Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤷

    অধ্যায় এক – রাজত্বের সূর্যোদয়

    সুদূর অতীতে, পারস্য উপসাগরের ঠিক উত্তরে, সুমেরীয়রা উপলব্ধি করলেন এক চরম সত্য : শহর পরিচালনার জন্য শাসকের প্রয়োজন।

    হাজার হাজার বছর আগে সুমেরীয় রাজা আলুলিম এরিদু নামক একটি নদীর তীর ঘেঁষে তৈরি করা, প্রাচীর ঘেরা, সুরক্ষিত শহর শাসন করতেন। পরবর্তীকালে রোমের বাসিন্দারা এই জায়গাটির নাম দেন মেসোপটেমিয়া। আলুলিম শক্তির শিখরে আরোহণ করার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মানবসভ্যতার সূর্যোদয় ঘটে এবং তিনি প্রায় ত্রিশ হাজার বছর ধরে রাজত্ব করেছিলেন।

    সুমেরীয়দের কাছে কল্পনা ও বাস্তব জগতের মধ্যে তেমন কোনো বিভেদ ছিল না এবং এই কারণেই শক্তিমান রাজার ত্রিশ হাজার বছরব্যাপী শাসনামল তাদের কাছে খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল। অপরদিকে, আলুলিমের শাসনামল থেকেই ‘সভ্যতার শুরু’—কথাটি হজম করাও তাদের জন্য বেশ কঠিন ছিল, কেননা তারা মনে করত যে সুমেরীয়রা সব সময় সভ্যই ছিল। সুমেরীয় রাজাদের তালিকায় (সম্ভবত পৃথিবীর প্রাচীনতম ঐতিহাসিক দলিল) আলুলিমের শাসনামলকে বর্ণনা করা হয়েছে নিখুঁত, স্বর্গীয় সময় হিসেবে।

    কিন্তু পেছন ফিরে তাকালে আমরা একটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রথম রাজার শাসনামলকে পর্যালোচনা করতে পারি। রাজা ও রাজত্বের আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গে মানবজাতির ভাগ্যের চাকা নাটকীয়ভাবে বদলে যায়। এই সময় থেকেই শুরু হয় মানুষ, তাদের মালিকানাধীন জমিজমা এবং শাসকদের মাঝে একটি জটিল সম্পর্ক।

    আমরা আলুলিমের রাজত্বের সুনির্দিষ্ট কোনো দিন-তারিখ উদ্‌ঘাটন করতে ব্যর্থ হয়েছি, কেননা সুমেরীয় রাজাদের তালিকা ছাড়া এই রাজত্বের ব্যাপারে আর কোথাও কোনো উল্লেখ নেই। এই লিস্টটি কাদামাটির ট্যাবলেটে খ্রিষ্টপূর্ব ২১০০ সালের আশেপাশে কোনো এক সময় খোদাই করা হয়েছিল কিন্তু লিপিবদ্ধ বার্তাটির সময়পর্ব আরও অনেকদিন আগের। সুমেরীয় রাজাদের তালিকায় দেওয়া ক্রমপঞ্জি আর আমাদের জানা অতীতের মাঝে আকাশপাতাল ফারাক। সেখানে বলা হয়েছে আলুলিম ২৮ হাজার বছর এবং তার উত্তরসূরি আলালগার ৩৬ হাজার বছর ধরে রাজত্ব করেন।

    তাদের রাজত্বের বর্ণিত দৈর্ঘ্য থেকে অনুমান করা যায় যে দুজন রাজাই প্রকৃতপক্ষে উপদেবতা ছিলেন; তাদেরকে ইতিহাস নয় বরং পুরাণের পাতা থেকেই নেওয়া হয়েছে। হয়তো আলুলিম এবং তার উত্তরাধিকারী দীর্ঘদিন ধরে রাজত্ব করেছিলেন, যেটাকে দেবতাদের রাজত্বের সাথে তুলনা করা হয়েছে। সুমেরীয় নথি থেকে আরও জানা যায় যে তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগটি সংগঠিত হওয়ার আগে আটজন রাজা রাজত্ব করেছিলেন। সেই সর্বগ্রাসী বন্যায় তাদের পুরো ভূমিখণ্ড ভেসে যাওয়ার আগে আটজন রাজার প্রত্যেকে তিন হাজার ছয়শ বছরের যে-কোনো একটি গুণিতক পরিমাণ বছর রাজত্ব করেছিলেন, যা থেকে প্রমাণিত হয় যে তালিকায় বর্ণিত বছরের হিসাব আমাদের বোধশক্তির বাইরের। আমরা সর্বোচ্চ যেটি করতে পারি তা হচ্ছে প্রথম সুমেরীয় রাজাকে দূরবর্তী অতীতের রাজা’ হিসেবে আখ্যায়িত করতে পারি।

    মানচিত্র-১ : অতি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া 
    মানচিত্র-১ : অতি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া 

    রাজা আলুলিমের রাজত্বের মেয়াদ যা-ই হোক না কেন, তার সময়কার মেসোপটেমিয়া আমাদের জানা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীবেষ্টিত পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত উর্বর ভূখণ্ডের চেয়ে অনেকটাই ভিন্ন ছিল। ভূতত্ত্ববিদদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মানব ইতিহাসের সূচনালগ্নে (খ্রিষ্টপূর্ব ১১০০০ সালকে আমরা তথ্যসূত্র হিসেবে নিতে পারি) মেরু অঞ্চল থেকে বরফ ছড়িয়ে পড়েছিল দক্ষিণে এবং তা প্রায় ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত চলে এসেছিল। বরফের মধ্যেই বেশির ভাগ পানি আটকে ছিল এবং এই কারণে সাগর ও মহাসাগরগুলোর উচ্চতা অনেক কম ছিল। পারস্য উপসাগরের উত্তরের অংশটি তখন ছিল একটি সমতলভূমি যার মাঝ দিয়ে ছোটো ছোটো খালবিল প্রবাহিত হতো। আধুনিক কাতারের সাথে সংযুক্ত সমতলভূমিটিই ছিল তখনকার সমুদ্রতট এবং নিয়মিত বৃষ্টিপাতের কারণে সেই ভূখণ্ড সর্বদাই আর্দ্র থাকত।

    কিছুদিনের মাঝেই বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ার কারণে বরফখণ্ডগুলো গলতে শুরু করল। ভূতত্ত্ববিদদের হিসেব অনুযায়ী এই প্রক্রিয়াটি সংঘটিত হয়েছিল খ্রিষ্টপূর্ব ১১০০০ থেকে ৬০০০—এই পাঁচ হাজার বছর ধরে। এর ফলে সাগরে পানির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং সেটি কাতার পেরিয়ে বাহরাইন পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। ক্রমবর্ধনশীল পানির নিচে অনেক জনবসতি তলিয়ে যায়। খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০০ সাল নাগাদ ব্রিটেন ইউরোপের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয় এবং পারস্য উপসাগরের ব্যাপ্তি কুয়েতের দক্ষিণ সীমান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়। কুয়েতের উত্তরে অবস্থিত সমতলভূমিটি শুধু একটি বা দুটি নদী দিয়ে নয় বরং ভিন্ন ভিন্ন ধরনের বেশ কিছু নদীপথের সন্নিবেশে আর্দ্র ও উর্বর ভূমি হয়েছিল। স্যাটেলাইট থেকে নেওয়া ছবিতে এখনও সেসব নদীর গতিপথের চিহ্ন দেখা যায়। বুক অব জেনেসিস (বাইবেল)-এ বর্ণিত আছে এই সমতলভূমি দিয়ে বয়ে যাওয়া চার মাথাওয়ালা একটি নদীর কথা।

    যদিও এই ভূমিটি নদনদীর বিনুনি থেকে পানি পাচ্ছিল, তারপরও তা আস্তে আস্তে শুষ্ক থেকে শুষ্কতর হয়ে যাচ্ছিল। বরফ তিরোহিত হওয়াতে তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছিল। উপসাগরের উত্তরদিকে বৃষ্টির পরিমাণ কমে গিয়েছিল এবং শুধু শীতকালে অনিয়মিত ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হতো সেখানে। গ্রীষ্মকালে অবারিত ভূমির উপর দিয়ে লু হাওয়া বয়ে যেত। প্রতি বছর জলস্রোত নদীর তীরবর্তী ভূমিগুলোকে ভাসিয়ে দিত আর চলে যাওয়ার সময় পলিমাটি রেখে যেত। একাধিক পানির উৎস থেকে আসা পলিমাটি জমে জমে উৎসগুলোকে ধাক্কা দিয়ে দূরে সরিয়ে দিচ্ছিল আর উপসাগর ধীরে ধীরে উত্তরদিকে বিস্তৃত হচ্ছিল।

    দক্ষিণের সমতলভূমির বাসিন্দারা, যারা উপসাগরের একদম কাছে থাকত তাদেরকে বেঁচে থাকার জন্য একটি অনিশ্চয়তায় ভরা ভূ-বৈচিত্র্যের সাথে সংগ্রাম করতে হতো। বছরে একবার তাদের আবাদি জমিগুলো পানির নিচে তলিয়ে যেত। আবার বন্যার প্রকোপ কমে গেলে মাটি শুকিয়ে শক্ত হয়ে যেত। তাদের ছিল না কোনো পাথর, ছিল না কাঠের উৎস হিসেবে কোনো বন কিংবা গবাদি পশুকে খাওয়ানোর জন্য কোনো প্রশস্ত তৃণভূমি। তাদের হাতের কাছে ছিল শুধু প্রচুর পরিমাণ নলখাগড়া যা নদীর তীরজুড়ে জন্মাত আর ছিল প্রচুর পরিমাণ কাদামাটি। ঢালাই করা শুষ্ক কাদার সাথে নলখাগড়া মিশিয়ে সেটাকে উচ্চ তাপে সেঁকে তৈরি করা হতো বাড়িঘর বানানোর মূল উপাদান—ইট। এই প্রক্রিয়ায় বানানো ইট দিয়েই তৈরি হতো শহরের উচ্চ প্রাচীর, ঘটিবাটি ও বাসনকোসন। তারা প্রকৃতপক্ষেই ‘মাটির মানুষ’ ছিলেন।

    সুমেরীয় ভাষার সাথে অন্য কোনো ভাষার কোনো সম্পর্ক ছিল না। যতদিনে সুমেরীয়রা লিখতে শিখেছিলেন, তাদের ভাষা ততদিনে অন্য ভাষার শব্দ দিয়ে অনেকটাই সমৃদ্ধ হয়ে গিয়েছে। সুমেরীয় শব্দগুলোর মূল এসেছে এক ধরনের ধ্বনি থেকে কিন্তু পুরানো লেখায় ডজন ডজন অচেনা ও ভিন্ন ধরনের দ্বৈত ধ্বনির শব্দ পাওয়া যায়। (সবচেয়ে শক্তিশালী দুটি নদীর নাম, যেগুলো সমতলভূমির মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়েছিল—চাষি, জেলে, কাঠমিস্ত্রি, তাঁতি এবং আরও অনেক পেশার মানুষদের নামে। এমনকি এরিদু শহরের নামটিও এক ধ্বনির নয়।)

    এই শব্দগুলো সেমিটিক; আর এতে প্রমাণ হয় যে উত্তরের সমতলভূমিতে শুধু সুমেরীয়রাই থাকেনি। সেমিটিক শব্দগুলো দক্ষিণ ও পশ্চিমের মেসোপটেমীয় সমতলভূমির বাসিন্দাদের ভাষার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    মেসোপটেমিয়ার উত্তর ও পূর্বদিকে অবস্থিত পর্বতমালা যাযাবরদের নিরুৎসাহিত করত কিন্তু আরব উপদ্বীপ কিংবা উত্তর আফ্রিকা থেকে ভ্রমণ করে আসা অনেক সহজতর ব্যাপার ছিল। সেমাইটরা এই কাজটিই করেছিল; তারা সুমেরীয়দের সাথে থিতু হয়েছিল এবং তাদেরকে তাদের ভাষার শব্দাবলি ধার দিয়েছিল। আর শুধু ভাষাই নয়, সেমাইটরা চাষাবাদের বিভিন্ন প্রক্রিয়া, ঝুড়ি বানানো, চামড়া ও কাঠের কাজ ইত্যাদি পেশা ও তৎসংক্রান্ত দক্ষতা নিয়ে এসেছিল মেসোপটেমিয়াতে।

    তা হলে সেমাইটরা চাষ করা শিখল কাদের কাছ থেকে? সম্ভবত তারা ধাপে ধাপে এটি শিখেছে, যেমনটা শিখেছিল ইউরোপের এবং আরও উত্তরে থাকা মানুষরা। সম্ভবত বরফখণ্ডগুলো গলে যাওয়ার পর মাংসের উৎস হিসেবে সহজলভ্য প্রাণীগুলো উত্তরের দিকে চলে গিয়েছিল এবং সংখ্যায়ও অনেক কমে গিয়েছিল। এই পশুর পালকে অনুসরণ করা শিকারির দল হতোদ্যম হয়ে মাংসের সাধনা বাদ দিয়ে উষ্ণ ভূমিতে বন্য শস্য কেটে নেওয়ার কাজে মন দেয় এবং তারা কেবল তখনই তাদের বাসস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হতো যখন আবহাওয়া বৈরী ভাব প্রকাশ করত (যেমনটা স্থানীয় উত্তর আমেরিকানরা করছিল, জ্যাকুয়েস কার্টার সেখানে হাজির হওয়ার আগ পর্যন্ত)।

    এরপর সম্ভবত এসব ‘সাবেক যাযাবর’ শিকারিরা বন্য শস্য কাটা থেকে নিজেদের উত্তরণ ঘটিয়ে সেগুলোর সুষ্ঠু চাষাবাদের দিকে নজর দেয় এবং অবশেষে তারা পূর্ণাঙ্গ গ্রাম্য জীবনের লোভে ভ্রমণ থেকে ইস্তফা দেয়। কথিত আছে যে নারী ও পুরুষের পেট ভরা থাকলে তারা অধিক বাচ্চাকাচ্চার জন্ম দেয়। আধুনিক তুরস্ক থেকে শুরু করে নীল নদের উপত্যকা পর্যন্ত বিশাল এলাকায় খুঁজে পাওয়া কাস্তে ও শানপাথর দেখে বোঝা যায় যে সেই বাচ্চাগুলো বড়ো হওয়ার পর জনসংখ্যার ভারে জর্জরিত গ্রাম ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে গিয়েছিল আর সাথে নিয়ে গিয়েছিল তাদের পিতামাতার কাছ থেকে শেখা চাষবাসের দক্ষতা। নতুন জায়গায় গিয়ে তারা তাদের সেই সক্ষমতাকে অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছিল।

    প্রাচীন গল্পগুলো আরেকটি বস্তুর অবতারণা ঘটায় মানবজীবনে : সেমাইটদের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে সুমেরীয়রা তাদের গ্রামের চারপাশে বিভিন্ন ফসলের বীজ বপন করে তাদের জীবনকে এতটাই জটিল করে তুলেছিল যে তাদের একজন রাজার প্রয়োজন হয় সকল সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার জন্য। এভাবেই চিত্রপটে আবির্ভাব ঘটে এরিদুর রাজা আলুলিমের আর উন্মোচিত হয় মানবসভ্যতার দ্বার। যে যা-ই বলুক না কেন, সভ্যতাই আমাদেরকে বিশৃঙ্খলামুক্ত রাখে। সভ্য শহরে উঁচু প্রাচীর থাকে যা তার ভেতরের নিয়মতান্ত্রিক রাস্তাগুলোকে বাইরের দুনিয়ার বন্য আবর্জনা থেকে বাঁচিয়ে রাখে।

    প্রত্নতত্ত্ববিদ স্টুয়ার্ট পিগট প্রাচীন সুমেরীয় সভ্যতার উপর লেখা ম্যাক্স ম্যালোয়ানের ধ্রুপদি গবেষণাপত্রের ভূমিকায় লিখেছিলেন : ‘হঠাৎ হঠাৎ কিছু জনগোষ্ঠীর আবির্ভাব হয় যারা পুরানো ঐতিহ্যের সাথে তাল মেলানোর চেয়ে নতুনত্ব ও পরিবর্তনের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। এসব উদ্ভাবনী শক্তিসমৃদ্ধ সমাজগুলোকেই আমরা সভ্যতার গোড়াপত্তনকারী হিসেবে চিহ্নিত করতে পারি।’

    প্রকৃতপক্ষে দেখা যায় যে আরও প্রাথমিক প্রয়োজনীয়তা থেকেই সভ্যতার উৎপত্তি ঘটে; যেমন কেউ যাতে খুব বেশি খাদ্য কিংবা পানীয়র দখল না পায় সেটাকে নিশ্চিত করার জন্য। সভ্যতার সূর্যোদয় ঘটেছিল উর্বর ক্রিসেন্টে কিন্তু তার পেছনের কারণ এটা না যে সেই জায়গাটি স্বর্গের বাগানের মতো, প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যে ভরপুর ছিল। বরং সেটি এতটাই বৈরী এলাকা ছিল যে সেখানে অবস্থিত যে-কোনো আকারের গ্রামকে খুব সাবধানে, সতর্ক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে টিকে থাকতে হতো। কৃষকদের মিলেমিশে খালবিল খনন করতে হতো আর জলাধারে বন্যার পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হতো। কোনো একজন ব্যক্তিকে এই মিলেমিশে কাজ করার ব্যাপারটা নিশ্চিত করতে হতো আর সাথে এটাও খেয়াল রাখতে হতো যাতে পানির সুষ্ঠু বণ্টন হয়। সেই ‘একজন’-কে এটাও নিশ্চিত করতে হতো যে কৃষকদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত শস্য যেন তারা অ-কৃষকদের (ঝুড়ি নির্মাতা, চর্মকার ও কাঠমিস্ত্রি) কাছে বিক্রি করে, যারা নিজেরা কোনো খাদ্য উৎপাদনে সক্ষম নয়। শুধু বৈরী ও জংলি জায়গায় এরকম আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়, যা সভ্যতার প্রকৃত মাপকাঠি। উর্বর ভূমিতে, যেখানে খাদ্যশস্য, পানীয় আর শিকার করার জন্য প্রাণী, বিভিন্ন খনিজ দ্রব্য ও কাঠের প্রাচুর্য রয়েছে, সেখানে এসব নিয়ে কারও মাথাব্যথাই থাকত না।

    উর্বর ক্রিসেন্টে গ্রামগুলো শহরে পরিণত হতে থাকে আর সমপরিমাণ শুষ্ক ভূমিতে আরও বেশি মানুষ বসবাস করা শিখতে থাকে সাথে সাথে। এই পর্যায়ে শক্ত নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা অবশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়ায়। মানবপ্রকৃতি যেমন, তাতে শহরের শাসকদের কিছু পরিমাণে জোরজবরদস্তি প্রয়োগ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় এবং এভাবেই আসে সশস্ত্র পুলিশের ধারণাটি। দরকার হয় এক দল মানুষের যারা তাদের জারি করা আইনকানুন রক্ষা করবে।

    হঠাৎ করেই নেতারা রাজায় রূপান্তরিত হয়ে যান। সুমেরীয়দের জন্য রাজা ও রাজত্বের ধারণাটি ছিল সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে আসা উপহারের মতো, কারণ তারা তাদের সমগ্র জীবন একটি বৈরী পরিবেশে বেঁচে থাকার সংগ্রামে লিপ্ত ছিল। তাদের শস্য বন্যার পানিতে ভেসে যেত অথবা পানি একেবারেই তিরোহিত হয়ে শস্যগুলোকে রোদে সেঁকার জন্য রেখে যেত। সুমেরীয়দের জন্য ছিল না কোনো আদিম বাগান; তাদের শহরকে রক্ষা করত মোটা কাদামাটির দেওয়াল, যা ছিল আগ্রাসী সাগর আর ক্ষুধার্ত দস্যুদের আক্রমণ থেকে বাঁচার প্রাথমিক ও সেরা পন্থা।

    এরিদু শহরে প্রথম রাজত্ব নেমে এসেছিল স্বর্গ থেকে, যার কথা আবারো শোনা যায় ব্যাবিলনীয়দের পৌরাণিক কাহিনিতে, যেখানে তাকে বর্ণনা করা হয়েছে ঈশ্বররাজ মারদুক-এর বানানো সুমেরীয় ইডেন নামে। –

    ‘সকল ভূমি সমুদ্রে নিমজ্জিত ছিল
    যখন এরিদু নির্মিত হয়েছিল
    মারদুক নির্মাণ করেছিলেন একটি নলখাগড়ার ভিত্তি
    পানিকে প্রতিহত করার জন্য
    তিনি বানিয়েছিলেন কাদা
    এবং তা ঢেলে দিয়েছিলেন সেই নলখাগড়ার ভিত্তির উপর
    তিনি মানবজাতিকে তৈরি করেছিলেন’

    বাইবেলের জেনেসিসে বর্ণিত ইডেনের মতো এরিদু কখনও হারিয়ে যায়নি। এই পবিত্র শহর দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে ছিল শিকারি ও আহরণকারীদের পুরানো পৃথিবী ও সভ্যতার নতুন পৃথিবীর মাঝে বিভাজক হিসেবে। কিন্তু শিকারি ও আহরণকারীগণ পুরোপুরি চলে যাননি। রাজত্বের সূচনালগ্ন এবং প্রথম শহরের গোড়াপত্তনের সময় থেকেই থিতু কৃষকদের সাথে যাযাবর পশুপালকরা ঝগড়াবিবাদে লিপ্ত হয়ে এসেছে।

    সুমেরীয় লিস্টের পঞ্চম রাজা হচ্ছেন দুমুজি—আশ্চর্যজনকভাবে যিনি ছিলেন একজন মেষপালক। একজন মেষপালকের রাজা হওয়ার ব্যাপারটি হচ্ছে বিপরীতধর্মী সত্তাদের মিলিত হওয়ার কাহিনি, যা আরও স্পষ্ট হয়েছে উইং অব ইনান্না নামের গল্পে, যার মূল চরিত্র দুমুজি ও দেবী ইনান্না।

    এই গল্পে দুমুজি শুধু একজন মামুলি মেষপালক নন বরং তার গায়ে ছিল দেবতাদের রক্ত। কিন্তু তারপরও, তার ঐশ্বরিক সংযোগ থাকা সত্ত্বেও, ইনান্না দুমুজিকে তার যোগ্য মনে করেননি। সূর্যদেবতা উঁচু উঁচু স্বরে ইনান্নাকে বলেন ‘মেষপালক তোমার সাথে বিছানায় যাবে।’ কিন্তু ইনান্না (যে সাধারণত সূর্যদেবের সকল উপহারকে কোনো দ্বিধা ছাড়াই গ্রহণ করেন) অস্বীকৃতি জানান এভাবে-

    ‘সে এক মেষপালক! আমি মেষপালকটিকে বিয়ে করব না
    তার কাপড়চোপড় অমার্জিত; তার পশম রুক্ষ
    আমি চাষিকে বিয়ে করব
    চাষি আমার পোশাকের জন্য শণ উৎপাদন করে
    চাষি আমার খাবার টেবিলের জন্য যব উৎপাদন করে’

    দুমুজি হাল ছাড়েন না। কার পরিবার বেশি ভালো সেটা নিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তর্কবিতর্কের পর উপঢৌকন হিসেবে টাটকা দুধ ও ননি প্রদানপূর্বক তিনি ইনান্নার শয়নকক্ষের প্রবেশাধিকার পান। কিন্তু এত কিছুর পরেও তার প্রথম অনুরোধ হয় ‘আমার রুক্ষ জমিতে লাঙল ফলাও।’

    ইনান্নার কৃষকপ্রীতি সেই যুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার পরিচায়ক। দক্ষিণের সমতলভূমিগুলো শুষ্ক হয়ে যেতে থাকে আর শহরগুলো নদীর তীরবর্তী ভূমিগুলোতে সন্নিবিষ্ট হতে থাকে। কিন্তু শহর পেরিয়ে আরও গভীরের দিকে গেলে মরুভূমিগুলো খুঁজে পাওয়া যেত, যেখানে যাযাবররা পুরানো দিনের জীবনধারা বজায় রেখে ভেড়া ও ছাগল চরাত এবং তাদের সাময়িক আবাসস্থল রচনা করত।

    পশুপালক ও কৃষকরা একজন আরেকজনের উপর নির্ভরশীল ছিল- পশুপালকরা কৃষকদেরকে মাংস, বিশুদ্ধ দুগ্ধ ও পশম দিত, যার বিনিময়ে তারা পেত জীবন বাঁচানোর জন্য শস্য। কিন্তু এই নির্ভরতা থাকা সত্ত্বেও তা পারস্পরিক শ্রদ্ধার জন্ম দেয়নি। একদিকে শহরের বাসিন্দারা অসভ্য ও অশুচি মেষপালকদের দিকে বিরক্তির দৃষ্টিতে তাকাত আর অপরদিকে তারাও অভিজাত ও অপচয়কারী কৃষকদের নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করত সমানে।

    শহর, রাজা, কৃষক ও যাযাবরদের এই দেশে পরপর আটজন রাজা রাজত্ব করেছিলেন মহাদুর্যোগ আঘাত হানার আগ পর্যন্ত।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার
    Next Article অশরীরীজগৎ – ইশতিয়াক হাসান

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }