Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ছাব্বিশ – হিট্টিটদের উত্থান

    খ্রিষ্টপূর্ব ১৭৯০ থেকে ১৫৬০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে হিট্টিটরা এশিয়া মাইনরে সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল আর কাসাইটরা ব্যাবিলন দখল করে নিয়েছিল।

    ১৭১২ সালে সামসুইলুনা মৃত্যুবরণ করেন। ততদিনে তার পিতা হাম্মুরাবির ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের শক্তি স্তিমিত হয়ে গেছে এবং দক্ষিণ ও পূর্বদিকের অংশের দখল তাদের হাত থেকে ছুটে গেছে। সাম্রাজ্যটি হাম্মুরাবির সময়ে ওল্ড ব্যাবিলনিয়া নামে পরিচিত ছিল। এলাম বিদ্রোহ করেছিল, সুমেরের শক্তিশালী স্থাপনাগুলো ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এবং এলাকাটি মোটামুটি জনমানবশূন্য হয়ে গিয়েছিল। সেখানকার ভূমিও অনুর্বর হয়ে পড়েছিল এবং সেখানে মানুষ বসবাস করার মতো পরিবেশ ছিল না। তথাকথিত সিল্যান্ড রাজবংশ – যাদের ব্যাপারে তেমন কিছুই জানা যায় না- সেখানে রাজত্ব করতে শুরু করলেন। ব্যাবিলনের তৎকালীন রাজা তখনও উত্তর ও পশ্চিমের অঞ্চলগুলোর উপর ছড়ি ঘোরানোর ক্ষমতাসম্পন্ন ছিলেন কিন্তু তার প্রভাব শুধু মারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। মারি পার হওয়ার পর বাকি অঞ্চলটুকু আলেপ্পোর রাজার অধীনে ছিল।

    সামসুইলুনার প্রয়াণের পর বেশ কয়েকজন অজানা, অচেনা ও গুরুত্বপূর্ণ নয় এরকম রাজা পর্যায়ক্রমে ব্যাবিলনের শাসনভার দখল করেন। তার মৃত্যুর পরের একশ বছরের ইতিহাসে ব্যাবিলনের রাজসভা নিয়ে একটিমাত্র নথি খুঁজে পাওয়া গিয়েছে, যেখানে বুধ গ্রহ উদয় ও অস্তমিত হওয়ার ব্যাপারে বিস্তারিত ও সঠিক বর্ণনা রয়েছে।

    সেই সময়টিতে পৃথিবীর এক প্রান্তের শাসকদের ক্ষমতা কমে যাচ্ছিল আর আরেক প্রান্তের শাসকদের দাপট বাড়ছিল।

    যখন সেমাইটরা মেসোপটেমিয়াতে ঘোরাঘুরি করতে করতে কানানে চলে এসেছিল তখন আরও উত্তরে একটি ভিন্ন ভাষায় কথা বলা জাতির বসবাস ছিল—মূলত কাস্পিয়ান ও ব্ল্যাক সি-র মধ্যবর্তী অঞ্চলে। এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের অনেকেই পূর্বদিকে অভিযোজন করেছিলেন। এরাই আর্যদের পূর্বপুরুষ যারা পরবর্তীকালে ভারতবর্ষে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু অন্যরা পশ্চিমে এশিয়া মাইনরে চলে গিয়েছিলেন এবং তারা সমুদ্রের তীরবর্তী বেশ কিছু গ্রামে বসবাস করতে শুরু করেন।

    খ্রিষ্টপূর্ব ২৩০০ সাল নাগাদ এই ইন্দো-ইউরোপীয় গোত্রটি হ্যালিস নদীর পশ্চিমপাশে উপদ্বীপের সম্পূর্ণ এলাকা দখল করে নিয়েছিল। তারা পশ্চিমের অন্যান্য দ্বীপ ও উত্তরের বিভিন্ন জনবসতি বিশেষ করে আসসুর শহরের সঙ্গে নিয়মিত বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করেছিল। এই কারণেই আসসুরের বণিকরা সেখানে তাদের বাণিজ্যকেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন।

    যখন হাম্মুরাবি মেসোপটেমিয়ার মধ্য দিয়ে যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে সমগ্র অঞ্চলটিকে একতাবদ্ধ করছিলেন তখন এশিয়া মাইনরের ইন্দো-ইউরোপীয়রা একাধিক যুদ্ধ-নেতার নেতৃত্বে ছোটো ছোটো রাজত্বে বিভক্ত হচ্ছিল। তবে এই নেতাদের কারও পরিচয়ই আমরা জানি না, তাই তারা কীভাবে এই সাফল্য অর্জন করেছিলেন সেটিও আমরা জানি না। আমরা শুধু এটুকুই জানি যে মিশরীয়রা তাদের ব্যাপারে জানতেন এবং তারা তাদেরকে একটি অনন্য জাতি হিসেবে বিবেচনা করতেন। মিশরীয়রা তাদেরকে ‘এইচটি’ নাম দিয়েছিলেন, যেটি নেওয়া হয়েছিল তাদের নিজেদের ভূখণ্ডের নাম ‘হাট্টি’ থেকে। এই হাট্টি অঞ্চলের বাসিন্দাদেরকেই আমরা হিট্টিট নামে চিনি।

    হিট্টিটরা তাদের প্রতিবেশী আসসুরের বণিকদের কাছ থেকে লিখতে শিখেছিলেন। তাদের সকল প্রাচীন লেখনীতে তৎকালীন এসিরীয়দের কুনেইফর্ম লিপি ব্যবহৃত হয়েছে। ১৭৯০ সাল নাগাদ হিট্টিটদের শহর কুসসারার নেতা নিজস্ব নথি সংরক্ষণ করতে শুরু করেন এবং এর মাধ্যমেই ইতিহাসে পদার্পণ ঘটে হিট্টিটদের।

    তাদের নেতা আনিট্রাস তার পিতার কাছ থেকে দুই শহরবিশিষ্ট ছোটো রাজত্বটি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছিলেন। তার পিতা নিকটবর্তী নেসা শহরে রাতের অন্ধকারে অতর্কিত হামলা চালিয়ে সেখানকার রাজাকে অপহরণ করে নিয়ে আসেন এবং শহরটির দখল নিয়ে নেন। পিতার আমলে আনিট্টাস ‘লর্ড অব দ্য ওয়াচটাওয়ার’ হিসেবে কর্মরত ছিলেন, যে দায়িত্বের অংশ হিসেবে তাকে রাজত্বটির সীমানার চারপাশে বসানো সকল প্রহরাকেন্দ্র বা ওয়াচটাওয়ার থেকে পাওয়া প্রতিবেদনগুলোকে পর্যালোচনা করতে হতো। পিতার মৃত্যুর পর ‘কুসসারার রাজপুত্র’ হিসেবে পরিচিত আনিটাস সাম্রাজ্য বিস্তারের নিজস্ব লড়াই শুরু করলেন। তিনি নিকটবর্তী শক্তিশালী শহর হাটুসাসের উপর মুহুর্মুহু আক্রমণ চালাতে চালাতে এক সময় শহরটিকে লুটে নিতে সক্ষম হলেন। তিনি শহরটিকে অভিশাপ দিলেন, ঠিক যেভাবে আগাদে শহর দখল করে সেটিকে অভিশপ্ত করা হয়েছিল—‘আমি শহরে আগাছা রোপণ করলাম… আমার পরে যে রাজা হবে তাকে যেন ঝড়ের দেবতা বজ্র দিয়ে আঘাত করেন এবং হাটুসাকে নতুন করে সাজান।’

    তারপর তিনি পুরুশখন্দ শহরের দিকে এগিয়ে গেলেন। এই শহরটি হিট্টিটদের কাছে পবিত্রভূমির মতো ছিল, যেমনটি ছিল সুমেরীয়দের কাছে নিপ্পুর। এই শহরটিও নিপ্পুরের মতো সবার মনে অবিসংবাদিত রাজধানীর আসনে ছিল এবং এর শাসনকর্তা সমগ্র ভূখণ্ডের উপর আধিপত্যের দাবি করতে পারতেন। পুরুশখন্দের রাজা হাটুসাসের ধংসস্তূপের উপর থেকে দৃশ্যমান কালো ধোঁয়া দেখেই সম্ভবত কোনো লড়াই ছাড়াই আত্মসমর্পণ করলেন।

    তার সমসাময়িক রাজা হাম্মুরাবি তখন টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিসের দুইপাশের ভূখণ্ডের দখল নেওয়ার জন্য জানপ্রাণ দিয়ে লড়ছেন। একইভাবে আনিট্টাসও একটি জাতি গঠন করলেন। তিনি সগৌরবে ঘোষণা দিলেন, ‘সূর্য উদয় হয় এরকম সকল ভূখণ্ড আমি দখল করে নিয়েছি।’

    মানচিত্র-১৭ : হিট্টিটদের ভূমি 
    মানচিত্র-১৭ : হিট্টিটদের ভূমি 

    এই দাম্ভিক ঘোষণার পাশাপাশি তিনি নিজেকে রাজপুত্রের পরিবর্তে ‘মহান রাজা’ হিসেবে অভিহিত করতে লাগলেন। তিনি চল্লিশ বছর ধরে রাজত্ব করতে পেরেছিলেন; যা ছিল যে-কোনো প্রাচীন রাজার জন্য বেশ সম্মানজনক একটি সময়পর্ব। হাম্মুরাবির মৃত্যুর এক বছর পরে তার মৃত্যু হয়। তবে এই দুজনের মধ্যে বার্তা বিনিময়ের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    আনিট্টাসের নিজের হাতে বানানো রাজত্বটি বেশ কয়েক প্রজন্ম ধরে কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা শহর কুসসারাকে ঘিরেই পরিচালিত হয়েছিল। অবশেষে একজন রাজা সিদ্ধান্ত নিলেন অভিশাপকে অবজ্ঞা করার এবং তিনি হাটুসাস শহরকে পুনর্নির্মাণ করতে গেলেন। ধ্বংস হয়ে যাওয়া শহরটির কাছেই ছিল সাতটি ঝরনা; এর চারপাশ ঘিরে ছিল উর্বর ভূমি এবং সেখানে এমন একটি টিলা ছিল যার উপর খুব সহজেই প্রাসাদ নির্মাণ করে সেটিকে প্রতিরক্ষা দেওয়া যেতে পারে। এরকম চমৎকার একটি জায়গাকে ফেলে রাখাকে পুরোপুরি অর্থহীন মনে হচ্ছিল।

    কুসসারা থেকে হাটুসাসে রাজধানী স্থানান্তর করার সঙ্গে সঙ্গেই এই রাজাটি হাটুসিলিস প্রথম নামে পরিচিত হলেন, যার মানে হলো ‘যিনি হাটুসেস থেকে এসেছেন।’ তিনি এশিয়া মাইনরের বিভিন্ন জায়গা থেকে শুরু করে ভূমধ্যসাগরের উত্তর-পূর্ব তীরে অবস্থিত পশ্চিম সেমাইট রাজত্বের উপর সশস্ত্র হামলা পরিচালনা করেছিলেন, যার ফলে বেশ কিছু ছোটো শহর তার দখলে আসে। আনিটাস হিট্টিট জাতির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কিন্তু হাটুসিলিস তাদেরকে একটি সাম্রাজ্যে রূপান্তরিত করেছিলেন, যাদের অধীনে বিভিন্ন জাতি ছিল।

    তিনি ছিলেন একজন চৌকশ যোদ্ধা। খুব সম্ভব সেই আমলে তার চেয়ে যোগ্য কোনো যোদ্ধার অস্তিত্ব ছিল না—হরপ্পার শহরগুলো পানিতে ডুবে যাচ্ছিল; হাম্মুরাবি ততদিনে গত হয়েছেন; মিশরে থেবেস আর আভারিসের রাজারা যুদ্ধে লিপ্ত ছিলেন এবং মিনোসের রাজত্ব কালের গর্ভে হারিয়ে গিয়েছিল।

    তবে এত সাফল্যের পরও হাটুসিলিসের মৃত্যু হয় চরম দুঃখ-দুর্দশার মধ্যে এবং সেটি হাটুসাস শহরে নয় বরং তার পুরানো বাসস্থান কুসসারায়। তিনি নিজেই মৃত্যুশয্যায় বসে অনুরোধ করেছিলেন তাকে তার আদি নিবাসে নিয়ে যাওয়ার জন্য। টেস্টামেন্ট নামের একটি হিট্টিট নথিতে তার নাতি মুরসিলিসের উদ্দেশ্যে দেওয়া বিদায়ী ভাষণের বৃত্তান্ত খুঁজে পাওয়া যায়। সেই বক্তব্যে হাটুসিলিস তার ছেলে ও মেয়ের প্রতি বিষোদ্‌গার করেন; এবং বলেন যে তারা অভিজাত শ্রেণির বিপথগামী হিট্টিটদের কথায় কান দিয়েছিল এবং তাতে তার প্রতি তাদের মন বিষিয়ে ওঠে। হাউসিলিস অভিযোগ করেন, ‘তারা আমার ছেলেমেয়েকে বলেছিল-তোমরা পিতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করো এবং তারা সেই কথায় প্ররোচিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে জড়িয়ে পড়ে।’

    ইতোমধ্যে তিনি তার দুই সন্তানকে ত্যাজ্য করে নিজের ভাগ্নেকে উত্তরাধিকারী হিসেবে নির্বাচন করে রেখেছেন মনে মনে। কিন্তু তিনি তার জীবন সায়াহ্নে এসে ভাগ্নেকেও পরিত্যাগ করলেন। টেস্টামেন্টে রেখে যাওয়া বর্ণনা অনুযায়ী সেই ভাগ্নের মধ্যে সহমর্মিতার গুণাবলি ছিল না। সে ছিল নিরুত্তাপ ও নির্দয় এবং তার রাজা হওয়ার মতো যোগ্যতা ছিল না। তার চরিত্রের এই বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্য তার মাকেই অর্থাৎ নিজ বোনকে দায়ী করেন হাটুসিলিস। তিনি বোনের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন : ‘তুমি ঘাসের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সাপ, যে গরুর মতো জোরে শব্দ করে।’ বলা বাহুল্য, সেই বোনটি বা তার ছেলে কেউই সিংহাসনের কাছেও ভিড়তে পারেননি। বৃদ্ধ রাজা অবশেষে নাতি মুরসিলিসকে উত্তরাধিকারী হিসেবে নির্বাচন করেন এবং অসংখ্য সামরিক বিজয় ও পারিবারিক অতৃপ্তি নিয়ে তার জীবনাবসান ঘটে।

    ১৩ কিংবা ১৪ বছর বয়সি মুরসিলিস নিজেকে আবিষ্কার করলেন একগাদা রিজেন্ট বা রাজকীয় অভিভাবকের মাঝে, যাদের দায়িত্ব ছিল প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগ পর্যন্ত তার খেয়াল রাখা। শুধু এই অভিভাবকরাই নয়, সম্পত্তি ও উত্তরাধিকারবঞ্চিত রাজার আত্মীয়স্বজনও তাকে ঘিরে রাখছিল। তবে এত গোলযোগের মধ্যেও মুরসিলিস সিংহাসনে দখল করার বয়স পর্যন্ত মোটামুটি নির্ঝঞ্ঝাটেই পৌঁছাতে পেরেছিলেন; যেটি সেই যুগের জন্য বেশ বড়ো একটি প্রাপ্তি হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। তার অভিভাবক-ভাগ্য বেশ ভালো ছিল, কারণ তিনি পেয়েছিলেন আদর্শ মানুষ ও হিট্টিট রাজপুত্র পিমপিরাকে। তিনি মুরসিলিসকে শুধু একজন যোগ্য রাজা নয় বরং একজন সহমর্মী শাসক হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। হিট্টিটদের নথিতে পিমপিরার উপদেশের বর্ণনা পাওয়া গেছে। তিনি মুরসিলিসকে বলেন, ‘ক্ষুধাতজনকে রুটি দাও। উলঙ্গ মানুষকে কাপড় দাও। শীতে কাতর মানুষদের উষ্ণতা দাও।’

    তবে সিংহাসনে বসার পর মুরসিলিস সহমর্মিতা দেখানোর বদলে নতুন ভূখণ্ড দখলের দিকেই বেশি নজর দিলেন। তিনি আলেপ্পোর সঙ্গে আগের শাসকদের সাক্ষরিত শান্তিচুক্তি ভঙ্গ করে অঞ্চলটিকে দখল করে নেন। এই ঘটনাটি এভাবে বর্ণনা করা হয়েছে টেস্টামেন্টে : ‘মহামান্য রাজা হাটুসিলিসের মৃত্যুর পর তার নাতি মহামান্য মুরসিলিস আলেপ্পোর রাজবংশ ও আলেপ্পো শহরকে ধ্বংস করেন।’

    আলেপ্পোর সাফল্যে উজ্জীবিত হয়ে মুরসিলিস ব্যাবিলনের দিকে যাত্রা শুরু করেন। যাত্রাপথে তিনি বিভিন্ন কাসসাইট যুদ্ধনেতার মুখোমুখি হন। তিনি তাদেরকে পরাজিত করেন অথবা তাদের সাথে মৈত্রী স্থাপন করেন। খ্রিষ্টপূর্ব ১৫৯৫ সালের মধ্যে তিনি ব্যাবিলনের প্রাচীরের কাছাকাছি চলে আসেন। এরপর খুব সহজেই তিনি হাম্মুরাবির বংশধরকে (নাতির নাতি) পরাজিত করেন। মুরসিলিসের নিজের বর্ণনামতে, তিনি শহরের সব সম্পদ দখল করে নেন, বাসিন্দাদের বন্দি করেন এবং রাজাকে লোহার চেইন দিয়ে আটকে রাখেন। হাম্মুরাবির সর্বশেষ বংশধরটির ভাগ্যে শেষ পর্যন্ত কী ঘটেছিল তা আর জানা যায়নি।

    মুরসিলিস ব্যাবিলনকে নিজের রাজত্বের সঙ্গে সংযুক্ত করার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি তার আধিপত্য প্রমাণ করেছেন। তিনি তার নানার মতো ছিলেন; তিনি নিজেকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিমান রাজা হিসেবে প্রমাণ করতে পেরেই খুশি ছিলেন। ব্যাবিলন তার সাম্রাজ্য থেকে অনেক দূরে ছিল। হাটুসাসে বসে সেই শহর শাসন করা খুব কঠিন হতো। তাই তিনি মুরসিলিস শহরকে অরক্ষিত অবস্থায় রেখে নিজের রাজধানীতে বিজয়ীর বেশে ফিরে যান। তিনি অনেক দূরে চলে যাওয়ার পর কাসসাইট যুদ্ধবাজ নেতারা ব্যাবিলনের ধ্বংসস্তূপের উপর আধিপত্য স্থাপন করতে এলেন। অবশেষে ব্যাবিলনে অ্যামোরাইটদের শাসনের অবসান হলো।

    মুরসিলিস আটক করা বন্দিদের ও লুট করা ধনসম্পদ নিয়ে বিজয়ীর বেশে নিজের রাজধানী হাটুসাসে ফিরে আসেন। বিপুল জয়ধ্বনীর নেপথ্যে তাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র ততক্ষণে দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    ষড়যন্ত্রের কারিগর ছিলেন তারই কাপবাহক হ্যানটিলি, যিনি ছিলেন একজন বিশ্বাসভাজন কর্মকর্তা এবং একইসঙ্গে মুরসিলিসের বোনজামাই। মুরসিলিসের অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী শাসক হিসেবে রাজত্ব করতে করতে তিনি মসনদের প্রেমে পড়ে যান। হঠাৎ রাজার ফিরে আসার ব্যাপারটি তাকে খুশি করতে পারেনি। ব্যাবিলন থেকে ফিরে আসার অল্পদিন পরে হ্যানটিলি ও প্রাসাদের আরেকজন কর্মকর্তা মিলে মুরসিলিসকে হত্যা করেন এবং হ্যানটিলি ক্ষমতা দখল করে নেন। হিট্টিটদের ক্রনিকল আমাদের জানায়, ‘তারা খারাপ একটি কাজ করেছে; তারা মুরসিলিসকে হত্যা করে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে।’

    হ্যানটিলি প্রায় তিন দশক ধরে ক্ষমতা দখল করে রাখতে পেরেছিলেন। এই সময়ে হিট্টিটরা বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। তবে তিনি একটি দুর্ভাগ্যজনক ধারার সূত্রপাত করেছিলেন। হ্যানটিলি মারা যাওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই রাজসভার একজন কর্মকর্তা তার সন্তানকে এবং নাতিদের হত্যা করেন এবং জোর করে সিংহাসন দখল করে নেন। পরবর্তীতে তাকে তার নিজ সন্তান হত্যা করেন। সেই হত্যাকারী সন্তান মৃত্যুবরণ করেন একজন উৎখাতকারীর হাতে এবং উৎখাতকারীর মৃত্যু হয় আততায়ীর হাতে। এভাবেই রক্তে রঞ্জিত হতে থাকে হিট্টিটদের সিংহাসন। হিট্টিটদের উত্তরাধিকার নির্বাচনের বিষয়টি এমন হয়ে দাঁড়ায় যে রাজাকে হত্যা না করে কেউ রাজত্ব দখল করতে পারছিলেন না।

    গুপ্তহত্যার বছরগুলোতে হাটুসাস শহরের রাজপ্রাসাদের চারপাশে ২৫ ফুট ঘনত্বের একটি মোটা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিল। হিট্টিট শাসকদের জন্য তার নিজ রাজত্বের সীমানার ভেতরে বসে রাজকার্য পরিচালনা করা যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ার চেয়ে বেশি বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার
    Next Article অশরীরীজগৎ – ইশতিয়াক হাসান

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }