Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় তেরো – প্রথম সামরিক শাসক

    সুমেরে, খ্রিষ্টপূর্ব ২৩৩৪ থেকে ২২৭৯ সালের মাঝে, রাজকীয় মদ্য পরিবেশক বা ‘কাপবাহক’ সার্জন একটি সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন করেন। কিশ শহরে সার্গন নামের একজন কাপবাহক সাম্রাজ্য বিস্তারের নিজস্ব পরিকল্পনা আঁটছিলেন।

    সার্গন ছিলেন একজন রহস্যময় ব্যক্তি। তার জন্মকে ঘিরে একটি শিলালিপি রয়েছে যেখানে তার নিজ ভাষায় বর্ণনাটি এরকম-

    ‘আমার মা ছিলেন সদা পরিবর্তনশীল
    আমার বাবাকে কখনও চেনা হয়নি
    আমার বাবার ভাই পাহাড় ভালোবাসতেন
    আমাদের বাড়ি ছিল উঁচু ভূমিতে
    যেখানে ভেষজ উদ্ভিদের জন্ম হতো
    আমার মা অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিলেন গোপনে
    এবং তিনি আমাকে গোপনেই প্রসব করেছিলেন
    তিনি আমাকে একটি বেতের ঝুড়িতে বসিয়েছিলেন
    তার মুখটি বন্ধ করে দিয়েছিলেন আলকাতরা দিয়ে
    তিনি আমাকে নদীতে ভাসিয়ে দিলেন
    কিন্তু নদী আমাকে ডুবায়নি
    পানিতে ভেসে আমি আক্কির কাছে চলে এলাম
    যে ছিল পানি সংগ্রাহক
    সে তার কুঁজোটি পানিতে চুবিয়ে আমাকে খুঁজে পায়
    আর তুলে আনে
    সে আমাকে নিজ পুত্রের মতো লালন করে
    সে আমাকে তার মালী বানায়।’

    কবিতার ধাঁচে লেখা এই গল্প থেকে আমরা সার্গনের জন্মরহস্যের কোনো কিনারা করতে পারি না। আমরা তার প্রকৃত নাম কিংবা তার জাত সম্পর্কে কিছুই জানতে পারি না। ‘সার্গন’ নামটিও আমাদের কোনোভাবে সাহায্য করে না, কারণ এটি তার নিজেরই রাখা। মূল শব্দটি হচ্ছে ‘শাররুম কিন’, যার মানে হচ্ছে ‘বৈধ রাজা’; কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে সিংহাসনের উপর তার কোনো ধরনের বৈধ দাবিই ছিল না।

    তার আদি নিবাস যদি পাহাড়ি এলাকাই হয়ে থাকে তা হলে খুব সম্ভব তিনি সেমাইট ছিলেন, সুমেরীয় ছিলেন না। এই বিষয়ে আমরা আগেই আলোকপাত করেছি। পশ্চিম ও দক্ষিণ থেকে আগত সেমাইটরা মেসোপটেমীয় সমতলভূমিতে সুমেরীয়দের সাথে মেলামেশা করেছে উপনিবেশগুলোর গোড়াপত্তনের সময় থেকেই। এ ছাড়া সুমেরীয়দের লেখায় ডজন ডজন ধার করা সেমাইট শব্দ পাওয়া যায় এমনকি কিশের প্রথমদিকের রাজাদের নামও সেমিটিক ছিল।

    এত কিছুর পরও দক্ষিণের সুমেরীয় এবং উত্তরের সেমাইটদের মাঝে পার্থক্য ছিল দিনের আলোর মতো। এই দুটি জাতির পূর্বপুরুষ ছিল ভিন্ন দুটি যাযাবর গোত্র যারা পৃথিবীর অন্য প্রান্ত থেকে এসে মেসোপটেমিয়াতে থিতু হয়েছিল বহুকাল আগে। উত্তরে একটি সেমাইট ভাষায় কথা বলত লোকজন যা পরবর্তীতে ইসরাইল, ব্যাবিলন ও এসিরিয়া অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষায় রূপান্তরিত হয়। অপরদিকে, দক্ষিণের সুমেরীয় শহরগুলোতে সুমেরীয় ভাষা প্রচলিত ছিল যে ভাষার সাথে অন্য কোনো ভাষার কোনো যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া যায় না।

    যেসব এলাকায় সুমেরীয় ও আক্কাদীয়দের মধ্যে মেলামেশা হতো সেখানেও তাদের মাঝে বিদ্যমান ছিল এক ধরনের জাতিগত বিদ্বেষ। আরও প্রায় দেড়শ বছর পরে, যখন আদাবের রাজা লুগুলান্নেমুন্ডু এলামাইটদের বিদায় করে দিয়ে নিজেকে সুমেরের ‘চার-চতুর্থাংশের’ অধিপতি হিসেবে ঘোষণা করলেন, তখন তার বিরুদ্ধে জোট বাঁধা তেরোটি শহরের তেরোজন শাসকের প্রত্যেকেরই ছিল সেমাইট নাম।

    কিন্তু সার্গনের গল্পে কোথাও তার পূর্বপুরুষদের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় না, কারণ তিনি সযত্নে এই বিবরণগুলো লুকিয়ে রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে তিনি তার পিতার পরিচয় জানতেন না এবং এই কারণেই তাকে কোনো নিম্ন গোত্র কিংবা বিশ্বাসঘাতকতায় পূর্ণ বংশের সাথে সংযুক্ত করা যায়নি। তার সেই ‘পরিবর্তনশীল’ মাতার পরিচয়ও কুয়াশায় ঢাকা

    খুব সম্ভব তিনি তার নিজ পরিচয়ও বদলে ফেলেছিলেন কোনো এক সময়। তিনি হয়তো তার সাধারণ জীবনকে পরিত্যাগ করে ধর্মীয় জীবনযাপন পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলেন (কিছু অনুবাদক ‘পূজারি’ শব্দটি প্রয়োগ করেন তার নামের সাথে) কিংবা হয়তো তিনি নিম্ন গোত্র থেকে উচ্চ বংশে উন্নীত হতে পেরেছিলেন অথবা অন্য কোনো গোত্রের মানুষের সাথে থিতু হয়েছিলেন।

    তার জীবনটা যেমনই হোক সেই পরিবর্তনশীল মাতার জীবনে তার পুত্রের কোনো স্থান ছিল না। তাকে নদীতে বিসর্জন দিয়ে তিনি চিরতরে পুত্রের পরিচয়কে ভাগ্যের হাতে সঁপে দেন। তাকে পানি থেকে টেনে তোলার ঘটনাটির প্রভাব একইরকম ছিল যেরকমটি আমরা দেখতে পাই পরবর্তীকালে হিব্রু ও খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের লেখা বিভিন্ন রচনায়। সুমেরীয়রা ভাবতেন যে নদী ইহকাল ও পরকালের মাঝের সেতুর মতো কাজ করে এবং পানির মধ্য দিয়ে পারাপারের মাধ্যমেই তাদের জীবনে কোনো বড়ো ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। পানি থেকে উদ্ধার পাওয়ার পর সার্জন তার পালক বাবা-মায়ের পরিচয়ে পরিচিত হন। যে মানুষটি তাকে উদ্ধার করেছিলেন তার নাম ছিল আক্কি, যার নামটি সেমাইটদের মতো। আক্কিও সেমাইট হয়ে গিয়েছিলেন।

    মানচিত্র-১০ : সার্গনের রাজত্ব 
    মানচিত্র-১০ : সার্গনের রাজত্ব 

    আক্কি কিশের রাজার প্রাসাদে চাকরিরত ছিলেন; তিনি তার পালক পুত্রকে রাজার বাগানের মালি হওয়ার জন্য তালিম দিয়েছিলেন।

    তবে সার্গন বড়ো হতে হতে অনেক এগিয়ে গিয়েছিলেন।

    সুমেরীয় রাজাদের তালিকা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সার্জন কিশের সুমেরীয় রাজা উর-জাবাবার কাপবাহক হতে পেরেছিলেন।

    মদ্য পরিবেশন করাই প্রাচীন কাপবাহকদের একমাত্র কাজ ছিল না। সুমেরীয় শিলালিপিগুলোতে কাপবাহকদের দায়িত্বের ফিরিস্তি না থাকলেও এর অল্প কিছুদিন পরে খোদাই করা এসিরীয় লিপি থেকে জানা যায় যে ক্ষমতার দিক দিয়ে রাজার পরেই তাদের স্থান ছিল। জেনোফোনের বর্ণনা অনুসারে, কাপবাহক শুধু রাজার সব খাবার নিজে আগে চেখে দেখতেন না, তাদের কাছে রাজার সিলমোহরও থাকত যার মাধ্যমে তারা ‘রাজকীয় অনুমোদন’ দিতে পারতেন। তিনি ঠিক করতেন কে কে রাজার সাথে দেখা করতে পারবেন এবং কখন। দ্য এজুকেশন অব সাইরাস নামক বইতে জেনোফোন লিখেন : ‘পারস্য রাজের কাপবাহকের দায়িত্বে ছিল ভূমিকা অধিদপ্তর। তিনি এই দপ্তরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতেন কারা রাজার সাথে দেখা করার যোগ্য।”

    কাপবাহকের হাতে এত বেশি ক্ষমতা ছিল যে তাকে রাজার সব খাবার ও পানীয় পরখ করে দেখতে হতো, রাজাকে বিষ প্রয়োগের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য নয় (মানব-ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার জন্য তিনি অনেক বেশি মূল্যবান একজন সরকারি কর্মচারী ছিলেন) বরং তিনি নিজে যাতে কখনও তার প্রভুকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করে নিজের ক্ষমতা বাড়াতে প্রলুব্ধ না হন।

    সার্জন যখন কিশ শহরে উর-জাবাবার সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন তখন লুগালজাজ্ঞেসি একের পর এক অভিযান চালাচ্ছেন সুমেরে এবং ধীরে ধীরে নিজ রাজত্বের সীমানা বর্ধন করে যাচ্ছেন। সার্গন রাজার কাপ বহন করতে করতে লুগালজাজ্ঞেসি লাগাশ আক্রমণ করেন এবং উরুকাগিনাকে উৎখাত করেন; এবং পরবর্তীতে গিলগামেশের পুরানো আবাসস্থল উরুকও দখল করে নেন। এরপর তার পূর্ববর্তী সকল সুমেরীয় রাজার মতো তিনিও সমতলভূমির হিরক শহর কিশের দিকে তার নজর ফেরান।

    পুরানো একটি লেখার অংশবিশেষ থেকে আমরা পরবর্তী ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারি। ‘দেবতা এনলিল রাজপ্রাসাদ থেকে তার সুনজর প্রত্যাহার করে নিলেন’, অর্থাৎ লুগালজাজ্ঞেসি ছিলেন আক্রমণকারী এবং তার নেপথ্যে ছিল এনলিলের আশির্বাদ।

    শহর আক্রমণ করতে প্রতিপক্ষের বাহিনী এগিয়ে আসছে, কথাটি শুনে উর- জাবাবা যারপরনাই ভীত হলেন এবং তিনি পা মচকে ফেললেন। আসন্ন যুদ্ধের মুখে দাঁড়ানো ভীত ও সন্ত্রস্ত উর-জাবাবাকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন তিনি ‘লোনা জলে মিঠা পানির মাছের মতো খাবি খাচ্ছেন’।

    তার এই লক্ষ্যহীন আচরণের পেছনে কাপবাহকের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সন্দেহ একটি বড়ো কারণ ছিল। সার্গনের আচরণ তাকে সন্দিহান করে তুলেছিল (এবং যৌক্তিক কারণেই) এবং তিনি তার প্রকৃত আনুগত্যের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। তাই তিনি সার্জনকে লুগালজাজ্ঞেসির কাছে পাঠালেন কাদামাটির ট্যাবলেট সহকারে, যেটিকে সন্ধি চুক্তি হিসেবে তার কাছে দেওয়া হয়েছিল। আদতে সেই ট্যাবলেটে লুগালজাজ্ঞেসির কাছে তিনি গোপনে অনুরোধ করেছিলেন সেই বার্তার বাহককে হত্যা করতে। লুগালজাজ্ঞেসি তার সেই অনুরোধকে অবজ্ঞা করে কিশ অভিমুখে তার যাত্রা চালিয়ে যেতে থাকলেন।

    গল্পের পরবর্তী অংশটি অনুমাননির্ভর। পরবর্তীকালের এসিরীয় রাজারা সার্জনকে তাদের মহান পূর্বসূরি হিসেবে দাবি করেন এবং অবশ্যই গল্পে নির্দিষ্ট একটি অংশ অতিরঞ্জিত, যেখানে লুগালজাজ্ঞেসির স্ত্রী সার্জনকে স্বাগত জানান তার নারীত্ব দিয়ে। এটি সম্ভবত মহান দিগ্‌বিজয়ীদের দুর্নিবার যৌন আবেদনসম্পন্ন হিসেবে চিত্রিত করার প্রতিষ্ঠিত রীতির সাথে মিলিয়ে বানানো গল্প।

    তবে কিশের উপর আসা আক্রমণ থেকেই বোঝা যায় যে সার্গন সম্পূর্ণরূপে তার রাজার সমর্থনে ছিলেন না। লুগালজাজ্ঞেসি প্রবল বেগে বিজয়ীর বেশে কিশ শহরে অনুপ্রবেশ করলেন আর উর-জাবাবা প্রাণভয়ে পলায়ন করলেন; কিন্তু তার ‘ডান হাত’ সাৰ্গনকে দৃশ্যপটে দেখাই গেল না।

    যখন লুগালজাজ্ঞেসি সহজ জয়ের আনন্দে উদ্বেল হয়ে তখন সার্গন তার নিজস্ব সৈন্যবাহিনী গঠন করছিলেন (যার কিয়দংশ উর-জাবাবার বাহিনী থেকে তিনি নিজ হাতে নির্বাচন করেছিলেন সতর্কতার সাথে, বহু বছর ধরে)। তিনি উরুকের দিকে সেই বাহিনী নিয়ে যাত্রা করেন এবং খুব সহজেই শহরটি দখল করে নেন। আমরা এই ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারি, কারণ যুদ্ধের বর্ণনায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে প্রথম যখন হামলাকারী বাহিনীর অগ্রভাগে সার্জনকে দেখা গেল তখন যুদ্ধক্ষেত্রে লুগালজাজ্ঞেসি অনুপস্থিত ছিলেন এবং অতর্কিত হামলায় শহরের রক্ষীবাহিনী সহজেই ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছিল। সার্গনের বিজয়গাথা প্রকাশক শিলালিপিতে লেখা ছিল : ‘তিনি উরুক শহরকে গুঁড়িয়ে দেন। তিনি সকল প্রাচীর ধ্বংস করেন এবং উরুকের বাহিনীকে পরাস্ত করে শহরের দখল নেন।’

    এই আক্রমণের সংবাদ পেয়ে লুগালজাজ্ঞেসি কিশ ত্যাগ করে নিজ দেশ অভিমুখে যাত্রা করেন দখলদার বাহিনীকে পরাজিত করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু ততদিনে সার্গন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন। তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে লুগালজাজ্ঞেসির মুখোমুখি হয়ে তাকে পরাজিত করেন এবং তাকে বন্দি করে তার গলার চারপাশে একটি জোয়াল বেঁধে দেন এবং তাকে হাঁটিয়ে হাঁটিয়ে পবিত্র শহর নিপ্পুরে নিয়ে যান। সেখানে বন্দি ও পরাজিত রাজাকে দেবতা এনলিলের উদ্দেশ্যে নিবেদিত গেইটের ভেতর দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এর মাধ্যমে সার্গন দেবতা এনলিলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তাকে বিজয়ী বানানোর জন্য। এনলিলই ছিলেন সেই দেবতা যিনি সার্জনকে সমগ্র ভূখণ্ডের অধিপতি হওয়ার আশীর্বাদ দিয়েছিলেন। সমগ্র ব্যাপারটি ছিল এক ধরনের নির্মম রসিকতা। অবশেষে যেন উরুকাগিনার অভিশাপ দূরীভূত হলো।

    সাথে সাথেই সার্গন কিশের রাজা’ পদবি ধারণ করলেন। সেই একই শিলালিপিতে বর্ণিত আছে যে তিনি দক্ষিণের দিকে যাত্রা করে উর শহর দখল করেন, উম্মাকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করেন এবং বাকি সকল সুমেরীয় শহরেও ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর মাধ্যমে একেবারে পারস্য উপসাগরের তীর পর্যন্ত সমগ্ৰ ভূখণ্ড নিজের দখলে নিয়ে নেন। সেখানে তিনি ‘সমুদ্রে অস্ত্রশস্ত্র ধুয়ে নেন’ যা তার জয়রথের এক রহস্যময় প্রতীক হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।

    সার্গনের তুলনামূলকভাবে দ্রুত এবং আক্রমণাত্মকভাবে সমগ্র মেসোপটেমীয় সমতলভূমি দখল করে নেওয়ার ব্যাপারটি আশ্চর্যজনক, কেননা এর আগে কোনো সুমেরীয় রাজা দু-তিনটি শহরের চেয়ে বেশি এলাকা নিজ দখলে রাখতে পারেননি বেশিদিনের জন্য। তার নিজের ক্ষমতা এবং সুমেরীয়দের দুর্বলতার সমন্বয়ে তিনি এই অবিশ্বাস্য কাজটি সম্পন্ন করতে পেরেছিলেন। তার সৈন্যবাহিনী সুমেরীয় রক্ষীবাহিনীর চেয়ে শক্তিশালী ছিল, কারণ তারা তীর ও ধনুক ব্যবহার করতে জানত।

    কাঠের অভাবের কারণে সুমেরে তীর-ধনুক বেশ অপরিচিত এবং দুর্লভ অস্ত্র ছিল। সার্গনের কাছে ইউ কাঠের উৎস ছিল; ধারণা করা হয় যে যুদ্ধযাত্রার প্রারম্ভিককালে তিনি উপসাগরের পূর্বে অবস্থিত জার্গোস পর্বতমালার দখল নিয়ে নিয়েছিলেন। তার সৈন্যবিন্যাসও ভিন্ন ধরনের ছিল। শকুনের স্টেলে এবং স্ট্যান্ডার্ড অব উর নামক স্টেলে থেকে আমরা সশস্ত্র সেনাদের দেখি একসাথে গায়ে গায়ে লেগে থেকে পরবর্তীকালের গ্রিক ফ্যালাংক্স বিন্যাসের মতো করে এগোতে। কিন্তু সার্গনের সৈন্যদের দেখা যায় হালকা অস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় এবং তারা যুদ্ধক্ষেত্রে খুব দ্রুততার সাথে এক জায়গায় আক্রমণ করে প্রতিপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে পুনরায় আবার একত্রিত হয়ে আরেক পার্শ্বে আক্রমণ চালাতে সক্ষম ছিল।

    এ ছাড়া সুমেরীয়রা তাদের অভ্যন্তরীণ ঝামেলার কারণে দুর্বল ছিল আগে থেকেই। সার্গনের অভিযানের পূর্বে প্রতিটি শহরেই ধনী ও গরিবের মাঝে পর্বতপ্রমাণ দূরত্ব সমাজের অস্থিরতা বাড়াচ্ছিল। উরুকাগিনা এসব অন্যায় ও অবিচার দূর করতে চেয়েছিলেন, যার জন্য দায়ী ছিল শহরের ধনী সম্প্রদায় ও পূজারি সমাজের জোট। তারা তাদের ধর্মীয় ও ধনসম্পত্তির প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে সকল শহরের তিন-চতুর্থাংশ ভূমি নিজেদের দখলে নিয়ে নিয়েছিল। সার্গন তার অনভিজাত পূর্বসূরি, উন্নত যুদ্ধকৌশল ও ব্যক্তিগত কারিশমাকে কাজে লাগিয়ে সুমেরীয় সমাজের গরিব ও নিষ্পেষিত নাগরিকদের মন জয় করতে সমর্থ হয়েছিলেন এবং তারা তার পক্ষে চলে এসেছিল খুব সহজেই।

    ফলে সার্গন এমন এক কীর্তি দেখালেন যা এর আগে অন্য কোনো সুমেরীয় রাজা করে দেখাতে পারেননি—তিনি সাফল্যের সাথে অসংখ্য শহরের একটি দুর্বল জোটকে এক অপ্রতিরোধ্য সাম্রাজ্যে রূপান্তরিত করলেন।

    দখল করার পর নতুন এই এলাকাসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন দেখা দিলো। দূরে অবস্থিত শহরগুলোকে শাসন করার জন্য সার্জন এক বিশেষ কৌশল অবলম্বন করলেন—তিনি ‘আগাদে’ নামক নতুন এক রাজধানী তৈরি করলেন। এই শহরের হিব্রু নাম ছিল আক্কাদ, যেখান থেকে তার সাম্রাজ্যের নামটি এসেছে। আগাদের ধ্বংসাবশেষ কখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি, তবে সম্ভবত তা দাঁড়িয়ে ছিল উত্তরের সুমেরীয় সমতলভূমিতে যেখানে বর্তমানের বাগদাদ শহর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

    কিশের সামান্য উত্তরে এই অবস্থানে বসে সার্জন সমগ্র নদীনালার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন এবং তার সাম্রাজ্যের উভয় প্রান্তের উপর চোখ রাখতে পারতেন।

    নতুন এই সাম্রাজ্যে সুমেরীয়রা নিজেদেরকে বহিরাগত হিসেবে আবিষ্কার করতে লাগল। সার্গনের লোকজন ছিল সেমাইট; তারা উত্তরের সমতলভূমি থেকে আগত। তাদের উচ্চারণভঙ্গি ছিল সেমাইটদের মতো এবং তা আক্কাদীয় নামে পরিচিত হয়। তাদের আচার আচরণ, রীতিনীতি এবং মুখের কথা দক্ষিণের সুমেরীয়দের মতো ছিল না। যখনই সার্গন একটি শহর দখল করতেন তখনই তা একটি আক্কাদীয় দুর্গে রূপান্তরিত হতো এবং তার পরিচালনায় নিয়োজিত হতেন আক্কাদীয় কর্মচারীরা এবং সেখানে থাকতেন আক্কাদীয় সৈন্যরা।

    সার্গন তার পূর্বসূরিদের মতো স্থানীয়দের ব্যাপারে অতটা নমনীয় ছিলেন না। যখন লুগালজাজ্ঞেসি কিশ শহরকে দখল করে সেখানে তার আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন, তিনি সুমেরীয় রাজকর্মচারীদের অর্থাৎ ‘লুগালদের’ পরিবর্তন করেননি। যেহেতু তারা সুমেরের নাগরিক ছিল এবং আগের রাজার আনুগত্য ত্যাগ করতেও রাজি ছিল, তিনি তাদের পদমর্যাদা পরিবর্তনের কোনো প্রয়োজন অনুভব করেননি। তবে সার্গনের মাঝে এই ধরনের কোনো বদান্যতা দেখা যায়নি। তিনি যখন কোনো শহর দখল করেছিলেন, সাথে সাথে তিনি সেই শহরের সকল প্রশাসনিক কর্মচারীকে পরিবর্তন করে সেখানে নিজের লোক বসিয়েছিলেন। শিলালিপিতে উল্লেখ আছে : ‘সমুদ্রের উপরে এবং নিচে, সকল ধরনের নেতৃত্ব আক্কাদের সন্তানদের হাতে ছিল।’ দীর্ঘদিন ধরে সুমেরীয়দের সাথে মেলামেশা করার পর অবশেষে সেমাইট গোত্রীয় আক্কাদীয়দের হাতে সর্বময় ক্ষমতা এসেছিল।

    শুধু আগাদে শহরের দুর্গতেই প্রায় চুয়ান্ন হাজার সৈন্য মওজুদ ছিল যারা প্রতিদিন ‘রাজার সম্মুখে রুটি ভক্ষণ’ করত। আরও হাজার হাজার সৈন্য সমগ্র মেসোপটেমিয়াজুড়ে ছড়িয়ে ছিল।

    মেসোপটেমীয় সমতলভূমির দখল নেওয়ার পর সার্জন তার সাম্রাজ্যকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা করেন। তিনি তার সেনাদলকে একের পর এক অভিযানে পাঠাতে থাকেন। একটি ট্যাবলেটে বর্ণিত আছে, ‘সার্গন, কিশের রাজা, সর্বমোট চৌত্রিশটি যুদ্ধে জয়লাভ করেছিলেন।’ তিনি টাইগ্রিস নদী পেরিয়ে এলামাইটদের কাছ থেকে ভূমি দখল করে নিয়েছিলেন, যার ফলে তারা তাদের রাজধানী আওয়ান থেকে সরিয়ে কিছুটা দূরে অবস্থিত সুসা শহরে নিয়ে যায়। নতুন অবস্থানে এলামাইটদের রাজধানী নিরাপদ ও অটুট থাকে। এ ছাড়া তিনি যুদ্ধ করতে করতে উত্তরের মারি শহরে এসে পৌঁছান এবং তা দখল করে নেন। তারপর তিনি আরও দূরে কাস্পিয়ান সাগরের পশ্চিমে গিয়ে আরেকটি যাযাবর সেমাইট গোত্রের ভূমি দখল করে নেন, যারা এমোরাইট নামে পরিচিত ছিলেন।

    টাইগ্রিসের তীর ধরে অভিযান চালাতে চালাতে তার বাহিনী এক সময় উত্তরের আসুর শহরে পৌঁছে যায়, যে শহরকে কেন্দ্র করে দেবতা ইশতারের পূজা করা হতো। এই শহরটি সার্গনের জন্মের প্রায় তিনশ বছর আগে তৈরি হয়েছিল। এরপর তিনি আরও উত্তরে অগ্রসর হন এবং নিনেভেহ নামক ক্ষুদ্র শহরটিকেও নিজ দখলে নিয়ে নেন। নিনেভেহ ছিল উত্তরের সর্বশেষ সেনাঘাঁটি; সেখানে থেকে সার্গনের সন্তানরা সমগ্র উত্তরাঞ্চলের অভিযানগুলোর নেতৃত্ব দিতেন আর ওদিকে তিনি নিজে আগাদে শহরে থেকে দক্ষিণের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতেন।

    সার্জন সম্ভবত এশিয়া মাইনরেও আক্রমণ চালিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রচিত একটি গল্প ‘সার্গন, যুদ্ধের রাজা’-তে বর্ণিত হয়েছে তার পুরুশখান্দা নামক শহরের উদ্দেশ্যে যাত্রার কথা। সেই শহরের বাসিন্দারা তার কাছে বার্তা পাঠিয়ে সাহায্য চেয়েছিলেন, অত্যাচারী স্থানীয় রাজা নুর-দাজ্ঞালকে উৎখাত করার জন্য। খুঁজে পাওয়া পঙ্ক্তিগুলোতে নুর-দাজ্ঞাল তার শহরে সার্গনের সম্ভাব্য আগমনকে নিয়ে পরিহাসের সুরে বলেন-

    ‘সে এতদূর আসবে না
    নদীর পাড় এবং উঁচু পানির স্রোত তাকে বাধা দেবে
    সুবিশাল পর্বতমালা তার উপর চেপে আসবে
    এবং তার পথ বন্ধ করে দেবে’

    এই কথাগুলো তার মুখ থেকে বের হতে না হতেই সার্গন তার শহরে অনুপ্রবেশ করেন, মূল দ্বার ভেঙে।

    ‘নুর-দাজ্ঞাল নির্বাক হলেন
    যখন সার্গন পুরো শহরকে ঘিরে ফেললেন
    এবং প্রবেশদ্বারকে দুই একর প্রশস্ত করে ফেল্লেন’

    সার্গন সত্যি সত্যি পুরুশখান্দা পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছিলেন কি না সেটা নিশ্চিত নয়, তবে এই গল্প অন্য একটি সত্যকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে। সেই যুগে সার্জনকে একজন অপ্রতিরোধ্য শক্তি হিসেবেই বিবেচনা করা হতো এবং ধারণা করা হতো যে তিনি ভোজবাজির মতো পৃথিবীর যে-কোনো কোণে যে-কোনো মুহূর্তে উপস্থিত হতে পারেন। সার্গনের নিজ দাবি অনুযায়ী, তার সৈন্যবাহিনী একেবারে সুদূর পশ্চিমে ভূমধ্যসাগরের তীর পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল এবং তার দখলে ছিল মেলুহহা (ইন্দাস) থেকে আগত জাহাজসমূহ, মাগান রাজ্য (দক্ষিণ- পূর্ব আরব) ও দিলমুন (আরব উপসাগরের দক্ষিণ প্রান্ত)।

    এত বড়ো ভূখণ্ডকে নিজের দখলে রাখার জন্য প্রয়োজন একটি স্থায়ী সেনাবাহিনী; সার্গনের নিয়মিত ‘রুটি খাওয়া বাহিনী’ই সম্ভবত মানব ইতিহাসের প্রথম পেশাদার যোদ্ধার দল। বিভিন্ন পেশার লোকদের নিজ শাসনে রাখার জন্য তার প্রয়োজন ছিল ধর্মীয় প্রভাব, যা তিনি সূক্ষ্মভাবে আদায় করে নিয়েছিলেন। তিনি মোটামুটি সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় দেবতাদের উদ্দেশ্যে উপঢৌকন প্রদান করেছিলেন এবং একজন আদর্শ সুমেরীয় রাজার মতো নিষ্ঠুরে বিবিধ মন্দির নির্মাণ করিয়েছিলেন এবং পরিশেষে নিজ কন্যাকে চন্দ্রদেবতা উর-এর প্রধান পূজারি হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছিলেন।

    সার্গনের রাজসভার নথি থেকে জানা যায় যে তার সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থা খুবই উন্নত এবং সুমেরীয় পরিপ্রেক্ষিতে নজিরবিহীন ছিল। তিনি ওজন ও মাপজোখের একককে প্রমিতকরণের প্রচেষ্টা নিয়েছিলেন এবং তিনি মিশরীয়দের মতো সরকার নিয়ন্ত্রিত করব্যবস্থার প্রচলন করেছিলেন সরকারি ব্যয় নির্বাহের উদ্দেশ্যে।

    এ ছাড়া রাজ্য পরিচালনাকে সহজতর করার জন্য তিনি আরও বিবিধ রাজনৈতিক কৌশল অবলম্বন করেছিলেন। তার সভায় পুরানো শাসকদের পরিবার থেকে প্রতিনিধি রাখা হতো, যে রীতি এর পরে আরও দীর্ঘদিন পর্যন্ত অন্যান্য রাজসভার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে পড়েছিল। প্রকারান্তরে এই প্রতিনিধিরা নিশ্চিত করতেন যে তাদের অধীনে থাকা শহরগুলো বিদ্রোহ করবে না এবং তাদের ঐতিহ্যগত প্রভাবের কল্যাণে সার্গনের বাধ্য থাকবে।

    এই কৌশলের নেপথ্যে রয়েছে তার সুবিশাল রাজ্যকে দেখভাল করার জটিলতার প্রকৃত রূপ। এই সুদূর বিস্তৃত রাজত্বের কোনো না কোনো অংশে সর্বক্ষণই বিদ্রোহের ঝুঁকি থাকত।

    সুমেরীয় রাজাদের তালিকা অনুযায়ী সার্জন ছাপ্পান্নো বছর ধরে রাজত্ব করতে পারার সুযোগ পেয়েছিলেন।

    তার বয়স সত্তরোর্ধ হওয়ার পর এবং রাজত্বের শেষের দিকে একটি বড়ো ধরনের বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। পুরানো ব্যাবিলনীয় শিলালিপির নথি অনুযায়ী জানা যায় যে প্রাচীন ও ক্ষমতাচ্যুত পরিবারের অগ্রজরা একত্রিত হয়ে কিশ শহরে ইনান্নার মন্দিরকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলেছিলেন।

    স্বভাবতই সার্গন দাবি করেন যে তিনি শক্ত হাতে সেই বিদ্রোহটি দমন করেছিলেন; কিন্তু পুরানো ব্যাবিলনীয় নথি অনুযায়ী, সেই বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানগুলোর মধ্যে অন্তত একটি যুদ্ধ সার্গনের পক্ষে যায়নি। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়েছিল যে সার্জনকে বৃদ্ধ বয়সে এসে একটি নালার মধ্যে লুকিয়ে থাকতে হয়েছিল—পদযাত্রারত বিদ্রোহীদের হাত থেকে পালানোর জন্য। তবে এই ব্যাবিলনীয় নথিগুলো অনেক পরে লিখিত এবং সেগুলো সার্গনবিরোধী কথা ও কাহিনি দিয়ে ভরা।

    তবে এই ব্যাপারে কোনো দ্বিমত বা সন্দেহের অবকাশ নেই যে সার্গনের মৃত্যুর প্রায় সাথে সাথেই তার পুত্র রিমুশ পাঁচ শহরের (উর, লাগাশ, উম্মা এবং আরও দুটি শহর) সমন্বয়ে গঠিত বিদ্রোহী জোটের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়েছিলেন। রিমুশ দশ বছরেরও কম সময় ধরে রাজত্ব করতে পেরেছিলেন এবং তিনি সহসাই মৃত্যুমুখে পতিত হন। পরবর্তীকালে রচিত একটি শিলালিপিতে বর্ণিত আছে যে তার নিজের চাকররাই আততায়ীর ভূমিকা পালন করে তাকে মেরে ফেলেছিল।

    সার্গনের মৃত্যুর সময় একটি ঝঞ্ঝাক্ষুব্ধ পরিবেশ পেরোতে হলেও তার বংশধররা প্রায় একশ বছর ধরে আগাদের সিংহাসনের দখল রাখতে সমর্থ হয়েছিল, যা যে কোনো সুমেরীয় রাজবংশের চেয়ে দীর্ঘ। এই আক্কাদীয় সাম্রাজ্যটি শুধু রাজাদের ব্যক্তিগত কারিশমা দিয়েই পরিচালিত হয়নি, এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে অন্য কিছু।

    অনেকটাই মিশরের মতো, সার্গনের শাসনতন্ত্র এবং প্রশাসনিক দৃঢ়তাই পরিশেষে মেসোপটেমিয়াকে এমন এক ধরনের শক্ত ভিত্তি দিয়েছিল যার উপর এই সুবিশাল সাম্রাজ্যটি টিকে ছিল বছরের পর বছর এমনকি শক্তিমান পিতার কাছ থেকে দুর্বল সন্তানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরকালেও কোনো সমস্যা আসেনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার
    Next Article অশরীরীজগৎ – ইশতিয়াক হাসান

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }