Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পূর্ব্ববঙ্গ-গীতিকা (দ্বিতীয় খণ্ড, দ্বিতীয় সংখ্যা) – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত

    দীনেশচন্দ্র সেন এক পাতা গল্প423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শান্তি – জয়ধর বাণিয়া

    ৪। শান্তি

    ‘শান্তি’ পালাটি ১৯২৫ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে আমাদের অন্যতম সংগ্রাহক মুন্‌সী জসীমুদ্দীন কর্ত্তৃক ফরিদপুর জেলার পিয়ারপুর গ্রামের এছেম খাঁ নামক পঞ্চাশৎবর্ষীয় একজন নিরক্ষর মুসলমানের নিকট হইতে সংগৃহীত হয়। পালাটি একশত পঁচিশ ছত্রে সমাপ্ত। ভণিতায় জয়ধর বাণিয়া নামক এক ব্যক্তি পালা রচয়িতা বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছে। শ্রীহট্ট হইতে মহম্মদ আসর্‌ফ হোসেন এই পালাটি সামান্য পরিবর্ত্তিত একটি সংস্করণ প্রকাশিত করিয়াছেন; আসর্‌ফ হোসেন জয়ধর বাণিয়াকে শ্রীহট্টবাসী বলিয়াছেন। কিন্তু জয়ধর বাণিয়া এই পালার আদি-রচয়িতা না হইতেও পারেন। পালাটি বিভিন্ন নামে বহুস্থানে প্রচলিত ছিল, এই পুস্তকে প্রকাশিত ‘নীলার বারমাসী’ পালাটিও ইহা হইতে অভিন্ন বলিয়া মনে হয়। মুসলমান গায়ক-পরম্পরা কর্ত্তৃক সংরক্ষিত হইলেও পালাটি হিন্দুভাবাপন্ন ও মূলতঃ হিন্দু কবির রচিত বলিয়া অনুমান করিবার কারণ আছে। ইহাতে দাম্পত্য বন্ধনের অনাবিল পবিত্রতা সহজ সুন্দর কবিত্বের মধ্য দিয়া প্রতিপন্ন হইয়াছে,—নায়ক নায়িকা উভয়েই হিন্দু, এবং হিন্দুর দুর্গোৎসব প্রভৃতির উপর কবির সশ্রদ্ধ উল্লেখ দৃষ্ট হয়। পালাটির বৈশিষ্ট্য, ক্ষুদ্রায়তনের মধ্যে কবির ভাব প্রকাশের অদ্ভুত ক্ষমতা; সঙ্ক্ষিপ্ত কথোপকথনের আকারে কবি অতি কৌশলে বর্ণনার বিষয়ের সঙ্কেত করিয়া গিয়াছেন। অতি শৈশবেই শান্তির যখন বিবাহ হয়, তখন স্বামীকে চিনিয়া লইবার ক্ষমতা তাহার হয় নাই, অতি অস্পষ্ট একটি স্মৃতিমাত্র তাহার মনে রহিরা গিয়াছিল। বহুবৎসরের অদর্শনের পর স্বামী তাহাকে ছলনাদ্বারা পরীক্ষা করিতে আসিয়াছেন; শান্তি তখন যৌবন সীমায় পদার্পণ করিয়াছে। কিন্তু ছলনাকারী যে শান্তির স্বামী, কবি কোথায়ও একথা স্পষ্ট করিয়া বলেন নাই; বলিলে হয়ত পালার সৌন্দর্য্য হানি হইত, শান্তিরও চরিত্রমাহাত্ম্য এরূপ উজ্জ্বল হইয়া উঠিত না। ছলনাশীল যুবক ও রঙ্গপ্রিয় স্বাধ্বীর কথোপকথনের মধ্য দিয়া এক দিকে যেমন শান্তির অটল চরিত্র মহিমা ও দৃপ্ততেজ প্রতিফলিত হইয়া উঠিয়াছে, অপর দিকে তেমনই তাহার নারীজনোচিত কমনীয় চরিত্র-মাধুর্য্য এবং রহস্যপ্রিয়তা প্রকাশ পাইয়াছে। যে ব্যক্তি শান্তিকে প্রলুব্ধ করিতে আসিয়াছিল, শান্তি তাহাকে প্রত্যাখ্যান করিয়াও একটা হাস্যোজ্জ্বল কৌতুকপ্রিয়তা দ্বারা তাহার বিফলতার কষ্ট ততটা বুঝিতে দেয় নাই। অন্যান্য সাধ্বী রমণীরা বঙ্গসাহিত্যে কখনই প্রলোভনকারীদের সঙ্গে রঙ্গরসের অবতারণা করেন নাই। এই পরিহাস অনাবিল ও পবিত্র; ইহা নির্ম্মল ঝরণার জলের মত হৃদয়ের অতিমাত্র প্রফুল্লতার পরিচয় দিতেছে; অথচ তদ্দ্বারা চরিত্র-মাহাত্ম্য অনুমাত্রও ক্ষুণ্ন হয় নাই। এই কৌতুক করিতে করিতে যখন ছলনাকারীকে শান্তি স্বামী বলিয়া চিনিতে পারিল, তখন তাঁহার পরিহাস-রসিকতা প্রকৃতই সার্থক হইল। নতুবা স্বামীর সঙ্গে অতিরূঢ় আচরণ করিলে দাম্পত্যের মর্য্যাদা শেষপর্য্যন্ত রক্ষা হইত না; ইহাতে কবির শিল্প-নৈপুণ্য অতি উৎকৃষ্টভাবে প্রদর্শিত হইয়াছে। ছলনাকারীকে যখন শান্তি স্বামী বলিয়া চিনিতে পারিল; তাঁহার তখনকার বধূজনোচিত সলজ্জ মধুরভাব এবং প্রসাধন-তৎপরতার চিত্র বাস্তবিকই বড় সুন্দর হইয়াছে।

    পালাটি ‘বারমাসী’ জাতীয়। ষড়ঋতু বাঙ্গালা দেশের প্রকৃতির উপর যে বিচিত্র পরিবর্ত্তন আনয়ন করে, সেই বিচিত্র দৃশ্যাবলী রহস্য ও স্নিগ্ধ শ্লেষের দ্বারা মধুর হইয়া এই পালাটির মধ্যে আলোক-আঁধারের সৃষ্টি করিয়াছে।

    শান্তি

    “ধম্মীত রাজা কাট্‌ছেন হারে দীঘি সানের বান্ধা ঘাট।
    শান্তি নারী ভরবে জল কিসের চৌকিদার॥” ১২৩ পৃঃ

    “একেত কার্ত্তিক হারে মাসে শান্তি আমন ধানের ক্ষীর।[১]
    শান্তি নারীর যৈবন দেইখে আমার প্রাণ করে অস্থির॥”

    “থির কর[২] থির কর হারে প্রাণরে তুমি শান্ত কর মন।
    কাইল বিয়ালে[৩] ওই না ঘাটে তোরে দিব দরশন॥

    ওঝা না জ্ঞিয়ানী নহে হারে আমি[৪] হইলাম গুণো বাইন্যার ঝি।
    তোমার ধড়ের মদ্দি[৫] হইছে রোগরে ও তার আমি কর্‌ব কি?”

    “জল ভর জল ভর আলো শান্তি জল ভরলো তুমি।
    এঘাটে যে ভর জল ও তার চৌকিদার হৈলাম আমি॥”

    “ধর্ম্মীত রাজা কাট্‌ছেন হারে দিঘী, সানের বান্দা ঘাট।[৬]
    শান্তি নারী ভরবে জল তার কিসের চৌকিদার।”

    “এমাস ভারাইল্যারে[৭] শান্তি না পুরিল আশ।
    লব লং ছুরৎ[৮] ধইর‍্যা আইল আগণ মাস॥

    “এহি ত আঘ্রাণ হারে মাসে শান্তি দুতীয়ার চান[৯]।
    দেখা দিয়া রাখ শান্তি আজ বৈদেশীর প্রাণ॥”
    শাশুরীর শুয়াইগ্যা[১০] হারে শান্তি আমি সোয়ামীর পরাণ।
    ভিন্ন দেশের সাধু দেখি আমি বাপ ভাইর সমান॥
    “এও মাস ভাড়াইল্যারে শান্তি না পুরিল আশ।
    লবলং ছুরৎ ধইর‍্যা কেমন আইল পৌষ মাস॥”

    “এহি ত পূষ না হারে মাসে শান্তি পূষ অন্ধকারি।[১১]
    আজি রিশী[১২] প্রভাতের কালে তোমার বাসর করব চুরি।[১৩]

    ঘরেতে জ্বালিয়া রাখপ[১৪] আমি সস্রেক[১৫] বাতী।
    দরজায় বাঁধিয়া রাখপ তোমার হস্তী গজমতী।”

    “থাবায়ে[১৬] নিবাব আলো শান্তি তোমার এক সস্র বাতী।
    দরজায় পাছড়ায়ে[১৭] মার্‌ব তোমার হস্তী গজমতী॥”

    “পরণ বেশ পাটের হারে শাড়ী আমি কঙ্কণে জড়াব।[১৮]
    খড়গ হস্তে লয়্যা আমি আজ এও রিশী পোহাব।
    আজ রিশী প্রভাতের কালে যদি চোরের নাগাল পাই।
    কাটিয়া তাহার ছেররে[১৯] আমি দেবীকে বুঝাই॥”[২০]

    “য়্যাও[২১] মাস গ্যাল আরে শান্তি না পুরিল আশ।
    লবলং ছুরৎ লয়্যা আইল মাঘ মাস॥”

    এহি ত মাঘ না মাসে শান্তি কাপড় পর খাটো।
    আমি আছি পান সুপারী শান্তি আঁচল পাইত্যা রাখ॥[২২]

    “আইন্যা থাক পান সুপারী আমি উয়্যা[২৩] নাহি চাই।
    তোমার ঘরে আছে জ্যেষ্ঠ বহিন তুমি দেওগ্যা তেনার[২৪] ঠাঁই॥”

    “কি বোল বলিলা হারে শান্তি আমার অন্ত্রে দিলা কালি[২৫]।
    জ্যেষ্ঠ বহিন বইল্যা তুমি আমায় দিল্যা গালি।

    য়্যাও মাস ভারাইল্যা আলো শান্তি না পুরিল আশ।
    লবলং ছুরৎ ধইর‍্যা আইল ফাগুণ মাস॥”

    “এহি না ফাল্গুন হারে মাসে শান্তি দিঘ্যান[২৬] বড় রিশি।
    তোমার বাড়ী অথিত গেলি তারে, দিব্যার উচিত কি?”

    “খাট দিব পালঙ্ক দিব শিয়রে বালিস।
    এই কয়েক চিজ্‌ হৈলে হবে পরবাসীর[২৭] উচিত[২৮]॥
    চাইল দিব ডাইল দিব তুমি রুসাই[২৯] কইরে খাইও।
    লেপ দিব নেওয়ালী[৩০] দিব তুমি শুইয়ে নিদ্রা যাইও॥”

    “য়্যাও মাস ভাড়াইল্যা হারে শান্তি না পুরিল আশ।
    লববং ছুরৎ ধইরা আইল চৈত্র মাস॥”

    এহিত চৈত্র মাসে না শান্তি খরার বড় তা[৩১]।
    শান্তি নারীর যৈবন দেইখে আমার পোড়ে সর্ব্ব গা॥

    “মাও তোমার দোচারণী[৩২] বাপ তোমার হিযা[৩৩]।
    দরিয়াতে দাও ঝাপরে শরীর যাক্ ঠাণ্ডা হৈয়া॥”

    “য়্যাও মাস ভাড়াইল্যা হারে শান্তি না পুরিল আশ।
    লবলং ছুরৎ ধইরা আইল বৈশাখ মাস॥”

    এহিত বৈশাখ হারে মাসে শান্তি দুগ্ধে বান্ধে সর।[৩৪]
    খাও না বিলাওরে শান্তি তোমার যৈবন কাল॥”

    “খেতের তরমুজ নয়রে সাধু আমি কাটিয়া বিলাব।
    কোলের সন্তান নয়রে আমি এ স্তন পিলাব॥”[৩৫]

    “য়্যাও মাস ভারাইল্যা হারে শান্তি না পুরিল আশ।
    লবলং ছুরৎ ধইর‍্যা আইল জ্যৈষ্ঠ মাস॥

    এহিত জ্যৈষ্ঠ না মাসে শান্তি গাছে পাকে আম।
    ভারায় ভারায়[৩৬] আইন্যা দিব শান্তি আম কাঠাল জাম॥”

    “আনছাও আনছাও[৩৭] আম হারে কাঁঠাল আমি উয়া নাহি চাই।
    তোমার ঘরে আছেন জ্যেষ্ঠ বহিন তুমি দাওগা তানার ঠাঁই॥”

    “কি বোল বলিলা হারে শান্তি আমার অন্ত্রে দিলা কালি।
    ছোট বইন বইল্যা তুমি আমায় দিল। গালি।
    “য়্যাও মাস ভারাইল্যারে শান্তি না পুরিল আশ।
    লবলং ছুরৎ ধইরা আইল আষাঢ় মাস॥”

    “এহি আষাঢ় হারে মাসে শান্তি গাঙে নুড়্যা[৩৮] ভাটি।
    তোমার সাধু গেছে মারা কাঞ্চনপুরের ভাটি॥”

    “আমার যদি সাধু হারে মরত কাঞ্চনপুরের ভাটি।
    আমার আওলাইত[৩৯] মাথার ক্যাশরে[৪০] ছিড়ত গলার মোতী॥

    রাম লক্ষ্মণ দুডী[৪১] শঙ্খ আমার ভাইঙ্গ্যা হৈত চুর।
    আস্তে আস্তে মৈলাম হৈত শিন্তার[৪২] সিন্দুর॥”

    “য়্যাও মাস ভাড়াইল্যা হারে শান্তি না পুরিল আশ।
    লবলং ছুরৎ ধইর‍্যা আইল শ্রাবণ মাস॥”
    “এহিত শ্রাবণ হারে মাস শান্তি ঘোলা হাটু পানি।
    এঘর হৈতে ওঘর যাইতে তোরে মার্‌ব শরবাণী[৪৩]॥”

    “মারিয়ারে মারিয়ারে তুই ফেইলে দাওরে জলে।
    তবু না যাইব আমি বিগানার মহালে॥”[৪৪]

    “য়্যাও মাস ভরাইল্যারে শান্তি না পুরিল আশ।
    লবলং ছুরৎ ধইর‍্যা আইল ভাদ্র মাস॥”

    “এহিত ভাদ্দর হারে মাসে শান্তি গাঙে ভরা পানি।
    ষোল দাঁড়ের পান্‌সী দিব তুমি খেলাইও বাইছ্যানি[৪৫]॥”

    “দ্যাওগ্যা দ্যাও ষোল দাঁড়ের হারে পানসী তোমার মাবুনীর আগে।[৪৬]
    তোমার দরদের যে আছে সাধু আজ তারির মনে লাগে।”[৪৭]

    “যাও মাস ভারাইল্যা হারে শান্তি না পুরিল আশ।
    লবলং ছুরং ধইরা আজি আইল আশ্বিন মাস॥”

    মিলন

    “এহিত আশ্বিন হারে মাসে দুর্গা পূজা করে ঘরে ঘরে।
    আমি আইচি তোমার সাধু আজ চিন্যা লও আমারে॥”

    এ কথা শুনিয়া হারে শান্তি হেট করে মাথা।
    ধর্ম্ম না বুঝিয়া[৪৮] আজ শান্তি পোছেন[৪৯] আরেক কথা॥
    “কোন সহরে বাড়ী হারে তোমার সাধু কোন সহরে ঘর।
    কি নাম তোমার মাতাপিতার আর কি নামডী[৫০] তোমার॥”

    “বাহাটিয়া বাড়ী আমার বাহাটিয়া ঘর।
    বাপ আমার কল্পতরু মাও গণেশ্বর॥
    পেরথম কার্ত্তিক মাসে শান্তি বিয়া করছি তোরে।
    হাউস কইরে নাম রাইখ্যাছে আমার তিল্যাম সওদাগরে[৫১]॥”

    “যদি আইস্যা থাক মোর হারে সাধু তুমি থাকরে ঐখানে।
    আমি বাড়ী যাইয়া শুইন্যা আসি আমার মা বাপের জবানে।”
    “কি কররে বের্‌ধ[৫২] মা বাপ কি কর বসিয়ে।
    কার বা খাইছাও টাকাকড়ি মাধন কারছুন[৫৩] দিছাও বিয়ে॥”

    “বার না বচ্ছরের হারে শান্তি তের নাহি পোরে।
    আজ যৈবনের ভারেতে শান্তি তুমি জামাই বল কারে॥”

    হাতে নয়ে খৈল খরসী[৫৪] মাথায় তৈলের বাটী।
    হেলিতে দুলিতে চলে আজ জামাই চিন্‌তি।

    “চিন্যাছি চিন্যাছি হ্যারে শান্তি তোমার নিজ পতি।
    আওগাইয়া[৫৫] লওগ্যা শান্তি আজ গলার গজমতি॥
    বাইর কর বেসরের ঝাপি শান্তি খোলরে ঢাকিনী।
    দুই হস্তে বাহিয়া নাওলো আজ আবের চিরুণ খানি॥”

    চেরণে চিরিয়া হারে কেশরে শান্তি বায়[৫৬] বান্ধিল খোপা।
    খোপার উপর তুইল্যা থুইল আজ গঞ্জল আলো চাঁপা॥
    সিত্যা পাটী চন্দ্রহাররে গলায়ে হাসুলী।
    তার বালা বাজুবন[৫৭] আজি পায়েতে পাশলী॥
    শিন্তাতে[৫৮] সিন্দুর হারে নৈল নয়ানে কাজল।
    চরণে নুপূর নৈল আজ কোমরে ঘাগর॥
    বাহু চায়্যা নৈল হারে এনা জোড় তাড়।
    গলেতে তুলিয়া লইল আজ মোতীর হার॥
    সোয়ামীর আগে যায়রে হায়রে ঠারে শান্তি না সুন্দরে।
    চল চল আমার সাধু আমরা যাই বাসর ঘরে॥

    .

    টীকা

    1. আমন ধানের ক্ষীর, = কার্ত্তিক মাসে নবান্ন ও গুড় দিয়া কৃষকেরা একরূপ ক্ষীর প্রস্তুত করে, তাহা যেরূপ মিষ্ট, শান্তির যৌবন তেমনই প্রীতিদায়ক। তাহা দেখিয়া আমার মন চঞ্চল হয়।
    2. থির কর = স্থির কর।
    3. বিয়ালে = বিকাল বেলায়।
    4. ওঝা … আমি = আমি ওঝা। পণ্ডিত, উপাধ্যায় অথবা জ্ঞানী (জ্ঞিয়ানী) নহি।
    5. ধড়ের মদ্দি = দেহের মধ্যে।
    6. ধম্মী … ঘাট = ধর্ম্মশীল রাজা দীঘি কাটিয়াছেন, এবং তাহার ঘাট পাথরে বাঁধিয়া দিয়াছেন। আমি শান্তি তাহাতে জল ভরিব—চৌকিদার আবার কি করিতে আসিবে?
    7. ভারাইল্যা = প্রবঞ্চনা করিলে।
    8. লবলং ছুরৎ = নূতন রং ও রূপ লব লং = নব রং।
    9. দূতীয়ার চান = তুমি দ্বিতীয়ার চন্দ্রের মত।
    10. শাশুরীর শুয়াইগ্যা = শ্বাশুড়ীর সোহাগী।
    11. পূষ অন্ধকারী = পৌষের কোয়াসা।
    12. রিশি = নিশি।
    13. বাসর করব চুরি = তোমার বাসরে (শয্যা গৃহে) চুরি করিয়া প্রবেশ করিব।
    14. রাখ্‌প = রাখিব।
    15. সস্রেক = সহস্রেক।
    16. থাবায়ে = থাবা দিয়া।
    17. পাছড়ায়ে = আছাড় মারিয়া।
    18. কঙ্কণে জড়াব = পরিবার শাড়ীর আঁচল দিয়া আমার কঙ্কণ জড়াইব যাহাতে কোন শব্দ হইতে না পারে। C.F. “মঞ্জীর চীরহি ঝাঁপি।” গোবিন্দ দাস। কঙ্কণের স্থানে মঞ্জীর—এই তফাৎ।
    19. ছেররে = ছের অর্থ শির; রে, পাদপূরণে।
    20. দেবীকে বুঝাই = দেবীকে উপহার দিব, বুঝাই = বুঝাইয়া দিব।
    21. য়্যাও = এও
    22. শান্তি সাধুকে বলিল, “তুমি পরের নারীকে পান সুপারী দিতে চাও। তোমার নিজের বোনকে দাও না কেন?”
    23. উয়্যা = উহা।
    24. তেনার = তাহার।
    25. অস্ত্রে … কালি = মনে বড় ব্যথ্যা দিলে।
    26. দিঘ্যান = দীর্ঘ।
    27. পরবাসী = প্রবাসী।
    28. উচিত = যোগ্য।
    29. রুসাই =রান্না, পাক।
    30. নেওয়ালী = তোষক (?)
    31. খরার বড় তা = রৌদ্রের অত্যন্ত উত্তাপ।
    32. দোচারিণী = দ্বিচারিণী, কুলটা।
    33. হিযা = হিজা বা হাজাম; পুরুষত্ববিহীন, ক্লীব।
    34. দুগ্ধে … সর। বৈশাখ দুধের সর খুব ভাল জমে, তোমার যৌবন তেমনই লোভনীয় হইয়াছে।
    35. পিলাব = পান করাইব। এই সকল ছত্র পড়িয়া ময়নামতীর গানের “ধর্ম্ম ঘটী যৌবন আমি কেমনে রাখিব” প্রভৃতি ছত্র মনে পড়িবে।
    36. ভারায় ভারার = ভারে ভারে।
    37. আনছাত আনছাও = আনিয়া থাক। (এনেছ এনেছ)।
    38. নুড়্যা = জোরের; খরতর। ‘নোড়’ শব্দ পূর্ব্ববঙ্গে দৌড়ান অর্থে ব্যবহৃত হয়; পুরাতন বাঙ্গালায় ‘বড়, রহড়’ প্রভৃতি শব্দও পাওয়া যায়। সুতরাং ‘নুড়্যা ভাটি’ শব্দে খুব জোরে ভাটিকে বুঝাইতেছে।
    39. আওলাইত= আলুলায়িত হইত; খসিয়া যাইত।
    40. ক্যাশ = কেশ।
    41. দুডি = দুটি। ময়নামতী গানে ও আমরা রাম লক্ষ্মণ শাঁখার উল্লেখ পাইতেছি।
    42. শিন্তার = সিঁথির।
    43. শরবাণী = চেঙ্গা; ছোট লাঠি।
    44. বিগানের মহালে = অনাত্মীয়ের অন্তঃপুরে।
    45. বাইছানি = নৌকা বাইছ।
    46. মা বুনীর আগে = তোমার মাতা ও বহিনকে।
    47. তোমার দরদের—লাগে = তোমার ব্যথিতা প্রেমিকা। যে আছে, তারই মন পাইবার জন্য এ সকল দাও গে।
    48. ধর্ম্ম সাক্ষ্য করিয়া।
    49. পোহেন = জিজ্ঞাসা করেন।
    50. নামডী = নামটি।
    51. তিল্যাম সওদাগরে = সখ করিয়া আমার নাম তিল্যাম সওদাগর রাখা হইয়াছে।
    52. বেরধ = বৃদ্ধ।
    53. কারছুন = কার কাছে। মা তুমি কার নিকট টাকা লইয়া আমাকে বিয়া দিয়াছ? মাধন = মাতার প্রতি প্রীতি বাচক সম্বোধন।
    54. খরসী = খৈলের প্রকার ভেদ।
    55. আওগাইয়া = অগ্রসর হইয়া। অথবা অর্ঘিয়া অর্থাৎ পূজা করিয়া।
    56. বায় = বামে।
    57. বাজুবন = বাজুবন্ধ।
    58. শিন্তাতে = সিঁথিতে।
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপুর্ব্ববঙ্গ গীতিকা (চতুর্থ খণ্ড, দ্বিতীয় সংখ্যা) – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত
    Next Article সতী – দীনেশচন্দ্র সেন

    Related Articles

    দীনেশচন্দ্র সেন

    পদাবলী মাধুর্য্য – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    মৈমনসিংহ গীতিকা – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৈদিক ভারত – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বঙ্গভাষা ও সাহিত্য -১ম খণ্ড – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৃহৎ বঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    সতী – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }