মধ্যে মরে থাকতে হত। সেই সাতকি রাত্রিতে হিমাক্ত দেহে মৃত্যুর লক্ষণ বুঝতে পেরেছিল সেঙাই। মরে গেলে কিংবা মরতে বসলে মানুষের দেহ বরফের মতো ঠাণ্ডা হয়ে যায়।

    অপরিসীম আতঙ্কে সেঙাই চিৎকার করে উঠল, দ্যাখ দ্যাখ, মাধোলালটা কেমন ঠাণ্ডা মেরে গেছে।

    ঠাণ্ডা মেরে গেছে। গলাটা কেঁপে গেল বসন্তর। একবার মাথোলালের গায়ে হাত দিলেন। তারপর তড়িৎগতিতে হাতখানা তার নাকের সামনে আনলেন। অনেকক্ষণ পর সন্দেহ ঘুচল। নাঃ, নিশ্বাস পড়ছে না।

    মাথাটা নিচের দিকে ঝুলিয়ে ভগ্ন, দুর্বল গলায় বসন্ত বললেন, মাধোলাল নেই।

    নেই! এই তো রয়েছে মাধোলাল! আহে ভু টেলো! কদর্য মুখভঙ্গি করল সেঙাই।

    মাধোলাল মরে গেছে।

    মরে গেছে!

    নির্নিমেষ, বিমূঢ় দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ মাথোলালের দেহটার দিকে তাকিয়ে রইল সেঙাই। তারপর হঠাৎ একটা প্রবল কান্নার তোড় বুকটাকে চুরমার করে গলা ফাটিয়ে হু-হু–করে বেরিয়ে এল। মাধোলালের বুকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল সেঙাই। ফুলে ফুলে, কেঁপে কেঁপে কাঁদতে লাগল। তার চোখ থেকে নোনা জল ঝরে ঝরে মাথোলালের মুখে মাখামাখি হতে লাগল।

    সেঙাই-এর মাথার ওপর হাত রাখলেন বসন্ত।

    কোহিমা পাহাড়ে উদ্দেশ্যহীনভাবে, এমনকি নিজের অজান্তে সেঙাইকে এক নতুন জীবনের কথা শোনাবার ভার নিয়েছিল মাধোলাল। সেই মাধোলাল আজ মারা গেল। সেঙাই এর জীবনে তার ভূমিকা শেষ হল।

    শিলং পাহাড়ে সেঙাইকে আর এক ব্যাপক, বিপুল এবং মার্জিত জীবনের শিক্ষা দেবার দায়িত্ব সজ্ঞানে নিয়েছে বসন্ত। মাধোলালের কাছ থেকে বসন্তর কাছে এই দায়িত্ব হস্তান্তর সেঙাই-এর সম্পূর্ণ অজান্তেই ঘটল।

    হাউ হাউ শব্দ করে সেঙাই কাঁদছে। চুল ছিঁড়ছে। মাথোলালের দেহটাকে আঁচড়াচ্ছে, কামড়াচ্ছে।

    সেঙাই–সে বন্য এবং হিংস্র। হত্যা কিংবা মৃত্যু তার কাছে বিচলিত হবার মতো ঘটনাই নয়। জীবনের সবরকম ভীষণতায় সে অভ্যস্ত। তবু মাধোলালের মৃত্যুতে সে কাঁদছে। লালসা, প্রতিহিংসা, আক্রোশ, কাম, তীব্র রতিবোধ–আদিম মানুষের উগ্র প্রবণতাগুলো এই মুহূর্তে তার মন থেকে মুছে গিয়েছে। একটি সুকুমার বৃত্তি তার স্ফুটনোন্মুখ চৈতন্যকে ভরে রেখেছে। সেটি হল মমতা, এবং মমতার সঙ্গে অপরিসীম বেদনা। বাইরে গাঢ় কুয়াশা জমেছে। পাহাড়ী চক্ররেখা ঘিরে সেই কুয়াশা স্তরে স্তরে তুলোর মতো ঝুলছে।

    .

    সেঙাই-এর মনে বেদনা ও মমতার জন্ম হল।

    সেঙাই-এর আদিম জীবন শেষ হল।

    [প্রথম পর্ব সমাপ্ত]

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভূমিকা – প্রফুল্ল রায়
    Next Article দহনকালের শেষে – প্রফুল্ল রায়

    Related Articles

    প্রফুল্ল রায়

    আলোর ময়ুর – উপন্যাস – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    কেয়াপাতার নৌকো – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    শতধারায় বয়ে যায় – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    উত্তাল সময়ের ইতিকথা – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    গহনগোপন – প্রফুল্ল রায়

    September 20, 2025
    প্রফুল্ল রায়

    নিজেই নায়ক – প্রফুল্ল রায়ভ

    September 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }