Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় বারো – প্রথম সংস্কারক

    খ্রিষ্টপূর্ব ২৩৫০ সালের দিকে একজন সুমেরীয় রাজা দুর্নীতি ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে করতে সিংহাসন হারিয়ে ফেলেন।

    এটা চিন্তা করা খুবই কঠিন যে সুমেরীয়রা মিশরীয়দের মতো তাদের শাসকের হাতে ফারাওসুলভ ঐশ্বরিক ক্ষমতা তুলে দেবে।

    সুমেরীয় নাগরিকরা নিশ্চিতভাবেই বিদ্রোহ করত, যদি তাদেরকে বলা হতো বিশ বছর ধরে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করতে হবে যার একমাত্র উদ্দেশ্য হবে তাদের শাসকের মাহাত্ম্যকে প্রকাশ করা। সুমেরীয় রাজাদেরও তাদের প্রজাদের উপর এই ধরনের প্রভাব ছিল না। গিলগামেশের আমলে চারটি শহরের সমন্বয়ে তৈরি জোটটিই ছিল একীভূত সুমেরের সবচেয়ে শক্তিশালী রূপ এবং সেটির স্থায়িত্বও গিলগামেশ জীবিত থাকা অবস্থাতেই প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিল। তার পুত্র উর-লুগাল উত্তরাধিকারসূত্রে রাজত্ব পেয়েছিলেন এবং সেটিকে অবিভক্তও রাখতে পেরেছিলেন; কিন্তু প্রায় সার্বক্ষণিক যুদ্ধবিগ্রহের মধ্য দিয়ে যাওয়ার কারণে শহরগুলো অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছিল। মিশর বহিঃশত্রুর আক্রমণের শিকার হয়নি বললেই চলে। কিন্তু সুমেরীয়দের সেই সুখ ছিল না; তাদেরকে গ্রাস করে নেওয়ার জন্য পূর্বের এলামাইটরা অপেক্ষমাণ ছিল।

    যতদিন সুমেরীয়রা মেসোপটেমিয়ার সমতলভূমি দখল করে রেখেছিল ঠিক ততটা সময় ধরে এলামাইটরা উপসাগরের পূর্বে অবস্থিত তাদের নিজস্ব ছোটো ছোটো শহরে বসবাস করছিল। বেশির ভাগ প্রাচীন জাতি বা গোষ্ঠীর মতো তাদেরও মূল খুঁজে পাওয়া দুষ্কর; কিন্তু তাদের শহরগুলো শুধু কাস্পিয়ান সাগরের দক্ষিণেই গড়ে উঠেনি বরং জাগরোস পর্বতমালার পূর্বে অবস্থিত বড়ো লবণাক্ত মরুভূমির পূর্বদিকের মালভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল।

    খ্রিষ্টপূর্ব ২৭০০ সালের দিকে এলামাইটদের মাঝেও রাজাদের আবির্ভাব ঘটে। দুটি যমজ শহর—সুসা ও আওয়ান-তাদের সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করত। এদের মাঝে আওয়ান (যার প্রকৃত অবস্থান অজ্ঞাত) ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আওয়ানের রাজার হাতেই ছিল এলামাইটদের সর্বময় কর্তৃত্ব—অনেকটা কিশের রাজার মতো।

    গিলগামেশের আমলের প্রায় দুইশ বছর পরের শিলালিপি থেকে আমরা সুমেরের চারপাশে অবস্থানরত প্রতিযোগীদের ব্যাপারে জানতে পারি। এলামাইটগণ, সুমেরীয় সমতলভূমির দুই শহর উরুক ও কিশ এবং এর সাথে ক্রমবর্ধমান শক্তিমত্তার পরিচায়ক শহর উর, লাগাশ ও উম্মা—অনেকগুলো অমীমাংসিত যুদ্ধ লড়েছিল নিজ নিজ প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার সংকল্পে।

    সুমেরের রাজার তালিকায় বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য নাম বাদ পড়েছে। এই তালিকায় কিছু রাজার নাম এমনভাবে এসেছে যাতে দেখে মনে হয় তারা পরপর এসেছেন কিন্তু আদতে তারা সবাই একই সময়ে ভিন্ন ভিন্ন শহরের শাসনকর্তা ছিলেন আলাদা আলাদাভাবে। এই অবিন্যস্ততার কারণেই একটি সঠিক কালানুক্রম প্রতিষ্ঠা করা এত কষ্টকর। তবে আমরা এটুকু জানি যে গিলগামেশের পুত্র তার পিতার রাজত্ব পেয়েছিলেন; উরুককে দখল করে নিয়েছিলেন উর; এবং আওয়ান, যুদ্ধের মাধ্যমে উর শহরের দখল নিয়ে নিয়েছিলেন। এই তথ্য থেকে মনে হয় এলামাইটরা একটি বড়োসড়ো আক্রমণ চালিয়েছিল সুমেরের উপর। সম্ভবত এই কারণেই কিশের পরবর্তী রাজাদের মাঝে আমরা এলামাইটদের নাম খুঁজে পাই।

    তবে সুমেরের প্রতিটি শহর এলামাইটদের দখলে যায়নি। এলামাইটদের আক্রমণের অল্প কিছুদিন পরে, সুমেরের একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে, মেসোপটেমীয় সমতলভূমিতে অবস্থিত আদাব শহরের রাজা এক বিরাট সৈন্যবাহিনী গড়ে তোলেন এবং তাদের আধিপত্যের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।

    মানচিত্র-৯ : সুমের ও এলামের শহরগুলো 
    মানচিত্র-৯ : সুমের ও এলামের শহরগুলো 

    রাজা লুগুলান্নেমুন্ডু খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ সালের আশেপাশের কোনো একটি সময়ে রাজত্ব করতেন। সুমেরকে বহিঃশত্রু থেকে মুক্ত করার জন্য তিনি তেরোটি এলামাইট নিয়ন্ত্রিত শহরের সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে তৈরি এক সুবিশাল মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। তার নিজস্ব শিলালিপিতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তিনি এই যুদ্ধে জয় লাভ করেছিলেন এবং তিনি নিজেকে ‘চার-চতুর্থাংশের রাজা’ (অর্থাৎ সমগ্র পৃথিবীর রাজা) হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি সেখানে আরও উল্লেখ করেন যে তিনি সকল বিদেশি শক্তিকে বাধ্য করেন তাকে নিয়মিত উপঢৌকন পাঠানোর ব্যাপারে এবং তিনি তার দেশের জনগণের জন্য শান্তি ফিরিয়ে এনেছিলেন সুমেরকে স্বাধীন করার মাধ্যমে।

    এই বর্ণনা সঠিক হলে তার খণ্ডকালীন সাম্রাজ্যের ব্যাপ্তি গিলগামেশের সময়ের সুমেরের চেয়েও বড়ো ছিল। তবে লুগুলান্নেমুণ্ডু হয়তো সুমেরকে এলামাইটদের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন এবং তাদের স্বাধীন সত্তা ও কৃষ্টিকে সুরক্ষা প্রদান করেছিলেন বেশ কিছুদিনের জন্য; কিন্তু তার সেই কীর্তিগুলো গিলগামেশের মতো মহাকাব্যিক হতে পারেনি এবং তার রাজত্বের স্থায়িত্বও গিলগামেশের চেয়ে অনেক বেশি ছিল না।

    সুমেরের সমতলভূমিকে ঘিরে পরবর্তী উল্লেখযোগ্য ঘটনাটি ছিল লাগাশ ও উম্মা শহরের সীমানার নিকটবর্তী একটুকরো মালিকানাবিহীন, বিস্মরণযোগ্য জমি নিয়ে সংঘাত। এই যুদ্ধের ফলে সুমেরীয় ঐতিহ্য ও কৃষ্টির যবনিকাপাত ঘটে।

    যে শিলালিপিতে এই সীমান্ত-সংঘাতের বিবরণটি লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল সেটি রচিত হয়েছিল লুগুলান্নেমুন্ডুর দু-তিন প্রজন্ম পরে এবং ততদিনে তার রাজত্বটি বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে পুরোপুরি। সুমেরীয় রাজারা অস্ত্রের ঝংকার এবং ব্যক্তিগত কারিশমার মাধ্যমে রাজ্য শাসন করতেন; তাদের ছিল না কোনো প্রতিষ্ঠিত শাসনতন্ত্র।

    স্বভাবতই, যখন রাজার মুকুটটি একজন প্রগতিশীল যোদ্ধা রাজের কাছ থেকে তার অনভিজ্ঞ এবং তুলনামূলকভাবে অযোগ্য পুত্রের কাছে স্থানান্তরিত হতো, সে সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারত না এবং রাজত্বের অবস্থা ভঙ্গুর হয়ে পড়ত।

    লুগুলান্নেমুণ্ডুর রাজত্ব এত দ্রুত ভেঙে পড়েছিল যে তার শহর আদাব সবচেয়ে শক্তিশালী সুমেরীয় শহরদের তালিকা থেকেও বাদ পড়ে গিয়েছিল। যখন লাগাশ আর উম্মা যুদ্ধ করছিল তখন পুনরায় ক্ষমতাবান হওয়া কিশের রাজা সেখানে নাক গলাতে আসলেন। প্রায় পঞ্চাশ মাইল দূরত্বে অবস্থিত দুটি শহর একে অপরের ভূমিতে অনুপ্রবেশ করছিল সেই সময়। কিশের রাজা মেসিলিম সেখানে হস্তক্ষেপ করলেন এবং ঘোষণা দিলেন যে সুমেরীয় বিচারের দেবতা সাতারান তাকে পথ দেখিয়েছেন, কীভাবে শহর দুটির সঠিক সীমানা নির্ধারণ করতে হবে সেই ব্যাপারে। তিনি একটি স্টেলে (শিলালিপিসমৃদ্ধ পাথর) তৈরি করলেন এবং তাতে লিখলেন : ‘মেসিলিম, কিশের রাজা, সাতারানের বার্তা অনুযায়ী এই সীমানা নির্ধারণ করলেন।’ সম্ভবত দুটি শহরই মেসিলিমের এই বিচার মেনে নিয়েছিলেন। আপনি সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে সরাসরি বার্তা পেয়েছেন এই ব্যাপারটিকে ভুল প্রমাণ করা এখন যেমন দুষ্কর, তখনও সেরকমটিই ছিল।

    তবে এই শান্তিচুক্তি বেশিদিন টিকেনি। মেসিলিমের মৃত্যুর পর উম্মা শহরের নতুন রাজা এসে এই স্টেলেটিকে গুঁড়িয়ে দেন এবং তিনি সেই বিতর্কিত জমিটিকে তার শহরের বর্ধিত অংশ হিসেবে দখল করে নেন। এ থেকে বোঝা যায় যে দেবতা সাতারান নয় বরং রাজা মেসিলিমের ভয়েই তারা শান্তিপূর্ণ সমাধানটি মেনে নিয়েছিলেন। উম্মা দুই প্রজন্ম ধরে জমিটির দখল নিয়ে রেখেছিল। এরপর ইয়ান্নাতুম নামের লাগাশের একজন মিলিটারি মেজাজের রাজা পুনরায় ভূখণ্ডটি নিজেদের দখলে নেন।

    চিত্র-৪ : ১২১ স্টেলে অব ভালচার্স। শকুনরা পরাজিত যোদ্ধাদের খণ্ডিত মস্তক মুখে নিয়ে উড়ে যাচ্ছে-লাগাশের রাজার জয়কে উদযাপন করার জন্য। ল্যুভর, প্যারিস। ফটো ক্রেডিট : এরিক লেসসিং/আর্ট রিসোর্স, নিউ ইয়র্ক। 
    চিত্র-৪ : ১২১ স্টেলে অব ভালচার্স। শকুনরা পরাজিত যোদ্ধাদের খণ্ডিত মস্তক মুখে নিয়ে উড়ে যাচ্ছে-লাগাশের রাজার জয়কে উদযাপন করার জন্য। ল্যুভর, প্যারিস। ফটো ক্রেডিট : এরিক লেসসিং/আর্ট রিসোর্স, নিউ ইয়র্ক। 

    আমরা অন্য অনেক সুমেরীয় রাজার চেয়ে ইয়ান্নাতুমের ব্যাপারে বেশি জানি, কেননা তিনি শিলালিপি ও স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির ব্যাপারে অনেক বেশি আগ্রহী ছিলেন। তিনি সুমেরের সবচেয়ে বিখ্যাত স্মৃতিস্তম্ভগুলোর মাঝে একটি তৈরি করে রেখে গিয়েছেন, যার নাম ‘দ্য স্টেলে অব ভালচার্স’ (শকুনের স্টেলে)। এই পাথরের বড়ো টুকরোটির উপরে কমিক্স বইয়ের মতো করে খোদাই করা আছে উম্মার বিরুদ্ধে ইয়ান্নাতুমের বিজয়ের গল্পগাথা। শত্রুপক্ষের পরাজিত যোদ্ধাদের লাশের উপর দিয়ে বর্শা ও ঢালে সজ্জিত ইয়ান্নাতুমের সৈন্যবাহিনীর পদযাত্রাকে চিত্রিত করা হয়েছে মুনশিয়ানার সাথে।

    সাথে আরও দেখানো হয়েছে যে শকুনরা মৃতদেহ ঠোকরাচ্ছে আর তাদের ছিন্ন মস্তক মুখে নিয়ে উড়ে চলে যাচ্ছে। একটি শিলালিপিতে ব্যাপারটাকে পরিষ্কার করা হয়েছে এভাবে : ‘সেই সমতলভূমিতে অসংখ্য মরদেহ স্তূপ করে রেখেছিল’ এবং তারা মারা যাওয়ার আগে ‘হাঁটু গেড়ে কাঁদতে কাঁদতে তাদের জীবন ভিক্ষা চেয়েছিল’।

    শকুনের স্টেলেতে আমরা দেখতে পাই এক নতুন ধরনের যুদ্ধের স্বরূপ। ইয়ান্নাতুমের বাহিনীর হাতে শুধু বর্শাই ছিল না, তাদের সাথে ছিল যুদ্ধ-কুঠার এবং কাস্তের মতো বাঁকানো তরবারি এবং তারা প্রত্যেকে একইভাবে অস্ত্রসজ্জিত ছিল। এ থেকে আমরা সুসংহত সেনাবাহিনীর একটি ধারণা পাই যা পূর্বের ছন্নছাড়া, ভাড়াটে সৈন্যের ধারণা থেকে ভিন্ন। পরবর্তীকালে সম্রাট আলেকজান্ডারের পদাতিক বাহিনীর অতীব কার্যকরী ফ্যালাংক্স নামক প্রতিরক্ষা ব্যূহ তৈরি করে এই সৈন্যদেরকে পদযাত্রা করতে দেখা গিয়েছে এই পাথরের স্টেলেতে। ইয়ান্নাতুমকে দেখা যায় একটি খচ্চর-টানা যুদ্ধযানে (চ্যারিওটে ) বসে সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দিতে।

    লাগাশের রাজা ইয়ান্নাতুম তার এই সুসংহত বাহিনী ব্যবহার করে শুধু উম্মার সাথেই যুদ্ধ লড়েননি বরং সমতলভূমিতে অবস্থিত সকল সুমেরীয় শহরের সাথেই লড়েছিলেন। তিনি কিশ ও মারি শহরের বিরুদ্ধে লড়েন এবং হামলাকারী এলামাইটদেরও ঠেকান। সারা জীবন যুদ্ধে নেতৃত্ব দিতে দিতে যুদ্ধক্ষেত্রেই সম্ভবত তার মৃত্যু হয়। তার ভাই তখন রাজত্বের ভার গ্রহণ করেন।

    পরবর্তী চার প্রজন্ম ধরে লাগাশ ও উম্মা সেই সীমানা নির্ধারক জমিটিকে ঘিরে যুদ্ধে ব্যতিব্যস্ত থাকে; যা ছিল একটি তিক্ত এবং রক্তাক্ত অভ্যন্তরীণ কলহ। মাঝে মাঝে বহিরাগত এলামাইটদের হামলার কারণে সেই গৃহযুদ্ধ বাধাগ্রস্ত হতো।

    উম্মার পরবর্তী রাজা সেই স্টেলেগুলোকে পোড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন—মেসিলিমেরটা এবং সাথে শকুনেরটাও। তবে এটি একটি প্রতীকী প্রক্রিয়া ছিল, কেননা আমরা সবাই জানি যে পাথরকে পোড়ানো যায় না। তবে তিনি এই কাজের মাধ্যমে তার মনোভাবকে পরিষ্কার করে বোঝাতে পেরেছিলেন। ইয়ান্নাতুমের নাম না জানা ভাই লাগাশের মসনদটি তার ছেলের কাছে স্থানান্তর করে দিয়ে যান, যাকে একজন দখলদার এসে উৎখাত করেন।

    সীমান্ত নিয়ে ঝগড়াঝাঁটি শুরু হওয়ার শতবর্ষ পূরণ হয়ে গিয়েছিল কিন্তু তবু তার মিটমাট হয়নি।

    ততদিনে লাগাশের শাসনভার এসেছে উরুকাগিনা নামক একজন রাজার হাতে। উরুকাগিনাকে প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্যের জিমি কার্টার হিসেবে অভিহিত করা যায়, কারণ তিনিই ছিলেন প্রথম বিবেকবান সুমেরীয় রাজা। তার সবচেয়ে ভালো এই গুণটি একইসাথে তার দুর্বলতাও ছিল।

    উম্মার সাথে যুদ্ধই লাগাশের একমাত্র সমস্যা ছিল না। উরুকাগিনার রাজত্বের সময়ে নির্মিত একগাদা শিলালিপি থেকে আমরা সেই সময়ের করুণ অবস্থার কথা জানতে পারি। সেই সময় শহরটি ছিল দুর্নীতিবাজ পূজারি আর বড়োলোকদের হাতে জিম্মি এবং গরিব ও দুর্বলরা ক্ষুধার্ত ও ভীত অবস্থায় জীবনযাপন করত। অসাধু কর্মচারীরা মন্দিরসংলগ্ন খাসজমিগুলো দখল করে নিয়েছিল নিজেদের স্বার্থে। এই জমিগুলো লাগাশের নাগরিকদের মঙ্গলের জন্য ব্যবহৃত হওয়ার কথা ছিল। ব্যাপারটা খানিকটা বন বিভাগের কর্মীদের অবৈধভাবে জঙ্গল সাফ করে ফেলার মতো একটি ঘটনা ছিল।

    অভিজ্ঞ কর্মীদেরকে এক টুকরো রুটির জন্য ভিক্ষা করতে হতো আর শিক্ষানবিশ কর্মীদেরকে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করে যেতে হতো; তারা আস্তাকুঁড়ে অন্যের ফেলে দেওয়া খাবারের অংশবিশেষ খুঁজে খুঁজে নিজেদের পেট ভরাতে বাধ্য হতো। সরকারি কর্মচারীরা সব কাজের জন্য বিপুল পরিমাণ মাশুল দাবি করতেন এমনকি সাদা ভেড়ার চামড়া ছাড়ানো থেকে শুরু করে মরদেহের সৎকার পর্যন্ত তা বিস্তৃত ছিল। কেউ তার মৃত বাবাকে কবর দিতে চাইলে তাকে সাত জগ বিয়ার এবং চারশো বিশটি পাউরুটি দিতে হতো মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থাকারী ব্যক্তিকে। এই করের বোঝা এত বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছিল যে ঋণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য অনেকে তাদের সন্তানকে দাস ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হতেন। একটি শিলালিপিতে অনুযোগ লেখা আছে, ‘দেশের সীমান্ত থেকে শুরু করে সমুদ্র পর্যন্ত, কর আদায়কারীদের আনাগোনা ছিল সর্বত্র’; যে অভিযোগ একই ধারাবাহিকতায় বর্তমানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    উরুকাগিনা বেশির ভাগ কর আদায়কারীকে বিদায় করে দিয়েছিলেন এবং করের হার কমিয়ে দিয়েছিলেন।

    তিনি সাধারণ সেবাগুলোর জন্য সকল মাশুল মওকুফ করে দিয়েছিলেন। তিনি সরকারি কর্মচারী ও পূজারিদেরকে এই মর্মে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছিলেন যাতে কোনো ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা আদায় করতে না পেরে তার জমি কেড়ে না নেওয়া হয়। তিনি বরং অনেকের ঋণ মাফ করে দিয়েছিলেন। তিনি লাগাশের আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিলেন; সব অপ্রয়োজনীয় এবং আলংকারিক পদকে (যেমন : প্রধান নৌকাচালক, মাছ চাষের নিরীক্ষক, শস্যের গুদামের ব্যবস্থাপক ইত্যাদি) বিলুপ্ত করে দেন। এ ছাড়া তিনি ধর্মীয় ও শাসনের ক্ষমতাকে আলাদা করে দিয়ে পূজারিদের ক্ষমতা খর্ব করেছিলেন, যাতে আর কেউ মেসিলিমের মতো নিজেকে সাতারান দেবতার বার্তাবাহক হিসেবে দাবি করে বসতে না পারে। তার কাহিনিকারের লেখনী থেকে আমরা জানতে পারি যে ‘পূজারি-বিচারকদের দৌরাত্ম্যের কথা আর শোনা যায়নি; এবং আমরা ধারণা করে নিতে পারি যে পূজারিদের সাধারণ মানুষের বাগানে অনাহুত অনুপ্রবেশও থেমে গিয়েছিল একইসাথে।

    উকাগিনার উদ্দেশ্য ছিল লাগাশের বিচারব্যবস্থাকে দেবতাদের দেখিয়ে দেওয়া পথে নিয়ে যাওয়া। কাহিনিকার আরও লিখেছিলেন, ‘তিনি লাগাশের বাসিন্দাদের মুক্তি দেন সুদখোর, ক্ষুধা, চুরি ও হত্যাকাণ্ডের হাত থেকে। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন এমেজাই। অনাথ ও বিধবাদের আর ক্ষমতাবানদের মুখাপেক্ষী থাকতে হয়নি; তাদের দেখভালের জন্য উরাকাগিনা বিশেষ ব্যবস্থা করেছিলেন এমেজাই ছিল এক ধরনের কুনেইফর্ম। এই লেখনী লাগাশের নাগরিকদের জন্য স্বাধীনতার চিহ্নস্বরূপ ছিল। এটি সেই আত্মবিশ্বাস প্রদান করত যে লাগাশকে শাসন করা হয় একটি নির্দিষ্ট এবং অপরিবর্তনশীল শাসনতন্ত্রের মাধ্যমে, কোনো ক্ষমতাবান শাসকের ব্যক্তিগত স্বেচ্ছাচারিতার উপর ভিত্তি করে নয়।

    তর্কসাপেক্ষে বলা যায় যে এটিই মানবজাতির স্বাধীনতার ধারণার ব্যাপারে প্রথম লিখিত দলিল। এমেজাই, যার আক্ষরিক অর্থ ‘মায়ের কাছে ফিরে যাওয়া’, উরুকাগিনার লাগাশ শহরকে পূর্বের পবিত্র অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিলাষকে প্রকাশ করে। উরুকাগিনার লাগাশ এমন একটি শহর হবে যেখানে দেবতাদের ইচ্ছাকে সর্বদা সম্মান জানানো হবে বিশেষ করে নগরদেবতা নিনগিরসুর ইচ্ছাকে। এই লাগাশ হবে অতীতের লাগাশের মতো; একেবারে প্রাচীন যুগ থেকেই ঝকমকে এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কাল্পনিক, মহান এক অতীতকে সামনে এনে সামাজিক পুনর্বিন্যাসের আহ্বান জানানো হতো।

    এসব চিন্তাধারা ও মতবাদে উরুকাগিনার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ ছিল না। পাঁচ হাজার বছর আগের একজন শাসকের মনে কী চলছিল তা আর আজ সঠিকভাবে জানার কোনো উপায় নেই, তবে তার নেওয়া ধাপগুলো দেখে মনে হয় তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে বিসর্জন দিয়ে তার ধার্মিক সত্তা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে এই কাজগুলো করতে উদ্যত হয়েছিলেন। তবে তার এই বিবেকবান নীতি ছিল রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষের জন্য আত্মহত্যাস্বরূপ। পূজারিদের ক্ষমতা খর্ব করার কারণে তিনি সমগ্র ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কাছে চরম অজনপ্রিয় হয়ে পড়েন। গরিবের স্বার্থ রক্ষার্থে নেওয়া ধাপগুলোর কারণে তিনি তার নিজ শহরের ধনীমহলের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছিলেন।

    প্রতিটি সুমেরীয় রাজা তার রাজ্য শাসন করতেন নবীন ও প্রবীণদের সমন্বয়ে তৈরি দ্বিকক্ষীয় সংসদের মাধ্যমে; এবং স্বভাবতই, প্রবীণদের সমাবেশের বেশির ভাগ সদস্যই আসতেন শহরের ধনীমহল থেকে। লাগাশের লুগাল কিংবা ‘বৃহৎ বাড়ির মালিক’রা উরুকাগিনার নেওয়া গরিবি স্বার্থ রক্ষার নীতির চরম সমালোচনা করা শুরু করলেন। তিনি সবার সামনে যেভাবে ধনীদেরকে গরিবের উপর

    অত্যাচার করার জন্য বকাঝকা আর অপমান করতেন তা তারা সহজভাবে নেয়নি–তারা উরুকাগিনাকে ঘৃণা করত।

    অপরদিকে, লাগাশের পুরানো শত্রু উম্মার সিংহাসনটি উত্তরাধিকারসূত্রে লোভী ও উচ্চাভিলাষী লুগালজাজ্ঞেসির হাতে গিয়েছিল। তিনি সৈন্যসামন্ত নিয়ে লাগাশের দিকে যাত্রা করলেন এবং তার আক্রমণের ফলে উরুকাগিনার শহরের পতন ঘটল।

    লুগালজাজ্ঞেসির অভিযানটি খুব সহজেই সফল হয়েছিল; লাগাশ শহর থেকে তাকে তেমন কোনো বাধার মোকাবিলা করতে হয়নি। বিজয়গাথার শিলালিপি থেকে জানা যায় : ‘যখন সমগ্র ভূখণ্ডের রাজা এনলিল তার রাজত্বটি লুগালজাজ্ঞেসির হাতে ছেড়ে দিলেন এবং তাকে দেখালেন সূর্যোদয়ের প্রান্ত থেকে সূর্যাস্তের প্রান্ত পর্যন্ত সমগ্র ভূমি এবং তার তরে সকল মানবগোষ্ঠীকে অর্পণ করলেন, তখন সকলে জয়োল্লাসে ফেটে পড়ল এবং তিনি হলেন সমগ্র সুমেরের অধিপতি এবং তার সামনে সকল নেতৃবৃন্দ নতজানু হলেন।”

    এই শিলালিপিটি পড়ে মনে হয় শুধু লাগাশের পূজারিরাই নয় বরং এনলিলের পবিত্র শহর নিপ্পুরের পূজারিরাও নতুন সম্রাটের সাথে একতাবদ্ধ হয়েছিলেন। নিপ্পুরের ক্ষমতাবান পূজারিরা কোনো অবস্থাতেই লাগাশের পূজারিদের ক্ষমতা কমে যাওয়াতে খুশি হননি। এটি ছিল একটি খারাপ উদাহরণ। প্রবীণ সভার ধনী সদস্যরা উরুকাগিনার পতনে সরাসরি ভূমিকা না রাখলেও তারা যে যুদ্ধের সময় তাকে উচ্ছ্বসিত সহায়তা প্রদান করেননি তা পরিষ্কার ছিল। সামাজিক পুনর্গঠনের ধাপগুলো তার রাজনৈতিক অভিলাষ এবং সাথে তার জীবনকেও শেষ করে দিয়েছিল।

    একজন লিপিকার নিশ্চিত ছিলেন যে উরুকাগিনার নীতিই সঠিক ছিল এবং তিনি অঙ্গীকার করেন যে ভালো রাজার জীবনদানের প্রতিশোধ নেওয়া হবে। তিনি সতর্ক করেন : ‘যেহেতু উম্মার লোকেরা লাগাশের ইটগুলোকে ধ্বংস করার মাধ্যমে নিনগিরসুর বিরুদ্ধে পাপ করেছে, নিনগিরসু তার বিরুদ্ধে উঠানো প্রতিটি হাতকে ধ্বংস করবে।’ লেখাটি শেষ হয় লুগালজাজ্ঞেসির নিজস্ব পালনকর্তার কাছে আর্জির মাধ্যমে, যেখানে লেখক দেবীকে অনুরোধ করেন লুগালজাজ্ঞেসিকে তার পাপের জন্য শায়েস্তা করতে।

    লাগাশের বিরুদ্ধে সহজেই জয়লাভ করাতে লুগালজাজ্ঞেসির উৎসাহ বেড়ে যায়; তিনি তার দখলদারির জাল বিস্তার করেন আরও বেশি করে। তিনি বিশটি বছর ব্যয় করেন সুমেরের বিভিন্ন প্রান্ত আক্রমণ করে। তার নিজ বর্ণনা অনুসারে তার রাজত্বের বিস্তার ছিল ‘নিম সাগর থেকে শুরু করে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিসের তীর ধরে একেবারে উচ্চ সাগর পর্যন্ত’। তবে এই সমগ্র এলাকাকে তার নিজের সাম্রাজ্য বলাটা অবশ্যই অতিরঞ্জন ছিল। লুগালজাজ্ঞেসির উচ্চ সাগরে রাজত্ব করার দাবিটি সম্ভবত কালো সমুদ্র পর্যন্ত পৌঁছাতে পারা কিছু বিচ্ছিন্ন বাহিনী পর্যন্তই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে এই ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে লুগালজাজ্ঞেসি ছিলেন প্রথম রাজা যিনি সুমেরের সকল ছড়িয়েছিটিয়ে থাকা শহরকে একটি বড়ো সাম্রাজ্যের মাধ্যমে নিজ দখলে রাখার উচ্চাভিলাষী কাজে হাত দিয়েছিলেন।

    লুগালজাজ্ঞেসি যখন তার নতুন সাম্রাজ্যে নিরীক্ষা চালাচ্ছিলেন এবং তার পিঠ উত্তরমুখী ছিল তখন প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য শত্রুর আগমন ঘটে সম্পূর্ণ অন্যদিক দিয়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার
    Next Article অশরীরীজগৎ – ইশতিয়াক হাসান

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }