Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় দশ – প্রথম মহাকাব্যিক নায়ক

    সুমেরে, খ্রিষ্টপূর্ব ২৬০০ সাল আসতে আসতে গিলগামেশ একজন কালজয়ী যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত হয়ে গিয়েছেন।

    সুমেরীয় রাজা গিলগামেশ তার মৃত্যুর প্রায় হাজারখানেক বছর পরে একজন কালজয়ী যোদ্ধা হিসেবে সুনাম অর্জন করেন। একই সময়ে মিশরীয়রা সংগ্রাম করছিল একজন ঐশ্বরিক ক্ষমতাসম্পন্ন শাসক খুঁজে পাওয়ার জন্য। গিলগামেশ দানবদের হত্যা করেছিলেন, স্বর্গের মহিষকে পরাস্ত করেছিলেন, দেবী ইনান্নার প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এবং দেবতাদের বাগানে অনুপ্রবেশ করেছিলেন, যেখানে তার মরণশীল শরীরের উগ্র গন্ধ স্বয়ং সূর্যদেবতাকে ব্ৰিত করেছিল। গিলগামেশের এসকল মহাকাব্যিক কাজের (পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে পুরানো মহাকাব্য) কারণে তার নামও আমরা আজও শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারণ করে থাকি—তার মৃত্যুর পাঁচ হাজার বছর পরও।

    বাস্তবের গিলগামেশ এবং ঐতিহাসিক গিলগামেশের মাঝে যে সম্পর্ক তার তুলনা করা যায় শেক্সপিয়ারের বর্ণিত ম্যাকবেথ এবং ১০৫৬ সালে রাজা ও তার সভাসদদের হত্যা করার জন্য চরম মূল্য দিতে বাধ্য হওয়া স্কটিশ উপকথার নায়ক মাওরমর ম্যাকবেদার মাঝে থাকা সম্পর্কের সাথে।

    তবে শেক্সপিয়ারের ম্যাকবেথের অতিরঞ্জিত কাহিনিকে খুব সহজেই প্রকৃত ইতিহাস হতে আলাদা করে ফেলা যায়।

    এর মূল কারণ হচ্ছে যে মাওরমার ম্যাকবেদার জীবনের আসল কাহিনি জানার জন্য অন্যান্য গ্রহণযোগ্য উৎস রয়েছে। কিন্তু সেই এক মহাকাব্যের বাইরে গিলগামেশের জীবন সম্পর্কে জানার জন্য উৎস হিসেবে আমাদের হাতে রয়েছে কেবল কিছু শিলালিপি, সুমেরীয় রাজাদের তালিকাটি এবং একটি বা দুইটি কবিতা। এরকম একটি কবিতায় বলা আছে এই বইয়ের পূর্বের অধ্যায়ে উল্লেখিত গিলগামেশের প্রতি আজ্ঞার শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানোর কথা। কবিতাটি সুমেরীয় ভাষায় লিখিত এবং তা মুখে মুখে বর্ণিত হয়েছে কয়েক যুগ কিংবা কয়েক শত বছর ধরে; কাদামাটির ট্যাবলেটে লিপিবদ্ধ হওয়ার আগে। আমাদের হাতে যে কপিগুলো রয়েছে তা খ্রিষ্টপূর্ব ২১০০ সালে লেখা হয়েছিল, যখন উর-এর রাজা একজন লিপিকারকে দায়িত্ব দেন গিলগামেশের কাহিনি লেখার জন্য। শুলগি নামক ভদ্রলোকটি রাজা হওয়ার পর মহান গিলগামেশের জীবনের একটি পূর্ণাঙ্গ বর্ণনা নথিভুক্ত করতে চেয়েছিলেন, কারণ তিনি নিজেকে গিলগামেশের বংশধর বলে দাবি করেছিলেন। তার এই কার্যক্রম থেকে সন্দেহ করা যায় যে আসলে তিনিও একজন দখলদার রাজা ছিলেন; সম্ভবত গিলগামেশের সাথে তার কোনো আত্মীয়তা ছিল না।

    এই কবিতাগুলো রচনার সময়পর্ব আর গিলগামেশের তিরোধানের সময়পর্ব খুবই কাছাকাছি; তাই আমরা ধরে নিতে পারি যে এগুলোতে কিছুটা হলেও এই ঐতিহাসিক রাজার জীবনের প্রতিফলন পাওয়া যায়।

    মহাকাব্যটিতেও একইরকম তথ্য পাওয়া যায়; কিন্তু এসকল তথ্য-উৎসকে সুচারুভাবে বিন্যস্ত করা হচ্ছে সবচেয়ে জটিল কাজ।

    আপনার লোকালয়ের বইয়ের দোকানে গিয়ে গিলগামেশের মহাকাব্যের একটি কপি হাতে নিয়ে দেখুন; দেখতে পাবেন এতে রয়েছে ছয়টি সংযুক্ত উপাখ্যান, যেগুলো অনেকটা ছোটোগল্পের মতো, যেগুলো যুক্ত হয়ে একটি উপন্যাস তৈরি করেছে। প্রথমে আসে ‘এনকিদুর উপাখ্যান’, যেখানে গিলগামেশ দেবতাদের কাছ থেকে পাঠানো একটি দানবের সাথে বন্ধুত্ব করেন এবং তাকে বশ মানিয়ে ফেলেন। দ্বিতীয় গল্পটির নাম ‘সিডার বনের অভিমুখে যাত্রা, যোখানে তিনি হুমবাবা-কে পরাজিত করেন। এরপর আসে ‘স্বর্গের মহিষ’, যেখানে গিলগামেশ দেবী ইনান্নাকে উত্যক্ত করেন এবং যার ফলে এনকিদুর উপর অত্যাচার নেমে আসে। চতুর্থ গল্প ‘গিলগামেশের অভিযান’, যেখানে তিনি অমর উতনাপিশটিমের দেশে পৌঁছে যান, যে ছিল সুমেরীয়দের নোয়াহ। উতনাপিশটিম মহাপ্লাবনের পর থেকে সেখানেই থাকছিলেন। পঞ্চম গল্পটি হচ্ছে ‘বন্যার গল্প’, যে গল্পটি গিলগামেশ সুমেরীয় নোয়াহর কাছ থেকে শুনেন। সব শেষে আসে ‘গিলগামেশের অভীষ্ট লক্ষ্য’, যেখানে গিলগামেশ অমরত্ব কিংবা আমৃত্যু যৌবন লাভের চেষ্টা করেন কিন্তু তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। এরপর একটি ছোটো উপসংহারে গিলগামেশের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়।

    এই ঝকঝকে ছয় অধ্যায়ের মাধ্যমে চিত্রায়িত গিলগামেশের জীবনকাহিনিতে কিছু পরিমাণ রং চড়ানো হয়েছে। এই উপাখ্যানটি বহুবার কাদামাটির ভঙ্গুর ট্যাবলেটে লেখা হয়েছে এবং স্বভাবতই সেই ট্যাবলেটগুলো অনেকবারই ভেঙে টুকরো টুকরো হয়েছে। সেই ভাঙা টুকরোগুলি মিশরের পূর্বদিকের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে এবং সেগুলো লেখা হয়েছিল বিভিন্ন ভাষায়—এসিরীয় থেকে শুরু করে সুমেরীয় পর্যন্ত; এবং তা খ্রিষ্টপূর্ব ২১০০ থেকে ৬১২ সালের মাঝে। সবচেয়ে পুরানো সুমেরীয় প্রতিলিপিগুলো লেখা হয়েছিল শুলগির লিপিকারদের হাত ধরে আর এগুলোতে ছিল শুধু প্রথম দুই অধ্যায় এবং শেষের উপসংহার।

    এটা এখন আর জানা সম্ভব নয় যে পরবর্তী চারটি অধ্যায় কি পরে সংযুক্ত করা হয়েছিল নাকি শুরু থেকেই ছিল। তৃতীয় ও চতুর্থ অধ্যায় অর্থাৎ ‘স্বর্গের মহিষ’ ও ‘গিলগামেশের অভিযান’ এবং সাথে প্রথম দুটি অধ্যায়কেও আমরা খুঁজে পাই আক্কাদিয়ান ভাষায় অনূদিত অবস্থায়—খ্রিষ্টপূর্ব ১৮০০ থেকে ১৫০০ সালের মাঝে। আক্কাদিয়ান ভাষার আবির্ভাব হয়েছিল সুমেরীয় ভাষার পরে, যে ভাষার আবির্ভাব ঘটেছিল সুমেরীয় শহরগুলোর শক্তিমত্তা খর্ব হওয়ার পর; এবং নদীর তীর দখল করা মানুষদের মুখের ভাষা হিসেবে।

    খ্রিষ্টপূর্ব ১০০০ সালের আশেপাশে, গল্পের চারটি অধ্যায় আবির্ভূত হয় ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী এলাকাগুলোতে এবং এশিয়া মাইনরে। মহাপ্লাবনের গল্পটির বিভিন্ন চিত্রায়ণ খুঁজে পাই আমরা খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ সালের আগে থেকেই। খুব সম্ভব এই গল্পটি গিলগামেশের উপাখ্যানের সাথে জোর করে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল এর পঞ্চম অধ্যায় হিসেবে; সম্ভবত গিলগামেশের মৃত্যুরও এক হাজার বছর পরে এই কাজ করা হয়েছিল। ভালো করে খেয়াল করলেই বোঝা যায় বাকি অধ্যায়গুলোর সাথে এটির কোনো সম্পর্কই নেই।

    ‘বসো এবং এই গল্পটি শুনো’, উতনাপিশটিম গিলগামেশকে আদেশ করেন এবং সরাসরি গল্পে চলে যান। শুনে মনে হবে যেন নৌকা থেকে নামার পর থেকে তিনি কাউকে এই গল্পটি শোনানোর অপেক্ষাতেই ছিলেন। আর ‘গিলগামেশের অভীষ্ট লক্ষ্য’ নামের গল্পটি (যেখানে তিনি পুনরুজ্জীবনী উদ্ভিদ খুঁজে পেয়েও তা হারিয়ে ফেলেন) বাকি পাঁচটি অধ্যায়ের সাথে যুক্ত হয়েছে খ্রিষ্টপূর্ব ৬২৬ সালে।

    সেই বছরেই খুঁজে পাওয়া যায় ছয় অধ্যায়সংবলিত এই উপাখ্যানটির প্রাচীনতম প্রতিলিপি। এটি খুঁজে পাওয়া যায় আশুরবানিপালের লাইব্রেরি থেকে, তিনি ছিলেন একজন এসিরীয় রাজা, যার ছিল একজন গ্রন্থাগারিকের আত্মা। আশুরবানিপাল খ্রিষ্টপূর্ব ৬৬৮ সালে রাজত্ব লাভ করেন। তার প্রায় ত্রিশ বছরের শাসনামলে তিনি ব্যাবিলন ধ্বংস করেন; তার নিজের ভাইকে হত্যা করেন (যিনি ব্যাবিলনের রাজা হয়েছিলেন) এবং জোনাহ নামের একজন হিব্রু ধর্মপ্রচারকের উপর ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। জোনাহ মতামত দিয়েছিলেন যে আশুরবানিপালের রাজধানী নিনেভেহ একটি অভিশপ্ত শহর ছিল।

    খ্রিষ্টপূর্ব ৬২৬ সালে মারা যাওয়ার আগে পর্যন্ত আশুরবানিপাল বাইশ হাজার কাদামাটির ট্যাবলেট সংগ্রহ করেন, পৃথিবীর প্রথম প্রকৃত লাইব্রেরির জন্য। এর মধ্যে ১২টি ট্যাবলেটে গিলগামেশের কাহিনিটি লিপিবদ্ধ ছিল এবং সেই একই লেখনী এখনও অবিকৃতভাবেই পুনঃপ্রকাশিত হয়ে যাচ্ছে বিশ্বজুড়ে।

    সবদিক বিবেচনা করে বলা যায় যে শুধু প্রথম দুইটি উপাখ্যানই গিলগামেশের জীবদ্দশার নিকটবর্তী সময়ে প্রকাশিত হয়েছিল। গিলগামেশের অপরিসীম শক্তিমত্তা যেভাবে তার প্রজাদের জীবনে দুঃখ-দুর্দশার কারণ হয়েছিল এবং উত্তরের সিডার বনে যাত্রা এবং সবশেষে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার বর্ণনা- এগুলোকে বলা যেতে পারে খানিকটা অতিরঞ্জিত এবং বিকৃত ঐতিহাসিক সত্য।

    সর্বোপরি এই কাহিনিগুলো পৃথিবীর প্রথম মহাকাব্যের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করে, যেখানে দেখানো হয়েছে মৃত্যু একইসাথে ধ্বংস এবং মুক্তির রূপ নিয়ে আসতে পারে।

    প্রথম গল্প ‘এনকিদুর উপাখ্যান’-এ রাজা উরুক তার প্রজাদেরকে বিভিন্নভাবে শোষণ করতে থাকলে তারা বলা শুরু করে–

    ‘গিলগামেশ তার নিজের আমোদের জন্য যুদ্ধের দামামা বাজায়
    তার ঔদ্ধত্যের কোনো সীমা নেই
    দিন হোক বা রাত্রি, সে পিতাদের কাছ থেকে পুত্রদের ছিনিয়ে নেয় য
    দিও একজন রাজার হওয়া উচিত জনগণের মেষপালক।’

    এ থেকে বোঝা যেত যে সুমেরীয় রাজাদের ঐশ্বরিক ক্ষমতায় প্রাপ্ত রাজা হওয়ার অধিকার, যার দৃঢ় কর্তৃত্বের কারণে শহরগুলো বেঁচে থাকতে পেরেছিল এতদিন, তা দুঃখজনকভাবে স্বৈরশাসনে রূপান্তরিত হয়েছে। উরুকের নাগরিকরা ঈশ্বরের কাছে ফরিয়াদ জানায় এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভের আশায়। এর ফলে দেবতারা এনকিদু নামের একটি কাদামাটির প্রাণী তৈরি করেন এবং সেটিকে সুমেরের পতিত ভূমিতে ছেড়ে দেন।

    এনকিদু চাষের জমির ব্যাপারে কিছুই জানত না। সে জানত না সভ্য মানুষ কিংবা তাদের জীবন ধারণের পন্থা সম্পর্কে এবং সে সেসব প্রাচীরঘেরা শহর সম্পর্কেও অবগত ছিল না যেগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল সুমেরীয় সভ্যতা। তাকে দেখে একজন ঐশ্বরিক ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ বলে ভ্রম হয় কিন্তু তার আচার আচরণ ছিল পশুর মতো। সে সমতলভূমিতে ঘুরে বেড়াত আর ঘাস খেয়ে অন্যান্য পশুদের সাথে জীবন ধারণ করত। প্রকৃতপক্ষে সে ছিল যাযাবরদের আদলে তৈরি একটি প্রাণী যারা সব সময় শহরবাসীদের সাথে কলহে লিপ্ত ছিল।

    গিলগামেশ যখন এই নবাগতের ব্যাপারে খবর পেলেন তখন তিনি জঙ্গলে একজন পতিতাকে পাঠালেন তাকে ছলাকলায় ভুলিয়ে বশীভূত করার জন্য (কাব্য থেকে আমরা জানতে পারি ‘সে নিজেকে নগ্ন করে ফেলেছিল’)। মোটামুটি সরল এই কৌশলে পরাভূত হয়ে এনকিদু ছয় দিন ও সাত রাত্রি ইন্দ্রিয় সুখে নিমজ্জিত ছিল। অবশেষে যখন সে উঠে দাঁড়াল এবং পশুদের সাথে তার পূর্ববর্তী জীবনে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করল তখন তারা তার কাছ থেকে দৌড়ে পালিয়ে গেল—সে ততক্ষণে মানুষে রূপান্তরিত হয়েছে।

    ‘এনকিদু ক্ষয়িষ্ণু এবং দুর্বল হয়ে গিয়েছিল
    এবং বন্য জন্তুরা তার থেকে পালিয়ে গিয়েছিল
    কিন্তু তার পরিবৃদ্ধিও ঘটেছিল
    কারণ তখন তার কাছে প্রজ্ঞা এসেছিল
    এবং তখন তার কাছে আছে মানব-চিন্তাধারা।’

    মানুষের মতো চিন্তা করতে শুরু করার পর এনকিদুর জন্য শহরে গিয়ে বসবাস করাটাই হয়ে দাঁড়াল স্বাভাবিক ব্যাপার। সেই পতিতাটি তাকে প্রস্তাব দিলো ‘শক্ত প্রাচীরে ঘেরা উরুকে যাওয়ার জন্য, যে শহরকে বন্য মোষের মতো দৃঢ়তার সাথে গিলগামেশ শাসন করছেন’।

    যখন তারা উরুকে আগমন করল তখন গিলগামেশ একটি বিয়ের অনুষ্ঠানকে বাধাগ্রস্ত করার কাজে ব্যস্ত ছিলেন সেই যুগে প্রচলিত ‘ড্রয়েট দু সিগনেউর’ বা ‘অধিকর্তার অধিকার’ নামক দাবির মাধ্যমে, যা তিনি অনেক বছর ধরেই বিলাসিতার সাথে প্রয়োগ করে আসছিলেন। মহাকাব্যে বর্ণিত আছে, ‘উরুকের রাজা নববধূর সাথে প্রথম পুরুষ হিসেবে সহবাস করার দাবি জানালেন’ এবং এর পেছনে যুক্তি হিসেবে তিনি নিজের জন্মসূত্রে প্রাপ্ত অধিকারের কথা উল্লেখ করেন। গিলগামেশের রাজকীয় ক্ষমতার অপব্যবহারে ক্ষুদ্ধ হয়ে এনকিদু সেই বধূর বাসরঘরের দরজার সামনের রাস্তাটি বন্ধ করে দাঁড়িয়ে যান। তখন দুজনের মধ্যে মল্লযুদ্ধ হয় এবং অল্পের জন্য গিলগামেশ পরাজয়ের হাত থেকে রক্ষা পান। এর আগে গিলগামেশ কখনও এত কঠিন কোনো প্রতিপক্ষের সামনে পড়েননি। হেরে গিয়েও তিনি এনকিদুর শক্তি ও সামর্থ্যে মুগ্ধ হন এবং দুজনে দুজনের প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেন। এই যুদ্ধের ফলে গিলগামেশের স্বৈরাচারী সত্তায় পরিবর্তন আসে। উরুকের বাসিন্দারা হাঁপ ছেড়ে বাঁচেন এবং পথে-প্রান্তরে শান্তির ছায়া নেমে আসে।

    এই কুস্তিযুদ্ধ অবশ্যই সামান্য কোনো কুস্তি ছিল না।

    এই গল্পের মাঝে লুক্কায়িত আছে সুমেরীয় রাজাদের অধিকারসংক্রান্ত দ্বৈত ভাবটি। রাজত্ব করার ক্ষমতাটি ছিল দেবতাদের কাছ থেকে মানুষের জন্য উপহারস্বরূপ, যাতে তারা ভালোভাবে জীবন ধারণ করতে পারে। রাজাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব ছিল : ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, দুর্বলদেরকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধার হাত থেকে রক্ষা করা। বলা বাহুল্য, একজন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকারী রাজার ইচ্ছাশক্তি অনেক দৃঢ় হওয়া প্রয়োজন।

    কিন্তু একইসাথে এই ক্ষমতা ছিল বিপজ্জনক, যা শোষণের হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। আর যখন তা হতো তখন সুমেরীয় শহরগুলো দুর্বল থেকে দুর্বলতর হতে থাকত। উরুকে রাজাই ছিলেন আইন; আর যদি রাজা নিজে দুর্নীতিপরায়ণ হয়ে যেতেন তা হলে সেই আইনের মূল ভিত্তিটাই নষ্ট হয়ে যেত।

    এই ব্যাপারটি এতটাই ভীতিকর ছিল যে সেটাকে শুধু তীর্যকভাবে পর্যালোচনা করা যেত।

    গিলগামেশ যুদ্ধ করছেন, নিজের সাথে নয় বরং একটি প্রাণীর সাথে, যে প্রাচীরের বাইরে থেকে এসেছে। সেই বধূটির বাসরঘরের বাইরে অনুষ্ঠিত কুস্তি যুদ্ধটি তিনি লড়েছিলেন তারই অসভ্য প্রতিফলনের সাথে। এনকিদুকে তার মতো করেই তৈরি করা হয়েছে এবং তারও রয়েছে গিলগামেশের মতো একটি ঝঞ্ঝাক্ষুব্ধ হৃদয়। কাব্যের ভাষায়-

    ‘তারা একে অপরের সাথে যুদ্ধ করুক
    এবং শহরবাসীকে শান্তিতে থাকতে দিক।’

    গিলগামেশের সিডার বনে যাত্রার কাহিনিটিও খুব বেশি ভিন্ন নয়। সেখানেও আমরা গিলগামেশকে দেখতে পাই নিজ ইন্দ্রিয়সুখের কাছে পরাভূত হয়ে গোঁয়ারের মতো আচরণ করতে।

    ‘আমি দানবদের পরাভূত করব
    আমি চিরদিনের মতো নিজের সুনামকে প্রতিষ্ঠিত করব’

    এই কথাগুলো উরুকের জ্যেষ্ঠদের সভায় উচ্চারণ করেন গিলগামেশ। তারা গিলগামেশকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন-

    ‘তুমি নবীন ও অনভিজ্ঞ, গিলগামেশ
    তোমার হৃদয় তোমাকে ভুল পথে পরিচালিত করছে
    দানবরা মানুষের মতো মরণশীল নয়।’

    কিন্তু তার জেদের কাছে জ্যেষ্ঠরা হার মানতে বাধ্য হন। গিলগামেশ আর এনকিদু দানবটির সাথে যুদ্ধ করার জন্য রওনা দেন। এনকিদুর উপর জ্যেষ্ঠরা বাড়তি দায়িত্ব হিসেবে গিলগামেশকে নিরাপদ রাখার ভারটি চাপিয়ে দেন।

    গিলগামেশের উত্তরাভিমূখী যাত্রার মূলে ছিল খ্যাতি লাভের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। একই আকাঙ্ক্ষার বশবর্তী হয়ে তিনি তার প্রজাদেরও যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন। তবে আরও একবার, বাইরের শক্তিগুলোকে উরুকের শান্তির প্রতি হুমকি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল এবং বলা হয়েছিল যে অশুভ চিন্তাগুলো রাজার আত্মায় নয় বরং উত্তরের, দূরবর্তী জঙ্গল থেকে এসেছে।

    এবার আরেকটি ভিন্ন ধরনের বিপদের আনাগোনাও টের পেলেন গিলগামেশ। তাকে নিয়ে লেখা প্রাচীনতম গল্পেও তিনি মৃত্যু নিয়ে চিন্তাগ্রস্ত ছিলেন। রওনা দেওয়ার আগেই তিনি নিজের মরণশীলতা নিয়ে ভাবতে থাকেন। এই কথাগুলো শুনে মনে হয় তিনি অবশ্যম্ভাবী সত্যকে মেনে নিয়েছেন-

    ‘কে-ই বা যেতে পারে স্বর্গে?
    শুধু দেবতারাই আজীবন বেঁচে থাকেন
    মানুষের জীবনের দিনগুলো এক সময় ফুরিয়ে যায়
    কিন্তু আমার যদি মৃত্যুও ঘটে তবু আমি খ্যাতিমান হবো
    আর সেই খ্যাতি চিরস্থায়ী’

    এবং তিনি যে সেই যুদ্ধে পরাজিত হয়ে মৃত্যুবরণ করতে পারেন সেই চিন্তা তার মনে ভালো করেই জায়গা করে নিয়েছিল। দানব হুমবাবার সাথে লড়াই করতে যাওয়ার পথে তিনি তিনবার স্বপ্ন দেখেন এবং প্রতিবারই চিৎকার করে কেঁদে ওঠেন এই বলে, ‘দেবতার মৃত্যু ঘটেছে; আমার শরীরের সব লোম খাড়া হয়ে গিয়েছে।’ তৃতীয় স্বপ্নটি সবচেয়ে উদ্বেগজনক ছিল—

    ‘দিনের আলো নিশ্চুপ হয়ে গেছিল এবং অন্ধকার ঘনীভূত হয়েছিল
    বজ্রপাত হলো এবং চারপাশে আগুন ধরে গেল
    বৃষ্টির মতো মৃত্যু নেমে এলো।’

    তিনি এতটাই ভয় পেয়েছিলেন যে ফিরে যাওয়ার কথাও ভেবেছিলেন। কিন্তু এনকিদু তাকে নিবৃত্ত করে এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করেন। তারপর, হুমবাবার সাথে লড়াই শুরু হওয়ার ঠিক আগে আগে তিনি এক গভীর ঘুমে তলিয়ে পড়েন এবং এনকিদুর প্রয়াসে কোনোমতে সেই ঘুম ভাঙে এবং তিনি সময়মতোই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারেন। অশুভ লক্ষণ থাকা সত্ত্বেও তারা মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যান।

    এই গল্পটির শেষভাগে আমরা দেখতে পাই যে উরুক নিরাপদে রয়েছে এবং দানবটির মৃত্যু ঘটেছে। কিন্তু এই অভিযান থেকে গিলগামেশ উপলব্ধি করতে পারেন যে তার দিন ফুরিয়ে আসছে এবং তাকে মৃত্যুভয় আচ্ছন্ন করে—সম্ভবত প্রথমবারের মতো। এই ভাবনাগুলোকে ভিত্তি করেই পরবর্তী গল্পগুলো কেন্দ্ৰীভূত হয়েছে; এবং প্রতিটিতেই আমরা দেখি গিলগামেশের মৃত্যুকে নিয়ে দুর্ভাবনা এবং তাকে জয় করার তীব্র অভিলাষ।

    গিলগামেশ স্বর্গের বাগানের পথে যাত্রা করেন, এই আশায় যে তিনি কোনো উপায়ে নিহত এনকিদুকে মৃত্যুর জগৎ থেকে ফিরিয়ে আনতে পারবেন। তিনি অমরত্বের রহস্য ভেদ করতে গিয়ে মহাপ্লাবনের গল্প শুনলেন; এবং অনেক চেষ্টার পর তিনি চিরযৌবনের উদ্ভিদ খুঁজে পেলেন, যা মৃত্যুকে পরাজিত করতে না পারলেও বিলম্বিত করতে পারে। কিন্তু তিনি সেই উদ্ভিদটি নিজের করে নিতে পারলেন না; একটি জলস্বপ সেটিকে ছিনিয়ে নিয়ে চলে গেল তার চোখের সামনে দিয়ে। মৃত্যুকে এড়িয়ে যাওয়ার এই যুদ্ধে তিনি অনেক কূটকৌশল অবলম্বন করেন; বহুদূরে যাত্রা করেন, ভিক্ষা করেন, খোঁজাখুঁজি করেন কিন্তু তিনি কখনোই সাফল্যের মুখ দেখেন না।

    সুমেরীয়দের জন্য ব্যাপারটি বেশ লাভজনক ছিল। মহাকাব্যের শেষভাগে লিপিবদ্ধ গিলগামেশের শেষকৃত্য ও তার মাতমের বর্ণনাটি আশুবানিপালের কপিতে ছিল না; এর উৎস আরও প্রাচীন। সম্ভবত এসিরীয়রা এর শেষের অংশটিকে বেশ অপ্রাসঙ্গিক ভাবত বিশেষ করে এর পূর্বের প্রতিটি অধ্যায়ে গিলগামেশের অমরত্ব লাভের অভিযানের সাথে তুলনা করতে গিয়ে। কিন্তু এই ‘মাতম’টি কয়েকটি বাক্যে সুমেরীয়দের রাজত্বসংক্রান্ত দুর্ভাবনাকে সরাসরি প্রকাশ করে। কাব্যের ভাষায়-

    ‘আপনাকে রাজত্ব করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল
    অমরত্ব ছিল না আপনার শেষ গন্তব্য।
    আপনার হাতে ক্ষমতা ছিল ভাঙা এবং গড়ার
    মানুষের উপর আধিপত্য স্থাপনের ক্ষমতা
    এবং যুদ্ধে বিজয়ের স্বাদ।
    কিন্তু এই ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না।
    আপনার প্রাসাদের ভৃত্যদের সাথে ন্যায়পরায়ণ ব্যবহার করবেন
    রাজা নিজেকে নিচে নামিয়েছে
    সে পাহাড়ে গিয়েছে
    আর সে কখনও ফিরবে না
    সেই শত্রু যার নেই হাত কিংবা পা
    যে পান করে না পানি কিংবা খায় না মাংস
    সেই শত্রুর ভার তার উপর চেপে বসেছে।’

    সুমেরে গিলগামেশকে তার জীবদ্দশাতেই দেবতা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়েছিল। তার এই অবস্থান তিনি অর্জন করেছিলেন শহর রক্ষক ও শাসক হিসেবে তার অপরিসীম পরিশ্রমের কল্যাণে। কিন্তু মৃত্যু তার এই দেবত্বকে প্রশ্নের সম্মুখীন করে দেয়। গিলগামেশ আরও অনেক পরে আসা নর্স পুরাণে বর্ণিত বালডার-এর মতো ছিলেন, যিনি অমর না হলেও স্বর্গীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

    সর্বোপরি গিলগামেশের অচিন্তনীয় শক্তিমত্তা তার মৃত্যুকে আরও গুরুত্বপূর্ণ বানায়। তিনি যদি অশুভ হতেন তবুও কোনো এক সময় তার শক্তিমত্তার অবসান ঘটত। সুমেরের সবচেয়ে শক্তিশালী রাজাও মৃত্যুবরণ করেন। হাত ও পা-বিহীন সেই শত্রু সেই ভীতিকর ক্ষমতাকে প্রশমিত করে যা জনগণের পক্ষে কিংবা বিপক্ষে কাজ করতে পারে। পৃথিবীর প্রথম মহাকাব্যিক উপাখ্যানে, সুমেরের মতোই, গিলগামেশ সব ধরনের প্রতিপক্ষের সাথে জয়ী হয়েছেন–কাউকে যুদ্ধে হারিয়েছেন, কাউকে অপেক্ষমাণ রেখে নিঃস্ব বানিয়েছেন কিংবা শুধু বাগাড়ম্বরে কারও মনোভাব বদলে দিয়েছেন। কিন্তু তিনি পরাজিত হয়েছেন শুধু সেই শেষ শত্রুটির কাছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার
    Next Article অশরীরীজগৎ – ইশতিয়াক হাসান

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }