Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় আঠারো – প্রথম প্রাকৃতিক দুর্যোগ

    খ্রিষ্টপূর্ব ২০৩৭ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত উর-এর তৃতীয় রাজবংশের শাসনামলজুড়ে ছিল বহিঃশত্রুর হামলা, বিদ্রোহ আর দুর্ভিক্ষের ছোবল। এই নব্য- সুমেরীয় সাম্রাজ্যে আইনের শাসন ছিল প্রসংশনীয় মাত্রায় কিন্তু তার স্থায়িত্ব খুব বেশিদিন থাকেনি।

    ৪৭ বছরের সুদীর্ঘ এবং মঙ্গলজনক শাসনামল শেষে শুলগি তার ছেলের হাতে সিংহাসনের দায়িত্ব অর্পণ করেন। তবে ততদিনে ছেলেরও অনেক বয়স হয়ে গিয়েছিল এবং মাত্র ৮ বছরের মাথায় তার পরিবর্তে মসনদে বসেন শুলগির পৌত্র শু-শিন। শু-শিনের হাত ধরে উর-এর চতুর্থ রাজবংশের সূত্রপাত এবং সেই সময় থেকেই এককালের প্রভাবশালী সাম্রাজ্যটি ভেঙে পড়তে শুরু করে।

    বেশ কিছুদিন ধরেই পশিচমা সেমাইটদের যাযাবর গোষ্ঠী এমোরাইটরা শক্তি সঞ্চয় করছিল। তারা পশ্চিমের সীমারেখা তথা কানান এবং অন্যান্য নব্য- সুমেরীয় অঞ্চলের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছিল। শু-শিনের আমলে এমোরাইটরা প্রবল পরাক্রমশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয়।

    শত শত বছর কিংবা সহস্র বছর ধরে সমতলভূমির শহরগুলোতে যথেষ্ট পরিমাণ গম উৎপাদন হচ্ছিল। এসব শহরের সম্পূর্ণ জনবসতির খাদ্যের জোগান দেওয়া এই গম চাষের জন্য নদী থেকে খাল কেটে এনে সেচের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। নদীর পানি বড়ো বড়ো ট্যাঙ্কে সংরক্ষণ করা হতো যাতে শুষ্ক মৌসুমেও চাষাবাদের কাজে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

    তবে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদের পানি সুপেয় হলেও তাতে সামান্য লবণের মিশ্রণ ছিল। এই লবণাক্ত পানি যখন ট্যাঙ্কে সংরক্ষণ করা হতো তখন খনিজ পদার্থবহুল মাটি থেকে সেই পানি আরও বেশি লবণ আহরণ করত। এই সংরক্ষিত পানির বেশির ভাগ অংশই জমি শুষে নিত সেচ দেওয়ার সময় এবং কিছুটা জলীয় বাষ্প হয়ে উড়ে যেত; আর রেখে যেত আরও কিছু পরিমাণ লবণ যা ভূমির লবণাক্ততা বাড়াত।

    স্যালিনাইজেশন নামক এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূমিতে লবণের পরিমাণ এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে শস্য ধ্বংস হতে শুরু করেছিল। গমের ফলনের জন্য লবণাক্ত ভূমি বড়ো ধরনের হুমকি। এই কারণেই সম্ভবত সুমেরীয় শহরের নথিসমূহ থেকে জানা যায় যে খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ সালের আগে দিয়ে গমের পরিবর্তে বার্লির চাষ শুরু হয় —অধিকতর লবণবান্ধব একটি শস্য। কিন্তু একটা সময়ে গিয়ে বার্লির চাষও অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায় জমির লবণাক্ততার কারণে। শস্যের পরিমাণ কমতে থাকে এবং একইসাথে মাংসেরও আকাল দেখা দেয়; কেননা প্রাণীদের খাবারও কমে যায় একই কারণে।

    একজন লিখিয়ের বর্ণনায় জানা যায় যে শু-শিনের আমলে এসে কিছু আবাদি জমির মাটি একেবারে সাদা হয়ে গিয়েছিল। সেই যুগে প্রচলিত বাগধারায় এই পরিস্থিতির কথা উঠে এসেছে। কৃষকরা লবণাক্ত ভূমি নিয়ে খুবই চিন্তিত ছিলেন। একটি প্রবাদ ছিল এরকম : ‘যেহেতু ফকিররা জানে না কীভাবে বার্লির বীজ বপন করতে হয়, তারা কীভাবে গম উৎপাদন করবে?’ আরেকটি প্রবাদে বলা হয়েছে : “নদী থেকে একজন শক্তিমান মানব উঠে আসবেন এবং তিনি ভূমির সকল লবণ শুষে নেবেন।’

    সুমেরীয় কৃষকরা একেবারেই অজ্ঞ ছিলেন না; তারা ফসল উৎপাদনের প্রাথমিক এই সমস্যার ব্যাপারে ভালোই জানতেন। কিন্তু এটির একমাত্র সমাধান ছিল শস্যাবর্তন-প্রতি বছর চাষ না করে এক বছর পরপর চাষ করা। এক বছর আবাদ না করার কারণে জমিতে গভীরভাবে আগাছার জন্ম হয় আর সেই আগাছার গোড়াগুলো মাটির নিচের পানি শুষে নিয়ে লবণ দূর করে। এর ফলে পরের বছর ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে আর কোনো ঝামেলা হয় না। কিন্তু এই এক বছরে সুমের শহরের লোকেরা কী খাবে? আর কীভাবেই বা তারা শুলগি দ্বারা প্রচলিত এবং তার বংশধরদের দ্বারা প্রচারিত কর ও খাজনাগুলো পরিশোধ করবে?

    ‘উইড ফ্যালোয়িং’ নামে পরিচিত এই আগাছা উৎপাদনের প্রক্রিয়াটি চালু না করলে ভূমিগুলো এতটাই বিষাক্ত ও অনাবাদি হয়ে পড়ছিল যে সেসব ভূমি পুনরায় আবাদযোগ্য হতে ৫০ বছরেরও অধিক সময় প্রয়োজন হতো। এই অবস্থায় যখন স্বল্পসংখ্যক উর্বর ও আবাদি জমিগুলোতে এমোরাইটরা আক্রমণ করা শুরু করল তখন তা আর শুধু সামান্য ‘বিরক্তিকর’ ঘটনায় সীমাবদ্ধ থাকেনি, তা হয়ে দাঁড়ায় সুমেরীয়দের জীবন-মৃত্যুর ব্যাপার। মেসোপটেমীয় সমতলভূমিতে সীমিত পরিমাণ আবাদি জমি ছিল। চারপাশের পাহাড় পর্বত ও মরুভূমির আধিক্যের কারণেই এই সীমাবদ্ধতা।

    পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্যশস্যের অভাবে সুমেরীয় জনগোষ্ঠীর পেটে থাকত ক্ষুধা এবং তাদের স্বাস্থ্যেরও অবনতি ঘটতে লাগল। এই কারণে তাদের মাঝে ঐক্যের অভাব দেখা দিয়েছিল এবং শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষেত্রে তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিতে থাকল।

    উর-এর তৃতীয় রাজবংশ শস্য উৎপাদন থেকে প্রচুর কর ও খাজনা আদায় করতেন যা দিয়ে তারা সৈন্যদের বেতন দিতেন। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বেতন না পেয়ে সৈন্যরা অন্যান্য কাজে চলে যায় এবং এমোরাইটদের বিদায় করা হয়ে দাঁড়ায় চরম দুরূহ একটি ব্যাপার।

    শু-সিন তার শাসনামলের প্রথম তিন বছরে ক্রমাগত সম্মুখযুদ্ধে পরাস্ত হতে থাকলেন। চতুর্থ বছরে এসে তিনি মরিয়া হয়ে একটি নতুন কৌশল অবলম্বন করলেন যা এর আগে কখনও ব্যবহৃত হয়নি। তিনি একটি ১৭০ মাইল লম্বা প্রাচীর তৈরি করার নির্দেশ দিলেন যা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিসের মধ্যবর্তী সমতলভূমিজুড়ে উর-কে এমোরাইটদের হাত থেকে রক্ষা করবে।

    তবে এই প্রাচীরটি শেষ পর্যন্ত কোনো কাজেই আসেনি। শু-সিনের পুত্র ইব্বি-সিন অল্পদিনেই হাল ছেড়ে দেন; তিনি প্রাচীরের পেছনের আবাদি জমিগুলোর প্রতিরক্ষার জন্য কোনো চেষ্টাই করেননি। দারিদ্র্য, অরাজকতা এবং মুহুর্মুহু আক্রমণে তার রাজত্বের তথৈবচ অবস্থার সৃষ্টি হয়—একের পর এক অঞ্চল তার হাতছাড়া হয়ে যায়। শুধু এমোরাইটরাই নয়, তার নিজের ক্ষুধার্ত ও ক্ষুব্ধ প্রজারাও বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন তার বিরুদ্ধে। ইব্বি-সিনের রাজত্বের দুই বছরের মাথায় তার রাজ্যের উত্তর কোণে অবস্থিত এশনুন্না শহরের লোকেরা বিদ্রোহ ঘোষণা করে এবং খাজনা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ইব্বি-সিনের পক্ষে সম্ভব হয়নি যুদ্ধ করে এই শহরটিকে পুনর্দখল করে নেওয়ার। পরবর্তী বছরে আনশানের এলামাইট রাজা ৫০ বছর ধরে চলে আসা চুক্তি ভঙ্গ করে বসেন, যে চুক্তিটি সম্পাদন করেছিলেন শুলগি, তার মেয়ের বিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। সুসা শহর থেকে সুমেরীয়দের বিতাড়ন করা হয়। আরও দুই বছর পর উম্মা স্বাধীনতা অর্জন করে। ইব্বি-সিনের শাসনের অষ্টম বছরে অতীব সম্মানজনক নিপ্পুর শহরও তাকে রাজা হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকার করে।

    তবে ঘটনা এখানেই শেষ হয়নি। ইব্বি-সিনের ক্ষমতা যত কমে আসছিল, তিনি তার সৈন্যবাহিনীর হাতে তত বেশি করে কর্তৃত্ব ছেড়ে দিচ্ছিলেন। এই অবস্থায় দশম বছরে ইশবি-এররা নামক একজন সেমাইট বংশোদ্ভূত সেনাপতি নিজেই ক্ষমতা দখলের উদ্দেশ্যে একটি রাজনৈতিক চাল চালেন।

    বলা বাহুল্য, উর তখন দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত ছিল। ইব্বি-সিন তার বিশ্বস্ত সেনাপতি ইশবি এররাকে উত্তরের ইসিন ও কাজাল্লু নামক দুটি শহরে পাঠিয়েছিলেন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করার উদ্দেশ্যে।

    মাটির ট্যাবলেটে সংরক্ষিত একগাদা চিঠি থেকে আমরা ইশবি এররার কূটকৌশলের বিস্তারিত জানতে পারি : ‘আমি বিশ ট্যালেন্ট (প্রাচীন যুগে সোনা- রুপা মাপার একক; ১ ট্যালেন্ট প্রায় ৩৩ কেজি) রুপা খরচ করেছি শস্য ক্রয় করার জন্য এবং আমি ইসিনে আছি।… আমার কাছে তথ্য রয়েছে যে মারতু জাতি আমার অবস্থান আর গন্তব্যের মাঝের এলাকায় আক্রমণ করেছে। আমি এখন আপনার কাছে এই শস্য নিয়ে ফিরে আসতে পারছি না, যদি না আপনি আমাকে ছয়শ নৌকা প্রদান করেন এবং ইসিন ও নিপ্পুরের দায়িত্ব প্রদান করেন। যদি আপনি এই কাজটি করতে পারেন তা হলে আমি আপনাকে পনেরো বছর চলার মতো যথেষ্ট পরিমাণ শস্য সরবরাহ করতে পারব।’

    এটি ছিল দিনদুপুরে ব্ল্যাকমেইল করার শামিল; এবং ইব্বি-সিনও বুঝে গিয়েছিলেন এই চক্রান্তের কথা। কাজাল্লুর গভর্নর তার কাছে পত্র পাঠিয়ে অভিযোগ জানান যে রাজার জন্য শস্য আহরণের ছলে ইশবি এররা প্রকৃতপক্ষে নিপ্পুর দখল করে নিয়েছেন এবং সাথে সাথে তার নিকটবর্তী কিছু শহরে লুটতরাজ চালিয়ে নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ক্ষমতা দখলের স্বপ্নে বিভোর ইশবি এররা এখন কাজাল্লুর জন্যও হুমকিস্বরূপ। সেই গভর্নর খেদ নিয়ে লিখেছেন : ‘আমি আমার রাজাকে জানাই যে আমার কোনো মিত্র নেই। আমার পাশে হাঁটার জন্য কাউকে পাচ্ছি না খুঁজে।’

    ইব্বি-সিনের পক্ষে সম্ভব ছিল না ইশবি এররার বিরুদ্ধাচারণ করার, কারণ তার কাছে ছিল সৈন্যদলের একটি বড়ো অংশের কর্তৃত্ব এবং সর্বোপরি খাদ্যশস্যের সিংহভাগটাও সে দখল করে রেখেছিল কূটবুদ্ধির মাধ্যমে। সুতরাং, স্বভাবতই কাজাল্লুর গভর্নরকে পাঠানো উত্তরে ফুটে উঠেছে অসহায়ত্ব এবং মরিয়া ভাব : ‘আমি তোমাকে সৈন্যসামন্ত দিয়েছি এবং তাদের নেতৃত্বভারও তোমার হাতে। তুমি কাজাল্লুর গভর্নর। কীভাবে এটা সম্ভব হলো যে তুমি বুঝলে না ইশবি এররার মতলবটি কী ছিল? কেন তুমি তার বিরুদ্ধে লড়তে যাওনি? এখন ইশবি এররা চাইলেই নিজেকে রাজা হিসেবে ঘোষণা দিতে পারে। এবং সে এমনকি সুমেরীয়ও নয়। দেবতাদের দরবারে সুমেরকে চরমভাবে অসম্মানিত করা হয়েছে এবং যেসব শহরের দায়িত্ব তোমার হাতে ছিল তার সবগুলোর কর্তৃত্বই এখন ইশবি এররার হাতে চলে গিয়েছে। আমাদের একমাত্র আশা এখন মারতুর কাছে তার পরাজিত হওয়া।’

    কিন্তু এমোরাইটরা ইশবি এররাকে পরাজিত করতে পারেনি এবং যেমনটা ইব্বি-সিন ভয় পাচ্ছিলেন, ঠিকই সেই বিদ্রোহী সেনাপতি নিজেকে ‘ইসিন রাজবংশের প্রথম রাজা হিসেবে ঘোষণা করে বসেন এবং ইসিনকে রাজধানী হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি উর শহরের সমগ্র উত্তরাঞ্চলের অধিপতি হিসেবে কাজ করা শুরু করেন। এই ইসিন রাজবংশ এমোরাইটদের প্রতিহত করতে সমর্থ হয় এবং প্রায় দুইশ বছর ধরে সুমেরীয় সমতলভূমির উত্তরাঞ্চলকে শাসন করে যায়।

    ইতোমধ্যে ইব্বি-সিনের হাতে থেকে যায় শুধু তার বিশাল সাম্রাজ্যের হৃদযন্ত্রটি; অর্থাৎ উর শহরের শাসনভার।

    এই পর্যায়ে এসে আমরা শকুন-শকুনিদের আনাগোনা দেখতে পাই সুমেরীয় সাম্রাজ্যে। খ্রিষ্টপূর্ব ২০০৪ সালে এলামাইটরা সংঘবদ্ধ হয়ে ওঠে কিন্ডাত্তু নামক একজন রাজার অধীনে। সেই সাম্রাজ্যে ছিল না সুমেরীয়দের কোনো স্থান এবং দশকের পর দশক ধরে অন্যায় শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তারা তেঁতে উঠেছিল। তারা টাইগ্রিস নদের উপর দিয়ে ঝড়ের মতো উড়ে আসে, ভেঙে দেয় উরের প্রাচীর, পুড়িয়ে দেয় রাজপ্রাসাদটিকে এবং মাটির সাথে মিশিয়ে দেয় সকল উপাসনালয় আর পবিত্র স্থানগুলো। এভাবেই পাকাপাকিভাবে যবনিকাপাত ঘটে সুমেরীয় যুগের।

    যেসব ভূমি তখনও লবণাক্ততার কারণে চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে উঠেনি সেগুলোকেও পুড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ইব্বি-সিনকে একজন সাধারণ অপরাধীর মতো বন্দি করে আনশানে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীকালে লেখা কবিতাগুলোতে শুধু উর শহরের মৃত্যুকে নিয়ে শোক প্রকাশ করা হয়নি বরং একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ কৃষ্টির অপমৃত্যুর কথাও বলা হয়েছে—

    ‘শহরের সুউচ্চ তোরণগুলোতে দেখা যায় লাশের স্তূপ
    যেসকল রাস্তায় বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান হতো
    সেখানে দেখা যায় ইতস্তত বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়েছিটিয়ে থাকা ছিন্ন
    মস্তক
    যেখানে নাচের অনুষ্ঠান হতো সেখানে লাশের মিছিল
    নদীতে ধুলার বন্যা, শহরে বইছে না কোনো পানির ধারা
    ঘাস-আচ্ছাদিত সমতলভূমি ইটের ভাঁটার মতো চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গিয়েছে।’

    উর-এর ধ্বংস হয়ে যাওয়াটা শুধু ইব্বি-সিনের ব্যর্থতাই ছিল না বরং এখানে চন্দ্রদেবতা নান্না এবং অন্যান্য রক্ষাকারী দেবদেবীর অপারগতাকে উন্মোচিত করে দিয়েছিল সবার সামনে। তারা ব্যর্থ হয়েছিলেন তাদের দায়িত্ব পালনে।

    ‘পিতৃদেব নান্না
    তোমার গানটি রূপান্তরিত হয়েছে নির্বাক কান্নায়
    তোমার শহর কাঁদছে তোমার তরে, পথহারা শিশুর মতো
    তোমার ঘর তোমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে
    অশ্রুসিক্ত আর্তি জানাচ্ছে : কোথায় তুমি?
    আর কতদিন তুমি তোমার শহর থেকে দূরে থাকবে?’

    আব্রাহাম ও টেরাহ উর থেকে পালিয়েছিলেন এই আশঙ্কায় যে চন্দ্রদেবতা তাদের শহরকে রক্ষা করতে পারবে না। শেষ পর্যন্ত দেখা গেল যে শহর তো দূরে থাক, সে তার নিজের মন্দিরটিকেও রক্ষা করতে পারেনি। প্রাচীন প্রকৃতি-দেবতা তার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিল, যেমনটি উর-এর সকল জমি তাদের উর্বরতা হারিয়ে ফেলেছিল।

    সুমেরীয় যুগের পরিসমাপ্তি এভাবেই এসেছিল। সেমাইটদের আধিপত্য শুরু হয়; আক্কাদীয়, এমোরাইট ও এলামাইটরা মিলে সমতলভূমি নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়। তবে সেই ভূমি আর কখনোই প্রাচীন যুগের রাজাদের সমকালীন উর্বরতা ফিরে পায়নি, যখন সবুজে ছেয়ে থাকা ভূমির মধ্য দিয়ে পানি প্রবাহিত হতো অবারিতভাবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার
    Next Article অশরীরীজগৎ – ইশতিয়াক হাসান

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }